Bangladesh: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রক্তারক্তি কান্ড, পর পর পড়ছে দেহ

heavy-gun-fire-and-group-clash-at-coxsbazar-rohingya-camp

নিউজ ডেস্ক: গুলি চালিয়ে হামলা। সেই হামলায় রক্তাক্ত বাংলাদেশেপ রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির। বেশ কয়েকজন মৃত। ঘটনাস্থল কক্সবাজারের উখিয়া। এখানেই বৃহত্তম রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম জানান পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ। এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। তিনি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষের  ঘটনায় ছয় জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে উখিয়ার ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই ঘটনা ঘটে।

রোহিঙ্গাদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে দু পক্ষগুলি চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাত করা হয়। কয়েকজন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলে। জখম হয়েছে ১০-১২ জন রোহিঙ্গা। ঘটনার পর পরই পুলিশ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান শুরু করেছে। 

সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলি করে খুন করা হয় আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা নেতা মুজিবুল্লাহকে। সেই ঘটনার পরে এবার নতুন করে রক্তাক্ত শরণার্থী শিবির। তবে রোহিঙ্গা শিবিরে আগেও গোষ্ঠী সংঘর্ষ হয়েছে।

Myanmar: রোহিঙ্গা নেতা খুনে জড়িত বর্মী সেনা সরকার, বিস্ফোরক দাবি জঙ্গি সংগঠনের

Mohib Ullah

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে খুন হয়েছেন রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ। তাঁর খুনে জড়িত মায়ানমারের (Myanmar) বর্তমান সামরিক সরকার। এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছে পাকিস্তান মদতপুষ্ট রোহিঙ্গা জঙ্গি সংগঠন আরসা (ARSA)। বিবৃতি দিয়েছে এই সংগঠনটি।

আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসা মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সক্রিয়। বাংলাদেশের চট্টগ্রামের কুতুপালং রোঙিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে খুন হওয়া মুহিবুল্লাহর পরিবারের অভিযোগ, আরসা জঙ্গিরা গুলি করেছিল। যদিও বাংলাদেশ সরকার এখনও তদন্ত চালাচ্ছে কিন্তু কোনও সংগঠনের নাম বলেনি।

মুহিবুল্লাহ কে খুনের পর আরসা জঙ্গি সংগঠনের মুখপাত্র মৌলভি শোয়েব জানায়, মায়ানমার সরকারের এজেন্টরাই মুহিবুল্লাহ হত্যায় জড়িত। আরসার দাবি, এই খুনের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

মৃত রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর আন্তর্জাতিক পরিচিত ছিল। তিনি বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফের মায়ানমারে পাঠানোর বিষয়ে রাষ্ট্রসংঘ ও তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাত করেন।

অভিযোগ, মায়ানমার সরকার কোনওভাবেই রোহিঙ্গাদের ফেরাতে চায় না। তাই মুহিবুল্লাহর মতো নেতাকে সরিয়ে দিতে জঙ্গি সংগঠন আরসা কে কাজে লাগিয়েছে মায়ানমারে সেনা সরকার।

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলির মধ্যে আরসা জঙ্গি ও কিছু সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয়। মুহিবুল্লাহ খুনের তদন্তে উঠে এসেছে রাত নামলেই শরণার্থী শিবিরগুলিতে তাদের গতিবিধির কথা।

কয়েকবছর আগে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে (পূর্বতন আরকান) রক্তাক্ত গোষ্ঠী সংঘর্ষের পর তৎকালীন আউং সান সু কি নেতৃত্বে চলা সরকার দমন নীতি নেয়। সেনা অভিযানে গণহত্যা শুরু হয়। লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা পাহাড়ি পথে ও বঙ্গোপসাগর পেরিয়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে ঢুকে পড়েন। তাদের জন্য বৃহত্তম শরণার্থী শিবির চালাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। ঢাকার অভিযোগ, বারবার শরণার্থী রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বলা হয়। কিন্তু মায়ানমার সরকার উদ্যোগ নেয়না।

Bangladesh: রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে এলোপাথাড়ি গুলি, তীব্র আতঙ্ক

Rohingya leader has killed

নিউজ ডেস্ক: রাতে হয়েছে হামলা। সেই হামলার পর বৃহস্পতিবার সকালেও তীব্র আতঙ্ক বাংলাদেশের (Bangladesh) তথা বিশ্বের বৃহত্তম রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে। গুলি করে খুন করা হয়েছে রোহিঙ্গা নেতাকে। ঘটনার কেন্দ্র কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং ক্যাম্প। মায়ানমার থেকে পালিয়ে আসা লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গার এখন আশ্রয়স্থল এই এলাকা।

বিবিসি জানাচ্ছে, কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে খুন হয়েছেন,রোহিঙ্গা শীর্ষ নেতা মহিবুল্লাহ। রোহিঙ্গা নেতাকে খুব কাছে থেকে গুলি করা হয়। তাঁর স্ত্রী জানান, বুধবার রাতে কুতুপালং শিবিরে তাদের ক্যাম্পে চার পাঁচজন এসেছিল। তারাই গুলি করেছে।

Rohingya leader has killed

২০১৯ সালে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে ভাষণ দিতে আমন্ত্রিত ছিলেন তিনি। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাতের জন্য হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রিত ছিলেন।

জানা গিয়েছে, মহিবুল্লাহর সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস। এই সংগঠনটি মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ (পূর্বতন আরাকান) থেকে সেনাবাহিনীর হামলায় উচ্ছেদ হওয়া রোহিঙ্গাদের অধিকারের দাবিতে কাজ করত। কারা খুন করেছে সেটাই রহস্যময়। কারণ, কক্সবাজারের পুলিশ এখনও কিছু জানায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, হামলাকারীরা রোহিঙ্গা নেতার পরিচিত।