KMC: তৃতীয় হয়েছি, জয় শ্রী রাম! BJP নেতাদের কটাক্ষ করে আক্ষেপ সংঘ প্রচারকের

BJP Party Office

News Desk: কলকাতা পুরনিগমের (KMC) ভোট কি দলের ললাট লিখন? কী বলবেন? রাজ্য নেতাদের বেশিরভাগই ‘অপদার্থ’, ভেবেছিল টাকা দিয়ে উতরে যাবে, বাংলার ভোট যে হিন্দি এলাকার নয় তা কে বোঝাবে। তিন নম্বরে নামিয়েছে এবার শেষ করে দেবে। বলেই থামলেন মফস্বল ভিত্তিক আরএসএস নেতা। তিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক। বরাবর সংঘের সাংগঠনিক দিক থেকে শাখা দলকে সতর্ক করেছেন।

এ তো রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে গেল। দেখুন কত ভাঙবে এবার। দিলীপবাবু যে শক্তি নিয়ে নেমেছিলেন, তার বিচার না করে চটজলদি টাকা ছড়িয়ে ভোটের ফায়দা তুলেছেন তবে ওতে কিছু হবে না। কলকাতা পুর নির্বাচনের ফলাফল তো দেখলেন, সিপিএমেরও নিচে নেমেছি আমরা!

সংঘ প্রচারকের সাফ জবাব, যে কমিউনিস্টদের হটাতে কালঘাম ছুটেছে তাদের প্রভাব কি এতই কম হবে হুড়হুড়িয়ে, এটা সম্ভব না। বিধানসভা ভোটের পরেই বলেছিলাম খেসারত দিতে হবে। কলকাতা থেকে দিতে শুরু করল বিজেপি। আমরা কি আর বিরোধী দল হিসেবে কিছু বলতে পারব। পাব্লিক কি এতই মাথামোটা? সরাসরি প্রশ্ন সংঘ নেতার।

আরএসএসের তরফে দক্ষিণ বঙ্গের ছটি জেলায় শাখা শক্তিশালী করার কাজ করছেন। গত বাম জমানায় দীর্ঘ সময় শুধু লেগেছে নিজেদের পরিচিত করতে। তাঁর সাফ দাবি, মমতা রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর সুযোগ বেড়েছে বৈকি। তবে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপির নেতারা সবই চান তড়িঘড়ি। তার কুফল আসছে।

বিজেপি কী করবে?
সংঘী প্রচারকের দাবি, বিজেপিই জানে। আমরা সংঘ করি আমরা নিজেদের কাজ করব। আগেও করেছি। তবে আমাদের মূল প্রতিপক্ষ কমিউনিস্ট পার্টি।

বামেরা তো বিধানসভায় নেই আর। পুর নিগমের ফলাফল থেকে কী আঁচ করলেন। সংঘী নেতার জবাব, নেই তো কী করে কলকাতায় দ্বিতীয় হয়ে আমাদের তিন নম্বরে ঠেলে দিল। ভবিষ্যতের ছবিটা বিজেপির জন্য ভালো না।

কে এস শানকে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ২ সংঘ কর্মী

murder of KS Shan

নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়ার (এসডিপিআই) রাজ্য সম্পাদক কে এস শান (k s shan)। দুষ্কৃতীদের এলোপাথাড়ি অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম শানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও রবিবার সকালে তাঁর মৃত্যু (death) হয়। শানের হত্যার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে সোমবার কেরল পুলিশ দুই আরএসএস (rss) কর্মীকে গ্রেফতার করেছে।

শানের জখম হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রবিবার সকালে বিজেপি ওবিসি মোর্চার রাজ্য সম্পাদক রঞ্জিত শ্রীনিবাসনের (ranjit shrinibasan) উপর চড়াও হয় কয়েকজন দুষ্কৃতী। দুষ্কৃতীদের ছুরির আঘাতে নিজের বাড়িতেই প্রাণ হারান বিজেপির এই নেতা। একই দিনে জোড়াখুনের এই ঘটনায় কেরলের আলাপ্পুঝা জেলায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে দু’দিনের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয় জেলায়।

পুলিশ এই জোড়া খুনের তদন্ত শুরু করে সোমবার রথিশ ও প্রসাদ নামে দুই সঙ্ঘ কর্মীকে গ্রেফতার করে। আলাপ্পুঝার পুলিশ সুপার জি জয়দেব জানিয়েছেন, শান যে গ্রামে থাকতেন ধৃত দুই ব্যক্তি সেই গ্রামেরই লোক। শানের হত্যার ষড়যন্ত্রে এই দুইজন জড়িত ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পুরো বিষয়টি জানতে ধৃতদের জেরা করা হচ্ছে। তবে ধৃতরা সরাসরি শানের খুনের সঙ্গে যুক্ত নয়। শানের উপর হামলা চালাতে দুষ্কৃতীরা যে গাড়ি ব্যবহার করেছিল সেই গাড়ির ব্যবস্থা করে দিয়েছিল এই দুই সঙ্ঘ কর্মী। তবে শানকে খুনের ঘটনায় জড়িতরা এখনও সকলেই পলাতক।

অন্যদিকে বিজেপি নেতা শ্রীনিবাসনকে খুনের ঘটনাতেও অভিযুক্তরা কেউই ধরা পড়েনি। রঞ্জিতের বাড়ির সামনের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ছটি মোটরবাইকে করে ১২ জন যুবক এসেছিল। তাদের সকলের মুখই ছিল ঢাকা।

জোড়াখুনের এই ঘটনায় পুলিশ গোটা রাজ্য জুড়ে জোরদার তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। প্রতিটি গাড়িতেও তল্লাশি চলছে। ইতিমধ্যেই সব ধরনের জমায়েতে, সভা ও মিছিলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সোমবার আলাপ্পুঝায় গ্রামের বাড়িতে রঞ্জিতের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের নেতৃত্বে বিজেপির এক প্রতিনিধি দল শ্রীনিবাসনের শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন।

জোড়া খুনের ঘটনা সকলের সঙ্গে কথা বলতে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন। তবে বিজেপির প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত ওই বৈঠক বাতিল হয়। জানা গিয়েছে এই বৈঠক হবে মঙ্গলবার। বিজেপির অভিযোগ, সোমবার সর্বদলীয় বৈঠক ডেকে মৃতদের প্রতি অসম্মান প্রকাশ করেছে বিজয়ন সরকার।

Hindustan: হিন্দুদের ছাড়া ভারতের কোন অস্তিত্ব থাকতে পারে না: মোহন ভাগবত

Mohan Bhagwat

নিউজ ডেস্ক, গোয়ালি়র: ফের ভারতকে হিন্দুরাষ্ট্র (Hindustan) বলে দাবি করে নতুন বিতর্ক তৈরি করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। শনিবার গোয়ালিয়রে এক অনুষ্ঠানে ভাগবত বলেন, হিন্দুদের ছাড়া কখনওই ভারত হতে পারে না। আবার ভারতকে বাদ দিয়ে হিন্দুদের কোন অস্তিত্ব থাকে না। অর্থাৎ ভারত থেকে হিন্দুদের অস্তিত্ব কখনই আলাদা হতে পারে না। তাই ভারতে থাকতে হলে হিন্দুদের মেনে নিয়েই থাকতে হবে।

যথারীতি ভাগবতের মন্তব্য নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকেই বলেছেন, কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার থাকার কারণেই এভাবে উস্কানিমূলক কথাবার্তা প্রকাশ্যে বলতে পারছেন ভাগবত। এই প্রবীণ নেতা যেভাবে প্রকাশ্যেই উস্কানিমূলক মন্তব্য করছেন সেটা কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় না থাকলে কখনওই করা যেত না। ভাগবতের এ ধরনের মন্তব্যে দেশে সাম্প্রদায়িক অশান্তি তৈরি হতে পারে বলেও অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

শনিবার গোয়ালিয়রের ওই অনুষ্ঠানে সংঘ প্রধান বলেন, ভারত তার নিজের অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছে। এটাই হিন্দুত্বের সারকথা। এ কারণেই তো ভারত হিন্দুদের দেশ। দেশভাগের সময় ভারতকে ভেঙে তৈরি হয়েছিল পাকিস্তান। আমরা হিন্দু এই ধারণাটি ভুলে যাওয়ার কারণেই ভারত এক সময় ভেঙে গিয়েছিল। ভাগবত দাবি করেন, হিন্দুদের সংখ্যা ক্রমশ কমছে। কমছে হিন্দুদের শক্তি। কমে গিয়েছে হিন্দুত্বের আবেগ। তাই হিন্দুরা যদি নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চায় তাহলে ভারতকেও অখন্ড হতে হবে। এর আগেও একটি অনুষ্ঠানে দেশভাগ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ভাগবত বলেছিলেন, দেশভাগের কারণে ভারতকে কী ধরনের দূর্ভোগে পড়তে হয়েছে সেটা হিন্দুদের কখনওই ভুলে যাওয়া উচিত নয়। একমাত্র দেশভাগের ওই সিদ্ধান্ত বাতিল হলে তবেই সেই যন্ত্রণা ভোলা যাবে।

RSS: মমতা-মোদীর দ্বৈরথে বঙ্গে আরও শাখা বিস্তার করতে মরিয়া সংঘ

rss to establish more branch in west bengal

News Desk: উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোট নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তেমন সাড়াশব্দ নেই। তিনি সরাসরি জোর দিয়েছেন গোয়া ও ত্রিপুরায়। রাজনৈতিক মহলের গুঞ্জন, দিদির মোদী বিরোধিতাকে নরম চোখেই দেখছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (RSS)। দিদি-মোদী দ্বৈরথের মাঝেই পশ্চিমবঙ্গে ব্লক ভিত্তিক শাখা সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছে বিজেপির শিরদাঁড়া সংঘ পরিবার।

সূত্রের খবর, নাগপুর থেকে সংঘ কর্তার বার্তা এসেছে বঙ্গ সংঘীদের কাছে। বিধানসভা ভোটে সরকার গড়তে না পারা ও পরপর উপনির্বাচনে জমানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপির। আর বিশ্লেষকদের যুক্তি, তৃ়ণমূল কংগ্রেস নেত্রী যতটা মোদী-অমিত শাহ নেতৃত্বের বিজেপি বিরোধী মন্তব্য করেন তার এক ছটাকও আরএসএসের বিরুদ্ধে বলেন না।

RSS

সূত্রের খবর, এই সুযোগটি নিতে মরিয়া সংঘ। কারণ, পশ্চিমবঙ্গে বিগত বাম জমানায় সংঘের অস্তিত্ব থাকলেও চরম বিপরীত শক্তি কমিউনিস্ট নেতৃত্বের হাতে রাজ্যের ভার ছিল। বাম জমানার আগে কংগ্রেস ও যুক্তফ্রন্ট সময়ে সংঘ সফল হয়নি, বামমুখী রাজনৈতিক ঝড়ে। সেই বঙ্গ এখন বাম বিমুখ। বিধানসভায় বামেদের শূন্য করে দিয়েছেন মমতা। আগামী সময়ে বামপন্থীরা যে দ্রুত শক্তি অর্জন করতে পারবে এমন আশা করছে না সংঘ। এই পরিস্থিতিতে শাখা সম্প্রসারণ গুরুত্ব পেয়েছে সংঘ নেতৃত্বের কাছে।

Modi Vs RSS

সূত্রের আরও খবর, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতাদের ভূমিকা নিয়ে বঙ্গ সংঘীদের বেশিরভাগই ক্ষুব্ধ। তাঁদের যুক্তি, এই রাজ্যের বিজেপি নেতদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার অভাব এতটাই যে ক্ষমতায় আসার লোভে বাছবিচার করা হয়নি। ফলে দ্রুত বিজেপি ভেঙে যাবে। সেই ভাঙন থেকে ফের বাম শক্তি বেড়ে উঠবে বলে মনে করছে সংঘ।

বঙ্গ সংঘী নেতা যাঁরা জেলার গ্রামাঞ্চলে কাজ করেন, তাঁদের কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, বামেদের পুনরায় উত্থান হতেই পারে। তাঁদের যুক্তি, জনসমর্থন হারালেও কমিউনিস্ট মতাদর্শের কোনও ক্ষতি হয়না। ঠিক যেভাবে সংঘ দীর্ঘ সময় পশ্চিমবঙ্গে ক্ষীণকায় ছিল কিন্তু টিকে ছিল।

<

p style=”text-align: justify;”>কিছু সংঘ নেতার স্পষ্ট দাবি, পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে হিন্দি বলয়ের মানসিকতার সঙ্গে তুলনা করে বড় ভুল করেছেন নেতারা। তাঁদের দেখছেন না, একটা যে কোনও মিছিলে বামেদের ভিড়। সাংগঠনিক কারণে সেই ভিড়কে ভোটের দিকে ঠেলে আনতে পারছে না কমিউনিস্ট পার্টি। তবে দীর্ঘ বাম শাসনের ফলে রাজ্যবাসীর কাছে তারা পরিচিত। সেটি ফিরে যেতে পারে।

Varanasi: ‘হিন্দুস্তাঁ হমারা…’ লেখক ইকবালের ছবি দিয়ে অনুষ্ঠানের ‘ভুল’ স্বীকার BHU কর্তৃপক্ষের

BHU controversy

News Desk: ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা হিন্দুস্তাঁ হমারা’ রচয়িতা কবি মহম্মদ ইকবালের জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠান নিয়ে তীব্র চাপের মুখে ভুল স্বীকার করে নিল বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি। দেশের অন্যতম এই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ভুল স্বীকার করতে চাপ দিয়েছে সংঘ পরিবারের ছাত্র শাখা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (AVBP)। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

কবি মহম্মদ ইকবাল ভারত ভাগের পর পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেন। তাঁকে পাকিস্তান জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়েছে। তিনি বিখ্যাত ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা হিন্দুস্তাঁ হমারা’ এই উর্দু কবিতা লিখে।

বিবিসি জানাচ্ছে, বেনারশ হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগ তাদের পোস্টারে বিখ্যাত উর্দু কবি মুহাম্মদ ইকবালের ছবি ব্যবহার করে ৯ নভেম্বর তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে। এর পরেই এবিভিপি ছাত্র সংগঠনের চাপের মুখে সেই ছবি প্রত্যাহার করে নিজেদের ‘ভুল’ স্বীকার করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

উত্তর প্রদেশের বারাণসী থেকেই সাংসদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আরএসএসের ছাত্র সংগঠনের দাবি, কেন বিএইচইউ প্রতিষ্ঠাতা পন্ডিত মদনমোহন মালব্যর ছবি নেই উর্দু বিভাগের পোস্টারে। এই নিয়ে বিতর্ক চরমে ওঠে।

বিবিসি জানাচ্ছে, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইচইউ) উর্দু বিভাগ প্রতি বছর ৯ই নভেম্বর কবি ইকবালের জন্মদিন ‘উর্দু দিবস’ হিসেবে পালন করে। তারা একটি ওয়েবিনারের আয়োজন করেছিল। সেই ওয়েবিনারের পোস্টারে কবি ইকবালের ছবি কেন আছে এবং তা নিয়ে তুমুল প্রতিবাদ জানায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। একজন পাকিস্তানি নায়ককে কেন বিএইচইউ সম্মান দেখাবে সেই প্রশ্ন তুলে কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়।

RSS: মোদী সরকারের উপর ক্ষুব্ধ সংঘ, দেশব্যাপী বিক্ষোভ

Modi Vs RSS

নিউজ ডেস্ক: সংঘ ক্ষুব্ধ (RSS)। সংঘীদের রাগ গিয়ে পড়েছে মোদী সরকারের উপরে। রাগের কারণ, সরকারি সম্পত্তির ঢালাও বেসরকারিকরণ নীতি। আরএসএসের শ্রমিক শাখা ভারতীয় মজদুর সংঘ (BMS) জানিয়েছে, আগামী ২৮ অক্টোবর দেশব্যাপী আন্দোলন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন হবে।

সরকারি সম্পত্তির ঢালাও বেসরকারিকরণ বিরোধিতায় ডান-বাম কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি বারবার অবস্থান বিক্ষোভ, শিল্প ও খনি ধর্মঘটে সামিল হয়েছে। দেশজুড়ে এই ধর্মঘটগুলি সরকারিক্ষেত্রে বারবার প্রভাব ফেলেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা বিক্রির বিরোধিতায় ইনটাক (INTUC), আইটাক (AITUC), সিটু (CITU) সহ শ্রমিক সংগঠনগুলি সামিল হয়। কিছুক্ষেত্রে বিএমএস (BMS) এক মঞ্চে আসে।

এবার বিএমএস একলাই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে। বিক্ষোভ কর্মসূচির বিষয়ে জানান, বিএমএসের সর্বভারতীয় সম্পাদক গিরিশচন্দ্র আর্য। তিনি বলেন, সরকার যে বিলগ্নিকরণ নীতি নিয়েছে তার প্রতিবাদ হবেই। অন্যান্য কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি এই বিরোধিতায় সামিল হোক। বিএমএস দেশজুড়ে ধর্না কর্মসূচি পালন করবে।

বিএমএস সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারে কে আছে তা বিচার্য নয়। দরকার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার বিলগ্নিকরণ নিয়ে সরকারের ভূমিকার বিরোধিতা। বিএমএস সেটাই করছে। তাঁর প্রশ্ন, লাভজনক সরকারি সংস্থাগুলি কেন কেন্দ্র সরকার বিক্রি করতে চাইছে?

বিএমএস সাধারণ সম্পাদকের আরও অভিযোগ, সরকার যে অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পরিকল্পনা করে তারা কিছুই জানেন না। একইসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন সরকারি সম্পত্তির বিক্রয়কে আড়াল করতে চাইছেন।

Mohan Bhagwat: তালিবান পাল্টালেও পাকিস্তান একই থাকবে, বিজয়া ভাষণে ভাগবত

Mohan Bhagwat

নিউজ ডেস্ক: প্রথামাফিক বিজয়া দশমী পালন উৎসব অনুষ্ঠান থেকে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা কঠোর করতে মোদী সরকারকে বার্তা দিলেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত। মহারাষ্ট্রের নাগপুরে প্রতিবারের মতো এবছরও বিজয়া দশমী পালন করে আরএসএস।

অনুষ্ঠান থেকে সংঘ প্রধান বলেন,আফগানিস্তানে ফের সরকার গড়া তালিবানের চরিত্র কী তা স্পষ্ট। তাদের অতীত আমরা জানি। তবে তালিবান তার রূপ পাল্টাতে পারে। কিন্তু তালিবানকে সমর্থন করা পাকিস্তান তার চরিত্র বদলাবে না। এই প্রসঙ্গে মোহন ভাগবত চিনকেও টেনে এনেছেন। তিনি বলেন, চিনের অভিপ্রায় কি পাল্টেছে?

উল্লেখ্য, চিন ও পাকিস্তান দুই দেশের সঙ্গে ভারতের আন্তর্জাতিক সীমান্ত। ভাগবতের দাবি, ভারত সীমান্ত আরও মজবুত পাহারার ব্যবস্থা করতে হবে।

রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ প্রধানের ভাষণের পরেই কূটনৈতিক মহলে শোরগোল পড়েছে। কূটনীতিকরা মনে করছেন, যেহেতু বিজেপি হলো সংঘের রাজনৈতিক শাখা তাই সংঘ ঠিক করে দিল তালিবান সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক রসায়ণ সূত্র।

আফগানিস্তানের ক্ষমতার দ্বিতীয়বার আসার পর তালিবান জঙ্গি গোষ্ঠী বারবার আন্তর্জাতিক মহলের কাছে নিজেদের নরম অবস্থান তুলে ধরার বার্তা দিয়েছে। তারা জানায়, এই তালিবান সরকার পূর্ববর্তী তালিবান নয়। অনেক নরম। তবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগছম ও সংবাদ সংস্থাগুলির দাবি, আফগানিস্তানে গণহত্যা শুরু করেছে তালিবান।

নাগপুরে সংঘ সদর কার্যালয়ের বিজয়া দশমী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত সহ অন্যান্যরা। শারদ উৎসবের আগে অবস্য মহারাষ্ট্রের নাগপুর সংলাপ এলাকায় জনসমর্থনে ধাক্কা খেয়েছে বিজেপি। পঞ্চায়েতস্তর থেকেই আসন ও জনসমর্থনে ধস নামতে শুরু করেছে।

RSS: দুর্গাপূজার মাঝেই সংঘ সদরে পরাজয়ের বিষাদ সুর

RSS

নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) মূখ্য কার্যালয়ে দুর্গাপূজার মাঝেই বাজছে বিষাদ সুর। মহারাষ্ট্রে ক্রমশ জমি হারাচ্ছে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপি। খোদ সংঘ সদর কার্যালয় নাগপুর (Nagpur) জেলায় বিরাট ধস নেমেছে।
মহারাষ্ট্র পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে নাগপুর জেলাতে আরএসএসের বোলবোলাও কমতি লক্ষনীয়। সেখানে ভাগ বসিয়েছে কংগ্রেস। নাগপুর জেলা পরিষদের ১৬টি আসনের মধ্যে ৯টি দখল করে নিয়েছে কংগ্রেস। বিজেপির দখলে তিনটি। নাগপুর পঞ্চায়েত সমিতি ও পুর নিগমের জনসমর্থন ঢলতে শুরু করেছে কংগ্রেসের দিকে। 

নাগপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকেই বিজেপির সুপার হেভিওয়েট নীতীন গডকরি সাংসদ। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাড়ি নাগপুরেই। তার থেকেও উল্লেখযোগ্য, নাগপুরে আরএসএস কার্যালয় থেকেই কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বে চলা এনডিএ জোট সরকার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

এদিকে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সংঘ সদরে ভোটের ধস নেমে যাওয়ায় উল্লসিত কংগ্রেস শিবির। মহারাষ্ট্র প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের ধারণা, এই ধাক্কা দেখা যাবে উত্তর প্রদেশে।

বিজেপির অন্যতম ভরসার রাজ্য এখন কৃষক আন্দোলনে তপ্ত। লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মামলায় প্রবল অস্বস্তিতে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। এই মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় শর্মার পুত্র আশিস শর্মা গ্রেফতার হয়েছেন। অভিযোগ, তার নির্দেশে লখিমপুর খেরিতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কৃষকদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

উত্তর প্রদেশের কৃষক আন্দোলনের রেশ এই রাজ্যের বিধানসভা ভোটে পড়তে চলেছে। এমনই আশঙ্কা সংঘ পরিবারের। তাৎপর্যপূর্ণ, সংঘ পরিবারও কৃষকদের উপর জোরজবরদস্তির বিরোধিতা করে। এতে অস্বস্তিতে পড়েন প্রধানমন্ত্রী মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

খবর এও এসেছে, পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজার পর পরই বিজেপিতে ধরে নামতে চলেছে। ডজন খানেক বিধায়ক দলত্যাগ করতে চলেছেন। বেশ কিছু সাংসদ দলত্যাগ করবেন। পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরায় বিজেপির ভাঙন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

TMC তে আসতে চলা ফিরহাদের সেই ‘বড় নেতা’ কে? সংঘ-বিজেপি কানাকানি চলছে

RSS Vs BJP

নিউজ ডেস্ক: মোটামুটি দু’ডজন যাচ্ছেনই। নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে বিজেপি। বিরাট ধাক্কা লাগতে চলেছে মেনে নিচ্ছেন বিরোধী দলের রাজ্য নেতারা। কিন্তু সে কে ? কত বড় নেতা? যার কথা মেয়র ফিরহাদ হাকিম ইঙ্গিতে বলেছেন। বিরোধী দল বিজেপির অন্দর এখনও অস্পষ্ট। তবে সন্দেহ যার বা যাদের দিকে তারা এমন উচ্চস্তরের যে সরাসরি সন্দেহ করাও যাচ্ছে না।

রাজ্য আরএসএসের বড় এক নেতার দাবি, এখন আর অত নীতিবাক্য আঁকড়ে রাজনীতি করার দিন নেই। দেখছেন তো কেমন সব যাওয়া আসা চলছে।
আরএসএসের অন্যতম এই প্রচারক দীর্ঘ বাম জমানার প্রসঙ্গ টানলেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, কমিউনিস্ট পার্টি তবুও শূন্য হলেও এভাবে নীতিহীনতা বিসর্জন দেয়নি। ভোটের আগে টিম পিকে একমাত্র বাম নেতাদের ‘ক্যাপচার’ করতেই ফেল করেছে। এই নীতি আঁকড়ে থাকার পদ্ধতি বা সাংগঠনিক শিক্ষা কমিউনিস্ট পার্টি এবং সংঘের মধ্যেই পাবেন। বাকি সব আয়ারাম গয়ারাম।

সংঘ কি নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে রাজ্য বিজেপির উপর থেকে ?
দাপুটে হিন্দুত্ববাদী প্রচারকের উল্টো প্রশ্ন, নিয়ন্ত্রণ আদৌ ছিল কি? তিনি বললেন, আরএসএসের রাজনৈতিক শাখা হিসেবে বিজেপি কাজ করে। কিন্তু ভোটের আগে যাদের আনা হয়েছিল তাদের সঙ্গে নূন্যতম আদর্শের যোগ ছিল না। তার ফল এখন পেতেই হবে।

সংঘ প্রচারক জানান, একবারও দেখবেন না কমিউনিস্ট পার্টিতে এমন ঢোকার পর্ব চলছে। এখানেই আসলে সংগঠন বেঁচে থাকে। যেটা বাংলার বিজেপি নেতারা জয়ের নেশায় ভুলে গেছিলেন। জয় এলে তৃণমূল নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। এখন ঠিক উল্টো দিকটা স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

যে বড় নেতার কথা মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলছেন…কথা কেড়ে নিয়েই আরএসএস নেতার দাবি- বিজেপি রাজ্য সম্পাদক কী বলছেন দেখুন, উনি তো দাবিই করছেন তৃণমূলের অন্দরে আরএসএসের লোক আছে। সংঘের আদর্শ মেনেও তৃণমূল কংগ্রেসে ঢুকে থাকার পিছনে কি উদ্দেশ্য ? সংঘ প্রচারকের দাবি, থাকতেই পারে। হিন্দুত্ব প্রচার হলেই হলো। তাবলে সরাসরি বড় নেতা চলে যাবেন? হ্যাঁ, চাপের বিষয়। জানালেন এই সংঘ প্রচারক।

এতক্ষণ যিনি কথা বললেন, তিনি আরএসএসের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশে সংগঠন করতে নেমেছেন। অনেকদিন আন্দামানেও ছিলেন। বাকি পরিচয় না দেওয়ার একান্ত ব্যক্তিগত অনুরোধ করেছেন।

Politics: ভাঙন রোখা ‘অসম্ভব’ সুকান্তবাবুর পক্ষে, বঙ্গ বিজেপি সরগরম

Sukanta mazumdar

নিউজ ডেস্ক: এ যেন কাঁটার মুকুট ! বিরেধী দলের রাজ্য সভাপতি হয়েছেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে লাড্ডু খাওয়ানোর হিড়িক লেগেছে। আবার মিষ্টিমুখের আড়ালেই রয়েছে তেতো বিষয়-বঙ্গ বিজেপির একাধিক নেতা নারীঘটিত বিষয়ে অভিযুক্ত। বেশ কিছু নেত্রীর বিরুদ্ধে বারবার অশালীন কাজের অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন ভাইরাল ভিডিও তেমনই ইঙ্গিত দেয়।

সূত্রের খবর, নতুন দায়িত্ব নিয়েই সুকান্ত মজুমদার এই বিষয়গুলি সমাধানে জোর দিচ্ছেন। অভিযোগ, রাজ্য বিজেপির এক প্রাক্তন বিধায়কের নারীঘটিত বিষয়ে বারবার প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে কর্নপাত করেননি দিলীপ ঘোষ।

বিজেপি নতুন রাজ্য সভাপতি সংগঠনে পরিচ্ছন্নতা আনতে চাইছেন বলেই খবর। তবে রাজ্য বিজেপির বহু নেতার মনোভাব দলে যেভাবে ভাঙন ধরাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে সুকান্তবাবুর মতো নরম নেতার পক্ষে সব সামাল দেওয়া অসম্ভব।

Sukanta majumdar

এদিকে আরএসএস নেতৃত্বের একাংশের মত, যেভাবে আদর্শবিহীন হয়ে বিজেপিতে সবাইকে আনা হচ্ছিল তার ফল পেতেই হবে। সুকান্তবাবুর সামনে কঠিন পরীক্ষা।

সূত্রের খবর, বিধানসভা ভোটে বিজেপি কেন ক্ষমতা দখল করতে পারল না, সেই কারণ খুঁজবেন নতুন রাজ্য সভাপতি। তাঁর কর্মসূচিরর মধ্যে আছে বিস্তারকদের জন্য দেওয়া টাকার হিসেব। এখানে বিস্তর নয়ছয় হয়েছে বলে সাংগঠনিক স্তরেই অভিযোগ ও সরগরম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বারবার।

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

সুকান্ত মজুমদার রাজনীতিতে নবীন মুখ। তিনি আগে ভালো করে রাজ্য চিনুন, জানিয়েছেন প্রবীন বিজেপি নেতা ও ত্রিপুরার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়।

প্রশ্ন উঠছে, ভাবানীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের আগেই কেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি পদ থেকে দিলীপবাবুকে অপসারিত করা হলো? সূত্রের খবর, সাম্প্রতিক যে ভাঙন ধরেছে বঙ্গ বিজেপিতে তা রুখতে পারছিলেন না দিলীপ ঘোষ। তাঁর বিরুদ্ধে দলেরই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে অভিযোগের পাহাড় জমেছে।

বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দিলীপ ঘোষের সম্পর্কের ফাটল বেড়েছে। দু পক্ষ পরস্পরকে কটাক্ষ করেন অবিরত। বিভিন্ন জেলা থেকে দিলীপবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগের ফিরিস্তি আসছে।

জাভেদের RSS-তালিবান তুলনায় এবার নিন্দায় শিব সেনাও

নিউজ ডেস্ক: তালিবান ইস্যুতেই মুখ খুলুক ভারতীয় মুসলিমসমাজ, বিরুদ্ধাচারন করুক আফগানিস্তানের অবস্থার। এই উদ্যোগই নিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)। পড়শি দেশে তালিবানের ক্ষমতা দখল এবং তাতে ভারতের বিপদের সম্ভাবনার নিয়ে সোমবার দেশের মুসলিম সমাজের কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে মুম্বইয়ে বৈঠকে বসবেন RSS-প্রধান মোহন ভাগবত।

আরও পড়ুন প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু, ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে: RSS-প্রধান

যখন তালিবান ইস্যু নিয়ে নড়েচড়ে বসছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ, ঠিক তখনই আরএসএস’এর সঙ্গে তালিবানের তুলনা করলেন জাভেদ আখতার। তালিবান এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ একই কয়েনের দুটি পিঠ বলে কার্যত বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই দেশের প্রবীণ শিল্পীর মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। শুধু নেটিজেনরাই নন, হাত জোড় করে জাভেদকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপি নেতা রাম কদম।

আরও পড়ুন Afgan Updates: পঞ্জশির দখল পেতে তালিবান হয়ে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর ড্রোন হামলা


আরও পড়ুন আফগানিস্তান: রাষ্ট্রসংঘের মানবিক বিষয়ক মহাসচিবের সঙ্গে তালিবান প্রতিনিধি দলের বৈঠক

এবার শিব সেনাও তাদের দলীয় মুখপত্র ‘সামনা’য় জানিয়ে দিল, আরএসএস এবং তালিবানের মানসিকতা একই ধরনের বলা একেবারেই ভুল। ‘সামনা’য় লেখা হয়েছে, “আরএসএস হিন্দুত্বের নামে কোনও অন্ধ উন্মাদনাকে সমর্থন করেনি। গোমাংসের কারণে হত্যা করার মতো ইস্যুও তাঁরা সমর্থন করেনি।আপনি কীভাবে বলতে পারেন স্বয়ংসেবক সংঘের এবং তালিবানদের মানসিকতা একই রকম? ভারত হিন্দু প্রধান রাষ্ট্র হলেও ধর্মনিরপেক্ষ। আরএসএসের সঙ্গে তালিবানের তুলনা করা ঠিক নয়। আমরা তা সমর্থন করি না।” 

https://twitter.com/AdvAshutoshDube/status/1434136441571926023?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1434136441571926023%7Ctwgr%5E%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ekolkata24.com%2Flatest-news%2Fjaved-akhtar-lands-in-controversy-after-he-likens-rss-vhp-bajrang-dal-to-taliban%2F

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জাভেদ আখতার বলেন, ‘‘তালিবান যেমন ইসলাম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তেমন আর একদল মানুষও হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। এরা একই মানসিকতার। তালিবান বর্বর। যাঁরা আরএসএস, বজরং দলকে সমর্থন করেন, তারাও বর্বরই।” তাঁর এই মন্তব্যের পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অনেকে।

আরও পড়ুন মিয়া খলিফা আসবে শুনে ভিড় করেছিলেন কৃষকরা: বিজেপি নেতা

এর আগে মহারাষ্ট্রের বিজেপি বিধায়ক জানিয়েছিলেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তালিবানের তুলনা করে জাভেদ অসংখ্য মানুষের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন। স্বয়ংসেবক সংঘের কর্মীদের এবং অনুগামীদের কাছে বলিউডের প্রবীন শিল্পী ক্ষমা না চাইলে ভারতের মাটিতে তাঁর একটি ছবিও মুক্তি পাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলে তিনি। এবার শিব সেনার মুখেও একই সুর শোনা যাওয়ায় মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়েই কার্যত প্রশ্ন উঠে গেল। বিজেপি-শিব সেনার আবার কাছাকাছি আসার ঈঙ্গিতও পাচ্ছেন অনেকে।

আরও পড়ুন তালিবানদের বিরুদ্ধে সরব হোক দেশের মুসলিমরা: RSS

প্রসঙ্গত, তালিবানরা আফগানিস্তান দখল করার পর সে দেশের প্রায় প্রতিটি প্রান্তেই কায়েম হচ্ছে শরিয়তি আইন। ইসলামের আদেশ অনুসারেই চলছে দেশ। ২০০১ সালের আগে তালিবান যখন আফগানিস্তান শাসন করত, তখনও তারা কঠোর শরিয়া আইন জারি করেছিল। এবারেও আগের ছবিই দেখা যাচ্ছে গোটা দেশ জুড়ে।  

‘প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু, ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে’: RSS-প্রধান

নিউজ ডেস্ক: তালিবান জঙ্গি সংগঠন কী না সেই বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত। দিনকয়েক আগেই এই দাবি তুলেছিলেন মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি৷ এবার সেই তালিবান ইস্যুতেই মুখ খুলুক ভারতীয় মুসলিমসমাজ, বিরুদ্ধাচারন করুক আফগানিস্তানের অবস্থার। এই উদ্যোগই নিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)।

আরও পড়ুন তালিবানদের পঞ্জশির দখলের নেপথ্যে কি পাক বাহিনী?

পড়শি দেশে তালিবানের ক্ষমতা দখল এবং তাতে ভারতের বিপদের সম্ভাবনার নিয়ে সোমবার দেশের মুসলিম সমাজের কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে মুম্বইয়ে বৈঠকে বসেছিলেন RSS-প্রধান মোহন ভাগবত। যদিও শুধু তালিবান এবং ভারত নয়, আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে কথা বলা।

আরও পড়ুন ২৫০০ বছরের অজেয় পঞ্জশিরের পতন, উড়ল তালিবান পতাকা


আরও পড়ুন আফগানিস্তান: রাষ্ট্রসংঘের মানবিক বিষয়ক মহাসচিবের সঙ্গে তালিবান প্রতিনিধি দলের বৈঠক

সেখানেই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন সংঘ প্রধান। দেশের হিন্দু-মুসলমানদের পূর্বপুরুষ এক। প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু। ইসলাম ধর্ম এসেছিল আক্রমণকারীদের সঙ্গে। হিন্দুরা কারও সঙ্গে শত্রুতা করে না। সকলের ভাল চায়। এখানে ভিন্নমতের অনাদর হয় না। এর আগেও এই মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সংঘ প্রধান।

বিজেপির নেতৃত্বাধীন গোয়া, মণিপুর, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোট আসন্ন। তা নিয়েও দু’দিনের দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে নাগপুরের সংঘের দফতরে। গত বছরের নভেম্বর থেকে কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দিল্লির সীমানায় আন্দোলনে বসে রয়েছেন কৃষকেরা। মূলত পঞ্জাব এবং পার্শ্ববর্তী রাজ্যের ওই কৃষকদের বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হবে তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচন হয়েছিল সংঘের সদর দফতরে।

আরও পড়ুন ত্রিপুরা: মমতার টার্গেট কংগ্রেস ভোট! সন্তোষমোহন কন্যা সুস্মিতায় আপ্লুত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পরিবার

তারপরেই দেশের মুসলিম সমাজের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন তিনি। ‘রাষ্ট্র প্রথম-রাষ্ট্র সর্বোপরি’ শীর্ষক ওই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান, কাশ্মীর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তথা প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আটা হুসেনের মতো বিশিষ্ট মানুষেরা।

আফগানিস্তানে তালিবানের ক্ষমতা দখল ভারতে যাতে প্রভাব না ফেলে, সে জন্য শিক্ষিত মুসলিম সমাজকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন মোহন ভাগবত। সেখানেই তিনি দাবি করেন, প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকই হিন্দু। দেশের হিন্দু-মুসলমানদের পূর্বপুরুষ এক। যদিও এর মাধ্যমে বিভেদ নয়, দেশের মানুষদের ঐক্যকেই তুলে ধরতে চেয়েছেন সংঘ প্রধান বলেই মনে করছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা।

জাভেদের RSS-তালিবান তুলনায় ক্ষুব্ধ দেশবাসী

নিউজ ডেস্ক: তালিবান ইস্যুতেই মুখ খুলুক ভারতীয় মুসলিমসমাজ, বিরুদ্ধাচারন করুক আফগানিস্তানের অবস্থার। এই উদ্যোগই এবার নিচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। পড়শি দেশে তালিবানের ক্ষমতা দখল এবং তাতে ভারতের বিপদের সম্ভাবনার নিয়ে সোমবার দেশের মুসলিম সমাজের কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে মুম্বইয়ে বৈঠকে বসবেন RSS-প্রধান মোহন ভাগবত।

আরও পড়ুন তালিবানদের বিরুদ্ধে সরব হোক দেশের মুসলিমরা: RSS

যখন তালিবান ইস্যু নিয়ে নড়েচড়ে বসছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ, ঠিক তখনই আরএসএস’এর সঙ্গে তালিবানের তুলনা করলেন জাভেদ আখতার। তালিবান এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ একই কয়েনের দুটি পিঠ বলে কার্যত বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই দেশের প্রবীণ শিল্পীর মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। শুধু নেটিজেনরাই নন, হাত জোড় করে জাভেদকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপি নেতা রাম কদম।

আরও পড়ুন শিল্পেই বিপ্লব: তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে কাবুলের গ্রাফিতি শিল্পী শামসিয়া হাসানি


আরও পড়ুন নজরে নীলছবি, আফগান পর্নস্টার খুঁজে পেলেই মাথা কাটবে তালিবানরা

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জাভেদ আখতার বলেন, ‘‘তালিবান যেমন ইসলাম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তেমন আর একদল মানুষও হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। এরা একই মানসিকতার। তালিবান বর্বর। যাঁরা আরএসএস, বজরং দলকে সমর্থন করেন, তারাও বর্বরই।” তাঁর এই মন্তব্যের পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নেটনাগরিকরা।

আরও পড়ুন তালিবানদের বিপ্লবী আখ্যা দিয়ে বিপাকে কংগ্রেস বিধায়ক আনসারি


আরও পড়ুন শরিয়তি আইনে চলা আফগানিস্তান থেকে উইঘুর মুসলিমদের চিনে পাঠাবে তালিবান

https://twitter.com/AdvAshutoshDube/status/1434136441571926023?s=20

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তালিবানের তুলনা করে জাভেদ অসংখ্য মানুষের ভাবাবেগে আঘাত করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই বিজেপি নেতা। স্বয়ংসেবক সংঘের কর্মীদের এবং অনুগামীদের কাছে বলিউডের প্রবীন শিল্পী ক্ষমা না চাইলে ভারতের মাটিতে তাঁর একটি ছবিও মুক্তি পাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। 

https://twitter.com/Alleged_RW/status/1434199630888116224?s=20

তালিবানরা আফগানিস্তান দখল করার পর সে দেশের প্রায় প্রতিটি প্রান্তেই কায়েম হচ্ছে শরিয়তি আইন। ইসলামের আদেশ অনুসারেই চলছে দেশ। ২০০১ সালের আগে তালিবান যখন আফগানিস্তান শাসন করত, তখনও তারা কঠোর শরিয়া আইন জারি করেছিল। এবারেও আগের ছবিই দেখা যাচ্ছে গোটা দেশ জুড়ে।  

তালিবানদের বিরুদ্ধে সরব হোক দেশের মুসলিমরা: RSS

নিউজ ডেস্ক: তালিবান জঙ্গি সংগঠন কী না সেই বিষয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত। দিনকয়েক আগেই এই দাবি তুলেছিলেন মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম) প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি৷ এবার সেই তালিবান ইস্যুতেই মুখ খুলুক ভারতীয় মুসলিমসমাজ, বিরুদ্ধাচারন করুক আফগানিস্তানের অবস্থার। এই উদ্যোগই এবার নিচ্ছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ।

আরও পড়ুন পথের কাঁটা পঞ্জশির দখলের পরেই তালিবান সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

পড়শি দেশে তালিবানের ক্ষমতা দখল এবং তাতে ভারতের বিপদের সম্ভাবনার নিয়ে সোমবার দেশের মুসলিম সমাজের কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে মুম্বইয়ে বৈঠকে বসবেন RSS-প্রধান মোহন ভাগবত। যদিও শুধু তালিবান এবং ভারত নয়, আলোচনার মূল উদ্দেশ্য কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে কথা বলা।

আরও পড়ুন পঞ্জশির রক্তাক্ত: যে ছবি প্রমাণ দিচ্ছে মাসুদ বাহিনিকে কেন ভয় তালিবানের


আরও পড়ুন &#8216;সাম্প্রদায়িকতা&#8217; ছড়ানোয় সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে দেশের ওয়েব পোর্টালের একাংশ

কারণ, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল ‘পাকিস্তান তহেরিক-ই-ইনসাফ’-এর নীলম ইরশাদ শেখ নামের ওই নেত্রী কয়েকদিন আগেই দাবি করেছেন, ”তালিবান বলেছে ওরা আমাদের সঙ্গে আছে। এবং কাশ্মীরকে স্বাধীন করতে আমাদের সাহায্যও করবে।” আফগানিস্তান্মে তালিবানরা ক্ষমতা দখলের পর থেকেই অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন, এর পিছনে মদত রয়েছে পাকিস্তানের।

আরও পড়ুন সীমান্ত সংঘর্ষের জেরে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা

অন্যদিকে তালিবানদের আফগানিস্তান দখল এবং আমেরিকান সৈন্য প্রত্যাহার করার জন্য ‘আল্লাকে ধন্যবাদ জানাতে’ ২৭ আগস্ট অনুষ্ঠান পালন করা হয়েছে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে দেশের মুসলিম সমাজকে এককাট্টা করতেই এই উদ্যোগ নিয়েছে সংঘ।

বিজেপির নেতৃত্বাধীন গোয়া, মণিপুর, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোট আসন্ন। তা নিয়েও দু’দিনের দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে নাগপুরের সংঘের দফতরে।  গত বছরের নভেম্বর থেকে কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে দিল্লির সীমানায় আন্দোলনে বসে রয়েছেন কৃষকেরা। মূলত পঞ্জাব এবং পার্শ্ববর্তী রাজ্যের ওই কৃষকদের বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হবে তা নিয়েও বিস্তারিত আলোচন হয়েছে সংঘের সদর দফতরে।