केंद्र-राज्य सरकार पर आरक्षण देने की जिम्मेदारी : शरद

उद्धव गुट की शिवसेना, कांग्रेस, शरद पवार गुट की एनसीपी लगातार शिंदे सरकार पर जुबानी हमला कर रही हैं। मराठा आरक्षण को लेकर महाराष्ट्र में चल रहे विवाद को लेकर सियासी बयानबाजी थमने का नाम नहीं ले रही है। इसी बची, शरद पवार ने मंगलवार को केंद्र, महाराष्ट्र सरकार को जमकर घेरा है। शरद पवार ने कहा कि मराठा आरक्षण अब गंभीर मुद्दा बन चुका है। विभिन्न समुदायों को आरक्षण देने की जिम्मेदारी केंद्र और राज्य सरकार की है।युवा संघर्ष यात्रा’ के समापन कार्यक्रम को संबोधित करते हुए शरद पवार ने कहा कि इस यात्रा का उद्देश्य केंद्र और राज्य सरकार को जागृत करना था। यदि वे विभिन्न समुदायों को दिए जाने वाले आरक्षण पर काम नहीं कर रहे हैं तो यात्रा ने उन्हें बतलाया है कि युवा क्या चाहता है। उन्होंने कहा कि यात्रा ने 32 दिनों की अवधि में 800 किमी की दूरी तय की और महाराष्ट्र के 10 जिलों से होकर गुजरी।उन्होंने कहा कि केंद्र, राज्य सरकार नई पीढ़ी को आशा दें। चाहे वो मराठा, धनगर, लिंगायत या मुस्लिम समुदायों को आरक्षण देने की बात ही क्यों न हो।

Mamata Banerjee: ‘মমতা বিজেপির অক্সিজেন সাপ্লায়ার’, বিস্ফোরক অধীর

নিউজ ডেস্ক: বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এনসিপি(NCP) সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন। বৈঠকের পর বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মমতা বলেন, ‘UPA আবার কী? UPA বলে কিছু নেই।’ তৃণমূলনেত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিবাদে সরব হন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী(Adhir Ranjan Chowdhury)।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শরদ পাওয়ারের বৈঠক ‘পূর্ব-পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’। কংগ্রেসকে দুর্বল করার জন্য এটা করা হয়েছে। তাছাড়া তৃণমূলনেত্রীকে ‘বিজেপির(BJP) অক্সিজেন সাপ্লায়ার’ বলেও তোপ দাগেন অধীর। তবে তিনি পাওয়ারের প্রশংসা করেছেন। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘যখন গোটা দেশে বিজেপি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে ও প্রতিটা দিন ওদের পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওদের অক্সিজেন জোগাতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির অক্সিজেন সাপ্লায়ার হয়ে উঠেছেন। তাই বিজেপি ওঁর ওপর সন্তুষ্ট।’

এখানেই শেষ নয়। সুর চড়িয়ে তিনি আরও বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি জানেন না UPA কি ? আমার মনে হয়, উনি পাগলামি করছেন। উনি ভাবছেন গোটা ভারত বোধ হয় মমতা-মমতা স্লোগান তুলছে। কিন্তু ভারত মানে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়। রাজ্যে শেষ নির্বাচনে উনি যে কৌশল নিয়েছিলেন তা ধীরে ধীরে উন্মোচন হচ্ছে। আজ মমতার শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে, কারণ মোদিজি ওঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাই উনি কংগ্রেসকে দুর্বল করার সব চেষ্টাই করছেন। শরদ পাওয়ার কংগ্রেসের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। উনি একজন বর্ষীয়ান নেতা। ওঁকে আমরা শ্রদ্ধা করি। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরদ পাওয়ার ও অন্য দলের লোকেদের ফাঁদে ফেলার পূর্ব পরিকল্পিত চেষ্টা। উনি বিজেপির বিকল্প দেখাতে চাইছেন। আর এটাই বিজেপিকে বেশি ফায়দা দিচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, বুধবার শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে মমতা বলেন, ‘যে ফ্যাসিবাদ চলছে তার বিরুদ্ধে কেউই লড়াই করছে না। কিন্তু, শক্তিশালী বিকল্পের প্রয়োজন রয়েছে। শরদজি অন্যতম বর্ষীয়ান নেতা। আমি এনিয়ে আলোচনা করতে এসেছিলাম। শরদজি যা বলেছেন তাতে আমি সহমত।’

Mamata Banerjee: আরব সাগর তীরে ডুবলেন মমতা ? ক্ষণিকের বন্ধু ‘বিশ্বাসঘাতক’

mamata banerjee in mumbai

News Desk: মহারাষ্ট্রে তেমন সাড়া মিলছে না। সিদ্ধিবিনায়ক আশীর্বাদ পেতে পুজো দিলেও ঈশ্বর কি মু়খ ফিরিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দিক থেকে এমনই আলোচনা মুম্বই থেকে জাতীয়স্তরে। গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে ক্ষণিকের বন্ধু গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি টিএমসির ছায়া পরিত্যাগ করেছে। আপাতত তারা কংগ্রেসের দিকে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার জয়ী হয়ে পশ্চিম ভারতের গোয়া বিধায়নসভা যুদ্ধে নেমেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। তাঁর সঙ্গে এসেছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তবে যাকে নিয়ে বিরাট আশা ছিল টিএমসির সেই গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির ঘোষণা, কংগ্রেসের সঙ্গেই তারা আছে। গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি প্রধান বিজয় সরদেশাই সম্প্রতি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুমুল প্রশংসা করেন।

টিএমসির ভোটকুশলীরা গোয়ার সমীকরণে নিজেদের তুলে ধরতে গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সঙ্গে বিস্তর যোগাযোগ করেন। তবে সব আশায় জল ঢেলে দিয়েছে দলটি। ফলে টিএমসির তরফে দলটিকে এখন বিশ্বাসঘাতক বলেই চিহ্নিত করা হচ্ছে।

এদিকে মুম্বইতেও ক্ষমতাসীন শিবসেনা জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে অসুস্থ তাই তিনি দেখা করেননি মমতার সঙ্গে। মুম্বই রাজনৈতিক মহলে খবর, গোপনে আড়কাঠি চেলেছেন প্রবীণ এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার। তিনিই বিজেপি বিরোধী পাওয়ার প্নে জনক।