#ISL জিততে মরিয়া, তবুও বাজেট কমছে লাল-হলুদের

স্পোর্টস ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)  হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের (Shree Cement) সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের  (East Bengal) চুক্তি নিয়ে সমস্যা মিটে গিয়েছে। আর তার পরেই দল গড়ার কাজে নেমে পড়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। যদিও প্রথমবার ইণ্ডিয়ান সুপার লিগ জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের ফুটবল বাজেট কমছে বলে খবর।

সমর্থকেরা বলছেন, আইএসএল খেলা নিয়ে টানাপোড়েন থাকলেও স্রেফ টার্মশিটের ভিত্তিতেই মে-জুন মাস থেকে অনায়াসে এসসি ইস্ট বেঙ্গলের আধিকারিকরা ফুটবলার রিক্রুট করতে পারতেন। কিন্তু অত্যন্ত আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে ক্লাবের দখলদারি নেওয়াই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে এখন সেই টার্মশিটের ভিত্তিতেই দল গড়তে নেমেছেন লগ্নিকারী সংস্থাটির কর্তারা।

আরও পড়ুন: দেখে নিন আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গলের নজরে রয়েছেন কোন ফুটবলাররা

তাই যত দিন যাবে ততই প্রমাণ হবে, মে-জুন মাসে টিম করার ক্ষেত্রে না নেমে চরম ভুল করেছেন তাঁরা। যার প্রভাব প্রবলভাবে পড়তে বাধ্য আইএসএলে। কারণ, ভালো খেলোয়াড়দের আইএসএলেত অন্যান্য দলগুলো আগেই নিজেদের দলে নিয়ে নিয়েছে।

সূত্রের খবর, আইএসএল খেলা নিশ্চিত হতেই আলোচনায় বসেছিলেন শ্রী সিমেন্টের আধিকারিকরা। এই সভায় বাজেট নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে। ঠিক হয়েছে, এবার দল গঠনের বাজেট কমবে।

আরও পড়ুন:নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল AIFF, দলগঠনে নামল আইএসএল জিততে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল

রবি ফাউলার দু’জন কিংবা তিনজন ফ্রি প্লেয়ারকে (বিদেশি) নিয়ে আসবেন। তবে শ্রী সিমেন্ট কর্তৃপক্ষ ব্রাইট এনোবাখারেকে কভেন্ট্রি সিটি থেকে লিয়েনে নিতে চাইছে। এফসি গোয়ার হয়ে গত মরশুমে খুব বেশি ম্যাচ খেলেননি ঈশান পাণ্ডিতিয়া, যদিও বেশিরভাগ ম্যাচেই শেষ মুহুর্তে নেমে গোল পেয়েছিলেন। তাকেও চাইছে ইস্টবেঙ্গল।

মহম্মদ রফিক, শঙ্কর রায়, মির্শাদ, জেজে, অঙ্কিত মুখোপাধ্যায়রা গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে। মোহনবাগান থেকেও কয়েকজনকে নেওয়া হবে বলে খবর। প্রবীর দাস, অরিন্দম ভট্টাচার্যকেও প্রস্তাব দেওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা। সাইড ব্যাকে খেলা হীরা মণ্ডলকেও সই করাতে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। 

ইস্টবেঙ্গলের কোর্টে বল, চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠিয়ে দিল শ্রী সিমেন্ট

East-Bengal

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রমশ দুরত্ব বাড়ছে ইস্টবেঙ্গল এবং ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্টের। দীর্ঘদিন ধরে ক্লাব কর্তা এবং বিনিয়োগকারীদের মতবিরোধ চলছে। বিভিন্ন সময়ে তা মেটানোর চেষ্টা হলেও এখনও পর্যন্ত সমাধানসূত্র অধরা। তারমধ্যেই খেলা হবে দিবসের সন্ধেয় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে পরিমার্জিত এবং চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠাল ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্ট। চুক্তিপত্র পাওয়ার পরই আইনজীবীদের কাছে তা পাঠিয়ে দেন ক্লাব কর্তারা।

গত বছর টার্মশিটে সইয়ের পর চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করেনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। টার্মশিট আর চুক্তিপত্রের মধ্যে অসঙ্গতি থাকার দাবি তোলেন কর্তারা। মূলত দুটি শর্তে তাদের সমস্যা ছিল-

১. ট্রান্সফার অব রিয়াল প্রপার্টি: ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তাঁবু-মাঠ-গ্যালারি সবকিছু শ্রী সিমেন্টকে দিতে হবে। ক্লাবের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই সব কিছু ব্যবহারের জন্য সেনার অনুমতি প্রয়োজন। বিনিয়োগকারী সংস্থার বক্তব্য, সেনার কাছে নো অবজেকশন লেটার (এনওসি) দিতে হবে ক্লাবকে। তা মানতে নারাজ লাল-হলুদ কর্তারা।

২. মেম্বারশিপ: সদস্যদের সংখ্যা ইনভেস্টরকে জানাতে রাজি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। কিন্তু সদস্যদের যাবতীয় তথ্য (নাম, ঠিকানাসহ সঠিক পরিচয়পত্র) জানাতে নারাজ তারা। তবুও এই বিষয়টি নিয়ে যথেষ্টই নরম সুর কর্তাদের। কিন্তু প্রথম বিষয়টি মানতে তারা অনড়।

যদিও শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙুর অবশ্য স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল সেটাই চূড়ান্ত চুক্তিপত্র হিসেবে গন্য হবে৷ চুক্তিপত্রে নতুন করে আর বদল সম্ভব নয়। সূত্রের খবর, চুক্তিপত্র পাঠানোর জন্য ক্লাব কর্তারা সরাসরি কথা বলেন শ্রী সিমেন্টের কর্ণধারের সঙ্গে৷ আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলার পরই কার্যকমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ক্লাব। মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেই পরিমার্জিত চুক্তির খসড়া ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র তৈরি হয়েছে। কিন্তু এবারও ক্লাব যদি বেঁকে বসে তাহলে ইস্টবেঙ্গল আদৌ ভারতের প্রিমিয়ার ফুটবল টুর্নামেন্ট আইএসএল খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই গেল।

সমর্থকদের উদ্বেগ বাড়িয়ে আইএসএলে এখনও অনিশ্চিত লাল-হলুদ

East-Bengal

স্পোর্টস ডেস্ক: ক্রমশ দুরত্ব বাড়ছে ইস্টবেঙ্গল এবং ইনভেস্টর শ্রী সিমেন্টের। দীর্ঘদিন ধরে ক্লাব কর্তা এবং বিনিয়োগকারীদের মতবিরোধ চলছে। বিভিন্ন সময়ে তা মেটানোর চেষ্টা হলেও এখনও পর্যন্ত সমাধানসূত্র অধরা। শনিবারও এই নিয়ে দফায় দফায় কথা চলে দুই পক্ষের মধ্যে। শ্রী সিমেন্টের লিগ্যাল ডিপার্টমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আইনজীবীদের মধ্যে আলোচনায় এখনও কোনো সমাধানসূত্র মেলেনি। শোনা যাচ্ছে মূলত দুটো ইস্যুতে সমস্যা-

১. ট্রান্সফার অব রিয়াল প্রপার্টি: ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তাঁবু-মাঠ-গ্যালারি সবকিছু শ্রী সিমেন্টকে দিতে হবে। ক্লাবের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই সব কিছু ব্যবহারের জন্য সেনার অনুমতি প্রয়োজন। বিনিয়োগকারী সংস্থার বক্তব্য, সেনার কাছে নো অবজেকশন লেটার (এনওসি) দিতে হবে ক্লাবকে। তা মানতে নারাজ লাল-হলুদ কর্তারা।

২. মেম্বারশিপ: সদস্যদের সংখ্যা ইনভেস্টরকে জানাতে রাজি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। কিন্তু সদস্যদের যাবতীয় তথ্য (নাম, ঠিকানাসহ সঠিক পরিচয়পত্র) জানাতে নারাজ তারা। তবুও এই বিষয়টি নিয়ে যথেষ্টই নরম সুর কর্তাদের। কিন্তু প্রথম বিষয়টি মানতে তারা অনড়।

ইস্টবেঙ্গল- আইএসএলের দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছে।

উপরোক্ত বিষয়গুলো না মিটলে চুক্তি জট আদৌ সমাধান হবে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। অন্যদিকে ইনভেস্টরের দাবি, চুক্তি মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমেই পরিমার্জিত চুক্তির খসড়া ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র তৈরি হয়েছে। ক্লাব যদি এখন বেঁকে বসে তাহলে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পাঠানো সম্ভব নয়। ফলে আসন্ন ইস্টবেঙ্গল আদৌ ভারতের প্রিমিয়ার ফুটবল টুর্নামেন্ট আইএসএল খেলবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই গেল। আগামী ১৬ অগাস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। ফলে তার আগে ঝামেলা না মিটলে ইস্টবেঙ্গলের আইএসএল খেলা অনিশ্চিত।

শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙুর অবশ্য স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে গত পাঁচদিন আগেই যে চুক্তিপত্র পাঠানো হয়েছিল সেটাই চূড়ান্ত চুক্তিপত্র হিসেবে গন্য হবে । চুক্তিপত্রে নতুন করে আর বদল সম্ভব নয়। ফলে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা শর্ত শিথিল করার আর্জি জানালেও তা একপ্রকার অসম্ভব বলেই ধরে নেওয়া যায়।