फोन की भी होती है Expiry डेट? डिब्बे पर लिखा होता है सीक्रेट कोड

मुंबई :  एक्सपायरी डेट खत्म होने का मतलब होता है कि अब वह सामान काम का नहीं रहा और वह इस्तेमाल करने लायक नहीं है। लेकिन क्या आपने कभी सोचा है कि आपक जिस फोन को इस्तेमाल कर रहे हैं, उसकी भी एक्सपायरी डेट हो सकती है। एक्सपायरी डेट से ये तय होता है कि सामान को कब तक इस्तेमाल किया जा सकता है। जैसे हर सामान की एक्सपायरी डेट होती है, उसी तरह फोन में भी कुछ ऐसे संकेत मिलने लगते हैं जिससे कि ये तय होता है कि अब आपको नया फोन ले लेना चाहिए।

ऑफिशियल तौर पर कभी फोन की कोई एक्सपायरी डेट नहीं तय की जाती है। लेकिन कुछ ऐसी चीज़ें होती है जिससे हमें ये मालूम चल जाता है कि अब फोन बदलने का समय आ गया है।

मोबाइल बनाने वाली कंपनियां 2-3 साल बाद स्मार्टफोन में सॉफ्टवेयर अपडेट देना बंद कर देती हैं। इससे पुराने स्मार्टफोन यूज करने लायक नहीं रहते हैं और आपको न चाहते हुए भी स्मार्टफोन बदलना पड़ता है। सॉफ्टवेयर अपडेट कितने साल तक मिलेगा ये उस दिन से नहीं शुरू होता है, जिस दिन से आपने फोन इस्तेमाल करना शुरू करते हैं। बल्कि उस दिन से शुरू होता है जो डेट फोन के बॉक्स पर मैनुफैक्चरिंग के तौर पर लिखी होती है।

आज स्मार्टफोन औसतन 2.5 साल की लाइफ के साथ आता है। हालांकि कुछ डिवाइस के लिए के लिए टाइम कम या ज्यादा हो सकता है। कहा जाता है कि एक आईफोन की लाइफ करीब 4 से 8 साल तक, सैमसंग फोन की लाइफ 3 से 6 साल तक और गूगल पिक्सल की लाइफ 3 से 5 साल तक हो सकती है। हालांकि ये इसपर भी निर्भर भी करता है कि आप अपने फोन का इस्तेमाल किस तरीके से करते हैं।

कुछ लोग होते हैं जो फोन को ऐसे प्यार और केयर करके इस्तेमाल करते हैं कि उनकी फोन की लाइफ बढ़ जाती है। वहीं कुछ ऐसे भी हैं जो फोन पर उतना ध्यान नहीं देते हैं और चार्जिंग को लेकर भी सावधानियां नहीं बरतते हैं जिससे फोन समय से पहले ही खराब होने लगता है।

নরেন্দ্র মোদি সরকারই পেগাসাস সফটওয়্যার কিনেছে: চিদাম্বরমের

Narendra Modi and P Chidambaram

News Desk, New Delhi: ফের নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কংগ্রেস নেতা ও দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূতের কথা উল্লেখ করে চিদাম্বরম বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকারই যে পেগাসাস সফটওয়্যার কিনেছে তাতে আর কোনও সন্দেহ নেই।

বৃহস্পতিবার ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত নাওর গিলন বলেছিলেন, পেগাসাস সফটওয়্যার নির্মাতা সংস্থা এনএসও শুধুমাত্র কোনও দেশের সরকারকেই ওই সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারে। যদিও সেই বিক্রির আগে ইজরায়েল সরকারের কাছ থেকে তাদের অনুমতি নিতে হয়।

গিলনের ওই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে চিদম্বরম বলেন, ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূতের কথায় এটা পরিষ্কার যে, নরেন্দ্র মোদি সরকারই পেগাসাস সফটওয়্যার কিনেছিল। মোদি সরকার কাউকেই বিশ্বাস করে না। সে কারণেই তারা এই সফটওয়্যার কিনে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রী এমনকী, বিচার বিভাগের ওপরেও নজরদারি চালিয়েছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার এক চরম স্বৈরাচারী সরকার।

এই সরকার দেশের মানুষকে বিশ্বাস করে না। বিরোধী রাজনৈতিক দলের উপর নজরদারি চালাতেই এই সফটওয়্যার কেনা হয়েছে। ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত স্বীকার করে নিয়েছেন যে, সরকার ছাড়া এই সফটওয়্যার কাউকেই বিক্রি করা যায় না। তাহলে ভারতে যদি পেগাসাস এসে থাকে সেটা তো সরকারই এনেছে। এই মুহূর্তে তো সরকারের রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল। তাই পেগাসাস সফটওয়্যার দেশে আনার দায় মোদি সরকারের উপরেই বর্তায়।

চিদম্বরম আরও বলেন, পেগাসাস নিয়ে এই কারণেই নরেন্দ্র মোদি সরকার নীরব রয়েছে। সংসদেও তারা বিষয়টি নিয়ে কোন শব্দ খরচ করেনি। এমনকী, সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলাকালীনও তারা খোলসা করে কোনও কিছুই জানায়নি। তাই পেগাসাস বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় ঘোষণা করেছে তা যথাযথ। পেগাসাস সম্পর্কে জানতে শীর্ষ আদালত তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।

ওই তদন্ত কমিটি তার কাজ শুরু করলেই মোদি সরকারের গোপন তথ্য প্রকাশ্যে আসবে। মোদি সরকার কিভাবে দেশের বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক বিভাগ ও রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের উপর পেগাসাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে নজরদারি চালিয়েছে সে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। দেশবাসীর সামনে মোদি সরকারের মুখোশ খুলে দেওয়া দরকার।

উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠকে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূতের গিলন বলেন, এনএসও নামে একটি বেসরকারি সংস্থা পেগাসাস সফটওয়্যার তৈরি ও বিক্রি করে থাকে। কিন্তু বিক্রি করার আগে তাদেরকে ইজরায়েল সরকারের অনুমতি নিতে হয়। শুধুমাত্র কোনও দেশের সরকারকেই এই সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারে এনএসও। নরেন্দ্র মোদি সরকার কি এই সফটওয়্যার কিনেছে? এই প্রশ্নের সরাসরি কোনও উত্তর দেননি গিলন। তিনি বলেন, পেগাসাস নিয়ে ভারতে যে বিতর্ক চলছে সেটা একেবারেই এদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তাই তিনি এ বিষয়ে কোনও রকম বিতর্কে জড়াবেন না। এনএসও এপর্যন্ত কোন কোন দেশের সরকারকে এই সফটওয়্যার বেচেছে সেই তথ্য কি ইজরায়েল সরকারের কাছে আছে? এই প্রশ্নের অবশ্য কোনও উত্তর দেননি গিলন।

স্পাইওয়্যার কেনার অভিযোগের আধিকারিকদের ইজরায়েল যাত্রা নিয়ে রাজ্য সরকারকে নোটিশ

10 questions MPs can raise in Parliament on Israeli spyware Pegasus and surveillance

নিউজ ডেস্ক: বোম্বে হাইকোর্ট মহারাষ্ট্রের সূচনা এবং যৌন সম্পর্ক বিভাগের আধিকারিকদের ২০১৯- এর ইসরায়েল যাত্রা নিয়ে রাজ্য সরকারকে নোটিশ জারি করল। এই ঘটনা নিয়ে জনস্বার্থের মামলাকারীর আইনজীবী দাবি করে বলেছেন ইসরায়েলের এই যাত্রা পেগাসাসের মত স্পাইওয়ের কেনার জন্য করা হয়েছিল।

লক্ষণ বুড়া এবং দিগম্বরা যারা এই জনস্বার্থ মামলাটি করেছেন৷ তার সঙ্গে ফোন ট্যাপিং মামলা এবং আধিকারিকদের ইজরায়েল যাত্রার মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। জনস্বার্থ মামলায় এই অভিযোগ করা হয়েছে যে, এই ধরনের বিদেশযাত্রার অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের নিয়মের উলঙ্ঘন করা হয়েছে।

এই মামলার আইনজীবী তেজেস দান্ডে আদালতে বলেছেন, ইসরায়েলের কাছে ওয়েব মিডিয়ার পড়াশুনার এমন কোন বিশেষতা নেই৷ যার মাধ্যমে রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের লাভ হবে। তিনি বলেন ইজরায়েল যাত্রার মূল উদ্দেশ্য ছিল পেগাসাসের মত স্পাই সফটওয়্যার কেনার।