भीषण गर्मी से दक्षिण बंगाल में हालत पस्त, लोग परेशान

कोलकाता: दक्षिण बंगाल में गर्मी से हाल बेहाल है। जून का महीना लगभग खत्म होने जा रहा है बावूजद दक्षिण बंगाल में तापमान में कोई परिवर्तन नजर नहीं आ रहा है। ऐसे में अलीपुर मौसम विभाग ने थोड़ी राहत दी है। अगले बुधवार तक कोलकाता समेत दक्षिण बंगाल में तेज हवाएं चलने का अलर्ट जारी किया है। वहीं, उत्तर बंगाल के जिलों में भी भारी बारिश हो सकती है।

मौसम विभाग के सूत्रों के मुताबिक आज से 2 जुलाई तक कोलकाता समेत दक्षिण बंगाल के सभी जिलों में हल्की बारिश की संभावना है। कुछ जिलों में बारिश के साथ-साथ 30-40 किमी प्रति घंटे की रफ्तार से तेज हवाएं भी चल सकती हैं। अधिकतम हवा की गति 50 किमी प्रति घंटा हो सकती है। वहीं, उत्तर बंगाल के जिलों में भी आंधी तूफान का पूर्वानुमान जारी किया गया है। बंगाल की खाड़ी में चक्रवात के कारण भारी बारिश की आशंका जताई गई है।

यहां भी दो जुलाई तक बारिश हो सकती है। गुरुवार को दार्जिलिंग, कलिम्पोंग जलपाईगुड़ी, अलीपुरद्वार, कूचबिहार में भारी बारिश की चेतावनी जारी की गई है। जिले के बाकी हिस्सों में छिटपुट बारिश हो सकती है। मौसम विभाग ने कहा कि अगले 5 दिनों तक पश्चिम बंगाल के तटीय जिलों में तापमान में कोई बदलाव नहीं होगा। अगले 5 दिनों में उत्तर बंगाल के जिलों में भी तापमान में कोई बदलाव नहीं होगा।

गर्मी से तप रहा है कोलकाता, पांच जिलों में आ सकती है आंधी

कोलकाता : पश्चिम बंगाल के दक्षिण बंगाल में छिटपुट बारिश की संभावना है लेकिन गर्मी अभी कम नहीं हो रही है. कई दिनों तक मौसम की असहजता बनी रहेगी। वहीं, मौसम विभाग ने शनिवार को दक्षिण बंगाल के तीन जिलों में लू की चेतावनी जारी की है। उन तीन जिलों के अलावा दक्षिण बंगाल के अन्य जिलों में भी तापमान 2 से 3 डिग्री सेल्सियस तक बढ़ने का अनुमान है।

मानसून में अभी देर है। उससे पहले बंगाल के लोगों को एक बार और गर्मी में झुलसना पड़ सकता है। कोलकाता समेत दक्षिण बंगाल के सभी जिलों में पिछले कुछ दिनों से लोगों को उमस के कारण गर्मी और परेशानी का सामना करना पड़ रहा है। हालांकि छिटपुट बारिश हुई, लेकिन गर्मी से कोई राहत नहीं मिली। ऐसे में मौसम विभाग का कहना है कि अगले कुछ दिनों में हालात बदलने की कोई उम्मीद नहीं है। इसके उल्ट अगले कुछ दिनों में तापमान कुछ और बढ़ सकता है. हालांकि छिटपुट बारिश की भी संभावना है।

अलीपुर ने बताया कि पश्चिम बर्दवान, पश्चिम मेदिनीपुर और बांकुड़ा जिलों के कुछ स्थानों पर लू की स्थिति उत्पन्न हो गयी है। परिणामस्वरूप,यह क्षेत्र अत्यधिक गर्म रहेगा। पूरे दक्षिण बंगाल में पारा बढ़ेगा। अलीपुर मौसम विभाग ने कहा कि दक्षिण 24 परगना, मेदनीपुर, बीरभूम और मुर्शिदाबाद में भी शनिवार की दोपहर के बाद हल्की से मध्यम बारिश होने की संभावना है।

ध्यान दें कि दक्षिण बंगाल में शुक्रवार से तापमान में बढ़ोतरी महसूस की जा रही है। दक्षिण बंगाल गर्मी लगातार बढ़ती जा रही है। हवा में नमी भी परेशानी का कारण बन रही है। शनिवार को भी यही स्थिति रही। कोलकत्ता भी गर्मी में तप रहा है। शनिवार को कोलकाता में अधिकतम और न्यूनतम तापमान क्रमश: 37.1 डिग्री सेल्सियस और 29 डिग्री सेल्सियस दर्ज किया गया, जो सामान्य से अधिक है।

Weather Update: ফের নামল পারদ, সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি

Rain in Bengal

নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ফের পারদ পতন। আজ কলকাতার (Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের (Alipore Meteorological Office) পূর্বাভাস, ধীরে ধীরে নামতে শুরু করবে পারদ। নতুন বছরের শুরু থেকে ফের জাঁকিয়ে শীতের (Winter) সম্ভাবনা। 

আকাশ মেঘলা থাকলেও গত ২ দিন কলকাতায় বৃষ্টি হয়নি। বৃহস্পতিবার সকালে হালকা কুয়াশায় ঢেকেছিল কলকাতা। জেলাতেও কোথাও কোথাও ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে। বেলা বাড়লেও আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সেই সঙ্গে কলকাতার কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিও হয়েছে।

আবহবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারতে হাজির হওয়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই উত্তুরে হাওয়া বাধা পেয়েছে। সেই ঝঞ্ঝা ক্রমশ পূর্বভারতের দিকে বয়ে আসার ফলে রাতের পারদ পতনেও বাধা সৃষ্টি করছে। এই ঝঞ্ঝার প্রভাব কাটলেই বাধাহীনভাবে বইবে উত্তুরে হাওয়া। তখন ফের ফিরবে ঠান্ডার আমেজ।

এদিকে কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে উত্তর ভারত।  কাশ্মীর, হিমাচলপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ডে তুষারপাত হয়েছে। তুষারপাত হয়েছে সিকিম ও দার্জিলিঙের সান্দাকফুতেও। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Alipore Meteorological Office) জানিয়েছিল, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে বেড়েছে তাপমাত্রা। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাটলে নতুন বছরের শুরু থেকে ফের নামবে পারদ। 

Weather Update: আজ থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

Heavy rain to follow in west bengal

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা:  শীতের মরশুমে উধাও শীত! সেই সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা। এদিকে ঘূর্ণাবর্তের কারণে বুধবার একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরেই রাজ্যে ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রা।

এদিন সকাল থেকেই মহানগরের আকাশের মুখ ভার। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। কোথাও কোথাও ঘন কুয়াশা দেখা গিয়েছে। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি বেশি। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। যার জেরে বুধবার রাজ্যের মুর্শিদাবাদ, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত চলবে। কলকাতা, দুই পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হুগলি, বর্ধমান এবং নদিয়ায় হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে আগামী ২৪ ঘণ্টায়। হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান জেলায়। মেঘলা আবহাওয়ার জন্য শীতের আমেজ উধাও হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।

আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, শুক্রবার অর্থাত্‍ ৩১ ডিসেম্বর বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। তবে জানুয়ারির শুরুর দিকে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আসতে চলেছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও পুবালি হাওয়ার সংঘাতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব ভারতেও।

অন্যদিকে ১ তারিখ থেকে গোটা রাজ্যেই পারদ নামবে। ফলে, নতুন বছরেই ফর্মে ফিরবে শীত, এমনটাই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে এখনও পর্যন্ত আবহাওয়ার যা পরিস্থিতি তাতে নতুন বছর শুরুর আগে জাঁকিয়ে ঠান্ডার অনুভূতি মিলবে না। নতুন বছর শুরুর কয়েকদিন পর থেকেই ফের নামতে পারে পারদ।

Weather Warning: কলকাতা থেকে রাজ্য, দিনভর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সতর্কতা

weather warning kolkata

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: সোমবার দিনভর দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গে পূবালি হাওয়ার দাপটে কলকাতা-সহ সংলগ্ন জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বেড়েই চলেছে। রবিবার রাত থেকেই বইছে ঝড়ো হাওয়া।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলিতে ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। অর্থাৎ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল। পাশাপাশি ভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গেও। এখানে দার্জিলিং, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে ভারী বৃষ্টি ও তার জেরে ধস নামতে পারে পাহাড়ে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পূর্ব মেদিনীপুর ও হাওড়ায় ভারী বৃষ্টি হবে। বুধবার থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের আবহাওয়াবিদরা। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় মঙ্গলবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

এদিন সকালে কলকাতার তাপমাত্রা নেমে এসেছে ২৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। গত ২৪ ঘন্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। বৃষ্টি হয়েছে ১৫.৭ মিলিমিটার।

Weather Update: ত্রিমুখী আক্রমণে বাংলায় বিরাজমান দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া

weather update kolkata

নিউজ ডেস্ক,কলকাতা: একদিকে জোড়া নিম্নচাপ, অন্যদিকে পূবালী হওয়ার দাপট। এই ত্রিমুখী আক্রমণে ফের বাংলায় শুরু হয়েছে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। শুক্রবারের পর শনিবার দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। 

রবি ও সোমবার ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির দাপট বাড়বে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার শুরু হয় দশমী থেকেই। সকালবেলা পূবালী হাওয়ার জেরে ব্যাপক গরম এবং বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত প্রচণ্ড বৃষ্টি, সঙ্গে ছিল বজ্রপাতের বাড়বাড়ন্ত।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে এই মুহূর্তে বঙ্গোপসাগর, আরব সাগরে দু’টি নিম্নচাপ রয়েছে। লাক্ষাদ্বীপ দক্ষিণ পূর্ব আরব সাগরে রয়েছে একটি নিম্নচাপ। অন্য নিম্নচাপটি পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। ক্রমশ দক্ষিণ ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে পৌঁছাবে। বাংলা ও বাংলাদেশ উপকূলে আগামীকাল থেকে পূবালী হাওয়ার দাপট বাড়বে।

দশমীর সকাল থেকেই কলকাতায় আকাশ ছিল আংশিক মেঘলা। সন্ধ্যা পর থেকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি শুরু হয়ে যায় বেশ কিছু এলাকায়। সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়া, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৫৭ শতাংশ। এর ফলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি অত্যন্ত থাকছে। বৃষ্টি হয়েছে ২৬.৬ মিলিমিটার। আজও হতে পারে বৃষ্টি।।

নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে রবি ও সোমবার খারাপ আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই মঙ্গলবার পর্যন্ত বৃষ্টি চলবে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা।

উত্তরবঙ্গে আজ শনিবার থেকে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। রবি ও সোমবার বাড়বে বৃষ্টির দাপট। সমুদ্রে যাঁরা রয়েছেন তাঁদের শনিবার সন্ধের মধ্যে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবি ও সোমবার সমুদ্র উত্তাল থাকবে। তাই এই দু’দিন মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

Weather update: অষ্টমীতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

Kolkata Weather update

নিউজ ডেস্ক: অষ্টমীর দিন দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে৷ তবে পুজোর মধ্যেই নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্তের জেরে কোনও বড় দুর্যোগের তেমন সম্ভাবনা নেই বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

মৌসম ভবনের পূর্বাভাস বলছে, আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, উপকূলবর্তী কর্ণাটকের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা রয়েছে৷ পাশাপাশি তামিলনাড়ু, লাক্ষাদ্বীপ, কর্ণাটকের বিভিন্ন এলাকা, মধ্য মহারাষ্ট্র, কোঙ্কন ও গোয়ার কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মৌসম ভবন জানাচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীর, গিলগিট, বাল্টিস্তান এবং মুজফরবাদে বৃষ্টি হবে৷ আইএমডি এও জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, দক্ষিণ পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ, দক্ষিণ গুজরাত. উত্তরাখণ্ড, হিমাচলে বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে৷

অন্যদিকে জম্মু-কাশ্মীরে এলাকায় বরফপাত এবং বেশ কিছু জায়গায় বৃষ্টি-র জেরে শৈত্যপ্রবাহ দেখা গিয়েছিল৷ গুলমার্গ সহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় ইতিমধ্যেই বরফ পড়েছে৷ কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় কয়েক ঘণ্টা টানা বৃষ্টি হয়েছে।

মৌসম বিভাগ কেরলের বিভিন্ন জেলায় অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করেছে৷ ১২,১৩, ১৪ অক্টোবর কেরলের ছয় জেলায় প্রবল বৃষ্টি হবে৷ কোট্টায়াম, ইদ্দুকি, এর্নাকুলাম সহ বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হবে৷ তিরুবনন্তপুরম , পলক্কড, মলপ্পুরম এবং কোঝিকড় জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে৷

Weather update: মেঘলা আকাশে উত্তরে ভারী, দক্ষিণে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা

heavy rain in North bengal

নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে আজ সোমবারও ভারী বৃষ্টির হবে বলে জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতর । ভারী বৃষ্টি হবে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলায়। বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টি হবে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায়। পাহাড়ে বৃষ্টি কমতে পারে মঙ্গলবার থেকে। এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

দক্ষিণবঙ্গে কেমন থাকবে আবহাওয়া? আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন আপাতত ভারী বৃষ্টির কোনও সর্তকতা নেই। তবে বিক্ষিপ্তভাবে দু-এক পশলা বৃষ্টিও হতে পারে । থাকবে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তিও।

কলকাতায় আজ, সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের অঙ্গ হিসাবে এখানেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টির হতে পারে। তাপমাত্রা থাকবে স্বাভাবিকের উপরে। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও বাড়বে। এটাই বাড়াবে বৃষ্টির সম্ভাবনা। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে যা ১ ডিগ্রি বেশি। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি হবে বিহার ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলি-তে। অসম ও মেঘালয়ে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টি হবে তামিলনাডু, কেরল, লাক্ষাদ্বীপ, কর্ণাটক, কোঙ্কন, গোয়া ও মহারাষ্ট্রে।

আবহাওয়া দফতর বলছে যে, অন্যান্য বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেই বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সে জায়গায় এবার অনেক দেরী করে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।দিল্লির মৌসম ভবনের তরফে জানা গিয়েছে ৬ অক্টোবর মহালয়ার দিন থেকে থেকে, উত্তর পশ্চিম ভারতে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। বাংলা থেকে তা কবে বিদায় নেবে তা এখনও জানা যায়নি।

প্রসঙ্গত এবারের বর্ষায় গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। শুধু সেপ্টেম্বরেই কলকাতায় স্বাভাবিকের তুলনায় ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলে খবর।

Weather update: বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সতর্কতা হাওয়া অফিসের

flood indian army

নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকালে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিতে সতর্কতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর৷ আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঝেপে বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব বর্ধমান জেলায়।

তবে আজ শনিবারও কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় কয়েক বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে কারণ বর্ষার বিদায় এখনও শুরু হয়নি। এদিকে আজও প্রবল বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গে। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরে বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। কোথাও কোথাও সর্বোচ্চ ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কোচবিহার, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। ৩ অক্টোবর ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। দার্জিলিং, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়িতে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে তবে দুর্যোগের আবহ নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

এদিকে বৃষ্টি থামতে কলকাতার তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, তবে তা অসহ্যকর হয়ে ওঠেনি।শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৬ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে যায় , যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৭ ও সর্বনিম্ন ৫৭ শতাংশ।

শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে যায় , তবে তা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম ছিল। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

Weather update: বহু দিন পর রোদের দেখা দক্ষিণে, ভাসবে উত্তরবঙ্গ

kolkata-city

নিউজ ডেস্ক: বহু দিন পর নির্মল রোদ যুক্ত সকাল দেখল শহর এবং দক্ষিণবঙ্গ। হ্যাঁ, এমনটা বললে খুব একটা ভুল হবে না কারণ দক্ষিণবঙ্গের মানুষ ভুলেই গিয়েছেন শেষ কবে সকাল।বেলা উঠে রোদ দেখতে পেয়েছেন। আজ তেমনটা হয়েছে। সৌজন্যে নিম্নচাপের উত্তরবঙ্গ গমন। এমনটাই জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

তবে আজ শুক্রবারও কয়েক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে কারণ বর্ষার বিদায় এখনও শুরুই হয়নি সারা দেশে, বাংলা তো কোন ছাড়। তাই হঠাৎ করে বেশ কিছুক্ষণ বৃষ্টি হলে হতেই পারে।

যেমন বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে দুপুরের দিকে তর্জন গর্জন শুরু হয় মেঘের এবং দুপুরবেলা হুড়মুড়িয়ে বেশ খানিকক্ষণ বৃষ্টি হয় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। আজ শুক্রবার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি হতে পারে তবে দুর্যোগের আবহ নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

এই বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা বেশ কিছুটা কমই রয়েছে।শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা বেড়ে ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে গিয়েছে , তবে তা এখনও স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম রয়েছে। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

এদিকে আজ থেকে প্রবল বৃষ্টি হতে পারে ৪০ শতাংশ ঘাটতিতে চলা উত্তরবঙ্গে। আজ বেশি বৃষ্টি হবে মালদহ , উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। এই জেলাগুলিতেই বৃষ্টি হতে পারে ২ অক্টোবরও। সর্বোচ্চ ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং , কোচবিহার, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে বৃষ্টি হতে পারে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার। ৩ অক্টোবর ৭০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে। দার্জিলিং, কালিম্পঙ, জলপাইগুড়িতে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে।

ফের আমতা-উদয়নারায়ণপুরে বন্যার আশঙ্কা, ঘুম উড়েছে বহু মানুষের

নিউড ডেস্ক: দু-মাস কাটতে না কাটতেই আবারও বন্যার ভ্রুকুটি আমতা ও উদয়নারায়ণপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। ডিভিসির রেকর্ড পরিমাণ জল ছাড়ার ফলে ডুবতে পারে আমতা ও উদয়নারায়ণপুর বিধানসভার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। আর সেই আশঙ্কাতেই ঘুম উড়েছে আমতা ও উদয়নারায়ণপুরবাসীর।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার প্রায় দু’লক্ষ কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি। সেই জল শুক্রবার দামোদর হয়ে উদয়নারায়ণপুর পৌঁছাবে। এই জলেই প্লাবিত হতে পারে উদয়নারায়ণপুর ও আমতা-২ ব্লকের শতাধিক গ্রাম। আর তাই আগে থেকেই প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই শুরু হয়েছে প্রশাসনিক তৎপরতা। এদিন বিকালে উদয়নারায়ণপুর বিডিও অফিসে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া জেলার অতিরিক্ত জেলা শাসক (ডেভলপমেন্ট) রজত নন্দা, উলুবেড়িয়ার মহকুমা শাসক শমীক কুমার ঘোষ, উদয়নারায়ণপুরের বিডিও প্রবীর কুমার শীট, উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুলেখা পাঁজা সহ অন্যান্যরা। এদিন বিকাল থেকেই উদয়নারায়ণপুরের বিভিন্ন গ্রামে পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপাতত ব্লক অফিসের সরকারি কর্মীদের সমস্ত ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

amta-meeting-flood

ইতিমধ্যেই উদয়নারায়ণপুরে ২০ টি নৌকা। আগাম প্রস্তুতি হিসেবে উদয়নারায়ণপুর ব্লকের ৪০ টি স্কুল খুলে দেওয়া হয়েছে এবং শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ বেবি ফুড মজুত রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি, বিপর্যয় মোকাবিলায় এনডিআরএফ ও এসডিআরআফ টিমও মোতায়েন করা হচ্ছে বলে সূত্র মারফত জানা গেছে। একই চিত্র আমতা-২ ব্লকেও। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলাশাসকের সাথে ভিডিও কনফারেন্স করেন আমতার বিধায়ক সুকান্ত কুমার পাল। তারপর আমতা-২ ব্লক অফিসে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উলুবেড়িয়ার মহকুমাশাসক শমীক কুমার ঘোষ, আমতার বিধায়ক সুকান্ত কুমার পাল, আমতা-২ ব্লকের বিডিও মাসুদুর রহমান, আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মিদ্দ্যা সহ অন্যান্যরা। আমতা-২ ব্লক প্রশাসনের তরফে সমস্ত রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, মাস দু’য়েক আগেই ডিভিসির ছাড়া জলে উদয়নারায়ণপুর ও আমতা-২ ব্লকের বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে বহু কৃষিজীবী মানুষ। সেইসময় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে আমতায় এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধুমাত্র উদয়নারায়ণপুর বিধানসভা এলাকার হরালী, রামপুর ডিহিভূরশুট আসন্ডা,কানুপাট মনসুকা,কুড়চি শিবপুর সহ প্রায় ১৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা কমবেশি জলের তলায় চলে যায়। পরে এই বন্যার জল আমতা-২ ব্লকের প্রায় ১০ টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাকে প্লাবিত করে। বন্যার সেই ক্ষত কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবার বন্যার ভ্রুকুটি। আর তাতেই ঘুম উড়েছে আমতা ও উদয়নারায়ণপুরবাসীর।

Weather Alert: গাঙ্গেয় বঙ্গে অতিবৃষ্টির রেকর্ড, সম্ভাবনা বড় বিপর্যয়ের

big disaster in South bengal

বিশেষ প্রতিবেদন: জুন সেপ্টেম্বর মাসের বৃষ্টিতে গাঙ্গেয় বঙ্গের অবস্থা করুন। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে উবুচুবু অবস্থা বাংলার দক্ষিণ অংশের বেশিরভাগ রাজ্যের। এরপরে আবার বৃষ্টি হলে যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

উত্তরবঙ্গে এবারে তেমন বৃষ্টি হয়নি, উলটে ঘাটতি রয়েছে।আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে যে দক্ষিণবঙ্গ বানভাসি পরিস্থিতি। তথ্য বলছে, সারা বাংলায় এবারে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসের চিত্র দেখলে তা রীতিমত ভয় ধরাবে। সারা বাংলায় চলতি মাসে ৩৯ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ৮০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় ৯৬ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে উত্তরবঙ্গে এই মাসে ৪০ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

কলকাতায় বুধবার সারাদিন হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির জেরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের অনেকটাই নীচে নেমে এসেছে কলকাতার। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ২১.৭ মিলিমিটার। বুধবার রাত পর্যন্ত শহরে ৩৬.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা কমে ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল ৭২ মিলিমিটার। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার।

এদিকে বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আবহাওয়া উন্নতি হবে বলে জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।সেটাই হয়েছে। তবে বৃষ্টি একেবারে বন্ধ হয়নি। বৃষ্টি হয়েছে বিক্ষিপ্তভাবে।

Weather update: তৈরি হচ্ছে নয়া ঘূর্ণাবর্ত, বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

kolkata Weather

নিউজ ডেস্ক: কলকাতা: প্রায় এক সপ্তাহ পর রোদের মুখ দেখল দক্ষিণবঙ্গ। এদিন সকাল থেকে রোদের দেখা মিলছে কিন্তু তা বেলা হলেও একই পরিস্থিতি বহাল নাও থাকতে পারে। কারণ বৃষ্টির আবহ এখনও জারি রয়েছে রাজ্যে। পাশাপাশি ঘনীভূত হচ্ছে দুটি ঘূর্ণাবর্তও। তার প্রভাবও পড়বে খুব শীঘ্রই। হাওয়া অফিস বলছে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই।

এদিন সকাল থেকে বৃষ্টি হয়নি। তবে বেলার দিকে এর সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার ঠিক এমনভাবেই বেলা থেকে দুপুর পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ বৃষ্টি হয় কলকাতার প্রায় সর্বত্রই।

শুক্রবার আকাশ বেশ কিছুটা পরিষ্কার হলেও বৃষ্টির রেশ যে পুরোপুরি কাটেনি তা স্পষ্ট এমন সম্ভাবনা থেকেই , সৌজন্যে মৌসুমি অক্ষরেখা এবং পিছু পিছু তৈরী হওয়া দুই ঘূর্ণাবর্ত। গত দুই দিনের মতো আজ শুক্রবার মূলত, পাহাড়ের সমস্ত জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পঙ, আলিপুরদুয়ার, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা গনেশকুমার দাস জানিয়েছেন, “দুটি ঘূর্ণাবর্ত আবারও সাগরে তৈরি হচ্ছে, যা বাংলা-ওডিশা উপকূল দিয়ে আসতে পারে। তাই আবারও আর্দ্র বাতাস রাজ্যে ঢুকছে তাই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই। পাশাপাশি বৃষ্টি কম হলে থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। ২৬ তারিখ থেকে ভারী বৃষ্টি হবে।”

মঙ্গলবার দিনভর ৮৪.৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সারাদিনে ১৭.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ ১৬.৬ মিলিমিটার। শুক্রবার বৃষ্টি হয়েছে ১৭.৩ মিলিমিটার। শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৮১ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে চার ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৮৩ শতাংশ। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমান ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৯৬ শতাংশ। অর্থাৎ আর্দ্র হাওয়ার আগমন শহরে বন্ধ হচ্ছে না তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে এই অঙ্ক।

শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ, আজ থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি বাড়বে

kolkata rain

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: উত্তর বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে নিম্নচাপ। তারই জেরে রাজ্যের দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি বাড়ছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি আরও বাড়বে। নিম্নচাপের জেরে ২৯ ও ৩০ জুলাই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি চলবে।

বুধবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।বুধবার দিনভর একাধিক জেলায় দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে।বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও সকাল থেকে একই জল-ছবি দক্ষিণবঙ্গে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

আজ থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে । এমনই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বেশ কয়েকটি জেলায়। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, কলকাতা, মেদিনীপুর, বাকুড়া, বর্ধমানে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি চলবে।

মৌসুমী অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের উপর দিয়ে বিস্তৃত রয়েছে।সেই কারণে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টি চলবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।