Sports: মন্টু ঘোষ ক্রিকেট অ্যাকাডেমির অভিনব উদ্যোগ

Montu Ghosh Cricket Academy

Sports desk: এবার অভিনব উদ্যোগ শুরু করেছে মন্টু ঘোষ ক্রিকেট অ্যাকাডেমির। বাংলার আনাচে কানাচেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য জুনিয়র ক্রিকেটার।

তাদের টি টোয়েন্টি টুর্নামেন্টেই অংশগ্রহণ করতে হয় বেশি। সেখানে টালিগঞ্জ অগ্রগামীর অধীন মন্টু ঘোষ ক্রিকেট অ্যাকাডেমি বিগত সপ্তাহে শুরু করেছে অনুর্ধ-১৫ ক্রিকেটারদের নিয়ে মন্টু ঘোষ চ্যালেঞ্জ কাপ।

এই টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচ হবে দুদিন ব্যাপী এবং প্রতিদিন তিন সেশন মিলিয়ে খেলা হবে মোট ৮০ ওভার। প্রতিটি দল একটি ম্যাচে দুবার করে ব্যাটিং’র সুযোগ পাবে। টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারি দলের সংখ্যা মোট ২০। টিমগুলোকে ৫ গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।

গোটা এই টুর্নামেন্টের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন বিশ্বজিৎ মুখার্জী, পুলক চ্যাটার্জী, বিভাস দাসের মতো ময়দানের উল্লেখযোগ্য ক্রিকেটারেরা।

কলকাতা ময়দানে মন্টু ঘোষ ক্রিকেট অ্যাকাডেমির এই ধরণের টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রভাব সুদূরপ্রসারী হবে অ্যাকাডেমির সকল কর্মকর্তাদের এমনটাই মত।

টিম ইন্ডিয়ার ঠাসা ক্রীড়াসূচি নিয়ে শাস্ত্রীর নিশানায় সৌরভ এন্ড হিজ কোম্পানি

shastri-sourav

Sports desk: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ(আইপিএল) ভারতের মাটিতে চলার পথে হঠাৎ করে স্থগিত হয়ে যায়।কেননা ভারতে কোভিড-১৯ বাড়বাড়ন্তের জেরে। স্থগিত হওয়া আইপিএলের সেকেন্ড লেগ দুবাই’র মাটিতে আয়োজিত করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড(বিসিসিআই)।

রবিবার চলতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড। এই দুই দলের আন্তজার্তিক ক্রিকেটের সময়সূচী (ফিক্সার) সামনে তুলে এনে রবি শাস্ত্রী ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে নিশানা করে বক্তব্য রেখেছেন। বোর্ডকে নিশানায় রেখে শাস্ত্রী বলেছেন,”রবিবার যে দলগুলো ফাইনাল খেলছে, তারা গত ৬ মাসে খুব কমই খেলেছে এবং আপনি পার্থক্য দেখতে পাচ্ছেন। তারা নিজেদের তীক্ষ্ণ রাখার জন্য যথেষ্ট খেলেছে কিন্তু তারা পর্যাপ্ত রাউন্ড বিশ্রাম পেয়েছে, মাঝে মাঝে বাধ্য করা হয়(বেশি ক্রিকেট খেলার জন্য)। “

চলতি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইপিএলের সেকেন্ড লেগ আয়োজিত করা প্রসঙ্গে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর ভারসাম্যপূর্ণ, অথচ সুদূরপ্রসারী বয়ান সামনে এসেছে। শাস্ত্রীয় বচন এইরকম যে, “আইপিএলের ঠিক পরে বিশ্বকাপ খেলা দলের জন্য আদর্শ সময় ছিল না।” এই পজিশনে রবি শাস্ত্রীর ভারসাম্য বজায় রেখে সুদূরপ্রসারী বয়ান, “কোভিড-১৯ এর কারণে পুনরায় শিডিউল করা হয়েছে বলে বিসিসিআইকে দোষারোপ করতে চান না।”

সম্প্রতি ভারতের ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক কপিল দেব টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের অকাল বিদায়ের পর নিজের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “আমি বিশ্বাস করি যে আপনার জাতীয় দল প্রথমে আসা উচিত এবং তারপরে ফ্র্যাঞ্চাইজি বা অন্য কোনও দল।”

১৫ অক্টোবর দুবাইতে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ শেষ হওয়ার মাত্র দুই দিন পরে ভারতীয় (India) খেলোয়াড়রা জাতীয় ক্রিকেট দলের প্ল্যাটফর্মে একত্রিত হয়। সঙ্গে খেলোয়াড়দের কোভিড -১৯ প্রটোকল মেনে নিভৃতবাসে থাকতে হয়েছিল।

৬২ বছর বয়সী কপিল দেব ভারতীয় (India) ক্রিকেট বোর্ডকে নিশানা করে বলেছেন, “আমি বলছি না সেখানে ক্রিকেট খেলবেন না (ফ্রাঞ্চাইজিগুলির জন্য) তবে ভবিষ্যতের জন্য তাদের ক্রিকেট (সূচি) আরও ভাল পরিকল্পনা করা এখন বিসিসিআইয়ের দায়িত্ব।”কিংবদন্তি ভারতীয় (India) ক্রিকেটার কপিল দেব আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে বলেছেন, “এই পরাজয় থেকে আমরা যা শিখতে পারি তা হল যে ভুলগুলো হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি না করা। এটাই সবচেয়ে বড় শিক্ষা।”
ঠিক এই জায়গাতেই প্রাক্তন অধিনায়ক কপিল দেবের সুরে সুর মিলিয়ে রবি শাস্ত্রীর বক্তব্য,”আমি তা বলব না কিন্তু এপ্রিলে আইপিএল বাতিল হওয়ায় তাদের(বিসিসিআই) কোনো বিকল্প ছিল না। তবে ভবিষ্যতে এমনটা হবে বলে আমার মনে হয় না। কপিল সময়সূচী(ফিক্সার) সম্পর্কে সঠিক কারণ তুলে ধরেছেন।”

রবি শাস্ত্রীর সাফ কথা, “এটা শুধু বিসিসিআই নয়, প্রতিটি বোর্ডকে সময়সূচী নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ভুলে যাবেন না, আইপিএল যোগ করলে আমরা বিশ্বের অন্য যেকোনো দলের চেয়ে বেশি ক্রিকেট খেলি।”

অতীতেও দেখা গিয়েছে বিসিসিআই’র বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে টিম ইন্ডিয়ার ঠাসা একটানা ক্রিকেট সময়সূচী (ফিক্সার) ঘিরে। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা এই প্রাতিষ্ঠানিক অভিযোগ নিয়ে কোনও বিকল্প রুটম্যাপ এখনও তৈরি করে উঠতে পারেনি। ফলে বিসিসিআই’র পুরনো ক্ষত আবার নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে টিম ইন্ডিয়ার অকাল বিদায় এবং সামগ্রিক ভাবে ভারতীয় সিনিয়র পুরুষ ক্রিকেট দলের ঠাসা একটানা ক্রীড়াসূচি প্রাক্তনীদের নিশানায় ক্ষতে প্রলেপ খুঁজতে হিমশিম অবস্থা বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং সচিব জয় শাহদের।

ভারতের ক্রীড়াজগৎ নিয়ে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার

Sania Mirza

স্পোর্টস ডেস্ক: “অলিম্পিকের মাত্র দুই সপ্তাহ বা এক মাস আগে আমরা সামগ্রিকভাবে ক্রীড়া জাতি হয়ে উঠি”, এমন চাঞ্চল্যকর দাবি ভারতীয় টেনিস সুন্দরী সানিয়া মির্জার। ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা এও দাবি করেছেন যে, ভারতীয় ক্রীড়া সমান করা দরকার। তিনি মনে করেন যে, ভারতকে সামগ্রিকভাবে একটি ক্রীড়া দেশ হতে হবে। শুরু থেকেই ভারতীয় খেলাধুলা দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে। টেনিস অবশ্যই তাদের মধ্যে একটি।

সানিয়া মির্জা বলেন, “দিন শেষে আমাদের সকল ক্রীড়াবিদদের নিয়ে আমাদের খুব গর্বিত হওয়া উচিত, কারণ এর মধ্যে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। শুধু পদক জেতাই নয়, অলিম্পিকে খেলার জন্য সেই স্তরে পৌঁছানো… এটা বলার পর যে আমরা সব পদক বিজয়ী এবং আমাদের সকল ক্রীড়াবিদকে নিয়ে গর্বিত।

সানিয়া মির্জা স্কুলের শিশুদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আবেগ বাড়াতে চান। এই প্রসঙ্গে ভারতীয় টেনিস তারকার আক্ষেপ, ভারত ২০২০ টোকিও অলিম্পিকে সাতটি পদক নিয়ে অভিযান শেষ করেছে, যা সর্বকালের সেরা পারফরম্যান্স। এমনকি প্যারালিম্পিক্সেও, দেশ মোট ১৭ টি পদক সংগ্রহ করেছিল – এটি বেশ সেরা সংখ্যা। কিন্তু ঘটনাগুলো শেষ হওয়ার পর অলিম্পিক সম্পর্কে ক্রেজ (উন্মাদনা) ম্লান হয়ে যায়।

৩৪ বছর বয়সী স্পোর্টস্টার সানিয়া মির্জার এটিই প্রধান উদ্বেগ। তিনি আরও বলেন, স্কুলের উচিত শিশুদের মাঠমুখী করার আগ্রহের ক্ষেত্রে তাদের আরও উৎসাহিত করা। সানিয়া মির্জা ভারতকে একটি ক্রীড়া জাতি হিসেবে দেখতে চান।

ভারতীয় টেনিসের গ্ল্যামার কুইন মির্জা বলেন,”আমাদের মানসিকতাকে খেলাধুলার মানসিকতায় পরিণত করতে হবে এবং বিশ্বাস করতে হবে যে খেলাধুলা আমাদের জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক। এটিকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং তখনই আমরা সত্যিই আশা করতে পারি যে, আমরা খেলাধুলার মহান জাতি সম্পর্কে কথা বলতে পারি এবং অলিম্পিকে প্রচুর পদক জিততে পারি।”

ভারতের ক্রীড়াজগৎ নিয়ে নিজের উদ্বেগ প্রসঙ্গে সানিয়া মির্জার সাফ কথা, এই বিষয়ে প্রত্যেক ব্যক্তির খেলাধুলার গুরুত্ব বোঝা উচিত। আমাদের বাচ্চাদের যদি খেলাধুলার মাঠে আগ্রহ এবং প্রতিভা থাকে তাহলে আমাদের অনুপ্রাণিত এবং উৎসাহিত করা উচিত। তাহলে আমাদের ভারত আরও পুরস্কার জিতবে এবং একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ’কে নিশ্চিত করবে।

Sports: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্মৃতি মান্ধানার শতরান

Smriti Mandhana

স্পোর্টস ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডের কারারা ওভালে চলছে ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া মহিলা দলের দিন রাতের গোলাপি বলে টেস্ট ম্যাচ।আর এই ম্যাচে ভারতীয় ব্যাটসম্যান স্মৃতি মান্ধানা অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন। প্রথম ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্মৃতি মান্ধানার ব্যাট থেকে এলো শতরান।

মান্ধানা ২১৬ বল খেলে ১২৭ রান করে আউট হন। ২২ টা চার এবং ১ টি ওভার বাউন্ডারিতে স্মৃতির ইনিংস সাজানো। অস্ট্রেলিয়া মহিলা ক্রিকেট দল টসে জিতে বোলিং এর সিদ্ধান্ত নেয়। শেফালি ভর্মা ৩১,পুনম রাউত ৩৬ রান করে আউট হন। ক্রিজে আছেন মিঠালি রাজ ১৩ এবং য়াস্তিকা ভাটিয়া ২ রানে। টেস্টে ক্লিপিং গ্লাভস রিচা ঘোষের হাত থেকে নিয়ে তুলে দেওয়া হয়েছে তানিয়া ভাটিয়াকে।অজিদের হয়ে সোফিয়া ২, অ্যাসলে গার্ডনার ১ টি উইকেট পেয়েছেন।ভারতের প্রথম ইনিংসের দ্বিতীয় দিনে ৮৩.১ ওভারে স্কোর তিন উইকেটে ২৩১ রান।

ATK-নাম মোছার দাবিতে সবুজ-মেরুন জনতার বিক্ষোভের ছবি শেয়ার করলেন জো মরিসন

অনুভব খাসনবীশ: আবার বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে ময়দানে, সৌজন্যে এটিকে-মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan)। #RemoveATK এবং #BreakTheMerger হ্যাসট্যাগ দুটি আবার ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই নয়। মাঠের বাইরেও বিক্ষোভ দেখাচ্ছে সবুজ-মেরুন জনতা। দিনকয়েক আগেই প্রেস ক্লাবের সামনেও বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল বিভিন্ন সমর্থকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে। 

আরও পড়ুন পুজোয় আসছে গোলন্দাজ, তার আগেই নগেন্দ্রপ্রসাদের নামে লিগ চালুর দাবি তুললেন মোহনবাগান কর্তা

সেই বিক্ষোভের ছবিই এবার নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করলেন বিখ্যাত ফুটবল প্রেজেন্টার জো মরিসন। TEN SportsTEN Action+, SONY SIX সহ বিভিন্ন চ্যানেলে কাজ করেছেন তিনি। তাঁর জনপ্রিয় শো  C2K (কাউন্টডাউন টু কিকঅফ) বিপুল জনপ্রিয়তা এনে দেয় তাঁকে। তিনিই এবার সবুজ-মেরুন জনতার বিক্ষোভের ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘What a photo.’ 

বিক্ষোভের সূত্রপাত্র গতবছর মোহনবাগান এবং এটিকে মার্জ করায়। যদিও সেই বিক্ষোভ খানিক কমলেও কয়েকদিন আগে থেকেই আবার পথে নেমেছেন মোহনবাগান জনতা। বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এটিকের বোর্ড মেম্বার উৎসব পারেখের একটি মন্তব্যে। চলতি বছরে এটিকে-মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলছে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বেও পৌঁছেছিল। যদিও ইন্টারজোনাল সেমিফাইনালে ‘এফসি নাসাফ উজবেকিস্তান’এর কাছে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে গঙ্গাপাড়ের ক্লাবের। কিন্তু এএফসি কাপে খেলা সম্ভব হয়েছে গত বছর কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে ‘মোহনবাগান’ আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়।

একটি সাক্ষাৎকারে পারেখ হঠাৎই বলে বসেন, ‘মোহনবাগানের নিজেদের ক্ষমতায় এএফসি কাপে খেলার যোগ্যতা নেই। ওদের কখনও পরিকল্পনাতেও ছিল না যে মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলতে পারবে। মোহনাবাগন তো নিজস্ব গায়ের জোরে আজ পর্যন্ত খেলল না।  এতদিন সেই কারণেই এএফসি কাপে খেলেনি তারা। এটিকে আসাতেই সেই সুযোগ পেয়েছে তারা। ফলে মোহনবাগান সমর্থকদের এটিকে মোহনবাগানকেই সমর্থন করা উচিত। মোহনবাগান এখন অতীত।’

ATK Mohun Bagan
এটিকের নামও এভাবেই মিলিয়ে যাক, এমনটাই চাইছেন মোহনবাগান জনতা।

পারেখ-কান্ডের পরেই মোহনবাগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের পক্ষ থেকে এটিকে-মোহনবাগানের অন্যতম ডিরেক্টর দেবাশীষ দত্ত এবং সৃঞ্জয় বসু জানিয়ে দেন, সমর্থকদের আবেগকে গুরুত্ব দিতেই হবে। উৎসব পারেখের বক্তব্য অপমান করেছে মোহনবাগানের শতাব্দীপ্রাচীন আবেগকে। তারপরেই এটিকের পক্ষ থেকে ক্ষমা চাওয়া হয় মোহনবাগান ক্লাবে সভ্য-সমর্থকদের কাছে। জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, উৎসব পারেখের বক্তব্যকে সমর্থন করেন না তাঁরা। যদিও তাতেও কমছে না সবুজ-মেরুন সমর্থকদের রাগ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সমর্থক জানিয়েছেন, ‘যতদিন না এটিকের নাম মায়ের নামের সামনে থেকে সরবে, ততদিন আমরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাবো। জো মরিসন আমাদের বিক্ষোভের ছবি টুইট করেছেন, এবার কয়েকদিনের মধ্যেই এটিকের সরে যাওয়ার খবরও তিনি টুইট করবেন।’

প্রসঙ্গত, গত বছরও এটিকে-মোহনবাগানের নতুন জার্সিতে তিনটি স্টার থাকা এবং ক্রমাগত তাদের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বলে উল্লেখ করায় ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন সবুজ-মেরুন সমর্থকেরা। তাদের ক্রমাগত আন্দোলনের পরে তিন স্টার সরিয়ে নিয়েছে ক্লাব অফিসিয়ালরা। ঝামেলা বেড়েছিল আইএসএলের একটি প্রোমোশনাল ভিডিওকে ঘিরেও। ওই ভিডিওতে দেখা যায় এটিকের অন্যতম কর্ণধার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। সবুজ-মেরুন জনতার বিক্ষোভে সেই ভিডিওটিও সরিয়ে নিয়েছিল আইএসএল কর্তৃপক্ষ।

 

 

ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে আজ মাঠে নামছে Mohun Bagan

Mohun Bagan

স্পোর্টস ডেস্ক: এএফসি কাপের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে আজ ইন্টারজোনাল সেমিফাইনাল খেলতে নামবে মোহনবাগান (Mohun Bagan)। ‘এফসি নাসাফ উজবেকিস্তান’কে হারাতে পারলে ভারতীয় ক্লাব হিসেবে ইতিহাস গড়বে সবুজ-মেরুন। সেই লক্ষ্যেই আজ দল তাসখন্দের মাঠে নামবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন মোহনবাগান অফিসিয়ালরা।

আরও পড়ুন ‘মোহন’-এর নামেই ‘বাগান’ এগিয়ে চলেছে;, এটিকেকে ঠুকলেন প্রসুন?‘

জয়ের ব্যপারে আশাবাদী কোচ অ্যান্তোনীয় লোপেজ হাবাসও। হাবাস বলেছেন, “বিশ্বে কোনও কোচই জয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। তবে দুবাইয়ে আমাদের প্রস্তুতি বেশ ভাল হয়েছে। নাসাফ যে যথেষ্ট শক্তিশালী, তা আমাদের মাথায় আছে। ওদের হারানোর মতো ক্ষমতা আমাদের আছে।” 

১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এফসি এফসি নাসাফ উজবেকিস্তান সুপার লিগে কারশি শহরের প্রতিনিধিত্ব করে। উজবেকিস্তানের অন্যতম সফল ক্লাব তাদের সমর্থকদের কাছে “ড্রাগন” নামে বেশি জনপ্রিয়। গত মরশুমে উজবেক লিগে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে তারা। এর আগে দু’বার এএফসি কাপে অংশগ্রহন করেছে তারা। ২০১১ সালে এএফসি কাপ চ্যাম্পিয়নও হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এটিকের বোর্ড মেম্বার উৎসব পারেকের একটি মন্তব্যে। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি হঠাৎই বলে বসেন, ‘মোহনবাগানের নিজেদের ক্ষমতায় এএফসি কাপে খেলার যোগ্যতা নেই। ওদের কখনও পরিকল্পনাতেও ছিল না যে মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলতে পারবে। মোহনবাগান সমর্থকদের এটিকে মোহনবাগানকেই সমর্থন করা উচিত। মোহনবাগান এখন অতীত।’

তাঁর এই মন্তব্যের পরেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিল বাগান সমর্থকরা। #RemoveATK এবং #BreakTheMerger হ্যাসট্যাগ দুটি আবার ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখনও ATK-এর সঙ্গে মাতৃসম ক্লাব মোহনবাগানের (Mohun Bagan) মার্জার ভাঙার দাবিতে ক্রমাগত বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আপামর সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা একটি ভিডিওতে মোহনবাগানের বর্তমান জার্সি এবং পালতোলা নৌকার ছবি দেওয়া মাস্ক পরে এটিকে’কে একহাত নিয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলার প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়ও। 

মোহনবাগানকে আসন্ন ম্যাচের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রসুন। ‘রয় কৃষ্ণা টিমের হিরো’, ‘কোটাল-প্রবীর দুর্দান্ত খেলছে’, ‘হাবাসকে ধন্যবাদ’ শোনা গেলেও গোটা ভিডিওতে একবারও তাঁর মুখে আসেনি এটিকের নাম। বারবার ‘মোহনবাগান’ সম্বোধন করেই তিনি জানান, “মোহনবাগান মোহনবাগানের নামেই এগিয়ে চলেছে। বাকি সব গৌণ। মোহনবাগান মা, ২২ তারিখ সবাই সব ভুলে টিভির সামনে বসে গলা ফাঁটাবে মোহনবাগানের জয়ের জন্য। ইতিহাস তৈরি করবে মোহনবাগান।”

যদিও এই সমস্ত কিছুতে মোহনবাগান খেলোয়াড়দের মনোবলে সমস্যা না হয় সেদিকেও নজর রাখছেন কর্তারা। দু’দিন আগেই মোহনবাগান দলকে ভার্চুয়াল শুভেচ্ছা জানানোর জন্য ভারী বৃষ্টি মাথায় নিয়ে এবং কলকাতার জমা জল ঠেলেই ময়দানে জমা হয়েছিলেন সবুজ মেরুন সমর্থকরা। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ম্যাচের আগেই ক্লাবের তরফে যাবতীয় শুভেচ্ছাবার্তা মোহনবাগান শিবিরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সুদূর তাসখন্দে বসেও যাতে সমর্থকদের ভালবাসা এবং সমর্থন পায় রয় কৃষ্ণা-ডেভিড উইলিয়ামস-প্রীতম কোটাল-প্রবীর দাসরা। 

তাসখন্দের মাঠে নাসাফ’কে হারিয়ে ইতিহাস গড়তে মরিয়া Mohun Bagan

স্পোর্টস ডেস্ক: এটিকে-মোহনবাগান (Mohun Bagan) এএফসি কাপে খেলছে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বেও পৌঁছেছে। আর দেড়দিন পরেই ২২ সেপ্টেম্বর ইন্টারজোনাল সেমিফাইনাল খেলতে নামবে ‘এফসি নাসাফ উজবেকিস্তান’ এর বিরুদ্ধে।  তাদের হারাতে পারলে ভারতীয় ক্লাব হিসেবে ইতিহাস গড়বে মোহনবাগান।

আরও পড়ুন ‘মোহন’-এর নামেই ‘বাগান’ এগিয়ে চলেছে, এটিকে’কে ঠুকলেন প্রসুন?‘

অন্যদিকে এএফসি কাপের আন্তঃজোনাল পর্বের সেমিফাইনাল খেলতে ইতিমধ্যেই তাসখন্দে পৌঁছে গিয়েছে মোহনবাগান। সোমবার বিকেলে তাসখন্দের কারশি স্টেডিয়ামের মাঠে অনুশীলন করে এটিকে মোহনবাগান। উজবেকিস্তানের দলের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে কারা খেলবেন তা এখনও ঠিক করেননি সবুজ-মেরুন কোচ আন্তোনিয়ো হাবাস।

১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এফসি এফসি নাসাফ উজবেকিস্তান সুপার লিগে কারশি শহরের প্রতিনিধিত্ব করে। উজবেকিস্তানের অন্যতম সফল ক্লাব তাদের সমর্থকদের কাছে “ড্রাগন” নামে বেশি জনপ্রিয়। গত মরশুমে উজবেক লিগে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে তারা। এর আগে দু’বার এএফসি কাপে অংশগ্রহন করেছে তারা। ২০১১ সালে এএফসি কাপ চ্যাম্পিয়নও হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এটিকের বোর্ড মেম্বার উৎসব পারেকের একটি মন্তব্যে। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি হঠাৎই বলে বসেন, ‘মোহনবাগানের নিজেদের ক্ষমতায় এএফসি কাপে খেলার যোগ্যতা নেই। ওদের কখনও পরিকল্পনাতেও ছিল না যে মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলতে পারবে। মোহনবাগান সমর্থকদের এটিকে মোহনবাগানকেই সমর্থন করা উচিত। মোহনবাগান এখন অতীত।’

তাঁর এই মন্তব্যের পরেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিল বাগান সমর্থকরা। #RemoveATK এবং #BreakTheMerger হ্যাসট্যাগ দুটি আবার ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এখনও ATK-এর সঙ্গে মাতৃসম ক্লাব মোহনবাগানের (Mohun Bagan) মার্জার ভাঙার দাবিতে ক্রমাগত বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আপামর সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা একটি ভিডিওতে মোহনবাগানের বর্তমান জার্সি এবং পালতোলা নৌকার ছবি দেওয়া মাস্ক পরে এটিকে’কে একহাত নিয়েছেন প্রাক্তন ফুটবলার প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়ও। 

মোহনবাগানকে আসন্ন ম্যাচের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রসুন। ‘রয় কৃষ্ণা টিমের হিরো’, ‘কোটাল-প্রবীর দুর্দান্ত খেলছে’, ‘হাবাসকে ধন্যবাদ’ শোনা গেলেও গোটা ভিডিওতে একবারও তাঁর মুখে আসেনি এটিকের নাম। বারবার ‘মোহনবাগান’ সম্বোধন করেই তিনি জানান, “মোহনবাগান মোহনবাগানের নামেই এগিয়ে চলেছে। বাকি সব গৌণ। মোহনবাগান মা, ২২ তারিখ সবাই সব ভুলে টিভির সামনে বসে গলা ফাঁটাবে মোহনবাগানের জয়ের জন্য। ইতিহাস তৈরি করবে মোহনবাগান।”

যদিও এই সমস্ত কিছুতে মোহনবাগান খেলোয়াড়দের মনোবলে সমস্যা না হয় সেদিকেও নজর রাখছেন কর্তারা। আজই মোহনবাগান দলকে ভার্চুয়াল শুভেচ্ছা জানানোর জন্য ভারী বৃষ্টি মাথায় নিয়ে এবং কলকাতার জমা জল ঠেলেই ময়দানে জমা হয়েছিলেন সবুজ মেরুন সমর্থকরা। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ম্যাচের আগেই ক্লাবের তরফে যাবতীয় শুভেচ্ছাবার্তা মোহনবাগান শিবিরে পৌঁছে দেওয়া হবে। সুদূর তাসখন্দে বসেও যাতে সমর্থকদের ভালবাসা এবং সমর্থন পায় রয় কৃষ্ণা-ডেভিড উইলিয়ামস-প্রীতম কোটাল-প্রবীর দাসরা। 

‘মোহন’-এর নামেই ‘বাগান’ এগিয়ে চলেছে’, এটিকে’কে ঠুকলেন প্রসুন?‘

স্পোর্টস ডেস্ক: আবার বিক্ষোভ দানা বেঁধেছে ময়দানে। #RemoveATK এবং #BreakTheMerger হ্যাসট্যাগ দুটি আবার ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ATK-এর সঙ্গে মাতৃসম ক্লাব মোহনবাগানের (Mohun Bagan) মার্জার ভাঙার দাবিতে ক্রমাগত বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আপামর সবুজ-মেরুন সমর্থকরা। তাদেরকেই যেন সমর্থন করলেন মোহনবাগানের ঘরের ছেলে প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন বার্সেলোনার নতুন ভরসা আনসু ১০ ফাতি

প্রসুণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাক্তন আন্তর্জাতিক ফুটবলার এবং অর্জুন পুরস্কারে (১৯৭৯) সম্মানিত। সেন্ট্রাল ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসাবে মোহনবাগান ক্লাবের সর্বকালের সেরা একদশ দলে বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মোহনবাগানের হয়ে টানা পাঁচ বছর (১৯৭৪-১৯৭৮) অধিনায়কত্ব করেছেন। ক্লাব জীবনে পাঁচটি আইএফএ শিল্ড-সহ মোট ২৮টি ট্রফি তুলেছেন গঙ্গাপাড়ের ক্লাব তাবুতে। মোহনবাগানের বর্তমান জার্সি এবং পালতোলা নৌকার ছবি দেওয়া মাস্ক পরে এবার সবুজ-মেরুনকে আসন্ন এএফসি কাপের ইন্টার জোনাল সেমিফাইনালের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর পোস্ট করা সেই ভিডিও দেখেই অনুরাগীরা বলছেন, ‘এটিকে’কে ঠুকেছেন মোহনাবাগানের ঘরের ছেলে প্রসুন’।

Mohun Bagan
কর্পোরেট ‘এটিকে মোহনবাগান’ নয়, শতাব্দীপ্রাচীন ‘মোহনবাগান’ এর ঐতিহ্যের কথাই বারবার বুঝিয়েছেন প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়।

এটিকে-মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলছে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বেও পৌঁছেছে। ২২ সেপ্টেম্বর ইন্টারজোনাল সেমিফাইনাল খেলতে নামবে ‘এফসি নাসাফ উজবেকিস্তান’ এর বিরুদ্ধে। এই সবই সম্ভব হয়েছে গত বছর কিবু ভিকুনার কোচিংয়ে ‘মোহনবাগান’ আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়। কিন্তু তারমাঝেই বিতর্ক তৈরি করে এটিকের বোর্ড মেম্বার উৎসব পারেখ একটি সাক্ষাৎকারে হঠাৎই বলে বসেন, ‘মোহনবাগানের নিজেদের ক্ষমতায় এএফসি কাপে খেলার যোগ্যতা নেই। ওদের কখনও পরিকল্পনাতেও ছিল না যে মোহনবাগান এএফসি কাপে খেলতে পারবে। মোহনবাগান সমর্থকদের এটিকে মোহনবাগানকেই সমর্থন করা উচিত। মোহনবাগান এখন অতীত।’

মোহনবাগানকে আসন্ন ম্যাচের জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রসুন। ‘রয় কৃষ্ণা টিমের হিরো’, ‘কোটাল-প্রবীর দুর্দান্ত খেলছে’, ‘হাবাসকে ধন্যবাদ’ শোনা গেলেও গোটা ভিডিওতে একবারও তাঁর মুখে আসেনি এটিকের নাম। বারবার ‘মোহনবাগান’ সম্বোধন করেই তিনি জানান, “মোহনবাগান মোহনবাগানের নামেই এগিয়ে চলেছে। বাকি সব গৌণ। মোহনবাগান মা, ২২ তারিখ সবাই সব ভুলে টিভির সামনে বসে গলা ফাঁটাবে মোহনবাগানের জয়ের জন্য। ইতিহাস তৈরি করবে মোহনবাগান।”

আরও পড়ুন ATK-নাম মোছার দাবিতে এবার বিক্ষোভের পথে সবুজ-মেরুন জনতা

১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এফসি এফসি নাসাফ উজবেকিস্তান সুপার লিগে কারশি শহরের প্রতিনিধিত্ব করে। উজবেকিস্তানের অন্যতম সফল ক্লাব তাদের সমর্থকদের কাছে “ড্রাগন” নামে বেশি জনপ্রিয়। গত মরশুমে উজবেক লিগে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে তারা। এর আগে দু’বার এএফসি কাপে অংশগ্রহন করেছে তারা। ২০১১ সালে এএফসি কাপ চ্যাম্পিয়নও হয়েছে। তাদের হারাতে পারলে ভারতীয় ক্লাব হিসেবে ইতিহাস গড়বে মোহনবাগান। এটিকে’কে ভুলে সবুজ-মেরুন সমর্থকদের সেই পালতোলা নৌকোর সেই ইতিহাসের কথাই স্মরণ করিয়ে দিলেন ‘মোহনবাগান রত্ন’ (২০১৯) প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়।