অশ্বিনের ‘ব্যাক ফ্লিপ’ ডেলিভারি নিয়ে দরাজ সার্টিফিকেট সচিনের

Sachin's certificate with Ashwin's 'back flip' delivery

Sports desk: টি-২০বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউটে ভারত (India) নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিরুদ্ধে ৬৬ রানে টুর্নামেন্টে প্রথম জয় পেয়েছে। আফগানদের (Afgan) বিরুদ্ধে সাড়ে চার বছর পর সাদা বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১৪ রানে ২ উইকেট নিয়ে জ্বলে ওঠেন।

দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর চলতি বিশ্বকাপে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের পারফরম্যান্স দেখে অভিভূত ভারতের কিংবদন্তী ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর। বিশেষত, অশ্বিনের ‘ব্যাক ফ্লিপ’ ডেলিভারি নিয়ে এতটাই উল্লসিত মাস্টার ব্লাস্টার যে সামাজিক মাধ্যমে স্যাডো বোলিং ডেলিভারির মাধ্যমে গোটা বোলিং অ্যাকশনকে বিশ্লেষণ করেছেন।

বৃ্হস্পতিবার সচিন বলেন,”অশ্বিনের আলাদা ভেরিয়েশন বোলিং ডেলিভারি হল ব্যাক ফ্লিপ। যা পিছন থেকে ছাড়া হয় আঙুলের সাহায্যে ক্যারাম বলের মতো।” সচিন স্যাডো বোলিং অ্যাকশন করে দেখান যে,”ডান হাতের তর্জনীতে বলকে ভারসাম্যে রেখে ডানহাতের বুড়ো আঙুল পিছনে ঠেলে দিয়ে এই ব্যাক ফ্লিপ ডেলিভারি করা হয়ে থাকে।”

চার বছর পর রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে ম্যাচে বল করতে দেখে সচিনের প্রতিক্রিয়া,”কিভাবে তিনি ম্যাচে নিজেকে এক্সিকিউট (পারফরম্যান্স মেলে ধরা) করেছে তা সুপার্ব।”

অশ্বিনের ব্যাক ফ্লিপ ডেলিভারি প্রসঙ্গে সচিন বলেন “এই ডেলিভারি আঙুলের পিছন থেকে রিলিজ করা হয়। ক্যারাম বলে ব্যাক ফ্লিপ ডেলিভারি রিলিজ হতেই ঘুরতে থাকে। কিন্তু আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিরুদ্ধে সাদা বলের ম্যাচে ব্যাক ফ্লিপ ডেলিভারি রিলিজ হতে ইনসুইং ডেলিভারি হয়েছে, বলের সিম পজিশনে ওই ডেলিভারি সাদা বলে লেগ স্লিপমুখি হয়ে থাকে। আর অন্যদিকে আউটসুইং ডেলিভারির ক্ষেত্রে সিম মুভমেন্ট প্রথম এবং দ্বিতীয় স্লিপ মুখি হয়ে থাকে, যা আউটসুইং’র মতো মুভ করে।”

সচিন এখানে অশ্বিনের বোলিং ডেলিভারির উন্নতির প্রশংসা করে বলেন,”ভারতের (India) নেট সেশনে অশ্বিনের এই ডেলিভারি হয়তো কেউই পায়নি ফেস করার জন্য ব্যাটিং সেশনে।” এখানেই অশ্বিনের কৃতিত্ব বোঝাতে গিয়ে মাস্টার ব্লাস্টার বলেন,”আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিরুদ্ধে ৪ ওভার বল করেও অশ্বিন কোনও বাউন্ডারি খায় নি। এই ধরনের ডেলিভারি ফেস করার জন্য অনুশীলনের দরকার আর অশ্বিন নিজের অভিঞ্জতা দিয়ে আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিরুদ্ধে বল করায় ব্যাটসম্যানরা (আফগান) সহজে মানিয়ে নিতে পারছিল না।” সচিনের কথায়,”এই জয়, বড় জয় ৬৬ রানে আমাদের জন্য জরুরি ছিল।ভারত (India) ভাল খেলেছে ওয়েল ডান ইন্ডিয়া (India) । “

T20 World Cup: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জিতেও স্বস্তিতে নেই ভারত

virat-team-india

Sports Desk: চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউটের তৃতীয় ম্যাচে ভারত আফগানিস্তানকে হারালো ৬৬ রানে। কিন্তু এই জয়ের পরেও ক্যাপ্টেন কোহলির ভারত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলবে কিনা তা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা রয়েই গেল।

কারণ, নিউজিল্যান্ড তাদের বাকি দুই ম্যাচ জিতলে ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ নেই। ভারত আফগানিস্তানকে হারিয়েছে এবং এরপর তাদের কাছ (আফগানিস্তান) থেকে একটি বিশাল অনুগ্রহের প্রয়োজন হবে এবং তা হল আফগানদের নিউজিল্যান্ডকে হারাতে হবে।

বুধবার, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত জয় পেয়েছে ঠিকই কিন্তু এখন নামিবিয়া এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে নেট রান-রেট অপরিহার্য হবে, যদি নিউজিল্যান্ড তাদের বাকি দুই ম্যাচের একটি হেরে যায়। উল্লেখ্য বুধবার নিউজিল্যান্ড স্কটল্যান্ডকে ১৬ রানে হারিয়েছে। কিউইদের ম্যাচ রয়েছে ৫ নভেম্বর নামিবিয়ার বিরুদ্ধে এবং ৭ নভেম্বর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে।

পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের কাছে লজ্জার হার ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির দলকে শেষ চারে পৌঁছানোর জন্য টুর্নামেন্টের অন্য খেলার ফলাফলের মুখ চেয়ে থাকতে হচ্ছে।

পাকিস্তান ৪ ম্যাচে চারটি জিতেছে, তারা ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে তারা নামিবিয়াকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে।

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে এদিন মহম্মদ সামি ৩, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২, জসপ্রীত বুমরাহ এবং রবীন্দ্র জাডেজা একটি করে উইকেট নিয়েছে। আফাগানিস্তান টসে জেতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। ভারত ২০ ওভারে ২১০ রান তোলে ২ উইকেট হারিয়ে।

জবাবে আফগানরা ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৪ রান তোলে। আফাগানদের হয়ে গুলবাদিন নঈব ২০ বলে ১৮ রানের চোখ ধাঁধানো ইনিংস খেলেন, তিনটে বাউন্ডারি মারেন। এই তরুণ আফগান ক্রিকেটারকে দলে নিতে ২০২২ আইপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিদের মধ্যে তুমুল লড়াই হতে চলেছে। আফগানিস্তান অধিনায়ক মহম্মদ নবি ৩৫, করিম জানাত ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন। আসরাফ ২ রানে নট আউট।

T20 World Cup: চলতি বিশ্বকাপে ভারত প্রথম স্কোরবোর্ডে ২০০ রানের গণ্ডি টপকাল

India-Afghanistan match in T20 World Cup

Sports Desk: চলতি টি -২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউটে খাদের কিনারায় ভারত,অনিশ্চিত শেষ চারে যাওয়ার ভবিষ্যৎ। এমন আবহে বুধবার, আবুধাবি’র জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোহিত শর্মা ওপেনিং করতে নেমে চলমান বিশ্বকাপে অর্দ্ধশতরান করলো। আফগানিস্তান টসে জিতে বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়।

৪৭ বলে ৭৪ রান করে হিটম্যান রোহিত শর্মা করিম জানাতের বলে মহম্মদ নবির হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে আসেন, ভারতের স্কোর ছিল ১৪.৪ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ১৪০ রান।

ভারত নিজেদের সুপার ১২ নক আউটে প্রথম ম্যাচ খেলেছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। ১০ উইকেটে বাবর আজমের পাকিস্তান ভারতের কাছ থেকে ঐতিহাসিক জয় ছিনিয়ে নেয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রোহিত শর্মা এক বল খেলে রানের খাতা না খুলেই শাহিন আফ্রিদির বলে এলবিডব্লু’র জালে জড়িয়ে পড়ে আউট হয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচ ভারতের নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। কিউইরা ৮ উইকেটে জেতে, টিম ইন্ডিয়াকে হারিয়ে। ওই ম্যাচে হিটম্যান ১৪ বলে ১৪ রান করে সোধির বলে মার্টিন গুপ্টিলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে আসেন।

তৃতীয় ম্যাচে সুপার ১২ নক আউটে ভারতের ওপেনার কে এল রাহুল করেছেন অর্দ্ধশতরান, আফগানদের বিরুদ্ধে থেমেছেন ৬৯ রানে,৪৮ বল খেলে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৩, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১৮ রান ব্যাট থেকে বেরিয়ে এসেছিল কেএল রাহুলের। ১৪৭ রান ২উইকেটে কেএল রাহুল আউট হতে ভারতের স্কোর দাঁড়ায়।
ক্রিজে জুটি বাধে ঋষভ পহ্ন আর হার্দিক পান্ডিয়া। ঋষভ ১৩ বলে ২৭ এবং পান্ডিয়া ১৩ বলে ৩৫ রান করে এবং দুজনেই নট আউট থাকেন। ২০ ওভারে ভারত তোলে ২১০ রান, দুই উইকেট হারিয়ে।

চলতি টি -২০ বিশ্বকাপে সুপার ১২ নক আউটে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ভারতের স্কোরবোর্ড ২০০ রানের গণ্ডি টপকে গেল, ভারত থামলো ২১০ রানে। আফগানিস্তানের হয়ে গুলবাদিন নবি এবং করিম জানাত একটি করে উইকেট নিয়েছে।

T20 World Cup: খাদের কিনারায় থেকে জয়ের খোঁজে ভারত

Team India

Sports Desk: চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয়ের জন্য মরিয়া ভারত। পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর, টিম ইন্ডিয়ার জন্য আরেকটি কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে, এবার সামনে আফগানিস্তানের। বুধবার, ভারতকে এই ম্যাচে জিততেই হবে এবং কাজটি করতে তাদের তারকা খেলোয়াড়দের দিকে তাকিয়ে থাকবে।

বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মা জুটিকে ক্রিজে টিকে থাকতে হবে, এবং এই জুটিও ভারতের জন্য অবশ্যই জয়ের লড়াইয়ে বড় অবদান রাখার আশা করবে। গুরুত্বপূর্ণ সুপার ১২ নক আউটে আফগানদের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য বিরাট এবং রোহিত উভয়ই সেরা ফর্মে থাকতে কোনও খামতি রাখছেন না।

বিসিসিআই নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে নেট সেশনে ভারতের তারকা জুটির ঘাম ঝরার একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। সেমিফাইনালের জন্য যোগ্যতা অর্জনের আশা নিয়ে ভারত নিজেদেরকে এক অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে, যা আর তাদের হাতে নেই। পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের কাছে লজ্জার ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির দলকে শেষ চারে পৌঁছানোর জন্য টুর্নামেন্টের অন্য ফলাফলের মুখ চেয়ে থাকতে হচ্ছে। পাকিস্তান ৪ ম্যাচে চারটি জিতেছে, তারা ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে তারা নামিবিয়াকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে নকআউটে জায়গা করে নেয়।

https://twitter.com/BCCI/status/1455760887235502084?s=20

নিউজিল্যান্ড তাদের বাকি তিনটি ম্যাচ জিতলে ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ নেই। ভারত আফগানিস্তানকে হারানোর আশা করবে, এবং তারপর তাদের কাছ (আফগানিস্তান) থেকে একটি বিশাল অনুগ্রহের প্রয়োজন হবে.. নিউজিল্যান্ডকে হারাতে হবে।

<

p style=”text-align: justify;”>বুধবার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতকে বড় জয় পেতে হবে, সেই সঙ্গে নামিবিয়া এবং স্কটল্যান্ডের সাথে নেট রান-রেট অপরিহার্য হবে, যদি নিউজিল্যান্ড তাদের বাকি তিনটি ম্যাচের একটি হেরে যায়।

T20 World Cup: প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ভক্তদের হতাশা প্রকাশ সোশাল মিডিয়ায়

virat-india

স্পোর্টস ডেস্ক: দুই ম্যাচে দুটিতেই হারের মুখ দেখে ভারতীয় দল বিপর্যস্ত ও ক্ষতবিক্ষত। চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়া এখন খাঁদের কিনারায় দাঁড়িয়ে। ব্ল্যাকক্যাপদের কাছে হারের ফলে ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার আশা সরু সুতোয় ঝুলে গিয়েছে।

যদিও দল দেশে ফিরে আসার পরে ভারতের লজ্জাজনক পারফরম্যান্সের তদন্ত অবশ্যই বিসিসিআই করবে! নিউজিল্যান্ডের কাছে লজ্জার হারের পরে সোশাল মিডিয়ায় প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং ভক্তরা ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে তাদের বক্তব্য রেখে চলেছেন।

বীরেন্দ্র সেহবাগ, ওয়াসিম জাফর, ভিভিএস লক্ষ্মণের মতো দ্বিগজ্জ প্রাক্তন ক্রিকেটারেরা নিজেদের হতাশা প্রকাশ করেছেন। আবার কিছু ক্রিকেট ভক্ত মিম শেয়ার করে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের পারফরম্যান্সের নিন্দা করেছেন।

বীরেন্দ্র সেহবাগ টুইটে লিখেছেন,”ভারতের থেকে খুবই হতাশাজনক। নিউজিল্যান্ড আশ্চর্যজনক ছিল. ভারতের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দুর্দান্ত ছিল না, খারাপ শট সিলেকশন এবং অতীতের কয়েক বারের মতো, নিউজিল্যান্ড কার্যত নিশ্চিত করেছে যে আমরা পরবর্তী ধাপে উঠতে পারব না। এটি ভারতকে আঘাত করবে এবং কিছু গুরুতর আত্মদর্শনের জন্য সময় দেবে #IndvsNZ”

https://twitter.com/virendersehwag/status/1454859973003862022?s=20

ভিভিএস লক্ষণ টুইট পোস্টে লিখেছেন, “এই পরাজয় টিম ইন্ডিয়াকে কষ্ট দিতে হবে। ব্যাট হাতে অস্থায়ী, তাদের শট নির্বাচন প্রশ্নচিহ্নে। নিউজিল্যান্ড দুর্দান্ত বোলিং করেছে, কিন্তু ভারত তাদের কাজ সহজ করে দিয়েছে। তাদের নেট রান রেটও মার খেয়েছে, সেমিফাইনালের জায়গাটা দূরের স্বপ্ন দেখায় #INDvNZ #T20WorldCup”

ভারতের প্রাক্তন টেস্ট দলের ওপেনার ওয়াসিম জাফর টুইটে মহাকাব্যে ধৃতরাষ্ট্র চরিত্রের সংলাপ পোস্ট করে লিখেছেন”ইয়ে কেয়া হো রহা হেঁ।”

বিশিষ্ট ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার এবং ক্রিকেট পন্ডিত হর্য ভোগলের টুইট পোস্ট এরকম,”ভারত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি। এবং যখন এটি সর্বদা গ্রুপে ত্রিমুখী লড়াই হতে চলেছে, আমি মনে করি না যে কেউ এটি আসতে দেখেছে।”

ভারতের প্রাক্তন কূটনীতিবিদ তথা কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর টুইট তাঁর কূটনীতিক পারদর্শিতা থেকে করা, “আমরা তাদের প্রশংসা করেছি, তাদের প্রশংসা করেছি, তাদের প্রশংসা করেছি এবং তাদের পুরস্কৃত করেছি। আমরা তাদের হারতে আপত্তি করি না কিন্তু তাদের লড়াই পর্যন্ত না করায় আমরা আপত্তি করি। ক্যাপ্টেনের আমাদের বলার দরকার নেই কী ভুল হয়েছে (আমরা নিজেরাই তা দেখতে পাচ্ছি); তাকে আমাদের বলতে হবে কেন!:”
অঙ্কুর ত্রিপাঠীর মিম এরকম, “আমি সর্বদা আমার দেশকে সমর্থন..
কিন্তু সত্য হল;_
#INDvNZ”

রিসু সিং’র ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচের রেজাল্টের পর বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মাকে নিশানা করে টুইটে মিম পোস্ট এরকম….

যদিও অনেকে কয়েন টসের মাধ্যমে বিরাট কোহলির পচা ভাগ্যের দিকে ইঙ্গিত করতে পারে, তবে পারফরম্যান্স ভারতের মতো বিশ্বমানের টিম থেকে প্রত্যাশার থেকে অনেক দূরে।

<

p style=”text-align: justify;”>টস যদিও খেলায় একটা ভূমিকা রেখেছে। ডিউ (শিশির) ফ্যাক্টরের কারণে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং সহজ হয়ে যাওয়ায় উভয় ক্ষেত্রেই ভারতীয় ব্যাটসম্যান নিয়ে সমালোচকনার কলম ধরতে হয়েছে। তা সত্ত্বেও ব্যাটিং পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, ২০ ওভারে সাত উইকেটে ১১০ রান করাই যথেষ্ট নয়।

কপিল দেবের ম্যাচ পরবর্তী মন্তব্যের জন্য বিরাট কোহলির নিন্দায় মুখর

kapil-virat

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী প্রাক্তন অধিনায়ক কপিল দেব স্বীকার করেছেন যে তিনি রবিবার চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউটে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পরে অধিনায়ক বিরাট কোহলির “আমরা যথেষ্ট সাহসী নই” মন্তব্যে অবাক হয়েছেন।

দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ড ভারতকে ৮ উইকেটে পরাজিত করেছে, এটি ‘মেন ইন ব্লু’র দ্বিতীয় হার। ম্যাচের পরে অধিনায়ক বিরাট কোহলি ব্ল্যাকক্যাপসের কাছে পরাজয়ের বিষয়ে বলেছেন, “বেশ উদ্ভট। সামনে খুব সৎ এবং আগামীতে নৃশংস হতে হবে, আমি মনে করি না যে আমরা ব্যাটিং বা বোলিং’এ যথেষ্ট সাহসী ছিলাম।”

একটি বেসরকারি নিউজ চ্যানেলে কপিল দেব কোহলির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “অবশ্যই, বিরাট কোহলির মতো উচ্চতার একজন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে এটি একটি খুব দুর্বল বক্তব্য। আমরা সবাই জানি যে তার দলের জন্য গেম জেতার খিদে এবং আকাঙ্ক্ষা দুই’ই রয়েছে। কিন্তু, যদি ক্যাপ্টেনের শারীরিক ভাষা এবং চিন্তা ভাবনা দলের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে ছাপ মেলে ধরতে না পারে, তাহলে ড্রেসিংরুমের ভিতরে খেলোয়াড়দের তাঁতিয়ে তোলা খুব কঠিন।”

কপিল দেব ১৯৮৩ বিশ্বকাপে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, টিমকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ রবি শাস্ত্রী এবং মেন্টর এমএস ধোনির অভিজ্ঞতা ব্যবহার করার জন্য এবং দলকে অনুপ্রাণিত করার জন্য অনুরোধ করেছেন। তিনি আরও যোগ করেছেন যে দলের সমালোচনা ন্যায়সঙ্গত, এবং খেলোয়াড়দের এটি মোকাবিলা করা উচিত।

টিম ইন্ডিয়া এখন সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য অন্য দলের পারফরম্যান্সের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। তাদের বাকি খেলা জিততে হবে এবং আশা করি বিশ্বকাপের অন্যান্য দলের ফলাফল তাদের (ভারতের অনুকূলে) পথে যাবে।
রবিবার ভারতের টপ অর্ডার সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়ে কারণ নিউজিল্যান্ডের পেসারদের কতকগুলি উচু মানের ডেলিভারির মুখে ভারতীয় দল ২০ ওভারে ১১০ রান তোলে ৭ উইকেটের বিনিময়ে। ভারতের বোলিংও কিউইদের সমমানের নিচে ছিল, কারণ শুধুমাত্র জসপ্রিত বুমরাহ ব্ল্যাকক্যাপসদের বিপক্ষে কয়েকটি উইকেট (২) নিতে পারে। এর আগে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ১০ উইকেটে হেরেছিল ভারত।

লবিতে টইটুম্বুর, বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারে না টিম সৌরভও

Sourav Ganguly President of the BCCI and Jay Shah Honoray Secretary of the BCCI

Special Correspondent, Kolkata: লজ্জার হার টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে ভারতের বিদায় ঘণ্টা প্রায় বাজিয়েই দিয়েছে। লজ্জাজনক হারের দায় যেমন বিরাট কোহলিকে নিতে হবে প্রশ্ন উঠছে এই হারের দায় কোনওভাবে এড়াতে পারে টিম সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)?

যে লবি সিস্টেম ভেঙে দিয়েছিলেন সৌরভ তা প্রকট হয়ে ফিরে এসেছে ২০২১ সালে। এই সমস্যা মাথাচারা দিচ্ছিল ২০১৯ সালের অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে। ৫০ওভারের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল শেষ হতেই বিরাট আর রোহিত দুটো আলাদা ক্যাম্প তৈরি হয়ে গেল দলে। ঘটনার জন্য বিরাট দায়ী, কারন তিনি কোনও প্লেয়ারকে সেট হতে দেননি। স্পিন জুটি থেকে শুরু করে টিম সেটিং হর রোজ নতুন নতুন খেলছে। কেই একবার খারাপ খেললেই দল থেকে বাদ। আবার নতুন।প্লেয়ার নিয়ে পরীক্ষা শুরু। ভেঙেছেন অশ্বিন-জাদেজা জুটি। নিজে তৈরি করেই নষ্ট করেছেন কুল-চা জুটি। চার নম্বরে ব্যাটে কাউকে থিতু হতে দেননি। রোহিত সেই জায়গাটা পেতেই নড়েচড়ে বসলেন সঙ্গে নিজের পারফরম্যান্সও ভালো। আর দেখে কে?

rohit-virat

বিশেষজ্ঞরা সোজাসুজি প্রশ্ন তুলেছেন ঈশান কিষান , সূর্য কুমার যাদব কীভাবে বিশ্বকাপ দলে ঢুকে পড়লেন? যে জায়গাটা শ্রেয়শ আয়াররা খেটে খেটে তৈরি করেছেন সে জায়গায় হঠাৎ করেই সূর্য কুমার যাদব? অভিজ্ঞতার দাম দেওয়া হল না।ইয়ো ইয়ো টেস্ট করে বলা হয় যে কোনও প্লেয়ার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার জন্য ফিট কি না সেখানে হার্দিকের মতো আনফিট প্লেয়ার দিব্যি খেলছেন। করছেন লোক দেখানি বোলিং। সৌজন্যে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ক্যাম্প। রোহিত ক্যাম্প , তাই রাহুল চাহার দলে আসে অথচ যুজবেন্দ্র চাহল সেরা টি-২০ বোলার হয়েও বিশ্বকাপ দলের বাইরে। শিখর ধাওয়ান , টুর্নামেন্টের আগের সিরিজে , শ্রীলঙ্কায় অধিনায়ক । ফর্মে থেকেও টুর্নামেন্টে দলের বাইরে। পাশাপাশি তিনি কেরিয়ারের সমস্ত আইসিসি ইভেন্টে ব্যাপকভাবে সফল। কেন বাদ গেলেন? বিরাটের উপর ক্ষুব্ধ বোর্ড।

লবি আস্তে আস্তে তৈরি হচ্ছিল। বিশ্বকাপে যাচ্ছেতাই দল নির্বাচন করে সেই সম্ভাবনাকে দুয়ার খুলে আহ্বান জানালেন টিম সৌরভ। যখন তাঁরা দেখতে পাচ্ছেন এমন লবির জায়গা তৈরি হচ্ছে কেন সেটাকে ভাঙলেন না ? উল্টে সমস্যার গোড়ায় ধুনো দিয়ে গেলেন। সমস্যায় জর্জরিত অধিনায়ক হঠাৎ বড় টুর্নামেন্টের আগে টি-২০ অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিলেন। কোচ? তাঁর উপরে স্পেশাল পুরনো রাগ রয়েছে সৌরভের। ভালো খেলেও আইসিসি ইভেন্টের কাপ আনতে না পেরে সে সমস্যা আরও বেড়ে গিয়েছে রবি শাস্ত্রীর জন্য। চাপ তৈরি হল এবং আবারও বড় টুর্নামেন্টের আগে কোচও বলে দিলেন তিনি আর থাকতে চান না। টিমের উপর প্রভাব প্রকট হয়েছে।

অশ্বিন, তাঁকে তো বিরাট খেলাবেন না। তাও আরবের স্লো উইকেটে। খেলবেন উড়ে এসে জুড়ে বসা বরুণ চক্রবর্তী। অশ্বিন তো টি-২০ বিশ্বকাপের দলে আসার জায়গাতেই ছিলেন না। ঢুকলেন রোহিত এবং বোর্ড ক্যাম্প দিয়ে। টিমে তো এলেন কিন্ত অধিনায়ক তো বিরাট, কে জানে বিশ্বের সেরা স্পিনারের সঙ্গে তাঁর কীসের ইগোর লড়াই! যে কোনও মূল্যেই তিনি খেলবেনই না।

এসব প্রশ্ন দল ঘোষণার দিন থেকেই উঠছিল। ফলাফলে তা প্রকট হয়েছে। ঠিক যেন ২০০৭ এর ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের সঙ্গে যেন বেশ কিছু ক্ষেত্রে মিলে যাচ্ছে এই দলের পরিবেশ পরিস্থিতি। ভুলভাল ব্যাটিং অর্ডার। রোহিত তিনে ঈশান কিষান-রাহুল ওপেন আর চারে বিরাট। পুরো ঘেঁটে ঘ। একই কান্ড হয়েছিল সেবারেও। সেওয়াগ শচীন নন বা সৌরভ সেওয়াগ নন। ওপেন করলেন উথাপ্পা সৌরভ। তিনে নাকি সেওয়াগ। চারে সচিন, পাঁচে অধিনায়ক রাহুল দ্রাবিড়, ছয়ে ক্যাপটেন যুবরাজ সিং। টিম ঘেঁটে লাট। বোলিং ইরফান সেই সময়ের সেরা বোলার এবং চ্যাপেল ধন্য হয়েও দলে ছিলেন না। সেবারে চ্যাপেল মোড়ে কীর্তি আর এখন আবার কোহলি এবং টিম সৌরভের জেদাজেদি। ফল ভারতের লজ্জাজনক পারফরম্যান্স। এই লবি না ভাঙলে সময় আরও নিঃসন্দেহে দুরূহ আসতে চলেছে তা বলা যেতেই পারে।

<

p style=”text-align: justify;”>রেমিডি? টিম সৌরভ সাহস নিয়ে করে দিন না পন্থ কে ছোট ফরম্যাটের অধিনায়ক। আপনি তো সাহসী। লবি না বাড়িয়ে একটু ভালো কিছু ভেবে দেখুন না।

IND vs NZ, T20 World Cup: ‘বাউন্স ব্যাক’র প্রত্যাশায় ছিল দেশ, বিরাট লজ্জার হার টিম কোহলির

New Zealand defeated India by 8 wickets

স্পোর্টস ডেস্ক: টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউট স্টেজে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টিম বিরাটের লজ্জার হার। ভারত প্রথম একাদশে দুই বদল ঘটায়, ইশান কিশান এবং শার্দূল ঠাকুরকে এনে। কিন্তু তাতেও মেন ইন ব্লু’দের হালে পানি ফিরলো না। 

টসে জিতে কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়মস বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর খড়কুটোর মতোই গর্বের ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপে বিরাট ধস নামে। ২০ ওভার শেষে ভারত ৭ উইকেটের বিনিময়ে মাত্র ১১০ রান তোলে। নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের টসে জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত ক্লিক করে।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে ট্রেন্ট বোল্ট ৩, সোধি ২, টিম সাউদি এবং অ্যাডম একটি করে উইকেট নিয়ে টিম কোহলিদের দুমড়ে মুচড়ে দেয়।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ওপেনার মার্টিন গুপ্টিলের উইকেট হারায়। গুপ্টিল ১৭ বলে ২০ রান করে। নিউজিল্যান্ড ওই সময়ে ৩.৪ ওভারে ২৪ রান স্কোরবোর্ডে তুলেছে। মিচেল ৩৫ বলে দুরন্ত ৪৯ রান করে আউট হয়, কিউইদের স্কোর তখন ৯৬ রানে ২ উইকেট, ১২.৪ ওভারে।

শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়মস ৩১ বলে ৩৩ এবং ডিভন কনওয়ে ৪ বলে ২ রানে নট আউট থেকে ম্যাচ জিতিয়ে নেয় ভারতের বিরুদ্ধে, ১৪.৩ ওভারে। নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জেতে টিম বিরাটের বিরুদ্ধে।

চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউটে পাকিস্তানের পর নিউজিল্যান্ডের কাছে দ্বিতীয় হার। ভারতের হয়ে জসপ্রীত বুমরাহ ২ উইকেট নিয়েছে।

T20 World Cup: কিউইদের বিরুদ্ধে ‘বিরাট ধস’ টিম কোহলির

India-New Zealand match update

Sports Desk: রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউট স্টেজে দুবাই’র আন্তজার্তিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে ভারত শুরুতেই ধাক্কা খেলো। ইশান কিশান, কে এল রাহুল, রোহিত শর্মার উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্যাকফ্রুটে টিম বিরাট।

পাকিস্তানের কাছে ১০ উইকেটের ঐতিহাসিক হারের পর কিউইদের বিরুদ্ধে টিম ইন্ডিয়া ঘুড়ে দাঁড়াবে এমন প্রত্যাশাই করেছিল দেশবাসী। কিন্তু ৭.৫ ওভারে ৪০ রানে ৩ উইকেট ‘মেন ইন ব্লু’দের, ভারতের গর্বের ব্যাটিং লাইন আপের গর্ব নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠে গিয়েছে! ইশান কিশান ৪, কেএল রাহুল ১৮, রোহিত শর্মা ১৪ ,বিরাট কোহলি ৯ রান করেছে কিউইদের বিরুদ্ধে।

ভারতের যখন ৪৮ রানে তিন উইকেট, ঠিক এমন সময়ে অধিনায়ক বিরাট কোহলি আউট হন ৯ রান করে। বিরাট ধস ভারতের, কিউইদের বিরুদ্ধে। টসে জিতে কেন উইলিয়মস বোলিং’র সিদ্ধান্ত নেয়, আর এই সিদ্ধান্ত কাজ করে গিয়েছে, ভারত ১১.৫ ওভারে ৫৭ রান, ৪ উইকেট খুঁইয়ে।

কিউইদের বিরুদ্ধে ম্যাচে ভারত এদিন দুই পরিবর্তন ঘটিয়েছে। ভুবনেশ্বর কুমার এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বদলে ইশান কিশান এবং শার্দূল ঠাকুর প্রথম একাদশে এসেছে। কিংবদন্তী ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার আগেই বলেছিলেন, কিউইদের বিরুদ্ধে খুব বেশি বদলের দরকার নেই। খুব বেশি বদল করলে ভারত ‘আতঙ্কিত’ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এমন বার্তা যাবে। তাই গাভাস্কার টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে ইশান কিশান এবং শার্দূল ঠাকুরের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে জোর সওয়াল করেছিলেন। রবিবার দেখা গেল ভারতের প্রথম একাদশে ইশান কিশান এবং শার্দূল ঠাকুর।

ঋষভ পহ্ন এবং হার্দিক পান্ডিয়া জুটি মাটি কামড়ে পড়ে থাকার চেষ্টা করে। কিন্তু পহ্ন ১৯ বলে ১২ রান করে আউট হয়। ভারত ১৪.৩ ওভারে মাত্র ৭০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে।

এদিকে হার্দিক পান্ডিয়া চালিয়ে খেলতে থাকেন।কিন্তু ২৪ বলে ২৩ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের বলে মার্টিন গুপ্টিলের হাতে ক্যাচ দিয়ে বসেন, ভারত ১৮.১ ওভারে ৯৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে। শার্দূল ঠাকুর নামলেও বিশেষ কিছুই করতে পারেনি, তিন বল খেলে রানের খাতা না খুলেই ১৮.৪ ওভারে আউট হয়ে যান, ভারত তখন ৭ উইকেট হারিয়ে ৯৪ রান স্কোরবোর্ডে তুলেছে। ২০ ওভার শেষে ভারত ৭ উইকেটের বিনিময়ে তুলেছে ১১০ রান। রবীন্দ্র জাডেজা ২৬ এবং মহম্মদ সামি ক্রিজে নামলেও কোনও বল ফেস না করায় রানের খাতা খোলেননি। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ট্রেন্ট বোল্ট ৩, সোধি ২, টিম সাউদি এবং অ্যাডম একটি করে উইকেট নিয়েছে।

সমালোচকদের ফুঁৎকারে উড়িয়ে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ক্যাপ্টেন কোহলি

Captain Kohli

স্পোর্টস ডেস্ক: আগামী রবিবার, টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউটে ভারত নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামছে,নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। ম্যাচের আগের দিন শনিবার ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে এসে পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, “ভারতের ক্রিকেট ভক্তের দল নিউজিল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে আতঙ্কিত হলেও, টিম ইন্ডিয়া মোটেও আতঙ্কিত নয়।”

প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে ক্যাপ্টেন কোহলি বলেছেন,”আমার মতে যদি বিশ্বকাপ জিততে চাইলে, প্রতিটি ম্যাচে ফোকাসড ধরে রাখতে হবে। আপনি বেছে নিতে পারবেন না এই স্তরে এসে যে কার বিরুদ্ধে আপনাকে জিততে হবে এবং কোন দলকে হাল্কা ভাবে খেলতে হবে, এমন খেলা যায়না এবং খেলিনি, এমনকি আগামী দিনেও আমরা এভাবে খেলবো না।”

ভারত, নিউজিল্যান্ড দুই দলই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হারের মুখ দেখেছে। ভারতের কাছে নিউজিল্যান্ড ম্যাচ চলতি বিশ্বকাপে ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ। টিম ইন্ডিয়া মুখিয়ে রয়েছে কিউইদের বিরুদ্ধে বাইশ গজে উইনিং ট্র‍্যাকে ফিরে আসতে। এই প্রসঙ্গে আত্মবিশ্বাসী ক্যাপ্টেন কোহলি বলেন,”বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্ট জিততে গেলে, ভালো পারফরম্যান্স করতে গেলে ওইদিনে সেরা করতে হবে, ওই সময়ে উপস্থিত থাকতে হয়।”

ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান ১০ উইকেটের ঐতিহাসিক জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান এখন ১২-১। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে হিটম্যান রোহিত শর্মার রানের খাতা না খুলে এলবিডব্লু আউট হওয়া কিংবা বোলার মহম্মদ সামির ৩.৫ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ফেলা, আর সামির পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বল হাতে পারফরম্যান্সের পরে মহম্মদ সামিকে টার্গেট করে ‘গদ্দার,’ ‘ধোকেবাজ’, ‘বেইমান ‘ কদর্য শব্দে ব্যক্তিগত আক্রমণ করাই হোক রবিবারে কিউইদের বিরুদ্ধে ম্যাচে টিম ইন্ডিয়া এসব নিয়ে যে একেবারই ভাবলেশহীন তা বোঝাই গেল ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলির মুখে।

প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সে ভারত অধিনায়ক কোহলি বলেন,”বাইরে লোকে কি বলছে তা নিয়ে আমাদের কোনও যায় আসেনা।আমি জানি আমাদের অনেক সার্পোটিং ফ্যান আছে। আমি তাদের প্রশংসা করতে চাই যারা আমাদের সিচুয়েশন (বিশ্বকাপ চলাকালীন দলের গোটা পরিবেশ এবং পরিস্থিতি) বুঝতে পারছে।”

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হারের পর দেশের ভিতরে সমালোচনার তীরে বিদ্ধ টিম ইন্ডিয়া। এই প্রসঙ্গে বিরাট মুচকি হেসে ভারতে চলতে থাকা সমালোচকদের খোঁচা মেরে বলেন,”আমাদের এখন ক্রিকেট খেলতে হবে। আর যাদের মধ্যে ধৈহ্য থাকে না, তারাই তাড়াতাড়ি সবথেকে বেশি প্যানিক অর্থাৎ আতঙ্ক তৈরি করে থাকে,সব কিছু খতম (শেষ) হয়ে গেল বলতে থাকে।”

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হেরে গিয়ে ভারতের ক্রিকেট ভক্তের একদল বলছে সবকিছু খতম (শেষ) হয়ে গেল৷ এই প্রসঙ্গে সমালোচকদের আশ্বস্ত করে ক্যাপ্টেন কোহলি বলেছেন, “আমরা এভাবে চিন্তা করিনা। বাইরের লোকেদের মতো চিন্তা করতে থাকলে, আমরা দুনিয়ার সেরা টিম হয়ে থাকবো না। এই কারণে আমরা দলগত ভাবে সকল সময়ে নিজেদের এই বিষয় থেকে বিচ্ছিন্ন রাখি, তা সে, যে পরিস্থিতি হোক না কেন- আমরা হারি আর জিতি।”

ভারতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টিম ইন্ডিয়া কিংবা রোহিত শর্মার ব্যাটিং এবং মহম্মদ সামির বোলিং পারফরম্যান্স ঘিরে সমালোচকেরা লাগাতার কাঁটাছেড়া করে চলেছে। এই নিয়েও বিরাট কোহলি বলেছেন, “আমরা বারে বারে ক্যামব্যাক করেছি দলগত প্রচেষ্টায়। আমাদের কাউকে প্রমাণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই, কাউকে ব্যক্তিগত ভাবেই হোক কিংবা দলগত ভাবে।”

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় নিয়ে প্রত্যয়ী টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক বিরাট কোহলি সমালোচকদের টার্গেট করে তাচ্ছিল্যের সুরে এদিন দাবি করেছেন,”বাইরের লোকেরা কি বলছে,আমাদের টিম নিয়ে দেশের ভিতরে কি মাহল অর্থাৎ হাওয়া চলছে… ক্যাপ্টেন কোহলি বাইশ গজে ব্যাটিং করার সময়ে যেভাবে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ফ্রন্টফুটে বোলারদের শাসন করে থাকেন একই ভঙ্গিতে মুখ বেঁকিয়ে বিরাট ওই প্রসঙ্গে বলেদেন,”আমাদের জন্য কোনও কিছুই ম্যাটার করে না। আমি এর আগেও অনেক বার বলেছি এই নিয়ে,আগামী দিনেও আমি এই একই কথা বলবো,লোকে যা খুশি তাই বলুক তাতে আমাদের কিছু ফারাক পড়ে না, অর্থাৎ যায় আসে না।”

চলতি টি-২০ বিশ্বকাপ এবং ভারতের বিশ্বকাপ পরবর্তী ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলির চিন্তাভাবনা রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রি ম্যাচ কনফারেন্সে বেরিয়ে এসেছে। বিরাট বলেছেন, “আমরা সঠিক ভাবে জানি আমাদের কি করতে হবে এই টুর্নামেন্টে এবং আগামী কয়েক বছরে ভারতীয় টিমকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।”

T20 World Cup: কিউইদের বিরুদ্ধে ‘বিরাট’ ভারতের ষষ্ঠ বোলিং অপশন হতে পারেন হার্দিক

Hardik

Sports desk: প্রাক্তন ভারতীয় পেসার জহির খান নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হার্দিক পান্ডিয়াকে নেট সেশনে বল করতে দেখে আশাবাদী। ভারতীয় অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়াকে চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নেটে আবার বোলিং করতে দেখা গিয়েছে।আগামী রবিবার দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত।

সম্প্রতি বিসিসিআই একটি ভিডিও পোস্ট করেছে, যেখানে হার্দিককে ভারতের নেট সেশনের সময় হার্ড ইয়ার্ডে ঢুকে আবার বোলিং করতে দেখা গিয়েছে। জাহির এই খবর শুনে, আশা করেন হার্দিক ভারতের বোলিং বিভাগকে সাহায্য করতে সক্ষম হবেন এবং আগামী ম্যাচগুলোতে বিরাট কোহলিকে আরও একটি বিকল্প দিতে পারবেন।

এই প্রসঙ্গে জাহির বলেছেন, “চারিদিকে একটি গুঞ্জন চলছে কোনও পর্যায়ে তিনি (হার্দিক পান্ডিয়া) বল করতে শুরু করবেন। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে এবং দেখতে হবে কখন তিনি ম্যাচে বল করবেন। হ্যাঁ, তিনি নেটে বোলিং শুরু করেছেন, তাই আমি আশাবাদী পরের ম্যাচে সে বোলিং করবে।”

প্রাক্তন বাঁ-হাতি বোলার জাহির খান হার্দিকের বল নিয়ে চিপ ইন করার ক্ষমতার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ব্যাখ্যা করেন যে অলরাউন্ডার টিমের পক্ষকে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়ভাবে ভারসাম্য প্রদান করে।

জাহির খান হার্দিক পান্ডিয়ার হার্ড ইয়ার্ডে বোলিং করার প্রসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক তুলে ধরে বলেছেন,”এটি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে কারণ হার্দিক যখন বোলিং করছেন, তখন এটি বোলিং আক্রমণের ভারসাম্যকে একটি ভাল শক্তির দিকে নিয়ে যায়।”

জাহির ষষ্ঠ বোলিং বিকল্পের বিষয়ে হার্দিকের নাম উল্লেখ করেছেন এবং বিশ্বকাপের দলগুলোর মধ্যে ভারত এমন একটি দল যারা শুধুমাত্র পাঁচ বোলিং অপশন নিয়ে খেলছে।

জাহির খানের কথায়,”একজন অধিনায়ক হিসেবে আপনার কাছে সেই ষষ্ঠ বোলিং বিকল্প আছে। আপনি যদি এই মুহূর্তে যেকোনো দলের দিকে তাকান, তাদের সবার কাছে একটি খেলায় ন্যূনতম ৬ টি বোলিং বিকল্প রয়েছে, ভারত বাদে, যারা ৫ টি বোলিং বিকল্প নিয়ে মাঠে নেমেছিল… সে (হার্দিক পান্ডিয়া) নেটে বোলিং করলে দারুণ খবর। আশা করি, সে ম্যাচেও (নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে) বোলিং করবে।”

চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে রবিবার ভারতের সামনে ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ,নিউজিল্যান্ড কঠিন প্রতিপক্ষ। উল্লেখ্য যে , ভারত এবং নিউজিল্যান্ড দুই টিমই বাবর আজমের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হারের মুখ দেখেছে। তাই দুই টিম জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাবে বলাই যায়।

কিউইদের বিরুদ্ধে ভারতকে “আতঙ্কিত” না হওয়ার পরামর্শ গাভাস্কারের

sunil gavaskar

Sports Desk, Kolkata24x7: টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২’র ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে ভারতের পরের ম্যাচ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আগামী রবিবার। এই ম্যাচের আগে সুনীল গাভাস্কার টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশে পরিবর্তনের সুপারিশ করেছেন। কিংবদন্তী এই ভারতীয় ব্যাটসম্যান টিম বিরাট কোহলির প্রথম একাদশে পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়ে বলেছেন এতে অযথা “আতঙ্কিত” হওয়ার কিছু নেই।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ ম্যাচের আগে, সুনীল গাভাস্কার বিরাট কোহলির একাদশে হার্দিক পান্ডিয়া এবং ভুবনেশ্বর কুমারের বদলির সুপারিশ করেছেন। টিম ইন্ডিয়া রবিবার নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে এবং ভারত নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হেরে যাওয়ার পরে বিশ্বকাপ অভিযানে নিজেদের প্রথম জয় অর্জনের লক্ষ্যে থাকবে।

কিংবদন্তি ক্রিকেটার মনে করেন যে হার্দিক যদি বোলিং করতে না পারেন তবে তার পরিবর্তে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স (এমআই) সতীর্থ ইশান কিশানকে নেওয়া উচিত। ভুবনেশ্বরের পরিবর্তে শার্দুল ঠাকুরকে একাদশে রাখা উচিত বলেও পরামর্শ দিয়েছেন গাভাস্কার। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের (এসআরএইচ) পেসার বাবর আজম এবং মহম্মদ রিজওয়ানের বিপক্ষে খারাপ ফর্মে ছিলেন, তিন ওভারে ২৫ রান দিয়েছিলেন। পাকিস্তান ১০ উইকেটে জয়ী হয় এবং ভুবনেশ্বর কুমার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে একটিও আউট পাননি।

গাভাস্কার বলেছেন, “যদিও হার্দিক পান্ডিয়া বোলিং করেননি কাঁধের চোটের কারণে এবং তিনি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে টিকে ছিলেন – অন্যদিকে ইশান কিশান দুরন্ত ফর্মে রয়েছে তাই আমি অবশ্যই ইশান কিশানকে পান্ডিয়ার চেয়ে এগিয়ে বিবেচনা করব।” পান্ডিয়াকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে একটিও বোলিং ডেলিভারি করতে দেখা না গেলেও, সম্প্রতি ভারতের হয়ে নেটে বোলিং করতে দেখা গিয়েছে।

কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান সুনীল গাভাস্কার ভারতীয় দলের প্রথম একাদশে পরিবর্তন করার কারণ ব্যাখা করতে গিয়ে একটি চমকপ্রদ বক্তব্য সামনে এনে বলেছেন “এবং সম্ভবত, আপনি ভুবনেশ্বর কুমারের জায়গায় শার্দুল ঠাকুরের কথা ভাবতে পারেন। কিন্তু অন্যথায়, আপনি যদি দলে অনেক বেশি পরিবর্তন করেন, তাহলে আপনি বিপক্ষ দলকে দেখাবেন যে আপনি অনেক বেশি আতঙ্কিত হয়েছেন।” গাভাস্কারও মনে করেন যে টিম ইন্ডিয়া যদি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনেক পরিবর্তন করে তবে এটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে মাঠে।

সুনীল গাভাস্কার বলেছেন, পরিবর্তন করলে দেখা যাবে দল আতঙ্কিত হয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই, কারণ তাদের (নিউজিল্যান্ড) একটি ভালো দল আছে। হ্যাঁ, আপনি একটি ভাল দলের(পাকিস্তান) কাছে একটি ম্যাচ হেরেছেন কিন্তু এর মানে এই নয় যে এগিয়ে যাওয়া, ভারত ম্যাচ জিতবে না বা টুর্নামেন্ট জিতবে না। গাভাস্কার মনে করেন, যদি পরের চারটি ম্যাচ ভারত জিততে পারে, তাহলে সেমিফাইনাল এবং সেখান থেকে সম্ভবত ফাইনালেও যেতে পারবে। সুতরাং, খুব বেশি পরিবর্তন করার দরকার নেই।”

T20 World Cup: কিউইদের হারিয়ে টি-২০ বিশ্বকাপে জ্বলে উঠতে মরিয়া মহম্মদ শামি

Mohammed Shami

Sports Desk, Kolkata: “পিষে দেওয়ার জন্য ফিরে যান। একটি গঠনমূলক প্রশিক্ষণ সেশন ছিল এবং আমাদের দলের তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের সাথে কথা বলতে ভালো লাগল। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আমাদের পরবর্তী খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। #টিমইন্ডিয়া” এমনভাবেই ভারতীয় অভিজ্ঞ বোলার মহম্মদ শামি সমস্ত বিতর্ককে ইয়র্কার ডেলিভারিতে আউট করে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আগামী রবিবারের ম্যাচের বিগুল বাজিয়ে দিলেন।

রবিবার, ৩১ অক্টোবর ভারত টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউট স্টেজে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। ভারতীয় ক্রিকেট দলের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে ইতিমধ্যেই কিউইদের বিরুদ্ধে ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচের আগে অনুশীলনের কিছু ছবি শেয়ার করা হয়েছে।

ছবিগুলোতে ঋষভ পহ্ন এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মতো কিছু ক্রিকেটার একটি “মজার ড্রিল”-এ অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। পোস্টটি ভক্তরা ভালভাবে গ্রহণ করেছে এবং অনেকেই কেন উইলিয়ামসদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টিম ইন্ডিয়াকে শুভকামনা জানিয়ে ‘টিম বিরাটের’ সৌভাগ্য কামনা করেছেন। ভারত এবং নিউজিল্যান্ড উভয়েই তাদের টি-২০ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তানের কাছে হেরে৷ পোস্টটি মধ্যে দিয়ে ভক্তদেরও বোঝানো হয়েছে পাকিস্তানের কাছে ঐতিহাসিক হারের পরেও ভারতীয় শিবিরে আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে।

প্রসঙ্গত, ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান হাইভোল্টেজ ম্যাচে ১০ উইকেটে ঐতিহাসিক জয় পায়। এই হাইভোল্টেজ ম্যাচের উত্তাপ শেষ হওয়ার পর ভারতীয় টিম যখন সাড়িবদ্ধ ভাবে ড্রেসিংরুমে ফিরছিল তখনই এক পাকিস্তানি সমর্থকের কটূক্তি ভেসে ওঠে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে টার্গেট করে, ওই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

ম্যাচ শেষে টিম ইন্ডিয়া ড্রেসিংরুমে ফেরার সময়ে এক পাকিস্তানি সমর্থক ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলিকে টার্গেট করে বলে ওঠে “অকর তেরি টুট গেয়ি কোহলি সারি, হা…অকর টুট গয়ি তেরি…” বুমরাহ সহ অন্যান্য ভারতীয় খেলোয়াড়েরা লাইন দিয়ে ড্রেসিংরুম মুখী তখন। ফের একবার ওই পাকিস্তানি সমর্থক ভারতীয় ক্রিকেটারদের উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করা শুরু করে বলতে থাকে,”বাপ কৌন হে,বাপ কৌন হে, বাপ কৌন হে, বাপ…”

হিটম্যান রোহিত শর্মার আগে ছিলেন ভারতীয় পেস বোলার মহম্মদ সামি। পাক সমর্থকের কটূক্তি শুনে শামি দাঁড়িয়ে পড়েন। এবং ওই পাকিস্তানি সমর্থকের সামনে গিয়ে “Don’t said” এই কথা বলেন শামি। একটু পিছনে ছিলেন টিম ইন্ডিয়ার মেন্টর তথা প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক এম এস ধোনি। ধোনি পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরেই মহম্মদ সামিকে ওই জায়গা থেকে সরিয়ে আনেন।

এখানেই শেষ নয়, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচে ভারতীয় বোলার মহম্মদ সামি ৩.৫ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ফেলেন, যা টি-২০ ফর্ম্যাটে expensive বোলার হিসেবে তুলে ধরে। আর এই জায়গাতেই সামিকে ‘গদ্দার’, ‘ধোকেবাজ’ বলে কদর্য ভাষায় টার্গেট করে একদল ভারতীয় ক্রিকেট ভক্তের দল।

এরপরে মহম্মদ সামি ব্যক্তিগত এই কদর্য আক্রমণ নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “দেশের সঙ্গে বেইমানি করার আগে, মৃত্যু পছন্দ করবো।” সামির কথায়,”দেশকে ধোকা দেওয়ার প্রশ্নে সবাই আমাকে খুব ভালভাবে জানে আজ পর্যন্ত যত ম্যাচ খেলেছি, যা পারফর্ম করেছি মন থেকে করেছি,দেশের জন্য করেছি, এইভাবেই পারফর্ম করতে থাকবো।”

মহম্মদ সামি আরও বলেছেন,”দেশকে ধোকা দেওয়ার প্রশ্নে আমি সবথেকে বেশি সম্মান করি দেশের আর্মি’কে করি, যারা বর্ডারে ২৪ ঘন্টা মোতায়েন থাকে,তারা যদি আমাদের জন্য জীবন দিতে পারে, এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন আমার ওপড়ে তোলা হয়েছে?এখনও আমার মনে যদি দেশকে ধোকা দেওয়ার সওয়াল ওঠে, তাহলে এর থেকে ভাল আমি মরতে রাজি,আমি দেশকে ধোকা দিতে চাই না।”

ভারতের আসন্ন প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ডও তাদের প্রথম সুপার ১২ ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হেরেছে। মঙ্গলবার নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দুটো ম্যাচের মধ্যে ২ টি জয় নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তান বর্তমানে গ্রুপ ২’র শীর্ষে, আফগানিস্তান দ্বিতীয় স্থানে (এক ম্যাচে একটি জয়)। চতুর্থ নিউজিল্যান্ড, পঞ্চম স্থানে ভারত (এক ম্যাচে একটি পরাজয়)।

ক্ষমা চেয়ে হাঁটু না মোড়ানোর ব্যাখ্যা দিলেন কুইন্টন ডি ক’ক

quinton de kock

Sports Desk: “তিনি একজন বর্ণ বিদ্বেষী নন”: কুইন্টন ডি কক (Quinton de Kock) ক্ষমা চেয়েছেন, ব্যাখ্যা করেছেন কেন তিনি মোড়েন নি।

দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার কুইন্টন ডি ক’ক তার সতীর্থ এবং ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন হাঁটু মুড়ে নিতে অস্বীকার করার জন্য। ডি ক’ক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচে “হাঁটু মুড়তে অস্বীকার করায়”, যা ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার নির্দেশের পরিপহ্নী ছিল।

ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল থেকে টুইট করা একটি বিবৃতিতে, ডি কক বলেছেন যে তিনি “আঘাত, বিভ্রান্তি এবং ক্রোধ” এর জন্য দুঃখিত”, এরই সঙ্গে তিনি বলেছেন যে তিনি “শিক্ষিত করতে সাহায্য করলে” হাঁটু মুড়ে নিতে “বেশি খুশি হবেন” অন্যদের, এবং অন্যদের জীবনকে আরও ভাল করে তোলে।”

ডি ক’ক নিজের বিবৃতিতে বলেন, “আমি আমার সতীর্থদের এবং বাড়িতে ফিরে সমর্থকদের কাছে দুঃখিত বলার মাধ্যমে শুরু করতে চাই। যদি আমি হাঁটু গেড়ে অন্যদের শিক্ষিত করতে এবং অন্যদের জীবনকে আরও উন্নত করতে সাহায্য করে, তাহলে আমি এটি করতে পেরে বেশি খুশি।”

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার টি-২০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে হাঁটু মুড়ে না নেওয়ার পরে, ডি কক “ব্যক্তিগত কারণে” ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে মঙ্গলবারের ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ান।

“একটি ভুল বোঝাবুঝির কারণে বর্ণবিদ্বেষী বলা আমাকে গভীরভাবে আঘাত করেছে। এটি আমার পরিবারকে আঘাত করেছে। আমার গর্ভবতী স্ত্রীকে আঘাত করেছে। আমি বর্ণবিদ্বেষী নই। আমার হৃদয় আমি জানি। এবং আমি মনে করি যারা আমাকে চেনেন তারাও তা জানেন। “

“আমি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে, বিশেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান দলের বিরুদ্ধে না খেলার মাধ্যমে কাউকে অসম্মান করতে চাইনি। কিছু লোক হয়তো বুঝতে পারবে না যে মঙ্গলবার সকালে, ম্যাচে আসার পথে আমরা আঘাত পেয়েছি।”

“আমি যে সমস্ত আঘাত, বিভ্রান্তি এবং ক্রোধ সৃষ্টি করেছি তার জন্য আমি গভীরভাবে দুঃখিত। আমি এখন পর্যন্ত এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীরব ছিলাম। কিন্তু আমি মনে করি আমি নিজেকে কিছুটা ব্যাখ্যা করতে পেরেছি।”

ডি ক’কের ব্যাখায়, “সকল মানুষের অধিকার ও সমতা যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি বুঝতে পেরেছি যে আমাদের অধিকার আছে এবং সেগুলি গুরুত্বপূর্ণ। আমি অনুভব করেছি যে আমাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে, যখন আমাদের বলা হয়েছিল আমাদের কী করতে হবে,।”

ডি ক’কের বিবৃতিটি তার সতীর্থদের এবং অধিনায়ক টেম্বা বাভুমাকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ হয়েছে, যাকে তিনি “একজন আশ্চর্যজনক নেতা” বলেছেন।

“আমি শুধু আমার সতীর্থদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই, বিশেষ করে আমার অধিনায়ক, টেম্বা। মানুষ ঠিকভাবে চিনতে পারেনি, কিন্তু তিনি একজন চমকপ্রদ নেতা।

“যদি সে, দল এবং দক্ষিণ আফ্রিকা আমাকে পায়, আমি আমার দেশের হয়ে আবার ক্রিকেট খেলার চেয়ে বেশি কিছু পছন্দ করব না।”

T20 World Cup: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হেরেও টিম বিরাটের আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে

Team Virat T 20 world cup

Sports desk: রবিবার, ৩১ অক্টোবর ভারত টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউট স্টেজে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। কিউইদের বিরুদ্ধে ম্যাচে নামার আগে ভারতীয় খেলোয়াড়রা কঠোর পরিশ্রম করছে। ভারতীয় ক্রিকেট দলের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে এই ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচের আগে অনুশীলনের কিছু ছবি শেয়ার করা হয়েছে।

ছবিগুলোতে ঋষভ পহ্ন এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মতো কিছু ক্রিকেটার একটি “মজার ড্রিল”-এ অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। পোস্টটি ভক্তরা ভালভাবে গ্রহণ করেছে এবং অনেকেই কেন উইলিয়ামসদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টিম ইন্ডিয়াকে শুভকামনা জানিয়ে ‘টিম বিরাটের’ সৌভাগ্য কামনা করেছেন। ভারত এবং নিউজিল্যান্ড উভয়েই তাদের টি-২০ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে পাকিস্তানের কাছে হেরে।

পোস্টটি মধ্যে দিয়ে ভক্তদেরও দেখিয়েছে যে পাকিস্তানের কাছে ঐতিহাসিক হারের পরেও ভারতীয় শিবিরে আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে। গত রবিবার, দুবাই’এ বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান দল ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে। ১৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭.৫ ওভারে বিনা উইকেটে ১৫২ রানের ঐতিহাসিক জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।

পাক ওপেনার বাবর আজম এবং মহম্মদ রিজওয়াম দুর্দান্ত ফর্মে থেকে ম্যাচের শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন। আজম ৫২ বলে ৬৮ রান এবং রিজওয়ান ৫৫ বলে ৭৯ রান করেন। প্রথমে ব্যাট করতে এসে ভারত ২০ ওভারে সাত উইকেটে ১৫১ রান করে। বিরাট কোহলির অর্ধশতরান (৪৯ বলে ৫৭)।

ভারতীয় ওপেনার ওপেনার রোহিত শর্মা এলবিডব্লু রানের খাতা না খুলেই এবং কেএল রাহুল আট বলে মাত্র তিন রান করেন। ভারতীয় টপ অর্ডার শাহিন আফ্রিদি ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়ে। ক্যাপ্টেন কোহলি ধাক্কা সত্ত্বেও ক্রিজে এসে হাল ছেড়ে দেয়নি। বিরাট কোহলি ঋষভ পহ্নের সঙ্গে জুটি বেঁধে ঘর গোছাতে শুরু করে। পহ্ন ম্যাচের কঠিন সময়ে ৩০ বলে ৩৯ রান করেছিলেন।

ভারতের বিরুদ্ধে চার ওভারে ৩ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের হয়ে দুর্দান্ত ফর্মে দেখা গিয়েছে শাহিন আফ্রিদি’কে। হাসান আলিও চার ওভারে ২ উইকেট নিয়েছে, তবে ৪৪ রান দিয়ে, টি-২০ ফর্ম্যাটে expensive বোলার আলি হাইভোল্টেজ ম্যাচে টি-২০ বিশ্বকাপের মঞ্চে।

ভারতের আসন্ন প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ডও তাদের প্রথম সুপার ১২ ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হেরেছে। মঙ্গলবার নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দুটো ম্যাচের মধ্যে ২ টি জয় নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান।
পাকিস্তান বর্তমানে গ্রুপ ২’র শীর্ষে, আফগানিস্তান দ্বিতীয় স্থানে (এক ম্যাচে একটি জয়)। চতুর্থ নিউজিল্যান্ড, পঞ্চম স্থানে ভারত (এক ম্যাচে একটি পরাজয়)।

চলন্ত অবস্থায় ‘লাইনচ্যুত’ অপমানিত রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস !

Shoaib Akhtar resigns on LIVE TV

Sports Desk, Kolkata: নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন প্রাক্তন পাক পেসার শোয়েব আখতার। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের টি-২০ ম্যাচের পর পিটিভি স্পোর্টসের লাইভ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠানে ম্যাচ নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করছিলেন রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস।

ম্যাচ নিয়ে আলোচনা চলার সময়ে হঠাৎ করে একটি অবাঞ্জিত ঘটনা ঘটে যায়। ওই ঘটনা এখন ঝড় তুলেছে সোশাল মিডিয়া জুড়ে। জাতীয় টেলিভিশনটির উপস্থাপকের কাছে অপমানিত হয়ে প্রোগ্রাম থেকে বেরিয়ে যান পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার শোয়েব আখতার। এরপরই ওই চ্যানেলের ক্রিকেট বিশ্লেষক হিসেবে পদত্যাগ করেন শোয়েব।

শোয়েব আখতার অনুষ্ঠান উপস্থাপকের সঙ্গে তর্কাতর্কির সময়ে হঠাৎ করেই তার মাইক্রোফোন খুলে ফেলেন এবং অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে যান। উপস্থাপক নওমান নিয়াজ তাকে ফেরানোর চেষ্টা তো করেনই নি, উল্টে এমনভাবে অনুষ্ঠান উপস্থাপন করতে থাকেন যেন কিছুই হয়নি।শোয়েবের সঙ্গে ওই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস, ডেভিড গাওয়ার, রশিদ লতিফ, উমর গুল, আকিব জাভেদ ও পাকিস্তান মহিলা জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক সানা মীর ছিলেন। তারাও এই ঘটনা দেখে হতচকিত হয়ে পড়েন।

অন্যদিকে, গোটা ঘটনার জেরে শোয়েব আখতার ওয়াক আউট করার পর সোশাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা শোয়েবের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করতে শুরু করে। একই সঙ্গে পিটিভি স্পোর্টসের উপস্থাপক এবং প্রধান নিয়াজকে তার কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।শোয়েব ও উপস্থাপকের মধ্যে তর্কাতর্কির কিছু ভিডিও অংশ সোশাল মিডিয়ায় বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। কিছু পরে টুইটারে শোয়েব আখতার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন।

৪৬ টেস্ট ও ১৬৩ ওয়ানডে খেলা প্রাক্তন পেস বোলার শোয়েব আখতার টুইটে জানান, ‘অনেক ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে। আমি মনে করি আমার বিষয়টি স্পষ্ট করা উচিত। আমাকে শো থেকে বের হয়ে যেতে বলার সময় ড. নোমান ছিলেন বিরক্ত এবং ক্ষুব্ধ। এটা অস্বস্তিকর, বিশেষ করে যখন স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস ও ডেভিড গাওয়ারের মতো লিজেন্ডরা সেটে বসে আছেন। আমি সবাইকে অস্বস্তি থেকে বাঁচাতে চেয়েছি বলেই ড. নওমানকে বলেছিলাম তিনি বিনয়ের সঙ্গে ক্ষমা চেয়ে শো চালিয়ে নিক। কিন্তু তিনি সেটা করলেন না, আমার কাছে আর কোনো উপায় ছিল না।’

সমস্যার শুরু শোয়েব যখন উপস্থাপকের কোনো প্রশ্নকে তোয়াক্কা না করে কথা বলে যাচ্ছিলেন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪ উইকেট নেওয়া পেসার হারিস রউফকে নিয়ে কথা বলছিলেন তিনি। একই সঙ্গে তাকে তুলে আনার জন্য পাকিস্তান সুপার লিগ ফ্র্যাঞ্চাইজি লাহোর কালান্দার্স কোচ আকিব জাভেদের প্রশংসা করছিলেন।

আকিব জাভেদের টেস্টে পাক পেসারকে দেখিয়ে শোয়েব বলছিলেন, ‘এই ব্যক্তি সব কৃতিত্বের দাবিদার। লাহোর কালান্দার্স আমাদের হারিস রউফকে এনে দিয়েছে।’ নিয়াজ বারবার তার কথায় হস্তক্ষেপ করতে চাইছিলেন। এক পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে তিনি শোয়েবকে বলতে থাকেন, তাকে উপেক্ষা করছেন তিনি, তা কোনোভাবে সহ্য করা হবে না।ভিডিও ক্লিপের অংশে নিয়াজকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন এবং আমি আপনাকে বলছি এখনই শো ছেড়ে চলে যান।’ শোয়েব সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে যান এবং অনুষ্ঠানের কমার্শিয়াল ব্রেক শুরু হয়।

এখানেই শেষ নয়! কমার্শিয়াল ব্রেকের পর সম্প্রচার শুরু হতেই আরোও নাটক। শোয়েব বলেন, তিনি এই অপ্রীতিকর ঘটনার শেষ এখানেই করতে চান এবং উপস্থাপককে ক্ষমা চাইতে বলেন। কিন্তু নিয়াজ তা অগ্রাহ্য করেই ম্যাচ নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে শুরু করেন।

কয়েক মিনিট পর অনুষ্ঠানের অন্য অতিথিদের সামনে যান শোয়েব এবং তাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে পিটিভি স্পোর্টস থেকে পদত্যাগের ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘এই ঘটনার জন্য আমি ক্ষমা চাইছি এবং পিটিভি স্পোর্টস থেকে এখনই অবসর নিচ্ছি। কারণ জাতির সামনে আমাকে লাইভ টেলিভিশনে অপমান ও দুর্ব্যবহার করা হয়েছে।’

T20 World Cup: ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা ভারত-পাকিস্তানের: হরভজন সিং

Harbhajan Singh

Sports Desk: ভারতের প্রাক্তন অফ-স্পিনার হরভজন সিং (Harbhajan Singh) টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হওয়ার পরে সোশাল মিডিয়া জুড়ে এক্সচেঞ্জের বাধা সম্পর্কে কথা বলেছেন।

ভাজ্জি আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেছেন,”এটা পাকিস্তানের হয়ে থাকতে পারে কিন্তু বিশ্বকাপে আমরা তাদের ১২ বার পরাজিত করেছি, এটা ভুলে গেলে চলবে না। ভারত-পাকিস্তান আবার মুখোমুখি হলে ভারত আরও ভালো খেলবে এবং জিতবে।”

এখানেই শেষ নয়। ভাজ্জির কথায়, যদি ভারত ও পাকিস্তান উভয়েই সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে এবং তাদের নিজেদের চূড়ান্ত লড়াইয়ে জয়লাভ করে, তারা ফাইনালে মুখোমুখি হবে, অনেকটা ২০০৭ সালের উদ্বোধনী সংস্করণের মতো।

পাকিস্তান স্বচ্ছন্দ্যে জয়ী হয়ে চলে গেল এবং বিশ্বকাপে ভারতের কাছে ভয়ঙ্কর হারের ধারাবাহিকতার বোঝাও শেষ করেছে। হরভজন সিং সোশাল মিডিয়ার জগতে এই ম্যাচ ঘিরে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে তার উল্লেখ করেছেন, ক্রিকেট ভক্তরা এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার উভয়ই ম্যাচটি নিয়ে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কথা বলার সময় হরভজন সিং পাকিস্তান দলকে তাদের জয় থেকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করে বলেছেন, এই টুর্নামেন্টে ভাগ্য যদি আরেকটি মিটিং লেখা থাকে তবে ভারত শীর্ষে উঠে আসবে।

এই প্রসঙ্গে হরভজনের সাফ কথা,”ভারত বিশ্বকাপে প্রথমবার পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরেছে, যদিও এটি টি-২০ বিশ্বকাপ ছিল, তবুও এটি ঘটেছিল। সোশাল মিডিয়ায় অনেক বিশৃঙ্খলা রয়েছে যেন তারা একটি বিশাল কাজ করেছে।” ভারতের বিরুদ্ধে ১০ উইকেটের ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাবর আজমের পাকিস্তান। শাহিন আফ্রিদির ঝড়ের কবলে পড়ে ভারতের গর্বের ব্যাটিং লাইন আপ খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে। আর মহম্মদ রিজওয়ান এবং বাবর আজম জুটি অপরাজিত থেকে ভারতীয় বোলিং লাইন আপকে পিটিয়ে ক্লাব স্তরে নামিয়ে এনেছে। টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাকে উস্কে দিয়ে হরভজন সিং বলেছেন,ওই ম্যাচ শেষ, তাই এগিয়ে যান।

Venkatesh Prasad: নামাজ বিবৃতির জেরে ওয়াকার ইউনিসের নিন্দায় ভেঙ্কটেশ প্রসাদ

Venkatesh Prasad

Sports Desk: ভারতের প্রাক্তন পেসার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ (Venkatesh Prasad) তার এক সময়ের সমসাময়িক পাকিস্তানের প্রাক্তন বোলার ওয়াকার ইউনিসকে তার বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য তীব্র সমালোচনা করেছেন। ওয়াকার ইউনিস বলেন, ভারত বনাম পাকিস্তান আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২১ ম্যাচের সবচেয়ে বিশেষ মুহূর্তটি ছিল যখন পাক কিপার মহম্মদ রিজওয়ান হিন্দু ভারতীয়দের মাঝে নামাজ পড়েছিলেন। ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের ড্রিঙ্ক ব্রেকের সময়ে, মাঠে তখন ভারতীয় ক্রিকেটাররা ছিল।

পাকিস্তানের প্রাক্তন বোলিং কোচ ওয়াকার ইউনিস একটি বেসরকারি নিউজ চ্যানেলে রবিবারের হাইভোল্টেজ ভারত- পাকিস্তান ম্যাচ সম্পর্কে কথা বলার সময় বলেছিলেন,”সবচেয়ে ভালো কথা, রিজওয়ান যা করেছে, মাশাল্লা, সে হিন্দুদের ঘেরা মাটিতে নামাজ পড়ল, সেটা সত্যিই আমার জন্য বিশেষ কিছু ছিল।”

কি নির্লজ্জ মানুষ: ভেঙ্কটেশ প্রসাদ তার বক্তব্যের জন্য ওয়াকার ইউনিসকে এই ভাষাতেই নিন্দা করেছেন। নিন্দার সুরে ভারতের প্রাক্তন বোলার ভেঙ্কটেশ প্রসাদ টুইট করে লেখেন,”হিন্দুওন কে বিচ মে খড়ে হোকে নামাজ পড়ি, এটা আমার জন্য খুব স্পেশাল ছিল” – ওয়াকার। খেলাধুলায় এটা বলার জন্য অন্য স্তরের জিহাদি মানসিকতা নিয়ে যায়। কি নির্লজ্জ মানুষ।”

এর আগে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমদ ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জয়কে ইসলাম ও মুসলিম বিশ্বের বিজয় বলে অভিহিত করেছিলেন এবং এমনকি দাবি করেছিলেন যে ভারতের মুসলমানরা পাকিস্তান দলকে সমর্থন করেছিল।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচে তার (ওয়াকার ইউনিস) বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে হিন্দু ভারতীয় ক্রিকেটারদের মাঝখানে মহম্মদ রিজওয়ানের নামাজ পড়া সম্পর্কে ইউনিসের মন্তব্যকে ভেঙ্কটেশ প্রসাদ মেনে নিতে না পেরে নিজের মতামত টুইট করেছেন।

PAK vs NZ, T20 World Cup: কিউইদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জয়

Pakistan lost to New Zealand

Sports Desk: ৫ উইকেটে জয় পেল পাকিস্তান। শোয়েব মালিক ২০ বলে ২৬ এবং আসিফ আলি ১২ বলে ২৭ রানে দুজনেই নট আউট।১৮.৪ ওভারে পাকিস্তানের ১৩৫ রান ৫ উইকেট খুঁইয়ে। নিউজিল্যান্ড করেছিল১৩৪ রান ৮ উইকেট হারিয়ে। শোয়েব আসিফ জুটি পাকিস্তানের দ্বিতীয় ম্যাচে ক্লিক করে গেল টি-২০ বিশ্বকাপের নক আউটে৷

পাকিস্তান টসে জিতে ফ্লিডিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। হারিস রউফের চার উইকেট নেয়, ২২ রান দিয়ে। গুপ্তিল,কনওয়ে,ফিলিপস, স্যান্টনার রউফের শিকার। নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়মসন রান আউট ২৫ রানে হাসান আলির থ্রো’তে।

শাহিন আফ্রিদি,ইমাদ ওয়াসিম,হাফিজ ১ টি করে উইকেট পেয়েছে। মার্টিন গুপ্তিল ১৭, নিউজিল্যান্ডের হয়ে মিচেল ২৭,কনওয়ে ২৭ রান করেছে। ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে কিউইদের সংগ্রহ ১৩৪ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ৫.১ ওভারে অধিনায়ক বাবর আজমকে হারায়,পাকিস্তান ২৮ রানে ১ উইকেট তখন, বাবরের সংগ্রহ ৯ রান। ফখর জামান এলবিডব্লু হন ১১ রানের মাথায়, সোধির বলে। পাকিস্তানের হয়ে মহম্মদ রিজওয়ান ৩৩, মহম্মদ হাফিজ ১১, ইমাদ ওয়াসিম ১১ রান করেন। শেষে শোয়েব মালিক আর আসিফ আলি জুটি বেঁধে পাকিস্তানকে জয়ের লক্ষ্যে পৌছে দেয় অপরাজিত থেকে।

দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান ব্যাট করতে আসে এবং ম্যাচ কিউইদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১০.৬ ওভারে মহম্মদ হাফিজ আউট হয়,পাকিস্তানের স্কোর তখন ৬৩ রান, তিন উইকেট হারিয়ে।১১.৪ ওভারে মহম্মদ রিজওয়ান আউট হয়, ৬৯ রান পাকিস্তানের ৪ উইকেটের বিনিময়ে। পাকিস্তানের ঘাড়ে জোরে জোরে নিশ্বাস নিচ্ছে নিউজিল্যান্ড। ১৪.৫ ওভারে ইমাদ ওয়াসিম আউট হতেই(৮৭/৫) শোয়েব-আসিফ যুগলবন্দী গড়ে ওঠে।১৭.৩ ওভারে স্যান্টনারের ডেলিভারি এবং ১৮.৪ ওভারে ট্রেন্ট বোল্টের ডেলিভারি, দুটো ডেলিভারি নিউজিল্যান্ডের আশায় জল ঢেলে দিয়ে, ম্যাচ পাকিস্তানের দিকে ঢুলে পড়ে। শোয়েব মালিক আসিফ আলি জুটি ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়ে।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জয়ের ফলে ভারতের সামনে টি -২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে গেল। ভারতের দ্বিতীয় ম্যাচ ৩১ জুলাই, রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুবাইতে, নক আউট স্টেজে।

পাকিস্তানের কাছে ভারত হারতেই চোখের জল বাঁধ মানল না,ভাইরাল হল ভিডিও

Babar Azam’s Father Breaks Down

Sports desk: রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে ১০ উইকেটে হারের মুখ দেখতে হয়েছে টিম ইন্ডিয়াকে। একতরফা ম্যাচে ভারতীয় দলকে হারিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের ক্যাম্পেনিং দারুণভাবে শুরু করেছে বাবর আজমের পাকিস্তান।

পাকিস্তান ম্যাচ জেতার পর দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উপস্থিত হওয়া ‘এক ভারতীয় ভক্ত কান্নায় ভেঙে পড়েন’,তখন পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমের বাবা আদনান আকমলকে ওই ভারতীয় ক্রিকেট ভক্তকে জড়িয়ে ধরে সাত্ত্বনা দিতে দেখা গিয়েছে’।

এই ভিডিও’র ভাইরাল হতেই প্রাক্তন পাকিস্তানের পেস বোলার শোয়েব আখতার ফেসবুকে ভারতের প্রাক্তন স্পিন বোলার হরভজন সিং’র সঙ্গে ভিডিও চ্যাটে বসেন। ২৪ অক্টোবর ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচের শেষে ভারতীয় সমর্থকের কান্না এবং আদনান আকমলের সাত্ত্বনা দেওয়ার ভাইরাল ভিডিও চ্যাটিং’র সময়ে শোয়েব আখতার সামনে আনতেই হরভজন সিং’কে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় এবং চোখের জল মুছতে দেখা গিয়েছে প্রিয় ভাজ্জিকে।সঙ্গে শোয়েব আখতার হরভজন সিং’কে খোঁচা দিতে গিয়ে বলেন,”কাহা হো ইয়ার@harbhajan_ sing?? “

বাইশ গজের প্রতিদ্বন্দ্বীতা এভাবে চোখের জলে ভেসে যাচ্ছে আম জনতা থেকে ভারতীয় প্রাক্তন ক্রিকেটারদের মধ্যে এমন চিত্র বিরলের থেকেও বিরলতম।

পাকিস্তানের এই দুরন্ত জয়ের পর প্রাক্তন পাক বোলার শোয়েব আখতার সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে লেখেন,”ভিন্ন জয়, ভিন্ন ফ্যাশন।ব্যাটিং লাইন আপের গভীরতা পরিপূর্ণতা প্রদর্শন করে। মাশাআল্লাহ। মহান বলছি। হারিস, মালিক, আসিফ কেয়া বাত হ্যায়।”