Afghanistan: কাবুলের রাস্তায় মার্কিন সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে তালিবান শক্তি প্রদর্শন

Afghanistan: Taliban hold military parade with U.S.-made weapons in Kabul in show of strength

News Desk: আফগান রাজধানীতে তালিবান জঙ্গি সরকারের বিরাট সেনাবহর প্রদর্শনে চমকে গেছে বিশ্ব। কাবুলের রাজপথে ট্যাংক, যুদ্ধযান, বিমান ধংসকারী কামান ও আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করেছে তালিবান সরকার।

তালিবান জঙ্গিদের এই সামরিক বহরের পুরোটাই আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়া মার্কিন সেনার অস্ত্র ভাণ্ডার। গত ১৫ অাগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার আফগানিস্তানের নিমন্ত্রণ ছেড়ে দেয়। সেই দিনই দ্বিতীয়বারের জন্য কাবুল দখল করে তালিবান জঙ্গিরা। দেশত্যাগ করেন নির্বাচিত সরকারের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি।

Afghanistan: Taliban hold military parade with U.S.-made weapons in Kabul in show of strength

বিবিসি জানাচ্ছে, তালিবান সরকার যে সমরাস্ত্র প্রদর্শন করেছে তার পুরোটাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া আফগানিস্তানে থাকাকালীন মার্কিন সেনা যে সব অস্ত্র মজুত করেছিল তার বড় অংশ তালিবান দখলে। তবে কাবূল ত্যাগের আগে কিছু অস্ত্রসম্ভার ধংস করে যায় মার্কিন সেনা।

তালিবান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র আহসানউল্লাহ খাতমি জানাচ্ছেন, আফগান সেনার আধুনিকীকরণ চলছে। সেনাবাহিনীতে নতুন ২৫০ জনকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তাদের নিয়েই কাবুলে হয়েছে কুচকাওয়াজ।

<

p style=”text-align: justify;”>তালিবান সরকারের তরফে বারবার দাবি করা হয়েছে, কোনও অবস্থায় আফগালিস্তানকে আর বিদেশি কোনও সরকারের অধীনে রাখা হবে না। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন দেশের অরাজক পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। কড়া আইন প্রয়োগ করা হয়েছে।

Taliban 2.0: ছায়া মন্ত্রিপরিষদ ঘোষিত, নাম নেই দেরাদুন মিলিটারি একাডেমির শেরুর

Mullah Mohammad Hasan Akhund

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: দ্বিতীয় দফার তালিবান ছায়া মন্ত্রিপরিষদ সরকার এখন আফগান তখত এ তাউসে (সিংহাসন) বিরাজমান। প্রত্যাশিত অনেক জঙ্গি নেতার মুখ নেই, তেমনই অপ্রত্যাশিতভাবে বুধবারের আগেই ঘোষিত হয়েছে এই জঙ্গি মন্ত্রিসভা। সবমিলে আফগানিস্তানে এখন Taliban 2.0 সরকারের যুগ।

নেপাল থেকে উত্তরবঙ্গ জুড়ে জঙ্গি জাল ছড়ানো নেতা, FBI তালিকাভুক্ত হাক্কানি নেটওয়ার্ক এখন আফগানিস্তানের সরকারি মুখ। পাক গুপ্তচর সংস্থার মদতপুষ্ট এই জঙ্গি সংগঠনটি।

মঙ্গলবার কাবুলে তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানায়, মোল্লা মহম্মদ হাসান আখুন্দকে প্রধানমন্ত্রী করে আফগানিস্তানে সরকার গঠন করেছে তালিবান। উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করবে মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার।

Read More: তালিবান সরকারের অংশীদার হাক্কানি নেটওয়ার্ক সক্রিয় নেপাল থেকে উত্তরবঙ্গে

তাৎপর্যপূর্ণ, তালিবান ২.০ কেয়ার টেকার সরকারে নেই ভারতে সামরিক প্রশিক্ষণ নেওয়া অন্যতম তালিবান জঙ্গি নেতা শের মহম্মদ আব্বাস স্তানিকজাই। এই জঙ্গি নেতা ১৯৯৬-২০০১ সাল পর্যন্ত প্রথম তালিবান সরকারের আমলে উপ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিল।

তালিবান কেয়ার টেকার সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা তথা পাকিস্তান মদতপুষ্ট হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রবীণ নেতা সিরাজউদ্দিন হাক্কানি। আর তালিবানের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের পুত্র মোল্লা মহম্মদ ইয়াকুবের নাম প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে।

২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আফগানিস্তানে অভিযানে কাবুলে তালিবান সরকারের পতন হয়। তার অন্যতম নেতা মোল্লা আখুন্দ। তবে তালিবান জানিয়েছে, এটা কেয়ার টেকার সরকার। এর অর্থ এই সরকারের মুখ দ্রুত পাল্টাবে। বুধবার আফগানিস্তানে তালিবান ২.০ সরকারের প্রথম কাজের দিন। আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের মুহূর্তে কোন কোন দেশ থাকবে উপস্থিত তাই চর্চিত।

তালিবান জঙ্গি সরকারের গঠন কেমন হতে পারে, কারা থাকছে

Taliban government

নিউজ ডেস্ক: প্রচলিত যে নিয়ম রয়েছে তালিবান সংগঠনের সেটার ভিত্তিতেই সরকার গড়তে চলেছে তালিবান। আফগানিস্তানের তাদের এই দ্বিতীয় দফার সরকারে পুরনো প্রেসিডেন্ট ভিত্তিক দেশ থাকতে নাও পারে। এখানেই প্রশ্ন, তালিবান সরকার কি তাদের আমীরতন্ত্র চালু করবে আফগানিস্তানে ?

গত ১৫ আগস্ট কাবুল দখল করার পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র আফগানিস্তানের নাম পাল্টে দেয় তালিবান। নতুন নাম হয়েছে ইসলামি আমীরশাহি আফগানিস্তান। পাল্টে দেওয়া হয়েছে জাতীয় পতাকা। এই নিয়ে দেশটির জাতীয় পতাকা ১৯ বার পাল্টেছে। এখন তালিবান সংগঠনের পতাকা উড়ছে কাবুল প্যালেসে।

ফরেন পলিসি একটি আন্তর্জাতিক বিষয়ক তথ্য প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের ওয়েব ম্যাগাজিনে লেখা হয়েছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার এমন কিছু গঠনতন্ত্র আনতে চলেছে যাতে প্রেসিডেন্ট পদ থাকতেও না পারে। সেক্ষেত্রে আমীর পদ ফের চালু করবে তালিবান জঙ্গিরা।

আফগান সংবাদ মাধ্যম আরিয়ানা নিউজ জানাচ্ছে, দেশ শাসনের জন্য ১২ সদস্যের একটি কাউন্সিল গঠন করতে যাচ্ছে তালিবান। এই কাউন্সিলে থাকতে পারেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই। আফগান পুনর্গঠন কাউন্সিলের প্রধান আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ এবং ইসলামিক পার্টির নেতা গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার। তিনজনেই আফগান রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। হেকমতিয়ার প্রাক্তন মুজাহিদিন, যিনি সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধে অংশ নেন। আফগান গৃহযুদ্ধের সময় হেকমতিয়ারের ভূমিকা বিতর্কিত বলে জানাচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

তালিবান জনসংযোগ বিভাগ জানাচ্ছে, গত ১৫ আগস্ট কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর করতে এই তিন নেতাকে নিয়েছে একটি সমন্বয় কাউন্সিল গঠন করা হয়। তারা ধারাবাহিকভাবে তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন।

ফরেন পলিসি জানাচ্ছে, আফগানিস্তান শাসন করতে ১২ সদস্যের কাউন্সিল গঠন করবে তালিবান। আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্য প্রশাসন গঠনে মরিয়া থাকাতে চায় এই মারাত্মক জঙ্গি সংগঠনটি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত অপসারিত আশরাফ ঘানির সরকারের বেশ কয়েকজন সদস্যকে এই কাউন্সিলে যুক্ত করতে পারে তালিবান।

কাউন্সিলের সর্বচ্চো তিন প্রধান হবে তালিবানের সহ প্রতিষ্ঠাতা আবদুল ঘানি বারাদার, তালিবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের ছেলে মোল্লা মহম্মদ ইয়াকুব এবং তালিবান সহযোগী জঙ্গি সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্ক ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব।
ইতিমধ্যে হাক্কানি নেটওয়ার্ক প্রধান জঙ্গি নেতা আনাস হাক্কানির সঙ্গে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের বৈঠকের ছবি প্রকাশ হয়েছে। আফগান বিষয়ক আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন কারজাইকে বিশেষ পদ দেওয়া হবে। কারণ তিনিই ছিলেন তালিবান ও পূর্বতন আফগান সরকারের মধ্যে শান্তি বৈঠকের অন্যতম নেতা।
তালিবান কী রকম সরকার গড়বে, কেউ জানে না। তবে এই সরকারকে সমর্থন দিতে চাইছে একের পর এক দেশ। রাশিয়া, চিন, ইরান, ইংল্যান্ড এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত সমর্থন দেবে বলেই ইঙ্গিত।

কাবুলে মার্কিন গুপ্তচর সংস্থার প্রধানের সঙ্গে তালিবান বৈঠকের পর প্রচুর প্রশ্ন উঠে আসছে। যে তালিবান গত জঙ্গি জমানায় প্রকাশ্যে মাথা কাটার সরকার গড়েছিল তাদের চরিত্র কি বদলেছে ?

কাবুল দখল করার পর গত ১৫ আগস্ট তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট জানায়, এই তালিবান সেই আগের তালিবান নয়। তবে আফগানিস্তান থেকে ইতিমধ্যেই একের পর গণহত্যার খবর আসছে। লাল তারিখ ৩১ আগস্ট। মার্কিন সেনা পুরোপুরি ছাড়বে আফগানিস্তান। তারপর কী হবে, প্রশ্ন আন্তর্জাতিক মহলের।

তালিবান জঙ্গি সরকারের গঠন কেমন হতে পারে, কারা থাকছে

নিউজ ডেস্ক: প্রচলিত যে নিয়ম রয়েছে তালিবান সংগঠনের সেটার ভিত্তিতেই সরকার গড়তে চলেছে তালিবান। আফগানিস্তানের তাদের এই দ্বিতীয় দফার সরকারে পুরনো প্রেসিডেন্ট ভিত্তিক দেশ থাকতে নাও পারে। এখানেই প্রশ্ন, তালিবান সরকার কি তাদের আমীরতন্ত্র চালু করবে আফগানিস্তানে ?

আরও পড়ুন শতাধিক মৃতদেহে রক্তাক্ত কাবুল, CIA-তালিবান বৈঠকের পরেই কেন বিস্ফোরণ ?

গত ১৫ আগস্ট কাবুল দখল করার পর ইসলামি প্রজাতন্ত্র আফগানিস্তানের নাম পাল্টে দেয় তালিবান। নতুন নাম হয়েছে ইসলামি আমীরশাহি আফগানিস্তান। পাল্টে দেওয়া হয়েছে জাতীয় পতাকা। এই নিয়ে দেশটির জাতীয় পতাকা ১৯ বার পাল্টেছে। এখন তালিবান সংগঠনের পতাকা উড়ছে কাবুল প্যালেসে।

ফরেন পলিসি একটি আন্তর্জাতিক বিষয়ক তথ্য প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের ওয়েব ম্যাগাজিনে লেখা হয়েছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার এমন কিছু গঠনতন্ত্র আনতে চলেছে যাতে প্রেসিডেন্ট পদ থাকতেও না পারে। সেক্ষেত্রে আমীর পদ ফের চালু করবে তালিবান জঙ্গিরা।

আফগান সম্প্রচার মাধ্যম আরিয়ানা নিউজ জানাচ্ছে, দেশ শাসনের জন্য ১২ সদস্যের একটি কাউন্সিল গঠন করতে যাচ্ছে তালিবান। এই কাউন্সিলে থাকতে পারেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই। আফগান পুনর্গঠন কাউন্সিলের প্রধান আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ এবং ইসলামিক পার্টির নেতা গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার। তিনজনেই আফগান রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। হেকমতিয়ার প্রাক্তন মুজাহিদিন, যিনি সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধে অংশ নেন। আফগান গৃহযুদ্ধের সময় তাঁর ভূমিকা বিতর্কিত বলে জানাচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।

তালিবান জনসংযোগ বিভাগ জানাচ্ছে, গত ১৫ আগস্ট কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর করতে এই তিন নেতাকে নিয়েছে একটি সমন্বয় কাউন্সিল গঠন করা হয়। তারা ধারাবাহিকভাবে তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন।
ফরেন পলিসি জানাচ্ছে, আফগানিস্তান শাসন করতে ১২ সদস্যের কাউন্সিল গঠন করবে তালিবান। আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্য প্রশাসন গঠনে মরিয়া থাকাতে চায় এই মারাত্মক জঙ্গি সংগঠনটি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত অপসারিত আশরাফ ঘানির সরকারের বেশ কয়েকজন সদস্যকে এই কাউন্সিলে যুক্ত করতে পারে তালিবান।

কাউন্সিলের তিন প্রধান হবে তালিবানের সহ প্রতিষ্ঠাতা আবদুল ঘানি বারাদার, তালিবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমরের ছেলে মোল্লা মহম্মদ ইয়াকুব এবং তালিবান সহযোগী জঙ্গি সংগঠন হাক্কানি নেটওয়ার্ক ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে হাক্কানি নেটওয়ার্ক প্রধান জঙ্গি নেতা আনাস হাক্কানির সঙ্গে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইয়ের বৈঠকের ছবি প্রকাশ হয়েছে। আফগান বিষয়ক আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন কারজাইকে বিশেষ পদ দেওয়া হবে। কারণ তিনিই ছিলেন তালিবান ও পূর্বতন আফগান সরকারের মধ্যে শান্তি বৈঠকের অন্যতম নেতা।

তালিবান কী রকম সরকার গড়বে, কেউ জানে না। তবে এই সরকারকে সমর্থন দিতে চাইছে একের পর এক দেশ। রাশিয়া, চিন, ইরান, ইংল্যান্ড এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত সমর্থন দেবে বলেই ইঙ্গিত। কাবুলে মার্কিন গুপ্তচর সংস্থার প্রধানের সঙ্গে তালিবান বৈঠকের পর প্রচুর প্রশ্ন উঠে আসছে।

যে তালিবান গত জঙ্গি জমানায় প্রকাশ্যে মাথা কাটার সরকার গড়েছিল তাদের চরিত্র কি বদলেছে ? কাবুল দখল করার পর গত ১৫ আগস্ট তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট জানায়, এই তালিবান সেই আগের তালিবান নয়। তবে আফগানিস্তান থেকে ইতিমধ্যেই একের পর গণহত্যার খবর আসছে। লাল তারিখ ৩১ আগস্ট। মার্কিন সেনা পুরোপুরি ছাড়বে আফগানিস্তান। তারপর কী হবে, প্রশ্ন আন্তর্জাতিক মহলের।