Karnataka: শিক্ষককে ডাস্টবিন দিয়ে পেটাচ্ছে ছাত্ররা, ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

Students misbehave with teacher in school

নিউজ ডেস্ক: ক্লাস চলাকালীন এক শিক্ষককে (teacher) মারধর করছে পাঁচ ছাত্র। চেয়ারে বসে থাকা ওই শিক্ষককে ডাস্টবিন দিয়ে পেটাচ্ছে তারা। চাঞ্চল্যকর ওই ঘটনাটির ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই বিষয়টি সামনে এসেছে। নেটিজেনরা প্রায় সকলেই ওই ছাত্রদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে। কর্নাটকের নেল্লোরের (Karnataka) এক সরকারি স্কুলে এই ঘটনাটি ঘটেছে। শুক্রবার ওই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় (social media) ছড়িয়ে পড়ে।

ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, প্রকাশ নামে এক শিক্ষককে ক্লাস রুমে ঢোকার শুরু থেকেই তীব্র হেনস্তা করছে পাঁচ ছাত্র। ওই শিক্ষক যখন তাঁর চেয়ারে গিয়ে বসেন তখন এক ছাত্র তাঁকে ডাস্টবিন তুলে মারতে যায়। এরপর ওই শিক্ষক যখন ক্লাসে পড়ানো শুরু করেন তখন এক ছাত্র আচমকাই গিয়ে ডাস্টবিনটি ওই শিক্ষকের মাথায় চাপিয়ে দেয়। এ ঘটনায় ওই স্কুলের অন্যান্য অভিভাবক ও গ্রামবাসীরা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সকলেই ওই ছাত্রদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি তুলেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ওই শিক্ষকের উপর চড়াও হল ছাত্ররা।

জানা গিয়েছে, ৩ নভেম্বর প্রকাশ নামে ওই শিক্ষক ছাত্রদের বকাঝকা করেছিলেন। কারণ ক্লাসরুমে বেশ কিছু খালি গুটখার প্যাকেট পড়েছিল। ছাত্রদের প্রকাশ বলেছিলেন, এভাবে কখনওই ক্লাসরুম নোংরা করা উচিত নয়। প্রত্যেকের উচিত নিয়ম মেনে চলা। ক্লাসের মধ্যে গুটকা খাওয়া অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা।

প্রকাশ জানিয়েছেন বকুনি দেওয়ার কারণেই তাঁকে ৫ ছাত্রের হাতে আক্রান্ত হতে হয়েছে। কেন তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাননি? এই প্রশ্নের জবাবে ওই শিক্ষক বলেছেন, পুলিশে অভিযোগ জানালে ওই ছাত্ররা তাঁর উপর আরও বড় ধরনের হামলা করতে পারত। সেই আশঙ্কায় তিনি পুলিশকে বিষয়টি জানাননি।

তবে বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর ওই স্কুলে যান স্থানীয় বিধায়ক মাদল বিরুপাক্ষাপ্পা। বিধায়কের সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রশাসনের শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক। স্কুলে গিয়ে তাঁরা শিক্ষকদের কাছ থেকে বিষয়টি জানেন। তবে পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদিও ওই ছাত্রদের লিখিতভাবে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে তারা এ ধরনের আচরণ করবে না, তার লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে বলা হয়েছে। তবে অন্য অভিভাবকদের দাবি, ওই ছাত্রদের অবিলম্বে স্কুল থেকে বরখাস্ত করতে হবে। তাদের কড়া শাস্তি দেওয়া না হলে ভবিষ্যতে তাদের আচরণ পাল্টাবে না। সহকারি জেলাশাসক মহান্তেশ বিলাগী জানিয়েছেন, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

TET 2021 exam: টেট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে বাতিল হয়ে গেল শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

UPTET 2021 exam

নিউজ ডেস্ক, লখনউ: শিক্ষক নিয়োগের জন্য রবিবার হওয়ার কথা ছিল টেট (UP TET 2021 exam) পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার আগেই ফাঁস হয়ে গেল প্রশ্নপত্র। ঘটনার জেরে তুমুল অশান্তি সৃষ্টি হল রাজ্যজুড়ে। শেষ পর্যন্ত বাতিল (cancel) করে দেওয়া হল টেট পরীক্ষা। এই অবাক করা কাণ্ড ঘটেছে বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh)।

এদিন সকালে বেশ কয়েক লাখ হবু শিক্ষক সরকারের শিক্ষক নিয়োগের টেট পরীক্ষা দিতে নিজেদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে যান। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর আগেই খবর রটে যায় যে, হোয়াটস অ্যাপে (WhatsApp) টেট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গিয়েছে। বেশকিছু পরীক্ষার্থী মোবাইলে সেই পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও পেয়ে যান। তাই বিষয়টি যে গুজব তা নয়। প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কারণে সঙ্গে সঙ্গেই পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয় যোগী সরকার। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্পেশাল টাস্কফোর্স ইতিমধ্যেই তিন জনকে গ্রেফতার করেছে।

রবিবার দুই অর্ধে টেট পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কারণে দুটি পরীক্ষাই বাতিল করে দেওয়া হয়। পরীক্ষা বাতিলের এই খবরে যথারীতি চরম সমালোচনার মুখে পড়েছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগ, যোগী আদিত্যনাথ সরকার বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিক্ষক নিয়োগের ভান করছে। কিন্তু যোগী সরকার মূলত বিজেপির লোকজনকেই চাকরি দিতে চায়। সে কারণেই তারা নিজেদের লোকজনকে আগে থাকতেই প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু কোনওভাবে বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসে। বিরোধীরা প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার যথাযথ তদন্তের দাবি তুলেছে।

বিরোধীদের অভিযোগ রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে কি হাল এ ঘটনায় তারই প্রমাণ। রাজ্যের হাজার হাজার কর্মপ্রার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে বিজেপি সরকার।

অন্যদিকে রাজ্যের এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) প্রশান্ত কুমার জানিয়েছেন, ডিসেম্বর মাসেই নতুন করে টেস্ট পরীক্ষা নেওয়া হবে। খুব শীঘ্রই পরীক্ষার নির্দিষ্ট দিন, তারিখ ও সময় জানিয়ে দেওয়া হবে। এদিন প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার খবর পেতেই সক্রিয় হয়ে ওঠে স্পেশাল টাস্কফোর্স। বেশ কয়েকটি জায়গায় হানা দিয়ে তারা প্রয়াগরাজ এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশ থেকে তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে। এই পরীক্ষার আয়োজক সংস্থাও এসটিএফের সন্দেহের তালিকায় রয়েছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হলে এই সংস্থাকে পরীক্ষা আয়োজনের দায়িত্ব আর দেওয়া হবে না বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। টেট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী সতীশ দ্বিবেদী।

Gujarat: বাড়িভাড়া না পেয়ে দেড়শো কিলোমিটার পথ সাইকেলে আসা-যাওয়া তপসিলি শিক্ষকের

Gujarat: House Denied To Scheduled Caste Teacher

News Desk, New Delhi: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সবসময় বলে থাকেন সবকা সাথ সবকা বিকাশ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নিজের রাজ্য গুজরাতে সবার বিকাশ বা উন্নয়ন বাধা পাচ্ছে। সম্প্রতি গুজরাতের এক স্কুল শিক্ষকের চাঞ্চল্যকর কাহিনী প্রকাশ্যে এসেছে।

কানহাইয়ালাল বারাইয়া নামে ওই শিক্ষক বাল্মিকী সম্প্রদায় ভুক্ত। বর্তমানে তিনি চাকরি করেন রাজ্যের সুরেন্দ্রনগর জেলার এক স্কুলে। যে স্কুলে তিনি পড়ান সেই গ্রামে বাল্মিকী সম্প্রদায়ের থাকার কোন জায়গা নেই। তাই ওই স্কুল শিক্ষককে কেউ বাড়ি ভাড়া দিতে রাজি হয়নি। যে কারণে বাধ্য হয়ে ওই শিক্ষক প্রতিদিন সাইকেলে করে ১৫০ কিলোমিটার পথ আসা-যাওয়া করেন।

তপশিলি সম্প্রদায়ভুক্ত ওই শিক্ষকের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের বিষয়টি অবশ্য মেনে নিয়েছে রাজ্যের ন্যায় ও ক্ষমতায়ন দফতর। সম্প্রতি ন্যায় ও ক্ষমতায়ন দফতর রাজ্যের শিক্ষা দফতরকে একটি চিঠি দিয়েছে। ওই চিঠিতে জানানো হয়েছে, তপসিলি জাতি ভুক্ত বলে ৫০ বছরের ওই শিক্ষককে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তাই ওই শিক্ষককে যত শীঘ্র সম্ভব বাড়ির কাছাকাছি কোনও স্কুলে বদলি করা হোক।

জানা গিয়েছে কানাইয়া লাল থাকেন সুরেন্দ্রনগর এর চুড়া তালুকের ছতরিওয়ালা গ্রামে। কানাহাইয়াকে সম্প্রতি বাড়ি থেকে ৭৫ কিলোমিটার দূরে নিনামা গ্রামের স্কুলে বদলি করা হয়েছে। ওই শিক্ষক জানিয়েছেন, বদলি হওয়ার পর তিনি প্রথমে স্কুল সংলগ্ন এলাকায় একটি ভাড়াবাড়ির চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু প্রথমেই তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি কোন জাত ও ধর্মের লোক। কানহাইয়া জানান তিনি বাল্মিকী সম্প্রদায়ের লোক। তখনই তাঁকে মুখের উপর বলে দেওয়া হয় এই গ্রামে তিনি কোনও ঘরভাড়া পাবেন না।

স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরাও তাঁকে ওই একই কথা বলেন। এরপরই তিনি পুরো বিষয়টিই শিক্ষা দফতরকে জানিয়ে একটা সমাধানের উপায় বের করতে অনুরোধ করেন। শেষ পর্যন্ত কানাহাইয়ালালের আবেদন যত শীঘ্র সম্ভব খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু মোদির রাজ্য এবং আজকের অত্যাধুনিক বিজ্ঞানের যুগে দাঁড়িয়ে এ ধরনের সংস্কার অনেকেই অবাক হয়েছেন। একজন শিক্ষকের সঙ্গে এ ধরনের ব্যবহার আধুনিক সভ্যতার লজ্জা বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।

শান্তিনিকেতনের অঙ্কের শিক্ষককে সমীহ করে চলতেন বিশ্বকবি

Jagadananda roy the teacher who wrote first science book in bengali

বিশেষ প্রতিবেদন: ১৯০৮ সালে শান্তিনিকেতনে নাটক মঞ্চস্থ হবে। নাম “শারদোৎসব”। লেখক রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং। ছাত্র, শিক্ষক সবাই নাটকে অভিনয় করছেন। কবিগুরু নিজেও আছেন। তিনি রাজসন্ন্যাসী, ছদ্মবেশী সম্রাট বিজয়াদিত্য। মহড়া চলছে। একজন এসব থেকে বহুদূরে। তিনি ব্যস্ত এক ছাত্রকে অঙ্ক কষাতে। অঙ্ক না শিখে সে যাবে না ওসব নাটক করতে। তিনি জগদানন্দ রায়।

আসলে সেদিন যে ছাত্র অনুপস্থিত ছিল তাকে মহড়ায় যোগ দিতে ডেকে পাঠিয়েছিলেন বিশ্বকবি। নাকচ করে দিয়েছিলেন শিক্ষক জগদানন্দ। তাঁকে আর ঘাঁটাতেও যাননি রবীন্দ্রনাথ। তবে তিনি তো রবীন্দ্রনাথ। অঙ্কের প্যাঁচে তাঁকে ফেলতে না পারলেও অন্য প্যাঁচে এনেছিলেন নাটক মঞ্চে।

রবীন্দ্রনাথের ভৃত্য সাধুচরণ সেদিন ক্লাসে গিয়ে জগদানন্দবাবুকে জানিয়েছিলেন গুরুদেব ওই ছাত্রকে মহড়ার জন্য ডাকছেন। জগদানন্দবাবু ছাত্রকে অঙ্কে ভালো করেই ছাড়বেন।

বিরক্ত হয়ে সাধুচরণকে বলে দিলেন ‘আমার ক্লাসের সময় ছেলেরা নাচানাচি করতে যাবে না। যাও, গুরুদেবকে গিয়ে বল, এখন ছেলেটাকে ক্লাস ছেড়ে যেতে দেওয়া হবে না।’ সাধুচরণ কাঁচুমাচু মুখে ফিরে এসে দিনেন্দ্রনাথকে সব কথা জানান। তিনি গুরুদেবকে কথা জানাতে ইতস্তত বোধ করলেও সে কথা গিয়েছিল তাঁর কানে।

তিনি রেগে না গিয়ে উপভোগ করলেন। তারপর বললেন, ‘দিনু, আর এদিকে ঘেঁষে দরকার নেই, ব্রাহ্মণ চটে গেছে। ব্রাহ্মণের রাগ আগুনের মতো, সব ভস্ম করে দেবে!’ তবু দিনেন্দ্রনাথের অস্বস্তি যায় না। জিজ্ঞাসা করলেন ‘তাহলে মহড়ার কি হবে?’ রবীন্দ্রনাথ সঙ্গে সঙ্গে এক কৌশল বাতলে দিলেন। বললেন, ‘স্বয়ং জগদানন্দবাবুকেও শারদোৎসবের অভিনয়ে যোগ দেবার জন্য অনুরোধ কর। তাহলে তাঁর সাথে ঐ ছেলেটাও মহড়া দিতে আসবে।’

সেবার শারদোৎসব নাটকে জগদানন্দ রায় কৃপণ লক্ষেশ্বরের ভূমিকায় অনবদ্য অভিনয়ে রীতিমতো পাল্লা দিয়েছিলেন ছাত্রদের সঙ্গে। আজ ১৮ সেপ্টেম্বর শান্তিনিকেতনের গণিত শিক্ষকের জন্মদিন , যাকে সমীহ করে চলতেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

থাকেন আমেরিকায়, বাংলাদেশের বিদ্যালয়ে শিক্ষিকার সুখের চাকরি!

Sylhet teacher

নিউজ ডেস্ক: চাকরি বলে চাকরি-সুখের চাকরি। থাকেন আমেরিকায়। আর বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকারি চাকরি করছেন জেসমিন সুলতানা নামে এক প্রধান শিক্ষিকা। তিনি ব্যাংক থেকে নিয়মিত বেতন পান।

অভিযোগ, জেসমিন সুলতানা নামে বাংলাদেশের নাগরিক সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রায়গড় সরকারি প্রাইমারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। তার বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ, তিনি বিদ্যালয়ে একদিনও না এসে দিব্বি আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বেতন তুলছেন আমেরিকা থেকে। অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত। 

জানা গিয়েছে,২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল কাজে যোগদানের পর মাত্র এক বছর বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত ছিলেন জেসমিন। ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর থেকে তিনি অনুপস্থিত। ২০১৭ সালের ১৫ জানুয়ারি ও ২০১৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জেসমিন সুলতানা সোনালী ব্যাংক ঢাকা দক্ষিণ শাখা থেকে বেতনের মোট ৪ লাখ টাকা তুলেছেন।

অভিযুক্ত জেসমিন সুলতানার আত্নীয় রায়হান আহমদ জানান, স্বামীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেসমিন সপরিবারে আমেরিকায় বাস করছেন।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আজিজুর রহমান খান জানান, প্রধান শিক্ষিকা জেসমিন সুলতানা প্রতিষ্ঠানের কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, হাজিরা খাতা ও স্লিপের টাকা নিয়ে প্রায় ৫ বছর ধরে নিখোঁজ। তবে ২০১৭ সালে এসে ব্যাংক থেকে সরকারি বেতন উত্তোলন করার সময় কয়েক দিন বিদ্যালয়ে এসেছিলেন। 

গোলাপগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার দেওয়ান নাজমুল আলম জানান জেসমিন সুলতানা কয়েক বছর আগে তৎকালীন শিক্ষা অফিসারের কাছ থেকে তিন মাসের চিকিৎসাজনিত ছুটি নিয়েছিলেন। এখন তিনি কোথায় আছেন জানা নেই।