Terrorist Attack in Police Bus: পুলিশ বাসে জঙ্গিদের গুলিতে মৃত ৩

militant firing on police bus in Srinagar

নিউজ ডেস্ক, শ্রীনগর: সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানী শ্রীনগরে (Shrinagar) পুলিশের বাসে এলোপাথাড়ি গুলি চালাল জঙ্গিরা (Terrorist)। জঙ্গিদের গুলিতে ১৮ জন পুলিশকর্মী (police personal) জখম (wounded) হয়েছেন। যার মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।

গত কয়েকদিন ধরে জম্মু-কাশ্মীরে বিভিন্ন এলাকায় সেনা ও জঙ্গিদের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষ ঘটেছে। সেনাবাহিনীর উপর অতর্কিতে আক্রমণ চালিয়েছে জঙ্গিরা।

এরই মধ্যে সোমবার শ্রীনগরের পান্থ চকের জেওয়ান এলাকায় পুলিশের বাস লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। জঙ্গিদের গুলিতে ১৮ জন পুলিশ কর্মী জখম হয়েছেন। তাঁদের সকলকেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। আরও কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কোন জঙ্গি সংগঠন এই হামলা চালিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনার পর পুলিশ এলাকাটি ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করেছে। আশপাশের এলাকায় কোন জঙ্গি লুকিয়ে আছে কিনা তা জানতে চলছে চিরুনি তল্লাশি। তবে শেষ পাওয়া খবরে কোনও জঙ্গির ধরা পড়ার খবর মেলেনি।

সোমবার সকালেই শ্রীনগরের রণগ্রেট এলাকায় সেনা ও জঙ্গির মধ্যে গুলির লড়াই শুরু হয়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার সকালে পুলিশ ও নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর একটি দল তল্লাশি অভিযান শুরু করে এলাকায়। বাহিনীর উপস্থিতি টের পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জঙ্গিরা গুলি চালাতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গেই জবাব দেয় বাহিনীও। এইগুলির লড়াইয়ে দুই জঙ্গি খতম হয়েছে। উল্লেখ্য, রবিবার জম্মু-কাশ্মীরের অবন্তীপুরায় নিরাপত্তা বাহিনীর উপর গুলি চালায় জঙ্গিরা। বাহিনী পাল্টা গুলি চালালে এক জঙ্গি খতম হয়। ওই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরেই পুলিশের উপর পাল্টা হামলা চালাল জঙ্গিরা।

Dawood Ibrahim: দাউদের হাত হয়ে জঙ্গিদের কাছে পৌঁছতে পারে পরমানু বোমা: মার্কিন সেনেটর

Dawood Ibrahim

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় নাম থাকা দাউদ ইব্রাহিমের (Dawood Ibrahim) সঙ্গে জঙ্গিদের রীতিমতো যোগসাজশ রয়েছে। দাউদের সাহায্যেই জঙ্গিরা (terroist) পরমাণু অস্ত্র হাতে পেতে পারে।

পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র (nuclear weapon) ভাণ্ডার থেকেই দাউদ এই অস্ত্র জঙ্গিদের কাছে পৌছে দিতে পারে, এমনটাই মন্তব্য করছিলেন মার্কিন সেনেটর জন ম্যাককেইন (john maccain)। ২৬/১১ মুম্বই হামলার পর ওই মার্কিন সেনেটর এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন।

মুম্বই হামলার পর যখন গোটা বিশ্ব স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল তখনই এই মার্কিন সেনেটর পাক পরমাণু অস্ত্র নিয়ে গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়ে ছিলেন। ম্যাককেইন বলেছিলেন, পাকিস্তানের হাতে ভালরকম পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। যে কোনও সময়ে এই অস্ত্র জঙ্গিদের হাতে চলে যেতে পারে। এই কাজে মধ্যস্থতাকারী হতে পারে মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিম।

কারণ দাউদের সঙ্গে পাকিস্তান সরকারের সম্পর্ক অতি ঘনিষ্ঠ। আবার জঙ্গিদের সঙ্গেও দাউদের সম্পর্কের রসায়ন যথেষ্টই মধুর। সেই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়েই পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডার থেকে দাউদ প্রাণঘাতী রাসায়নিক অস্ত্র পৌঁছে দিতে পারে জঙ্গিদের কাছে। যদি বাস্তবে তাই হয় তবে সেটা গোটা দুনিয়ার পক্ষে অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।

ম্যাককেইন একই সঙ্গে বলেছিলেন, পাকিস্তান অবশ্য আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে, তাদের পরমাণু অস্ত্র যথেষ্টই সুরক্ষিত ও নিরাপদ আছে। পরমাণু অস্ত্র জঙ্গিদের হাতে যাওয়ার বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই। পাক সরকার একাধিকবার জানিয়েছে যে, তাদের ভাণ্ডারে থাকা পরমাণু অস্ত্র কোনওভাবেই জঙ্গিদের হাতে গিয়ে পড়বে না। ওই অস্ত্র যাতে সুরক্ষিত থাকে তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে পাক সরকারের ওই মন্তব্যকে একেবারেই চোখ বুজে বিশ্বাস করতে রাজি ছিলেন না ম্যাককেইন। তাই তিনি বলেছিলেন, পাকিস্তানে নির্বাচিত সরকার থাকলেও সে দেশে সেনাবাহিনী ও গুপ্তচর সংস্থাই সরকারের উপর ছড়ি ঘোরায়।

পাকিস্তানে বরাবরই জঙ্গিদের জামাই আদর করা হয়। জঙ্গিরা পাকিস্তানের মাটি ব্যবহার করেই বিশ্বের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাস চালায়। তাই পাক সরকারের আশ্বাসে একেবারে চোখ বুজে ভরসা করার কিছু নেই। ম্যাককেইন আরও বলেন, পাকিস্তান মুখে যত যাই বলুক না কেন বাস্তবে দেখা গিয়েছে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কখনওই ইসলামাবাদ উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। ম্যাককেইন আরও বলেন, পাক সরকারের বোঝা উচিত পরমাণু অস্ত্রের কি ক্ষমতা। এই অস্ত্র যদি জঙ্গিদের হাতে গিয়ে পড়ে সে ক্ষেত্রে কি হতে পারে সেটা পাক সরকারের না বোঝার কোন কারণ নেই। তাই দেশের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারকে সুরক্ষিত ও নিরাপদে রাখতে পাকিস্তানকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।