২৬ ডিসেম্বরের টেস্ট ম্যাচকে কেন “Boxing Day” টেস্ট ম্যাচ বলা হয়

Boxing Day Test match

Sports desk: ক্রিসমাসের একদিন পরে, ২৬ ডিসেম্বর তারিখ ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং কানাডা সহ অনেক কমনওয়েলথ দেশে বক্সিং দিবস (Boxing Day) হিসাবে পালিত হয়।

একটি সংস্কার অনুসারে, এটি গির্জার ভিক্ষা বাক্স বা দরিদ্র বাক্সগুলিকে বোঝায় যেগুলি বড়দিনের পরের দিন খোলা হত। কিন্তু এখন অন্যান্য সংস্কার রয়েছে যা বিশ্বাস করে, যে ভৃত্যরা ক্রিসমাসের দিন কাজ করে থাকে এবং পরের দিন তাদের উপহার দেওয়া হয়,ওই বাক্স থেকে উপহার খুঁজে নিয়ে ।

আসলে এটা ঘোড়ার পৃষ্ঠপোষক সেন্ট স্টিফেনের উৎসবের দিনও। নির্দিষ্ট এই কারণে, ওই দিনে বেশ কয়েকটি ক্রীড়া ইভেন্টও অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কমনওয়েলথ সদস্যভুক্ত দেশগুলিতে যা দক্ষিণ গোলার্ধে’র মধ্যে পড়ে এবং তাই ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং গ্রীষ্মের মাসেও।

অস্ট্রেলিয়ায়, আইকনিক মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (MCG) প্রতি বছর ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ান দল এবং সেই নির্দিষ্ট সফরে থাকা যেকোনো দলের মধ্যে বক্সিং ডে টেস্ট ম্যাচ আয়োজন করে। প্রথম বক্সিং ডে টেস্ট ম্যাচটি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের মধ্যে ১৯৫০ সালে। ভারত ১৯৮৫, ১৯৯১, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭, ২০১১, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় বক্সিং ডে টেস্ট ম্যাচ খেলেছে।

এবার ভারত ২০২১ সালে সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্টস পার্কে ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলবে,যা “বক্সিং ডে” টেস্ট নামে দুনিয়াতে জনপ্রিয়। ২০১৩ সালে “বক্সিং ডে” টেস্ট ম্যাচ দেখার জন্য মেলর্বোন ৯১,১১২ জন দর্শক উপস্থিত হয়েছিল, যা একটি রেকর্ড। কিন্তু ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে প্রথম টেস্ট ম্যাচ দর্শকশূন্য থাকার সম্ভাবনা ক্রমেই জোড়ালো হচ্ছে।কারণ, কোভিড-১৯ ভাইরাসের নতুন প্রজাতি ‘ওমিক্রনে’র বাড়বাড়ন্ত কোভিড প্রোটকলকে কড়াভাবে প্রয়োগে বাধ্য করেছে। ভারতীয় ক্রিকেট দল প্রোটিয়ার্স সফরের আগে মুম্বই এবং জোহানসবার্গ এসে কঠিন বায়ো বাবোল কোভিড-১৯ বিধিনিষেধের আওতায় প্রবেশ করে। বাবোল টু বাবোল প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে এখনও আসন্ন সিরিজের গোটা প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

SAvIND: সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট ম্যাচ দর্শকশূন্য হওয়ার সম্ভাবনা

SAvIND

Sports desk: ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে তিন টেস্ট ম্যাচ (SAvIND) সিরিজের প্রথমটি ২৬ ডিসেম্বর সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্ক মাঠে শুরু হচ্ছে। যদিও প্রথম টেস্ট ম্যাচ দর্শকশূন্য হওয়ার একটা জোড়ালো সম্ভাবনা উকি দিচ্ছে। এই ইস্যুতে মাইক্রো ব্লগিং সাইট টুইটারে এখন এটাই ট্রেন্ডিং ইস্যু।

প্রসঙ্গত, কোভিড-১৯ ভাইরাসের নতুন প্রজাতি ‘ওমিক্রনে’র বাড়বাড়ন্তের জেরে এমনিতেই পূর্ব নির্ধারিত ভারতের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কাটছাঁট করা হয়েছে।এই প্রক্রিয়াতে টিম ইন্ডিয়া “বাবোল টু বাবোল” কোভিড প্রোটকলের কড়া নিয়মে বিনা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে সরাসরি প্রোটিয়ার্সদের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে চলেছে। তাই দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনায় সলতে পাঁকছে।

এমন আবহে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ভারতীয় খেলোয়াড়দের জয়ের মন্ত্র দিয়েছেন হেডকোচ রাহুল দ্রাবিড়। খেলোয়াড়দের জেতার জন্য কোচ দ্রাবিড়ের মন্ত্র হল “মানের অনুশীলন এবং ভাল তীব্রতা”।

ইতিমধ্যেই টিম ইন্ডিয়া সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্টস পার্কে প্রোটিয়ার্সদের বাইশ গজের লড়াই’তে বধ করতে চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে ঘাম ঝরাচ্ছে। এই পিচ ভেজা থাকায় সুইং’র সম্ভাবনার সঙ্গে ঘাস থাকায় বোলাররা বাড়তি বাউন্স পেতে পারে, পোড় খাওয়া টিম ইন্ডিয়ার হেডকোচ রাহুল দ্রাবিড় বুঝতে পেরে খেলোয়াড়দের ভিতরে থাকা জয়ের খিদেকে চার্জড করতে উঠে পড়ে লেগেছে।

অধিনায়ক বিরাট কোহলির ব্যাট থেকে দু’বছর ধরে শতরান আসেনি,যা নিয়ে ক্যাপ্টেন কোহলি নিজেও “বিরাট” বিব্রত। দ্রাবিড়কে হেডস্যার হিসেবে পেয়ে,তার পরামর্শ মতে “বিরাট” সমালোচনায় লাগাম পড়াতে কিং কোহলি চোয়াল শক্ত রেখে নেট সেশনে ব্যাটিং’র ওপর বেশি করে ফোকাস রাখছে।

সব মিলিয়ে প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট ম্যাচের আগে ভারতীয় শিবির জুড়ে দ্রাবিড় “মন্ত্র” জপ করে প্রথমবার ক্রিকেটের ক্যালেন্ডারে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে লড়াই করে সিরিজ জয়ের স্বপ্নতে বিভোর “বিরাট এন্ড হিজ কোম্পানি”।

India-New Zealand Test: রচিন রবীন্দ্র’র লড়াইয়ের মুখে পড়ে কানপুর টেস্ট ড্র

India-New Zealand Kanpur Test match

India-New Zealand Test
Sports desk: মাত্র ১০৩ রানে, ৬ উইকেট। এমন সময়ে ঘাড়ের চোট নিয়ে বুক চিতিয়ে লড়াই ভারতীয় উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহার। ১২৬ বলে অপরাজিত ৬১ রান। শ্রেয়স আইয়ারের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৫ রান, ভেস্তে গেল।

দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত ২৩৪ রান ৭ উইকেটে ইনিংস ডিক্লেয়ার করে,২৮০ রানের লিড ধরে রেখে। চতুর্থ দিনের শেষের দিকে নিউজিল্যান্ড উইল ইয়ং’র উইকেট হারায়,দলগত ৪ রানের স্কোরে।

পঞ্চম দিনে ভারতের ৯ উইকেট শিকারের টার্গেট ছিল,তাহলেই কেল্লা ফতেহ! হল না! দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ড টম ল্যাথাম ৫২,সামারভিল ৩৬, আর রচিন রবীন্দ্রর ১৮ রান ৯১ বলে প্রথম টেস্টে ড্র’র পথকে মসৃণ করে তুললী ভারতীয় বোলিং লাইন আপের ব্যর্থতার জন্য। নব নিযুত হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের টেস্ট ক্রিকেটে অভিযান শুরু হল ম্যাচ ড্র’র মধ্যে দিয়ে

অন্যদিকে কিংবদন্তী ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কারের হাত থেকে ক্যাপস নিয়ে টেস্টে অভিষেক শ্রেয়স আইয়ারের। অভিষেক টেস্টই ধামাল! প্রথম ইনিংসে শতরান শ্রেয়সের নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কানপুরের গ্রীনপার্কে। এই সেঞ্চুরির সঙ্গেই শ্রেয়স আইয়ারের নাম জুড়ে গেল লালা অমরনাথ, দীপক শোধন, কৃপাল সিং,আব্বাস আলী বৈগ, হনুমন্ত সিং,গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ, সুরিন্দর অমরনাথ,মহম্মদ আজহারউদ্দিন, প্রবীণ আমরে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়,বীরেন্দ্র শেহবাগ, সুরেশ রায়না,রোহিত শর্মা শিখর ধাওয়ান,পৃথ্বী শাহদের সঙ্গে ১৬ তম ভারতীয় ব্যাটসম্যান শ্রেয়স আইয়ার টেস্ট ফর্ম্যাটের অভিষেক ম্যাচে শতরানকারি হয়ে।

কানপুর টেস্ট চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রেয়স আইয়ার প্রথমে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে ৫০ রানের জুটি এবং অশ্বিন আউট হলে ঋদ্ধিমান সাহার সঙ্গে ৫০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলে। শ্রেয়স আইয়ার ৬৫ রানে আউট। ঋদ্ধিমান সাহা ৬১ রানে নট আউট।

টেস্টের পঞ্চম দিনে মাটি কামড়ে পড়ে থাকে কিউই শিবির। পেন্ডুলামের মতো ম্যাচের টেনশন ওঠা নামা করতে থাকে। টানটান উত্তেজনা, কিউই ব্যাটসম্যানদের পালা করে প্যাভিলিয়ন ফেরা। অন্যদিকে চোঁচ হয়ে ঢুকে ফালা ফালা করে দেওয়া শেষ মুহুর্তে ভারতের বিরুদ্ধে অভিষেক হওয়া ২২ বছরের ভারতীয় বংশোদ্ভূত রচিন রবীন্দ্র’র। আজিজ প্যাটেল যোগ্য সঙ্গ দেয় রচিনের। তাতেই কিস্তিমাত! কানপুরে সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ ড্র।

কাজেই এলো না ঘাড়ে চোট নিয়ে খেলা ঋদ্ধিমান সাহার ঐতিহাসিক ইনিংস আর শ্রেয়স আইয়ারের অভিষেক টেস্টে শতরান সঙ্গে ফাইটিং স্পিরিট। রবীন্দ জাডেজা ৪ উইকেট, রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৩ উইকেট।, এখানেও আবার রেকর্ড। অশ্বিন টম ল্যাথামকে বোল্ড আউট করে হরভজন সিং’কে টপকে ভারতীয়দের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি, ৪১৮ উইকেট। এখন চতুর্থ হরভজন সিং ৪১৭ উইকেট।এই তালিকায় অনিল কুম্বলে(৬১৯), কপিল দেবের ৪৩৪ উইকেট, ভারতীয় বোলারদের মধ্যে শীর্ষে “পাজি”।

India-New Zealand Test match: শ্রেয়স-জাডেজার জোড়া ফালায় কিউইদের বিরুদ্ধে চালকের আসনে ভারত

Shreyas-Jadeja

India-New Zealand Test match
Sports desk: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কানপুরের গ্রীন পার্কের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনে শ্রেয়স আইয়াই ১৩৬ বলে ৭৫ এবং রবীন্দ্র জাডেজার ১০০ বলে ৫০ রান দুজনেই নট আউট, দুই যুগলবন্দীতে ভর করে ভারত কিউইদের বিরুদ্ধে কানপুর টেস্টে চালকের আসনে। আর চোট মুক্ত হয়ে টেস্টে অভিষেক ঘটলো শ্রেয়স আইয়ারের এবং সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রথম টেস্টেই নিজের জাত চিনিয়ে দিলেন।

প্রথমে দিনের শেষে ভারত ৮৪ ওভারে চার উইকেটে ২৫৮ রান। টসে জিতে ভারত ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয় গ্রীন পার্কের ব্যাটিং সহায়ক পিচে। কিন্তু শুরুর ৭.৫ ওভারে ভারত মায়াঙ্ক অগ্রবালের উইকেট হারিয়ে বসে, ভারত ২১ রানে ১ উইকেট। কাইল জেমিসনের বলে কিপার টম ব্লান্ডেলের হাতে ১৩ রান করে মায়াঙ্ক প্যাভিলিয়ন ফিরে আসে।

প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নিয়ে কানপুরের ব্যাটিং সহায়ক পিচকে কাজে লাগিয়ে শুভমান গিল ৯৩ বলে ৫২ রান করে কাইল জেমিসনের ডেলিভারিতে বোল্ড আউট হন। চেতেশ্বর পূজারা ২৬ এবং অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে ৩৫ রানে আউট হয়ে ফিরে আসে।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে এরপর শ্রেয়স আইয়ার এবং রবীন্দ্র জাডেজা জুটি হাল ধরে। ঠাণ্ডা মাথায় ইনিংস গোছানোর কাজ শুরু করে দুই জুটি। শেষমেশ ক্লিক করে যায় কিউইদের বিরুদ্ধে এই যুগলবন্দীতে ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ওঠে জেমিসন,সাউদিদের বিরুদ্ধে। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসের শেষে আইয়ার -জাডেজা জুটিতে স্বস্তিতে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের ভারত। আগামীকাল দ্বিতীয় দিনে ভারতের লক্ষ্য থাকবে, বলা ভাল আইয়ার এবং জাডেজার টার্গেট হবে দ্রুত ভারতের হয়ে বড় স্কোর তুলে কিউইদের চাপে ফেলে দেওয়া, যাতে নিউজিল্যান্ড কানপুর টেস্ট ম্যাচে মুক্ত আকাশে শ্বাস নিতে না পারে।

প্রসঙ্গত, ২০২১ এর মার্চে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে চোট পেয়েছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। ছিটকে যেতে হয় টি ইন্ডিয়ার স্কোয়াড থেকে। অনেকটা সময় রিহ্যাবিলিটেশন কাটাতে হয়েছিল তাঁকে। ক্রিকেট থেকে চোটের জন্য সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটলেও ফিরে আসার লড়াইটা চ্যালেঞ্জিং ছিল তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটার শ্রেয়স আইয়ারের সামনে। কোভিড কালে আইপিএলের প্রথম ভাগে খেলতে পারেননি। রিহ্যাব প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে নিজেকে ফিরিয়ে আনেন টি টোয়েন্টি ক্রিকেট ফর্ম্যাটের হাত ধরে।

এরপর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কানপুর টেস্টে কিংবদন্তী ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কারের হাত থেকে ক্যাপস নেওয়া টেস্ট ক্রিকেটের অভিষেক মুহুর্তে শ্রেয়স আইয়ারের। রুপকথা এখানেই শেষ নয়…আরও আছে!

প্রথম ফার্স্ট ক্লাস অর্ধশতক করেছিলেন কানপুরে। ২৫ নভেম্বর, আজ সেই একই মাঠে (কানপুরের গ্রীন পার্ক স্টেডিয়াম) করলেন নিজের প্রথম টেস্ট অর্ধশতরান। ‘ক্রিকইনফো’ দেখতে গিয়ে দেখা গিয়ে উঠে এলো চমকে দেওয়া এক তথ্য। বর্তমানে ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে ৫০ এর বেশি গড় এবং ৮০ স্ট্রাইক রেটে ৪০০০ রান করা একমাত্র ক্রিকেটার হলেন শ্রেয়স আইয়ার। নিউজিল্যান্ডের হয়ে কাইল জেমিসন ৩, টিম সাউদি ১ উইকেট নিয়েছে।

সচিনের অভিষেক টেস্ট ম্যাচ নিয়ে বিসিসিআই’র আবেগঘন টুইট পোস্ট

Sachin

Sports desk: ১৯৮৯ এর ১৫ নভেম্বর  আজকের দিনে ভারতের ব্যাটসম্যান সচিন তেন্ডুলকর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করেছিলেন। ১৯৮৯ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে টেস্ট ম্যাচে তেন্ডুলকরের অভিষেক হয়েছিল। একই ম্যাচে পাকিস্তানের পেসার ওয়াকার ইউনিসেরও অভিষেক হয়েছিল। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্র হয়েছিল। এই বিশেষ টেস্ট ম্যাচে, প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৫ রানে ওয়াকার ইউনিসের হাতে আউট হয়েছিলেন তেন্ডুলকর।

বছরের পর বছর ধরে, তেন্ডুলকর বাইশ গজে ঘাম ঝড়িয়েছেন। বিপক্ষ বোলারদের চোখে চোখ রেখে, তাদের ডেলিভারিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রতিটি ডেলিভারিকে ব্যাটের মাঝখান দিয়ে পিটিয়ে শাসন করে ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যান’ হিসাবে ইতিহাসের পাতায় নাম করেছেন এবং তিনি ‘মাস্টার ব্লাস্টার’ নামে ডাকনামও পেয়েছেন।

Sachin Tendulkar

তেন্ডুলকর, ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন এবং আজ পর্যন্ত, সচিন টেস্ট এবং ওডিআই উভয় ফর্ম্যাটে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি করার রেকর্ডও রয়েছে সচিন তেন্ডুলকরের ঝুলিতে।

তেন্ডুলকর ষষ্ঠ ভারতীয় হিসেবে আইসিসি হল অফ ফেমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। ৪৬ বছর বয়সী ১৬ বছর বয়সে ভারতের হয়ে অভিষেক হয়েছিল এবং দুরন্ত গতিতে দেশের প্রিয় ক্রিকেটার হয়ে ওঠেন।

এমন এক ঐতিহাসিক দিনকে স্মরণ করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) নিজেদের অফিসিয়াল টুইটে এক আবেগঘন মুহুর্ত পোস্ট করেছে। ‘ক্রিকেটের ঈশ্বর’ সচিন তেন্ডুলকরের বাইশ গজে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে করাচি টেস্টে অভিষেক মুহুর্ত এবং মুম্বইতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সচিনের আন্তজার্তিক ক্রিকেট কেরিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচের পর্দাপণের মুহুর্তকে কুর্নিশ জানাতে ভোলেনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিসিসিআই’র টুইট পোস্ট “এই দিনে
1989: @sachin_rt তার #TeamIndia আত্মপ্রকাশ করেছিল।
2013: কিংবদন্তি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শেষবারের মতো ব্যাট করতে বেরিয়েছিলেন।”

<

p style=”text-align: justify;”>ক্রিকেটের সমস্ত ফর্ম্যাট জুড়ে মোট ৩৪,৩৫৭ রান করেছেন, যা দ্বিতীয় স্থানে থাকা শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ক্রিকেটার কুমার সাঙ্গাকারার চেয়ে ৬.০০০ রানের বেশি। মাস্টার ব্লাস্টার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মেন্টর হিসেবেও কাজ করেছেন।