Indian Rail: ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতেই ফিরছে টিকিট বাতিলের পুরনো নিয়ম

Indian Rail

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: করোনাজনিত পরিস্থিতির জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল দূরপাল্লার ট্রেনের (Indian Rail) স্বাভাবিক চলাচল। এতদিন চলছিল কিছু স্পেশাল ট্রেন। সেই ট্রেনের টিকিটের ভাড়া থেকে টিকিট বাতিল, সব নিয়মই ছিল আলাদা। স্পেশাল ট্রেনগুলিতে সর্বোচ্চ ৭ দিন আগে টিকিট কাটা যেত। ট্রেন ছাড়ার কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা আগে টিকিট বাতিল করলে মিলত ভাড়ার ৫০ শতাংশ টাকা ফেরত।

কিন্তু করোনাজনিত পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার পর এখন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতেই রেল আবার ফিরে যাচ্ছে তাদের পুরোনো নিয়মে। অর্থাৎ করোনা পরিস্থিতির আগে যেসব নিয়ম চালু ছিল সেই সব নিয়মই আবারও চালু হচ্ছে। করোনা সংক্রমণের আগে ট্রেন ছাড়ার ৪ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত কনফার্ম টিকিট বাতিল করা যেত। আর কনফার্ম না হওয়ার টিকিট বাতিল করা যেত ট্রেন ছাড়ার ৩০ মিনিট আগে। একইসঙ্গে স্লিপার ক্লাসের টিকিট কনফার্ম না হলে বা আরএসি হয়ে থাকলে ট্রেন ছাড়ার ৩০ মিনিট আগেও তা বাতিল করা যেত। এক্ষেত্রে অবশ্য রেল যাত্রী পিছু ৬০ টাকা করে কেটে নিতে। করোনাজনিত পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার পর রেল চলাচল স্বাভাবিক হতেই ফের সে আগের নিয়ম চালু হচ্ছে।

আগে অসংরক্ষিত টিকিটের ক্ষেত্রে যাত্রীপিছু ৩০ টাকা কাটা হত। তবে সময় পার হয়ে গেলে আর কোন টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না। টিকিট বাতিল করে সবচেয়ে বেশি টাকা ফেরত পেতে হলে তা করতে হবে ট্রেন ছাড়ার নির্দিষ্ট সময়ের থেকে ৪৮ ঘণ্টা আগে। এক্ষেত্রে রেলের আগের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি শ্রেণি অনুযায়ী একটা টাকা কেটে রেখে বেশিরভাগ টাকাটাই যাত্রীদের ফেরত দিত।

সাধারণত বাতানুকূল প্রথম শ্রেণি এবং এক্সিকিউটিভ শ্রেণির ক্ষেত্রে টিকিট বাতিল করলে কেটে নেওয়া হয় ২৪০ টাকা। বাতানুকূল টু-টিয়ার, বাতানুকূল থ্রি-টিয়ার, বাতানুকূল চেয়ার কার এবং বাতানুকূল ইকোনমি শ্রেণির টিকিট কেটে নেওয়া হয় ২০০ টাকা। স্লিপার ক্লাসের ক্ষেত্রে টিকিট বাতিল করলে কেটে নেওয়া হয় ১২০ টাকা। দ্বিতীয় শ্রেণীর ক্ষেত্রে টিকিট বাতিল করলে ৬০ টাকা কেটে নেওয়া হয়ে থাকে। তবে ট্রেন ছাড়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে কনফার্ম টিকিট বাতিল করলে আরও কম টাকা ফেরত পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে সব শ্রেণিতেই রেল টিকিটের মূল্যের ২৫ শতাংশ কেটে নিয়ে থাকে। এর মধ্যে অবশ্য জিএসটি যুক্ত রয়েছে। এরপর রয়েছে ট্রেন ছাড়ার নির্দিষ্ট সময় থেকে ১২ ঘণ্টা আগে থেকে চার ঘণ্টা আগে পর্যন্ত। এক্ষেত্রে টিকিট বাতিল করলে যাত্রীরা ভাড়ার ৫০ শতাংশ ফেরত পান। এবার সেই পুরোনো নিয়মই আবার চালু করছে ভারতীয় রেল।

Buy 1 get 1 free: করোনা ভ্যাকসিনের দু‘টো ডোজেই মিলবে বিনামূল্যে বিমানযাত্রা

srilankan airlines

নিউজ ডেস্ক: করোনার কোপ থেকে মুক্তি পেতে ভারতে দ্রুতগতিতে টিকাদান অভিযান চালান হচ্ছে৷ সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ৬৪ কোটি ৪৮ লক্ষ ডোজ দেওয়া হয়েছে। ভারতে টিকা দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবেশি দেশ শ্রীলঙ্কা ভারতীয়দের জন্য প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে৷

তবে শুধুমাত্র যারা ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ পেয়েছেন৷ দেশের দরজা খুলে দেওয়ার পাশাপাশি শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্স (srilankan airlines) ভারতীয় যাত্রীদের জন্য একটি বিশেষ অফার নিয়ে এসেছে। শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্স ভারতীয় পর্যটকদের জন্য ‘Buy 1 get 1 free’ অফার নিয়ে এসেছে৷ যার ফলে কলম্বো থেকে ভারতে ফিরে আসার জন্য একটি টিকিটের সঙ্গে একটি টিকিট ফ্রি থাকবে। এই অফার সম্পর্কে জেনে নিন৷

যে সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের ভ্যাকসিনের দুই ডোজ নেওয়া হয়েছেষ তাদের আর শ্রীলঙ্কায় কোয়ারেন্টাইনে থাকার দরকার নেই। কিন্তু এর জন্য কিছু শর্তও রাখা হয়েছে। এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় যাওয়া পর্যটকদের অন্তত ১৪ দিন আগে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া বাধ্যতামূলক৷ এর পরে শ্রীলঙ্কা যাওয়ার সময় তাকে বাধ্যতামূলকভাবে আরটিপিসিআর পরীক্ষা করা হবে৷ নেগেটিভ রিপোর্ট পেলেই দেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে৷ যদি কোনও পর্যটকের পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তাহলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। এছাড়াও করোনা নেগেটিভ পর্যটককরা তার ইচ্ছানুযায়ী দেশের যেকোনও স্থানে ঘুরতে পারবে।

শ্রীলঙ্কায় যাওয়া ভারতীয় নাগরিকদের সেখানে সামাজিক দূরত্ব এবং স্যানিটাইজেশনের বিশেষ যত্ন নিতে হবে। শ্রীলঙ্কা এয়ারলাইন্সের ইন্টারন্যাশনাল সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশনের প্রধান দিমুথু তেনাকুন বলেছেন, কোভাসিনসহ ভারতে পরিচালিত সমস্ত ভ্যাকসিনকে শ্রীলঙ্কা স্বীকৃতি দিচ্ছে। তিনি বলেন, এখনও পর্যন্ত ভারতে ১২ কোটিরও বেশি মানুষ ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ নিয়েছে৷ এই পরিস্থিতিতে তারা ভ্রমণের পরিকল্পনা করছে। শ্রীলঙ্কা এয়ারলাইন্স ১ সেপ্টেম্বর থেকে ভারতের মধ্যে পরিষেবা পুনরায় শুরু করছে। কলম্বো থেকে মাদুরাই, তিরুচিরাপল্লি, ত্রিভেন্দ্রাম এবং কোচি থেকে সাপ্তাহিক ফ্লাইট চলবে। কলম্বো থেকে দিল্লি এবং হায়দ্রাবাদে সপ্তাহে দু’বার ফ্লাইট চলবে। চেন্নাই এবং মুম্বইয়ের মধ্যে পরিষেবাগুলি সপ্তাহে ৫ দিন বাড়ান হবে এবং বেঙ্গালুরুর মধ্যে পরিষেবাগুলি সপ্তাহে তিন দিন বাড়ান হবে।