🅱🅸🅶 🅽🅴🆆🆂: নিখিলের জীবনেও নতুন মানুষের আগমন: আপ্লুত নুসরত প্রাক্তন

Nikhil Jain

বায়োস্কোপ ডেস্ক: দীর্ঘ বেশ কয়েকটি মাস ধরে নুসরত এবং নিখিলের সম্পর্ক নিয়ে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া। নুসরতের কথায়, নিখিল কোনদিন তাঁর স্বামী ছিল না৷ ছিল লিভিং পার্টনার৷ কারণ কোনদিন তাদের রেজিস্ট্রি করে বিয়েই হয়নি। পাল্টা স্টেটমেন্ট জারি করেছিলেন নিখিল, নুসরতকে বারং বার বলা সত্ত্বেও তিনি নিজেই আইনি বিয়ে করতে চাননি।

সংবাদমাধ্যম থেকে সোশ্যাল মিডিয়া সেই সময়ে প্রত্যেকেই নিখিলকেই সমর্থন করেছিলেন। সময়ের স্রোতে ঠিকই হয়েছে সে সব কথা। নুসরতের জীবনে এসেছে ফুটফুটে ঈশান। ঈশানের পিতৃত্বের পরিচয় বরং এখন থাক। নুসরতের সন্তান নিয়ে নিখিলকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন মা ও সন্তান দুজনেই যেন ভালো থাকে৷ যেহেতু এখন আর তাদের মধ্যে কোন যোগাযোগ নেই, তাই এর থেকে বেশি তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।

Nikhil Jain

তবে এইবার নতুন এক যাত্রার পথে পাড়ি দিলেন নিখিল৷ ইতিমধ্যেই মুম্বইতে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। ব্যবসার কাজেই মুম্বইতে পৌঁছে যাওয়া। আর তারই মধ্যে নিখিলের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ফুটে উঠল অন্য আরেকজনের কথা। তিনি রেহেনুমা জাহান। রেহেনুমা ব্যবসায়ী নিখিল জৈন ট্যাগ করে এবং ছবি দিয়ে ওপরে লিখলেন, ‘তিনি অভিনেতা নন, তিনি ব্যবসায়ী৷ কিন্তু তিনি আমার হৃদয় হরণ করেছেন।’ রেহেনুমার স্ট্যাটাস নিজের স্টোরিতে তুলে ধরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন নিখিল। তবে কে এই মহিলা, তা এখনও অজ্ঞাত।

কী আবদার! অদৃতের পাশে তাঁর রিয়েল লাইফ প্রেমিকা কেন?

adrit roy

#Adrit Roy বায়োস্কোপ ডেস্ক: ঘটনায় কাউকে দায়ী করা মহা মহা ঝামেলার। বড়ই আবেগ তাড়িত সমস্যা এটা। আসলে পর্দার অভিনেতারা একটা সময় আমাদের জীবনের অঙ্গ হয়ে ওঠে। যে চরিত্রটা তারা পর্দায় বাজে সেটা কি আমরা ভালোবেসে ফেলি বা তার ওপর রাগ করি। তার ব্যক্তিগত জীবন টাকে আমরা জানতে চাই ঠিকই৷

কিন্তু নিত্যনৈমিত্তিক যে চরিত্রটির বা জুটির রসায়নের জন্য ড্রইং রুমের টিভির সামনে বসে থাকা তাকেই যেন সবসময় দেখতে চাই আমরা। এ রকমই এক সমস্যা দেখা দিয়েছে ‘উচ্ছে বাবু’র সোশ্যাল সাইটে। মিঠাই আর উচ্ছে বাবুর প্রেম এখন টিআরপির চূড়ায়। সপ্তাহের পর সপ্তাহ জুড়ে টিআরপি লিস্টে জয়ধ্বনি বাজিয়ে জয়ের পতাকা উড়িয়ে যাচ্ছেন মিঠাই আর সিদ্ধার্থ। খুনসুটিতে ভরা তাদের মান অভিমান থেকে কাছে আসা দূরে সরে যাওয়া তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে দর্শক।

adrit roy

তবে গোল বাঁধল পর্দার সিদ্ধার্থ মানে বাস্তবের অদৃতের পাশে তার বান্ধবীকে দেখে।অর্থাৎ তার দীর্ঘ বছরের প্রেম সুপ্রিয়াকে দেখে। সম্প্রতি অদৃতের ফ্যান পেজে একটি ছবি পোস্ট করা হয় যেখানে দেখা যাচ্ছে,অদৃতের মা বাবার সঙ্গে অদৃতের পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে সুপ্রিয়া। তা দেখেই বেজায় চটেছে সিদ্ধার্থ মিঠাই জুটির ভক্ত। তার মতে অদৃতের পাশে মিঠাই মানে সৌমিতৃষাই বেস্ট। এই মিছে অভিমানের মানে কোন মানে হয়না।তবে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সাফল্য হয়তো ঠিক এই জায়গাটায় যখন তারা তাদের অভিনীতো চরিত্রের সঙ্গে একাত্ম করে ফেলতে পারেন তাদের দর্শকদের।এখানেই হয়তো মিঠাই ধারাবাহিকের সাফল্য।

সিঙ্গল মাদার নুসরত প্রসঙ্গে মুখ খুললেন ঋতুপর্ণা, কী বললেন অভিনেত্রী

nusrat

গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার দুপুরে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন নুসরত জাহান। পুত্রের নাম রেখেছেন ঈশান। ইতিমধ্যেই নতুন মা নুসরতকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অনেকেই। টলিউডের তারকা অভিনেত্রী শ্রাবন্তী, মিমি, তনুশ্রী থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাদ যাননি কেউই। কেবল মাতৃ পরিচয়েই সন্তানকে পৃথিবীতে এনেছেন তারকা সাংসদ নুসরত। এই নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই।

নুসরতের সন্তানের বাবা কে? এই নিয়ে নেটিজেনদের কৌতূহলের শেষ নেই। অনেকেই এই নিয়ে নুসরতকে কটাক্ষ করতে পিছুপা হননি। তবে অনেকে আবার নুসরতের পাশেও দাঁড়িয়েছেন। অভিনেত্রীর কেবল মাতৃ পরিচয়ে সন্তানকে জন্ম দেওয়ার প্রসঙ্গে বক্তব্য রেখেছেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন থেকে শুরু করে পরিচালক অনিন্দিতা সর্বাধিকারী। এবারে নুসরতের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেলো অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে।

সম্প্রতি ঋতুপর্ণা তাঁর পরবর্তী ছবির শুটিং-এর জন্য হিমাচল প্রদেশে আছেন। সেখান থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নাচের ভিডিও পোস্ট করতে দেখা গেছে অভিনেত্রীকে। এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নুসরত সম্পর্কে ঋতুপর্ণা জানান, নুসরত এবং তাঁর সন্তানের প্রতি আমার শুভেচ্ছা রইল। দুজনেই যাতে সুস্থ এবং ভাল থাকে সেই কামনাই করছেন অভিনেত্রী। এর পাশাপাশি তারকা সাংসদের কেবল মাতৃ পরিচয়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার বিষয়ে ঋতুপর্ণাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, মায়ের পরিচয়ই সন্তানের কাছে সবথেকে বড় পরিচয়। মা এবং সন্তানের বাঁধন জন্ম-জন্মান্তরের। মায়ের নাড়ির টান সন্তানের কাছে বড় সম্পদ। স্বভাবতই ঋতুপর্ণায় কথায় স্পষ্ট হয়ে গেল নুসরতের পাশেই আছেন অভিনেত্রী।

ফুচকা লাভার! একসঙ্গে কটা খেতে পারেন, কোয়েলের থেকেও বেশি কি?

বিনোদন ডেস্ক: কোয়েল মল্লিক, এক কথায় বলতে গেলে টলিউডের এই হট ডিভা এখন মোস্ট সার্চ লিস্টে হিট। কারণ একটাই, যেভাবে কোয়েল প্রতিটা ধাপে নিজেকে আরও সুন্দর করে তুলছেন, আরও আকর্ষণীয় করে তুলছেন, তা থেকে বোঝাই যায় তাঁর লাইফস্টাইলে রয়েছে একাধিক গোপন রহস্য।

যদিও বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় বড্ড বেশি সক্রিয় কোয়েল। লকডাউনে ভক্তদের সঙ্গে কথা বলতে হাজির তিনি নিজের সোশ্যল পেজে। কখনও সেখানে উঠে আসছে ছোট্ট বেলার খুঁনসুটির মুহূর্ত, কখনও আবার ধরা দেয় কোয়েল সম্পর্কে একাধিক না জানা কথা।

koel mallickতবে এবার বেশ মজার এক গল্প নিয়ে হাজির হলেন কোয়েল মল্লিক। ফুচকা খেতে কে না ভালোবাসে! সুযোগ পেলে মনে হয় গোটা দোকানটাই যদি নিয়ে নেওয়া যেত, আর এই সুযোগ পেয়ে কোয়েল কী কাণ্ড ঘটিয়েছিল জেনে অবার ভক্তমহল। মল্লিক বাড়ির দুর্গাপুজো মানেই রমরমা ব্যাপার। দাদা-দিদিদের মাঝে ছোট্ট কোয়েলের দিন কাটত নানান ব্যস্ততায় আর হুল্লোরে। তবে অনেকেই কোয়েল ব্যাস্ত ভেবে তাঁকে ফেলেই ঘুরতে চলে যেত।

এতেই একবার বেজায় চটে যায় কোয়েল মল্লিক। জুরে দেন কান্নাকাটি, অগত্য বাড়ির গুরুজনদের নজরে পড়ে বিষয়টা, এরপর কোয়েসলের জ্যাঠা তাঁকে বলেন ঘুরতে যাওয়ার কথা, কিন্তু খুব একটা ইচ্ছে ছিল না তাঁর। তবুও মিস না করে বেরিয়ে পড়ে, আর সেখানেই ঘটে অবাক কাণ্ড, এক ধাক্কায় ৫০ টা ফুচকা কাঁদতে কাঁদতে খেয়ে ফেলন কোয়েল! এমন সুযোগ পেলে আপনার সংখ্যাটা ঠিক এর কাছাকাছিই হত, তাই নয় কি!