Travel: সুন্দরগ্রামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হবেন আপনিও

গ্রামটির নাম সুন্দরগ্রাম। আর এই সুন্দরগ্রাম যে আক্ষরিক অর্থেই ভীষণ সুন্দর তা আপনি এই গ্রামে পা রাখলেই (Travel) টের পাবেন। কলকাতা থেকে সামান্য একটু দূরে গেলেই এই গ্রামের অবস্থান। কলকাতা থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রাজেন্দ্রপুর ইকো ভিলেজ। সেখানেই আপাতত তৈরী হয়েছে পাঁচটি মাটির বাড়ি। সেই মাটির ঘরেই চমৎকার ব্যবস্থা করা হয়েছে অতিথি সেবার ।

রয়েছে একটি অসাধারণ কৃত্রিম পুকুর, যেখানে নানান ধরনের মাছ পাওয়া যায়। এছাড়া একেবারে অসাধারণ রাঁধুনিদের দ্বারা রান্না করা অসাধারণ সব বাঙালি রান্না রয়েছে। কংক্রিটের জঙ্গলে থাকতে থাকতে যদি একেবারে একঘেয়ে হয়ে যান, তাহলে অবশ্যই কয়েক দিনের জন্য বা একদিনের জন্য হলেও এখানে ঘুরে আসতে পারেন। যতই মাটির ঘর হোক না কেন, ভেতরে সমস্ত রকম আধুনিক ব্যবস্থা রয়েছে। এয়ার কন্ডিশন মেশিন থেকে শুরু করে ছোট ফ্রিজ এবং ওয়াশিং মেশিন সবই এই মাটির ঘরে পাবেন।

সায়েন্সসিটি থেকে বাস বা যে কোনো যানবাহনে আপনাকে পৌঁছাতে হবে ঘটকপুর। সেখানে রয়েছে এই সুন্দর ইকো ভিলেজ সুন্দর গ্রাম। এক টুকরো গ্রামের পরিবেশ কলকাতার কাছাকাছি এলাকায় । সবচেয়ে ভালো হয় আগে থেকে বুকিং করে যেতে পারলে। আপনারা ইন্টারনেটে সার্চ করলে সহজেই পেয়ে যাবেন এর ফোন নম্বর। গ্রামে বেড়াতে যেতে অনেকেরই অসুবিধা হয়, কিন্তু কলকাতা শহরের বুকে সমস্ত শহুরে ফেসিলিটি সমেত যদি গ্রামের কুড়ে ঘরে থাকতে চান, তাহলে এই জায়গাটি আপনার জন্য একেবারে অসাধারণ ডেস্টিনেশন।

চারদিনের ছুটিতে কোচ রাজার দেশে

On a four-day vacation to Koch Raja's country

News Desk: শীতের এক লম্বা ছুটি পেলে অনেকেই চলে যান দার্জিলিং কিংবা গ্যাংটক। কিন্তু এমন অনেকেই আছে যারা বেশিদিনের ছুটি পায়না। তাঁরা হয়তো ভাবেন উত্তরবঙ্গ ঘোরা হলোনা। কিন্তু ব্যাপারটা এমন নয়। খুব বেশিদিনের না হলেও হাতে তিনচার দিনের ছুটি থাকলেই ঘুরে আসা যাবে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার।

কোচবিহারের মূল আকর্ষণ রাজবাড়ি। এখন কোনো রাজা নেই তবে নিজের গরিমা বজায় রেখেছে ১৮৮৭ সালে নির্মিত এই প্রাসাদ। মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের আমলে‌ এই রাজবাড়ি তৈরি হয়েছিল।‌

এখানে রয়েছে রাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের আমলেই তৈরি মদনমোহন মন্দির। এই মন্দিরের থেকেও পুরনো এক মন্দির রয়েছে বানেশ্বর মন্দির। রসিকবল নামের ছোটো চিড়িয়াখানা যা শীত আসলে পরিযায়ী পাখিদের ঠিকানা হয়ে ওঠে। এককথায়, অল্প কয়েকদিনের ছুটি পেলেই আপনার শীত জমজমাট।

Corona Effect: ব্যাপক মার খেয়েছে দেশের পর্যটন শিল্প, জানাল কেন্দ্র

Tourism

News Desk, New Delhi:করোনা মহামারী পর্যটনের (Tourism) ওপর কতটা প্রভাব ফেলেছে সে বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে জানতে চাইলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায় (Sougata Roy)।

সোমবার কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রীর কাছে সৌগত রায় জানতে চান করোনাজনিত (corona pandemic ) কারণে পর্যটকের সংখ্যা কি কমেছে? বিশেষত বিদেশি পর্যযটক? যদি কমে থাকে তবে বিগত বছরগুলির তুলনায় কতটা কমেছে? দেশের পর্যটন ব্যবস্থাকে চাঙ্গা করতে সরকার কি কোন বিশেষ প্যাকেজ (Stumulating Package) দেওয়ার কথা ভাবছে? দেশে পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য কেন্দ্র কি কোন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে?

সৌগত রায়ের এই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতে এক কোটি ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩৫৫ জন পর্যটক এসেছিলেন। কিন্তু করোনাজনিত কারণে ২০২০ সালে সেই সংখ্যাটি কমে হয় ২৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭৬৬ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ৬ লক্ষ ৭৫ হাজার ১২ জন বিদেশি পর্যটক এসেছেন। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল প্রায় ২৫ লক্ষ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই জবাব থেকে এটাই স্পষ্ট হয়েছে যে, করোনাজনিত পরিস্থিতি দেশের পর্যটন ব্যবস্থায় বড় মাপের নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখজনকভাবে কমায় কমেছে সরকারের আয়।

পর্যটন মন্ত্রী আরও জানান, পর্যটন ব্যবস্থাকে চাঙ্গা করতে সরকার একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে। যার মধ্যে কিছু আর্থিক ব্যবস্থা রয়েছে, পাশাপাশি রয়েছে অন্যান্য ব্যবস্থাও। যে সমস্ত ব্যক্তি বা ব্যবসায়ী পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তাঁদের সুবিধার জন্য বেশ কিছু ক্ষেত্রে কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। করোনাজনিত কারণে যে সমস্ত ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেই সমস্ত ক্ষেত্রগুলিকে সাহায্য করতে ২০২১-এর ২৮ জুন কেন্দ্র বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করে। এই এই প্যাকেজের মধ্যে পর্যটন ব্যবস্থার জন্যও বিশেষ অর্থ সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। পর্যটন ব্যবস্থাকে সহজ ও স্বাভাবিক করতে হোটেল ও রেস্তোরাঁ গুলির জন্য করোনাজনিত বিধি নিষেধেও কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে।

বিদেশি পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গেই ভারতে আসতে পারেন তার জন্য স্বরাষ্ট্র ও বিদেশমন্ত্রকও বিধি নিষেধের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শিথিলতা দিয়েছে। বিদেশি পর্যটকরা যাতে ভারতে আসতে পারেন তার জন্য যে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা ছিল তাও ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হয়েছে। পর্যটকরা যাতে মনে করলে এদেশে আসতে পারেন তার জন্য ই-ভিসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই ই-ভিসার মেয়াদ ছিল এক মাস।

পাশাপাশি দেশের যে সমস্ত মানুষ নিয়মিত এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ঘুরতে গিয়ে থাকেন তাদের জন্যও বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। পর্যটনে উৎসাহ দিতে সরকার চালু করেছে ‘দেখো আপনা দেশ’ নামে একটি প্রকল্প। পর্যটনের জন্য মানুষকে আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও প্রচার চালানোর ব্যবস্থা করেছে সরকার।

ধসে আটকে সিকিম-দার্জিলিং-কালিম্পংয়ের পর্যটকরা, শিলিগুড়ি আসতেই গলদঘর্ম

Landslide hits many parts in hill area of bengal and sikkim

নিউজ ডেস্ক: আকাশে মেঘের ভয়াল চেহারা কম। তবে দুর্যোগের কারণে ধস নেমে যাওয়ায় প্রতিবেশি রাজ্য সিকিম ( Sikkim), দুই পাহাড়ি জেলা দার্জিলিং (Darjeeling),কালিম্পংয়ের বিভিন্ন রাস্তা ধসের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ। তবে ধস সরানোর কাজ চলছে। যারা ঘুরতে গিয়েছিলেন তাদের লক্ষ্য যে করেই হোক শিলিগুড়ি নেমে আসা।

সবথেকে বাজে পরিস্থিতিতে সিকিমে যাওয়া পর্যটকরা। কারন, পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের মাঝে রাংপো সেতুর পিলার জলের তোড়ে ভেসে গেছে। সেতুটি পুনরায় চালু করতে সময় লাগবে। অনেকেই রাংপো পৌঁছে সেতুর অংশ হেঁটে পার হতে চাইছেন। আর দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার বিভিন্ন অংশে ধস নামার ফলে আটকে বহু পর্যটক। কালিম্পংয়ের লাভা, লোলেগাঁওতে সহ আছেন তারা।

‌প্রবল বৃষ্টিতে ডুয়ার্স ও সমতলের বহু এলাকা প্লাবিত। ডুয়ার্সের জলদাপাড়া, গোরুমারা, জয়ন্তীতে বন্যা। পর্যটকরা বিভিন্ন বনবাংলোতে আটকে পড়েছেন। আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, নিউ জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি স্টেশনে ফেরার জন্য মরিয়া তাঁরা।

তবে আকাশ পরিষ্কার হওয়ায় দুর্যোগ কাটছে। কিন্তু সড়ক পরিবহণ স্তব্ধ। পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম সরকার দ্রুত জাতীয় সড়ক চালু করতে উদ্যোগী। হিমালয়ের এই অকাল বর্ষণের ফলে দুই রাজ্যের পুরো পার্বত্য এলাকার জনজীবন বিপর্যস্ত। বিভিম্ন এলাকা থেকে আসছে দুর্যোগে দুর্ঘটনার কারণে মৃত্যুর সংবাদ।