Tripura: বিপুল জয় বিজেপির, ভোট সংখ্যা দ্বিতীয় স্থান দখলে বামকে ধাক্কা মমতার

Bjp masive win in tripura municipal election

News Desk: আগরতলা পুরনিগম সহ ত্রিপুরার (Tripura) সবকটি পুর ও নগরপঞ্চায়েত ভোটে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট প্রাপ্তিতে চমক। পুরনিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের থেকে বেশি ভোট পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আবার কোথাও বামেদের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলেছে তারা। গণনার ফলে নিশ্চিত শাসক বিজেপির দখলে আগরতলা পুরনগিম।

বিরোধী শূন্য পুরনিগম। তেমনই রাজ্যের অন্যান্য পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটেও বিজেপির রমরমা। সর্বত্র শাসক দলের জয় অব্যাহত। বিরোধী দল সিপিআইএমের পরাজয় চলছেই। তাৎপর্যপূর্ণ, বিভিন্ন নগর পঞ্চায়েত ও পুরসভাতেও সিপিআইএমের ঘাড়ে হামলে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

যদিও ত্রিপুরার পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাস ও রিগিং অভিযোগে বিদ্ধ শাসক বিজেপি। ভোটে সংঘর্ষ হামলার জেরে সুপ্রিম কোর্ট বারবার রাজ্য সরকারকে নিরাপত্তার নির্দেশ দিতে বলেছিল। ভোট পরবর্তী হামলাতেও সন্ত্রস্ত রাজ্য। অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে যেমন পঞ্চায়েত ভোটে টিএমসি ভোট সন্ত্রাস করেছিল সেই একই পথ নিয়েছে ত্রিপুরায় বিজেপি। বাংলাভাষী প্রধান দুই রাজ্যে দুই দল ক্ষমতায়।

আগরতলায় তৃ়ণমূলের ভোট যুদ্ধে চমক পশ্চিমবঙ্গেও। দলনেত্রীর হাসি চওড়া। তেমনই বুক শুকিয়েছে বামেদের। কারণ, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভান শূন্য হলেও ত্রিপুরায় তারা বিরোধী দল।

Tripura: ‘মহিলারা এসে সোনার হার ছিনতাই করল বুথের সামনে’

Tripura election

News Desk, Agartala: পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই ত্রিপুরায় (Tripura) শাসক দল বিজেপি দাবি করে, গণতন্ত্রের উৎসব হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব ঘটা করে জন্মদিন পালন করেন।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি মানিক সাহা জানান, মানুষ নিজে তাঁদের অধিকার প্রয়োগ করেছেন। একধাপ এগিয়ে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর দাবি, একটাও মৃত্যু হয়নি। ঐতিহাসিক ভোট।

ভোট পরবর্তী সকালে ভয়াবহ ছবি ও জনগণের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে আগরতলার সংবাদ মাধ্যমে। তেমনই এক যুবতী ভোটার দাবি করেন, বৃহস্পতিবারের ভোট সন্ত্রাস অভিজ্ঞতা। তিনি সংবাদ মাধ্যমের সামনে স্পষ্ট জানান, কীভাবে বুথের সামনে মহিলারা ঘিরে ধরে তাঁকে মারধর করে সোনার হার ছিনতাই করেছে। পুরোটাই পুলিশের সামনে হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

Tripura Senior Citizen voter

ওই যুবতীর আরও অভিযোগ, বুথ দখল করা হয়েছিল। হামলাকারীরা সরকারপক্ষের বলেই সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে। সূত্র ভিত্তিক জানা গিয়েছে, হামলাকারীরা বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্য। তারা বুথ দখলে এসেছিলেন বলে অভিযোগ।

আক্রান্ত যুবতীর দাবি, রাজ্যে গণতন্ত্র নেই। তিনি ছিনতাই হওয়া সোনার চেন ফেরত পেতে পুলিশে অভিযোগ করেছেন। তবে তিনি রাজ্য প্রশাসন নিয়ে প্রবল ক্ষোভ উগরে দেন। অভিযোগ করেন, মহিলারা ঘিরে তাঁর ভাইকেও মারধর করেছে।

এদিকে ভোট মিটতেই ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা পুর নিগম সহ অন্যান্য নগর পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় ঘরে ঘরে চলছে ক্ষোভ। সরকারের ভূমিকায় জনগণ ক্ষুব্ধ।

Tripura: ‘স্বামীর গলা ধরে রাস্তায় ফেলে দিল, বলল মাসিমা ভোট দেবেন না’

Tripura Senior Citizen voter

Tripura poll violence
News Desk: পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধী দলের ভুরি ভুরি অভিযোগ নিয়ে সরগরম পরিস্থিতি। সুপ্রিম কোর্টের তরফে ভোটারদের নিরাপত্তার ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বেলা শেষে ত্রিপুরায় ভোট সন্ত্রাসের ছবি আরও স্পষ্ট হতে শুরু করেছে বলেই জানাচ্ছেন ভোটাররা।

আগরতলা পুর নিগম ভোটের সন্ত্রাসের ঘটনা বলতে গিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কেঁদে ফেললেন এক প্রৌঢ়া ভোটার। তিনি বর্ণনা দিয়েছেন, কেমন করে রিগিং হয়েছে।

ওই প্রৌঢ়া জানান, সকালে ভোট দিতে আসছি। এমন সময় কয়েকজন যুবক ঘিরে নিয়ে বলল, আপনার ভোট দিতে যাবেন না। ওদের কথা না শুনে বললাম কেন ভোট দেব না। ওদের পেরিয়ে যেই

আরেকটু এগিয়ে এসেছি এমন সময় দু’জন যুবক এসে আমার স্বামীর গলা টিপে ধরে রাস্তায় ফেলে দিল। আমাকে আটকে রাখল। বলল ভোট দিতে যাবেন না। এর পরেই প্রৌঢ়া কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি পরে জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতি আগের সরকারের আমলে ছিল না।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের স্ত্রী নীতি দেব সাংবাদিকদের জানান, রাজ্যবাসী সুষ্ঠু উন্নয়নের জন্য ভোট দিয়েছেন। সরকার জনগণের উন্নয়নকেই প্রাধান্য দেয়।

ত্রিপুরায় গত বিধানসভা নির্বাচনের পর এই রাজ্যে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। সরকার গড়ে বিজেপি আইপিএফটি জোট। বিধানসভা ভোট সুষ্ঠুভাবেই হয়েছিল সেকথা সব রাজনৈতিক মহল স্বীকার করেছে। ভোটের ফল ঘোষণার দিন থেকে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক হামলা শুরু হয়।

বিধানসভায় ভোটের পর থেকে রাজ্যে যতগুলি ভোট হয়েছে তাতে রিগিং পুরোমাত্রায় বলে অভিযোগ বিরোধী দল সিপিআইএমের। পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাস নিয়ে সরব বিরোধী বামেরা। যদিও শাসক বিজেপির দাবি ভোটে কোনও রিগিং হয়নি।

Tripura: বুথে ‘মার খেয়ে’ বিরোধী CPIM এর বিশাল মিছিল! সমর্থকরা দুষছেন নেতাদের

Tripura poll violence

Tripura poll violence
News Desk: নেতারা রাস্তায়। বিরাট মিছিল নিয়ে থানা ঘেরাও করে রেখেছেন বাম সমর্থকরা। আগরতলায় পুর ভোটে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। বিরোধী দল সিপিআইএমের মিছিল দেখে কে বলবে বুথে বুথে হাল ছেড়ে দিয়েছেন কর্মীরা ! রাজপথ কাঁপিয়ে সিপিআইএমের মিছিল দেখে শাসক বিজেপির কটাক্ষ, এত লোক ওদের মিছিলে! কটা ভোট পাবে!

আর বাম সমর্থকদের প্রশ্ন দলেরই কাছে। তারা বলছেন, এত মিছিলেন শক্তি নিয়ে আন্দোলনের ছিঁটেফোঁটাও যদি বুথে দেখাতে পারত দল তাহলেই ছবিটা পাল্টে যেত। ভোট সন্ত্রাস রুখে দিতে পারতাম। নেতারা মিছিল করতে যত পটু ততটা বুথে নন।

Tripura poll violence

ত্রিপুরা পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাসে অভিযুক্ত শাসক বিজেপি। পরিস্থিতি এমন যে সুপ্রিম কোর্ট ফের বুথে বুথে নিরাপত্তার নির্দেশ দিয়েছে। সকাল থেকে একের পর এক ছবিতে স্পষ্ট পুর ভোট লুঠ হয়েছে। বিরোধী দল সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী যে সন্ত্রাসের ভিডিও দেখিয়ে আশঙ্কা করেছিলেন, ভোটারদের বুথ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া সেটাই প্রমাণ করেছে।

বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেসের তরফেও ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগ এনে থানা ঘেরাও ও ধর্না কর্মসূচি চলে।
এদিকে শাসক দল বিজেপির রাজ্য সভাপতি মানিক সাহা জানান, রাজ্যবাসী ভোট উৎসকে অংশ নিয়েছেন। কোথাও রিগিং হয়নি। আরও একধাপ এগিয়ে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী দাবি করেছেন, ঐতিহাসিক ভোট হয়েছে রাজ্যে। একটিও খুনের খবর আসেনি। অথচ আগে সব ভোটে এমন ঘটনা ঘটত।

Tripura: বিরোধী বামেদের থানা ঘেরাও, তৃণমূলের আর্তনাদ, শাসক বিজেপি বলছে ‘নো রিগিং’

Tripura poll violence

Tripura Municipal Election
News Desk: সুপ্রিম কোর্ট স্তম্ভিত। সব সংবাদ মাধ্যমকে বুথে বুথে প্রবেশের নির্দেশ। ত্রিপুরায় পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ নিয়ে জাতীয় রাজনৈতিক মহলে প্রবল শোরগোল। সকাল থেকেই নির্বাচনে সন্ত্রাস মাত্রাছাড়া বলে অভিযোগ।

শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে লাগাতার সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ ঘিরে সরগরম পরিস্থিতি। সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চলছেই।

আগরতলা পুর নিগম সহ সবকটি নগর পঞ্চায়েতের ভোটে সন্ত্রাসের যে ছবি আসছে তা প্রত্যাশিত ছিল বলেই জানাচ্ছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম।

ব্যাপক রিগিং ঘিরে উত্তপ্ত আগরতলা। ভোট রিগিংয়ের অভিযোগে বিরোধী দল সিপিআইএমের বিশাল মিছিল হয়। ঘেরাও করা হয় পশ্চিম আগরতলা থানা। পুলিশ অসহায় বলে জানিয়েছে পুলিশ মহলের একাংশ। সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী ভোট সন্ত্রাসের ভয়াবহ ভিডিও সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, সরকার জনসমর্থন হারিয়ে সন্ত্রাস করে জিততে মরিয়া।

অন্যদিকে হামলার মুখে তৃণমূল কংগ্রেস কার্যত আর্তনাদ শুরু করেছে। একাধিক প্রার্থী আক্রান্ত। দলের নেতা সুবল ভৌমিক আক্রান্ত প্রার্থীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন। অপর বিরোধী দল কংগ্রেস কার্যত হাল ছেড়ে দিয়েছে।

যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাসক দল বিজেপির রাজ্য সভাপতি মানিক সাহা। তিনি বলেছেন, মানুষ শান্তিতে গণতান্ত্রিক রায় দিচ্ছেন। ভোট রিগিং নেই ভোট উৎসব চলছে। তাঁর মন্তব্য নিয়েই ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহল সরগরম।

আক্রান্ত ভোচদাতাদের দাবি, বিজেপি সমর্থকদেরও ছাড় দিচ্ছেনা বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। তাঁদের অভিযোগ, এ যেন পশ্চিমবঙ্গের বিগত পঞ্চায়েত ভোটের হুবহু ছবি ত্রিপুরা পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে। নির্বাচনের আগে থেকে যে ভোট সন্ত্রাস চলছিল তার পরিপূর্ণ রূপ দেখাল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা।

Tripura: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর আশ্বাস ‘সোনার পাথরবাটি’, ভোট প্রায় ‘লুঠ’

Masive poll rigging in tripura

News Desk: এ যেন পশ্চিমবঙ্গের বিগত পঞ্চায়েত ভোটের হুবহু ছবি ত্রিপুরা (Tripura) পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে। নির্বাচনের আগে থেকে যে ভোট সন্ত্রাস চলছিল তার পরিপূর্ণ রূপ দেখাল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা, এমনই অভিযোগ। মূল বিরোধী সিপিআইএমের দাবি, ভোট হচ্ছেই না। ভোট হলেই পরাজয় বুঝে গণতান্ত্রিক রায় লুঠ করেছে শাসক বিজেপি।

নির্বাচনে ভয়াবহ সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে তদ্বির করেছিল রাজ্যে নতুন করে রাজনীতি শুরু করা তৃণমূল কংগ্রেস। টিএমসি সাংসদ সুস্মিতা দেবের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট ত্রিপুরা রাজ্য সরকারকে নির্বিঘ্নে ভোটের নির্দেশ দেয়। লাগাতার সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে টিএমসি সাংসদরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন। বৈঠকে শাহ আশ্বাস দেন ত্রিপুরা সরকারের সঙ্গে কথা বলে ভোট সন্ত্রাস বন্ধ করা হবে।

tripura-election

বিরোধী সিপিআইএমের অভিযোগ, অমিত শাহর আশ্বাস ‘সোনার পাথরবাটি’ সেটা ভোট শুরু হতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। আগরতলা পুর নিগমের কোনও ওয়ার্ড বাকি নেই যেখানে বিজেপি রিগিং করতে বাকি রেখেছে। নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বুধবার রাতে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন বলে জানান। তিনি ভোট সন্ত্রাসের ভয়াবহ ছবি দেখান সাংবাদিকদের।

অভিযোগ, মু়খ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের নির্দেশে এমন করছে রাজ্য বিজেপি। বিরোধী নেতা মানিক সরকার জানিয়েছেন, সন্ত্রাস থেকেই স্পষ্ট সরকার জনসমর্থন হারিয়েছে। বিজেপির হেভিওয়েট নেতা ও প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায়বর্মণের দাবি, যেভাবে সন্ত্রাস চলছে তাতে দলের ভাবমূর্তি প্রবল কালিমালিপ্ত। ভবিষ্যতের দিন ভয়াবহ। রাজ্যে বিজেপি চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়তে চলেছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেবের অভিযোগ, ভয়াবহ ভোট সন্ত্রাসের আশঙ্কা ছিলই। তাই হয়েছে।

অভিযোগের জবাবে বিজেপি জোট সরকার নীরব। আরও অভিযোগ, রাজ্য নির্বাচন কমিশন রিগিং চালাতে দিচ্ছে নির্বিঘ্নে। নিরাপত্তা শিকেয় উঠেছে।