Boxing Day Test: ম্যাচ জয়ের আনন্দে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের টুইট ভাইরাল

Boxing Day Test

Sports Desk: বৃ্হস্পতিবার সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে ভারত ঐতিহাসিক ‘বক্সি ডে’ টেস্টে (Boxing Day Test) (২৬-৩০ ডিসেম্বর) দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ১১৩ রানে জয়লাভ করেছে। তিন টেস্ট ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট জিতলেও অভেদ্য প্রোটিয়া দুর্গ এখনও ভাঙতে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকা এখনও ভারতের কাছে অপরাজেয় এলাকা, কিন্তু এই জয় মেন ইন ব্লু’দের তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে দিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের অনন্য নজির রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট টিমের নামের সঙ্গে।

এমন এক ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের মুহুর্তে দাঁড়িয়ে ক্রিকেটের ভগবান সচিন তেন্ডুলকরের টুইট পোস্ট, “এমন আক্রমণে দুর্দান্ত বোলিং যা বিশ্বের যে কোনও জায়গায় টেস্ট ম্যাচে ২০ উইকেট নিতে পারে।
একটি নিশ্চিত জয়ের জন্য #TeamIndia কে অভিনন্দন!
#SAvIND”।
ভারতের প্রাক্তন হেডকোচ রবি শাস্ত্রী প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচ জয়ের আনন্দে টুইট পোস্ট, “উহু ব্রিসবেন, ওভাল, লর্ডস এবং এখন সেঞ্চুরিয়ন… অভিনন্দন @imVkohli, রাহুল দ্রাবিড় এবং সমগ্র দলকে সেঞ্চুরিয়নে জয়ী প্রথম এশিয়ান দেশ হওয়ার জন্য #BoxingDayTest #TeamIndia “।

ঐতিহাসিক ‘বক্সিং ডে’ টেস্ট জয়ের মুহুর্তে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ভারতের আর এক কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান ভিভিএস লক্ষণ। এই জয় নিয়ে লক্ষণের টুইট পোস্ট, “সিডনিতে দুর্দান্ত স্থিতিস্থাপকতার সাথে বছরটি শুরু হয়েছিল, তারপরে গাব্বাতে একটি অবিশ্বাস্য জয় ছিল, লর্ডসের জয়টি বিশেষ ছিল এবং সেঞ্চুরিয়নে একটি দুর্দান্ত জয় দিয়ে বছরের শেষ হয়েছে। টিম ইন্ডিয়ার জন্য একটি দুর্দান্ত টেস্ট ম্যাচের বছর। একটি দুর্দান্ত জয়ের জন্য অভিনন্দন #INDvsSA “।

বস্তুত, পঞ্চম দিনে খেলার শেষ মুহুর্তে ৬৬.৫ ওভারে সামির বলে মার্কো জ্যানসনের ক্যাচ পহ্নের গ্লাভসে ধরা পড়ে, পরের ওভারে পঞ্চম ডেলিভারিতে রাবাদা অশ্বিনের বলে ক্যাচ তুলে সামির হাতে বন্দি আর ৬৭.৬ ওভারে অর্থাৎ পরের বলেই এনগিদি অশ্বিনের বলে পূজারার হাতে ক্যাচ দিতেই, সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট ভারত পকেটে পুড়ে ফেলে।

DGCA টুইট ঘিরে টিম ইন্ডিয়ার দক্ষিণ আফ্রিকা সফর ঘিরে অনিশ্চয়তা তুঙ্গে

Team India's tour of South Africa

Sports desk: কোভিড-১৯’র নতুন প্রজাতির সন্ধান মেলায় দুনিয়া জুড়ে আতঙ্ক। ভারতের ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (DGCA) ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমস্ত আন্তজার্তিক উড়ানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

এর জেরে টিম ইন্ডিয়ার দক্ষিণ আফ্রিকা সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। কেননা ভারতীয় ক্রিকেট দল মুম্বইতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট ম্যাচ খেলে, সেখান থেকেই ৮ বা ৯ ডিসেম্বর বিমানে জোহানেসবার্গের উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে চার টেস্ট,দুটি ওডিআই এবং চারটি টি টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচ রয়েছে। টিম ইন্ডিয়া সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলবে ১৭ ডিসেম্বর, জোহানসবার্গে।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে যেসব বিমান যাত্রীরা ভারতে এসেছেন,তাদের হোম আইসোলেসনে থাকার পরামর্শ দিয়েছে ভারত সরকার।ডিরেক্টর জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন(DGCA) ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমস্ত আন্তজার্তিক উড়ানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

এই নিয়ে DGCA বুধবার নিজেদের অফিসিয়াল টুইটার হ্যাণ্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছে,”উদ্বেগের নতুন রূপের উত্থানের সাথে ক্রমবর্ধমান বিশ্বের পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে, সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের সাথে পরামর্শ করে পরিস্থিতিটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং একটি উপযুক্ত সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দেওয়া হবে। নির্ধারিত বাণিজ্যিক আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিষেবা পুনরায় চালু করার কার্যকর তারিখ যথাসময়ে অবহিত করা হবে”।

বাণিজ্যিক বিমান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও পরিবর্তিত করোনা পরিস্থিতির জেরে আন্তজার্তিক উড়ান চলাচল স্থগিত করা হয়েছে।ম মুম্বইতে ডিসেম্বরের ৩ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে। ভারত কানপুরে প্রথম টেস্ট ড্র করেছে কিউইদের বিরুদ্ধে।

গোটা ঘটনার প্রেক্ষিতে টিম ইন্ডিয়ার দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে মঙ্গলবার বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বয়ান সামনে এসেছিল।

বোর্ড প্রেসিডেন্টের বয়ান,”এখন পর্যন্ত সফর নির্দিষ্ট সময় হিসাবে চলছে। আমাদের এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আছে। প্রথম টেস্ট ১৭ ডিসেম্বর থেকে নির্ধারিত রয়েছে। আমরা এটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করব।”

বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন,”খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য সবসময়ই বিসিসিআইয়ের প্রথম অগ্রাধিকার, আমরা এর জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করব। আমরা দেখব সামনের দিনগুলিতে কী হয়।”

ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হলেও ভারত রাষ্ট্র ব্যবস্থার উর্দ্ধে নয়। DGCA ইতিমধ্যেই আন্তজার্তিক উড়ান চলাচল নিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছে। তাই টিম ইন্ডিয়ারর সিনিয়র দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর ঘিরে ঘোর অনিশ্চয়তার কালো মেঘ ক্রমেই গাঢ় হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই ভারতীয় ‘এ’ দল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে খেলছে। কোভিডের নতুন প্রজাতির সন্ধান মেলায় ভারতীয় ‘এ’ টিমকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও ইতিমধ্যেই উঠেছে ভারতের ক্রিকেট মহলে। চলতি বছরের ২৩ নভেম্বর থেকে ভারতীয় ‘এ’ দল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে রয়েছে। ৬ ডিসেম্বর ভারতীয় ‘এ’ দলের তৃতীয় তথা শেষ চারদিনের ম্যাচ রয়েছে। এই দল এখন দক্ষিণ আফ্রিকায় ক্রীড়া সফরে। সব মিলিয়ে অনিশ্চয়তা আর আশঙ্কা ভারতের সিনিয়র ক্রিকেট দলের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর ঘিরে।

ইনজামাম-উল-হকের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে শচীন তেণ্ডুলকরের ট্যুইট

Tendulkar wishes Inzamam a speedy recovery

স্পোর্টস ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ইনজামাম-উল-হক লাহোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। সোমবার সন্ধ্যেতে ইনজামামের একটি সফল এঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয়। এখন তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ইনজামাম, যিনি পাকিস্তানের ১৯৯২সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। গত তিন দিন ধরে বুকে ব্যথা অনুভব করছিলেন। সবার আগে প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়। সোমবার ইনজির মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। রিপোর্টে জানা যায় তিনি হার্ট অ্যাটাকের শিকার হয়েছেন এবং অস্ত্রোপচারের জন্য তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, ইনজামামের শারিরীক অবস্থা স্থিতিশীল, কিন্তু পর্যবেক্ষণে ছিলেন। ইনজামাম-উল-হকের শারিরীক অসুস্থতার খবর চাউর হতেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনায় একের পর এক ট্যুইট বার্তা ভাইরাল হয়ে ওঠে।

ক্রিকেটের ভগবান শচীন তেণ্ডুলকর ইনজামাম-উল-হকের শারিরীক অসুস্থতার খবর পেতেই ট্যুইটে তার দ্রুত আরোগ্য প্রার্থনা করে ট্যুইট করে লেখেন, “আপনার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি @ইনজামাম 08। আপনি সবসময় শান্ত কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক, এবং মাঠে একজন যোদ্ধা।

৫১ বছর বয়সী ইনজামাম ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক, ৩৭৫ ম্যাচে ১১৭০১ রান এবং টেস্টে ১১৯ ম্যাচে ৮৮২৯ রান নিয়ে পাকিস্তানের তৃতীয় সর্বোচ্চ ব্যাটসম্যান। দেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়কদের মধ্যেও ছিলেন তিনি। ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে প্রথমে পাকিস্তানে ব্যাটিং পরামর্শদাতা এবং তারপর ২০০১- ২০১৯ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান ক্রিকেটের প্রধান নির্বাচক হিসেবে ভূমিকায় দেখা গিয়েছে ইনজামামকে। আফগানিস্তানের প্রধান কোচ হিসেবেও ইনজামাম-উল-হক কাজ করেছেন।