Lakhimpur Kheri: কৃষক হত্যা মামলায় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর পাশেই দল

Minister Ajay Mishra

News Desk, New Delhi: লখিমপুর খেরির (Lakhimpur Kheri) ঘটনায় বৃহস্পতিবার (thursday) উত্তাল হয়েছে সংসদের উভয় কক্ষ। বিরোধীদের দাবি, লখিমপুরে (lakhimpur) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশিস মিশ্রর (ashish mishra) গাড়ির চাকায় পিষে মারা হয়েছে ৪ কৃষককে। তাই ওই ঘটনার দায় নিয়ে মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।

অন্যথায় তাঁকে মন্ত্রিসভা (cabinet) থেকে বহিষ্কার করতে হবে। কিন্তু বিরোধীদের এই চাপের মুখেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর (ajay mishra) পাশেই থাকল তাঁর দল বিজেপি। সূত্রের খবর, বিজেপি নেতারা অনেকেই বলছেন ছেলের অপরাধে কখনওই বাবার শাস্তি হতে পারে না। তাই তাঁকে এখনই মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হোক এটা কোনওভাবেই চাইছে না গেরুয়া শিবির।

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই লখিমপুরের ঘটনার তদন্তে গঠিত সিট তার রিপোর্টে জানিয়েছে, ওই ঘটনা ছিল পূর্বপরিকল্পিত। কৃষকদের মারার জন্য আগে থেকেই চক্রান্ত করা হয়েছিল। ওই চক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ছেলে আশিস। একইসঙ্গে সিট রিপোর্ট পেশ করে আদালতের কাছে অভিযুক্ত আশিস-সহ অন্যদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করার অনুমতি চাইলে সেই অনুমোদন দিয়েছে আদালত।

সিটের ওই রিপোর্টের পর বিরোধীরা মোদি সরকারের উপর লখিমপুর কাণ্ড নিয়ে আরও প্রবল চাপ তৈরি করেছে। বিরোধীদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্ত আশিসের বাবাকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার লোকসভায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সরাসরি অজয়কে ‘ক্রিমিনাল’ বলে উল্লেখ করেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী অজয়কে সরানোর দাবিতে বুধবার লোকসভায় মুলতবি প্রস্তাব জমা দিয়েছেন রাহুল। বৃহস্পতিবার রাহুল তাঁর সুর আরও চড়িয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে অবশ্যই পদত্যাগ করতে হবে। কারণ উনি একজন অপরাধী। ছেলের কুকীর্তি জেনেও আগাগোড়া আড়াল করে গিয়েছেন।

সূত্রের খবর বিরোধীদের চাপ বাড়লেও এখনই অজয় মিশ্রকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করার পক্ষপাতী নন বিজেপির নেতারা। কারণ তাঁরা মনে করছেন, ছেলের কুকীর্তির দায় কখনওই বাবার ঘাড়ে বর্তায় না। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, অজয় মিশ্র ব্রাহ্মণ সমাজের প্রতিনিধি। উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করা হলে ব্রাহ্মণ সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে। অর্থাৎ ব্রাহ্মণ ভোট বিজেপির হাতছাড়া হতে পারে। তাই অজয়কে এখনই মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর মতো ঝুঁকি নিতে চাইছে না দল।

যদিও বুধবার লখিমপুরে একটি অক্সিজেন প্লান্ট উদ্বোধন করতে গিয়ে এক সাংবাদিকের সঙ্গে অজয় যে ব্যবহার করেছেন তা মেনে নিচ্ছে না দল। সূত্রের খবর, দলের মধ্যে এ বিষয়ে ইতিমধ্যে অজয়কে সতর্ক করা হয়েছে। তাঁকে বলা হয়েছে সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ভবিষ্যতে কখনওই যেন এ ধরনের উদ্ধত আচরণ না করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার লখিমপুরে ওই অক্সিজেন প্লান্ট উদ্বোধন করতে গেলে এক সাংবাদিক মন্ত্রীকে তাঁর ছেলের সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। তখনই তিনি ওই সাংবাদিককে চোর বলে কটুক্তি করেন। এমনকী, তাঁর হাতে থাকা বুমটিও কেড়ে নিতে যান।

Ajay Mishra: মেজাজ হারিয়ে সাংবাদিকের বুম কেড়ে নিতে গেলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

Union Minister Ajay Mishra

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: লখিমপুর খেরিতে একটি অক্সিজেন প্লান্টের (Oxyzen plant) উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র (ajay mishra) । সেখানেই সাংবাদিকরা তাঁকে তাঁর ছেলে আশিস মিশ্র সম্পর্কে প্রশ্ন করেন।

বিশেষ করে সিটের (special investigation team) তদন্ত রিপোর্টে তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত খুনের (planned murder) চেষ্টার যে কথা বলা হয়েছে সে প্রসঙ্গে প্রশ্ন তোলেন। এক সাংবাদিককে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে রীতিমতো মেজাজ হারিয়ে ফেলেন মন্ত্রী। প্রথমে ওই সাংবাদিকের মাইক বন্ধ করার চেষ্টা করেন তিনি। এরপর তিনি ওই সাংবাদিকের হাতে থাকা বুমটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এমনকী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ওই সাংবাদিকের প্রতি কটুক্তি করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে।

বুধবার লখিমপুরে ওই অক্সিজেন প্লান্টের উদ্বোধন গিয়েই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন মন্ত্রী। ২৪ ঘন্টা আগে সিট তার তদন্ত রিপোর্টে জানিয়েছে, লখিমপুরের ওই ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত। এমনকী, মন্ত্রীর ছেলের গাড়ি থেকে গুলি চালানোর কথাও স্বীকার করে নিয়েছে সিট। বুধবারই সিটের পক্ষ থেকে আদালতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলে ও তার বন্ধুদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করার জন্য আর্জি জানানো হয়। শেষ পর্যন্ত আদালত সেই আর্জি মেনেও নিয়েছে।

এ বিষয়ে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে মন্ত্রী মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে মন্ত্রী প্রথমে ওই সাংবাদিককে বলেন, আপনার কি মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে? কেন এ ধরনের বোকা বোকা প্রশ্ন করছেন। এরপরই মন্ত্রী ওই সাংবাদিকের মাইকটি বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাতেও কাজ না হওয়ায় একসময় মন্ত্রী সাংবাদিকদের বুমটি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে মন্ত্রীকে ওই সাংবাদিককে চোর বলতেও শোনা গিয়েছে।

ওই ভিডিয়োটি ভাইরাল হতেই ফের নতুন করে বিড়ম্বনায় পড়েছেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয়। ইতিমধ্যেই বিরোধীরা একাধিকবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে তাঁকে বরখাস্ত করার দাবি তুলেছে। এরইমধ্যে মঙ্গলবার সিটের তদন্ত রিপোর্টে লখিমপুরে ঘটনাকে পূর্বপরিকল্পিত বলায় বিরোধীদের সেই দাবি আরও জোরদার হল। বিভিন্ন মহল থেকে চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত যদি অজয় মিশ্রকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তবে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নিশ্চিতভাবেই আরও বেশি চাপে পড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

দেশের ছোট-বড় সব বাঁধেরই নিয়মিত সুরক্ষা অডিট হয় জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

dams of the country

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, সেচের কাজ-সহ বিভিন্ন প্রয়োজনে গোটা দেশে একাধিক বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই বাঁধগুলির সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে কী নিয়মিত সুরক্ষা অডিট করা হয়? ইতিমধ্যেই যে সমস্ত বাঁধের সুরক্ষা অডিটের কাজ হয়ে গিয়েছে সেগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হোক। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাঁধগুলির সংস্কারের বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ করেছে? কেরলের মুল্লাপেরিয়ার বাঁধের সংস্কারের জন্য কেরল সরকারের কাছ থেকে কেন্দ্র কি কোন প্রস্তাব পেয়েছে? বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রকের কাছে এই প্রশ্নগুলির উত্তর জানতে চান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায়।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের ওই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় জল সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বিশ্বেশ্বর টুডু বলেন, দেশের প্রতিটি বাঁধেরই নিয়মিত সুরক্ষা অডিট করা হয়। প্রতিটি বাঁধ যে রাজ্যে অবস্থিত সেই রাজ্যের সরকারই বাঁধগুলির সুরক্ষা ব্যবস্থা দেখভাল করে। সব রাজ্যই নিয়মিত বর্ষার আগে এবং পরে বাঁধগুলি সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে। বাঁধগুলির সুরক্ষায় যাতে কোনওরকম ত্রুটি না হয় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি রাজ্য পৃথকভাবে ড্যাম রিভিউ প্যানেল গঠন করেছে। বাঁধগুলির সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করার লক্ষ্যে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা দরকার। এই কাজ যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা যায় সেজন্য সম্প্রতি রাজ্যসভায় বাঁধ সুরক্ষা বিল পাস হয়েছে।

গোটা দেশে ২২৭ টি বড়মাপের বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে কেন্দ্রীয় জনসম্পদ কমিশন। এই বাঁধগুলি প্রায় ১০০ বছরের পুরনো। কেরলের মুল্লাপেরিয়ার বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ইতিমধ্যেই দেশের সর্বোচ্চ আদালত একটি কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটি রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি দেখভাল করে। শুধু রক্ষণাবেক্ষণ নয়, ওই কমিটি মুল্লাপেরিয়ার বাঁধ থেকে কেরল ও তামিলনাড়ু কোন রাজ্য কী পরিমাণ জল পাবে সে বিষয়টিও দেখে।

নেহরুর জন্মদিনে সংসদে দেখা মিলল না কোনও প্রথম সারির কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

No first-line Union Minister was seen in Parliament on Nehru's birthday

News Desk: ১৪ নভেম্বর দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর (nehru) জন্মদিন । প্রতিবছরের মতো এবারও নেহেরুর জন্মদিন (birthday) উপলক্ষ্যে সংসদ ভবনে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় কিন্তু সেই অনুষ্ঠানে কোনও শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে দেখা গেল না।

এমনকী, অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (om birla) এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া (benkia naidu) নাইডুকেও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা বিজেপি নেতাদের এহেন আচরণে প্রবল ক্ষুব্ধ কংগ্রেস।

যথারীতি রবিবার সংসদের সেন্ট্রাল হলে (central hall) নেহরুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। মাল্যদান পর্ব শেষ করে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ (jayram ramesh) টুইট করে ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, সংসদের সেন্ট্রাল হলে আজ এক অভাবিত ঘটনা দেখা গেল।

সেন্ট্রাল হলে যাঁদের ছবি রয়েছে তাদের মধ্যে একজন অর্থাৎ দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আজ জন্মদিন। জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নেহরুকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানে লোকসভার স্পিকার বা রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকেই দেখা গেল না। প্রথম সারির কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকেও ধারেকাছে দেখা যায়নি। মোদি সরকারের এর চেয়ে বড় ঔদাসীন্য ও ঔদ্ধত্য আর কী হতে পারে!

এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সেন্ট্রাল হলে উপস্থিত ছিলেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ভানুপ্রতাপ (bhanupratap sing) সিং বর্মা। এছাড়াও ছিলেন রাজ্যসভার বিরোধী নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া (sonia)গান্ধী-সহ বেশ কয়েকজন কংগ্রেস সাংসদ। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বিজেপি নেতা বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা ইচ্ছাকৃতভাবেই এদিনের অনুষ্ঠান এড়িয়ে গিয়েছেন। কারণ তাঁরা মনে করছেন, এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলে নেহরুকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিজেপি কোনওভাবেই নেত্বরক বাড়তি গুরুত্ব দিতে চায় না । সে কারণেই তাঁরা জন্মদিনের অনুষ্ঠান এড়িয়ে গিয়েছেন।

আরিয়ানকে রিহ্যাব সেন্টারে পাঠানোর জন্য শাহরুখকে পরামর্শ দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

ariyan khan

News Desk, Mumbai: এই অল্প বয়সে মাদক নেওয়া কখনওই ভাল নয়। তাই মাদকাসক্ত আরিয়ানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাকে কোনও রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে পাঠানোর জন্য শাহরুখ খানকে পরামর্শ দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আটওয়ালে। চলতি মাসের ৩ তারিখে গোয়াগামী প্রমোদতরী থেকে শাহরুখপুত্র আরিয়ানকে গ্রেফতার করেছে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো বা এনসিবি। ২৩ বছরের তরুণ আরিয়ান বর্তমানে মুম্বইয়ের আর্থার রোড জেলে আছেন।

সোমবার সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রী আটওয়ালে বলেন, অল্প বয়সে নিয়মিত মাদক সেবন কখনওই ভাল নয়। আরিয়ানের বাবা শাহরুখ একজন বিখ্যাত মানুষ। তাই তাঁর ছেলের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল হওয়ার কথা। কিন্তু একরত্তি একটা ছেলে মাদক সেবন করছে। এতে ওর ভবিষ্যৎ খারাপ হবে। তাই আমি শাহরুখকে অনুরোধ করব, নেশা ছাড়ানোর জন্য তিনি যেন ছেলে আরিয়ানকে কোন রিহ্যাবিলিটেশন কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। সারাদেশে নেশা ছাড়ানোর অনেক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার আছে। যেখানে দু-এক মাস থাকলে আরিয়ান নিশ্চিতভাবেই মাদকাসক্তি কাটিয়ে উঠবে। একই সঙ্গে মন্ত্রী এদিন বলেন, মাদকাসক্তদের যাতে জেলে পাঠানো না হয় তার জন্য নতুন আইন করা দরকার। কারণ জেলে গেলে তাদের মাদকাসক্তি দূর নাও হতে পারে। কিন্তু রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে পাঠানো হলে মাদকাসক্তরা বেশিরভাগ সময়ই নেশা ছেড়ে দিয়ে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।

আরিয়ানের গ্রেফতারি নিয়েও এদিন মুখ খুলেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেছেন, আরিয়ান এখনও পর্যন্ত বার পাঁচেক জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিবারই তা খারিজ হয়ে গিয়েছে। আদালতের নির্দেশেই এটা স্পষ্ট যে, আরিয়ান প্রকৃতই মাদকাসক্ত বা সে সরাসরি মাদক কাণ্ডে জড়িত। তাকে গ্রেফতার করে এনসিবি কোনও বেআইনি বা অনৈতিক কাজ করেনি।

অন্যদিকে এনসিবির কার্যকলাপ নিয়ে প্রথম থেকেই তোপ দেগেছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক। নবাবের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আটওয়ালে এদিন বলেন, এনসিবি অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ের চরিত্র হননের চেষ্টা চলছে। রাজ্যের মন্ত্রী নবাবকে আমি অনুরোধ করবো, কারও নামে অকারণে মিথ্যা অভিযোগ করবেন না। কারও নামে ভিত্তিহীন অভিযোগ করা কোনও বুদ্ধিমান মানুষের কাজ নয়। আইন আইনের পথে চলবে। তবে আমি বলতে পারি আরিয়ানের বয়স যথেষ্ট কম। তার ভবিষ্যতের কথা ভেবে শাহরুখের উচিত ছেলেকে অবিলম্বে কোনও রিহ্যাবিলিটেশন কেন্দ্রে পাঠিয়ে দিয়ে দেওয়া।

Rao Inderjit Singh: শুধু মোদির নামে ভোট চাইলে জেতা অসম্ভব, স্বীকার করে নিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

Union Minister Rao Inderjit Singh

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা নিজের দলের অন্দরেই কি ক্রমশ কমছে! সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাও ইন্দ্রজিৎ সিংয়ের এক বক্তব্যে সেই ধারণাই স্পষ্ট হয়েছে। জনপ্রিয়তা যে ক্রমশ কমছে তাই নয় শুধু মোদির নামে আর ভোট পাওয়া যাবে এমন কোনও নিশ্চয়তাও নেই। তাই কেন্দ্র ও হরিয়ানায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতা দখল করতে শুধু মোদির নামের উপর নির্ভর করলে চলবে না।

মোদির জনপ্রিয়তা যে ক্রমশ কমছে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল তারই প্রমাণ। মোদি একের পর এক সভা করলেও পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি তিনি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, ২০১৪-র আগে মোদির যে জনপ্রিয়তা ছিল তা আজ তলানিতে এসে ঠেকেছে।

হরিয়ানায় বিজেপির এক অভ্যন্তরীণ বৈঠকেই কর্পোরেট বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রজিৎ সিং দলীয় নেতাদের বলেন, মোদির জনপ্রিয়তা আজও আছে এটা ঠিক। কিন্তু শুধু তাঁর নামে ভোট চাইলে যে জয় আসবে এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। নরেন্দ্র মোদির নাম বাদ দিয়েও যাতে ভোটে জেতা যায় আমাদের সেই চেষ্টা করতে হবে। মোদির জনপ্রিয়তাকে কিভাবে ফের চাগিয়ে তোলা যায় তাও ভাবতে হবে দলের নেতাকর্মীদের।

কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক আন্দোলন আমাদের যথেষ্টই বিপাকে ফেলেছে। কৃষকদের সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হচ্ছে তা মানুষকে বিজেপি সরকারের উপর ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। মানুষের রোষ থেকে রেহাই পাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিও। সে কারণে আমরা যদি শুধুমাত্র মোদির উপরে নির্ভর করে নির্বাচনী ময়দানে নামি তাহলে দলের জয় সম্পর্কে একটা সন্দেহ থেকেই যায়। শুধু মোদি-মোদি করে কখনওই চিরকাল চলতে পারে না। মোদিকে ছাড়াও যাতে ভোটে জেতা যায় আমাদের সেই ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। অন্যথায় কেন্দ্র এবং হরিয়ানায় তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠনের আশা আমাদের ছাড়তে হবে।

পেট্রোলের দাম আসলে এক বোতল মিনারেল ওয়াটারের থেকেও কম: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামেশ্বর তেলি

Union Minister Rameshwar Teli

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: গোটা দেশেই পেট্রোল-ডিজেলের দাম (Petrol price) আকাশছোঁয়া। কিন্তু কেন এই দাম বৃদ্ধি সেকথা এতদিনে খোলসা করে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী  (Union Minister) রামেশ্বর তেলি (Rameshwar Teli)।

সোমবার সন্ধ্যায় গুয়াহাটিতে এক অনুষ্ঠানে রামেশ্বর বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। এই ভ্যাকসিনের কত দাম সেটা সকলেই জানেন। কিন্তু কোনও মানুষ একবারও বলছেন না, কেন তাঁদের দাম দিতে হচ্ছে না। ভ্যাকসিনের দাম মেটাতে গিয়েইতো পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়াতে হচ্ছে। কিন্তু যদি পেট্রোল ও ডিজেলের প্রকৃত দাম নেওয়া হত তাহলে এক বোতল মিনারেল ওয়াটারের (mineral water) দামও এর থেকে বেশি হত।

মন্ত্রীর সাফ কথা, পেট্রোল ডিজেল আদৌ খুব একটা দামি নয়। পেট্রোলের দাম বড়জোর লিটারপ্রতি ৪০ টাকা। কিন্তু এই দামের উপর কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার বেশ কিছু কর চাপিয়ে রেখেছে। গোটা দেশের মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। মানুষের কাছ থেকে তো ভ্যাকসিনের দাম নেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু ভ্যাকসিনের জন্য বিপুল খরচ হচ্ছে। তাহলে প্রশ্ন হল, সেই টাকা আসবে কোথা থেকে? পেট্রোল, ডিজেলের উপর চাপানো পর থেকেই ভ্যাকসিনের টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে মন্ত্রী জানান।

পরিসংখ্যান দিয়ে রামেশ্বর বলেন, দেশের ১৩০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রতিটি ভ্যাকসিনের দাম ১২০০ টাকা। একজন মানুষকে দু’টো ভ্যাকসিন দিতে হলে ২৪০০ টাকা খরচ হয়। মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, বর্তমানে এক লিটার পেট্রোলের দাম ৪০ টাকা। কিন্তু এই দামের উপর কেন্দ্র ৪০ টাকা এবং রাজ্য ২৮ টাকা কর বসিয়েছে। এর ওপর আন্তর্জাতিক বাজারে পেট্রোপণ্যের দাম বাড়লে দেশের বাজারেও তার প্রভাব পড়ে।

বিরোধীরা প্রথম থেকেই বলে আসছে আন্তর্জাতিক বাজারে যখন তেলের দাম কম ছিল তখন মোদি সরকার দেশে এই দুই পেট্রোপণ্যের দাম এক টাকাও কমায়নি। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দর চড়তেই দেশের বাজারেও লাফিয়ে বাড়ছে দাম।

তবে মন্ত্রী এতদিনে পেট্রোল ডিজেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে স্পষ্টভাবে জানালেও কর্নাটকের এক বিজেপি নেতা কিন্তু অন্য কথা বলছেন। ওই বিজেপি নেতা দেশের বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির জন্য তালিবানকে দায়ী করেছেন। তিনি বলছেন, তালিবানের কারণেই দেশের বাজারে নাকি জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে চলেছে। যদিও ওই বিজেপি নেতার কথা ইতিমধ্যেই হাস্যকর বলে উড়িয়ে দিয়েছে বিরোধীরা।

Coal crisis: কয়লার তীব্র সঙ্কটে অন্ধকারে ডুবতে পারে দিল্লি-সহ দেশের একাধিক শহর

Coal crisis

অনলাইন ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ভারতে ১৩৫টি তাপ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে। দেশের বিদ্যুতের চাহিদার ৭০ শতাংশ সরবরাহ করে এই কেন্দ্রগুলি। কিন্তু এই মুহূর্তে তাদের কাছে ৩ দিনেরও কম কয়লা মজুত আছে। ফলে উৎসবের মরসুমে তীব্র বিদ্যুৎ সঙ্কটের সম্মুখীন হতে পারে দিল্লি, পাঞ্জাব, রাজস্থান-সহ ভারতের অনেক রাজ্য । এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে মাত্র দুই-তিন দিনের জন্য কয়লা মজুত রয়েছে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির মূল কাঁচামাল কয়লা।

কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের নির্দেশিকায় বলা আছে, কয়লা খনি থেকে ১০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে যে সব বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আছে তাদের কমপক্ষে ৩০ দিনের জন্য কয়লা মজুত রাখতে হবে। কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে কয়লার মজুত তলানিতে এসে ঠেকেছে। রাজ্যগুলি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিদ্যুৎ মন্ত্রকের কাছে কয়লার সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য আবেদন করেছে। কেন্দ্র কয়লার সরবরাহ অবিলম্বে স্বাভাবিক না করলে তাদের ব্ল্যাক আউটের মধ্যে পড়তে হবে। বিদ্যুৎ মন্ত্রকের দাবি সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে। কয়লা মন্ত্রক প্রতি সপ্তাহে দু’বার কয়লার মজুত পর্যালোচনার জন্য দু’টি আন্তমন্ত্রক গোষ্ঠী গঠন করেছে। এই কয়লা সঙ্কটে দেশ এক বড় বিপর্যয়ে পড়তে পারে বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়রাম রমেশ টুইট করে বলেছেন, ‘হঠাৎই আমরা বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহের সঙ্কটের কথা শুনছি। এই সঙ্কটে একটি বিশেষ বেসরকারি সংস্থা কি আরও বেশি ধনবান হয়ে উঠবে? কিন্তু এর কে তদন্ত করবে?

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, কেন্দ্র যদি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার ঘাটতি দ্রুত সমাধান না করে তাহলে রাজধানী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্মুখীন হবে। রাজধানীতে দুই দিনের মধ্যে ব্ল্যাকআউট পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আগে দিল্লির বিদ্যুৎকেন্দ্র গুলিতে এক মাসের কয়লা মজুত থাকত। যা এখন ১ দিনে নেমে এসেছে। সমস্ত কেন্দ্রে ইতিমধ্যে ৫৫ শতাংশ ধারণ ক্ষমতায় চলছে। বাওয়ানায় দিল্লির একটি ১৩০০ মেগাওয়াট গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। উল্লেখ্য, দিল্লির নিজস্ব কোনও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নেই।

রাজস্থান সরকারও ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, কয়লার অভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ১০ টি বড় শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহে কাটছাঁট করা হবে। কিছু এলাকায় ১০ থেকে ১৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সেন্ট্রাল গ্রিড রেগুলেটরের তথ্য বলছে, অক্টোবরের প্রথম ৭ দিনেই বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে যে ঘাটতি হয়েছে তা সারাদেশে সারা বছরের ঘাটতির ১১.২ শতাংশ। কয়লার অভাবে বিহার ও ঝাড়খন্ডেও বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে।

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিষয়টি জানিয়ে চিঠি লিখেছেন। জগনমোহন বলেছেন, অন্ধ্রে বিদ্যুতের ব্যবহার ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্ধ্রের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য ২০ রেক কয়লার বরাদ্দ দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সম্প্রতি রাজ্যে প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পাঞ্জাবেও তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে কয়লার অভাবে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পাঞ্জাব স্টেট পাওয়ার কর্পোরেশন জানিয়েছে, রাজ্যের বেশিরভাগ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে মাত্র ৫ দিনের মত কয়লার মজুত আছে। রাজ্যে ৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগে। অক্টোবরে অস্বাভাবিক গরম পড়ার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বেড়েছে। কেন্দ্র অবিলম্বে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না করলে পাঞ্জাব-সহ গোটা দেশের বেশিরভাগ শহর অন্ধকারে ডুবে যাবে।

Lakhimpur kheri: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী-পুত্র আশিসকে পুলিশি হেফাজতে না নেওয়ায় উঠছে প্রশ্ন

নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ টালবাহানার পর লখিমপুর খেরি (Lakhimpur kheri) কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশিস মিশ্র। শনিবারই পুলিশের কাছে হাজিরা দেন আশিস। আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে। ঘটনার প্রেক্ষিতে আইনজীবী মহল প্রশ্ন তুলেছেন, কেন খুনের মামলায় অভিযুক্ত আশিসকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হল না।

এই ঘটনার তদন্তে নিশ্চিতভাবেই আশিসকে আরও জেরা করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু পুলিশি হেফাজতে না নিয়ে কেন তাঁকে প্রথমেই জেল হেফাজতে পাঠানো হল। শুধু তাই নয়, জেলের ভিতরে আশিসের জন্য বিশেষ ব্যবস্থাও থাকবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত একজন বন্দি বিশেষ সুবিধা পাবে। এর একমাত্র কারণ আশিস বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ছেলে। বাবা ও ছেলে দুজনেই প্রভাবশালী ব্যক্তি। অনেকেই নাম গোপন করে বলেছেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অঙ্গুলী হেলনেই চলছে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার ও পুলিশ। সে কারণেই আশিসকে সরাসরি জেল হেফাজতে পাঠানো হল।

লখিমপুরে ৪ কৃষককে খুনে অভিযুক্ত আশিসকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে উত্তরপ্রদেশ হাইকোর্ট। শনিবার টানা ১২ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় আশিসকে। এদিন তাকে আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারপতি। জিজ্ঞাসাবাদে সময় পুলিশের সঙ্গে চূড়ান্ত অসহযোগিতা করেন মন্ত্রী পুত্র। তার পরেও কেন আশিসকে পুলিশ হেফাজতে না দিয়ে সরাসরি জেল হেফাজতে পাঠানো হলো তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আশিস তাদের সঙ্গে কোনওরকম সহযোগিতা করছে না। যদিও তার পরেও পুলিশের তরফে আদালতে আশিসকে হেফাজতে নেওয়ার দাবি তোলা হয়নি। বিরোধীদের অভিযোগ, বেজেপি নেতা তথা মন্ত্রীপুত্র বলেই আদালতে নিজেদের দায় ঝেড়ে ফেলতে তৎপর ছিল যোগীর পুলিশ। যার জেরেই পুলিশি হেফাজতের পরিবর্তে জেল হেফাজত হয়েছে আশিসের।

লখিমপুরের ঘটনা নিয়ে প্রথম থেকেই যোগী সরকারকে নিশানা করছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। যদিও এই ঘটনায় মোটেই খুশি নন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধি। পুরোটাই লোকদেখানো বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রিয়াঙ্কার অভিযোগ, মন্ত্রী ও তাঁর ছেলেকে বাঁচানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন যোগী। জনগণের ফোরাম থেকে মন্ত্রীকে রক্ষা করছেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী লখনউ এসেছিলেন উত্তরপ্রদেশের পারফরম্যান্স এবং আজাদি কি অমৃত মহোৎসব দেখতে। কিন্তু, উনি লখিমপুর খেরির নিহতদের পরিবারের কষ্ট ভাগ করে নিতেন এলেন না। বরং প্রধানমন্ত্রী আন্দোলনকারী কৃষকদের জঙ্গি বলেছেন। যোগীজি তাঁদের গুণ্ডা বলেছেন। কৃষকদের হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার সর্বোতভাবে আড়াল করছে অভিযুক্তদের।’