Omicron: মোরাদাবাদে ১৩০ জন বিদেশ ফেরত যাত্রী নিখোঁজ

Omicron

নিউজ ডেস্ক, মোরাদাবাদ: ভারতে কোভিডের ওমিক্রন (Omicron) ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। মহারাষ্ট্রে মঙ্গলবার আরও ৮ জনের দেহে করোনার এই নয়া ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মেলে। আক্রান্তদের মধ্যে ৭জনই মুম্বইয়ের। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ কথা জানানো হয়েছে। আর ১ জন ভাসাই বিহারের। রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ কথা জানানো হয়েছে।

গুজরাতের সুরাতেও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা ১ জন ওমিক্রন পজিটিভ। সবমিলিয়ে দেশে আক্রান্তর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬১। এরই মাঝে উত্তরপ্রদেশের (Uttarpradesh) মোরাদাবাদ (Moradabad) থেকে নিখোঁজ বিদেশ ফেরত ১৩০ জন যাত্রী মোরাদাবাদ স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগে ৫১৯ জন যাত্রী বিদেশ থেকে ফেরেন। তাঁদের মধ্যে ১৩০ জনের খোঁজ মিলছে না।

সম্প্রতি মোরাদাবাদ ফেরত জম্মুর এক বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় বিষয়টি নজরে আসে। ওমিক্রন আবহে এরপরই আতঙ্ক ছড়ায়। জম্মু প্রশাসনের তরফে বিষয়টি উত্তরপ্রদেশ সরকারকে জানানো হয়। বিদেশ ফেরত ওই ১৩০ জন উত্তরপ্রদেশ ছাড়াও অন্য রাজ্যেও গিয়েছেন বলে মোরাদাবাদ স্বাস্থ্য দফতরের দাবি। 

এদিকে ওমিক্রন আতঙ্কের মধ্যে আজ থেকেই মুম্বইয়ে সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি স্কুল খুলছে। আন্যদিকে, বিশ্বে ক্রমবর্ধমান ওমিক্রন উদ্বেগের মধ্যেই আশার আলো দেখাল ফাইজার। এই ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার দাবি, করোনার বিপজ্জনক ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে তাদের তৈরি অ্যান্টি কোভিড পিল।

সম্প্রতি মোট ২২৫০ জন পূর্ণবয়স্কের উপর এই ওষুধটি গবেষণামূলক প্রয়োগ করে সদর্থক ফল মিলেছে বলে সংস্থা সূত্রে খবর। ফাইজারের দাবি, তাদের তৈরি ওষুধটি প্রয়োগ করে ৮৯% কোভিড রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো গেছে। ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাটির দাবি, আলাদা আলাদা ল্যাবরেটরিতে চালানো গবেষণায় দেখা গেছে, ওমিক্রনকে আটকাতেও কার্যকর ভূমিকা নিয়েছে কোভিড বিরোধী এই ওষুধটি।

Farm Law: লখনউতে মহাপঞ্চায়েত, অগনিত কৃষকদের চিৎকারে BJP শঙ্কিত

Anti farm laws

News Desk: প্রধানমন্ত্রী মুখে বলেছেন কৃষি আইন বাতিল হবে। আগে সরকার এই আইন সংসদে বাতিল করুক তবে বিশ্বাস করব। মহাপঞ্চায়েত থেকে এমনই দাবি করলেন ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে সোমবার উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনউতে অগনিত কৃষক ঢল নেমেছে।

কৃষি আইন বাতিলের কথা প্রধানমন্ত্রী মোদী ঘোষণার পর এটাই প্রথম মহাপঞ্চায়েত। লখনউ জুড়ে উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জেলার কৃষকদের সমাগম হয়েছে।

সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা সারা ভারত কৃষক সভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। আছেন ৫০০টি কৃষক সংগঠনের নেতারা।

mahapanchayet

কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা আগেই জানান, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা মানে আ়ইন বাতিল নয়। যতক্ষণ না আইন বাতিল হচ্ছে ততক্ষণ কৃষকরা আন্দোলন চালাবেন।

লখনউ মহাপঞ্চায়েত থেকে হান্নান মোল্লার নির্দেশিত পথ ধরেই অন্যান্য কৃষক নেতারা জানিয়েছেন, দিল্লি অভিযান জারি থাকবে যতক্ষণ না পুরো আইন বাতিল করছে কেন্দ্র।

Farm Laws Withdrawn

বিজেপি সাংসদ ও বারবার বিতর্কিত উত্তেজক মন্তব্য দেওয়া সাক্ষী মহারাজের দাবি, ভোট মিটুক তারপর আইনটি ফের চালু করবে কেন্দ্র। তিনি আন্দোলনকারী কৃষকদের কটাক্ষ করেছেন।

লখনউতে কৃষক মহাপঞ্চায়েত থেকে ঘনঘন চিৎকার উছছে বিজেপি সরকার ‘কালা কানুন’ বাপস লো। সূত্রের খবর, রাজ্যে ও পাঞ্জাবে আসন্ন বিধানসভা ভোটে কৃষক বিক্ষোভের আঁচ টের পেয়েই প্রধানমন্ত্রী আইনটি প্রত্যাহারের কথা বলেছেন।

মোদীর ভাষণ নয়, সংসদে কৃষি আইন প্রত্যাহারের অপেক্ষায়: সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা

Rakesh Tikait

News Desk: কৃষি আইন প্রত্যাহার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এর পরই প্রশ্ন তুলছে বিভিন্ন সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠন। কৃষক আন্দোলনের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানাল, প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানকে স্বাগত। তবে মুখের ঘোষণা নয়, আইন বাস্তবে প্রত্যাহার করে দেখাক সরকার।

কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত ও সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা সরকারের অবস্থানকে স্বাগত জানান।

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা আগেই দাবি করেছেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশনের সময় দিল্লি ঘিরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হবে। সরকারকে বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারে বাধ্য করা হবে। তাঁর ঘোষণার পরেই আন্দোলনকারী কৃষকদের মধ্যে নতুন করে জোশ ছড়ায়।

Farmers to hold rail roko on Oct 18

শুক্রবার গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে শিখ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি এই ভাষণেই বলেন, দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হবে।

মোদীর ভাষণে তুমুল আলোড়ন ছড়ায় হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশে। মূলত দেশের এই উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের কৃষকদের নিয়েই কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চলেছে। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার অভিযোগ, নতুন তিনটি কৃষি আইনের মাধ্যমে সরকার দেশের কৃষি ব্যবস্থাকেই বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে।

প্রবল আন্দোলন, দিল্লি অভিযান, লালকেল্লায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ঘিরে বিতর্কিত পরিস্থিতি হয়েছে বারবার। কৃষকদের আন্দোলনকে খালিস্তানি জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপির বহু নেতা, সংঘ পরিবার সংশ্লিষ্ট হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির অনেকেই। কৃষক নেতারা বলেছেন, সরকারকেই আইন প্রত্যাহার করতে হবে।

অবশেষে আইন প্রত্যাহারের কথা জানালেন মোদী। তবে সংসদে আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেই জানাচ্ছে কিষাণ মোর্চা।

Farm Laws Withdrawn: ঝুঁকলেন মোদী, ভোট বুঝে ক্ষমা চেয়ে ‘কৃষি আইন প্রত্যাহার’

modi farm laws withdrawal announcement
  1. News Desk: প্রবল কৃষক আন্দোলনের চাপে বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংসদে বিপুল শক্তি নিয়ে আইন বাতিল হবে না বলে যে দাবি করেছিল বিজেপি তার থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা শুধু দেশ না বিদেশে আলোড়ন ফেলেছে।

farmers

<

p style=”text-align: justify;”>তিনি বলেন, ‘আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি বলতে চাই যে হয়ত আমাদের তপস্যাতেই খামতি ছিল। তাই কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এই মাসে শুরু হতে চলা সংসদ অধিবেশনে এই কৃষি আইন প্রত্যাহার করব। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আন্দোলন ছেড়ে একটি নয়া সূচনা করি। শীঘ্রই আইন প্রত্যাহারের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া পূর্ণ করে দেব। এবার আপনারা সকলে খেতে ফিরে যান, পরিবারের মধ্যে ফিরে যান।’

আসন্ন পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের আগে মোদী এই ঘোষণা করলেন। পাঞ্জাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী জোট গড়ার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ বড় হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উত্তর প্রদেশেও ভোটে কৃষক বিক্ষোভ বিরাট প্রভাব ফেলছে বলেই জনমত সমীক্ষা বলছে। তবে এই রাজ্যে ভোট কাটাকুটির লড়াইতে বিজেপির ক্ষমতায় আসার ইঙ্গিত এসেছে জনমত সমীক্ষায়।

প্রধানমন্ত্রী দেশের কৃষকদের জন্য তাঁর সরকারের ভূমিকা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জন ছোট কৃষক। তাদের জমির পরিমাণ ২ হেক্টরের কম। তাদের জীবনের আধার এই ছোট জমি। প্রায় ১০ কোটি এমন ছোট কৃষক আছে। এই ছোট জমিতেই তারা নিজেদের পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য কাজ করছে। তাই বীজ, বীমা, বাজার আর সেভিংসের ক্ষেত্রে কাজ করেছি। আমরা ফসল বীমা যোজনাকে আরও কার্যকরী করেছি। আরও বেশি সংখ্য কৃষককে এর অধীনে নিয়ে এসেছি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কিষাণ সয়েল হেলথ কার্ড দিয়েছি। এতে ফলন বেড়েছে। ছোট কৃষকদের ১ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছি। কৃষকদের কষ্ট যাতে সঠিক দাম পায়, সেই কাজ করেছে সরকার। গ্রামীণ বাজারকে শক্তিশালী করেছি। আমরা এমএসপি বাড়িয়েছি। পাশাপাশি সরকার রেকর্ড পরিবার ফসল কিনেছে।’

বিজেপি শাসিত উত্তরপ্রদেশে নারকীয় ঘটনা, ধর্ষণের শিকার ১০ মাসের শিশু

no-rape

News Desk: বিজেপির শাসনে থাকা উত্তরপ্রদেশে আইন-শৃঙ্খলা বলে যে কোনও বস্তু আছে তা যেন বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। যোগী আদিত্যনাথের (yogi adityanath) রাজ্য এবার ভয়াবহ ধর্ষণের শিকার হল ১০ মাসের এক শিশুকন্যা। রবিবার রাতে উত্তরপ্রদেশের (utterpradesh) লখনউয়ের কাছে সাদাতগঞ্জে এই ধর্ষণের (rape) ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা গিয়েছে, বাড়ির কাজের লোকই শিশুটির উপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে। ধর্ষণের কারণে গুরুতর জখম দুধের শিশুটি এই মুহূর্তে লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে (king george hospital) মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, একরত্তির রেচনাঙ্গ ফেটে গিয়েছে। এমনকী, পায়ুও ছিনভিন্ন হয়ে গিয়েছে। নারকীয় এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

no-rape

টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত খবর থেকে জানা গিয়েছে, সুন্নি কুমার নামে ১৮ বছরের এক কিশোর ১০ মাসের ওই শিশুকে ধর্ষণ করেছে। সুন্নি কুমার (sunny kumar) ওই শিশুটির বাড়িতেই কাজ করতো।সাদাতগঞ্জ থানার এসএইচও ব্রিজেশ কুমার যাদব সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রবিবার রাতে শিশুটিকে ঘুম পাড়িয়ে রেখে তার মা রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। সে সময় হঠাৎই শিশুটি প্রবল চিৎকার করে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি শোওয়ার ঘরে ছুটে যান। তিনি দেখেন তাঁদের বাড়ির পরিচারক সুন্নি কুমার শিশুটিকে গায়ের জোরে ধর্ষণ করছে। মেয়েকে বাঁচাতে তিনি সুন্নি কুমারকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এসময় সুন্নি পালিয়ে যায়।

শিশুটির পরিবার সঙ্গে সঙ্গেই সাদতগঞ্জ থানায় সুন্নির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। রবিবার রাতে তার সন্ধান না মিললেও সোমবার সন্ধ্যায় সাদাতগঞ্জ থেকেই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই পরিচারকের বিরুদ্ধে পসকো আইন-সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।

<

p style=”text-align: justify;”>হাসপাতালে শিশু শল্য চিকিৎসা বিভাগের প্রধান প্রফেসর জিডি রাওয়াত জানিয়েছেন, নারকীয় অত্যাচারে শিশুটির গোপনাঙ্গ একেবারে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। এই মুহূর্তে শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক। তাই শিশুটিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেই অপারেশন (operation) করা হবে। যতক্ষণ না শিশুটির শারীরিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে ততক্ষণ অবশ্য অপারেশন করা সম্ভব নয়।

UP: বাজির শব্দে বিরক্ত হয়ে অ্যাসিড ‘হামলা’, জখম কিশোরী ও বৃদ্ধা

Acid On Two Women

News Desk: দীপাবলির রাতে কচিকাঁচারা মেতে উঠেছিল বাজি পোড়ানোর আনন্দে। তীব্র চিৎকারে প্রবল বিরক্ত হয়ে উঠেছিলেন পাড়ারই এক ফলওয়ালা (fruit seller)। বাচ্চাদের চিৎকার এবং বাজি পোড়ানো বন্ধ করতে বলেছিলেন। বাচ্চারা সেই কথা না শোনায় তাদের গায়ে অ্যাসিড ছুঁড়লেন ওই ফলওয়ালা। কয়েকজন দৌড়ে পালিয়ে গেলেও এক কিশোরী ও বৃদ্ধা গুরুতর জখম হয়েছেন।

শুক্রবার বিকালে এই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলার (Banda) কৈলাসপুরী (Kailishpuri) এলাকায়। এই পাড়ার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই ফলওয়ালা বাজির প্রবল শব্দে বাচ্চাদের উপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তিনি বারন করলেও বাচ্চারা কথা না শোনায় এক কিশোরকে সপাটে চড় মারেন। এ ঘটনায় প্রতিবেশীদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন ওই ফলওয়ালা। হঠাৎই ওই ব্যক্তি ঘর থেকে একটি অ্যাসিডের বোতল বের করে এনে বাচ্চাদের লক্ষ্য করে ছিটিয়ে দেন। বাচ্চারা দৌড়ে পালিয়ে গেলেও বাড়ির বাইরে বসে থাকা এক ৭০ বছরের বৃদ্ধা ও কিশোরী গুরুতর জখম হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দু’জনকে জেলা হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, স্থানীয় বাসিন্দারা ইতিমধ্যেই ওই ফল ওয়ালার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

UP: বিধানসভা নির্বাচনের আগে চড়া হিন্দুত্বের তাস খেললেন যোগী

yogi adityanath

News Desk: আগামী বছরের শুরুতেই উত্তর প্রদেশ (Uttar Pradesh) বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি (BJP)। যোগী আদিত্যনাথের সরকার উত্তরপ্রদেশে উন্নয়নে সর্বতোভাবে ব্যর্থ। এই অবস্থায় পুনরায় গোবলয়ের বৃহত্তম রাজ্যের ক্ষমতায় ফিরতে চড়া মেরুকরণকেই হাতিয়ার করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে তাই চড়া হিন্দুত্বের তাস খেললেন মুখ্যমন্ত্রী।

অযোধ্যায় এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার এখানে সরকারি টাকা শুধু কবরস্থানের পিছনে খরচ করত। কিন্তু এখন সরকারি টাকা খরচ হয় মন্দির তৈরি এবং মন্দিরের উন্নয়নের কাজে। আগের সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের এটাই চিন্তাভাবনার ফারাক।

যোগী এদিন সরাসরি হিন্দু-মুসলিম শব্দ উচ্চারণ না করলেও তাঁর বক্তব্যে এটা পরিষ্কার যে, সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় কাজে কোনও রকম অর্থ ব্যয় করা হবে না। যাবতীয় অর্থ খরচ করা হবে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের জন্য। যোগী বলেন, আগের সরকার শুধুমাত্র সামান্য কিছু মানুষের কথাই ভাবত। তাই তারা টাকা খরচ করত কবরস্থানের জন্য। কিন্তু বর্তমান সরকার মন্দিরের কথা চিন্তা করে। দেশের সংস্কৃতি, সুপ্রাচীন ঐতিহ্য, ধর্মের কথা চিন্তা করে। সেজন্যই তারা মানুষের টাকা মন্দির তৈরিতে এবং উন্নয়নের কাজে খরচ করে।

চড়া হিন্দুত্বের তাস খেলতে গিয়ে যোগী আরও বলেন, আজ থেকে ৩০ বছর আগে এদেশে করসেবা করলে গুলি চালানো হত। কিন্তু আগামী দিনে করসেবা করা হলে গুলি চলবে না। বরং পুষ্পবৃষ্টি করা হবে। আগের সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের তো এটাই তফাৎ। মুখ্যমন্ত্রী এদিন তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট বুঝিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশে বিজেপি তথা যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় থাকলে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সব ধরনের ধর্মীয় রীতিনীতি আচার পালনের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয় করা হবে। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, এভাবে সরকারি টাকা কি কোনও একটি নির্দিষ্ট ধর্মের জন্য ব্যবহার করা যায়? সরকারি টাকা কবরস্থানের পিছনে ব্যয় করা যদি অনৈতিক হয় তাহলে মন্দির ক্ষেত্রে ব্যবহার করাও তো একই দোষে দুষ্ট। তাহলে কিভাবে যোগী এ ধরনের কথা বললেন?

রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, উত্তরপ্রদেশকে উত্তমপ্রদেশ তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন যোগী। কিন্তু উত্তমপ্রদেশ নয়, উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তাকে অধমপ্রদেশে পরিণত করেছে। যোগী স্পষ্ট বুঝতে পারছেন, কাজের নিরিখে ভোট চাইলে তাঁর মুখ পুড়বে। ক্ষমতায় ফেরা তো দূরের কথা, মুখ লুকনোর জায়গাও পাবেন না তিনি। সে কারণে ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের আগে গোবলয়ের এই বৃহত্তম রাজ্যে ক্ষমতা ধরে রাখতে ধর্মকেই হাতিয়ার করেছেন যোগী। মেরুকরণকেই ভোটে জেতার অস্ত্র বলে মনে করছেন তিনি। তবে এরপরেও যোগী শেষ হাসি হাসতে পারবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

Lakhimpur Kheri: কৃষকদের ‘খুন’, জেরার মুখে ডেঙ্গু আক্রান্ত মন্ত্রী-পুত্র

ministers-son-ashish-mishra

নিউজ ডেস্ক: আচমকা ডেঙ্গু আক্রান্ত লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুন মামলায় মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্র। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জেরা চলাকালীন অসুস্থ হয় আশিস। চিকিৎসকরা জানান ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে সে। দ্রুত আশিস কে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।

বন্দি আশিস মিশ্রর পিতা অজয় মিশ্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী। অভিযোগ, প্রবল প্রভাবশালী বিজেপি সাংসদ তাঁর প্রভাব খাটিয়ে পুত্র আশিসকে নির্দোষ প্রমাণে মরিয়া।

উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ চলছিল। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার আহ্বানে ও সারা ভারত কৃষকসভা সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন এই বিক্ষোভে অংশ নেয়। সেই জমায়েতের মাঝে প্রবল গতিতে গাড়ি চালিয়ে দেয় আশিস মিশ্র। মৃত্যু হয় কয়েকজন কৃষকের। উত্তেজিত কৃষকদের হামলায় গাড়িতে থাকা আরও দুজন মারা যায়। পালিয়ে যায় আশিস।

অভিযোগ, লখিমপুর খেরির ঘটনাকে আড়াল করতে ততপর উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। তবে কৃষক সংগঠনগুলির চাপের মুখে সরকার বিব্রত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শুরু হয়েছে তদন্ত। পলাতক থাকা অাশিস মিশ্র আত্মসমর্পণ করে। তার জেরা চলছে। এই জেরায় বারবার অসঙ্গতি ধরা পড়ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ক্রমাগত জেরার মু়খে ভেঙে পড়ছে আশিস। এর পরেই তার ডেঙ্গু ধরা পড়ল।

#Lakhimpurkheri: ৮ কৃষক ‘খুন’ ঘটনায় মন্ত্রী-পুত্রকে গ্রেফতার দাবি হান্নান মোল্লার, নিন্দা মমতার

Lakhimpurkheri

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের লখিমপুরখেরি কৃষক জমায়েতে গাড়ি চাপা দিয়ে অন্তত ৮ কৃষককে ‘মেরে ফেলা’র অভিযোগ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস মিশ্রকেই দায়ি করা হয়েছে।অভিযুক্তকে গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন সর্বভারতীয় কৃষক নেতা তথা কৃষকসভার (AIKS) সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। সোমবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ প্রতিনিধিরা।

প্রবল বিতর্কে উত্তর প্রদেশে(UP) ক্ষমতাসীন বিজেপি(BJP)। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জরুরি বৈঠক করেন লখনউতে। তিনি জানান, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। দোষীকে চিহ্নিত করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। তাঁর নির্দেশে লখিমপুরখেরিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

রবিবার রক্তাক্ত ঘটনার সাক্ষী থেকেছে লখিমপুরখেরি। এখানেই কেন্দ্র সরকারের কৃষি আইন বাতিলের প্রতিবাদে কৃষক জমায়েত চলছিল। অভিযোগ, সেই জমায়েতের মধ্যে তীব্র গতিতে গাড়ি চালিয়ে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। চাকায় পিষ্ট হন বেশ কয়েকজন কৃষক। মর্মান্তিক এই ঘটনায় অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও জখম ৬ জন। তাদের কয়েকজন আশঙ্কাজনক।

গাড়ি চালিয়ে হামলার অভিযোগে লখিমপুরখেরি প্রবল উত্তপ্ত। উত্তেজিত কৃষকরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে আটকে রাখেন। তবে তিনি দাবি করেন, পুত্র আশিস কোনওভাবেই এই ঘটনায় জড়িত নয়। ঘেরাওয়ের মধ্যে পড়েন উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। তাঁদের ছাড়াতে গেলে রক্ষীদের সামনেই গাড়িতে আগুন ধরায় বিক্ষোভকারী কৃষকরা। তাদের আরও অভিযোগ, মৃত আট কৃষকের মধ্যে দুজন ‘গুলিবিদ্ধ’।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম (CPIM) সাংসদ তথা সর্বভারতীয় কৃষক নেতা হান্নান মোল্লার দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘনিষ্ঠ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে অবিলম্বে বরখাস্ত করুক সরকার। রাকেশ টিকায়েত সহ কৃষক নেতাদের হুঁশিয়ারি উত্তর প্রদেশ অচল করে দেওয়া হবে।

কৃষক সভা (AIKS) , ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন লখিমপুরখেরি ঘেরাও ডাক দিয়েছে। উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ থেকে কৃষকদের লখিমপুরখেরির দিকে আসার আহ্বান জানানো হয়।

Tension increasing in Lakhimpurkheri

লথিমপুরখেরিতে কৃষকদের ‘খুন’ করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ রাজ্যের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী সমাজবাদী পার্টির (SP) অখিলেশ যাদব ও বহুজন সমাজপার্টির (BSP) মায়াবতীর। দুটি দলই উত্তর প্রদেশ জুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

কৃষক বিক্ষোভের রেশে এমনিতেই উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানায় প্রবল। দুই রাজ্যেই বিক্ষোভকারীদের হাতে বারবার লাঞ্ছিত হয়েছেন বিজেপি মন্ত্রী ও নেতারা। লখিমপুরখেরির রক্তাক্ত ঘটনায় ফের মার খাওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, লখিমপুরখেরিতে ‘ঠান্ডা মাথায় কৃষকদের খুন করেছে বিজেপি (BJP) সরকার। বিক্ষোভ আরও জমাট হবে এমনই হুঁশিয়ারি কৃষক নেতাদের।

Uttar Pradesh: মোদী সরকারের মন্ত্রীর ছেলে গাড়িতে পিষে মারলেন ৮ কৃষককে

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

নিউজ ডেস্ক: কৃষক জমায়েতের মধ্যে প্রবল গতিতে গাড়ি চালিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র। মর্নান্তিক এই ঘটনায় আট কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আরও কয়েকজন জখম। প্রবল উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) লখিমপুর খেরি। উত্তেজিত কৃষকরা একটি গাড়িতে আগুন ধরান। 

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্রকে রক্ষা করতে গিয়ে পুলিশ আক্রান্ত হয়। ঘটনাস্থলে এসে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন উত্তর প্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। পুলিশ বলছে দু জন। অসমর্থিত সূত্র বলছে ৮ ৷ ভারতীয় কিসান ইউনিয়নের (BKU) দাবি মৃত ৮ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে৷