दोपहर एक बजे तक की वोटिंग में कोलकाता काफी पीछे, बशीरहाट सबसे आगे

कोलकाता : पश्चिम बंगाल में शनिवार को अंतिम चरण के लोकसभा चुनाव (Lok Sabha Election ) में राज्य की नौ लोकसभा सीटों पर मतदान चल रहा है. दोपहर एक बजे तक मतदान की स्थिति पर नजर डालने पर पता चल रहा है कि बशीरहाट लोकसभा क्षेत्र के मतदाता बाकी जगहों की तुलना में ज्यादा तत्परता के साथ वोटिंग कर रहे हैं. दोपहर एक बजे तक बशीरहाट संसदीय सीट पर 50.89 फीसदी वोट पड़ चुके थे. बता दें कि इसी लोकसभा क्षेत्र में संदेशखाली भी है, जहां महिला उत्पीड़न को लेकर काफी बवाल होते रहा है.

दूसरी तरफ कोलकाता के मतदान केंद्रों पर धीमी गति से मतदान हो रहा है. एक बजे तक कोलकाता उत्तर संसदीय सीट के लिए 39.48 प्रतिशत व कोलकाता दक्षिण में 39.70 प्रतिशत ही वोटिंग हो सकी थी. दोपहर एक बजे तक हुए मतदान के आंकड़ों के मुताबिक बारासात में 47.49 प्रतिशत, दमदम में 41.09 प्रतिशत, जयनगर में 48.27 प्रतिशत, मथुरापुर में 47.03 प्रतिशत, डायमंड हार्बर में 47.33 प्रतिशत और जादवपुर में 43.25 प्रतिशत मत पड़े हैं. सभी नौ सीटों के लिए दोपहर एक बजे तक 45.07 प्रतिशत वोट पड़ चुके थे.

इस चरण में कुल 1.63 करोड़ मतदाता है जिनमें 83.19 लाख पुरुष, 80.20 लाख महिलाएं और 538 ‘ट्रांसजेंडर’ हैं. इस चरण के लिए 17,470 मतदान केंद्र बनाये गये हैं.अधिकारी ने बताया कि निर्वाचन आयोग ने अंतिम चरण के लिए 33,000 से अधिक राज्य पुलिसकर्मियों के साथ ही केंद्रीय बलों की 967 कंपनी को तैनात किया है.

করোনা বিধি মেনে যথাসময়েই পাঁচ রাজ্যে ভোট হবে: নির্বাচন কমিশনার

Election Commissioner

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ২০২১-এর এপ্রিল-মে মাস নাগাদ দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছিল করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (second wave) । দ্বিতীয় ঢেউয়ে দেশে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (assembly election ) অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের পরেই সংক্রমণের (infection) সংখ্যা হু হু করে বেড়ে যায়। কিন্তু সেই ঘটনা থেকেও কোনও শিক্ষা নিল না নির্বাচন কমিশন।

বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র (sudhil chanda) জানিয়েছেন, আগামী বছরের শুরুতেই যথাসময়ে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হবে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।

২০২২-এর শুরুতেই যে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট রয়েছে সেগুলি হল পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, গোয়া এবং মণিপুর। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রতিটি রাজ্যে সব রাজনৈতিক দলই চাইছে যথা সময়ে ভোটগ্রহণ হোক। তাই আমরা নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছি না। যথাসময়ে নির্বাচন হবে। করোনাজনিত বিধিনিষেধ মেনেই হবে ভোটগ্রহণ। এজন্য সব রাজ্যেই বুথের সংখ্যা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীলচন্দ্র এদিন বলেন, শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশ এবার ১১ হাজার বুথ বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি ভিড় এড়াতে বাড়ানো হয়েছে ভোট দানের সময়সীমাও। সকাল ৬টা থেকে ভোট শুরু হয়ে চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, পাঁচ রাজ্যে যথা সময়ে ভোট করা যায় কিনা তা খতিয়ে দেখতে কমিশন এক প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল। সেই প্রতিনিধিদলের রিপোর্ট ছিল ইতিবাচক। সেই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই বলা হচ্ছে নির্দিষ্ট সময়ে ভোট গ্রহণ করতে কোন সমস্যা হবে না। এখনই নির্বাচনী সভা-সমাবেশের উপরও কোনওরকম নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে না বলেও সুশীল চন্দ্র জানান।

তবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে সব রাজনৈতিক দলকে করোনাজনিত বিধিনিষেধ মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, যাঁদের বয়স ৮০ বা তার বেশি, যাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং যাঁরা শারীরিকভাবে অক্ষম তাঁরা মনে করলে বাড়িতে বসেই ভোট দিতে পারবেন। এজন্য কমিশন সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। যে সমস্ত ভোট কর্মী ভোটগ্রহণের কাজে যুক্ত থাকবেন তাদের অবশ্যই করোনার টিকার দুটি ডোজ নেওয়া বাধ্যতামূলক।