शादी की दावत में नहीं म‍िली गर्म रोटी, जमकर हुई मारपीट

 लखनऊ : बरेली के नवाबगंज में एक युवक की शादी की दावत में रोटी को लेकर बवाल हो गया। गर्म रोटी न मिलने से नाराज कुछ युवकों ने हंगामा करना शुरू कर दिया। इसको लेकर युवकों और दूल्हे के घरवालों के बीच मारपीट तक हो गई। दोनों पक्षों ने एक-दूसरे पर कुर्सियां फेंकनी शुरू कर दी। इसका वीडियो सोशल मीडिया पर वायरल हो गया।

नगर के मोहल्ला बंजारान निवासी मोहम्मद दानिश मोबाइल शॉप चलाता है। रविवार को उसकी शादी थी। उसने शनिवार की रात कस्बे के सरताज बरातघर में दावत दी थी। यहां पर कुछ देर बाद कुछ युवकों का गर्म रोटी को लेकर खाना खिला रहे दूल्हे के घरवालों से विवाद हो गया। दोनों पक्षों के बीच मारपीट हो गई। दोनों पक्षों ने एक-दूसरे को कुर्सियां फेंक कर मारी, जिसमें दर्जन भर कुर्सिया टूटने के साथ ही कई लोग चोटिल हो गए।

जैसे-तैसे लोगों ने बीच-बचाव कराया। इसी बीच वहां मौजूद लोगों ने इसका वीडियो बना ल‍िया। रविवार को उसकी बारात पीलीभीत गई थी। सोमवार को दूल्हा दुल्हन को विदा कराकर घर लाया, जिसके बाद किसी ने मारपीट की वीडियो को सोश्ल मीडिया पर वायरल कर दिया। सीओ हर्ष मोदी ने बताया कि बरातघर में मारपीट का एक वीडियो वायरल हो रहा है। अभी इस मामले में कोई तहरीर नहीं मिली है। अगर कोई पक्ष तहरीर देता है तो कार्रवाई की जाएगी।

Women’s Legal Marriage Age: ১৮ নয়, মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়ছে

women

নিউজ ডেস্ক : এবার বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে মোদী সরকার। মেয়েদের (Women) বিয়ের ন্যূনতম বয়স আর ১৮ বছর থাকবে না, তা বাড়িয়ে ২১ বছর করার প্রস্তাব পাশ হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়। গত স্বাধীনতা দিবসের ভাষণেও প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, মেয়েদের বিয়ের বয়স কত হওয়া উচিত তা নিয়ে দেশজুড়ে সমীক্ষা চলছে। কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটির সুপারিশ মেনে খুব দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় সরকার।

দেশে এখন মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। পুরুষদের ২১ বছর। এই দুয়ের ফারাক ঘোচানোর দাবি আগেও উঠেছিল। ‘সারদা আইন (১৯২৯)’ সংশোধন করে ভারতে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৫ থেকে বাড়িয়ে ১৮ বছর করা হয়েছিল। তবে প্রসূতি মৃত্যুর হার কমানো ও মহিলাদের পুষ্টি সরবরাহের দিকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য এই বিষয়ে ফের দেশজুড়ে পর্যালোচনা করার দাবি উঠেছিল।

অনেকসময়েই দেশের অনেক জায়গাতেই মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার আগেই মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। পরিণত হওয়ার আগেই মাতৃত্বের মতো গুরুদায়িত্বের বোঝাও চাপিয়ে দেওয়া হয়। তাই এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পুনর্বিবেচনা করার চিন্তাভাবনা করছিল মোদী সরকারও।

জানা গেছে, মেয়েদের বিয়ের বয়স সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গত জুন মাসে রাজনীতিবিদ তথা সমাজকর্মী জয়া জেটলির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছিল কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক। মেয়েদের বিয়ের বয়সের পরিবর্তন প্রয়োজন আছে কি না, বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে তা নিয়ে রিপোর্ট দিয়েছে এই কমিটি। ১০ সদস্যের এই কমিটিতে নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পল ছাড়াও রয়েছেন স্কুলশিক্ষা, উচ্চশিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী ও শিশুকল্যাণ সচিবরা। মাতৃত্বের বয়স, মহিলাদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে খতিয়ে দেখা, প্রসূতির মৃত্যুর হার কমানো, ইত্যাদি বিষয়ে নজর রেখে রিপোর্ট তৈরি করেছে এই কমিটি।

২ বছর আগে একই প্রস্তাব এসেছিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফেও। মেয়েদের ন্যূনতম বিয়ের বয়স কত হওয়া দরকার তা নিয়ে কোনও সুপারিশ না করলেও, মানবাধিকার কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল পুরুষ ও নারীর বিয়ের বয়স এক হওয়া দরকার। এ বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত সরকারকেই নিতে হবে।

Pulwama: জঙ্গিহানায় শহিদ জওয়ানের বোনের বিয়ের যাবতীয় দায়িত্ব সামলাল সহকর্মীরা

CRPF soldiers walked Constable Shailendra Pratap Singh's sister

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: গতবছর পুলওয়ামায় (Pulwama) কর্তব্যরত অবস্থায় জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন সিআরপিএফ (CRPF) জওয়ান শৈলেন্দ্র প্রতাপ সিং (Shailendra Pratap Singh)। সিআরপিএফ-এর ১১০ নম্বর ব্যাটালিয়নের সদস্য ছিলেন শৈলেন্দ্র প্রতাপ। সোমবার ছিল শৈলেন্দ্রর বোন জ্যোতির বিয়ে। 

পরিবারের অন্যতম রোজগেরে সদস্য শৈলেন্দ্রকে হারিয়ে কিভাবে জ্যোতির বিয়ে হবে তা নিয়ে তার পরিবারের চিন্তার শেষ ছিল না। জ্যোতির বাবা যথেষ্টই বৃদ্ধ হয়েছেন। মেয়ের বিয়ের জন্য আর ছুটোছুটি করার মতো সামর্থ্য তাঁর নেই। এই অবস্থায় জ্যোতির বিয়ের সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন শৈলেন্দ্রর সহকর্মীরা। শৈলেন্দ্র সহকর্মীরা সকলেই সোমবার ছুটে এসেছিলেন উত্তরপ্রদেশে।

বোনের বিয়েতে দাদার যে কর্তব্য পালন করা উচিত শৈলেন্দ্র সহকর্মীরা জ্যোতির বিয়েতে সোমবার তার পুরো দায়িত্বই বহন করেছেন। সিআরপিএফ জওয়ানরা টুইট করে যে সমস্ত ছবি প্রকাশ করেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, তাঁরা সেনাবাহিনীর পোশাকেই জ্যোতির বিয়ের যাবতীয় দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। শুধু বিয়ের আচার-আচরণ পালন নয়, অথিতি অভ্যাগতদের আপ্যায়ন থেকে তাঁদের খাওয়া-দাওয়া সব দিকেই ছিল জওয়ানদের সজাগ দৃষ্টি।

শৈলেন্দ্রর সহকর্মীদের এই ব্যবহারে রীতিমতো আপ্লুত হয়েছেন তাঁর বৃদ্ধ বাবা। শৈলেন্দ্রর বাবা জানিয়েছেন, আমার ছেলে আজ এই দুনিয়ায় নেই। কিন্তু আমি আজ বহু সিআরপিএফ জওয়ানকে নিজের ছেলে হিসেবে পেয়েছি। তাঁরা আজ আমার বা আমার পরিবারের জন্য যা করেছেন তা আমি সারা জীবনেও ভুলব না। জঙ্গিরা আমার এক ছেলেকে কেড়ে নিয়ে অনেক ছেলেকে ফিরিয়ে দিয়েছে। জওয়ান দাদাদের কথা বারবার বলেছেন সদ্য বিবাহিত জ্যোতি। তিনি বলেছেন, দাদারা না থাকলে হয়তো আমার বিয়েটাই হত না। ওঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। জওয়ান দাদাদের ভূমিকায় নতুন জামাইও বাকহারা।

শৈলেন্দ্রর সহকর্মীরা অবশ্য তাঁদের এই কর্তব্য পালনকে বিশেষ কোনও গুরুত্ব দিতে রাজি নন। তাঁরা পাল্টা বলেছেন, জ্যোতিও আমাদের বোন। তাই বোনের বিয়েতে যা করা দরকার তাঁরা শুধুমাত্র সেটুকুই করেছেন।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৫ অক্টোবর শ্রীনগরে জঙ্গিরা টহলরত জওয়ানদের ওপর আচমকাই গুলি চালায়। ওই ঘটনায় দুইজন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল। গুরুতর জখম হয়েছিলেন ৫ জন।

Madhya Pradesh: বিয়ে বাড়িতে ঢুকে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিয়ে গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা

Madhya Pradesh

নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের  (Madhya Pradesh)মান্দসাউর (mandsaur) এলাকায় রবিবার চলছিল একটি বিয়েবাড়ি (weeding ceremony)। দুপুরে অতিথি অভ্যাগতরা সবে খেতে বসেছেন। এ সময় কয়েকজন ব্যক্তি জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে দিতে বিয়ে বাড়িতে ঢুকে পড়ে।

এরপর আচমকাই ওই ব্যক্তিরা গুলি (shoot) চালাতে শুরু করে। এ ঘটনায় দেবীলাল মিনা (debilal meena) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন কয়েকজন। গুলি চালানোর পরেই মুহূর্তের মধ্যেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। তবে শেষ পর্যন্ত এই ঘটনায় পুলিশ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ অফিসার অমিত ভার্মা জানিয়েছেন, রবিবার দুপুর ২ টা নাগাদ ওই হামলা চালানো হয়। একদল দুষ্কৃতী জয় শ্রীরাম বলে চিৎকার করতে করতে ওই বিয়েবাড়িতে ঢুকে আচমকাই গুলি চালায়। দুষ্কৃতীদের ধারণা ছিল, ওই বিয়ের অনুষ্ঠানটি বেআইনি। কিন্তু তার জন্য তাদের গুলি চালানোর অনুমতি কে দিল তা এখনও জানা যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম দেবীলাল মিনা। মৃত ব্যক্তি গ্রামের প্রাক্তন সরপঞ্চ বা গ্রামপ্রধান ছিলেন। গুলির আঘাতে তিনি গুরুতর জখম হয়ে ছিলেন। সেখান থেকে তাঁকে রাজস্থানের কোটায় এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকরা দেবীলালকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ওই বিয়ের অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছিলেন স্বঘোষিত গডম্যান রামপাল। গুলি চালানোর ঘটনায় প্রবল ক্ষোভ ছড়ায় এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় বাসিন্দারা পথ অবরোধ করেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গুলি চালানোর ঘটনায় ডানপন্থী বা গেরুয়া পন্থী দলের সদস্যরা যুক্ত। তবে পুলিশ এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি। কারা এবং কেন এই হামলা চালিয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই হামলার ঘটনায় রাজনীতির কোনও যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে।

দুষ্কৃতীদের হামলার এই ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পরেই বিয়ে বাড়িতে আমন্ত্রিত লোকজন ভয়ে ছোটাছুটি করছেন। ভীত এবং সন্ত্রস্ত সকলেই নিজের প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত। দুষ্কৃতীদের উদ্যত বন্দুকের সামনে বিয়েবাড়ির অনেকেই ভয়ে ঠকঠক করে কাঁপছেন। বিয়ে বাড়ির কয়েকজন শেষ পর্যন্ত ওই দুষ্কৃতীদের তাড়া করলে তারা পালিয়ে যায়। পরে অবশ্য তিনজন ধরা পড়েছে। গুলি চালানোর ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই খুনের মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। বাকিদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।