बोर हुआ बीवी से तो फंसा ली साली, साली को ले भागा दिल्ली

लखनऊ:  उत्तर प्रदेश के महाराजगंज में एक बुजुर्ग ने अपने ही दामाद के खिलाफ बेटी की किडनैपिंग का मामला दर्ज करवाया। बुजुर्ग ने पुलिस को कहा- साहब मेरा दामाद मेरी छोटी बेटी को लेकर कहीं भाग गया है। उसने उसे प्रेम जाल में फंसाया और फिर दोनों 24 अगस्त को कहीं भाग गए। हमने उन्हें कई जगह तलाशा मगर कुछ पता नहीं लगा। पुलिस ने FIR दर्ज कर जांच शुरू की। अब आरोपी की लोकेशन पुलिस को पता चल गई है।

आरोपी इस समय दिल्ली में है। पुलिस ने कहा कि जल्द ही आरोपी दामाद को गिरफ्तार कर लिया जाएगा। नाबालिग लड़की को परिजनों को सौंपा जाएगा। मामला सोनौली कोतवाली क्षेत्र के एक गांव का है। जानकारी के मुताबिक, यहां एक जीजा अपनी ही नाबालिग साली को लेकर दिल्ली भाग गया है। लड़की के पिता ने पुलिस को बताया- मेरी बड़ी बेटी की शादी सिद्धार्थनगर के नौडिहवा के ग्राम तखवा में हुई है।

पीड़ित के मुताबिक- दामाद गौतम अक्सर हमारे घर आता-जाता रहता था। कुछ दिनों से उसकी अपनी बीवी से नही बन रही थी। इस बीच 24 अगस्त से हमारी छोटी बेटी अचानक गायब हो गई। पता चला कि गौतम उसे बहला फुसलाकर अपने साथ ले गया है। लेकिन दोनों कहां हैं ये नहीं पता चल रहा। न ही गौतम हमारा फोन उठा रहा है।

बुजुर्ग की तहरीर पर पुलिस ने मामले की जांच शुरू की। इसके बाद पता चला कि आरोपी दिल्ली में अपनी बहन के यहां है। लड़की कहां है ये अभी तक नहीं पता लग पाया है। फिलहाल पुलिस दिल्ली की तरफ रवाना हो गई है। जल्द ही आरोपी को गिरफ्तार कर लिया गया है। लड़की को भी जल्द ही ढूंढकर परिजनों को सौंप दिया जाएगा। मामले में आगामी कार्रवाई जारी है। उधर, लड़की की बहन का रो-रोकर बुरा हाल है। उसने तो सपने में भी नहीं सोचा होगा कि पति ऐसी हरकत करेगा। उसी की बहन को भगा ले जाएगा।

Kanpur: করোনাজনিত অবসাদে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে খুন করলেন এক চিকিৎসক

Doctor kills wife and children in Kanpur

নিউজ ডেস্ক, লখনউ: উত্তরপ্রদেশের কানপুরের (kanpur) এক বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান চিকিৎসক সুশীল কুমার (shusil kumar)। করোনা আক্রান্তদের (corona infected) মৃত্যু দেখতে দেখতে মানসিক অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন এই প্রবীণ চিকিৎসক। মানসিক অবসাদের (mental depression ) কারণে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে নিজের স্ত্রী ও দুই সন্তানকে খুন করলেন তিনি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের মানুষ চমকে উঠেছেন।

জানা গিয়েছে, চিকিৎসক হিসেবে হাসপাতলে যুক্ত থাকার কারণে বিগত দেড় বছর ধরে একের পর এক করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু সামনে থেকে দেখেছেন তিনি। করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউ কিভাবে মৃত্যু মিছিলের কারণ হয়ে উঠেছিল তা সরাসরি প্রত্যক্ষ করেছিলেন সুশীল কুমার। সম্প্রতি করোনার নতুন প্রজাতি ওমিক্রনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সুশীল তাঁর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। ওমিক্রনের হাত থেকে নিজের পরিবারকে রক্ষা করতে ওই চিকিৎসক নিজের হাতেই স্ত্রী চন্দ্রপ্রভা (৪৮) ও ছেলে শিখর (১৯) ও মেয়ে খুশিকে (১৬) হত্যা করেন। পুলিশ চিকিৎসকের স্ত্রী ও সন্তানদের দেহের কাছ থেকে একটি নোট উদ্ধার করেছে।

ওই নোটে সুশীল কুমার লিখেছেন, ‘আমি আর লাশ গুনতে চাই না’। স্ত্রী এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে সুশীল কুমারের সংসার। তিনি কানপুরের ইন্দিরা নগরের বাসিন্দা। শুক্রবার সন্ধ্যায় হঠাৎই ওই চিকিৎসকের ভাইয়ের মোবাইলে একটি মেসেজ আসে। সেখানে সুশীলকুমার লিখেছিলেন, মানসিক অবসাদের কারণে তিনি নিজের ছেলে, মেয়ে ও স্ত্রীকে খুন করেছেন। এই মেসেজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সুশীলের ভাই বিষয়টি পুলিশকে জানান পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই চিকিৎসকের বাড়ি থেকে তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানের নিথর দেহ উদ্ধার করে। মৃতদেহের পাশেই পড়েছিল একটি ভারী হাতুড়ি ও সুশীল কুমার এর লেখা ওই চিঠি।

চিঠিতে সুশীলকুমার লিখেছেন, তিনি নিজে এক দুরারোগ্য অসুখে ভুগছেন। তিনি তাঁর পরিবারকে কোনও রকম সমস্যায় ফেলতে চান না। ইতিমধ্যেই করোনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নতুন প্রজাতি ওমিক্রনের কারণে আরও বহু মানুষ মারা যাবে। তাই নতুন করে তিনি আর মৃত্যু দেখতে পারছেন না। একই সঙ্গে ওই চিকিৎসক লিখেছেন, একটি ভুলের কারণে তিনি একই জায়গায় আটকে আছেন। সেখান থেকে বের হওয়া তাঁর পক্ষে দুঃসাধ্য। স্ত্রী, এক ছেলে ও মেয়েকে খুন করার পর অবশ্য সুশীল কুমার নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। এই মুহূর্তে তিনি কোথায় আছেন তা জানতে পুলিশ তল্লাশি করছে। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর হদিশ মেলেনি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ভারি হাতুড়ি দিয়ে স্ত্রীকে খুন করেছেন সুশীল কুমার। ছেলে ও মেয়েকে শ্বাসরোধ করে খুন করেছেন। সম্ভবত শুক্রবার সকালের দিকেই এই খুনগুলি করেছেন তিনি।

Discovery is the Rickshaw:পঙ্গু স্ত্রীকে শহর দেখাবেন, আবিষ্কার হল রিকশা

rickshaw

বিশেষ প্রতিবেদন: রিকশা (Rickshaw) জাপানে উদ্ভাবিত হলেও সেটির নকশা করেছিলেন জোনাথন স্কোবি বা জোনাথন গোবলে নামের একজন মার্কিন খ্রিস্টান মিশনারী । পারকার এফ ক্যালভিনের লেখা জোনাথন গোবলে ইন জাপান বইয়ে এমনটাই দাবি করা হচ্ছে। 

মি. জোনাথন ধর্ম প্রচারের কাজে জাপানের ইয়োকোহামা শহরে থাকতেন। তার স্ত্রী এলিজা গোবলে হাঁটতে চলতে পারতেন না। স্ত্রীকে ইয়োকোহামা শহর ঘুরিয়ে দেখাতে মি. স্কোবি ১৮৬৯ সালে দুই চাকার সামনে হাতল বিশিষ্ট বাহনের নকশা আঁকেন এবং কাঠ দিয়ে তৈরি করেন। সেই বাহনের নাম তিনি দেন জিনরিকশা।যা কালের বিবর্তনে রিকশা নামেই পরিচিতি পায়।

দুই চাকার এই হাতে টানা বাহনটি রিকশার প্রাথমিক সংস্করণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট নিবন্ধন পায়। তারপর সেটির অনুকরণে জাপানে এই বাহনটি নির্মাণ শুরু হয়। তবে এটি কোন মানুষ পরিবহনে নয় বরং ব্যবহৃত হতো মালপত্র পরিবহনের জন্য। আবার এমনটাও বলা হয় যে, ১৮৮৮ সালে একজন মার্কিন ব্যাপ্টিস্ট রিকশা আবিষ্কার করেছেন।

উইলিয়াম ই লুইসের থ্রু দ্য হার্টল্যান্ড অন ইউএস বইয়ে বলা হয়েছে, রিকশা আবিষ্কার হয়েছিল ১৮৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের ওরচেস্টারে। সেখানকার এক কামার অ্যালবার্ট টোলম্যান দক্ষিণ আমেরিকান মিশনারীর চলাচলে সুবিধার জন্য রিকশাটি আবিষ্কার করেছিলেন বলে জানা যায়।

আবার বার্লিংটন কাউন্টি হিস্ট্রিকাল সোসাইটির গবেষণায় বলা হয়েছে, মার্কিন গাড়ি নির্মাতা জেমস বার্চের জাদুঘরে এ ধরণের একটি রিকশার মডেল প্রথম প্রদর্শন করতে দেখা যায়। সেটাও ১৮৬৭ সালের দিকে। মি. বার্চ দাবি করেছিলেন, এটি তার ডিজাইন করা বাহন।

Jalpaiguri: তৃণমূল নেতার সঙ্গে স্ত্রীর ঘনিষ্ট শর্ট ভিডিও দেখে তালাক দিল স্বামী

Trinamool leader wife

Jalpaiguri Desk: স্ত্রীর সঙ্গে পরপুরুষের শর্ট ভিডিও ভাইরাল। দেখেই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে তৎক্ষণাত ২৫ বছরের দাম্পত্য সম্পর্ক চুকিয়ে স্ত্রীকে তিন তালাক দিল স্বামী। যদিও সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী তিন তালাকের আইনি বৈধতা নেই।

জানা গিয়েছে, পরপুরুষ যাকে বলা হচ্ছে,  তিনি ওই মহিলার মেসোশ্বশুর। তার আরেক পরিচয় তিনি এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা এবং তার স্ত্রী বর্তমানে জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি ব্লকের গাদং ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটপাড়া এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যা। ভিডিওয় ভাইরাল তৃণমূল নেতার বিবাহিত জীবনও প্রায় তিন দশকের। ভিডিওতে যে দুজনকে দেখা গেছে তাদের দুজনেরই তিনটে করে সন্তান রয়েছে যারা প্রায় সকলেই প্রাপ্ত বয়স্ক এবং বিবাহযোগ্যও।

জানা গেছে তিন সন্তানের জননী ঐ মহিলার সাথে তৃণমূল নেতার বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক এক দশকের বেশি। মহিলার স্বামী জানান সম্ভবত তার স্ত্রী এবং ঐ তৃণমূল নেতা চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে রেজিষ্ট্রি বিয়েও করে নিয়েছে৷ মহিলার স্বামী জানান, মেসো শ্বশুরের সাথে স্ত্রীর মেলামেশা নিয়ে এর আগেও সামাজিক শালিশি হয়েছিল। সম্প্রতি মোবাইলে তাদের ঘনিষ্ট অবিস্থায় শ্যুট করা ভিডিও দেখে আর মাথা ঠিক ছিল না। তাই এলাকার লোকেদের ডেকে তালাক দিতে বাধ্য হই।

ঐ মহিলাও আর পুরোনো স্বামীর ঘর করতে নারাজ। তিনি জানান, ইসলামিক নিয়মে আমাদের তালাক হয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী একশো দিন পর আমি যাকে ইচ্ছে বিয়ে করতেই পারি৷ আমি প্রেমিকে বিয়ে করে তার কাছেই থাকতে চাই।

ঘটনায় নাম জড়ানো তৃণমূল নেতা অবশ্য পুরোটাকেই চক্রান্ত বলেছেন। তিনি বলেন, পুরোটাই আমার বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক চক্রান্ত। যারা ভিডিও বিকৃত করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবো। সময় সব মিথ্যের জবাব দেবে।

তবে স্বামীর সাথে পরস্ত্রীর ভিডিও ভাইরাল হওয়া নিয়ে তৃণমূল নেতার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যা স্ত্রীর কোন প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ঐ ব্যক্তি এবং মহিলার সন্তানদের বক্তব্যও মেলেনি বাবা মায়ের এই ভিডিও কান্ড এবং তাকে ঘিরে হওয়া তালাক কান্ড নিয়ে।

তবে ইতিমধ্যেই নেট দুনিয়ায় চুটিয়ে চলছে জনপ্রিয় চটুল গানের সাথে করা ঐ শর্ট ভিডিও গুলি। তৃণমূল নেতার ভিডিও ছড়িয়ে দিতে মাঠে নেমেছে বিরোধি বিজেপি সহ রাজনৈতিক দলগুলো। শাসকদলে ঐ নেতার বিরোধী গোষ্ঠীর লোকেরাও উৎসাহ নিয়েই নেট মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন অন্তরঙ্গ শর্ট ভিডিও।

খুশির খবর পোস্ট করলেন সস্ত্রীক রয় কৃষ্ণা

roy krishna with wife

Sports desk: আইএসএল শুরু হওয়ার আগে খুশির খবর এটিকে মোহনবাগান পরিবারের। দলের ফিজিয়ান স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণা বাবা হতে চলেছেন। বুধবার নিজের ইনস্ট্রাগ্রাম পোস্টে রয় কৃষ্ণা এবং তার স্ত্রী নাজিয়া দুজনে একসাথে একটি ছবি পোস্ট করেন।

ওই ইনস্ট্রাগ্রাম পোস্টে রয় কৃষ্ণা লিখেছেন,”আমার প্রিন্সেস (রাজকন্যা) আসতে চলেছে”, সঙ্গে ওই প্রিন্সেস একটি ‘কন্যা সন্তানে’ এই খবর জানিয়ে ফুটবলার রয় কৃষ্ণা ভীষণভাবে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছেন তা পোস্ট করা ইমোজি থেকেই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে।

roy krishna with wife

<

p style=”text-align: justify;”>আইএসএল টুর্নামেন্টের জন্য এটিকে মোহনবাগান এখন গোয়াতে। ১৯ নভেম্বর থেকে আইএসএল শুরু। প্রথম দিনে এটিকে মোহনবাগান খেলবে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে, ফতোদরা স্টেডিয়ামে।

T20 World Cup: পাকিস্তান জয়ে বাজি পোড়ানোয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের ঈশান মিঞার

Ishan Miyan

News Desk: গতমাসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে পাকিস্তানের (Pakistan)কাছে পরাজিত হয়েছিল বিরাট কোহলির ভারত (India)। দেশের পরাজয়ের পরেও এক মহিলা রীতিমতো মজা করছিলেন। শুধু তাই নয়, আনন্দ প্রকাশ করতে ওই মহিলা এবং তাঁর বাপের বাড়ির লোকজন দেদার বাজিও পোড়ান।

ভারতের পরাজয়ের পরেও এভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করায় তীব্র ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ওই মহিলার স্বামী। ঘটনার জেরে তিনি তার স্ত্রী এবং শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। উত্তরপ্রদেশের রামপুরের (Uttetpradesh) আজিমনগরে (Azimnagar) এই ঘটনাটি ঘটেছে।

কয়েকদিন আগেই ঈশান মিঞা (Ishan) নামে রামপুরের ওই ব্যক্তি তাঁর স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেও বিষয়টি রবিবারই প্রকাশ্যে এসেছে। পুলিশ এই অভিযোগের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঈশান মিঞা স্ত্রী রাবিয়া শামসি (Rabia Shamsi) এবং তাঁর শ্বশুরবাড়ি কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ঈশানের অভিযোগ, ভারতের পরাজয়ের পরেও তাঁর স্ত্রী রাবিয়া এবং তার বাপেরবাড়ির লোকজন রীতিমতো আনন্দে মেতে ওঠেন। আনন্দের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তাঁরা প্রচুর বাজি পোড়ান। বারবার বারণ করা সত্ত্বেও তাঁরা কোনও কথাই কানে তোলেননি। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে স্ট্যাটাসও দিয়েছেন তাঁরা।

এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ১৫৩-এ ধারা ছাড়াও ইনফরমেশন অ্যান্ড টেকনোলজি সংশোধনী আইন ২০১৮-র ৬৭ ধারাতেও অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি। যদিও তারা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

Mumbai: মন্ত্রী নবাব মালিকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সমীর ওয়াংখেড়ের স্ত্রীর

nabab malik Sameer Wankhede wife actress Kranti Redkar

News Desk, Mumbai: শাহারুখ পুত্র আরিয়ানকে গ্রেফতার করার পর খবরের শিরোনামে এসেছিলেন নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর জোনাল ডিরেক্টরে সমীর ওয়াংখেড়ে। কিন্তু সমীরের বিরুদ্ধে গত কয়েকদিন ধরে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক। সমীর মন্ত্রীর করা অভিযোগকে আদৌ পাত্তা দেননি। যে কারণে তিনি কোনও পালটা প্রতিক্রিয়া জানাননি।

তবে সমীরের স্ত্রী ক্রান্তি কিন্তু আর চুপ করে থাকলেন না। সোমবার এক বিবৃতিতে ক্রান্তি বলেছেন, নবাব রীতিমতো তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন। তাঁর স্বামী এবং পরিবারের নিরাপত্তা বিপন্ন। তাই মুম্বই পুলিশের কাছে ক্রান্তি নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন। মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সমীরের স্ত্রী আরও অভিযোগ করেছেন, কয়েকদিন আগে তিনজন অজ্ঞাতপরিচয় লোক তাঁদের বাড়ির বাইরে রেকি করে গিয়েছে। এই সব লোকজন কখন কী করবে তা আগে থেকে বোঝা মুশকিল।

ক্রান্তি আরও বলেছেন, আমার স্বামীর বিরুদ্ধে যারা বিভিন্ন অভিযোগ করছে এবার তাদের বিরুদ্ধেও তদন্ত হবে। আমরা পুলিশকে সিসিটিভির ফুটেজ দেব। সেখানেই পুলিশ দেখতে পাবে আমাদের বাড়ির সামনে অজ্ঞাতপরিচয় লোকজন ঘোরাঘুরি করছে। কেন করছে সেটা জানা দরকার। আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা আশঙ্কার মুখে। পুলিশের উচিত আমাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা। কারণ আমার বাচ্চারা ছোট।

অন্যদিকে মুম্বইয়ের প্রমোদতরী থেকে ধৃত অমিত কুমার নামে এক অভিযুক্তকে এদিন জামিন দিয়েছে বিশেষ আদালত। তার আগে বিশেষ আদালত গুরুত্বপূর্ণ কিছু মন্তব্য করেছে। আদালত বলেছে, শুধুমাত্র হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের ভিত্তিতে কাউকে মাদক সরবরাহ যুক্ত এটা বলা যায় না। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের উপর নির্ভর করে কখনওই আরিয়ান বা তার বন্ধুদের মাদক সরবরাহকারী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। কাউকে মাদক পাচারকারী হিসেবে চিহ্নিত করতে হলে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ থাকা দরকার। শুধুমাত্র হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের ভিত্তিতে কখনওই কাউকে মাদক পাচারকারীদের সঙ্গে যুক্ত বলা যায় না।

উল্লেখ্য, আরিয়ান, আরাবাজ মার্চেন্ট ও মুনমুন ধামেচার জামিনের আবেদন গত সপ্তাহেই মঞ্জুর করেছিল বম্বে হাইকোর্ট। সোমবার মাদক কাণ্ডে ধৃত আরও ৯ অভিযুক্তকেও জামিন দিল বিশেষ আদালত। বিশেষ আদালতের বিচারক ভিভি পাতিলের এই মন্তব্যে নিশ্চিত ভাবেই বিপদে ফেলবে এনসিবিকে। কারণ তদন্তকারী সংস্থা আরিয়ান-সহ অন্যদের বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের ভিত্তিতেই মাদক কাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিল।

দামি স্মার্ট ফোনের শখ মেটাতে সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীকে বিক্রি করে দিল নাবালক স্বামী

minor, husband, sold , newly, married, wife ,smart phone

নিউজ ডেস্ক: পাত্রের থেকে পাত্রীর বয়স প্রায় ১০ বছর বেশি। শুধু তাই নয়, পাত্র ছিল নাবালক। তাই এই বিয়েতে ওই নাবালকের বাড়ির ছিল তীব্র আপত্তি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাড়ির অমতে ২৬ বছরের যুবতীকে বিয়ে করে ১৭ বছরের এক নাবালক। সংসারে ছিল তীব্র অর্থ কষ্ট। তাই ভিন রাজ্যে গিয়ে একটি ইটভাটায় কাজ করে দিন কোনরকমে দিন গুজরান করছিল ওই দুইজন।

রাজস্থানের এক ইট ভাটায় কাজ করছিল তারা। ওই নাবালক কিশোরের স্মার্টফোন কেনার বিশেষ শখ ছিল। কিন্তু ফোনের টাকা কোনোভাবেই জোগাড় হচ্ছিল না । শেষ পর্যন্ত ফোনের টাকা জোগাড় করতে সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে বিক্রি করে দিল ওই নাবালক। শুধু তাই নয়, স্ত্রীকে বিক্রি করে দিয়ে ওড়িশায় নিজের বাড়িতেও চলে আসে ওই নাবালক। যুবতীর বাড়ির লোকজন পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করে। শেষ পর্যন্ত ওই নাবালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে যুবতীকে উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে পুলিশ। ওই নাবালক পাত্র এবং পাত্রী দুজনেই ওড়িশার বাসিন্দা।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই নাবালক এবং তার স্ত্রী দুজনেই বিয়ের পর কাজের সন্ধানে রাজস্থানে চলে যায়। সেখানেই তারা একটি ইটভাটায় কাজ শুরু করে। কিন্তু মাসখানেকের মধ্যেই ওই নাবালক তার স্ত্রীকে এক বছর ৫৫-র প্রৌঢ়ের কাছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়। ওই টাকা দিয়েই সে একটি দামি স্মার্টফোন কেনে। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকদিন ধরেই সে খাওয়া-দাওয়া ও অন্যান্য খাতে বিপুল টাকা খরচ করে। তারপর সে ফিরে আসে ওড়িশার বাড়িতে।

ওই নাবালকের সঙ্গে তার স্ত্রী না ফেরায় ওই যুবতীর বাড়িলোকজন তার খবর জানতে চেষ্টা করে। কিন্তু কিশোর জানায়, ওই যুবতী তাকে ছেড়ে অন্য একজনের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছে। এতেই ওই যুবতীর পরিবারের সন্দেহ হয়। তারা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানায়। এরপর ওই যুবককে দীর্ঘ জেরা করে আসল ঘটনাটি জানতে পারে পুলিশ। জেরায় ওই কিশোর জানিয়েছে, তার অনেকদিনের শখ ছিল একটি দামি স্মার্টফোন কেনার। কিন্তু কিছুতেই সে টাকার যোগাড় করতে পারছিল না। তাই রাজস্থানের এক ব্যক্তির কাছে সে স্ত্রীকে বিক্রি করে দিয়েছে।

এরপর ওই যুবকের দেওয়া ঠিকানা ধরে ওড়িশা পুলিশ রাজস্থানের বালানগিরে পৌঁছয়। সেখানে থেকেই ওই যুবতীকে উদ্ধার করে পুলিশ। তবে উদ্ধার করা আদৌ সহজ হয়নি। কারণ যার কাছে ওই যুবতীকে বিক্রি করা হয়েছিল তার বাড়ির এবং আশপাশের লোকজন পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, ওই যুবতীকে প্রায় দু’লাখ টাকা দিয়ে তারা কিনেছে। তাই তাকে ফেরত দেওয়া সম্ভব নয়। শেষ পর্যন্ত রাজস্থান পুলিশের সহায়তায় ওই যুবতীকে উদ্ধার করে ওড়িশা পুলিশ। শুক্রবার ওই যুবককে আদালতে তোলা হলে তাকে সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় কোর্ট ।

লালটিপের সঙ্গে সিঁথিতে মোটা গাঢ় সিঁদুরে নতুন লুকে পিঙ্কি

Kanchan Mallick's wife Pinky

বায়োস্কোপ ডেস্ক: একাবারে অন্য লুকে ধরা দিলেন কমেডিয়ান কাঞ্চন-জায়া পিঙ্কি। কপালে লাল টিপ, সিঁথিতে গাঢ় সিঁদুর৷ তার সঙ্গে লাল পাড় সাদা শাড়ি। হঠাৎ করে কেন এতো বদলে গেলেন পিঙ্কি? তবে কি স্বামী কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে সব মিটমাট করে একেবারে ঘরোয়া বধূ হয়ে উঠেছেন পিঙ্কি? উত্তর দিলেন অভিনেত্রী নিজেই।

সম্প্রতি এক প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পিঙ্কি জানান, খুব তাড়াতাড়ি তাঁকে এই রূপে নতুন ধারাবাহিকে দেখা যাবে। নতুন ধারাবাহিকের খাতিরেই তাঁর এই সাঁজ। ধারাবাহিকে তাঁর চরিত্রের স্বার্থে তাঁকে রীতিমতো সনাতনী ঐতিহ্য এবং ধর্ম-সংস্কৃতি নিয়ে লেখাপড়া করতে হচ্ছে। যদিও কোন ধারাবাহিকে তাঁকে দেখা যাবে, সেই নিয়ে মুখ খোলেননি পিঙ্কি। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, আকাশ আট চ্যানেলের পরবর্তী ধারাবাহিক ‘মেয়েদের ব্রতকথা’তে তাঁকে এই লুকে দেখা যাবে।

নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে পিঙ্কি জানান, অতীতকে ভুলে গিয়ে এখন তিনি শান্তিতে আছেন। পুরনো কোনও ঘটনা নিয়ে কোনও রকম মন্তব্য করতে চাননি পিঙ্কি। তবে, এই মুহূর্তে অভিনেত্রীর মা বেশ অসুস্থ। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন। এখন আপাতত পিঙ্কি কাজে মন দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি তাঁর একমাত্র সন্তান এবং মায়ের দেখভাল করতেই ব্যস্ত পিঙ্কি।