Weather Update: আজ থেকেই আবহাওয়ার উন্নতি

kolkata

নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় জওয়াদের সরাসরি প্রভাব না পড়লেও, নিম্নচাপের জেরে লাগাতার বৃষ্টি চলার পর অবশেষে কাটল দুর্যোগ। মঙ্গলবার থেকে উন্নতি হবে আবহাওয়ার। দুর্যোগ কাটায় মঙ্গলবার থেকেই কমতে শুরু করবে তাপমাত্রা। 

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সপ্তাহান্তে রাজ্যে ফিরবে শীতের আমেজ। সোমবার সকালেও কোথাও ভারী, কোথাও হালকা বৃষ্টি হয়েছে। ৩ দিনের এই বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চাষবাসের জমিতে। উত্তরবঙ্গে আগামী ৫ দিন আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস। তবে আগামীকাল উত্তর-পূর্ব ভারতে বৃষ্টি বাড়বে। অসম, মেঘালয়, মিজোরাম, মনিপুর, অরুণাচলপ্রদেশ, ত্রিপুরাতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। উত্তর-পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকেছে। এর প্রভাবে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা অবধি, ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ৭৫ মিলিমিটার। রবিবার নদীবাঁধ ভেঙে জল ঢোকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৌসুনি দ্বীপে। এবার সমুদ্রবাঁধ ভেঙে ভাসল সাগরের বঙ্কিমনগর। ঘোড়ামারা দ্বীপেও ঢুকেছে সমুদ্রের জল। জলযন্ত্রণার ছবি হাওড়া পুর এলাকাতেও। টিকিয়াপাড়া থেকে দাশনগর, লিলুয়া বা সালকিয়ার বড়ো রাস্তা থেকে অল-গলি সর্বত্র জমেছে জল। তবে আস্তে আস্তে জল নামতেও শুরু করেছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া ছাড়া আর কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। 

Travel: শীতের ছুটিতে ঘুরে আসুন সুখচরে

Sukhchar for winter vacation

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: Travel- ঐতিহ্যমন্ডিত জনপদ সুখচর। ভাগীরথীর পূর্বতীরে উত্তর ২৪ পরগণার অন্তর্গত বারাকপুর মহকুমার অধীন খড়দহ থানার প্রেক্ষাপটে সুখচর এক অতি প্রাচীন জনপদ। এই জনপদটি পানিহাটী পৌরপ্রতিষ্ঠানের অর্ন্তভুক্ত। উত্তর প্রান্তে সুখচর মৌজার কিছু অংশ খড়দহ পৌরসভারও অন্তর্গত। কলকাতা থেকে প্রায় ১৪ কিমি উত্তরে সোদপুর স্টেশনে বা খড়দহ স্টেশনে নেমে এই গ্রামে আসার অটোর ব্যবস্থা আছে।

সোদপুর স্টেশন থেকে পশ্চিম দিকে অটো স্ট্যান্ড রয়েছে। সুখচর বাজারপাড়া অটো ধরে রাজা রোড দিয়ে বাজারপাড়া গঙ্গা সংলগ্ন বাজারপাড়া ঘাটের নিকট স্টপেজ। অপর রুটটি সুখচর সন্মিলনী অটো ধরে গির্জার রাস্তা দিয়ে সন্মিলনী স্টপেজ। সুখচর একসময় এক প্রসিদ্ধ জনপদ ছিল। সুখচরের ঐতিহ্যের ধারা আজও বর্তমান।

সকাল সকাল বেরিয়ে শিয়ালদহগামী যেকোনো ট্রেনে চেপে সোদপুর ষ্টেশনে নেমে সুখচরগামী অটো অথবা টোটোতে চলে আসুন সুখচর এ।

Sukhchar for winter vacation

সুখচরে যেসব স্থানগুলি দেখবেন সেইগুলি হল-
ভবাপাগলার আশ্রম । এর পাশে রয়েছে সুখচরের প্রসিদ্ধ ভগ্নপ্রায় টেরাকোটার শিবমন্দিরত্রয়। ভবাপাগলা আশ্রমের পাশে রয়েছে ক্যাম্পের ঘাট। এরপর চলে আসুন কাঠিয়াবাবার আশ্রমের দিকে। তাঁর আগে দেখে নিন ভোলানন্দ মঠ। পাশে রয়েছে অর্ধনারীশ্বর মন্দির (২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সুখচরের পঞ্চাননতলায় প্রায় হাজার বছরের পুরনো একটি অর্ধনারীশ্বর মূর্তি খুঁজে পাওয়া যায়।)

কাঠিয়াবাবা আশ্রমের পাশে রয়েছে বিহারী পাইনদের ঠাকুরবাড়ি । ঠাকুরবাড়ির পাশে রয়েছে রাসমঞ্চ। বাড়িতে রয়েছে পাইনদের প্রতিষ্ঠিত “রাধাকৃষ্ণ”। দোল উৎসব,রাস উৎসব পালিত হয়ে ধূমধাম করে।

পাইনদের বাড়িতে পরিবারের বসতি থাকায় ও এই বাড়িটি মূলত সিনেমা-সিরিয়াল এর শুটিং এর কাজে ব্যবহৃত হওয়ায় প্রবেশে অনুমতির প্রয়োজন। এই বাড়িটি “শুটিং বাড়ি” নামেও পরিচিত।

এরপর চলে যান বালক ব্রহ্মচারীর আশ্রম থেকে। এখানে দর্শন করে চলে আসুন মা সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির ও তুঁতেশ্বর শিব মন্দির। এর পাশে রয়েছে রাধাকান্ত মন্দির। রয়েছে শতবছরের শশধর পাঠাগার।
এরপর চলে আসুন বাজারপাড়া ঘাট এ। দেখবেন রয়েছে রাজা রাধাকৃষ্ণদেব বাহাদুরের কাছাড়ি বাড়ির ভগ্নপ্রায় অংশ প্রবেশদ্বার।

দেখা হয়ে গেলে চলে আসুন কালীব্রহ্ম মন্দির ( নূতন কালী মন্দির ) ও এর পাশে রয়েছে হরিদাস সাঁতরা ঘাট।
আগের পানিহাটি পর্বে বারোমন্দির ঘাট এর কথা বলেছিলাম। এটিও সুখচরের মধ্যে পড়ে। হাতে সময় থাকলে টোটো ধরে চলে আসুন বারোমন্দির ঘাট। এর পাশে রয়েছে বিপাশনা কেন্দ্র । বসুমল্লিকদের সাহেব বাগান ও সাহেব কুঠি (ভগ্নপ্রায়)। এর পাশে রয়েছে মহেন্দ্রনাথ বাবুর ঠাকুর বাড়ি। মহেন্দ্রবাবুর ঠাকুরবাড়ি ও ঐতিহাসিক দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

এর পাশে রয়েছে নীহারিকা ঘাট। নীহারিকা ঘাট সংলগ্ন ঐতিহাসিক হেরিটেজ হাইজ “”নীহারিকা” ।বর্তমানে এটি গেস্ট হাউস হিসাবে ব্যবহৃত হয় । “নীহারিকা” নামটির বদলে “Nihar on the Ganges” নামে সকলের কাছে নতুনভাবে উন্মোচিত হয়েছে।

এবার আসি কয়েকটি বিশেষ কথা নিয়ে-
১। যেহেতু বেশিরভাগই মন্দির রয়েছে এই ভ্রমণে তাই সকাল সকাল পৌঁছে যেতে হবে। নাহলে ১২টার মধ্যে মন্দিরগুলির দ্বার বন্ধ হয়ে যাবে।
২। দুপুরের প্রসাদের জন্য আমি বিশেষভাবে কোনও মন্দির বা আশ্রমকে উল্লেখ করিনি। যে যেমন আহার করবেন সেইটা আপনার নিজস্ব ব্যাপার। তাও কয়েকটি ফোন নাম্বার নীচে দিয়ে দেবো যদি প্রয়োজন হয়,

ক। ভবার মহা শক্তির আশ্রয়। স্বামী সোমেশানন্দ গিরি।৯৪৩২৬ ৬৯০৮৪/ ৮৭৭৭৮ ৭৭২৬৭
খ।কাঠিয়াবাবা আশ্রম- ৯৪৩৩১১০০৬০/০৩৩-২৫৬৩-২০১৭
গ।সুখচর বালক ব্রহ্মচারী আশ্রম- ৯৩৩১৮৯০৫৮১
ঘ। সাই মন্দির সুখচর-৭২৭৮৬০৩৮৪৮
ঙ। শ্যামসুন্দর জীউ মন্দির খড়দহ-৯৫৪৭৩৬১৫১৫/৯০৫১৬৭০২৪৫

৩। আপনি দুপুরের প্রসাদ খড়দহের শ্যামের মন্দিরেও করতে পারেন। বিকেলে খড়দহের দ্রষ্টব্য স্থানগুলি ঘুরে বাড়ি ফিরতে পারেন।
খড়দহ নিয়ে আমার পরের পর্বে লেখা থাকবে ওখানে কি কি ঘুরবেন ইত্যাদি বিষয়ে।
৪। আপনারা হাওড়া/ হুগলী দিয়ে আসলে কোননগর স্টেশনে নামতে হবে। কোননগর ফেরীঘাট পেরিয়ে পানিহাটি থেকে একটা রিসার্ভ টোটো করে নিতে পারেন। প্রথমে বারোমন্দির থেকে শুরু করে শেষ করুন ভবাপাগলার আশ্রম (ক্যাম্পের ঘাট) অথবা সাইমন্দিরে।

৫। বিটি রোড ধরে এলে সুখচর গির্জায় এ নেমে টোটো/ রিকশায় চলে আসুন ভবা পাগলার আশ্রম। এখান থেকে শুরু করে বারোমন্দিরে শেষ করতে পারেন।
৬। পায়ে হেঁটে এত রাস্তা দেখতে অসুবিধা হতে পারে। তাই একটা রিসার্ভ টোটো করে নিতে পারেন।

৭।আপনি দুপুরের প্রসাদ পানিহাটির রাঘব ভবন অথবা ইস্কন মন্দিরেও করতে পারেন। বিকেলে পানিহাটির দ্রষ্টব্য স্থানগুলি ঘুরে বাড়ি ফিরতে পারেন।(আগের পর্বে উল্লেখ করেছি। যারা পড়েননি গিয়ে পড়ে নিতে পারেন।)

৮। সুখচর সাই মন্দির অবস্থিত সুখচর গির্জা বাস স্টপেজের সামনে। দেখতে পাবেন জি টি এস টাওয়ার।
৯। করোনা পরিস্থিতে কিছু মঠ/আশ্রম সকলের জন্য খোলা কিনা জানা নেই।
১০। সুখচরের ভবা পাগলা আশ্রম থেকে কিছু দূর গেলে রয়েছে খড়দহের সোনার মন্দির।

Cyclone Jawad: সপ্তাহান্তে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ

cyclone jawad

নিউজ ডেস্ক: ইয়াসের পর এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ (Cyclone Jawad)। সপ্তাহের শেষে কলকাতা সহ উপকূল সংলগ্ন জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে অতিভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, দক্ষিণ থাইল্যান্ডের ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। সেটি ক্রমশ দক্ষিণ আন্দামান সাগরের দিকে ঢুকবে। শক্তি সঞ্চয় করে এই গভীর নিম্নচাপ সেখানেই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। নাম হবে জাওয়াদ।

শনিবার সকালে এটির উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ অথবা ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে শনিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূলে বাতাসের গতিবেগ ৬৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার হতে পারে। আবহাওয়া দফতর শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করেছে। যারা সমুদ্রের রয়েছেন তাঁদের বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।

এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি, উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনি ও রবিবার ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা দুই মেদিনীপুরে ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট বাড়বে।

শুক্রবার থেকে কলকাতাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। মেঘলা আকাশ সঙ্গে হালকা পূবালী বাতাস থাকবে। বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার কলকাতায় বৃষ্টি ও ঝড়ের ব্যাপকতা বাড়বে। উল্লেখ্য, বুধবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি।

 

 

Weather Update: কমল আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি, ফিরল উত্তুরে হাওয়া

kolkata winter

Kolkata: বাতাসে কমল স্পষ্ট আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিসের পারদ মাপক যন্ত্র। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমল।

শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তা এখনও স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯২ শতাংশ, ন্যূনতম ৪৭ শতাংশ।

শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তা এখনও স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৮৮ শতাংশ, ন্যূনতম ৪১ শতাংশ।

Kolkata Winter

বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তা এখনও স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বুধবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৮৮ শতাংশ, ন্যূনতম ৪১ শতাংশ।

বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যদিও তা এখনই স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৫৮ শতাংশ। ফলে পারদ না নামা পর্যন্ত অস্বস্তি থাকবে। সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি, বুধবার দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি ছিল। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৪৩ শতাংশ।

ধীরে ধীরে রাত এবং সকালের দিকে ফিরছে শীতের আমেজ। তবে জাঁকিয়ে শীত পড়তে নিয়মমাফিক মাঝ ডিসেম্বর, যা রাজ্যের আবহাওয়া অনুযায়ী স্বাভাবিক। আপাতত জমিয়ে কনকনে শীতের কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি৷

Weather Updates: কমে প্রায় আঠেরোর কাছে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

Kolkata Winter

News Desk, Kolkata: আরও কমল শহরের তাপমাত্রা। গতকালই ১৯এর একদম শেষ মাথায় নেমে এসেছিল আজ রবিবার আরও কমে ১৮-র ঘরে নামল কলকাতার তাপমাত্রা। কালীপূজোর রাত থেকেই নামছিল। এদিন আরও একটু নেমেছে পারদ। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর অবহাওয়া দফতর।

রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। কমেছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও। নেমেছে ২৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে , যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। গতকাল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০ ডিগ্রির আশেপাশে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৪ সর্বনিম্ন ৪৪ শতাংশ।

শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। গতকাল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০ ডিগ্রির আশেপাশে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৪ সর্বনিম্ন ৪৪ শতাংশ।

চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৪ থেকে ৯০ শতাংশ। কলকাতায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪২ থেকে ৯০ শতাংশ।

গত রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৮ থেকে ৮৮ শতাংশ। বৃষ্টি

পূর্বাভাস বলছে, দ্রুতই রাজ্যে উত্তুরে হাওয়া জাঁকিয়ে বসবে। ভোরের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশা। রাতে ও সকালের দিকে বাড়বে শীতের আমেজ। পশ্চিমের জেলা গুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে। গত তিন দিনে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের তাপমাত্রা প্রায় ৪ ডিগ্রি নেমেছে। সকালের শীতের আমেজ আরও একটু বাড়ল। এরকম পরিস্থিতি থাকবে আগামী এক সপ্তাহ।

Weather Updates: সোমবার বাংলাজুড়ে জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা

bengal-winter

News Desk: দুর্গা পুজোয় বৃষ্টি হলেও কালীপুজোয় বৃষ্টি হয়নি। সুন্দর ঠান্ডার আমেজ রয়েছে। এবার শীতের হাওয়ায় ঠান্ডার পরিমাণ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়ার দফতর।

বর্তমানে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করছে গোটা রাজ্য জুড়ে। সেই সঙ্গে পড়তে শুরু করেছে ঠান্ডাও। কালীপুজোর পর ভাইফোঁটাতেও পরিস্কার আকাশ থাকবে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন কয়েকদিনের মধ্যেই জাঁকিয়ে শীত পরতে চলেছে গোটা বাংলা জুড়েই। ইতিমধ্যেই উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা হাওয়া রাজ্যে প্রবেশ করতে শুরু করে দিয়েছে। বর্ষা বিদায়ের পর আবহাওয়া শুষ্ক হতে শুরু করেছে। এবার থেকে নামবে তাপমাত্রার পারদ। মূলত ৮ তারিখ থেকে তাপমাত্রা নামবে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

যেমন আজ শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। গতকাল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০ ডিগ্রির আশেপাশে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৪ সর্বনিম্ন ৪৪ শতাংশ।

চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৪ থেকে ৯০ শতাংশ। কলকাতায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪২ থেকে ৯০ শতাংশ।

গত রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৮ থেকে ৮৮ শতাংশ।

Weather Updates: কমে প্রায় আঠেরোর কাছে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

kolkata-winter

News Desk, Kolkata: আরও কমল শহরের তাপমাত্রা। কুড়ির নীচে আগেই নেমেছিল পারদ। এবার কলকাতার তাপমাত্রা প্রায় ১৮র কাছাকাছি নেমে গেল । এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর অবহাওয়া দফতর।

আজ শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। গতকাল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০ ডিগ্রির আশেপাশে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৪ সর্বনিম্ন ৪৪ শতাংশ।

চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৪ থেকে ৯০ শতাংশ। কলকাতায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪২ থেকে ৯০ শতাংশ।

গত রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৮ থেকে ৮৮ শতাংশ। বৃষ্টি

পূর্বাভাস বলছে, দ্রুতই রাজ্যে উত্তুরে হাওয়া জাঁকিয়ে বসবে। ভোরের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশা। রাতে ও সকালের দিকে বাড়বে শীতের আমেজ। পশ্চিমের জেলা গুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে। গত তিন দিনে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের তাপমাত্রা প্রায় ৪ ডিগ্রি নেমেছে। সকালের শীতের আমেজ আরও একটু বাড়ল। এরকম পরিস্থিতি থাকবে আগামী এক সপ্তাহ।

Weather update: শহর থেকে জেলা, সপ্তাহান্তে দ্রুত নামবে পারদ

Weather update

News Desk, Kolkata: বর্ষা বিদায় নিয়েছে। এবার শীতের পালা। তবে হাওয়া অফিস বলছে বাংলায় এবারে শীতের প্রভাব ভালোই থাকবে। বৃহস্পতিবার থেকেই শুষ্ক আবহাওয়া স্পষ্ট হবে পশ্চিমবঙ্গে।

চলতি সপ্তাহান্তের শেষে নামবে রাতের পারদ। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আবহাওয়াবিদরা বলছেন জেলায় রাত ও সকালে শীতের আমেজ বাড়বে। সকালে আংশিক কুয়াশা থাকবে। তবে আজও আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে।বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে। বাকি জেলায় পরিষ্কার আকাশ, বলছেন আবহবিদরা।

দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের চার জেলায় বুধবার আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। হালকা বৃষ্টির হতেও পারে। উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ,পূর্ব মেদিনীপুর ,পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা ,হাওড়া, হুগলি ঝাড়গ্রামে এমন বৃষ্টির হতে পারে। পরিস্থিতি পরিবর্তন হবে সপ্তাহের শেষে।

এখন দিনের ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে রয়েছে। বিকেলের দিকে হালকা বৃষ্টির সামান্য তৈরি হচ্ছে প্রত্যেকদিন। তা দ্রুত পরিবর্তন হবে বলে জানিয়েছে অলিপুর আবহাওয়া দফতর। বুধবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ,যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি উপরে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বনিম্ন ৫৫ থেকে সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশের মধ্যে থাকছে।

পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। শুষ্ক আবহাওয়া। আগামী কয়েকদিনে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। শীতের আমেজ কিছুটা বাড়বে সঙ্গে সকালের দিকে কুয়াশা।

Weather Update: বৃষ্টি বিদায়, শীতের পদধ্বনি শোনাল হাওয়া অফিস

Kolkata Weather Update

নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৪ ঘন্টাতেই রাজ্যের পিছু ছাড়ছে বর্ষা। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Kolkata Weather Office)। শীতের আমেজ মিলতে পারে ২৪ তারিখ থেকে। বর্ষা আগেই বিদায় নিতে শুরু করেছিল কিন্তু তার গতি ছিল অত্যন্ত ধীর। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও একইভাবে বিদায় নিয়েছে বর্ষা। আগে কয়েকটি জেলা থেকে বিদায় নেয়। এবার তা পুরোপুরি ভাবে বিদায়পালা সম্পূর্ণ করবে বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

শনিবার ২৩ অক্টোবর বাংলা থেকে বিদায় নেবে বর্ষা। বর্ষা দেশ ছাড়া হবে ২৬ অক্টোবর। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দোপাধ্যায় বলেন, “বর্ষা ইতিমধ্যেই বিদায় নিয়েছে। যে টুকরো মেঘ রয়েছে কয়েকটি এলাকায় তাও আগামী ২৩ অক্টোবর এ রাজ্য থেকে বিদায় নেবে। তবে আগামী দু-একদিনে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও তারপর থেকে রাতের দিকে তাপমাত্রা একটু একটু করে কমতে শুরু করবে। তবে ঠিক কবে নাগাদ রাজ্যে শীত ঢুকবে সেটা সঠিকভাবে এখনই বলা যাচ্ছে না।”

তবে এটা বলা যেতেই পারে সপ্তাহান্তে রাতের তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমবে। শুক্রবার থেকেই এই শীতের আমেজ অনুভব করা যাবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। গত কয়েকদিন প্রবল বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকা বিপর্যস্ত হয়েছে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এখন ক্রমশ কমছে।

রাতের দিকে শীতের আমেজ থাকলেও সকালে চড়া রোদ থাকবে। রাতের তাপমাত্রা প্রায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পাহাড়ে শীত আসতে সময় লাগবে।

যেমন আজ শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ সর্বনিম্ন ৫১ শতাংশ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তাপমাত্রা থাকবে সর্বোচ্চ ৩২ , সর্বনিম্ন ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।

সুখবর: আসছে বৃষ্টি শেষেই শীতের আমেজ

নিউজ ডেস্ক: এই সপ্তাহের শেষে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ অনুভূত হবে। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। নিম্নচাপ বিহারের দিকে সরে যাওয়ায় উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করবে রাজ্যে।

তার ফলে শুক্রবার থেকে কলকাতার তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। লাফিয়ে দুই থেকে তিন ডিগ্রি তাপমাত্রা কমে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে এসে দাঁড়াবে। সেই সঙ্গে উত্তুরে হাওয়ায় শীত শীত ভাব অনুভূত হবে। 

সপ্তাহ শেষে তাপমাত্রা কমবে দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও। শুক্রবার থেকে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকবে। পরিষ্কার আবহাওয়া থাকায় বিকেলের পর থেকে তাপ বিকিরণের পরিমাণও বেশি হবে। তার ফলে সন্ধে নামলেই তাপমাত্রার পতন বেশি হবে। শীতের ভাব অনুভূত হলেও শীত পড়তে এখনও সময় রয়েছে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তাই এই আবহাওয়াকে প্রাক-শীত বলছেন আবহবিদরা। তবে এই উত্তুরে হাওয়ার হাত ধরেই বাংলায় শীত পড়বে বলে জানিয়েছে আলিপুর।

কালীপুজার পর থেকেই ধীরে ধীরে উত্তুরে হাওয়া ঢুকতে শুরু করবে উত্তরবঙ্গে। ফলে শীতের আমেজ মিলবে নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই। উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ গোপীনাথ রাহা জানিয়েছেন ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি নেমে গিয়েছে গত সপ্তাহের চেয়ে। পুজোর সময় যে অস্বস্তি কাজ করেছিল, দীপাবলী ও কালী পুজোয সেই সমস্যা হবে না বলেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

প্রসঙ্গত দক্ষিনবঙ্গে দিনভর বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই বিভিন্ন জেলা থেকে বৃষ্টির খবর মিলছে। তা দিনভর চলবে বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

এদিকে হাওয়া অফিস জানাচ্ছে নিম্নচাপ সরে গিয়েছে বিহারের দিকে, আজ থেকে দক্ষিণবঙ্গে কমবে বৃষ্টি। উত্তরবঙ্গে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। কিন্তু তার মধ্যেই দক্ষিনবঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে। এর কারণ কী? হাওয়া অফিস জানাচ্ছে দক্ষিণ থেকে উত্তরের দিকে যাচ্ছে নিম্নচাপ। তারফলে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে দক্ষিণবঙ্গে। ফলে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি আজও হবে।