आज दुनिया मना रही विश्व अंगदान दिवस

कोलकाता: आज विश्व अंगदान दिवस के अवसर पर जब पूरी दुनिया इस महत्वपूर्ण दिन को मना रही है, तो यह हमें याद दिलाता है कि अंगदान कितने लोगों के जीवन को गहराई से प्रभावित करता है। यह दिन न केवल अंग दानकर्ताओं की महत्वपूर्ण भूमिका को मान्यता देता है, बल्कि अंग प्रत्यारोपण में की गई प्रगति को भी उजागर करता है। इस दिन का उद्देश्य जागरूकता बढ़ाना और अधिक से अधिक लोगों को अंगदान के लिए प्रेरित करना है।

इस अवसर पर, नारायणा हॉस्पिटल, हावड़ा की नेफ्रोलॉजिस्ट और ट्रांसप्लांट फिजिशियन एमडी डीएम, नेफ्रोलॉजी, कंसल्टेंट, डॉ. तनिमा दास भट्टाचार्य ने कहा, “हर साल 13 अगस्त को विश्व अंगदान दिवस मनाया जाता है। यह दिन अंगदान की आवश्यकता के प्रति जागरूकता फैलाने का एक महत्वपूर्ण अवसर है। हमारा दायित्व है कि हम दूसरे मनुष्यों के प्रति अपनी जिम्मेदारियों को समझें और जीवनदान करने की प्रतिज्ञा लें, जिससे हम 8 अन्य लोगों के जीवन को बचा सकते हैं।”

नारायणा अस्पताल आर. एन. टैगोर, मुकुंदपुर के कार्डियोलॉजी (एडल्ट) कंसल्टेंट डॉ. अयान कर ने कहा, “अपने नश्वर जीवन से परे एक विरासत छोड़ना अमरता से कम नहीं है। अंगदान के माध्यम से किसी और के जीवन को बचाना, और उसके माध्यम से जीवित रहना, एक चमत्कार जैसा है। यह प्रक्रिया कई लोगों के जीवन में आशा और खुशी लाती है।”

विश्व अंगदान दिवस एक आह्वान है, जो लोगों से अंगदान के लिए पंजीकरण करने और अपने परिवार को अपनी इच्छाओं के बारे में बताने का आग्रह करता है। चिकित्सा समुदाय और संगठन इस प्रयास में जागरूकता बढ़ाने और अधिक जीवन बचाने के लिए समर्पित हैं।

पीएम मोदी बने दुनिया भर में सबसे लोकप्रिय नेता

भारत के प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी को 76 प्रतिशत की अप्रूवल रेटिंग के साथ दुनिया के सबसे लोकप्रिय नेता के रूप में स्थान दिया गया है. अमेरिका स्थित कंसल्टेंसी फर्म ‘मॉर्निंग कंसल्ट’ के एक सर्वेक्षण में यह बात सामने आई है. लिस्ट में पीएम मोदी की अप्रूवल रेटिंग दूसरे नंबर पर काबिज नेता की तुलना में 10 प्रतिशत अंक अधिक है.

राजनीतिक खुफिया अनुसंधान फर्म द्वारा एकत्र किया गया डेटा 22 वैश्विक नेताओं के सर्वेक्षण पर आधारित है. 6 से 12 सितंबर, 2023 तक एकत्र किए गए आंकड़ों के अनुसार, इस ग्लोबल लिस्ट में सबसे कम डिस्प्रूवल रेटिंग भी पीएम मोदी की केवल 18% है.भारतीय जनता पार्टी (भाजपा) के नेताओं ने शुक्रवार को कहा कि अंतरराष्ट्रीय सर्वेक्षण ने दिखाया है कि ‘‘मोदी की गारंटी’’ और ‘‘मोदी का जादू’’ दोनों ही पसंद किया जा रहा है। ‘मॉर्निंग कंसल्ट’ के साप्ताहिक सर्वेक्षण में मोदी एक बार फिर लोकप्रियता के मामले में शीर्ष पर रहे। उन्हें 76 प्रतिशत ‘अप्रूवल रेटिंग’ मिली जबकि केवल 18 प्रतिशत ने उनके नेतृत्व को खास तवज्जो नहीं दी। भाजपा के राष्ट्रीय प्रवक्ता शहजाद पूनावाला ने कहा कि हाल में हुए विधानसभा चुनावों के नतीजों के बाद अंतरराष्ट्रीय सर्वेक्षण में भी मोदी की गारंटी और जादू को सराहा गया है।

মোবাইল ‘কলড্রপ’ গোটা বিশ্বের সমস্যা, বললেন মন্ত্রী

State Minister for Communications Debangshu Singh Chauhan

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সম্প্রতি মোবাইল গ্রাহকরা অনেকেই অভিযোগ করেছেন, সাম্প্রতিককালে কলড্রপের পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। এমনকী, কথা বলতে গিয়ে বারবার লাইন কেটে যাচ্ছে। সোমবার সংসদে এ বিষয়টি উত্থাপন করেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ জহর সরকার। তিনি জানতে চান, কি কারণে কলড্রপ এবং কল ডিসকানেকশনের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে? এই সমস্যা সমাধানে সরকারের পরিকল্পনা কি? কলড্রপের ক্ষেত্রে মোবাইল সংস্থাগুলি প্রত্যেকটি কলের জন্য আলাদা করে চার্জ কেটে নিচ্ছে বলে মানুষের অভিযোগ। এই অভিযোগ কি ঠিক? উদ্ভূত সমস্যা সমাধানে সরকার কী ব্যবস্থা নিচ্ছে?

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের এই প্রশ্নের উত্তরে যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী দেবাংশু সিং চৌহান বলেন, বিভিন্ন কারণে ‘কলড্রপ’ হতেই পারে। শুধু আমাদের দেশে নয় গোটা বিশ্ব জুড়েই ‘কলড্রপ’ একটি সাধারণ সমস্যা। তবে কলড্রপের জন্য সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হয় এটা ঠিক। সে কারণেই টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডার বা টিএসপিগুলিকে কলড্রপ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য টেলিকম রেগুলেটরি অথোরিটি বা ট্রাইয়ের নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে বলা হয়েছে। টেলিকম সার্ভিস প্রোভাইডার বা টিএসপিগুলি এ ধরনের সমস্যা মেটাতে কী করছে সে বিষয়ে নজর রাখছে ট্রাই।

সাধারণত টিএসপিগুলি প্রতি তিন মাস অন্তর ট্রাইয়ের কাছে তাদের বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করে। সেই রিপোর্ট থেকেই ট্রাই বিষয়টি পর্যালোচনা করে। তবে টিএসপিগুলি কোনও একজন গ্রাহকের বর্তমান প্ল্যান অনুযায়ী প্রতিটি কলের ক্ষেত্রে পয়সা নিয়ে থাকে। বাড়তি কোনও খরচ নেয় না। মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, টেলিকম যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশন বা ডট বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। টেলিকমিউনিকেশন পরিকাঠামোকে আরও আধুনিক ও উন্নত করে তুলতে সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছে ডট।

উচ্চতায় ‘খাটো’ হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা মানুষরা

People of Netherlands hight became short

বিশেষ প্রতিবেদন: নেদারল্যান্ডসের মানুষ বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা জাতি। কিন্তু তাদের উচ্চতা এবার ক্রমে কমছে। এমনটাই বলছে সাম্প্রতিক গবেষনা। স্ট্যাটিস্টিকস নেদারল্যান্ডস, মিউনিসিপ্যাল হেলথ সার্ভিস এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউ ফর পাবলিক হেলথ এই দুটি দল একসঙ্গে একটি গবেষণা করেছে। তাতেই এমনই তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, বিংশ শতাব্দী থেকে পরবর্তী গত ১০০ বছর ধরে ওলন্দাজদের উচ্চতা ক্রমে বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার দেখা যাচ্ছে সেই উচ্চতা বেশ কিছুটা কমতে শুরু করেছে সেখানকার মানুষের। নারী পুরুষ নির্বিশেষে কমছে উচ্চতা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে উচ্চতা কমতে শুরু করে ২০০০ সালের পর থেকে। বলা হচ্ছে, ২০০১ সালে জন্ম নেওয়া বেশিরভাগ পুরুষের উচ্চতা ১৯৮০ সালে জন্ম নেওয়া পুরুষদের থেকে এক সেন্টিমিটার কম। মহিলাদের ক্ষেত্রেও একইভাবে কমেছে উচ্চতা। মেয়েরা খর্বকায় হয়েছে ১.৪ সেন্টিমিটার।

জানা গিয়েছে , নেদারল্যান্ডসের মানুষের উচ্চতা বাড়তে বাড়তে ১৯৮০ সালে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ওই সময়ে জন্ম নেওয়া ডাচ পুরুষদের গড় উচ্চতা ছিল ১৮৩.৯ সেন্টিমিটার। এঁরা ১৯৩০ সালে জন্ম নেওয়া পুরুষদের থেকে ৮.৩ সেন্টিমিটার বেশি লম্বা ছিলেন। ১৯৮০ সালে জন্ম নেওয়া মহিলাদের গড় উচ্চতা ছিল ১৭০.৭ সেন্টিমিটার। এঁরা ১৯৩০ সালে জন্ম নেওয়া মহিলাদের থেকে ৫.৩ সেন্টিমিটার বেশি লম্বা ছিলেন। তথ্য বলছে, ১৯৩০ সালে জন্ম নেওয়াল মহিলাদের উচ্চতা ছিল ১৬৫.৪ সেন্টিমিটার। এবার যোগ বিয়োগ করে নিন।

People of Netherlands hight became short

 

এই গবেষণা করার জন্য ১৯ থেকে ৬০ বছর বয়সী ৭ লক্ষ ১৯ হাজার ব্যক্তির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। তারা তাদের উচ্চতা জানান গবেষকদের। এরপর বিশ্লেষণটি করা হয় ১৯ বছর বয়সীদের গড় উচ্চতাকে মান হিসেবে ব্যবহার করে , কারণ ওই বয়সে একটি মানুষের বৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি হয়। তারপরই মেলে এই তথ্য।

কিন্তু এই উচ্চতা কমে যাওয়ার কারণ কী? প্রাথমিক ভাবে বলা হিয়েছিল, খাটো জনগোষ্ঠী থেকে আসা অভিবাসীর সঙ্গে ডাচদের মিলনের ফল এমন উচ্চতা কমে যাওয়া, কিন্তু পরে দেখা যায় বাবা-মা উভয়েরই জন্ম নেদারল্যান্ডসেই এমন পুরুষ , মহিলার উচ্চতাও কমছে। যারা গত চার পাঁচ প্রজন্ম ধরে ওই দেশেরই বাসিন্দা কমছে তাঁদের উচ্চতাও। বলা হচ্ছে, উদ্ভিদভিত্তিক খাবার বেশি খাওয়ায় তাদের উচ্চতা কমে যেতে পারে। প্রাকৃতিক প্রভাবও সম্ভবত পড়েছে শরীরে।

<

p style=”text-align: justify;”>তবে উচ্চতা খানিক কমলেও এখনও ওলন্দাজরাই বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মানুষ। গবেষকদের দাবি এমনটাই। তথ্য এও বলছে যে, দেশটির উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে বড় ধরনের ফারাক রয়েছে। উত্তর নেদারল্যান্ডসের বাসিন্দারা দক্ষিণের মানুষের তুলনায় তিন থেকে সাড়ে তিন সেন্টিমিটার বেশি লম্বা।

জেনে নিন: বিশ্বের কোথায় একটি বালতির জন্য যুদ্ধ হয়েছিল

The War of The Bucket

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে বড় বড় এবং যথেষ্ট ভয়াবহ যুদ্ধ হয়েছে। এই যুদ্ধগুলিতে হাজার-হাজার,লক্ষ- লক্ষ প্রাণ গিয়েছে। বেশিরভাগ যুদ্ধের ক্ষেত্রেই লক্ষ্য ছিল একে অপরকে পরাজয়ের মাধ্যমে সেই জায়গায় নিজের অধিপত্য স্থাপন করা। তবে এই বিশ্বে এমন একটি বিরল যুদ্ধ হয়েছে যেটা অনেকেরই অজানা। এই অজানা যুদ্ধের লক্ষ্য ছিল একটি বালতিতে নিজের অধিপত্য স্থাপন করা ।এই যুদ্ধের কথা শুনে নিশ্চয়ই আপনারা চমকে উঠবেন ।তবে এটাই বাস্তব। অনেক বছর আগে এমনই একটি যুদ্ধ হয়েছিল ইটালিতে।

১৩২৫সালে ধর্ম নিয়ে টানাটানি যথেষ্ট বেড়ে গিয়েছিল ইতালীতে। এখানকার দুটি রাজ্য বোলোগ্না এবং মোডেনার মধ্যে প্রায়শ যুদ্ধ লেগে থাকত। ইতিহাস বলছে রিনাল্ডো বোনাকোল্সীর শাসনকাল যথেষ্ট আক্রমণাত্মক ছিল বোলোগ্নো। প্রায়ই একে অপরের বিরুদ্ধে চড়াও হত এই দুটি রাজ্য।একটা সময় এমন এল যখন এই দুটি রাজ্য একে অপরের প্রতি শত্রুতার মনোভাব রেখে প্রায় যুদ্ধের ঘোষণা করত।

এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল ১৩২৫ সালে। এইসময় মোডেনার সৈনিকরা বোলোগ্নার কিলাই ঢুকে পড়েছিল। সেখান থেকে চুপচাপ একটি কাঠের বালতি তারা চুরি করে নেয়। বলা হয় এই বালতিটি হীরে-মুক্তো দিয়ে ভর্তি ছিল। এই চুরির খবর যখন বোলোগ্নার সৈনিকরা জানতে পারে তখন মোডেনার কাছ থেকে এই বালতিটি তারা ফেরত চায়। তবে মোডেনার পক্ষ থেকে এই বালতিটি ফেরত দেয়ার বিষয়ে স্পষ্ট মানা করে দেওয়া হয়। এর পরেই এই বালতিটি থেকে ফিরে পাওয়ার জন্য বোলোগ্না মোডেলার বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা করে দেয়।

যে সময়ে এই যুদ্ধের ঘোষণা হয়েছিল সেই সময় বোলোগ্রনার কাছে ৩২ হাজার মানুষের সৈনিক ছিল ।ঠিক সেখানেই মোডেনার কাছে মাত্র ৭ হাজার মানুষের সৈনিক ছিল। এই দুই রাজ্যের মধ্যে বালতি নিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায় ।তবে অবাক করার বিষয় মাত্র ৭ হাজার লোকের সৈনিক নিয়ে এত বড় সেনাসহ বোলোগ্না রাজ্যকে পরাজিত করে মোডেনা। বলা হয় এই যুদ্ধে প্রায় ২০০০ সৈনিক মারা গিয়েছিল। বোলোগ্না এবং মোডেলার মধ্যে এই যুদ্ধকে ‘ওয়ার অফ দ বাকেট’ নাম দেওয়া হয়। এই নামেই এখন বিশ্বে বিখ্যাত এই যুদ্ধ। এই বালতিটি এখনও পর্যন্ত একটি মিউজিয়ামে রাখা রয়েছে ।যে বালতির জন্য এই বিশ্বে একটি যুদ্ধ হয়েছিল সেই বালতিটি দেখার জন্য বিশ্ব থেকে মানুষ মিউজিয়ামে আসেন।

এই শহরের মানুষ থেকে পশুও পাথরের হয়ে গিয়েছিল

Pompeii

নিউজ ডেস্ক: সাধারণত এমন ঘটনা শুধুমাত্র গল্পে শোনা যায়। যেখানে মানুষ থেকে নিয়ে পশু সবাই পাথর হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ইতালিতে এমন একটি প্রাচীন শহর আছে যেখানে এমন ঘটনা বাস্তবে ঘটেছিল। এই শহরে মানুষ থেকে নিয়ে পশু, সবাই পাথর হয়ে গিয়েছিল।

এখনও এই তাদের দেহ পাথরের অংশ রূপে উদ্ধার হয়। উদ্ধার হওয়া এই অংশগুলি দেখে মনে হয় যেন, তাদের মধ্যে কোন দিনই প্রাণ ছিল না। এই অংশগুলি দেখে মনে হয় যেন, এগুলো কোন পাথরের মূর্তি। কিন্তু এই পাথরের মূর্তিগুলির পিছনের সত্য ঘটনা মানুষ জানতে পেরে ভয়ে আঁতকে ওঠে।

আমরা কথা বলছি পোম্পাই শহরের। এই শহর প্রায় ১৯৪০ বছর আগের। বলা হয় এখানে অনেক বছর আগে বসতি ছিল। এই শহরে এমন একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটে যার জেরে শহরটি ধুলিস্যাৎ হয়ে যায়। এই জায়গা থেকে বৈজ্ঞানিকরা এমন কিছু প্রমাণ পেয়েছে যার ভিত্তিতে বলা হয় সেই সময় একটাও মানুষও বাঁচতে পারেনি।

এই শহর প্রায় ৭০ একর জমির উপর ছড়িয়ে ছিল। এই শহরের গুহা দেখে অনুমান করা হয় যে শহরটিতে প্রায় ১১ থেকে ১৫ হাজার লোক বসবাস করত। কয়েক বছর আগে এই এলাকায় একটি ঘোড়ার দেহের অংশ পাওয়া গিয়েছে। যে অংশটি সম্পূর্ণভাবে পাথরের হয়ে গিছেয়ে৷ মন অনেক পাথরের অংশ এই এলাকা থেকে প্রায়শই উদ্ধার হয়ে থাকে।

Pompeii

এবার জানা যাক কি এমন ঘটনা ঘটেছিল এই শহরটিতে
পোম্বাইয়ের কাছে নেপাল্সের খাড়িতে একটি আগ্নেয়গিরি আছে। যার নাম মাউন্ট বিউবিয়াস। অনেক বছর আগে হঠাৎ এই আগ্নেয়গিরিটি ফেটে যায়৷ যার ফলে ভারী মাত্রায় লাভা এবং বিভিন্ন ধরনের জৈব পদার্থ বের হয়। যার ফলে বড় মাপের ক্ষয়ক্ষতি হয়।

পম্পাই শহরের বাসিন্দারা শহর ছেড়ে পালানোর আগেই এই আগ্নেয়গিরির লাভা এসে শহরটিকে তছনছ করে দেয়। এই কারণেই এই এলাকা এতটাই গরম হয়ে যায় যার জেরে মানুষের রক্ত ফুটন্ত হয়ে পড়ে এবং মাথার ঘিলু ফেটে যায়। এই জৈব পদার্থের সম্পর্কে আসার ফলে এই শহরের বাসিন্দাদের ভয়াভহ মৃত্যু হয়। পরবর্তী সময়ে তাপমাত্রা নেমে যাওয়ার ফলে লাভা শক্ত হয়ে যায়। যার কারণেই মানুষের শরীরে পাথরের হয়ে যায়।

পোম্পাই শহরটি ছাড়াও এই আগ্নেয়গিরির জেরে আরও একটি শহর তছনছ হয়ে যায়। অপর শহরটির নাম ছিল হর্কুলেনিয়াম। এই ঘটনার জেরে এই শহরটিতেও অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়।

বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবসের প্রাক্কালে দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়ার আবেগঘন টুইট পোস্ট

Devendra Jhajharia

Sports desk: রাজস্থানের নিবাসী প্রতিবন্ধী জ্যাভলিন থ্রোয়াড় দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া টোকিও প্যারালিম্পিকে দেশের একমাত্র সোনার পদক জয়ী খেলোয়াড়। সোনার ছেলে দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া

যখন সোনার পদক গলায় ঝুলিয়ে ফেলে নিজের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াতে দেবেন্দ্র জানিয়েছিলেন,”এই মেডেল তিনি তার স্বর্গীয় পিতাকে সমর্পিত করতে চান।”

বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবসের প্রাক্কালে দুটো সোনার পদক ঝুলিতে থাকা প্যারালিম্পিকে ভারতের প্রথম জ্যাভলিন থ্রোয়াড় দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া টুইটারে আবেগঘন পোস্টে লিখেছেন,”বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবসে (3 ডিসেম্বর 2021) সকল সভ্য মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। আমি সকল দেশবাসীর কাছে আবেদন জানাতে চাই যে, প্রতিবন্ধী হওয়া কোন অভিশাপ নয়, এটা ঈশ্বর কর্তৃক মানব সভ্যতার নৈতিকতা পরীক্ষা করার একটি মাধ্যম।

আমি গর্ব করে বলি “হ্যাঁ আমি প্রতিবন্ধী।”
টোকিও প্যারালিম্পিকে সোনার পদক জয়ের খবরে উচ্ছ্বসিত হয়ে কিংবদন্তী ক্রিকেটার তথা ক্রিকেটের ঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকর সামাজিক মাধ্যমে দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়াকে কুর্নিশ জানিয়ে পোস্ট করেছিলেন, “এর জন্য একটি ডবল পডিয়াম 🇮🇳!
জ্যাভলিনের সাথে আমাদের শোষণ চালিয়ে যেতে দেখে খুব ভালো লাগছে!
অভিনন্দন দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়া এবং সুন্দর সিং গুর্জারকে যথাক্রমে রৌপ্য এবং ব্রোঞ্জ 🥉 জেতার জন্য।
আমাদের প্যারালিম্পিয়ানরা বিশ্ব মঞ্চে তাদের মানসিক ও শারীরিক দক্ষতা দেখাতে প্রশংসনীয়।
#প্যারালিম্পিক।”

শনিবার হারমিত সেহরা সিএসআর প্রধান, কেয়ার্ন ফাউন্ডেশন, রাহুল গুপ্ত ডাই হেড সিএসআর (রাজস্থান), কেয়ার্ন ফাউন্ডেশন প্যারালিম্পিক কিংবদন্তি জ্যাভলিন থ্রোয়াড় দেবেন্দ্র ঝাঝারিয়ার বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং তাকে কেয়ার্ন পিঙ্ক সিটি হাফ ম্যারাথনের ষষ্ঠ সংস্করণে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। .

Manika Batra: বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে ছিটকে গেলেন মনিকা বাত্রা

Manika Batra

Sports desk: মহিলাদের মিক্সড ডাবলস ইভেন্টে কোয়ার্টার-ফাইনালে হেরে গেলেন ভারতের টেবিল টেনিস তারকা খেলোয়াড় মনিকা বাত্রা (Manika Batra)। বাত্রা এবং জি সাথিয়ানের ভারতীয় জুটি জাপানের তোমাকাজু হারিমোতো এবং হিনা হায়াতার কাছে হেরে গিয়েছে।

ঐতিহাসিক পদক থেকে মাত্র এক জয় দূরে থাকা ভারতীয় এই ডাবলস জুটি প্রতিযোগিতার শেষ ৮ রাউন্ডে মনিকা বাত্রা এবং জি সাথিয়ান জাপানের তোমাকাজু হরিমোটো এবং হিনা হায়াতার কাছে 1-3 (5-11 2-11 11-7 9-11) হেরেছেন।

বাত্রার কাছে ইতিহাস তৈরি করার আরও একটা সুযোগ ছিল, কিন্তু তিনি আবারও মুখ থুবড়ে পড়েন, মহিলা ডাবলসের কোয়ার্টার ফাইনালে তার সঙ্গী অর্চনা কামাথের সাথে সোজা গেমে হেরে যান।

মনিকা বাত্রা এবং কামাথ জুটি লুক্সেমবার্গের সারা দে নুত্তে এবং নি জিয়া লিয়ানের সাথে লড়াইতে পেরেই উঠতে পারেনি, একটি একতরফা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় 0-3 (1-11 6-11 8-11) হেরে বিদায় নিয়েছে ভারতীয় এই জুটি।

পৃথিবী থেকে পাঁচ সেকেন্ডের জন্য উধাও Oxygen! কী হবে জানেন?

oxygen

What if the world loses oxygen for five seconds
বিশেষ প্রতিবেদন: পৃথিবীর সমস্ত অক্সিজেন গায়েব হয়ে যাবে মাত্র ৫ সেকেন্ড। আমরা কি ৫ সেকেন্ডের জন্য।আমাদের শ্বাস ধরে রাখতে পারব ? বায়ুমণ্ডলের কী হবে? পরিবেশেরই বা কী হবে?

মুক্ত বাতাসে মনভরে একটি দীর্ঘশ্বাস নিন। আপনি শ্বাস হিসেবে যা গ্রহণ করেছেন তা হল অক্সিজেন, যা আমাদের বায়ুমণ্ডলের প্রায় ২১%, আর ৭৮% হচ্ছে নাইট্রোজেন। যদিও অক্সিজেন আমাদের বায়ুমণ্ডলে সর্বাধিক প্রচুর পরিমাণে থাকা কোনো গ্যাস নয়, তবুও এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এক মুহুর্তের জন্য অক্সিজেন না থাকলে, গাছপালা, পশুপাখি, পানি এবং আমরা মানুষ আজ যেখানে আছি সেখানে থাকতে পারতাম না।

আমাদের মধ্যে বেশিরভাগই শ্বাস না নিয়ে অনায়াসে কমপক্ষে ৩০ সেকেন্ড যেতে পারে, তাই…৫ সেকেন্ড অক্সিজেন না থাকলে আমাদের ফুসফুস স্বাভাবিকই থাকবে। কিন্তু পৃথিবীর অন্য সব কিছুর জন্য? অক্সিজেনবিহীন এই ৫ সেকেন্ডের মধ্যে পুরো পৃথিবীর চেহারা সম্পূর্ণ পাল্টে যাবে। পৃথিবীর সকল কংক্রিটের তৈরি দালান, ব্রিজ, ভাস্কর্য, নানা স্থাপনা মূহুর্তেই ধ্বসে পড়বে কেননা কনক্রিটের তৈরি স্থাপনায় অক্সিজেন special binding agent হিসেবে কাজ করে। অক্সিজেন ছাড়া কনক্রিটের স্থাপনা ধুলো ছাড়া আর কিছুই না!!

পৃথিবীর সব খাল বিল নদীনালা, সাগর মহাসাগর বাষ্পীভূত হয়ে উধাও হয়ে যাবে । সমুদ্রের পানি থেকে অক্সিজেন অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে হাইড্রোজেন একটি সীমাহীন মুক্ত গ্যাসে পরিণত হয়। হাইড্রোজেন গ্যাস, সবচেয়ে হালকা হওয়ায়, উপরের ট্রপোস্ফিয়ারে উঠবে এবং বাষ্পীভূত হয়ে মহাকাশে চলে যাবে। সকল জলজ প্রানী পানির অভাবে ছটফট করতে থাকবে। সমুদ্রে লঞ্চ,স্টিমার, জাহাজ, সাবমেরিন থাকলে তা একেবারে তলানিতে গিয়ে পড়বে।

ওজোন স্তর (O3) আমাদের পৃথিবীকে সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়। এক সেকেন্ডের জন্য অক্সিজেন উধাও হয়ে গেলে ওজোন স্তর অকার্যকর হয়ে যাবে, তখন নিমিষেই পৃথিবী অত্যন্ত গরম হয়ে উঠবে। সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনী রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করার মতো কিছুই থাকবে না।

ওজোন স্তর ধ্বংসের পাশাপাশি, আমাদের অতি গুরুত্বপূর্ণ অংগ কান মুহুর্তেই বিস্ফোরিত হবে। অক্সিজেন হারানো মানে আমাদের বায়ুচাপের ২১% হারানো। আকস্মিক বায়ুচাপের এই বিশাল পরিবর্তন যা সমুদ্রপৃষ্ঠে থাকা এবং তাৎক্ষণিকভাবে ২০০০ মিটার নিচে নেমে যাওয়ার সমতুল্য। আমাদের কান বায়ুমন্ডলের চাপের এই বিশাল পরিবর্তন মানিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় না পেয়ে বিস্ফোরিত হয়ে যাবে। অক্সিজেন ছাড়া, আগুন উৎপন্ন হবে না৷ ফলে যানবাহনে জ্বলন প্রক্রিয়াও ঘটতে সক্ষম হবে না।

বৈদ্যুতিক নয় এমন যেকোনো প্রযুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যর্থ হবে। আকাশ থেকে উড়োজাহাজ খসে পড়বে এবং লক্ষ লক্ষ মোটরসাইকেল গাড়ি, ট্রাক রাস্তায় হঠাৎ থেমে গিয়ে বড় দুর্ঘটনার সৃষ্টি করবে।

অক্সিজেন ছাড়া আমাদের এই সুন্দর নীল আকাশ সম্পূর্ণ অন্ধকার হয়ে যাবে। ওহ ভালো কথা…পৃথিবীর ভূত্বক সম্পূর্ণরূপে ভেঙে যাবে। কারণ পৃথিবীর ভূত্বক ৪৫% অক্সিজেন দ্বারা গঠিত। ভূপৃষ্ঠে অক্সিজেন না থাকলে অনেক কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। ভূত্বকটি চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে এবং কিছু অবশিষ্ট না থাকা পর্যন্ত চূর্ণ হতেই থাকবে।

Afganistan: বিশ্বের ৮৭ শতাংশ মাদক পাচারকারী তালিবান-EFSA

world's-drug

News Desk: আফগানিস্তান (Afghanistan) দখল করার পর তালিবানের (Taliban) দৌলতে বিশ্বে মাদক (Drug) কারবার ফের ফুলে-ফেঁপে উঠেছে।

এই মুহূর্তে নিষিদ্ধ মাদকের অন্যতম বড় সরবরাহকারী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে আফগানিস্তান সম্প্রতি এক মার্কিনী রিপোর্টে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। হিন্দুকুশের আড়াল থেকে নতুন করে ফের হেরোইন ব্যবসার রাশ নিজের হাতে তুলে নিয়েছে তালিবান।

গোটা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আফিম তৈরি হয় আফগানিস্তানে। আফিম থেকেই তৈরি হয় হেরোইনের মত মারাত্মক মাদক। এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে এই মাদকের বিপুল চাহিদা। সম্প্রতি এই মাদক সংক্রান্ত এক রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনেছে ইউরোপিয়ান ফাউন্ডেশন ফর সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ (EFSA)। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বিশ্বের ৮৭ শতাংশ আফিম তৈরি হয় আফগানিস্তানে। মাদকের কারবার বন্ধ করতে বিগত ২০ বছরে প্রায় ৯ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে আমেরিকা। তা সত্ত্বেও মাদকের কারবারে রাশ টানা সম্ভব হয়নি।

world's-drug

ইএফএসএ-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর তালিবানের মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ (jabiullah mujhahid) ঘোষণা করেছিলেন আফিম চাষে লাগাম টানবেন তাঁরা। কিন্তু বাস্তবে একেবারেই উল্টোটা ঘটেছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আন্তর্জাতিক ত্রাণ পাওয়ার জন্যই শুধুমাত্র লোক দেখানো প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তালিবান। সূত্রের খবর, আফগানিস্তানে তৈরি হওয়া আফিম থেকে পাকিস্তানের (pakistan) গবেষণাগারে বিপুল পরিমাণ হেরোইন তৈরি হচ্ছে এবং তা ইউরোপরর (europe) বাজারে পৌঁছে যাচ্ছে। ছড়িয়ে পড়ছে ভারতেও। আফগানিস্তানে তৈরি হওয়া মাদকের ৪০ শতাংশ পাচার হয় পাকিস্তানের মধ্যে দিয়ে। বিদেশি সাহায্য বন্ধ থাকায় দেশ চালাতে মাদক ব্যবসাকেই হাতিয়ার করেছে তালিবান।

আফগানিস্তানের মাদক ব্যবসা ফুলে-ফেঁপে ওঠার কারণ প্রসঙ্গে কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রায় তিন মাস আগে তালিবান আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এই দেশ কার্যত একঘরে হয়ে আছে। আফগানিস্তানের অর্থনীতি মূলত বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু বিশ্বের কোনও দেশ তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি না দেওয়ায় সেই বৈদেশিক সাহায্য আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

রাষ্ট্রসংঘ- সহ যে সমস্ত আন্তর্জাতিক সংগঠন আফগানিস্তানকে সাহায্য করত তারাও তালিবান সরকারকে কোনও রকম সাহায্য করছে না। আমেরিকার বেশকিছু ব্যাংকে আফগানিস্তান সরকারের টাকা থাকলেও জো বাইডেন প্রশাসন সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি বাজেয়াপ্ত করেছে। ফলে কোনও জায়গা থেকেই অর্থ সংগ্রহ করতে পারছে না তালিবান শাসকরা।

কিন্তু দেশের বিভিন্ন ধরনের দৈনন্দিন খরচ চালাতে প্রচুর পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। অর্থের সেই প্রয়োজন মেটাতে তালিবানরা হাতিয়ার করেছে মাদককে। এতে তালিবানদের নিজেদের প্রয়োজন মিটলেও গোটা বিশ্বেই অন্ধকার নেমে আসছে। যা ইউরোপ আমেরিকা (america) এবং ভারতের (india) মত দেশকে নিতান্তই উদ্বেগে ফেলেছে।

Children’s Day: ভারতে ১৪, বিশ্বে বিশে পালিত হয় শিশু দিবস

Children's Day

বিশেষ প্রতিবেদন: শিশুরাই দেশের ভবিষ্যত, নবজাগরণে শিশুরাই আগামীর আলো। এই বার্তাকে মাথায় রেখে ভারতে প্রতিবছর ১৪ নভেম্বর পালিত হয় ‘শিশু দিবস’। শিশুদের আলোর পথে উজ্জীবিত করতে এবং তাদের অধিকার, সুরক্ষা ও শিক্ষার প্রতি জোর দিতে এই দিনটিকে বিশেষভাবে পালন করা হয়। তবে, শুধুমাত্র শিশুদের উদ্দেশেই এই দিনটি উদযাপন করা হয় না, এই দিনে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকেও স্মরণ করা হয়, কারণ ১৪ নভেম্বর তাঁর জন্মদিন।

পন্ডিত জওহরলাল নেহরু ১৮৮৯ সালের ১৪ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। শিশুদের প্রতি তাঁর গভীর স্নেহ ও ভালোবাসার কথা আমরা প্রত্যেকেই জানি। তাঁর শিশুদের প্রতি ছিল অদম্য স্নেহ ও ভালবাসা। যে কারণে তিনি ‘চাচা নেহেরু’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি বলেছিলেন ‘শিশুরাই দেশের ভবিষ্যত’। তিনি সর্বদা শিশুদের শিক্ষা ও কল্যাণের উপর জোর দিতেন। তাই তাঁকে স্মরণ করে প্রতিবছর তাঁর জন্মদিনেই ভারতে পালিত হয় ‘শিশু দিবস’। ভারতে এই দিনটি ‘বাল দিবস’ নামেও পরিচিত।

রাষ্ট্রসংঘ ১৯৫৪ সালের ২০ নভেম্বর শিশু দিবস পালনের জন্যে ঘোষণা করেছিল। সেই ঘোষণা অনুযায়ী ভারতেও পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর মৃত্যুর আগে পর্যন্ত ২০ নভেম্বর শিশু দিবস পালিত হত। ১৯৬৪ সালে নেহেরুর মৃত্যুর পর তাঁকে উপযুক্ত সম্মান জানানোর জন্য একটি বিল পাস হয়। যেখানে বলা হয়েছিল, তাঁর জন্মবার্ষিকী এবং শিশু দিবস একসাথে পালন করা হবে। সেই থেকেই ১৪ নভেম্বর ভারতে শিশু দিবস বা বাল দিবস পালিত হয়ে আসছে।

শিশুদের স্নেহ, ভালবাসার পাশাপাশি তাদের সঠিকভাবে বড় করার ব্যাপারেও জোর দিতেন পন্ডিত নেহেরু। তিনি বলেছিলেন, আজ আমরা যেভাবে শিশুদের বড় করব, কাল সেভাবেই তারা দেশ চালাবে। তাই, শিশুদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বিনিময়, বোঝাপড়া এবং বাচ্চাদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা, তাদের সঠিক পথ দেখানো, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে শেখানো উচিত।

কিন্তু, আজও দেশের কোথাও কোথাও অবহেলিত থেকে যাচ্ছে শিশুরা, শিশু শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে তাদের। হাতে বইয়ের পরিবর্তে তুলে দেওয়া হচ্ছে নানান কাজের সামগ্রী। তাই, এই শিশু দিবসে প্রত্যেক শিশুকে স্কুল মুখি করতে হবে, শিক্ষার আলোয় উজ্বল করতে হবে তাদের ভবিষ্যত, দেখাতে হবে সঠিক পথ, তবেই সফল হবে শিশু দিবস পালন, সফল হবে পন্ডিত নেহেরুর স্বপ্ন।

আজকের এই দিনে স্কুল, কলেজ এবং বিভিন্ন সংস্থায় নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিশুদের জন্য থাকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও ইভেন্ট। শিক্ষকরা একত্রিত হয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করেন। মিষ্টি, বই, চকোলেট এবং অন্যান্য উপহার বিতরণ করা হয় শিশুদের মধ্যে। এই দিনে শিশুদের জন্য টেলিভিশন এবং রেডিওতে বিশেষ প্রোগ্রাম প্রচারিত হয়। কোথাও কোথাও শিশুদের চলচ্চিত্র উৎসবেরও আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অভিভাবকেরাও নিজের বাড়িতে পালন করে থাকেন দিনটি।

তবে, শুধুমাত্র বিদ্যালয়গুলিতেই শিশু দিবস পালন হয় না, যেসব শিশুরা রাস্তায় থাকে এবং অনাথ শিশুদের মুখেও হাসি ফোটানোর চেষ্টা করা হয়।

বিশ্বের দূষিততম শহর দিল্লি, পিছিয়ে নেই কলকাতাও

delhi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দিল্লির মুকুটে নতুন পালক। তবে এই পালক আনন্দের নয় বরং অত্যন্ত উদ্বেগের। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর দিল্লি (delhi)।

এই সমীক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত ১০টি শহরের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে যে তালিকায় রয়েছে ভারতের তিনটি শহরের নাম। এই তিন শহর হল যথাক্রমে দিল্লি, কলকাতা (kolkata) ও মুম্বই (mumbai)। উল্লেখ্য, আইকিউ এয়ার (iqair) নামে সুইজারল্যান্ডের আবহাওয়াবিদদের একটি দল গবেষণা চালিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। এই গবেষণা সংস্থাটি রাষ্ট্রসঙ্ঘের পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে জড়িত।

সমীক্ষা রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ভারত তথা গোটা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর দিল্লি। বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের এই তালিকায় কলকাতা ও মুম্বই রয়েছে যথাক্রমে চতুর্থ ও ষষ্ঠ স্থানে। এই সমীক্ষার রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে দিল্লির গড় এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স ৫৫৬। দূষিত শহরগুলির মধ্যে দ্বিতীয় স্থানটি দখল করেছে পাকিস্তানের লাহোর। অপর শহরগুলির মধ্যে বুলগেরিয়ার সোফিয়া (sofia) রয়েছে তৃতীয় স্থানে, ক্রোয়েশিয়ার জাগরেব (gagreb) রয়েছে পঞ্চম এবং সার্বিয়ার বেলগ্রেড (belgrade) সপ্তম স্থানে। চিনের চেংদু (chendu) অষ্টম, নর্থ ম্যাসিডোনার স্কোপেজ (skopja) নবম এবং পোল্যান্ডের ক্রাকো (krako )১০ম স্থানটি দখল করেছে।

উল্লেখ্য, কয়েক বছর ধরেই দিল্লিতে দূষণ মাত্রা ছাড়া হয়েছে। এরই মধ্যে দীপাবলির পর দিল্লির দূষণ আরও বেড়েছে। পাশাপাশি নভেম্বরের প্রথম থেকেই দিল্লি ও সংলগ্ন হরিয়ানা (hariyana) ও পাঞ্জাবে (punjab) চাষিরা ফসলের গোড়া পুড়িয়ে থাকেন। নাড়া পোড়ানোর ফলে দূষণ একেবারে মাত্রাছাড়া হয়েছে বলে ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

পরিবেশবিদরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, দিল্লির বাতাস দূষিত হওয়ার অন্যতম বড় কারণ হল ফসলের গোড়া পোড়ানো। মূলত পাঞ্জাব ও হরিয়ানা কৃষকদের এই কর্মকাণ্ডের ফলে রাজধানী দিল্লির বাতাস ক্রমশই বিষাক্ত হয়ে উঠছে।

শুধু দিল্লি নয়, ফসলের গোড়া পোড়ানোর ঘন কালো ধোঁয়ায় রাজধানী সংলগ্ন গ্রেটার নয়ডা, নয়ডা, গুরুগ্রাম, গাজিয়াবাদের আকাশও কালো ধোঁয়ায় মুখ ঢেকেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন কলকারখানা ও যানবাহন থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড। এই মুহূর্তে দিল্লিতে বাতাসে ভাসমান ধূলিকণা পরিমাণ স্বাভাবিকের থেকে প্রায় তিন গুণ বেশি। আসন্ন শীতে বাতাসে এই ধূলিকণার পরিমাণ চারগুণ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা।

পরিবেশবিদরা আরও জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে দিল্লির বাতাসে যেভাবে দূষণের পরিমাণ বাড়েছে তাকে অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই দিল্লির বহু মানুষ শ্বাসকষ্ট, কাশি ও নাক-জ্বালার সমস্যায় ভুগছেন। বাতাসের দূষণ অবিলম্বে কমানোর জন্য যাতে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া যায় সেজন্য সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ জানিয়ে আবেদন করেছেন কয়েকজন পরিবেশবিদ।

পর্ণগ্রাফির রঙিন জগৎ ছেড়ে সাধারণ জীবিকায় সফল পাঁচ নীল-তারকা

Adult movie heroine

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ইন্টারনেটের আবির্ভাব ডিভিডির গণ্ডি পেরিয়ে পর্ণগ্রাফি এখন সমস্ত প্রাপ্তবয়স্কদের নেশাতুর করে রেখেছে গোটা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তরে। যদিও পর্ণগ্রাফি ওয়েব দুনিয়ায় দর্শককে এক রঙিন মায়াজালে বাঁধতে পারে অনায়াসেই, তবু পর্নস্টারদের জীবিকা ও জীবনকে ঘিরে মানুষের মনে জমে আছে চাপা কলঙ্কবোধ আর ঘৃনা।

আজকাল, মানুষের জন্য তাদের জীবদ্দশায় তাদের কর্মজীবন পরিবর্তন করা খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার। পর্ণ শিল্পের ক্রিয়া কুশলীদের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নেই। বিশ্বজুড়ে এমন পর্ণ শিল্পীর অভাব নেই যারা এই রঙিন জগতে বিপুল জনপ্রিয়তা পাওয়ার পরেও, জীবনের একটি পর্যায়ে এসে পেশার দিক পরিবর্তনের পথ বেছে নিয়েছে। দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু মহিলাদের গল্প, যারা তাদের প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার ত্যাগ করেছেন এবং বিপুল সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছেন একটি ভিন্ন পেশা বেছে নেওয়ার জন্য।

Mia-Khalifa

১. মিয়া খলিফা
লেবাননের বংশোদ্ভূত অভিনেত্রী কয়েক বছর আগে পর্নহাব সহ বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইটে সবচেয়ে পর্নস্টার হিসাবে স্থান পেয়েছিলেন। কিন্তু তার শিল্পের জন্য সমালোচনার সম্মুখীন হওয়ার পর নাটকীয়ভাবে তিনি পর্ণগ্রাফি ছেড়ে চলে যান। খ্রিস্টান হিসেবে বেড়ে ওঠা মিয়া, তার ভিডিওর বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার পর আইএসআইএস এবং অন্যান্য ইসলামপন্থী চরমপন্থীদের কাছ থেকে মৃত্যুর হুমকি পেতে থাকেন। এর পরেই ইন্ডাস্ট্রি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন মিয়া বলে জানা যায়। তারপর থেকে, মিয়া একজন ক্রীড়া ধারাভাষ্যকারের পদে নিযুক্ত হন কিন্তু তিনি স্বীকার করেছেন যে ইন্ডাস্ট্রি ছাড়ার পর তার পক্ষে ‘স্বাভাবিক’ চাকরি খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল।

Eva-Angelina

২. ইভা এঞ্জেলিনা
পুরস্কার প্রাপ্ত আমেরিকান পর্ণ শিল্পী ইভা মাত্র ১৮ বছর বয়সে প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে পদার্পণ করেন। ২০১৯ সালে তিনি হঠাৎই ইন্ডাস্ট্রি ছাড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এরপর তিনি ফ্লোরিডার সেন্ট পিটার্সবার্গ ফায়ার ডিপার্টমেন্টের সাথে ফায়ার ফাইটার হিসেবে নিযুক্ত হন।

Britney-de-la-Mora

৩. ব্রিটনি ডেলা মোরা
ব্রিটনি সাত বছর ধরে পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছেন এবং তার পর্ণগ্রাফির ক্যারিয়ারের শীর্ষে প্রতি মাসে ৩০ হাজার ডলার আয় করেছেন বলে অনুমান করা হয়। নাটকীয় ভাবে ইন্ডাস্ট্রিজ ছাড়ার পর তিনি ও তার স্বামী একটি চার্চের মিনিস্টারের পদে নিযুক্ত হন।

Tiffany-Milan

৪. টিফানি মিলান
পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশের আগে ১৯৮০ এর দশকের শেষের দিকে গর্জিয়াস লেডিস অফ রেসলিং (GLOW) এর সদস্য হিসেবে খ্যাতি পেয়েছিলেন টিফানি। তিনি দুই বছরের ব্যবধানে ১০০ টিরও বেশি কামোত্তেজক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এবং এমনকি তার নিজস্ব চলচ্চিত্র প্রযোজনা সংস্থাও চালু করেছেন, যা একটি নারীবাদী তির্যকতার সাথে প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র নির্মাণ করে। ইন্ডাস্ট্রি ছাড়ার পর তিনি একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তিগত তদন্তকারী হিসেবে নিজের পেশা বেছে নিয়েছেন।

Mary-Carey

৫. মেরি ক্যারে
মেরি প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র জগতে একটি অত্যন্ত পরিচিত মুখ। তবে ২০০৭ সালে তিনি পর্ণগ্রাফির দুনিয়া ছেড়ে জীবনের নতুন দিশা সন্ধানের সিদ্ধান্ত নেন। ২০২০ এর শুরুর দিকে একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টের মাধ্যমে মেরি জানান যে তিনি বক্সিংয়ের জগতে পদার্পণ করতে চান।

ভারতীয় সেনার এই সাত কমান্ডো ফোর্সের নাম শুনেই ভয়ে কাঁপে শত্রুপক্ষ

অনলাইন ডেস্ক: যুদ্ধজয়ে ভারতের নাম ইতিহাসের পাতায় লেখা৷ যুদ্ধজয়ের তালিকায় পৃথিবীর সপ্তম শ্রেষ্ঠ দেশ ভারত৷ এই দেশ একের পর এক প্রতিবেশীর আক্রমণ৷ আর তার বিরুদ্ধে বীরসুলভ জয়লাভের কাহিনী। অকথিত আক্রমণ হোক বা জঙ্গি হামলা! ভারতের বীর সেনাবাহিনীর অবদানেই বারবার রক্ষা পেয়েছে তিরঙ্গার গৌরব। ভারতের বীর জওয়ানরা আছে বলেই রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যান আপামর দেশবাসী। বীর ভারতীয় জওয়ানদের এমনই কিছু ফোর্সের কথা জেনে নেওয়া যাক৷

MARCOS

মার্কোস (MARCOS): মার্কোস (মেরিন কমান্ডো) একটি বিশেষ বাহিনীর ইউনিট৷ যা ভারতীয় নৌবাহিনী ১৯৮৭ সালে সরাসরি কর্ম, বিশেষ পুনর্নবীকরণ, উভচর যুদ্ধ এবং সন্ত্রাস দমনের জন্য উত্থাপিত হয়েছিল। মার্কোসের প্রশিক্ষণ সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে কঠোর এবং কমান্ডোদের শারীরিক ও মানসিক শক্তির জন্য পরীক্ষা করার জন্যই তা নির্ধারণ করা হয়। মার্কোসকে অনেক সময়ই ‘দাড়িযুক্ত ফৌজ’ বলেও সম্বোধন করা হয়। ছদ্মবেশ ধারণের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ভারতীয় সেনার এই বাহিনি৷ তাই এদের ‘দাদিওয়ালা ফৌজ” নামে অভিহিত করা হয়৷ দাড়িওয়ালা ছদ্মবেশের কারণে, মারকোস যেকোনো ধরনের ভূখণ্ডে অপারেশন করতে সক্ষম, কিন্তু প্রাথমিকভাবে সমুদ্র অভিযানে বিশেষজ্ঞ।

Para Commandos

প্যারা কমান্ডোস (Para Commandos) : ১৯৬৬ সালে গঠিত প্যারা কমান্ডোরা ভারতীয় সেনাবাহিনীর উচ্চ প্রশিক্ষিত প্যারাসুট রেজিমেন্টের অংশ এবং ভারতের বিশেষ বাহিনীর সবচেয়ে বড় অংশ। ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্যারাশুট ইউনিটগুলি বিশ্বের প্রাচীনতম বায়ুবাহিত ইউনিটগুলির মধ্যে একটি। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের সময় ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।

Ghatak Force

ঘাতক ফোর্স (Ghatak Force) : ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই ইউনিট ব্যাটেলিয়নের সামনে থেকে বর্শাঘাত আক্রমণের জন্য বিশেষ ভাবে পরিচিত। ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতিটি পদাতিক ব্যাটালিয়নে একটি প্লাটুন থাকে এবং শুধুমাত্র সবচেয়ে শারীরিকভাবে ফিট এবং অনুপ্রাণিত সৈন্যরা ঘটক প্লাটুনের দিকে যায়। ঘাতক সৈন্যরা সুশিক্ষিত, উন্নততর সশস্ত্র এবং সন্ত্রাসী হামলা, জিম্মি পরিস্থিতি এবং বিদ্রোহের বিরুদ্ধে অভিযানের মতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত।

COBRA Force

কোবরা (COBRA) : কোবরা (কমান্ডো ব্যাটালিয়ন ফর রেজোলিউট অ্যাকশন) হল সিআরপিএফ (সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স) এর একটি বিশেষ ইউনিট৷ যা ভারতে মাওবাদীলদ দমনে গঠিত হয়েছিল। এটি কয়েকটি ভারতীয় বিশেষ বাহিনীর মধ্যে একটি৷ যা একচেটিয়াভাবে গেরিলা যুদ্ধে প্রশিক্ষিত। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি ভারত থেকে বেশ কয়েকটি নকশাল গ্রুপকে সফলভাবে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে।

Force One indin army

ফোর্স ওয়ান (Force One): মুম্বইয়ে ২৬/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর ২০১০ সালে ফোর্স ওয়ান প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিশেষ অভিজাত বাহিনীর প্রধান ভূমিকা মুম্বই শহরকে সন্ত্রাসী হামলা থেকে রক্ষা করা। এই বাহিনী বিশেষভাবে পরিচিত৷ ১৫ মিনিটেরও কম সময় নিয়ে সন্ত্রাস হামলার মোকাবিলা করতে সক্ষম এরা৷

National Security Guard

জাতীয় নিরাপত্তারক্ষী (National Security Guard) : জাতীয় নিরাপত্তারক্ষী ভারতের প্রধান সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনী। এনএসজি ভিআইপিদের নিরাপত্তা প্রদান করে, নাশকতা বিরোধী চেক পরিচালনা করে এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবিলা করতে এরা পারদর্শী৷

Garud Commando Force

গড়ুড় কমান্ডো ফোর্স (Garud Commando Force) : ২০০৪ সালে গঠিত গড়ুড় কমান্ডো বাহিনী৷ এটি ভারতীয় বিমান বাহিনীর বিশেষ বাহিনী ইউনিট। গড়ুড় হওয়ার প্রশিক্ষণটি সমস্ত ভারতীয় বিশেষ বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘতম। একজন প্রশিক্ষণার্থী সম্পূর্ণরূপে কর্মক্ষম গড়ুড় হিসেবে যোগ্যতা অর্জনের পূর্বে প্রশিক্ষণের মোট সময়কাল প্রায় তিন বছর।

বিশ্ব শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপ জুনিয়রে সোনা জিতে সমালোচকদের জবাব দিলেন মনু ভাকর

Manu Bhakar

স্পোর্টস ডেস্ক: ১৯ বছর বয়সী মনু ভাকর (Manu Bhaker) চলতি বছর দিল্লিতে বিশ্বকাপে ১০ মিটার এয়ার পিস্তল ইভেন্টে সোনার পদক জিতে ছিলেন। কিন্তু টোকিও অলিম্পিকে পোডিয়াম শেষ না করায় তাঁকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল।

আর বিশ্ব শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপের জুনিয়র বিভাগে সোনা জিতে এই তরুণ খেলোয়াড় তার সমালোচকদের মুখ বন্ধ করে দিলেন। ISSF (International Shooting Sport Federation) বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপের পদক তালিকায় ভারত দ্বিতীয় স্থানে,আমেরিকা রয়েছে শীর্ষে।

পেরুর রাজধানীতে চলা এই চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের ইশা সিং রুপোর পদক জিতেছেন, অন্যদিকে ভারতের রিদম সাঙ্গোবান ব্রোঞ্জ পদক থেকে বঞ্চিত হয়ে চতুর্থ স্থান অর্জন করেন। ভারতের পুরুষ বিভাগে রুদ্রাক্ষ পাতিল ১০ মিটার এয়ার রাইফেল ইভেন্টে রুপোর পদক জিতেছেন।

Manu Bhakar

১০ মিটার এয়ার পিস্তল বিভাগে মনু শুরু থেকেই দুরন্ত ছন্দে ছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত ২৪১.৩ স্কোর নিয়ে সোনার পদক গলায় ঝুলিয়ে ফেলেন। ১৬ বছর বয়সী তরুণ শ্যুটার ইশা সিং ২৪০ স্কোর নিয়ে রুপোর পদক ঝুলিতে। এই বিভাগে তুরস্কের ইয়াসমিন বেজা ব্রোঞ্জ পদক পেয়ে তৃতীয় স্থানে।

ভারতের রমিতা ১০ মিটার এয়ার রাইফেল ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন। শুধু রমিতা’ই নয় আরও দুই ভারতীয় শুটার মেহুলি ঘোষ এবং নিশা কানওয়ারও ফাইনালে উঠেছিলেন, যদিও পদক তাদের হাতছাড়া হয়। মহিলাদের স্কেট ইভেন্টে ভারতের গনিমত সেখন রুপোর পদক জেতেন।

১০ মিটার এয়ার রাইফেল ইভেন্টে রুদ্রাক্ষ পাতিলের রুপোর পদক জেতার সঙ্গে এই বিভাগে ভারতের পার্থ মাখিজা সপ্তম এবং শ্রীকান্ত ধনুশ আট নম্বরে চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ করে। ১০ মিটার এয়ার পিস্তল ইভেন্টে ভারতীয় শুটার নবীন পদক হাতছাড়া করে চতুর্থ স্থান পান।
ভারত এখন পর্যন্ত গোটা চ্যাম্পিয়নশিপে ১ টি সোনা, ৩ টি রুপো এবং ১ টি ব্রোঞ্জ সহ মোট ৫ টি পদক নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, আর আমেরিকা ৩ টি সোন সহ ৬ টি পদক নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। এই চ্যাম্পিয়নশিপ ৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এবং ১০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে।

দারিদ্রতাকে ডজ করেই বিশ্বসেরা হয়েছেন এই রোনাল্ডো

Ronaldo Luis Nazario

বিশেষ প্রতিবেদন: দারিদ্রতাকে হার মানিয়ে তিনি পাঠিয়েছেন বিপক্ষের জালে। তিনি রোনাল্ডো লুইস নাজারিও। সর্বকালের সেরা নাম্বার নাইন।

১৯৭৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর রিও ডি জেনেইরোর হতদরিদ্র ঘরে জন্ম হয় রোনাল্ডোর। বাবা নেলিও নাজারিও দি লিমা ও মা সোনিয়া দোস সান্তোস বারাতার। জন্মের পর ছেলের নাম রেজিস্ট্রেশন করার টাকাও নেই। সেটা করতে অনেক সময় লেগেছিল। রোনাল্ডোর বয়স তখন ১১। তার বাবা মায়ের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। পড়াশোনা তো অনেক দূরের কথা, দু-মুঠো খাবার জোগাড় হওয়া দায়। হাত পাতেননি কারও কাছে।

ব্রাজিলে যার কিছু না থাকে তার কাছে ফুটবল থাকে। সেটাই ছিল রোনাল্ডোর কাছে। সেটাকে সম্বল করেই শুরু হয় দারিদ্রতাকে হার মানানোর লড়াই। খেলতে শুরু করেন স্ট্রিট ফুটবল। আর কে না জানে সাম্বার দেশের রোনাল্ডো মানে ‘বল দখল তো গোল দখল’। সেটাই করতে শুরু করেন ব্রাজিলের স্ট্রিট ফুটবল প্রতিযোগিতাগুলিতে। ধীরে রাস্তা থেকে সুযোগ মেলে স্থানীয় ক্লাবে। শুরু হয় খেপ খেলা।

Ronaldo Luis Nazario

স্থানীয় ক্লাব সাও ক্রিস্তোভাও-এ খেলার সময় ব্রাজিলের ঘরোয়া লিগের বিখ্যাত ক্রুইজেরো ক্লাবের নজরে আসেন। জীবনের গতিপথ পালটে যায় এখানেই। ২৫শে মে, ১৯৯৩ সালে মাত্র ১৬ বছর ‘মিনাস গেরিয়াস চ্যাম্পিয়ন্সশিপে’ ক্যালডেন্সের হয়ে পেশাদার ফুটবলে রোনাল্ডোর অভিষেক হয়। প্রথম নজরে আসেন ৭ নভেম্বর ১৯৯৩ সালে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব বাহিয়ার বিপক্ষে এক ম্যাচে একাই ৫ গোল করে।

বদলে যায় জীবন। ক্রুইজে থেকে ডাচ ক্লাব পিএসভি হয়ে ১৭ মিলিয়ন ডলারে পিএসভি থেকে বার্সেলোনায়। প্রথম সিজনেই করেন ৪৯ ম্যাচে ৪৭ গোল। বার্সার হয়ে জেতেন উয়েফা কাপ,কোপা ডেল রে,সুপার কোপা ডি ইস্পানা। পরে খেলেছেন ইন্টার মিলান , রিয়েল মাদ্রিদের , এসি মিলনের মতো বড় ক্লাবে।

কিন্তু যে কিশোরের দল তাঁর ফুটবল দেখে ভক্ত হয়েছেন সেটা কিন্তু এই ক্লাব ফুটবল নয়। ব্রাজিলের জার্সিতে তাঁর করা একের পর এক গোল দেখে। ডি বক্সে তাঁর পায়ে বল মানে গোল।

Ronaldo Luis Nazario

আন্তর্জাতিক ফুটবলে খুব কম ফুটবলারই রোনাল্ডোর মত এতটা সফল হয়েছেন। ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র তিনজন ফুটবলার দুইটি ভিন্ন টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন, রোনাল্ডো তাদের একজন। ফুটবলে মাত্র একজন খেলোয়াড়ই বিশ্বকাপের দুটি ভিন্ন টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন।

১৯৯৪ সালের মাত্র ১৭ বছর বয়সেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার সাথে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিলের আন্তর্জাতিক ফুটবল দলের হয়ে রোনাল্ডোর অভিষেক হয়। ১৯৯৪ সালে আইসলেন্ডের সাথে তিনি ব্রাজিলের হয়ে প্রথম গোল করেন। এখনও পর্যন্ত ব্রাজিলের হয়ে পেলের পর সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। করেছেন ৯৮ ম্যাচে ৬২টি গোল।

১৯৯৭ কোপা আমেরিকার সেরা খেলোয়াড় ছিলেন। ৯৯-এর কোপায় হয়েছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। ব্রাজিলের তিনটি ইন্টারন্যাশনাল শিরোপা জয়ে জয়ে দুবারই টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়, দুবার সর্বোচ্চ গোলদাতা, একবার রানার্স আপ, এবং যে তিনটি ফাইনাল খেলেছেন তাঁর প্রত্যেকটিতেই গোল করেছেন। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের জয়ী দলের সদস্য তিনি। ১৯৯৮ ফাইনাল এবং ২০০২ এ ব্রাজিলের বিশ্ব জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন তিনি। আর ফাইনালের সেই দুই গোল। অলিভার কান, যিনি অপ্রতিরোধ্য এক দেওয়াল হয়ে উঠেছিলেন প্রত্যেক স্ট্রাইকারের বিরুদ্ধে , সেই তিনি দু’দুবার হার মানেন রোনাল্ডোর কাছে। চারটে বিশ্বকাপ খেলে তিনবার ফাইনাল, দুবার বিশ্বকাপ জয়। নিজে করেছেন ১৫টা গোল। কার আছে এমন রেকর্ড?

আর এই কারণেই তিনি ফুটবলের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা নাম্বার নাইন। সর্বকালের সেরা স্ট্রাইকার বললেও ভুল হবে না। ১৭ বছর ধরে বিপক্ষের রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে যিনি এত গোল করেছেন তাঁকে সেরা স্ট্রাইকার কেন বলা হবে না? দু’টি বিশ্বকাপ, দু’টি কোপা আমেরিকা, দু’বার ব্যালন ডি’অরের সঙ্গে পেয়েছেন তিন বার ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার। ২০১১ সালের ৭ জুন, ব্রাজিলের সাও পাওলোতে রোমানিয়ার বিরুদ্ধে এক আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের বর্ণাঢ্য কেরিয়ারের সমাপ্তি টানেন তিনি।

Akshay Bhagat: সাইকেলে বিশ্বের সর্বোচ্চ পাস জয় বাঙালির

Akshay bhagat climbs worlds highest pass umlingla

বিশেষ প্রতিবেদন: প্রথম বাঙালি হিসাবে সাইকেলে উমলিঙলা জয় করলেন পুরুলিয়ার ছেলে অক্ষয় ভগত। এর আগেও বহুবার বহু পথে বিভিন্ন বার্তা নিয়ে সাইকেল নিয়ে গিয়েছেন অক্ষয়। এবার অক্ষয় পা বাড়িয়েছিলেন লাদাখের পথে।

সাধারণ জনগণের অনুমতি নেই এখানে যাওয়ার। এর পূর্বে কেউ সেখানে সাইকেল নিয়ে যায়ওনি। সেটাই করে দেখালেন বাঘমুন্ডির ছেলে অক্ষয়। তিনি জানিয়েছেন, “এটা আমার কাছে একটা গর্বের মুহূর্ত। আমার সঙ্গে ছিলেন আরও পাঁচজন। বিশ্বের প্রথম টিম হিসাবে আমরা উমলিঙলা জয় করলাম। আমাদের দলে ছিল পীযূষ মঙ্গা , যোগেশ রাওয়াল , সুমিত ডাঙ্গী , সঞ্জয় শ্রীকুমার। প্রথমবার সাইকেলে বিশ্বের সবথেকে উঁচু পাস উমলিঙলাতে পৌঁছল, যার উচ্চতা ১৯,৩০০ফুট। পুরো যাত্রায় সেনা এবং বিআরও আমাদের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব হতো না , আমাদের সাথে পুরো রাস্তা সেনার গাড়ি ছিল।।ওনাদের সহযোগিতা এই ছাড়া সম্ভব ছিল না। কাঞ্চনা ম্যাডাম খুব সহযোগিতা করেছেন সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।”

umling la

প্রসঙ্গত, লাদাখের দুর্গম পার্বত্যাঞ্চলে উম লিং লা। দুনিয়ার এখানে সম্প্রতি রাস্তা বানিয়েছে ভারত। এত উঁচুতে রাস্তা তৈরীর রেকর্ড ছিল বলিভিয়ার। সেই দেশকে টপকে কিছু বছর আগে তৈরি হয় এই রাস্তা।”

বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের (বিআরও) তৈরি এই রাস্তার উচ্চতা এভারেস্টের বেস ক্যাম্পের থেকেও বেশি বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রশাসিত লাদাখের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত উমলিংলা পাসে ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ পাকা সড়ক বানানো হয়। ওই এলাকায় রাস্তা তৈরি করা খুবই কঠিন কাজ ছিল। শীতে ওই অঞ্চলে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নেমে যায়।

অক্সিজেনের পরিমানও স্বাভাবিকের থেকে ৫০ শতাংশ কম থাকে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন অসাধ্য সাধন করেছে। তাদের কর্মীদের পরিশ্রম ও দক্ষতার ফলেই এই রাস্তা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।’ এর আগে সবচেয়ে উঁচুতে সড়ক নির্মাণের রেকর্ড ছিল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়ার। দেশটির ওই সড়ক সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮ হাজার ৯৫৩ ফুট উঁচুতে অবস্থিত ছিল। ‘Project Himank’-এর আওতায় এই কাজ সফল হয়েছিল।

ওই রাস্তা লেহ থেকে ২৩০ কিলোমিটার দূরে হানলের কাছে ৮৬ কিমি সড়ক চিসুমলে এবং দেমচোক গ্রামকে জুড়ে দেয়৷ পূর্ব দিকে ইন্দো-চিন সীমান্ত থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে রয়েছে এই গ্রামগুলি৷

G-7 Summit: তালিবানের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে বিশ্বের ‘সুপার পাওয়ার’ দেশ

G-7 Summit

বিশেষ প্রতিবেদন: আফগানিস্তান দখলের পর তালিবানের ভবিষ্যৎ কী হবে? তাদের উপর অনেক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে? নাকি বিশ্বের পরাশক্তি দেশগুলো এই তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে? সবটাই নির্ভর করবে আজ, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া G-7 বৈঠকের অবস্থানের উপর। আমেরিকা এবং তার মিত্ররা এই বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

তালিবানরা যেভাবে আফগানিস্তান দখল করেছে, তাতে অনেক দেশ ক্ষুব্ধ। জি-7 বৈঠকে হয়তো বিশ্ব থেকে তালিবানকে বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে সূত্রের মতে, জো বাইডেন আফগানিস্তানে ৩১ আগস্টের পরেও কিছু সময়ের জন্য আমেরিকান এবং ন্যাটো দেশের বাহিনী ফেরত আনার বন্ধ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

আন্তর্জাতিক নিয়ম মানার ক্ষেত্রে সকলে সহমত হতে পারে
জি-7 দেশের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা এবং জাপান। এটা মনে করা হচ্ছে, সমস্ত দেশ একত্রে বেশ কয়েকটি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তালিবানকে স্বীকৃতি দেওয়ার মনোভাব গ্রহণ করবে। এক ইউরোপীয় কূটনীতিক বলছেন, জি-7 দেশগুলো আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলার এবং মহিলাদের তাদের অধিকার দেওয়ার শর্ত তালিবানকে দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত কারেন পিয়ার্স বলেছেন, বরিস জনসন বৈঠকে কিছু সমাধান নিয়ে আসতে পারেন। রাষ্ট্রসংঘে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং রাষ্ট্রসংঘে মহাসচিব জেন স্টলটেনবার্গও বৈঠকে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আজ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া G-7 ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডে৷ জি-7 এর এই সভা আহ্বানের দাবি ব্রিটেনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন ​​সাকি তার বিবৃতিতে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জি-7 দেশের নেতাদের সঙ্গে ২৪ অগস্ট ভার্চুয়াল বৈঠক করতে পারেন। এই নেতারা আফগানিস্তানের ব্যাপারে সমন্বয় বাড়াতে এবং পশ্চিমের দেশগুলিকে সমর্থনকারী আফগানদের তাড়িয়ে দিতে আলোচনা করবেন। সাকি বলেন, জি-7 নেতারা আফগান শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করবেন।

বরিস জনসনের বক্তব্য
এর আগে টুইটারে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছিলেন, ‘আফগান জনগণকে নিরাপত্তা দিতে, মানবিক সংকট রোধ করতে এবং গত ২০ বছরের কঠোর পরিশ্রমকে সুরক্ষিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আফগান জনগণকে সমর্থন করার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ এই বছর জি-7 দেশগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছে ব্রিটেন। এই গ্রুপে রয়েছে ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্র।

আফগান নীতি সম্পর্কে অভিন্ন পদ্ধতির প্রয়োজন
হোয়াইট হাউসের মতে, জো বাইডেন এবং বরিস জনসন জি-7 এর ভার্চুয়াল বৈঠকের কথাও বলেছিলেন৷ দুই নেতা আফগানিস্তানের পরিস্থিতি মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা এবং অভিন্ন পদ্ধতির বিষয়ে আলোচনা করেন। আফগানিস্তানের নীতি নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার ওপরও জোর দিয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, আফগানিস্তান থেকে আমেরিকান বাহিনী প্রত্যাহারের জন্য বাইডেন প্রশাসন তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে৷

চলতি বছরে বিশ্বজুড়ে সাতটি ভয়াবহ বিপর্যয়

Rebuilding after Natural Disasters

নিউজ় ডেস্ক: ২০২০ থেকে এখনও পর্যন্ত মারণ করোনাভাইরাসের কোপে বিপর্যস্ত৷ এখনও বিশ্বের বহু দেশ এই মহামারিতে রীতিমতো দিশেহারা৷ এই মহামারির সঙ্গে নতুন করে নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে বিশ্ববাসী৷ কোথাও ভয়াবহ বন্যা৷ কোথাও ভূমিধস৷ আবার মস্কো, কানাডার মতো শীতপ্রধান দেশও জ্বলছে প্রচণ্ড গরমে৷ চলতি বছরে ঘটে যাওয়া সাতটি ভয়াবহ বিপর্যয় তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে৷

ইউরোপে বন্যা: গ্রীষ্মকালে অতিবৃষ্টির কারণে ইউরোপের জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়ামে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে৷ আকস্মিক এই বন্যায় শুধুমাত্র জার্মানি ও বেলজিয়ামেই দুইশ নয় জন প্রাণ হারিয়েছে৷ আর ঘরছাড়া হয়েছেন শত শত মানুষ৷ এমন বন্যা গত এক দশকেও দেখেনি ইউরোপ৷

আক্রান্ত চিন-ভারতও: অতিবৃষ্টির কারণে বিশ্বের সবচেয়ে দুই জনবহুল রাষ্ট্র চিন এবং ভারতেও বন্যা দেখা দিয়েছে৷ হতাহতের সংখ্যাও নেহাত কম নয়৷ বিজ্ঞানীদের ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাবের কারণেই এমন পরিস্থিত তৈরি হচ্ছে৷ যা আসছে বছরগুলোতেও হতে পারে৷

মঙ্গায় আক্রান্ত লক্ষাধিক মানুষ: তীব্র খরায় কারণে ফসল উৎপাদন না হওয়ায় আফ্রিকার দেশ মাদাগাস্কারের প্রায় ১১ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটে পড়েছে৷ পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, সেখানকার মানুষ ক্ষুধা মেটাতে ক্যাকটাস ও পোকামাকড় খেয়ে জীবন বাঁচানোর চেষ্টায় আছে৷

রেকর্ড গরম যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যানাডায়: ইউরোপ কিংবা এশিয়া যখন বন্যায় নাকাল, যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যানাডার কিছু অঞ্চল তখন উচ্চ তাপমাত্রায় পুড়ছে৷ দক্ষিণ ক্যানাডার লিটোন অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক ছয় ডিগ্রি পর্যন্ত রেকর্ড হয়েছে৷

প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঘর ছাড়া হাজারো মানুষ: প্রাকৃতিক দুর্যোগে মুখে ঘরছাড়া মানুষের সংখ্যা গত এক দশকের মধ্যে ২০২০ সালেই সবচেয়ে বেশি ছিল৷ পরিসংখ্যান বলছে, বন্যা, বৃষ্টি ও খরাসহ নানা ধরনের প্রকৃতিক দুর্যোগের কারণে ২০২০ সালে সাড়ে পাঁচ কোটি মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন৷

ঝুঁকিতে আমাজন: এদিকে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিল দগ্ধ হচ্ছে তীব্র খরায়৷ এমন খরা গত একশ বছরেও দেখেনি ব্রাজিল৷ এর ফলে পৃথিবীর ফুসফুস হিসেবে খ্যাত আমাজনে দাবানল ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে৷

দাবানলে পুড়ছে: উষ্ণ তাপমাত্রায় সৃষ্ট তীব্র গরম কমে এলেও আবহাওয়ার শুষ্কতার কারণে দেখা দিচ্ছে অন্য বিপদ৷ যুক্তরাজ্যের অরিগন অঞ্চলের কথাই ধরুন৷ সেখানে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট দাবানলে দুই সপ্তাহে বিশাল এলাকা পুড়ে গিয়েছে৷

ভালো Vs মন্দ সাংবাদিকতা: বিশ্বের ছ’টি বিখ্যাত কেলেঙ্কারি ফাঁস

Good vs bad journalism: Six famous scandals in the world

বিশেষ প্রতিবেদন: এখন বহু প্রবীণ সাংবাদিকের মুখেই শোনা যায় একটা হতাশার কথা৷ তাঁরা প্রায়শই বলে থাকেন, এখন সাংবাদিকতা হয়ে গিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ নির্ভর৷ এখনকার সাংবাদিকতা মানেই সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভর৷ অধিকাংশ সাংবাদিকই আর খুঁড়ে খবর যোগার করে না৷ বরং তারা ফরোয়ার্ড মেসেজে আসা খবরেই ব্যস্ত৷

সাম্প্রতিকালে পেগাসেস ইস্যুতে সংবাদমাধ্যমের একটা বড় ভুমিকা লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷ বিরোধী দল তো বটেই, সাংবাদিকদের ফোন হ্যাক করার পরেই সংবাদমাধ্যমের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷ স্বাভাবিক কারণেই এই ইস্যুতে কার্যত কোনঠাসা শাসকদল প্রশ্ন তুলেছে, পিগাসেস কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আনা সংবাদমাধ্যমটির ভুমিকা নিয়ে৷ প্রশ্ন উঠেছে, তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে৷ অন্যদিকে, গত এক-দেড় দশক ধরে ‘গদি মিডিয়া’ বনাম ‘অগদি মিডিয়ার ঠাণ্ডা লড়াই৷ এখন কর্পোরেট হাতে চলে যাওয়া ভারতের সংবাদমাধ্যমের ভুমিকায় সংবিধানের চতুর্থ স্তম্ভের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে৷ তবে কি সংবাদমাধ্যমে ঢুকে গিয়ে ভালো-মন্দের সাংবাদিকতা? তারই নিরিখে তুলে ধরা হল ভালো-মন্দের মধ্যেই বিশ্বখ্যাত ছ’টি কেলেঙ্কারি ফাঁসে সংবাদমাধ্যমের ভুমিকা৷

media news paper online media girl

ওয়াটারগেট কেলেংকারি: সাংবাদিকতার ইতিহাসে এটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা৷ ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ওয়াশিংটনের ওয়াটারগেট কমপ্লেক্সে ডেমোক্রেটদের সদরদপ্তরে আড়ি পাতার অভিযোগ উঠেছিল৷ পরবর্তীতে সেই ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করেছিল প্রেসিডেন্ট নিক্সনের প্রশাসন৷ ওয়াশিংটন পোস্টের দুই সাংবাদিক বব উডওয়ার্ড ও কার্ল ব্যার্নস্টাইনের রিপোর্টিংয়ের কারণে কংগ্রেস ঘটনাটি তদন্ত করেছিল৷ পরে নিক্সন পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন৷

ভিয়েতনাম যুদ্ধ বন্ধে সংবাদমাধ্যম: সাংবাদিক ওয়াল্টার ক্রোনকাইটকে অনেকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিশ্বস্ত লোক’ মনে করতেন৷ ভিয়েতনাম যুদ্ধ নিয়ে করা প্রতিবেদনে তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধ জিততে পারবে না৷ তাঁর বক্তব্য মার্কিনিদের বিশ্বাসে পরিবর্তন এনেছিল৷ এমনকি প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসনও নাকি বলেছিলেন, ‘‘যখন আমি ক্রোনকাইটের বিশ্বাস হারাই, তখন আমি মধ্যবিত্ত মার্কিনিদের বিশ্বাস হারাই৷’’ ক্রোনকাইটের রিপোর্টিং যুদ্ধ থামাতে বড়সড় ভুমিকা নিয়েছিল৷

শিশু হত্যার ভুয়ো খবর: ১৯৯০ সালে লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের এক প্রতিবেদনে কুয়েতে ইরাকি সেনাদের নির্যাতনের কথা তুলে ধরা হয়েছিল৷ সেনারা নাকি ইনকিউবেটরে থাকা শিশুদের মেরে ফেলছে৷ পরে ওয়াশিংটন পোস্টও এমন তথ্য দিয়েছিল৷ এরপর মার্কিন কংগ্রেশনাল ককাসে একই বর্ণনা দেন ১৫ বছরের কুয়েতি মেয়ে নায়িরাহ৷ এসব তথ্যের ভিত্তিতে ইরাকে যুদ্ধ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র৷ পরে জানা যায়, তথ্যগুলো ভুয়ো ছিল৷ আর নায়িরাহ আসলে কুয়েতি রাষ্ট্রদূতের মেয়ে ছিলেন!

ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র: ইরাক যুদ্ধ শুরু করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সে দেশে গণবিধ্বংসী অস্ত্র আছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন৷ প্রথম সারির কয়েকটি পত্রিকাও এমন অভিযোগ তুলেছিল৷ নিউইয়র্ক টাইমসে প্রতিবেদন করেছিলেন জুডিথ মিলার৷ অবিশ্বস্ত সূত্রের উপর ভরসা করে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘পুরো ইরাক গণবিধ্বংসী অস্ত্রের এক বড় আধার৷’’ যদিও পরে এমন অস্ত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি৷ নিউইয়র্ক টাইমস তাদের রিপোর্টগুলো মানসম্মত ছিল না বলে স্বীকার করেছিল৷

পানামা পেপার্স: পানামার ‘মোসাক ফনসেকা’ নামে আইন বিষয়ক এক প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন কর্মচারীর তথ্যের ভিত্তিতে কর ফাঁকি দেওয়া দুই লক্ষের বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করেছিল ‘ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অফ ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম’ আইসিআইজে৷ ২০১৬ সালে প্রকাশিত ওই তালিকায় বহু ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে এসেছিল৷ তবে আইসিআইজে বলেছে, তালিকায় যাদের নাম এসেছে তারা সকলেই যে অনিয়মে জড়িত, এমন নয়৷

এনএসএ-র নজরদারি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএ জননিরাপত্তার জন্য যাদের হুমকি মনে করত, তাদের উপর নজরদারি চালাত৷ কিন্তু ২০১৩ সালে জানা গেল ডাকঘরকর্মী, প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক সবার উপর নজরদারি করছে এনএসএ৷ এডওয়ার্ড স্নোডেনের সহায়তায় ওয়াশিংটন পোস্ট ও গার্ডিয়ান এই তথ্য প্রকাশ করে৷ পরে জানা যায়, জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্কেল, ফ্রান্সের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ওঁলদের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুরাও নজরদারির আওতায় ছিলেন৷