purba-bardhman-dalma-range-elephant

News desk: সকাল গড়িয়ে রাত নামল। এর পরেই আরও আতঙ্কিত পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসি, আউসগ্রাম, ভাতার এলাকাবাসী। যদি ফের ২০১৬ সালের মতো হামলা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় হাতি নিয়ে গুজব না ছড়াতে অনেকেই বলছেন। জেলা প্রশাসন সতর্কতা বার্তায় বলেছে, কেউ যেন অযথা ঝুঁকি না নেন। সকাল হলে হাতিদের গতিবিধি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

purba-bardhman-dalma-range-elephant

ছোটনাগপুরের দলমা রেঞ্জের দাঁতাল হাতি আগেও এসেছে। দামোদর পার হয়ে বহুবার পানাগড়, গলসি, আউসগ্রামের জঙ্গলে ঢুকেছে। কিন্তু একসঙ্গে এতো হাতি গ্রামবাসীরা দেখেননি বলে জানান। অন্তত ৪৬টি দাঁতাল হাতি ও ছানা আছে এই দলে।

বৃহস্পতিবার সকালে বাঁকুড়ার শালতোড়া বনাঞ্চল থেকে পাল পাল হাতি পশ্চিম বর্ধমান হয়ে দামোদর পার করে পূর্ব বর্ধমানের দিকে ঢুকে পড়ে। সকাল থেকেই জেলার গলসি, পারাজ, আউসগ্রাম, ভাতার এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।গলসির একের পর এক ধানজমি মাড়িয়ে, ধান খেয়ে পালপাল হাতি দাপাতে থাকে। এলাকায় ছড়ায় আতঙ্ক।

purba-bardhman-dalma-range-elephant

প্রায় ৪৬টি হাতির বিরাট এই দলের দাপাদাপিতে গলসির শিড়রাই গ্রামের জমিতে প্রচুর ধান নষ্ট হয়েছে। সিংপুর, গলিগ্রাম, উচ্চগ্রাম, কুদরুকি হয়ে হাতির দল খড়ি নদী পার হয়ে আউসগ্রামের জঙ্গল অভিমুখে চলে যায়। রাত্র পর্যন্ত হাতির দল রয়েছে আউসগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের নয়দা গ্রামে।

purba-bardhman-dalma-range-elephant

পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন জানায়, বিরক্ত না করলে গ্রামের দিকে ঢুকবে না হাতিরা। মাইকিং করে সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়। জেলা বন দফতর সূত্রে খবর, দামোদর পার করে গলসি ১ নম্বর ব্লকের শিল্ল্যা ঘাট এলাকায় ঢুকেছে হাতির দল।

<

p style=”text-align: justify;”>এত বড় হাতির দলকে নিরাপদে জঙ্গলে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করছে জেলা প্রশাসন। হুলা পার্টি ও কুনকি হাতির সাহায্য নেওয়া হতে পারে বলে বর্ধমান বনদফতর সূত্রে খবর।