সরকার প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ স্কিম (পিএমআইএস)-এর যোগ্যতার মানদণ্ড প্রসারিত করে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদেরও অন্তর্ভুক্ত করেছে। এই পরিবর্তনের ফলে, ১৮-২৫ বছর বয়সী শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা এখন পিএমআইএস পোর্টালের মাধ্যমে শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোতে বেতনভুক্ত ইন্টার্নশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে।
প্রধানমন্ত্রীর ইন্টার্নশিপ স্কিমে পরিবর্তনগুলি ভারতের জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি)-র লক্ষ্যের সাথে সঙ্গতি রেখে করা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানযোগ্যতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং এর মাধ্যমে তাদের শিক্ষাজীবন থেকে কর্মজীবনে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত করা। উল্লেখ্য যে, বিভিন্ন পদ ও খাতে ইন্টার্নশিপের সুযোগ প্রদানের জন্য এই সরকারি প্রকল্পে ৩০০-৫০০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছে। প্রকল্পটি বর্তমানে পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে এবং এর তৃতীয় পর্ব চলছে, যেখানে কোম্পানিগুলো ক্রমাগত ইন্টার্নশিপের সুযোগ প্রকাশ করে চলেছে।
এই সরকারি প্রকল্প থেকে কারা উপকৃত হতে পারেন?
এই প্রকল্পটি কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আশীর্বাদস্বরূপ হতে পারে। প্রায়শই, শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করার পর চাকরি খুঁজে পেতে পারেন না, কারণ কাজের পরিবেশ এবং কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে তাদের অভিজ্ঞতার অভাব থাকে। তবে, ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করতে পারেন এবং তাদের উপবৃত্তিও প্রদান করা হয়। বর্ধিত যোগ্যতার মানদণ্ড অনুযায়ী, ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী চূড়ান্ত বর্ষের শিক্ষার্থীরা এখন পিএমআইএস পোর্টালের মাধ্যমে শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোতে বেতনভুক্ত ইন্টার্নশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে।
কতজন যুবক উপকৃত হবেন?
এই প্রকল্পের অধীনে, সরকার আগামী পাঁচ বছরে ১ কোটি যুবককে ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেবে। এই প্রকল্পটি ২০২৪-২৫ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছিল এবং ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। অংশগ্রহণকারী যুবকরা প্রতি মাসে ৯,০০০ টাকা পাবেন এবং ইন্টার্নশিপে যোগদানের জন্য সরকার আরও ৬,০০০ টাকা প্রদান করবে।
