কারোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এখন ঘরে বসে অনলাইনে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। অনলাইনের ক্লাসের এই নতুন অভিজ্ঞতার কারণে শিশুদের মধ্যে অনেক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এ সময় তাদের দিকে অভিভাবকদের বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। স্কুলের পড়াশোনা যখন বাড়িতে, তখন অবসাদ ও হতাশা দেখা দেওয়াই স্বাভাবিক। তাই খেয়াল রাখতে হবে সেদিকেও।
যা করবেন:
আলাদা বসার জায়গা:
ঘরেই আলাদা বসার জায়গা করে দিন সন্তানকে। অনলাইন ক্লাসে মনোযোগের জন্য সুন্দর পরিবেশও দরকার।
বাড়িতে জায়গা কম থাকলেও অন্ততপক্ষে একটা চেয়ার টেবিল দিয়ে সন্তানের পড়ার জায়গা করে দিন।
ল্যাপটপে ক্লাস:
ল্যাপটপে ক্লাস করতে পারলে ভালো হয়। এতে দেখতে ও পড়তে সুবিধা হয়। আর ফোনে ক্লাস করার সময়ে চোখে চাপ পড়ে বেশি।
সময় ভাগ করে নিন:
বাড়িতে একটা ল্যাপটপ থাকার কারণে সমস্যা হতে পারে। তাই একাধিক জন একটি ল্যাপটপ ব্যবহার করলে সময় ভাগ করে নিতে হবে।
নজর রাখুন:
সন্তানের অনলাইন ক্লাস করার সময় সন্তানের পাশেই বসে থাকুন। এতে সন্তানের মানসিক সাহস বাড়বে।
ভার্চুয়ালটাই সব নয়:
সারাদিন স্কুলে শিক্ষকদের সান্নিধ্যে, বন্ধুদের মাঝে হেসে-খেলে শেখা আর ভার্চুয়াল জগতে শেখার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে অনেক। আর পড়া ও খেলার সময় সন্তানকে সময় দেওয়াটা অবশ্যই জরুরী।
ভার্চুয়াল জগতের হাতছানি:
অনলাইন ক্লাসের সঙ্গেই ভার্চুয়াল জগতের হাতছানি রয়েছে। তাই সাবধানতাও জরুরি। অনেকেই ক্লাসের ফাঁকে বা অনলাইন ক্লাস না হলেও ল্যাপটপে নেট সার্ফ করে। সন্তানের জন্য ক্ষতিকারক, এমন কিছুতে নজর দিচ্ছে কিনা সে বিষয়ে খেয়াল রাখুন।
আলোচনা প্রয়োজন:
নতুন এই পদ্ধতির পড়াশোনা নিয়ে সন্তানের সঙ্গে আলোচনা করুন। শিক্ষকরা যেমন নিজেদের আপডেট করছেন, অভিভাবককেও সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। সমস্যা হলে স্কুলের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন।
যদিও এখন এই পর্ব প্রায় শেষের পথে। ধীরে ধীরে স্কুল খোলার মুখে চলে এসেছে। তবুও এখনও অনেকেই এই বিষয় সড়গড় হতে পারেননি। তাই এই বিষয়ে যতটা সম্ভব হাত পাকিয়ে রাখাই শ্রেয়। কারণ ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডই ভবিষ্যৎ।














তবে এবার বেশ মজার এক গল্প নিয়ে হাজির হলেন কোয়েল মল্লিক। ফুচকা খেতে কে না ভালোবাসে! সুযোগ পেলে মনে হয় গোটা দোকানটাই যদি নিয়ে নেওয়া যেত, আর এই সুযোগ পেয়ে কোয়েল কী কাণ্ড ঘটিয়েছিল জেনে অবার ভক্তমহল। মল্লিক বাড়ির দুর্গাপুজো মানেই রমরমা ব্যাপার। দাদা-দিদিদের মাঝে ছোট্ট কোয়েলের দিন কাটত নানান ব্যস্ততায় আর হুল্লোরে। তবে অনেকেই কোয়েল ব্যাস্ত ভেবে তাঁকে ফেলেই ঘুরতে চলে যেত।