নতুন রঙ ও ইঞ্জিন সহ বাজারে এল 2025 Honda Shine 100, দাম সহ বিস্তারিত ফিচার জানুন

ekolkata24-latest bengali news

হোন্ডা (Honda) ভারতীয় বাজারে 2025 Honda Shine 100 লঞ্চের ঘোষণা করল। মোটরসাইকেলটির এক্স-শোরুম মূল্য রাখা হয়েছে ৬৮,৭৬৭ টাকা। আপডেট হিসাবে নতুন মডেলটি OBD-2 নির্গমন পালনকারী ইঞ্জিন এবং নতুন গ্রাফিক্স সহ এসেছে। এর ফলে আগের মডেলের তুলনায় এর দাম ১,৮৬৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। Shine 100-এর ডিজাইনে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। যেমন হেডল্যাম্প কাউল, ফুয়েল ট্যাঙ্ক এবং সাইড ফেয়ারিংয়ে নতুন গ্রাফিক্স যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, হোন্ডার উইং লোগো সরিয়ে Shine 100 ব্যাজিং দেওয়া হয়েছে।

2025 Honda Shine 100-এ নতুন রঙের বিকল্প

2025 Shine 100-এ নতুন ব্ল্যাক সহ অরেঞ্জ রঙের স্কিম চালু করা হয়েছে, যা আগের ব্ল্যাক সহ গোল্ড বিকল্পের বদলে এসেছে। এছাড়া, আগের মতোই ব্ল্যাক সহ রেড, ব্ল্যাক সহ ব্লু, ব্ল্যাক সহ গ্রে এবং ব্ল্যাক সহ গ্রিন রঙের বিকল্পগুলিও উপলব্ধ থাকবে।

আপডেটেড ইঞ্জিন ও ফিচার

নতুন Honda Shine 100-এর সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এর OBD-2 কমপ্লায়েন্ট ইঞ্জিন। এই বাইকটিতে ৯৮.৯৮ সিসি, সিঙ্গল-সিলিন্ডার, এয়ার-কুল্ড, ফুয়েল-ইঞ্জেক্টেড ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। এটি ৭,৫০০ আরপিএম গতিতে ৫.৪৩ কিলোওয়াট শক্তি এবং ৫,০০০ আরপিএমে ৮.০৪ এনএম টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম। ইঞ্জিনের সঙ্গে চার-গতির ম্যানুয়াল গিয়ারবক্স সংযুক্ত রয়েছে।

নিরাপত্তার দিক থেকেও Shine 100 বেশ উন্নত হয়েছে। বাইকটিতে CBS (কম্বাইন্ড ব্রেকিং সিস্টেম) সহ ড্রাম ব্রেক রয়েছে। এছাড়া, টেলিস্কোপিক ফ্রন্ট ফর্ক, টুইন রিয়ার শক অ্যাবজর্ভার, ব্ল্যাকড-আউট অ্যালয় হুইল, অ্যালুমিনিয়াম গ্র্যাব রেল এবং লম্বা সিঙ্গেল-পিস সিট দেওয়া হয়েছে।

Honda CB350 রেঞ্জের নতুন আপডেট

এছাড়া, হোন্ডা 2025 CB350 রেঞ্জ-ও আপডেট করেছে। নতুন CB350 লাইনআপে CB350 H’ness, CB350 এবং CB350RS মডেল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা OBD-2B কমপ্লায়েন্ট ইঞ্জিন সহ এসেছে। Honda এই মডেলগুলির জন্যও নতুন রঙের বিকল্প চালু করেছে। Honda CB350 রেঞ্জের দাম শুরু হয়েছে ₹২ লাখ থেকে এবং সর্বোচ্চ দাম ₹২.১৯ লাখ (এক্স-শোরুম)।

Honda CB350 H’ness-এর DLX ভ্যারিয়েন্ট এখন Pearl Deep Ground Grey এবং Pearl Igneous Black রঙে উপলব্ধ। DLX Pro ভ্যারিয়েন্টে এই দুটি রঙের পাশাপাশি Rebel Red Metallic রঙ যোগ হয়েছে। DLX Pro Chrome ভ্যারিয়েন্টে তিনটি নতুন রঙ এসেছে – অ্যাথলেটিক মেটালিক ব্লু, পার্ল ডিপ গ্রাউন্ড গ্রে এবং পার্ল ইগনিয়াস ব্ল্যাক।

2025 Honda Shine 100 ও Honda CB350 রেঞ্জের আপডেটের ফলে ভারতীয় বাইকের বাজারে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে, Shine 100-এর নতুন ডিজাইন ও OBD-2 কমপ্লায়েন্ট ইঞ্জিন হোন্ডার এন্ট্রি-লেভেল সেগমেন্টে প্রতিযোগিতা আরও বাড়িয়ে তুলবে।

আবারও বাড়ছে Maruti Suzuki গাড়ির দাম, কবে থেকে কার্যকর হবে নতুন মূল্য?

ekolkata24-latest bengali news

ভারতের জনপ্রিয় গাড়ি নির্মাতা মারুতি সুজুকি (Maruti Suzuki) আবারও তাদের যাত্রীবাহী গাড়ির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাস থেকে এই মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর হবে। এটি হবে চলতি বছরে সংস্থার তৃতীয়বারের মূল্যবৃদ্ধি। এতে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। জানুয়ারি ২০২৫-এ মারুতি সুজুকি গাড়ির দাম ৪% পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল, এরপর ফেব্রুয়ারিতেও কোম্পানি মহার্ঘের পথ অনুসরণ করে। যেখানে বিভিন্ন মডেলের দাম ১% থেকে ৪% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল।

দাম বাড়ানোর কারণ জানালো Maruti Suzuki

মারুতি সুজুকির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনের সমস্যার কারণে কোম্পানিকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। কোম্পানির সর্বশেষ নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংস্থাটি ক্রমাগত খরচ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে, তবে কিছু অতিরিক্ত ব্যয় গ্রাহকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হতে পারে। তবে, সংস্থাটি এখনও ঘোষণা করেনি যে কোন মডেলের দাম কতটা বাড়বে। ধারণা করা হচ্ছে, বিভিন্ন মডেলের ওপর ভিন্ন ভিন্ন হারে দাম বাড়ানো হতে পারে।

ইন্দো-জাপানি সংস্থার গাড়ির দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত আগেও একাধিকবার দেখা গিয়েছে। ডিসেম্বর ২০২৪-এ কোম্পানি ঘোষণা করেছিল যে জানুয়ারি ২০২৫ থেকে গাড়ির দাম ৪% পর্যন্ত বাড়বে, যা পরে কার্যকর করা হয়। এরপর ফেব্রুয়ারি মাসেও গাড়ির দাম বাড়ানো হয়, যেখানে ১,৫০০ থেকে ৩২,৫০০ টাকা পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছিল বিভিন্ন মডেলের ক্ষেত্রে। তখন কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, বিশ্ববাজারে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি এবং সরবরাহ চেইনের অসুবিধার কারণে এটি করতে হয়েছে।

কোন মডেলগুলোর দাম বাড়তে পারে?

বর্তমানে মারুতি সুজুকি ভারতে Alto K10, S-Presso, Eeco, Celerio, Wagon R, Ignis, Swift, Baleno, Dzire, Fronx, Brezza, Ertiga, Ciaz, Grand Vitara, XL6, Jimny এবং Invicto-এর মতো জনপ্রিয় মডেল বিক্রি করে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সমস্ত মডেলের দামই কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পাবে। তবে, নির্দিষ্ট কোনো মডেলের ক্ষেত্রে কতটা দাম বাড়বে, তা এখনো প্রকাশ করেনি কোম্পানি।

এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে গাড়ি ক্রেতাদের জন্য মারুতি সুজুকির (Maruti Suzuki) মডেল কেনার খরচ আরও বাড়তে চলেছে। কোম্পানি যদিও বলছে যে, তারা ব্যবহারকারীদের ওপর প্রভাব কমানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে, তবুও এই নতুন দাম বৃদ্ধির ফলে মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য গাড়ি কেনা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

রাজনীতির মঞ্চ থেকে বলিউডে আত্মপ্রকাশ দীপ্সিতার! নয়া অবতারে ‘জিদ্দি গার্ল’

ekolkata24-latest bengali news

কলকাতা: রাজনীতির মঞ্চে নিজের পরিচিতি তৈরি করা বাম নেত্রী দীপ্সিতা ধর এবার ধরা দেবেন নয়া রূপে৷ রাজনীতির মঞ্চ থেকে অভিনয় জগতে পা রাখতে চলেছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিপুল ফলোয়ার্স এবং বামপন্থী রাজনীতির নতুন প্রজন্মের মুখ, দীপ্সিতা এবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আত্মপ্রকাশ করছেন। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর নতুন ওয়েব সিরিজ ‘জিদ্দি গার্লস’-এ দেখা যাবে তাঁকে৷ এই ওয়েব সিরিজে অভিনয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো সিনে দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশ করবেন বাম নেত্রী।

হাওড়ার বালির মেয়ে দীপ্সিতার অভিষেক অত্যন্ত চমকপ্রদ। সোনালি বসু পরিচালিত এই সিরিজটি প্রযোজনা করেছে প্রীতীশ নন্দী কমিউনিকেশন। সিরিজের প্রথম এপিসোড ইতিমধ্যেই মুক্তি পেয়েছে এবং ইতিমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। ‘জিদ্দি গার্লস’ মূলত পাঁচ কলেজ পড়ুয়া মেয়ের গল্প, যাদের কলেজের জীবন, বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, এবং জীবনের লক্ষ্য নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। কলেজের কড়া অধ্যক্ষের অধীনে তারা যে লড়াইয়ের সম্মুখীন হয়, তা সিরিজের মূল উপজীব্য।

এতদিন রাজনীতির মঞ্চে তাঁর দৃঢ় অবস্থান ছিল, এবার দীপ্সিতা এক আন্দোলনকারীর চরিত্রে সিরিজে উপস্থিত। বাস্তবের মতো সিরিজের গল্পেও তিনি আন্দোলনের মুখ, যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনকে মনে করিয়ে দেয়। এছাড়া, এই সিরিজে আরও অভিনয় করেছেন নন্দিতা দাস, দিয়া দামিনী, এবং লিলেট দুবে-এর মতো বলিষ্ঠ অভিনেত্রীরা।

শিক্ষাগত ব্যাকগ্রাউন্ডে, দীপ্সিতা জেএনইউ-এর প্রাক্তনী। সিরিজে কাজ করার সুযোগটি আসলে তাঁর কাছ থেকে না এসে পরিচালক সোনালি বসু-র অনুরোধে এসেছে। দীপ্সিতা জানান, এই সিরিজে কাজ করার সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছিলেন একেবারে ব্যক্তিগত অনুরোধে। এর মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় তাঁর হাত ভেঙে গিয়েছিল, কিন্তু সে সময়ও তিনি শ্যুটিং সেরেছেন। দীপ্সিতার ভাষায়, “পরিচালক সোনালি বসুর অনুরোধ ফেলতে পারিনি, তাই কাজটা করতে সম্মত হয়েছিলাম।”

‘জিদ্দি গার্লস’ সিরিজের মাধ্যমে নারীদের কলেজ ও হোস্টেল জীবনের সংগ্রাম এবং তাদের বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ দেখানো হয়েছে। কলেজের কড়া অধ্যক্ষের তত্ত্বাবধানে এই পাঁচ মেয়ের সঙ্গী হবে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, তাদের যাত্রা হবে জীবনের চরম পরীক্ষা। সিরিজের শ্যুটিং হয়েছে দিল্লি ও মুম্বই-তে।

এভাবে, রাজনীতির মঞ্চ থেকে এবার অভিনয়ের দুনিয়ায় দীপ্সিতা ধর নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। বামপন্থী রাজনীতির এই পরিচিত মুখ এখন অন্যভাবে তার প্রতিভা দেখাচ্ছেন। ‘জিদ্দি গার্লস’ সিরিজটি শুধু একটি গল্প নয়, বরং নারীদের শক্তি, সংগ্রাম এবং তাদের উদ্যমের এক শক্তিশালী চিত্র।

‘কন বনেগা ক্রোড়পতি’কে আলবিদা জানাচ্ছেন অমিতাভ? অবশেষে মুখ খুললেন বিগ বি

ekolkata24-latest bengali news

মুম্বই: বয়সের ভারে ভেঙেছে শরীর৷ দিনভর শ্যুটিং-এর ধকল আর সইছে না৷ ঠিক মতো ডায়লগও নাকি মনে থাকছে না তাঁর৷ তাই নাকি দীর্ঘ ২৫ বছরের সম্পর্কে ইতি টেনে জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘কন বনেদা ক্রোড়পতি’ থেকে বিদায় নিচ্ছেন বলিউডের ‘অ্যাঙ্গরি ইয়ং ম্যান’ অমিতাভ বচ্চন৷ তিনি নিজে মুখে কিছু না বললেও, এই নিয়ে শুরু হয় কানাঘুষো৷ বিস্তর জলঘোলার পর অবশেষে ‘কোন বনেগা ক্রোড়পতি’ থেকে তাঁর অব্যাহতি নিয়ে মুখ খুললেন খোদ বিগ বি৷ 

বলিপাড়ায় ফিসফাস, অমিতাভ বচ্চনের জায়গায় দেখা যেতে পারে তাঁরই পুত্রবধূ ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন বা বলিউড বাদশা শাহরুখ খান৷ এরই মাঝে বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন ঘোষণা করলেন, তিনি আবারও ফিরছেন জনপ্রিয় টিভি শো “কৌন বানেগা ক্রোড়পতি”-র হোস্ট হিসেবে! এই খবরটি নিশ্চিত করেছে অভিনেতা৷ সেই সঙ্গেই যবনিকা পড়ল যাবতীয় গুঞ্জনে৷ শো-টির ১৬ তম সিজন সম্প্রচারিত হয়েছে, আর শেষ পর্বে অমিতাভ বচ্চন শো-এর প্রতি তার আবেগ এবং দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

শেষ পর্বে অমিতাভ বচ্চন এক আবেগপূর্ণ ভাষণে শো-এর যাত্রা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বললেন, “প্রতিটি যুগের শেষে, সত্য হলো এই খেলা, এই মঞ্চ এবং আমি যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা আমার যা ইচ্ছে ছিল তার থেকেও অনেক বড়। আর আমি অবিরাম তা পাচ্ছি। আমার একমাত্র আশা, এই ভালোবাসা যেন কখনো ফিকে না হয়।”

২৫ বছরের এই দীর্ঘ যাত্রার জন্য অমিতাভ তার দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান৷ তিনি বলেন, “আমরা প্রতি বছর ভাবি, এবারও কি সেই একই ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পাবো? কিন্তু আমরা তা সবসময়ই পাই, আর এটা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।”

এদিকে, বিগ বি তার ভাষণে আরও বলেন, “যাবার আগে শুধু এটুকু বলতে চাই—যদি আমাদের ছোট্ট প্রচেষ্টায় কাউকে একটু হলেও সাহায্য করতে পারি, বা কাউকে একটু আশার আলো দিতে পারি, তাহলে এই ২৫ বছরের পথচলা সফল মনে করব। আপনাদের পাশে থেকে চলার এই ২৫ বছর আমার জীবনের অন্যতম সেরা মুহূর্ত।”

অমিতাভ বচ্চন শেষে বলেন, “থামবেন না, মাথা নত করবেন না। আপনি যেখানে আছেন, যেভাবেই আছেন, আপনি মূল্যবান। আবার দেখা না হওয়া পর্যন্ত, আমি অমিতাভ বচ্চন, এই মঞ্চ এবং এই যুগ থেকে আপনাদেরকে… শুভ রাত্রি।”

এই আবেগপূর্ণ ভাষণের মাধ্যমে অমিতাভ বচ্চন তার দীর্ঘ পথচলার স্মৃতিচারণ করেছেন এবং শো-টি নিয়ে তার ভালোবাসা আরও একবার প্রমাণিত করেছেন।

 

অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে ভরা নতুন Mercedes-Benz CLA EV-এর আত্মপ্রকাশ

ekolkata24-latest bengali news

জার্মান বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা মার্সিডিজ-বেঞ্জ তাদের জনপ্রিয় CLA (Mercedes-Benz CLA EV) মডেলের নতুন সংস্করণ উন্মোচন করেছে ।  যা শুধুমাত্র একটি নতুন ডিজাইনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসেনি, বরং প্রযুক্তিগত দিক থেকেও একটি বড় লাফ দিয়েছে। এই প্রথমবার মার্সিডিজ তাদের C-ক্লাসের একটি মডেলকে সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক (EV) গাড়ি হিসেবে উপস্থাপন করল। তবে যারা বৈদ্যুতিক গাড়ির পথে পুরোপুরি যেতে প্রস্তুত নন, তাদের জন্যও রয়েছে মাইল্ড-হাইব্রিড সিস্টেমের সাশ্রয়ী বিকল্প। ২০২৬ মার্সিডিজ-বেঞ্জ CLA-এর এই নতুন রূপ ভক্তদের মনে উত্তেজনার ঝড় তুলেছে।

ডিজাইন: কনসেপ্টের ছোঁয়ায় নতুন রূপ
২০২৬ সালের মার্সিডিজ-বেঞ্জ CLA-এর ডিজাইনে পুরনো মডেলের পরিচিত ঢালু ছাদের স্টাইল বজায় রাখা হয়েছে, তবে এবার গাড়িটির আকার বড় করা হয়েছে। নতুন ব্যাটারি প্যাকের জন্য জায়গা করে দিতে এর হুইলবেস এখন ২,৭৯০ মিমি, দৈর্ঘ্য ৪,৭২৩ মিমি, প্রস্থ ১,৮৫৫ মিমি এবং উচ্চতা ১,৪৬৮ মিমি। এই বড় আকারের ফলে গাড়িটিতে পিছনের দিকে কোয়ার্টার উইন্ডো যুক্ত হয়েছে, যা এর চেহারায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

গাড়ির সামনের অংশটি মার্সিডিজের পূর্বে প্রকাশিত কনসেপ্ট মডেলের সঙ্গে মিল রেখে ডিজাইন করা হয়েছে। গ্রিল এলাকায় একাধিক আলোর সমন্বয়ে একটি আকর্ষণীয় চেহারা তৈরি করা হয়েছে। এতে মাল্টি-বিম LED হেডলাইট রয়েছে, যার মধ্যে তিন-পয়েন্টেড তারার আকৃতির DRL (ডে-টাইম রানিং লাইট) ব্যবহার করা হয়েছে। এই আলোগুলো গাড়ির পুরো প্রস্থ জুড়ে একটি লাইট বারের মাধ্যমে সংযুক্ত, যা এটিকে একটি আধুনিক ও প্রিমিয়াম লুক দিয়েছে। পিছনের টেললাইটেও একই ডিজাইনের ধারা অনুসরণ করা হয়েছে, যেখানে ৪০টি আলোকিত লাউভার একটি লাইট বারের মাধ্যমে সংযুক্ত। এই ডিজাইন গাড়িটির চার-দরজার কুপে চরিত্রকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।

ইন্টেরিয়র: প্রযুক্তির নতুন উচ্চতা
গাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়বে ড্যাশবোর্ড জুড়ে থাকা তিনটি স্ক্রিন। এর মধ্যে রয়েছে ১০.৩ ইঞ্চির ইনস্ট্রুমেন্ট ক্লাস্টার, ১৪.০ ইঞ্চির সেন্টার টাচস্ক্রিন এবং যাত্রীর জন্য আরেকটি স্ক্রিন। ভলিউম নিয়ন্ত্রণের জন্য টাচ-স্লাইডার এবং স্টিয়ারিং হুইলে টাচ-সোয়াইপ বোতামের মতো আধুনিক ফিচারও রাখা হয়েছে। এছাড়া, নতুন MBUX সিস্টেমের সঙ্গে গুগল ম্যাপস নেভিগেশন এবং জেমিনি AI-এর মাধ্যমে সার্চের সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।

একটি বিশেষ আকর্ষণ হল ‘মুড রিং’, যা ড্রাইভারের মানসিক অবস্থা চিনতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তি গাড়ির অভিজ্ঞতাকে আরও ব্যক্তিগত এবং স্মার্ট করে তুলেছে। ভিতরের ডিজাইনে বিলাসিতা এবং প্রযুক্তির এক অসাধারণ মিশ্রণ দেখা যায়, যা এই গাড়িকে প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করে।

রেঞ্জ ও পাওয়ারট্রেন: শক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়
২০২৬ মার্সিডিজ-বেঞ্জ CLA-এর বৈদ্যুতিক সংস্করণে প্রথমবারের জন্য ৮০০-ভোল্ট আর্কিটেকচার ব্যবহার করা হয়েছে। এটি ৮৫ কিলোওয়াট-আওয়ারের নিকেল-ম্যাঙ্গানিজ-কোবাল্ট ব্যাটারি প্যাকের সঙ্গে ৩২০ কিলোওয়াট পর্যন্ত দ্রুত চার্জিংয়ের সুবিধা দেয়। CLA250+ ভ্যারিয়েন্টে রয়েছে ২৬৮ হর্সপাওয়ারের রিয়ার মোটর, যা একবার চার্জে ৭৯২ কিলোমিটার পর্যন্ত রেঞ্জ দেয়। অন্যদিকে, CLA 350 4MATIC ভ্যারিয়েন্টে অল-হুইল-ড্রাইভ সিস্টেমের সঙ্গে ৩৪৯ হর্সপাওয়ার শক্তি এবং ৭৭১ কিলোমিটার রেঞ্জ পাওয়া যায়।

এছাড়া, এই বছরের শেষের দিকে একটি পেট্রোল-হাইব্রিড সংস্করণও আসবে। এতে ১.৫ লিটারের (M 252) পেট্রোল ইঞ্জিনের সঙ্গে ৪৮-ভোল্টের লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি থাকবে, যার ক্ষমতা ১.৩ কিলোওয়াট-আওয়ার। বৈদ্যুতিক মোটর এবং ইনভার্টার একটি নতুন আট-স্পিড ডুয়াল-ক্লাচ ট্রান্সমিশনে একত্রিত করা হয়েছে। এই মোটরটি আটটি গিয়ারেই শক্তি পুনরুদ্ধার (রিজেনারেশন) করতে সক্ষম, যা এর দক্ষতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

বাংলার বাজারে প্রভাব
ভারতের বাজারে, বিশেষ করে বাংলায়, মার্সিডিজ-বেঞ্জের গাড়ির একটি বিশেষ ক্রেতা শ্রেণি রয়েছে। নতুন CLA EV-এর আগমন বিলাসবহুল গাড়ির প্রতি আগ্রহীদের জন্য একটি বড় সুযোগ। এর দীর্ঘ রেঞ্জ এবং দ্রুত চার্জিং সুবিধা কলকাতার মতো শহরে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহারকে আরও সহজ করে তুলবে। তবে দাম এখনও প্রকাশিত হয়নি, যদিও বর্তমান CLA 250-এর মূল্য ৪৫,৫৫০ ডলার থেকে শুরু। নতুন মডেলে প্রযুক্তি ও বৈশিষ্ট্য বৃদ্ধির কারণে দাম বাড়তে পারে।

গাড়িপ্রেমিদের প্রতিক্রিয়া
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই গাড়ির উন্মোচন নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। একজন ভক্ত লিখেছেন, “মার্সিডিজের এই EV আমাদের ভবিষ্যৎ দেখাচ্ছে। রেঞ্জ দেখে মনে হচ্ছে পেট্রোলের দিন শেষ!” আরেকজন বলেন, “ডিজাইন আর টেকনোলজির এই সমন্বয় অসাধারণ।” বাংলার গাড়িপ্রেমীরাও এই নতুন মডেলের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন।

২০২৬ সালে বাজারে আসার পর এই গাড়ি বৈদ্যুতিক যানবাহনের জগতে একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে পারে। মার্সিডিজ-বেঞ্জের এই উদ্ভাবন ভারতীয় ক্রেতাদের কাছে কীভাবে গ্রহণযোগ্য হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আরও ফাঁপড়ে জাকারবার্গ! AI প্রশিক্ষণের জন্য কপিরাইট করা কন্টেন্ট ব্যবহারের অভিযোগ

ekolkata24-latest bengali news

নতুন সমস্যার সম্মুখীন ফেসবুকের মাদার প্রতিষ্ঠান মেটা (Meta)৷ চিনা কমিউনিস্ট পার্টির (CCP) সঙ্গে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য শেয়ার করার অভিযোগের পর, এবার মেটা বিরুদ্ধে মামলা করেছে ফরাসি প্রকাশক ও লেখকরা। তাঁদের অভিযোগ, মেটা তাঁদের কপিরাইট করা কাজগুলো অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করেছে, বিশেষ করে এই কাজগুলোকে ব্যবহার করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) মডেল ট্রেনিংয়ের জন্য।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনটি ফরাসি বাণিজ্যিক সংগঠন প্যারিসের আদালতে মেটার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তারা বলছে, মেটা তাদের কপিরাইটকৃত কন্টেন্ট ব্যবহার করেছে AI মডেল তৈরি করার জন্য, অথচ এটির জন্য কোনো অনুমতি নেয়নি।

ন্যাশনাল পাবলিশিং ইউনিয়ন (National Publishing Union), যা ফরাসি বই প্রকাশকদের প্রতিনিধিত্ব করে, তাদের সদস্যদের কাজের মধ্যে অনেকটা কপিরাইট করা কন্টেন্ট মেটার ডেটা পুলে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে। সংগঠনের সভাপতি ভিনসেন্ট মঁতাগনো বলেন, মেটা কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করেছে এবং শোষণমূলক কার্যক্রমে জড়িত।

এছাড়া, ন্যাশনাল ইউনিয়ন অফ অথরস অ্যান্ড কম্পোজার্স, যেটি ৭০০ লেখক, নাট্যকার ও সুরকারের প্রতিনিধিত্ব করে, তাদেরও অভিযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, AI সিস্টেমগুলো তাদের কাজ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে শোষণ করছে, যা তাদের জন্য ক্ষতিকর। এই সংগঠনের সভাপতি ফ্রাঁসোয়া পেয়ারনি আরও বলেন, AI দ্বারা তৈরি “ভুয়া বই” আসল বইগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করছে, যা লেখকদের ক্ষতি করছে।

এই মামলা নিয়ে মেটা যে ডেটা ডিরেক্টরি তৈরি করেছে তা মুছে ফেলার দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনগুলো চায়, অনুমতি ছাড়া এসব ডেটা ব্যবহার বন্ধ করা হোক এবং মেটা যেন তার AI মডেল ট্রেনিংয়ের জন্য এসব ডেটা থেকে বেরিয়ে আসুক।

এদিকে, একটি হুইসলব্লোয়ার অভিযোগে জানা গেছে, মেটা চিনে প্রবেশের জন্য অনেক আগ্রহী ছিল এবং চিনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গোপনে আলোচনা করে, এমনকি একটি সেন্সরশিপ সিস্টেমও তৈরি করেছে। মেটার প্রাক্তন গ্লোবাল পলিসি ডিরেক্টর সারা উইন-উইলিয়ামস দাবি করেছেন, ২০১৫ সালে মেটা চিনের সরকারের কাছে সামাজিক মিডিয়া কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণের জন্য রাজি হয়েছিল। এমনকি, একটি “প্রধান সম্পাদক” নিয়োগ করাও পরিকল্পনা করা হয়েছিল, যার হাতে ফেসবুকের কন্টেন্ট মুছে ফেলার ক্ষমতা ছিল, আর রাজনৈতিক অস্থিরতা হলে ফেসবুক চীনে বন্ধ করার অধিকারও দেওয়া হয়েছিল।

এটি মেটার জন্য নতুন এক সমস্যার সৃষ্টি করেছে, যেখানে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে, এবং তাদের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডকে ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও বিতর্ক তৈরি হচ্ছে।

TVS Apache RTX 300-এর ডিজাইন পেটেন্ট ফাইল হল, ভারতে লঞ্চের প্রস্তুতি জোরকদমে

ekolkata24-latest bengali news

টিভিএস মোটর কেম্পানি (TVS Motor Company) শীঘ্রই ভারতীয় বাজারে তাদের নতুন অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরার বাইক TVS Apache RTX 300 লঞ্চ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই বাইকের ডিজাইন পেটেন্ট ফাইল করা হয়েছে, যা প্রকাশ্যে এসেছে। এতে স্পষ্ট যে টিভিএস এখন লঞ্চের প্রস্তুতি জোরদার করছে এবং আগামী ২-৩ মাসের মধ্যেই অফিসিয়াল লঞ্চ হতে পারে। Apache RTX 300 বর্তমানে ভারতের অন্যতম প্রতীক্ষিত অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল।

TVS Apache RTX 300 ডিজাইন

Apache RTX 300 দেখতে একদম অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরার স্টাইলের। এতে বিক-স্টাইল ফ্রন্ট মাডগার্ড, বড় উইন্ডস্ক্রিন এবং স্প্লিট হেডলাইট সেটআপ রয়েছে। আরোহী ও পিলিয়নের জন্য বড় স্প্লিট সিট রয়েছে, যা দীর্ঘ রাইডের জন্য আরামদায়ক হবে। উচ্চ হ্যান্ডেলবার থাকায় রাইডিং পজিশন হবে বেশ কমান্ডিং ও সুবিধাজনক।

এই মডেলটি সম্প্রতি ভারত মোবিলিটি গ্লোবাল এক্সপো ২০২৫-এ প্রদর্শিত হয়েছিল, যেখানে একাধিক অ্যাক্সেসরিজ যেমন ক্র্যাশ গার্ড, নাকল গার্ড, টপ বক্স ও সাইড প্যানিয়ার যুক্ত করা হয়েছিল। এতে স্পষ্ট যে TVS বাইকটিকে ট্যুরিং এবং অ্যাডভেঞ্চার রাইডের জন্যই ডিজাইন করেছে।

হার্ডওয়্যার

Apache RTX 300 মূলত রোড-বায়াসড অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরার। এতে সামনে ১৯-ইঞ্চি ও পিছনে ১৭-ইঞ্চি অ্যালয় হুইল ব্যবহার করা হয়েছে, যা টিউবলেস টায়ারে মোড়া থাকবে। সাসপেনশনের দায়িত্ব সামলাবে সামনে ইউপসাইড ডাউন ফর্ক এবং পিছনে মনোশক। ব্রেকিংয়ের জন্য সামনে ও পিছনে ডিস্ক ব্রেক থাকবে, যার সাথে ডুয়াল-চ্যানেল ABS থাকবে। ফলে, বাইকটি উন্নতমানের স্টেবিলিটি ও কন্ট্রোল দেবে।

টিভিএস সবসময় তাদের মোটরসাইকেলে উন্নত প্রযুক্তি ও ফিচার প্রদান করে, আর TVS Apache RTX 300-ও তার ব্যতিক্রম নয়। এতে সম্পূর্ণ LED লাইটিং, ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার ও ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি থাকবে। টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশনও পাওয়া যাবে, যা দীর্ঘ যাত্রায় বেশ কাজে আসবে।

এছাড়া, সংস্থা এই বাইকে রাইড-বাই-ওয়্যার প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত করতে পারে, যা ভিন্ন ভিন্ন রাইডিং মোডের সুবিধা দেবে। ABS মোড, ক্রুজ কন্ট্রোল ও ট্র্যাকশন কন্ট্রোল-এর মতো আধুনিক ফিচারও এতে থাকতে পারে, যা এটিকে বাজারের অন্যান্য প্রতিযোগী বাইকের থেকে এগিয়ে রাখবে।

ইঞ্জিন ও পারফরম্যান্স

Apache RTX 300-এর জন্য TVS নতুন RTX D4 ইঞ্জিন ব্যবহার করছে, যা MotoSoul ইভেন্টে উন্মোচিত হয়েছিল। এটি ২৯৯cc সিঙ্গেল-সিলিন্ডার লিকুইড-কুল্ড ইউনিট, যা ৯,০০০ আরপিএম গতিতে ৩৫ বিএইচপি শক্তি ও ৭,০০০ আরপিএম গতিতে ২৮.৫ এনএম টর্ক উৎপন্ন করতে পারে। বাইকটিতে সিক্স-স্পিড গিয়ারবক্স থাকবে, যা দীর্ঘ রাইডিং অভিজ্ঞতাকে আরও উন্নত করবে। তবে, এতে কুইকশিফটার থাকবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

ভারতে অ্যাডভেঞ্চার ও ট্যুরিং বাইকের চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। Royal Enfield Himalayan 450, KTM 390 Adventure, এবং Hero Xpulse 421-এর মতো প্রতিযোগীদের মধ্যে Apache RTX 300 একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী হতে চলেছে। TVS যদি সঠিক মূল্য নির্ধারণ ও আধুনিক ফিচার-এর সমন্বয় করতে পারে, তাহলে এটি ভারতীয় মোটরসাইকেল মার্কেটে নতুন অধ্যায় লিখতে পারে।

এখন দেখার বিষয়, TVS কবে Apache RTX 300-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করে এবং এটি কীভাবে বাজারে প্রতিযোগিতা তৈরি করে।

Oben Rorr EZ-এর দাম একলাফে অনেকটা বাড়ল, ই-বাইকটি কেনার খরচ কত হল জানেন?

ekolkata24-latest bengali news

বেঙ্গালুরুর ই-বাইক প্রস্তুতকারক ওবেন ইলেকট্রিক (Oben Electric) তাদের জনপ্রিয় বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা করল। এটি হচ্ছে Oben Rorr EZ। ৩.৪ কিলোওয়াট আওয়ার ও ৪.৪ কিলোওয়াট আওয়ার ভ্যারিয়েন্টের মূল্য ১০,০০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে প্রথম ভ্যারিয়েন্টের নতুন দাম হয়েছে ১.১০ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয়টির মূল্য দাঁড়িয়েছে ১.২০ লাখ টাকা। তবে, ২.৬ কিলোওয়াট আওয়ার এন্ট্রি-লেভেল ভ্যারিয়েন্টের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, এটি এখনও ৯০,০০০ টাকা (এক্স-শোরুম) দামেই বিক্রি হচ্ছে। উল্লেখ্য, Oben Rorr EZ গত বছরের নভেম্বর মাসে ভারতে লঞ্চ করা হয়েছিল।

Oben Rorr EZ ব্যাটারি ও রেঞ্জ

Rorr EZ-এ এলপিএফ (Lithium Ferro Phosphate) ব্যাটারি প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে, যা বেশ উন্নত ও টেকসই। এই ই-বাইকের সর্বোচ্চ রেঞ্জ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ১৭৫ কিলোমিটার (IDC অনুযায়ী), যা ৪.৪ কিলোওয়াট আওয়ার ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অন্যদিকে, ৩.৪ কিলোওয়াট আওয়ার ভ্যারিয়েন্ট ১৪০ কিলোমিটার ও ২.৬ কিলোওয়াট আওয়ার ভ্যারিয়েন্ট ১১০ কিলোমিটার রেঞ্জ দিতে সক্ষম।

চার্জিং টাইমও যথেষ্ট দ্রুত। ফাস্ট চার্জারের মাধ্যমে ৮০% চার্জ হতে সময় লাগে মাত্র ৪৫ মিনিট থেকে ১.৫ ঘণ্টা। এর ফলে, বাইকটি দৈনন্দিন ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ সুবিধাজনক।

শক্তিশালী মোটর ও পারফরম্যান্স

Rorr EZ-এর সমস্ত ভেরিয়েন্টেই একই ৭.৫ কিলোওয়াট মোটর ব্যবহার করা হয়েছে, যা ৯৫ কিমি/ঘণ্টা সর্বোচ্চ গতি ও ৫২ এনএম টর্ক প্রদান করতে সক্ষম। এটি মাত্র ৩.৩ সেকেন্ডে ০-৪০ কিমি/ঘণ্টা গতি অর্জন করতে পারে, যা শহরের রাস্তায় মসৃণ এবং দ্রুতগতির রাইডিং অভিজ্ঞতা দেয়।

এই ইলেকট্রিক বাইকটি ১৭-ইঞ্চি অ্যালয় হুইলে চলে, যেখানে সামনে টেলিস্কোপিক ফর্ক ও পিছনে মনোশক সাসপেনশন রয়েছে। ব্রেকিং সিস্টেমের মধ্যে ডিস্ক-ড্রাম কম্বিনেশন রয়েছে, যা নিরাপদ ও কার্যকর ব্রেকিং নিশ্চিত করে।

ডিজাইন ও ফিচার

Oben Rorr EZ-এর ডিজাইন অনন্য এবং বেশ আকর্ষণীয়। বাইকটিতে একটি রেট্রো-স্টাইল গোলাকার হেডলাইট রয়েছে, যা ক্ল্যাসিক লুক বজায় রাখে। এর স্লিম বডি প্যানেল ও ফুয়েল ট্যাংক-থেকে-টেইল অংশের নতুন ডিজাইন এটিকে আরও আধুনিক ও স্টাইলিশ করে তুলেছে।

বাইকটি চারটি ভিন্ন রঙের বিকল্পে উপলব্ধ এবং এতে রয়েছে কালার-সেগমেন্টেড LED ডিসপ্লে। এছাড়াও, এতে তিনটি রাইডিং মোড রয়েছে, যা বিভিন্ন টপ স্পিড প্রদান করতে পারে।

Rorr EZ-এ জিও ফেন্সিং, ব্যাটারি চুরি প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ভ্যান্ডালিজম প্রোটেকশন, ড্রাইভার অ্যালার্ট সিস্টেম ও কম্বাইন্ড ব্রেকিং সিস্টেম সহ একাধিক আধুনিক সুরক্ষা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর ফলে, এটি আরও নিরাপদ এবং চুরি প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে।

বর্তমানে ভারতে ইলেকট্রিক বাইকের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং Oben Electric তার Rorr EZ-এর নতুন আপগ্রেডের মাধ্যমে বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে চায়। দাম বৃদ্ধির পরেও, এর উন্নত প্রযুক্তি, শক্তিশালী মোটর, আধুনিক ডিজাইন ও দীর্ঘ রেঞ্জ এটিকে অন্যান্য প্রতিযোগী ব্র্যান্ডের তুলনায় বেশ সুবিধাজনক করে তুলেছে।

এখন দেখার বিষয়, দাম বাড়ার পরেও Oben Rorr EZ-এর বিক্রি কেমন হয় এবং এটি ভারতের ইলেকট্রিক টু-হুইলার মার্কেটে কীভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে।

পেট্রোল ও ডিজেলের দামে ফের পরিবর্তন! আজকের দাম জানুন

ekolkata24-latest bengali news

দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি (OMCs) প্রতিদিন সকাল ৬টায় পেট্রোল ও ডিজেলের দাম হালনাগাদ করে, যাতে গ্রাহকদের সঠিক ও আধুনিক দাম জানানো যায়। আন্তর্জাতিক বাজারের তেল দাম এবং মুদ্রা বিনিময় হারের ওঠানামা এই দাম নির্ধারণের পেছনে প্রধান কারণ। এই প্রতিদিনের মূল্য সংশোধন সারা বিশ্বে ক্রুড অয়েল (কাঁচামাল তেল) এর দামে পরিবর্তন এবং রুপি/ডলার বিনিময় হারের পার্থক্য অনুযায়ী করা হয়।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ১৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে ভারতের বিভিন্ন শহরে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম নিম্নরূপ:

দিল্লি : পেট্রোল ৯৪.৭২ টাকা প্রতি লিটার, ডিজেল ৮৭.৬২ টাকা।
মুম্বই : পেট্রোল ১০৩.৪৪ টাকা প্রতি লিটার, ডিজেল ৮৯.৯৭ টাকা।
চেন্নাই : পেট্রোল ১০০.৮৫ টাকা প্রতি লিটার, ডিজেল ৯২.৪৪ টাকা।
কলকাতা : পেট্রোল ১০৩.৯৪ টাকা প্রতি লিটার, ডিজেল ৯০.৭৬ টাকা।
নয়ডা : পেট্রোল ৯৪.৬৬ টাকা প্রতি লিটার, ডিজেল ৮৭.৭৬ টাকা।
লখনউ : পেট্রোল ৯৪.৬৫ টাকা প্রতি লিটার, ডিজেল ৮৭.৭৬ টাকা।
বেঙ্গালুরু : পেট্রোল ১০২.৮৬ টাকা প্রতি লিটার, ডিজেল ৮৮.৯৪ টাকা।
হায়দ্রাবাদ : পেট্রোল ১০৭.৪১ টাকা প্রতি লিটার, ডিজেল ৯৫.৬৫ টাকা।
জয়পুর : পেট্রোল১০৪.৮৮ টাকা প্রতি লিটার, ডিজেল ৯০.৩৬ টাকা।
ত্রিভেন্দ্র : পেট্রোল ১০৭.৬২ টাকা প্রতি লিটার, ডিজেল ৯৬.৪৩ টাকা।
ভুবনেশ্বর : পেট্রোল ১০১.০৬ টাকা প্রতি লিটার, ডিজেল ৯২.৯১ টাকা।

এটি স্পষ্ট যে, ভারতীয় বাজারে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বিভিন্ন শহরে আলাদা। মুম্বই এবং হায়দ্রাবাদে দাম তুলনামূলকভাবে বেশি, যেখানে দিল্লি, নয়ডা, এবং লখনউয়ের দাম কিছুটা কম।

ভারতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম গত মে ২০২২ থেকে স্থিতিশীল রয়েছে, যখন কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিভিন্ন রাজ্য সরকার তেলের উপর কর কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এর ফলে, গ্রাহকদের জন্য কিছুটা সাশ্রয়ী দামে তেল পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে, আন্তর্জাতিক বাজারের ক্রুড অয়েল দামে ওঠানামা এবং মুদ্রা বিনিময় হারের পরিবর্তন যে কোনও সময় দাম পরিবর্তন করতে পারে।

তেল দামের পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ কারণসমূহ:

১. ক্রুড অয়েল দাম: পেট্রোল ও ডিজেলের মূল উপাদান হলো ক্রুড অয়েল, এবং এর দাম বাড়লে বা কমলে সরাসরি তেলের দাম প্রভাবিত হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দাম বাড়লে, ভারতের তেলের দামও বাড়ে।

২. বিনিময় হার: ভারত বেশিরভাগ ক্রুড অয়েল আমদানি করে, ফলে ভারতীয় মুদ্রা/ডলার বিনিময় হারের ওঠানামা তেল দামের ওপর প্রভাব ফেলে। যদি ভারতীয় মুদ্রা দুর্বল হয়, তবে তেলের দাম বাড়তে পারে।

৩. কর: পেট্রোল ও ডিজেল সরকারের দ্বারা আরোপিত নানা ধরনের করের আওতায় পড়ে। কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারের করের পার্থক্যও দামের পার্থক্য তৈরি করতে পারে। কিছু রাজ্যে এই কর বেশি হওয়ায় দামও বেশি হয়।

৪. রিফাইনিং খরচ: ক্রুড অয়েলকে পেট্রোল ও ডিজেলে রিফাইন করার প্রক্রিয়া কিছুটা খরচসাপেক্ষ। এই খরচও তেলের দামে প্রভাব ফেলতে পারে।

৫. চাহিদা: পেট্রোল ও ডিজেলের চাহিদা বাড়লে দামও বেড়ে যায়। উৎসবকালীন বা অন্যান্য বিশেষ সময়ে চাহিদা বৃদ্ধি পেলে দাম বৃদ্ধি পেতে পারে।

পেট্রোল ও ডিজেল দাম জানার সহজ পদ্ধতি:

আপনি আপনার শহরের বর্তমান পেট্রোল ও ডিজেলের দাম জানার জন্য সহজেই এসএমএস পাঠাতে পারেন।
– ইন্ডিয়ান অয়েল গ্রাহকরা: আপনার শহরের কোড লিখে “RSP” পাঠান ৯২২৪৯৯২২৪৯ নম্বরে।
– BPCL গ্রাহকরা: “RSP” লিখে পাঠান ৯২২৩১১২২২২ নম্বরে।
– HPCL গ্রাহকরা: “HP Price” লিখে পাঠান ৯২২২২০১১২২ নম্বরে।

এছাড়া, আপনি আপনার পছন্দের তেল বিপণন সংস্থার ওয়েবসাইটে গিয়ে নিয়মিত আপডেট পেতে পারেন।

ভারতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রতিদিন পরিবর্তিত হতে থাকে, যা বিশ্ব বাজারের সঙ্গে সম্পর্কিত। তেলের দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলে, এবং এটি একদিকে যেমন চাহিদা বাড়ায়, তেমনি অন্যদিকে সরকারের নীতিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তেলের দাম বুঝে চলাফেরা করার মাধ্যমে, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হতে পারে।

হোলিতে 2025 Honda CRF300L Rally নতুন সাসপেনশন ও ফিচার নিয়ে হাজির হল, দেখুন বিস্তারিত

ekolkata24-latest bengali news

হোন্ডা (Honda) তাদের এন্ট্রি-লেভেল অ্যাডভেঞ্চার বাইক 2025 Honda CRF300L Rally উন্মোচন করেছে। নতুন সংস্করণটি আগের তুলনায় আরও উন্নত সাসপেনশন ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপগ্রেড পেয়েছে। এগুলি বাইকটিকে অফ-রোড রাইডিংয়ের জন্য আরও উপযোগী করে তুলবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। আপাতত, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে লঞ্চ করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে ইউরোপের বাজারেও নিয়ে আনা হবে। আবার পরবর্তীতে ভারতের বাজারেও পা রাখতে পারে বাইকটি।

2025 Honda CRF300L Rally পারফরম্যান্স

নতুন Honda CRF300L Rally-তে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে সাসপেনশনে। আগের মডেলে পিছনের অংশ সহজেই নিচে বসে যেত, যা নিয়ে অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছিলেন। তাই, হোন্ডা এবার পিছনের স্প্রিং আরও শক্তিশালী করেছে এবং ড্যাম্পিং সিস্টেমের উন্নতি করেছে। এর ফলে বাইকটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ পারফরম্যান্স দেবে এবং অফ-রোড রাইডিংয়ে ভালো স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে। পিছনের সাসপেনশনের পাশাপাশি সামনের ফর্কেও নতুন ড্যাম্পিং সেটআপ যোগ করা হয়েছে। এছাড়াও, একটি নতুন বিয়ারিং ইনস্টল করা হয়েছে, যা দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্স নিশ্চিত করবে।

তাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য উন্নত কুলিং সিস্টেম

২০২৫ Honda CRF300L Rally-তে নতুন রেডিয়েটর ফ্যান ও গ্রিল সংযোজন করা হয়েছে। এই আপগ্রেডটি বিশেষত সিটি ট্র্যাফিকে বা উষ্ণ আবহাওয়ায় বাইক চালানোর সময় অতিরিক্ত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।

ডিজাইনের প্রসঙ্গে বললে নতুন মডেলটিতে লাল ও নীল গ্রাফিক্স যোগ করা হয়েছে, যা হোন্ডার Dakar রেস বাইকের ডিজাইন অনুপ্রাণিত। এটি বাইকটিকে আগের চেয়ে আরও স্পোর্টি ও আকর্ষণীয় লুক দিয়েছে।

যদিও 2025 Honda CRF300L Rally বর্তমানে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে লঞ্চ করা হয়েছে, তবে ভারতেও এটি আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গত বছর, হোন্ডা ভারতে CRF300 সিরিজের বাইকের জন্য একটি কাস্টমার ক্লিনিক আয়োজন করেছিল, যা ইঙ্গিত দেয় যে কোম্পানি ভারতে এন্ট্রি-লেভেল অ্যাডভেঞ্চার বাইকের বাজার ধরতে চায়।

বর্তমানে, রয়্যাল এনফিল্ড Himalayan 450 ও KTM 390 Adventure-এর মতো জনপ্রিয় বাইকগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি নিচ্ছে হোন্ডা। এন্ট্রি-লেভেল অ্যাডভেঞ্চার বাইক সেগমেন্টে প্রতিযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে এবং হোন্ডা এই সেগমেন্টে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলতে চায়।

হোন্ডা ইতিমধ্যেই ভারতের বাজারে Africa Twin ও Transalp-এর মতো বড় অ্যাডভেঞ্চার বাইক বিক্রি করছে। তবে, বড় বাইকের তুলনায় এন্ট্রি-লেভেল অ্যাডভেঞ্চার বাইকের চাহিদা বেশি, কারণ এই সেগমেন্টে উচ্চ বিক্রয় সংখ্যা রয়েছে। তাই, হোন্ডা যদি CRF300L Rally-কে ভারতে নিয়ে আসে, তাহলে এটি KTM 390 Adventure ও Royal Enfield Himalayan-এর জন্য বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে।

হোলির পর সোনার দাম আকাশচুম্বী! জানুন কলকাতায় কত হল

ekolkata24-latest bengali news

আজ ১৫ মার্চ, ২০২৫ তারিখে সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সোনার বাজারে এক নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন বড় শহরে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রাম প্রায় ৮৯,৯০০ টাকা এবং ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৮২,৪০০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। বর্তমানে সোনার দাম অনেকটাই বাড়ছে, এবং বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে, শীঘ্রই ১০ গ্রাম সোনার দাম ৯০,০০০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। একই সাথে, রুপার দামও বেড়েছে, এবং এক কিলোগ্রাম রুপার দাম বর্তমানে ১,০৩,০০০ টাকা।

দিল্লি : ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৮২,৪৬০ টাকা, ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ৮৯,৯৪০ টাকা।
চেন্নাই : ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৮২,৩১০ টাকা, ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ৮৯,৭৯০ টাকা।
মুম্বই : ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৮২,৩১০ টাকা, ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ৮৭,৯৯০ টাকা।
কলকাতা : ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৮২,৩১০ টাকা, ২৪ ক্যারেট সোনার দাম ৮৭,৯৯০ টাকা।

সোনার দামের এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি একটি আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ঘটছে। সোনার দাম বৃদ্ধির পিছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হল আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার চাহিদার বৃদ্ধি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রাস্ফীতি ধীরে ধীরে কমে আসার কারণে, বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনার দিকে ঝুঁকছেন। এছাড়া, মার্কিন ডলারের দুর্বলতা, সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা সোনার দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

যুক্তরাষ্ট্রের বেকারত্বের সংখ্যা এবং প্রযোজক মূল্য সূচক (PPI) সম্পর্কিত রিপোর্টও বিনিয়োগকারীদের কৌশলকে প্রভাবিত করছে, যার ফলে সোনার দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, এই ধরনের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সোনার দামে আরও উর্ধ্বগতি ঘটাতে পারে।

ভারতে সোনার দাম আন্তর্জাতিক বাজারের উপর নির্ভর করে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম, সরকারের আমদানি শুল্ক, ট্যাক্স এবং রুপির মুল্যের ওঠানামা সোনার দাম পরিবর্তন করতে সহায়তা করে। সোনার দাম শুধু একটি বিনিয়োগ মাধ্যম নয়, এটি ভারতীয় সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিশেষ করে বিয়ে এবং উৎসবের মৌসুমে সোনার চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে সোনার দামও বৃদ্ধি পায়।

সোনার পরিশুদ্ধতা চিনহিত করার জন্য ভারতীয় স্ট্যান্ডার্ড অর্গানাইজেশন (ISO) হলমার্ক প্রদান করে। ২৪ ক্যারেট সোনায় ৯৯৯ লেখা থাকে, ২৩ ক্যারেট সোনায় ৯৫৮, ২২ ক্যারেট সোনায় ৯১৬, ২১ ক্যারেট সোনায় ৮৭৫ এবং ১৮ ক্যারেট সোনায় ৭৫০ লেখা থাকে। অধিকাংশ সোনা ২২ ক্যারেটের বিক্রি হয়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ১৮ ক্যারেটের সোনা ব্যবহৃত হয়। সোনার বিশুদ্ধতা বেশি থাকলে তার দামও বেশি হয়।

২৪ ক্যারেট সোনা ৯৯.৯% বিশুদ্ধ এবং ২২ ক্যারেট সোনা প্রায় ৯১% বিশুদ্ধ। ২২ ক্যারেট সোনায় ৯% অন্যান্য ধাতু যেমন তামা, রৌপ্য, জিংক মেশানো হয়, যা সোনাকে শক্তিশালী করে তোলে। ২৪ ক্যারেট সোনা বিশুদ্ধ হলেও, এই সোনায় জুয়েলারি তৈরি করা সম্ভব হয় না, কারণ এটি খুব নরম। এজন্য অধিকাংশ সোনার দোকান ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি করে।

আপনি যদি ২২ ক্যারেট এবং ১৮ ক্যারেট সোনার রেট জানতে চান, তবে ৮৯৫৫৬৬৪৪৩৩ নম্বরে মিস কল দিতে পারেন। এতে কিছুক্ষণ পরই আপনি এসএমএস-এর মাধ্যমে সোনার রেট পেয়ে যাবেন।

সোনা কেনার সময় সোনার গুণমানের প্রতি মনোযোগ দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহকদের উচিত সোনা কেনার আগে হলমার্ক চিহ্ন দেখতে। হলমার্ক হল একটি সরকারী গ্যারান্টি, যা ভারতীয় স্ট্যান্ডার্ড অর্গানাইজেশন (BIS) দ্বারা নির্ধারিত হয়। সোনার হলমার্ক সোনার পরিশুদ্ধতা নিশ্চিত করে এবং এটি ভারতীয় আইন অনুযায়ী একটি বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা।

ভারতের সোনার বাজারের সাথে সম্পর্কিত বাংলাদেশের সোনার বাজারও কিছুটা প্রভাবিত হচ্ছে। সোনার দাম বৃদ্ধি পেলে, এটা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যান্য দেশগুলোর অর্থনীতিতেও কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে, সোনার আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা পর্যবেক্ষণ করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সবশেষে, সোনা কেবল একটি মূল্যবান ধাতু নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতির অঙ্গ। সোনার দাম বৃদ্ধি বা পতন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তাই সোনার বাজার সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।

সপ্তাহের শেষে শহরে সোনার দামে বিরাট পরবর্তন

ekolkata24-latest bengali news

আজ ১৬ মার্চ ২০২৫, রবিবার, সোনার দাম কমেছে। সোনার দামের এই পরিবর্তনটি বিভিন্ন শহরে বিভিন্ন হারে দেখা যাচ্ছে। ২৪ ক্যারেট সোনার দাম বর্তমানে ₹৮৯৮৪.৩ প্রতি গ্রাম, যা আগের দিনের তুলনায় ₹১২০.০ কমেছে। অন্যদিকে, ২২ ক্যারেট সোনার দাম ₹৮২৩৭.৩ প্রতি গ্রাম, যা আগের দিনের তুলনায় ₹১১০.০ কমেছে।

সোনার দামের পরিবর্তন
গত এক সপ্তাহে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম -১.০% পরিবর্তিত হয়েছে, এবং গত মাসে এই দাম কমেছে -১.৬%। সোনার দামের এই পতন বিশেষভাবে অর্থনৈতিক এবং বাজার পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। সোনার দাম কমানোর জন্য আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবও এখানে অন্যতম ভূমিকা পালন করছে।

রুপোর দাম
রুপোর দামেও কিছুটা পতন দেখা গেছে। আজ রুপোর দাম ₹১০৬১০০.০ প্রতি কেজি, যা গতকাল ₹১০৪২০০.০ প্রতি কেজি ছিল। অর্থাৎ, রুপোর দাম ₹১০০.০ কমেছে। গত এক সপ্তাহে রুপোর দাম ₹১০২১০০.০ প্রতি কেজি থেকে ₹১০৬১০০.০ প্রতি কেজি পৌঁছেছে।

দিল্লি, চেন্নাই, মুম্বাই এবং কলকাতার সোনার দাম
আজ দিল্লিতে সোনার দাম ₹৮৯৮৪৩.০ প্রতি ১০ গ্রাম, যা গতকাল ছিল ₹৮৮৭৬৩.০ প্রতি ১০ গ্রাম এবং গত সপ্তাহে ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখে সোনার দাম ছিল ₹৮৭৮৭৩.০ প্রতি ১০ গ্রাম। সোনার দাম সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে সামগ্রিকভাবে একটি ছোট পতন অব্যাহত রয়েছে।চেন্নাইয়ে সোনার দাম আজ ₹৮৯৬৯১.০ প্রতি ১০ গ্রাম, গতকাল ₹৮৮৬১১.০ প্রতি ১০ গ্রাম ছিল এবং গত সপ্তাহে ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখে ₹৮৭৭২১.০ প্রতি ১০ গ্রাম ছিল। চেন্নাইয়ের সোনার দাম তুলনামূলকভাবে বাড়তি হলেও, সামগ্রিকভাবে কমতির দিকে রয়েছে।

মুম্বাইতে সোনার দাম আজ ₹৮৯৬৯৭.০ প্রতি ১০ গ্রাম, গতকাল ₹৮৮৬১৭.০ প্রতি ১০ গ্রাম ছিল এবং গত সপ্তাহে ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখে ₹৮৭৭২৭.০ প্রতি ১০ গ্রাম ছিল। মুম্বাইয়ে সোনার দাম বাড়লেও, সাধারণ বাজারে তার প্রভাব পড়ে নি। কলকাতায় সোনার দাম আজ ₹৮৯৬৯৫.০ প্রতি ১০ গ্রাম, গতকাল ₹৮৮৬১৫.০ প্রতি ১০ গ্রাম ছিল এবং গত সপ্তাহে ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখে ₹৮৭৭২৫.০ প্রতি ১০ গ্রাম ছিল। কলকাতায় সোনার দাম কিছুটা বেড়েছে, তবে সামগ্রিকভাবে দাম বেশিরভাগ শহরেই কমেছে।

রুপোর দাম
দিল্লিতে রুপোর দাম আজ ₹১০৬১০০.০ প্রতি কেজি, গতকাল ₹১০৪২০০.০ প্রতি কেজি ছিল এবং গত সপ্তাহে ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখে ₹১০২১০০.০ প্রতি কেজি ছিল। চেন্নাইয়ে রুপোর দাম আজ ₹১১৪৭০০.০ প্রতি কেজি, গতকাল ₹১১২৮০০.০ প্রতি কেজি ছিল এবং গত সপ্তাহে ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখে ₹১১০৭০০.০ প্রতি কেজি ছিল। মুম্বাইয়ে রুপোর দাম আজ ₹১০৫৪০০.০ প্রতি কেজি, গতকাল ₹১০৩৫০০.০ প্রতি কেজি ছিল এবং গত সপ্তাহে ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখে ₹১০১৪০০.০ প্রতি কেজি ছিল। কলকাতায় রুপোর দাম আজ ₹১০৬৯০০.০ প্রতি কেজি, গতকাল ₹১০৫০০০.০ প্রতি কেজি ছিল এবং গত সপ্তাহে ১০ মার্চ ২০২৫ তারিখে ₹১০২৯০০.০ প্রতি কেজি ছিল।

বাজার পরিস্থিতি:
বিশ্বব্যাপী সোনার দাম পতনশীল হলেও, ভারতের বিভিন্ন শহরে কিছুটা ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। বাজারে সোনার দাম কমানোর মূল কারণ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অবস্থা এবং বাজারের চাহিদা-প্রস্তাবের মাঝে পরিবর্তন। সাম্প্রতিক কিছু আর্থিক ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে, সোনার দামে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া, রুপোর দামও কিছুটা কমেছে, যা সোনার বাজারের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে, সোনার দাম ভবিষ্যতে কীভাবে চলবে, তা নির্ভর করছে আন্তর্জাতিক বাজার এবং দেশের আর্থিক অবস্থার ওপর। সোনার দাম কমানো হলে, সোনার প্রতি আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা লাভবান হতে পারে, কিন্তু এতে সতর্কভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

केरल में भीषण हादसा: पांच एमबीबीएस छात्रों की दर्दनाक मौत

Kerala ,road accident, MBBS, students car crash, Alappuzha , KSRTC,

केरल (Kerala) के अलाप्पुझा जिले में सोमवार रात एक भयानक सड़क हादसे में पांच एमबीबीएस छात्रों की मौत हो गई। यह दुर्घटना रात करीब 9 बजे हुई, जब सात छात्र तेज रफ्तार से चल रही शेवरले टवेरा कार में सफर कर रहे थे। उनकी कार की टक्कर एक केरल स्टेट रोड ट्रांसपोर्ट कॉर्पोरेशन (KSRTC) की यात्री बस से हो गई।

दुर्घटना इतनी गंभीर थी कि कार पूरी तरह क्षतिग्रस्त हो गई। घटनास्थल पर मिली तस्वीरों में कार को टूटी-फूटी अवस्था में देखा गया, जबकि बस के बोनट को भी नुकसान हुआ।

मृतकों और घायलों की पहचान
पुलिस के अनुसार, हादसे में मरने वाले छात्रों की पहचान मोहम्मद, मुहसिन, इब्राहिम, देवआनंद और श्रीदीप के रूप में हुई है। इन पांच छात्रों में से तीन की मौत मौके पर ही हो गई, जबकि दो ने अस्पताल ले जाते समय दम तोड़ दिया।
दुर्घटना में घायल दो छात्रों को अलाप्पुझा मेडिकल कॉलेज अस्पताल में भर्ती कराया गया है। वहीं, बस में सवार चार यात्री मामूली रूप से घायल हुए हैं और उनकी स्थिति स्थिर है।

दुर्घटना कैसे हुई?
स्थानीय लोगों के अनुसार, टवेरा कार एक वाहन को ओवरटेक कर रही थी। इसी दौरान अचानक ब्रेक लगाने से कार फिसल गई और बस से टकरा गई। टक्कर इतनी जोरदार थी कि कार के परखच्चे उड़ गए।

राहत और बचाव कार्य
आपातकालीन सेवाओं ने कार के मलबे को काटकर शवों को बाहर निकाला। पुलिस ने बताया कि मृतक छात्र अलाप्पुझा के वंदनम मेडिकल कॉलेज में पहले साल की पढ़ाई कर रहे थे।

इस दर्दनाक हादसे से पूरे समाज में शोक की लहर है। विशेषज्ञ तेज रफ्तार गाड़ी चलाने के खतरों के प्रति लोगों को सतर्क कर रहे हैं।

यह हादसा सड़क पर सतर्कता और ट्रैफिक नियमों के पालन की अहमियत को एक बार फिर उजागर करता है। जिम्मेदार ड्राइविंग ही हादसों से बचने का सबसे बड़ा उपाय है।

चिन्मय कृष्ण दास ब्रह्मचारी की गिरफ्तारी के विरोध में अलीपुरद्वार में प्रदर्शन

Chinmoy Krishna Das Arrest Sparks Outrage in Alipurduar

बांग्लादेश में चिन्मय कृष्ण दास ब्रह्मचारी की गिरफ्तारी और हिंदू समुदाय पर हो रहे अत्याचारों के खिलाफ अलीपुरद्वार (Alipurduar) में सनातन जागरण समिति ने जोरदार प्रदर्शन किया। मंगलवार को दोपहर चार बजे बीएमसी क्लब मैदान से यह विरोध मार्च शुरू हुआ। मार्च अलीपुरद्वार की विभिन्न सड़कों से होते हुए प्रशासनिक भवन, डुआर्स कन्या के सामने समाप्त हुआ।

मार्च के अंत में समिति के सदस्यों ने जिलाधिकारी आर बिमला को एक ज्ञापन सौंपा। इस ज्ञापन में बांग्लादेश में हिंदुओं पर हो रहे अत्याचार और चिन्मय कृष्ण दास ब्रह्मचारी की गिरफ्तारी के खिलाफ कड़े कदम उठाने की मांग की गई।

इस विरोध प्रदर्शन में लगभग सैकड़ों लोग शामिल हुए। प्रदर्शन में सनातन जागरण समिति के स्थानीय नेता और विभिन्न हिंदू संगठनों के कार्यकर्ता भी मौजूद थे। प्रदर्शनकारियों ने कहा कि बांग्लादेश में हिंदू समुदाय के खिलाफ अत्याचार दिन-ब-दिन बढ़ता जा रहा है, और इस मुद्दे पर अंतरराष्ट्रीय ध्यान आकर्षित करना बेहद जरूरी है।

समिति के सदस्यों ने कहा, “हिंदुओं पर हो रहे अत्याचार न केवल मानवाधिकारों का उल्लंघन है, बल्कि यह सभ्य समाज के लिए एक शर्मनाक स्थिति है। हम इस मुद्दे को संयुक्त राष्ट्र और अन्य अंतरराष्ट्रीय संगठनों के समक्ष उठाना चाहते हैं।”

उन्होंने यह भी कहा कि चिन्मय कृष्ण दास ब्रह्मचारी एक धार्मिक नेता और शांति के दूत हैं। उनकी गिरफ्तारी और उन पर अत्याचार पूरी तरह से अस्वीकार्य हैं। बांग्लादेश सरकार को तुरंत इस अन्याय को खत्म कर हिंदू समुदाय की सुरक्षा सुनिश्चित करनी चाहिए।

प्रदर्शनकारियों ने नारे लगाए, “हिंदू उत्पीड़न बंद करो”, “चिन्मय कृष्ण दास ब्रह्मचारी को रिहा करो”, और “धार्मिक स्वतंत्रता की रक्षा करो।” मार्च शांति पूर्वक संपन्न हुआ, लेकिन इसका संदेश बिल्कुल स्पष्ट था।

अंतर्राष्ट्रीय जैगुआर दिवस 2024-महत्व, शीर्ष देश और अद्भुत तथ्य

Jaguar in the Wild: Conservation Efforts and Population Insights

अंतर्राष्ट्रीय जैगुआर (Jaguar) दिवस हर साल 29 नवंबर को मनाया जाता है। इस दिन का मुख्य उद्देश्य जैगुआर के महत्व और पारिस्थितिकी तंत्र में उनकी भूमिका के प्रति जागरूकता बढ़ाना है। जैगुआर दक्षिण अमेरिका से लेकर मेक्सिको और संयुक्त राज्य अमेरिका तक पाया जाने वाला एक शानदार बड़ा बिल्ली प्रजाति है। लेकिन क्या आप जानते हैं कि किस देश में सबसे ज्यादा जैगुआर हैं? इसका उत्तर है ब्राजील।

इस खास दिन पर, जैगुआर की सबसे बड़ी आबादी वाले शीर्ष 10 देशों और उनके संरक्षण के बारे में जानें।

जैगुआर की सबसे ज्यादा आबादी वाले 10 देश

देश

जैगुआर की संख्या

ब्राजील

86,800

पेरू

22,000

संयुक्त राज्य

15,000

कोलंबिया

15,000

वेनेज़ुएला

9,800

मेक्सिको

4,800

पनामा

4,000

बोलिविया

2,500

इक्वाडोर

2,000

निकारागुआ

1,350

दुनिया में लगभग 1,73,000 जैगुआर बचे हैं। इनमें सबसे ज्यादा 86,800 ब्राजील में हैं। अमेजन बेसिन का दूरस्थ क्षेत्र जैगुआर के लिए सबसे सुरक्षित है क्योंकि ये क्षेत्र मानव हस्तक्षेप से दूर हैं।

अंतर्राष्ट्रीय जैगुआर दिवस का महत्व
अंतर्राष्ट्रीय जैगुआर दिवस पहली बार 2018 में मनाया गया। इस दिन को मनाने की पहल जैगुआर संरक्षण संगठन पैंथेरा ने की थी। यह दिन जैगुआर कॉरिडोर इनिशिएटिव को सम्मानित करता है, जिसका उद्देश्य मेक्सिको से अर्जेंटीना तक जैगुआर के आवास की रक्षा करना है।

जैगुआर (Panthera onca) अमेरिका का सबसे बड़ा और दुनिया का तीसरा सबसे बड़ा बड़ा बिल्ली प्रजाति है। बाघ और शेर के बाद, जैगुआर पारिस्थितिकी तंत्र में संतुलन बनाए रखने में महत्वपूर्ण भूमिका निभाते हैं।

जैगुआर के बारे में अद्भुत तथ्य

  1. नाम: ‘जैगुआर’ शब्द का अर्थ है “एक छलांग में मारने वाला”।
  2. आकार: जैगुआर 170 सेंटीमीटर लंबा हो सकता है और इसकी पूंछ लगभग 80 सेंटीमीटर लंबी होती है।
  3. पहचान: जैगुआर के शरीर पर गोल निशानों के अंदर काले डॉट्स होते हैं, जो उन्हें तेंदुए से अलग करते हैं।
  4. पानी के प्रति प्रेम: अन्य बिल्लियों के विपरीत, जैगुआर पानी पसंद करते हैं और झीलों, नदियों और आर्द्रभूमियों में तैर सकते हैं।
  5. मजबूत काटने की ताकत: जैगुआर के काटने की ताकत सबसे ज्यादा होती है। वे मगरमच्छ की खाल और कछुए के मजबूत खोल को तोड़ सकते हैं।
  6. शिकार: जैगुआर लगभग किसी भी प्रकार के जानवर का शिकार कर सकते हैं और दिन-रात दोनों समय सक्रिय रहते हैं।

जैगुआर संरक्षण की आवश्यकता
शिकार और जंगलों के विनाश के कारण जैगुआर की संख्या घट रही है। उनकी रक्षा के लिए अंतर्राष्ट्रीय सहयोग आवश्यक है। ब्राजील के अमेजन क्षेत्र और मेक्सिको के युकाटन प्रायद्वीप जैसे संरक्षित क्षेत्र जैगुआर को बचाने में महत्वपूर्ण भूमिका निभाते हैं।

इस अंतर्राष्ट्रीय जैगुआर दिवस पर, चलिए हम प्रकृति को संरक्षित करने और जैगुआर के महत्व को समझने के लिए एकजुट होते हैं।

HSBC Bank को बम की धमकी: जांच में फर्जी साबित हुआ

Police Declare Bomb Threat at HSBC Bank in Bengaluru as Fake

बेंगलुरु के ट्रिनिटी सर्कल स्थित HSBC बैंक को बुधवार को एक ईमेल के जरिए बम धमकी मिली। पुलिस ने बताया कि इस धमकी के बाद बैंक परिसर में सघन तलाशी अभियान चलाया गया। हालांकि, किसी भी संदिग्ध वस्तु का पता नहीं चला और इसे फर्जी धमकी घोषित किया गया। यह जानकारी डीसीपी ईस्ट डिवीजन, बेंगलुरु ने दी।

पुलिस की त्वरित कार्रवाई
जैसे ही धमकी भरा ईमेल मिला, पुलिस तुरंत हरकत में आई। बैंक के सभी कर्मचारियों और ग्राहकों को सुरक्षित बाहर निकाला गया। बम निरोधक दस्ता और डॉग स्क्वॉड ने बैंक के हर कोने की गहन जांच की।

डीसीपी ईस्ट डिवीजन ने कहा,

“ट्रिनिटी सर्कल स्थित HSBC बैंक को बम धमकी वाला ईमेल मिला। पुलिस तुरंत मौके पर पहुंची और जांच की। कोई भी संदिग्ध वस्तु नहीं मिली, और इसे फर्जी धमकी घोषित किया गया।”

धमकी से फैला डर
बम धमकी की खबर से बैंक और उसके आस-पास के इलाके में दहशत फैल गई। स्थानीय लोगों और कर्मचारियों ने घबराहट में बैंक छोड़ दिया। पुलिस ने आसपास की सुरक्षा बढ़ा दी और स्थिति को नियंत्रण में रखा।

फर्जी धमकी की जिम्मेदारी
फर्जी बम धमकी न केवल जनता में डर पैदा करती है, बल्कि पुलिस और प्रशासनिक संसाधनों का दुरुपयोग भी करती है। पुलिस ने कहा कि ऐसी गैर-जिम्मेदार हरकतें बर्दाश्त नहीं की जाएंगी और दोषियों के खिलाफ सख्त कार्रवाई की जाएगी।

जांच जारी
साइबर सेल के सहयोग से ईमेल भेजने वाले की पहचान करने की कोशिश की जा रही है। पुलिस यह पता लगाने की कोशिश कर रही है कि यह काम किसी व्यक्ति का है या किसी संगठन का। जांच में तकनीकी विशेषज्ञों की मदद ली जा रही है।

प्रशासन की अपील
प्रशासन ने नागरिकों से अपील की है कि वे अफवाहों पर ध्यान न दें और किसी भी संदिग्ध गतिविधि की जानकारी तुरंत पुलिस को दें।

बेंगलुरु जैसे बड़े शहरों में इस तरह की घटनाएं प्रशासन के लिए एक चुनौती हैं। हालांकि, पुलिस और सुरक्षा एजेंसियों ने तेजी से कार्रवाई कर स्थिति को संभाला। प्रशासन ने स्पष्ट किया कि सुरक्षा से जुड़े मामलों में कोई समझौता नहीं किया जाएगा।

भारतीय रेलवे ने पिछले 10 सालों में 5 लाख कर्मचारियों की भर्ती की: रेल मंत्री अश्विनी वैष्णव

Indian Railways Hired 5 Lakh Employees in a Decade: Minister"

भारतीय रेलवे (Indian Railways) ने पिछले एक दशक में 5 लाख कर्मचारियों की भर्ती की है, जो पिछले दशक की तुलना में अधिक है। शनिवार को नागपुर के आजानी रेलवे मैदान में आयोजित ऑल इंडिया एससी/एसटी रेलवे एम्प्लॉईज एसोसिएशन के राष्ट्रीय सम्मेलन में रेल मंत्री अश्विनी वैष्णव ने यह जानकारी दी।

मंत्री ने बताया कि 2004 से 2014 के बीच रेलवे ने 4.4 लाख कर्मचारियों की भर्ती की थी। उन्होंने रेलवे के इतिहास में पहली बार वार्षिक भर्ती कैलेंडर की शुरुआत का भी उल्लेख किया, जिससे भर्ती प्रक्रिया को अधिक पारदर्शी और तेज़ बनाया गया है।

इस सम्मेलन में एसोसिएशन के अध्यक्ष बी एल भैरवा, सेंट्रल रेलवे के महाप्रबंधक धर्मवीर मीणा और साउथ ईस्ट सेंट्रल रेलवे के महाप्रबंधक नीनू मौजूद रहे। मंत्री ने प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी के एक महत्वपूर्ण उदाहरण का जिक्र करते हुए कहा, “संविधान के प्रति सम्मान केवल प्रतीकात्मक नहीं, यह कर्मों में दिखना चाहिए।”

भर्ती प्रक्रिया में सुधार और वार्षिक कैलेंडर का योगदान
रेल मंत्री अश्विनी वैष्णव ने बताया कि प्रधानमंत्री मोदी के नेतृत्व में रेलवे की भर्ती प्रक्रिया को मज़बूत किया गया है। 2014 के बाद से हर साल एक वार्षिक भर्ती कैलेंडर प्रकाशित किया जाता है, जिससे उम्मीदवार अपनी तैयारी समय पर कर सकें। उन्होंने कहा, “हमने पिछले एक दशक में अधिक रोजगार के अवसर सृजित किए हैं, जिससे नई पीढ़ी रेलवे का हिस्सा बनकर देश के विकास में योगदान दे रही है।”

संविधान दिवस पर संदेश
संविधान दिवस के अवसर पर मंत्री ने संविधान के प्रति अपना सम्मान व्यक्त किया। उन्होंने बताया कि प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी ने संसद में प्रवेश करने से पहले संविधान के समक्ष झुककर एक मिसाल पेश की है। मंत्री ने कहा, “संविधान का सम्मान केवल शब्दों से नहीं, बल्कि कार्यों से भी दिखना चाहिए।”

नए जनरल कोच और स्मारक का अनावरण
मंत्री ने बताया कि रेलवे वर्तमान में 12,000 सामान्य कोचों का निर्माण कर रहा है। नागपुर में आयोजित इस कार्यक्रम में उन्होंने एसोसिएशन के प्रयासों को सम्मानित करते हुए एक स्मारक का अनावरण भी किया। इसके अलावा, मंत्री ने दीक्षाभूमि के सेंट्रल मेमोरियल में जाकर डॉ. बी आर अंबेडकर को श्रद्धांजलि अर्पित की।

डॉ. बी आर अंबेडकर को श्रद्धांजलि
रेल मंत्री ने अपने संबोधन में डॉ. बी आर अंबेडकर के जीवन और उनकी विचारधारा की प्रशंसा की। उन्होंने कहा, “अंबेडकर के विचार और उनके आदर्श हर स्तर पर समानता और न्याय का संदेश देते हैं।”

समग्र दृष्टिकोण
भारतीय रेलवे की यह भर्ती प्रक्रिया देश में रोजगार के अवसर बढ़ाने के सरकार के प्रयासों को दर्शाती है। अश्विनी वैष्णव के अनुसार, भारतीय रेलवे जैसे बड़े संगठन का योगदान केवल परिवहन के क्षेत्र में ही नहीं, बल्कि देश की आर्थिक और सामाजिक प्रगति में भी महत्वपूर्ण है।

रेलवे की पिछले 10 सालों की भर्ती प्रक्रिया इसकी ज़िम्मेदारी और पारदर्शिता का उदाहरण है। संविधान और डॉ. अंबेडकर के प्रति सम्मान, और वार्षिक भर्ती कैलेंडर की पहल ने भारतीय रेलवे को और भी मज़बूत और प्रभावशाली बना दिया है।

पाकिस्तान के समय में इस्कॉन ने पूर्व बंगाल में शाखा खोली थी, अब बांगलादेश में होगा निषिद्ध?

ISKCON Controversy in Bangladesh: Religious Tensions Rise Amid Allegations

बांगलादेश में हाल ही में एक गंभीर घटना ने देश के धार्मिक माहौल को और भी तनावपूर्ण बना दिया है। 26 नवंबर 2024 को चटगांव में हुए एक भयंकर विवाद में अंतरराष्ट्रीय कृष्णभावनामृत संघ (ISKCON) के अनुयायियों पर आरोप है कि उन्होंने सरकारी अभियोजक को मौत के घाट उतार दिया। यह घटना तब घटी जब चिन्नमय कृष्ण प्रभु के खिलाफ राज्यद्रोह मामले में उनकी जमानत याचिका खारिज कर दी गई थी। इसके बाद, इस्कॉन के अनुयायी उग्र हो गए और सरकारी अभियोजक सैफुल इस्लाम अलीफ को मार डाला। इस घटना के बाद, बांगलादेश में इस्कॉन को प्रतिबंधित करने की मांग तेज हो गई है, और चटगांव में साम्प्रदायिक संघर्ष का खतरा पैदा हो गया है।

इस्कॉन के अनुयायी, विशेष रूप से चिन्नमय कृष्ण प्रभु के समर्थक, उनके खिलाफ लगे आरोपों को गलत मानते हैं और उनकी रिहाई की मांग कर रहे हैं। इस बीच, सोशल मीडिया पर इस्कॉन के सशस्त्र सदस्यों की तस्वीरें भी वायरल हो रही हैं, जिससे स्थिति और अधिक तनावपूर्ण हो गई है। इस घटना के बाद, बांगलादेश में धार्मिक हिंसा के बढ़ने की आशंका जताई जा रही है।

बांगलादेश में इस्कॉन के इतिहास और भूमिका:
इस्कॉन (International Society for Krishna Consciousness) की स्थापना 1966 में अमेरिका के न्यूयॉर्क शहर में आचार्य अभयचरणारविंद भक्तिवेदांत स्वामी प्रभुपाद द्वारा की गई थी। यह एक वैष्णव संगठन है, जिसका मुख्य उद्देश्य श्री कृष्ण के ज्ञान और भक्ति का प्रचार करना है। इस्कॉन का कार्यक्षेत्र वैश्विक स्तर पर फैला हुआ है, और यह धार्मिक और सामाजिक कार्यों के लिए प्रसिद्ध है। खासतौर पर “फूड फॉर लाइफ” (Food for Life) कार्यक्रम के तहत इस्कॉन ने गरीब और जरूरतमंदों को मुफ्त भोजन प्रदान करने के कार्य में बहुत योगदान दिया है, जो दुनियाभर में सराहा जाता है।

बांगलादेश में इस्कॉन की शाखा 1970 के आसपास पाकिस्तान के समय में खोली गई थी, जब यह क्षेत्र पूर्व पाकिस्तान था। इसके बाद, बांगलादेश के स्वतंत्रता संग्राम के बाद देश में इस्कॉन ने अपनी शाखाएं स्थापित करना शुरू कर दिया। बांगलादेश के प्रमुख शहरों जैसे ढाका और चटगांव में इस्कॉन की शाखाएं बहुत प्रसिद्ध हैं। यहां तक कि मुस्लिम बहुल देश में भी इस्कॉन की लोकप्रियता में वृद्धि हुई है, और बांगलादेश में हिंदू समुदाय के बीच इसने तेजी से अपना पैर पसार लिया है।

इस्कॉन पर आरोप और विवाद:
हालांकि, इस्कॉन ने बांगलादेश में अपनी धर्मनिरपेक्ष गतिविधियों के चलते कई सराहनाएँ प्राप्त की हैं, लेकिन इस संगठन पर समय-समय पर कई आरोप भी लगे हैं। इसके अनुयायी अक्सर इस्कॉन के खिलाफ राजनीतिक आरोपों के निशाने पर रहते हैं। इस्कॉन पर कई बार अपने विदेशी शाखाओं के साथ गुप्त रूप से संबंध बनाने और बांगलादेश में साम्प्रदायिक हिंसा फैलाने के आरोप भी लगाए गए हैं, हालांकि इस संगठन ने इन आरोपों का हमेशा खंडन किया है।

कुछ मीडिया रिपोर्ट्स के मुताबिक, इस्कॉन के खिलाफ आरोप है कि यह संगठन भारत और अमेरिका में अपने अनौपचारिक नेटवर्क का इस्तेमाल करके बांगलादेश में धार्मिक तनाव बढ़ाने की कोशिश कर रहा है। इस संगठन की गतिविधियों को लेकर विवाद तब और बढ़ गया जब कुछ इस्कॉन अनुयायियों ने सोशल मीडिया पर साम्प्रदायिक रूप से उत्तेजक सामग्री साझा की, जो धार्मिक हिंसा को भड़काने का कारण बन सकती थी।

बांगलादेश में इस्कॉन की स्थिति:
बांगलादेश में इस्कॉन की स्थिति में लगातार उतार-चढ़ाव आया है। मुस्लिम बहुल इस देश में हिंदू धर्म के अनुयायी न केवल धार्मिक रूप से कमजोर हैं, बल्कि उन्हें अक्सर राजनीतिक और सामाजिक उत्पीड़न का सामना भी करना पड़ता है। पिछले कुछ वर्षों में बांगलादेश में हिंदू-मुस्लिम तनाव में वृद्धि हुई है, जिसके परिणामस्वरूप कई साम्प्रदायिक झड़पें भी हुई हैं। इन घटनाओं ने बांगलादेश के हिंदू समुदाय के खिलाफ घृणा और असहमति को बढ़ावा दिया है। ऐसे माहौल में, इस्कॉन पर किए गए आरोप और इस संगठन की गतिविधियों पर गंभीर सवाल उठ रहे हैं।

इस्कॉन पर कई बार आर्थिक अनियमितताओं और नेतृत्व से जुड़े विवादों के आरोप भी लगे हैं। इसके बावजूद, यह संगठन बांगलादेश में अपनी धार्मिक और सामाजिक सेवाओं के लिए कई स्थानों पर लोकप्रिय बना हुआ है। हालाँकि, अब यह सवाल उठ रहा है कि क्या बांगलादेश सरकार इस संगठन पर प्रतिबंध लगाएगी और इसे निषिद्ध कर देगी?

बांगलादेश में इस्कॉन की शाखाओं पर बढ़ते आरोप और विवाद के बावजूद, इस संगठन ने हमेशा अपनी धार्मिक कार्यों में निष्कलंक रहने का दावा किया है। हालांकि, हाल की घटनाओं ने बांगलादेश में इस्कॉन की स्थिति पर सवाल खड़े कर दिए हैं। बांगलादेश में बढ़ते साम्प्रदायिक तनाव और धार्मिक विवादों के बीच इस्कॉन पर प्रतिबंध लगाने की मांग को लेकर स्थिति और भी जटिल हो सकती है। यह देखना होगा कि बांगलादेश सरकार इस मामले में क्या कदम उठाती है और क्या इस्कॉन को निषिद्ध किया जाएगा या नहीं।

इस्कॉन पर बढ़ती निगरानी और बांगलादेश में इसकी भविष्यवाणी इस बात पर निर्भर करेगी कि सरकार क्या निर्णय लेती है, और देश के अंदर साम्प्रदायिक तनाव के बीच इसे कैसे संभालती है।

मणिपाल हॉस्पिटल्स ने ‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ अभियान शुरू किया

कोलकाता: भारत के सबसे बड़े स्वास्थ्य सेवा नेटवर्क में से एक, मणिपाल हॉस्पिटल्स ने अपने ‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ अभियान की शुरुआत करके स्ट्रोक के बारे में जागरूकता और स्थिति के बेहतर प्रबंधन के उद्देश्य से प्रयासों की एक श्रृंखला में एक बड़ा कदम आगे बढ़ाया। यह कार्यक्रम विश्व स्ट्रोक दिवस के उपलक्ष्य में आयोजित किया गया, जो हर साल 29 अक्टूबर को विश्व स्तर पर मनाया जाता है, जहाँ मणिपाल हॉस्पिटल्स की इकाइयों के प्रमुख न्यूरोलॉजिस्ट और न्यूरोसर्जन ने इस बारे में महत्वपूर्ण जानकारी साझा की कि कैसे स्ट्रोक का शुरुआती पता लगाना और प्रबंधन से रोगी के परिणामों में सुधार हो सकता है।

कार्यक्रम में मणिपाल हॉस्पिटल्स के प्रख्यात स्ट्रोक विशेषज्ञों ने भाग लिया, जिनमें डॉ. रवींद्र नारायण भट्टाचार्य, कंसल्टेंट न्यूरोसर्जन, मणिपाल हॉस्पिटल्स ढकुरिया, डॉ. एल.एन. त्रिपाठी, वरिष्ठ उपाध्यक्ष, निदेशक और वरिष्ठ सलाहकार, मेडिका इंस्टीट्यूट ऑफ न्यूरोलॉजिकल डिजीज (MIND), (अब मणिपाल हॉस्पिटल्स का एक हिस्सा), डॉ. अप्रतिम चटर्जी, इंटरवेंशनल न्यूरोलॉजिस्ट और स्ट्रोक विशेषज्ञ, मणिपाल हॉस्पिटल्स मुकुंदपुर, डॉ. निर्मल्या रे, कंसल्टेंट – न्यूरो इंटरवेंशनल रेडियोलॉजिस्ट, मेडिका सुपरस्पेशलिटी हॉस्पिटल, (अब मणिपाल हॉस्पिटल्स का एक हिस्सा)। डॉ. दीपेंद्र कुमार प्रधान, वरिष्ठ सलाहकार – न्यूरोसर्जरी, मणिपाल हॉस्पिटल्स मुकुंदपुर, और डॉ. अयनभ देबगुप्ता, क्षेत्रीय सीओओ, मणिपाल हॉस्पिटल्स (पूर्व)।

इन विशेषज्ञों ने स्ट्रोक की बढ़ती संख्या की ओर इशारा किया, जिनमें से एक महत्वपूर्ण प्रतिशत युवा आयु समूहों में होता है, और स्ट्रोक की शुरुआत की पहचान करने और तत्काल चिकित्सा सहायता लेने के तरीके के बारे में और अधिक सार्वजनिक जागरूकता की बढ़ती आवश्यकता है।

‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ अभियान में कोलकाता भर में समुदाय-उन्मुख कार्यक्रम शामिल हैं, विशेष रूप से आवासीय परिसरों और वृद्ध वयस्क समूहों में, नागरिकों की प्रारंभिक स्ट्रोक पहचान कौशल और आत्म-मूल्यांकन और लक्षणों को पहचानने की क्षमता का निर्माण किया जाता है। इसमें शहर भर में जागरूकता अभियान, सूचित प्रथम प्रतिक्रियाकर्ताओं का एक नेटवर्क और मणिपाल हॉस्पिटल्स से स्ट्रोक देखभाल में उन्नत बुनियादी ढांचे द्वारा समर्थित ‘स्ट्रोक-तैयार’ संसाधन शामिल हैं।

ये सभी अस्पताल न्यूरोसर्जरी आईटीयू, एचडीयू और 24/7 न्यूरोलॉजी विशेषज्ञों से सुसज्जित हैं, जिन्हें स्ट्रोक रोगियों को तेजी से प्रतिक्रिया देने के लिए डिज़ाइन किए गए एम्बुलेंस के एक समर्पित बेड़े द्वारा संवर्धित किया गया है, इस प्रकार यह सुनिश्चित किया जाता है कि इन रोगियों को पिकअप के बिंदु से ही विशेषज्ञ देखभाल मिले।
अस्पतालों को स्ट्रोक के लिए तैयार करने के साथ-साथ, “स्ट्रोक स्मार्ट बनें” अभियान ने स्ट्रोक के संभावित लक्षणों की पहचान करने के लिए एम्बुलेंस ड्राइवरों के लिए विशेष प्रशिक्षण कार्यक्रम शुरू किए हैं।

अधिकांश मामलों में, एम्बुलेंस ड्राइवर ही मरीजों के लिए संपर्क का पहला बिंदु होता है; इस प्रकार, ड्राइवरों को स्ट्रोक के शुरुआती लक्षणों को पहचानने और तुरंत यह सुनिश्चित करने के लिए कौशल प्रदान किए जाते हैं कि मरीज को निकटतम स्ट्रोक-रेडी अस्पताल ले जाया जाए।

मणिपाल हॉस्पिटल्स ने पहले ही कोलकाता में समुदाय को स्ट्रोक जागरूकता के उचित तरीकों के बारे में शिक्षित करने और इसे ‘स्ट्रोक स्मार्ट’ शहर बनाने के लिए जीवन रक्षक कौशल से सशक्त बनाने के लिए आउटरीच कार्यक्रम शुरू कर दिए हैं। स्ट्रोक के प्राथमिक जोखिम कारकों, निवारक उपायों और आपात स्थिति में उठाए जाने वाले बुनियादी कदमों के बारे में जागरूकता पैदा करने पर जोर दिया जाता है।

मणिपाल हॉस्पिटल्स (पूर्व) के क्षेत्रीय सीओओ डॉ. अयनभ देबगुप्ता ने स्ट्रोक की रोकथाम में जागरूकता की आवश्यकता पर जोर देते हुए कहा, “मणिपाल हॉस्पिटल्स में हमारा लक्ष्य एक ऐसा समुदाय बनाना है, जो स्ट्रोक को रोकने, पहचानने और तुरंत प्रतिक्रिया देने के लिए ज्ञान और संसाधनों से सशक्त हो। कोलकाता में ‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ अभियान के साथ, हमारा लक्ष्य पूर्वी भारत में स्ट्रोक के लिए तैयार पारिस्थितिकी तंत्र बनाना है, जहां प्रत्येक नागरिक को शुरुआती लक्षणों का पता लगाने और बिना देरी के चिकित्सा हस्तक्षेप की आवश्यकता हो। हम कोलकाता और व्यापक क्षेत्र को उन्नत बुनियादी ढांचे, अनुभवी न्यूरोलॉजिस्ट, न्यूरोसर्जन, न्यूरो रेडियोलॉजिस्ट से युक्त विशेषज्ञ देखभाल टीमों के साथ-साथ हर मरीज के लिए त्वरित, जीवन रक्षक प्रतिक्रियाओं को सुनिश्चित करने के लिए विशेष स्ट्रोक-तैयार एम्बुलेंस के नेटवर्क से लैस करने के लिए प्रतिबद्ध हैं।”

डॉ. आर.एन. भट्टाचार्य, न्यूरोसर्जन, मणिपाल हॉस्पिटल्स ढाकुरिया, “स्ट्रोक रोगियों के लिए सर्वोत्तम संभव परिणाम सुनिश्चित करने के लिए एक पूरी तरह से सुसज्जित स्ट्रोक सेंटर का होना महत्वपूर्ण है। समय मस्तिष्क है – हर मिनट मायने रखता है। हमारे समर्पित स्ट्रोक सुविधाओं और प्रशिक्षित विशेषज्ञों के साथ, मणिपाल हॉस्पिटल्स व्यापक स्ट्रोक देखभाल प्रदान करने के लिए प्रतिबद्ध है, प्रारंभिक आपातकालीन प्रतिक्रिया से लेकर दीर्घकालिक पुनर्वास तक। ‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ पहल इस महत्वपूर्ण संदेश को बड़े दर्शकों तक फैलाने में मदद करेगी।”

डॉ. एल.एन. त्रिपाठी, वरिष्ठ उपाध्यक्ष, निदेशक और वरिष्ठ सलाहकार, मेडिका इंस्टीट्यूट ऑफ न्यूरोलॉजिकल डिजीज (MIND) (अब मणिपाल हॉस्पिटल्स का एक हिस्सा), ने साझा किया, “जीवनशैली कारकों, तनाव और अनदेखे चेतावनी संकेतों के कारण युवा लोगों में स्ट्रोक के मामले बढ़ रहे हैं। रिपोर्टों के अनुसार, हम देखते हैं कि लगभग 10-15% पहले स्ट्रोक 18-50 वर्ष की आयु के लोगों में होते हैं। यह पहल हमारे शहर में स्ट्रोक के मामलों की संख्या को कम करने के लिए दवा के बजाय रोकथाम पर केंद्रित है। जैसे-जैसे लोगों को ऐसे जोखिम और रोकथाम के उपाय समझाए जाएँगे, हम स्ट्रोक की घटनाओं में कमी लाने की उम्मीद करते हैं। मणिपाल हॉस्पिटल्स ने जागरूकता फैलाने, जीवन रक्षक कौशल प्रदान करने और कोलकाता को ‘स्ट्रोक स्मार्ट’ शहर बनाने के लिए कोलकाता भर में आउटरीच कार्यक्रम भी शुरू किए हैं। इसका लक्ष्य स्ट्रोक के मुख्य जोखिमों, रोकथाम और बुनियादी आपातकालीन कदमों के बारे में शिक्षित करना है।”
मणिपाल हॉस्पिटल्स, मुकुंदपुर के न्यूरोसर्जन डॉ. दीपेंद्र कुमार प्रधान ने कहा, “स्ट्रोक के बारे में जागरूकता ही शुरुआती हस्तक्षेप का तरीका है, और सभी मरीज़ यह नहीं जानते कि पहला घंटा कितना महत्वपूर्ण होता है। स्ट्रोक के लिए ज़्यादातर लोगों का सुरक्षित रूप से निदान और उपचार होने में कुछ ही घंटे लगते हैं।

‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ अभियान हमारे उद्देश्य के अनुरूप है, जिसके तहत हम मरीजों के साथ-साथ आम जनता को भी स्ट्रोक के शुरुआती चरणों में इसके लक्षणों को पहचानने और जीवन भर के लिए इसका जवाब देने के लिए त्वरित कार्रवाई करने के बारे में जागरूक करते हैं।”

भारत में स्ट्रोक अब सबसे बड़ी जानलेवा बीमारियों में से एक है, 1990 से 2019 के बीच इससे होने वाली मौतों में 43% की वृद्धि हुई है। चूंकि स्ट्रोक आबादी के इतने बड़े हिस्से को प्रभावित करता है, खासकर 25-50 आयु वर्ग में, इसलिए बी स्ट्रोक स्मार्ट अभियान सार्वजनिक शिक्षा के लिए एक महत्वपूर्ण पहल है और स्ट्रोक को रोकने और प्रबंधित करने के लिए सकारात्मक कार्रवाई की दिशा में एक कदम है।

इस जागरूकता कार्यक्रम का उद्देश्य कोलकाता और उसके बाहर मणिपाल हॉस्पिटल्स में स्ट्रोक देखभाल के पूरे परिदृश्य में सुधार का मार्ग प्रशस्त करना है|

मदारीहाट विधानसभा उपचुनाव से पहले केंद्रीय बलों की गश्त

Boosting Voter Confidence: Central Forces Deployed in Madarihat Pre-By-Election

मदारीहाट विधानसभा का उपचुनाव (Madarihat by-election) आगामी 13 नवंबर को होने जा रहा है। इस चुनाव प्रक्रिया को निर्बाध रूप से संचालित करने के लिए मदारीहाट में केंद्रीय बलों द्वारा सुरक्षा के कड़े इंतजाम किए गए हैं। स्थानीय प्रशासन के साथ तालमेल बनाकर मतदाताओं में विश्वास बढ़ाने के उद्देश्य से जवानों ने रूट मार्च शुरू किया। अब तक कुल 11 कंपनी केंद्रीय बल मदारीहाट के बीरपारा और मदारीहाट थाना क्षेत्र में पहुँच चुकी हैं, जहां उनके ठहरने की व्यवस्था भी जिला प्रशासन द्वारा की गई है।

सोमवार को, मदारीहाट विधानसभा के विभिन्न क्षेत्रों में केंद्रीय बल के जवानों ने टहलते हुए आम लोगों से बातचीत की और उन्हें बिना किसी डर के मतदान में भाग लेने के लिए प्रेरित किया। सीएपीएफ (केंद्रीय बल) के जवान लंका पारा बाजार, पांच नंबर लाइन और अन्य स्थानों पर जाकर लोगों से संपर्क कर उन्हें विश्वास दिलाने की कोशिश की कि वे सुरक्षित माहौल में मतदान कर सकते हैं।

मतदाताओं में विश्वास बढ़ाने के लिए रूट मार्च
जनता में विश्वास और सुरक्षा की भावना जगाने के लिए यह रूट मार्च आयोजित किया गया। इस रूट मार्च में बीरपारा थाना के मकरापारा पुलिस चौकी के ओसी बलई सरकार और अन्य पुलिस अधिकारी भी शामिल थे। जवानों ने स्थानीय लोगों से बातचीत की और चुनाव प्रक्रिया में उनके प्रश्नों और चिंताओं का समाधान करने का प्रयास किया। इसके साथ ही, यह भी सुनिश्चित किया गया कि मतदान के दिन शांतिपूर्ण माहौल बना रहे।

जिला प्रशासन के मुताबिक, रूट मार्च और सुरक्षा के अन्य उपायों का उद्देश्य जनता के मन से भय को दूर करना और उन्हें मतदान के प्रति प्रोत्साहित करना है। इसके अलावा, प्रशासन चुनावी नियमों का सख्ती से पालन सुनिश्चित करेगा और निगरानी के साथ चुनावी प्रक्रिया पर कड़ी नजर रखेगा।

चुनाव में सुरक्षा के लिए पुख्ता इंतजाम
इस बार के उपचुनाव में केंद्रीय बलों की मौजूदगी से मतदाता बिना किसी डर के मतदान कर सकें, इसके लिए कड़े इंतजाम किए गए हैं। हर महत्वपूर्ण स्थान पर केंद्रीय बल की नियमित गश्त रहेगी, जो मतदाताओं में मतदान को लेकर आत्मविश्वास बढ़ाएगी।

कुल मिलाकर, आगामी मदारीहाट उपचुनाव को शांतिपूर्ण और निष्पक्ष तरीके से कराने के लिए केंद्रीय बल और स्थानीय प्रशासन पूरी मुस्तैदी से काम कर रहे हैं।