আরিয়ান ছাড়াও মাদক মামলায় জড়িয়েছে আরও ৬ স্টারকিডস

390
In addition to Aryan, Star kids was also involved in drug cases

বায়োস্কোপ ডেস্ক: নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্যের অপব্যবহারের কারণে শাহরুখ খানের বড় ছেলে আরিয়ান খান গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই আবার চর্চার কেন্দ্রবিন্দু তে উঠে এসেছে বলিউড ও ড্রাগের যোগসুত্র।

যদিও হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একাধিকবার মাদক ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে, ২০২০ সালের জুনে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক জোরালো হয়ে ওঠে। আরিয়ান খান এর গ্রেপ্তারের পর এনসিবির ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে উঠে এসেছে।

অনেকে দাবি করছেন যে, রাজনৈতিক ভাবে প্রভাবিত হয়ে এনসিবি ইচ্ছাকৃতভাবে বলিউডকে নিশানা করেছে বারবার। দেখে নেওয়া যাক এমন কিছু ঘটনা, যেখানে বলিউডের স্টারকিডরা জড়িয়ে গিয়েছিলেন ড্রাগ মামলায়:

sara-ali-khan

১. সারা আলি খান
সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃত্যুর পর সাইফ আলি খান ও অমৃতা সিংহের মেয়ে সারা আলি খানের নামও জড়িয়ে পড়ে মাদক কাণ্ডে। যদিও তিনি সরাসরি মাদক সেবন করেছিলেন কি না এ নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে, কিন্তু সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্ত করতে গিয়ে ফাঁস হওয়া মাদক চক্র নিয়ে এনসিবি কর্তপক্ষ বেশ কয়েকবার তলব করে তাকে।

sanjay-dutta

২. সঞ্জয় দত্ত
ইন্ডাস্ট্রির সঞ্জুবাবার মতো অজস্র কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে যাওয়া তারকা হয়তো আর দুটি নেই। অভিনেতা নিজেই একসময় স্বীকার করেছিলেন যে কলেজে পড়াকালীন তিনি মাদকচক্রের জড়িয়ে পড়েছিলেন। যদিও তিনি এও দাবি করেছেন যে নিজের চেষ্টাতেই মাদকের নেশা থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি।

prateik Babbar৩. প্রতীক বাব্বর
অভিনেতা রাজ বাব্বরের ছেলে ও ‘দম মারো দম’ অভিনেতা নিজেই স্বীকার করেছেন যে তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে মাদকাসক্তির শিকার হয়েছিলেন। তখন এর থেকে বেরিয়ে আসার জন্য তাকে পুনর্বাসনের সাহায্য নিতে হয় বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

Ranbir Kapoor

৪. রণবীর কাপুর
রণবীর কাপুর কেবল এই প্রজন্মের অন্যতম সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেতাই নন, প্রয়াত অভিনেতা ঋষি কাপুর এবং নিতু সিং এর পুত্র হওয়ার সুবাদে তিনি বলিউডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক পরিবারের সদস্য। অন্য কয়েকজন বলিউড স্টার কিডের মতো, রণবীরও রকস্টার ছবির শুটিংয়ের সময় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহারের সাথে যুক্ত ছিলেন বলে স্বীকার করেছিলেন।

Fardeen Khan৫. ফারদিন খান
প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ফিরোজ খানের ছেলে ফারদিন খান ২০০১ সালে একটি ড্রাগ কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন, তারপরে তাকে কোকেন রাখার অভিযোগে এনসিবি গ্রেপ্তার করেছিল বলে জানা গেছে।

Puja-Bhat৬. পূজা ভাট
পরিচালক মহেশ ভাট এর মেয়ে পূজা ভাট নিজে স্বীকার করেছিলেন যে তিনি মাত্র ১৬ বছর বয়স থেকে মাদকাসক্তিতে ভুগতেন। বেশ কয়েক বছর আগে এক মাদক মামলার সাথে তার নাম জড়িয়ে যায়, যার জন্য এনসিবি কর্তৃপক্ষ তাকে তলব করেছিল। যদিও তিনি দাবি করেছিলেন যে কোকেনের মতো ভারী ড্রাগ তিনি কখনোই সেবন করেননি।