Mumbai-Ahmedabad bullet train: মহারাষ্ট্র সরকার জমি দিলে প্রকল্প দ্রুত চালু হবে

343
Mumbai-Ahmedabad bullet train

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দ্বিতীয় দফায় কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসে নরেন্দ্র মোদী সরকার দেশে বুলেট ট্রেন (bullet train) চালু করতে উদ্যোগী হয়েছে। ইতিমধ্যেই আহমেদাবাদ ও মুম্বইয়ের (Mumbai-Ahmedabad) মধ্যে বুলেট ট্রেন চালানোর প্রাথমিক পর্বের কাজ শুরু হয়েছে।

এই বুলেট ট্রেন চালানোর সম্পর্কেই রেলমন্ত্রীর (rail minister) কাছে একাধিক প্রশ্ন রাখলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মালা রায় (mala roy)। বুধবার সংসদে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ বলেন, সরকারের বুলেট ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হোক। এ বিষয়ে সাংসদ জানতে চান, সরকার যে বুলেট ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা নিয়েছে তা কবে নাগাদ সম্পূর্ণ হবে? এই কাজ করতে এ পর্যন্ত কী পরিমাণ অর্থ খরচ হয়েছে?

মালা রায়ের এই প্রশ্নের উত্তরে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, এখনও পর্যন্ত গোটা দেশে একমাত্র মুম্বই- আহমেদাবাদ রুটে বুলেট ট্রেন চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জাপান সরকারের আর্থিক এবং প্রযুক্তিগত সহায়তায় এই প্রকল্পটি নির্মাণ হচ্ছে। এই প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য ন্যাশনাল হাই স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড নামে একটি সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এই প্রকল্পের সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী আরও জানান, ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। এই প্রকল্প রূপায়নের পথে পড়ছে ২৯৭টি গ্রাম। এই প্রকল্পের জন্য ওই গ্রামগুলির কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২৯৫ টি গ্রামে সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করার জন্য ১৩৯৬ হেক্টর জমির প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় জমির মধ্যে ১০৮৯ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এই প্রকল্প রূপায়নের জন্য মহারাষ্ট্রে আরও ২৮৫ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ বাকি আছে। গুজরাতে এই রেলপথের দৈর্ঘ্য ৩৫২ কিলোমিটার। যার মধ্যে ইতিমধ্যেই ৩২০ কিলোমিটার রেলপথে প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ চলছে। ২০২০-র ডিসেম্বর থেকে এই কাজ শুরু হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই রেলপথ নির্মাণের কাজ কবে নাগাদ শেষ হবে তা মূলত দুটি জিনিসের উপর নির্ভর করছে। একটি হল করোনাজনিত পরিস্থিতি কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে এবং দ্বিতীয়টি হল মহারাষ্ট্রে ২৮৫ হেক্টর জমি কবে মিলবে তার উপর। এই রেলপথ নির্মাণের জন্য ২০২১-এর অক্টোবর পর্যন্ত ১৭ হাজার ৯ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই অর্থ মূলত জমি অধিগ্রহণ এবং উচ্ছেদ হওয়া মানুষের পুনর্বাসনের জন্য খরচ করা হয়েছে।