HomeExplore KolkataWoman Motorcycle Racer: পুরুষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারতের দ্রুততম মহিলা বাইক রেসার...

Woman Motorcycle Racer: পুরুষের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভারতের দ্রুততম মহিলা বাইক রেসার কল্যানী

শর্মিষ্ঠা চ্যাটার্জী: ভারতের মতো দেশে প্রাচীন কাল থেকেই যে মেয়েদেরকে (Woman) নানা শর্তের দ্বারা বেঁধে দেওয়া হতো তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। যেকোনো ক্ষেত্রেই সমাজে মেয়েদের প্রথম থেকেই নানা নিষেধাজ্ঞা মেনে সব কাজ করতে হতো।

সর্বোপরি এটাই বোঝানোর চেষ্টা চলত যে মেয়েরা পুরুষদের সমকক্ষ কখনোই হতে পারে না। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে তাই মেয়েদের অবদমিত করেই রাখা হতো। যুগ যত এগিয়েছে তত মানসিকতার পরিবর্তন ধীরে ধীরে ঘটেছে। মেয়েরা বাইরে বেরিয়ে এসেছে। বর্তমানে একুশ শতকে মেয়েরা নিজেদের সবক্ষেত্রেই প্রমাণিত করেছে। এমনই একজন সাহসী মেয়ের সাথে আজ পরিচয় করাবো যিনি তাঁর কাজের দ্বারা করে দেখিয়েছেন মেয়েরাও কোনো অংশে পিছিয়ে নেই।

Meet Kalyani Potekar

একটা সময় মোটর সাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে মনেই করা হতো কেবলমাত্র পুরুষরাই অংশগ্রহণ করতে পারে। কিন্তু এই নির্ভীক মেয়ে প্রমাণ করেছেন যে মেয়েরা এগিয়ে আসলে তারাও পারে। ২৭ বছরের কল্যানী পটেকর ভারতের সকল মেয়েদের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে সেই কাজ করে দেখিয়ে। মধ্যপ্রদেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন কল্যানী। তিনি বর্তমানে ভারতের দ্রুততম মহিলা মোটর বাইক রেসারের খ্যাতি অর্জন করেছেন।

সম্প্রতি তিনি বুধ ইন্টারন্যাশানাল সার্কিট এর সম্পূর্ণ একটি ল্যাপ পূরণ করেছেন মাত্র ২.০৮ মিনিটে, যা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এত অল্প সময়ের মধ্যে এটি সম্পূর্ণ করে তিনি পূর্বের ২.১৬ মিনিটের রেকর্ড ভেঙে ফেলেছেন সেইসঙ্গে সমাজের মেয়েদের নিয়ে যে প্রচলিত ধারণা তা ভেঙে দিয়েছেন।

আমাদের ভারতের মত দেশে একজন মেয়ে হয়ে বাইক রেসিংকে পেশা হিসেবে নেওয়াটা ভাবাই যায়না। মূলত মনে করা হয় বাইক রেসিং পুরুষদের কাজ। কিন্তু ছোট থেকেই কল্যাণীর মূল অনুপ্রেরণা দাতা ছিলেন তাঁর বাবা। মাত্র ১০ বছর বয়স থেকে কল্যানীকে তাঁর বাবাই প্রথম বাইকে কিভাবে চড়তে হয় তার সাথে সাক্ষাৎ করিয়েছিলেন।

২০১৩ সালে যখন কল্যাণীর স্নাতকের শেষ বর্ষ চলছিল তখন প্রথম সে বিশ্বের সবথেকে কঠিনতম বাইকিং সমাবেশ ‘রেড দি হিমালয়া’ তে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আর তারপরেই তাঁর সার্কিট রেসিংয়ে প্রবেশ ঘটে।

২০১৭ সালে সে প্রথম ক্যালিফোর্নিয়া থেকে তাঁর বাইক রেসিং এর সম্পূর্ণ প্রশিক্ষণ শেষ করে ভারতকে নানা প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করতে শুরু করে। স্বপ্নের যাত্রা শুরু হয় তাঁর।

<

p style=”text-align: justify;”>ছোট থেকে পরিবারের সম্পূর্ণ সমর্থনে এতদূর রাস্তা আসতে পেরেছিল কল্যানী পটেকর। যেখানে সমাজে লিঙ্গ বৈষ্যম্যতা দেখিয়ে মেয়েদের দমিয়ে দেওয়া হয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেখানে কল্যানী করে দেখিয়ে নজির গড়েছে মেয়েদের জন্য। পরবর্তী প্রজন্ম তাকে দেখে এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণা পাবে।

RELATED ARTICLES

Most Popular

Recent Comments