""
Tuesday, September 27, 2022
HomeঅফবিটScience: মানুষ কেন ধ্বংসাত্মক চিন্তা করে? জানালেন চিকিৎসক

Latest Posts

Science: মানুষ কেন ধ্বংসাত্মক চিন্তা করে? জানালেন চিকিৎসক

- Advertisement -

Special Correspondent: মস্তিষ্ক শরীরের সবচেয়ে গোপন কর্ণার । সেখানে লোকে ভাবে, কি ভাবতে পারে, তার বেশিরভাগ কেবল সেই মানুষটাই জানে, অন্য কেউ জানে না । ভদ্র সমাজে ভদ্র থাকতে চেষ্টা করে মানুষ। প্রিটেন্ড করতে হয় যে – সে গালি দিতে জানে না, অনেক ভদ্র তারা । কিন্তু মনে মনে সকলে পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর গালিও দিতে পারে । মনের জিনিস তো মনেই, তার আবার ভালো মন্দ কি ! এবং দেয়ার পর ভালো ফিলও করে অনেকে ।

আসলে সবার মধ্যেই ভয়ংকর সব চিন্তা আসে মাঝে মাঝে । আবার ভুলেও যায় সময় সময় । মনে পড়লে বরং নিজেরাই মাঝে মাঝে সে সব চিন্তা কি করে এলো, ওটা ভেবে পায় না । মনে মনে হাসে লোকে, কারণ বাহির তাদের সে সব জানতে পারে না বলে ।

- Advertisement -

একদিকে এমন চিন্তা যেমন আসে, তেমনি নিজেদের ভেতর কখনো এ নিয়ে বিব্রত হয়, অবাক হয়, ক্রোধে পুড়তে থাকে এবং শেষে ভুলে যায় । কিন্তু কি করে এমন হয় ! কেন এমন হয় ! যে জিনিসটি নিয়ে চিন্তা করতে চায় না, সেটি কি করে লোকের মাথায় আসে । বিশেষ করে ভায়োলেন্ট চিন্তা ভাবনা মানুষ কেন করে ? সেই কথা জানালেন ইংল্যান্ডের চিকিৎসক ডা. অপূর্ব চৌধুরী

তাঁর মতে, ভয়ংকর চিন্তা ভাবনাগুলো দুটো পথে আমাদের মধ্যে আসে । একটা ইরোটিক পথে সেক্সচুয়ালি, আরেকটা ডেস্ট্রাক্টিভ ইমাজিনেশন । সেক্সে ফ্যান্টাসির ওয়াইল্ড পার্ট যত বেশি অদ্ভুদ, টিপিক্যাল নয়, ভয়ংকর এবং ট্যাবু, ততো বেশি সেটা মজা দেয়, ভালো লাগে এবং ভালো লাগা শেষে গিলটি ফিলিংসও দেয় । অদ্ভুদ একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে বেশিরভাগ মানুষ এই জায়গাটি পার করে । একদিকে ভাবতে মজা, আরেকদিকে একই ভাবনা দেয় সাজা ।

একই সাথে ভায়োলেন্ট তাকে মজা দেয়, একই সাথে সেটাই আবার শরমিন্দার কারণ হয় । নিজের মধ্যে লজ্জায় পড়ে যায়। মনে মনে ভাবে, হায় হায়, কেউ যদি সে সব জেনে ফেলে । বার বার হতে থাকলে ভাবে সে হয়তো অসুস্থ চিন্তা করছে । যত বেশি ভাবতে থাকে সে খারাপ জিনিস ভাবছে, তত সে একদিকে সেটা দমাতে চেষ্টা করে, আরেকদিকে তার ভায়োলেন্ট চিন্তা আরো ভায়োলেন্ট হয়ে উঁকি দিয়ে আরো মজা দিতে থাকে ।’

তিনি বলছেন, এমন হলে কি করবেন ? প্রথমত : এমন চিন্তা স্বাভাবিক, এটি ধরে নিন । এমন সবার মধ্যে আছে, আপনি ব্যতিক্রম নন । কোনো চিন্তাই অস্বাভাবিক নয়, যতক্ষণ এটি কেবল চিন্তা । দুই : নিজেকে অসুস্থ ভাবার কিছু নেই, যতই সেটি ভায়োলেট কিংবা অদ্ভুদ হোক । চিন্তা তো চিন্তাই, যতক্ষণ পর্যন্ত চিন্তাটা ছিনতাই হয়ে কার্যকর না হবে ।

তিন : চিন্তাকে দমাতে নেই । আমাদের মস্তিষ্ক হলো জেনারেটর অফ থটস । এখানে চিন্তা আসতে থাকবে । চিন্তাকে থামাতে হলে আরেকটা চিন্তা দিয়ে সরাতে হয় । সেই ঘুরে ফিরে এক গর্ত থেকে আরেক গর্তে যাওয়াই হয় ।

চার : যাকে ভায়োলেন্ট ভাবছেন, সেটি আপনার মনে, বাস্তবে না । যত বেশি চেপে ধরবেন, ভায়োলেন্ট টি আরো ভায়োলেন্ট আকারে বের হতে চেষ্টা করবে । তারচেয়ে তাকে আসতে দিয়ে ডিসেন্সিটাইজেশন করা । একসময় আর সেটি আপনাকে টানবে না বা মজা হারিয়ে ফেলবেন ।

পাঁচ : এমন চিন্তা আসার কারণে দুশ্চিন্তা বা ডিপ্রেসেড হওয়ার কিছু নেই । এ গুলো মস্তিষ্কের রেন্ডম প্রসেজের একটি । সুস্থতা বা অসুস্থতা, কোনোটাই নয়, কেবল চলমান ।

ছয় : ধ্বংসাত্মক তখনই, যখন তা আপনার দৈনন্দিন স্বাভাবিক চিন্তা এবং জীবনযাপনকে ব্যাহত করবে । যেমন: OCD, PTSD, ক্রণিক ডিপ্রেশন, এমন সব সমস্যাগুলো দেখা দিলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন

- Advertisement -

Video News

Top News Headlines

Latest Posts

Don't Miss