প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে বাইশ গজের লড়াইয়ের আগে টিম ইন্ডিয়ার ঘরোয়া বিবাদ প্রকাশ্যে

Ashwin and Ravi Shastri

Sports desk: সাড়ে চার বছর পর বিগত টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টিম ইন্ডিয়ার স্কোয়াডে এসে নিজের পারফরম্যান্স জোরে সকলকে তাক লাগিয়ে দেন স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। “ক্রিকেটের ভগবান” সচীন তেন্ডুলকর বিশ্বকাপে অশ্বিনের ডেলিভারিতে নতুনত্ব’র ছোঁয়া দেখে ভূয়সী প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে দেখা গিয়েছে। নিজের আন্তজার্তিক ক্রিকেট কেরিয়ারের ব্যাডপ্যাচ নিয়ে ইতিমধ্যেই “বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি”তে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছেন ভারতের অভিঞ্জ স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন।এবার প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের হেডকোচ রবি শাস্ত্রীকে নিয়েও বোমা ফাটালেন অশ্বিন।

রবি শাস্ত্রীকে নিয়ে অশ্বিনের বোমা’র তীব্রতায় ভারতীয় ক্রিকেট মহল এখন উথালপাতাল। বিস্ফোরক রবিচন্দ্রন অশ্বিন রবি শাস্ত্রীকে নিয়ে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়ায় বলেন,প্রাক্তন হেডকোচ রবি শাস্ত্রীর মন্তব্যের পরে এবং কীভাবে তিনি তার কেরিয়ারে কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছিলেন, তারপরে ঘূর্ণিঝড়ের মাঝখানে তিনি বাদ বোধ করেছিলেন। অনেকবার খেলাকে বিদায় বলার কথাও ভেবেছিলেন।

প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৯’এ সিডনি টেস্টে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পরে তৎকালীন হেডকোচ রবি শাস্ত্রী কুলদীপ যাদবকে বিদেশে ভারতের টপ স্পিনার হিসাবে নাম করেছিলেন।

এই প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে অশ্বিন রবি শাস্ত্রীকে নিশানা করে বিস্ফোরক ঢঙে বলেন, তিনি কুলদীপের জন্য সত্যিই খুশি ছিলেন কারণ তিনি জানতেন অস্ট্রেলিয়ায় স্পিনার হিসাবে পাঁচ উইকেট নেওয়া কতটা কঠিন ছিল কিন্তু শাস্ত্রীর মন্তব্য তাকে ‘সম্পূর্ণ হতাশ’ করে দিয়েছে।

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট দলের হেডকোচ শাস্ত্রীর মন্তব্য প্রসঙ্গে অশ্বিন আরও বলেন, “রবি ভাইয়ের প্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা আছে, আমরা সবাই করি এবং আমি মনে করি আমরা সবকিছু বলার পরেও আমাদের কথা ফিরিয়ে নিতে পারি। তখন অবশ্য আমি খুব বিষণ্ণ বোধ করছিলাম। সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলাম”।

অকপট এবং খোলা মনের মানুষ তথা ভারতের অভিজ্ঞ স্পিনার এই প্রসঙ্গে এও বলেন, “আমরা সবাই কথা বলি যে আমাদের সতীর্থদের সাফল্য উপভোগ করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আমি কুলদীপের জন্য খুশি, আমি অস্ট্রেলিয়ায় পাঁচ উইকেট পাইনি কিন্তু, পেয়েছে(কুলদীপ যাদব)। আমি জানি এটা কত বড় অর্জন। এমনকি যখন আমি ভাল বোলিং করেছি, আমি এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারিনি, তাই আমি তার জন্য সত্যিই খুশি। আর অস্ট্রেলিয়ায় জয়টা খুবই আনন্দের উপলক্ষ”।

অশ্বিন বলেন, “আমি যদি তার সুখ এবং দলের সাফল্যের ভাগীদার হতে চাই, তাহলে আমার মনে হওয়া উচিত যে আমি এর অংশ। আমি যদি মনে করি যে আমাকে অপমান করা হচ্ছে, তাহলে আমি কীভাবে একটি দল বা সতীর্থের সাফল্য উপভোগ করতে নিজেকে ওপরে তুলতে পারি?”

অশ্বিন অবশ্য ভারতীয় দলের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পর আয়োজিত পার্টিতে যোগ দেন। এই পার্টিতে যোগ দেওয়ার প্রেক্ষাপট নিয়ে বলতে গিয়ে অকপট ভঙ্গিতে অশ্বিন বলেন, “ম্যাচের পর আমি আমার রুমে ফিরে গিয়েছিলাম এবং তারপর আমার স্ত্রীর সাথে কথা বলেছিলাম, আমি আমার ব্যক্তিগত হতাশা পিছনে ফেলে যেতে পেরেছি। আমি ওই দলের অংশ হয়েছিলাম কারণ আমরা বড় সিরিজ জিতেছি”।

ওই সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচের কথা উল্লেখ করে ৩৫ বছর বয়সী রবিচন্দ্রন অশ্বিন বলেন, বারবার ইনজুরির কারণে তিনি “অনেক ব্যথা নিয়ে” খেলছেন এবং তিনি উভয় ইনিংসে তিনটি করে উইকেট নিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এমন পারফরম্যান্সের পরেও শাস্ত্রীর মন্তব্য অশ্বিনের কাছে প্রতিক্রিয়া, হতাশাজনক।

প্রসঙ্গক্রমে অশ্বিন বলেন, ‘প্রথম টেস্ট এখনও আমার স্মৃতিতে আছে। প্রথম ইনিংসে আমরা কম স্কোরে অলআউট হয়েছিলাম। এরপর প্রথম চার উইকেটের মধ্যে তিনটি নিয়েছিলাম। এবং তারপর চতুর্থ ইনিংসে যখন পিচ সম্পূর্ণ সমতল ছিল, আমি গুরুতর চোটের পরেও ৫০ ওভারের বেশি বল করেছি এবং তিনটি উইকেট নিয়েছিলাম”। তিনি এও বলেন, “আমি বিশ্বাস করতাম যে আমি অসহ্য যন্ত্রণার মধ্যে দলের জন্য ভালো কিছু করেছি, কিন্তু আমি শুনতে পেলাম ‘নাথান লিয়ন ছয় উইকেট এবং অশ্বিন তিনটি’।

ওই সময়ে আন্তজার্তিক ক্রিকেটে নিজের ব্যাডপ্যাচের প্রসঙ্গ টেনে অশ্বিন বোমা ফাটাতে গিয়ে বলেন, “আমি ইতিমধ্যেই আমার চোটের কারণে হতাশ ছিলাম কারণ আমি বোলিং’র দিক থেকে ভাল ছন্দে ছিলাম না। এই সময়ে আমি কারো সাথে কোন তুলনা চাইনি কিন্তু ওই প্রতিক্রিয়ার পর (লিওনের সাথে তুলনা করুন) এবং তারপর সিডনি মনে হলো আমি দলের জন্য কোন ভূমিকা পালন করিনি”।

অশ্বিন বিস্ফোরক স্বীকারোক্তিতে বলেন,”২০১৮ এবং ২০২০ এর মধ্যে, আমি বেশ কয়েকবার গেমটি ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা করেছি। আমি অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক হচ্ছিল না। চোটের পর যত বেশি চেষ্টা করেছি, ফলাফল তত খারাপ হয়েছে”।

অশ্বিন স্বীকারোক্তিতে বলেন, “বিশেষত চোট পাওয়ার পর, আমি ছয় বল করার পর হাঁফিয়ে উঠতাম এবং সারা শরীরে ব্যথা অনুভব করতাম। তাই ওভারের প্রতিটি বলের পর আমি মানিয়ে নিতাম। কখনো কখনো ছোট লাফ দিয়ে বল করতাম আবার কখনো ক্রিজের কোণ থেকে কিন্তু যখন কাজ হতো না, তখন ভাবতাম বিরতি নেওয়া উচিত”। নিজের আক্ষেপ গোপন না রেখে অশ্বিনের প্রতিক্রিয়া,” বিদেশ সফরে চোট পেয়ে ক্রিকেট মহলে সহানুভূতি প্রকাশ না করায় হতাশাও ছিল তার মধ্যে”।

ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন দেশে এবং বিদেশে ভারতের সেরা বোলার। আন্তজার্তিক ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত অশ্বিন ৪২৭ টি টেস্ট উইকেট নিয়েছেন। অনিল কুম্বলে এবং কপিল দেবের পর লাল বলের ফর্ম্যাটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী তিনি।

প্রসঙ্গত, টেস্ট ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার স্পিনার মুত্থাইয়া মুরলিধরন সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। টেস্টে ৮০০ উইকেট নিয়েছেন মুরলিধরন। মুরলিধরনের এই রেকর্ডের ধারেকাছে কোনও বোলার নেই। নিজের চোট আঘাত প্রসঙ্গে অশ্বিন আগেই স্বীকার করে বলেছেন,”মুরলিধরনের সাথে কথোপকথন করতে পেরে আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। আমি যখন ইনজুরিতে পড়েছিলাম, তিনি আমাকে ডেকেছিলেন এবং আমাকে এই ধরনের আঘাত এড়াতে পরামর্শ দেন।

Rohit Sharma: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন রোহিত শর্মা

Rohit Sharma

Sports desk: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগে টিম ইন্ডিয়ার শিবিরে জোর ধাক্কা। চোটের কারণে সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন টেস্ট দলের সহ অধিনায়ক রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। সোমবার বিসিসিআই সচিব জয় শাহ প্রেস বিবৃতিতে একথা জানিয়েছেন।

টিম ইন্ডিয়ার টেস্ট সহ-অধিনায়ক রোহিত শর্মা রবিবার মুম্বই’এ অনুশীলনের সময় বাঁদিকের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন। এই চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন ৩ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ থেকে বাদ পড়েছেন রোহিত। টেস্ট স্কোয়াডে রোহিত শর্মার জায়গায় আসবেন প্রিয়াঙ্ক পাঞ্চাল। সোমবার এক প্রেস বিবৃতি জারি করেছে বিসিসিআই সচিব জয় শাহ।

কয়েকদিন আগেই বিসিসিআই সচিব জয় শাহ প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, বিসিসিআই সিনিয়র সিলেকশন কমিটি আসন্ন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের (IND vs SA 2021-22) জন্য ভারতের টেস্ট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি সহ ১৮ জনের দল ঘোষণা করেছে। অন্যদিকে, ওডিআই এবং টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে রোহিত শর্মা টিম ইন্ডিয়াকে নেতৃত্ব দেবে প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে।

এখন রোহিত শর্মার চোট নিয়ে প্রেস বিবৃতি প্রকাশ বোর্ড সচিবের। এদিনের প্রেস বিবৃতিতে ভারতের টেস্ট স্কোয়াডে বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), কেএল রাহুল, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, চেতেশ্বর পূজারা, অজিঙ্কা রাহানে, প্রিয়াঙ্ক পাঞ্চাল, শ্রেয়স আইয়ার, হনুমা বিহারী, ঋষভ পহ্ন (উইকেট-রক্ষক), ঋদ্ধিমান সাহা (উইকেট-রক্ষক),রবিচন্দ্রন অশ্বিন, জয়ন্ত যাদব, ইশান্ত শর্মা, মহম্মদ সামি, উমেশ যাদব, জসপ্রিত বুমরাহ, শার্দুল ঠাকুর, মহম্মদ সিরাজ রয়েছেন।

২৬ ডিসেম্বর সেঞ্চুরিয়নে ভারতের প্রথম টেস্ট ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় টেস্ট ৩ জানুয়ারি জোহানসবার্গে,তৃতীয় তথা শেষ টেস্ট ১১ জানুয়ারি কেপটাউনে।

ISL: চেন্নাইন এফসি’র বিরুদ্ধে ড্র করল ATK মোহনবাগান

ATKMB drew against Chennai FC

Sports desk: দুই ম্যাচে জয় এবং পরের দুই ম্যাচে হার, ১০ দিনের মাথায় ATK মোহনবাগানের। শনিবার গোয়ার ফতোদরা স্টেডিয়ামে ATKMB প্রথম একাদশে তিন পরিবর্তন, চেন্নাইন এফসি’র (CFC) বিরুদ্ধে। তিরি’র বহু প্রতীক্ষিত প্রথম আগমন চলতি ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL), দীপক টাংড়ি। আর ATKMB গোলকিপার অমরিন্দর সিং’র ISL শততম ম্যাচ খেলতে নামা। কিন্ত এই ম্যাচ ড্র ATKMB 1-1 CFC।

ম্যাচের ১৮ মিনিটে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে গোল লিস্টন কোলাসোর এবং ভ্লাদিমি’র কোমানের গোল ৪৫ মিনিটে, চেন্নাইন এফসি’র হয়ে।

অন্যদিকে,চেন্নাইন এফসি’র (CFC) দুই পরিবর্তন, এডউইন এবং লুকাজ এই মরসুমে প্রথমবারের মতো শুরু করেছেন ISL অভিযান।

খেলা শুরুর ১৮ মিনিটে দুরন্ত ফর্মে থাকা ATKMB’র খেলোয়াড় লিস্টন কোলাসোর গোল,রয় কৃষ্ণর পাস থেকে। গোল খেয়ে চেন্নাই’র দল গোলের সমতা ফেরাতে মরিয়া হলেও ATKMB’র ডিফেন্স আটোসাটো তিরি’র মাঠে নামতেই।

২০ মিনিটে থাপা-এডুইনের যুগলবন্দী, শেষ মুহুর্তে তিরি’র ক্লিয়ারেন্স। ২৭ মিনিটে CFC’র ভ্লাদিমি’র কোমানের দূরপাল্লার শট বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২৯ মিনিটে ATKMB’র গোলপোস্ট লক্ষ্য করে CFC অধিনায়ক অনিরুধ থাপার দুরন্ত বাঁ-পায়ের স্ট্রাইক শট, কয়েক ইঞ্চির ব্যবধানে বল গড়িয়ে বেরিয়ে যায়। ATKMB 1-0 CFC। গোলের সমতায় ফিরে আসতে মরিয়া প্রচেষ্টা CFC’র।

৩৭ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর গোলের সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি,কেননা CFC গোলকিপার বিসাল কাইথের গ্লাভসে বল জমা পড়ে।

৪১ মিনিটে ব্যাক টু ব্যাক কর্ণার CFC অনিরুদ্ধ থাপার, ATKMB’র বিরুদ্ধে চাপ বজায় রেখে ৪৫ মিনিটে ভ্লাদিমি’র কোমানের গোলে চেন্নাইন এফসি গোলের সমতায় ফিরে আসে,ATKMB 1-1 CFC, গোলের গন্ধে চার্জড চেন্নাইন এফসি।

দ্বিতীয়ার্ধতে ATKMB মাঝমাঠে অনিরুদ্ধ থাপাকে নিয়ে হিমশিম। দুরন্ত ছন্দে থাপা বল পায়ে গোলের লিড বাড়াতে অনেক বেশি আগ্রাসী মুডে। কেননা CFC গোটা টিম নিজেদের অপরাজিত তকমা হারাতে নারাজ, চলতি ISL’এ। টিমওয়ার্ক এটিকে মোহনবাগানের (ATKMB) বিরুদ্ধে গোলের লিড বাড়াতে চেন্নাইন এফসি (CFC) এখন খোঁচা খাওয়া বাঘ।

বিপদজনক ট্যাকল CFC’র খেলোয়াড় ভ্লাদিমির কোমানের, যা কোনও মতেই মাথা নেড়ে হাবাস মেনে নিতে পারছে না। রেফারিং নিয়ে আজও অসন্তুষ্ট তা বোঝাই গেল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের অন দ্য ফিল্ড প্রতিক্রিয়াতে।

৫৫ মিনিটে ATKMB’র হুগো বৌমাসের ক্রস, কিন্তু রিসিভিং এন্ডে অর্থাৎ ওই ক্রস ধরার কোনও সবুজ মেরুন ফুটবলার নেই,সুযোগ জলে গেল ATKMB’র। ৫৮ মিনিটে এডউইনের ব্যর্থ টার্গেট, কারণ গোলের জন্য নেওয়া শট বেরিয়ে যায়।

৬১ মিনিটে মনভীর সিং’র গোলের লিড বাড়ানো শট CFC’র গোলকিপার বিসালের হাতে বন্দী, ম্যাচের স্কোরলাইন এখনও ATKMB 1-1 CFC। ৬৬ মিনিটে এডউইনের শট ব্যর্থ প্রচেষ্টার (Effort less short) একটি নমুনা, সুযোগ হাতছাড়া করায় নিজেই নিজের আঙুলে কামড় এডউইনের। কেউই গোলের লিড বাড়াতে পারেনি।

অন্যদিকে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে অন্য ম্যাচে চলতি ISL’ বেঙ্গালুরু এফসি অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী শততম ম্যাচ খেলছেন বাম্বোলিম্ব স্টেডিয়ামে।

৭২ মিনিটে এডউইনের ক্লান্ত পা’কে বিশ্রাম দিতে রহিমকে নামিয়ে ফ্রেস লেগ ইনপুট চেন্নাইন এফসি’র, ATKMB’র বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে লিস্টনের জায়গাতে সোসাইরাজ সবুজ মেরুনেও পরিবর্তনের হাওয়া ম্যাচ চলাকালীন।

ম্যাচের ৮৫ মিনিট, ঘড়ির কাটা টিক টিক করে গড়াচ্ছে অন্তিম লগ্নের দিকে ATKMB 1-1 CFC গোলের সমতায়। গোলের ব্যবধান বাড়ানোর লক্ষ্যে গোলের লকগেট কেউই খুলতে পারছে। ৮৮ মিনিটে হুগো বৌমাসের ক্রস মনভীর সিং’র দুর্বল হেডার গোলের সুবর্ণ সুযোগকে হাতছাড়া করে। ৯০ মিনিটে ডেভিড উইলিয়মসের ক্রস চেন্নাইন এফসি’র গোলকিপার বিসাল কাইথের গ্লাভসে সুরক্ষিত জমা পড়ে রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই ম্যাচ ড্র হয়ে যায়, খেলার রেজাল্ট ATKMB 1-1 CFC।

 

 

 

——————
মোদির বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্পে বরাদ্দের ৮০ শতাংশই খরচ হয় বিজ্ঞাপনী প্রচারে

প্রতিবেদন, ক্ষমতায় এসে অনেক ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্প চালু করেছিলেন। বিরোধীরা অভিযোগ করেছিলেন এই প্রকল্প চালু করতে গিয়ে যত প্রচার করা হয়েছে আদতে কাজ হয়েছে তার নামমাত্র। অনেকেই এটাকে নিন্দুকের অপপ্রচার বলেছিলেন। কিন্তু বিরোধীদের অভিযোগ যে এতটুকু ভুল নয় তার প্রমাণ মিলল মোদি সরকারের পেশ করা রিপোর্টেই। কেন্দ্রীয় নারী কল্যাণ বিষয়ক সংসদীয় কমিটি ওই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।
ওই সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্পে প্রথম তিন বছরে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল তার ৮০ শতাংশই খরচ হয়েছে বিজ্ঞাপনী প্রচারে। অর্থাৎ বিজ্ঞাপনের প্রচারের খরচ মেটানোর পর বাকি ২০ শতাংশ টাকা যাদের জন্য ওই প্রকল্প তাদের পিছনে খরচ করা হয়েছে। যে সংসদীয় বিষয়ক কমিটি ওই রিপোর্টে দিয়েছে তার মাথাতে আছেন বিজেপি সাংসদ হিনা গাভিট।
ওই কমিটির রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্প ৪৪৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছিল মোদি সরকার। বরাদ্দকৃত টাকার ৭৮.৯১ শতাংশ টাকা ব্যয় করা হয়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিতে। প্রথম দফায় ক্ষমতায় আসার পর ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে অত্যন্ত ফলাও করে এই প্রকল্পটির ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদির মোদির ওই স্বপ্নের প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল, দেশে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা এবং কন্যা ভ্রুণ হত্যার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলা। কিন্তু সংসদীয় কমিটির ওই রিপোর্টের পর সেই কাজ কতটা হয়েছে তা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেল। কারণ ওই কাজের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের পাঁচ ভাগের চার ভাগে চলে গিয়েছে শুধু বিজ্ঞাপনী খরচ মেটাতে।
সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট বলছে, শুরুর পর থেকে প্রতি বছরই বিজ্ঞাপনী খরচ বেড়েছে। তুলনায় কমেছে মূল কাজের খরচ। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে সামান্য পরিমাণ অর্থ দিয়ে কিভাবে এই প্রকল্পের কাজ এগিয়ে যেতে পারে? তবে সেই প্রশ্নের কোনও উত্তর মেলেনি মোদি সরকারের কাছে। বিরোধীরা বরাবর অভিযোগ করেছেন, মোদি যত না কাজ করেন তার চেয়ে প্রচার করেন অনেক বেশি। তাঁর প্রচারের ঘনঘটা যে কোন মানুষকে তাক লাগিয়ে দিতে পারে। এটা যে নিতান্তই বিরোধীদের অপপ্রচারে ছিল না সরকার নিজেই সে কথা স্বীকার করে নিল।

চিনের লালফৌজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাইওয়ান সেনাকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আমেরিকা

United States is training Taiwanese troops to fight against China's Red Army

News Desk: আগ্রাসী চিন তাইওয়ান দখল নেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে৷ যে কোন সময় তাইওয়ান দখল নিতে হামলা চালাত পারে বেজিংয়ের লালফৌজ৷ এই পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা৷

চিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে তাইওয়ানের সেনাদের প্রশিক্ষণের জন্য এক দশকের বেশি সময় ধরে মার্কিন সেনারা চাইনিজ তাইপেতে অবস্থান করছে। প্রাপ্ত মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ব্যবহার ও চিনা সেনাদের হামলা প্রতিহত করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে তাইওয়ানে সেনা মোতায়েন করেছে মার্কিন সরকার।

আমেরিকার ফরেন পলিসি নামে একটি ম্যাগাজিন এই খবর দিয়েছে৷ মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে ওই ম্যাগাজিনটি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, স্ব-শাসিত দ্বীপ তাইওয়ানে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। এটি ছিল প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের ক্ষমতার মেয়াদের শেষ বছর।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা ওই ম্যাগাজিনকে জানান, চিনা সেনাদের তাইওয়ানে অবতরণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণ হিসেবে মার্কিন সেনারা তাইওয়ানি সেনাদের নিয়ে সমুদ্র-সৈকতে মহড়া চালায়।
১৯৭৯ সালে সর্বশেষ তাইওয়ানে সেনা থাকার কথা স্বীকার করে মার্কিন সরকার। এরপর ওয়াশিংটন ‘এক চিন নীতি’ অনুসরণ শুরু করে। এক চিন নীতির আওতায় বেজিং সরকার তাইওয়ানের ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে আসছে। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এক চিন নীতি অনুসরণ করে৷

গুটখা-বিরোধী বাইকমিছিল বাংলাপক্ষের

rally against gutka

News Desk, Kolkata: সারা রাজ্যে গুটখা বিক্রি বন্ধ করবার রাজ্য সরকারী সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে এবং এই সিদ্ধান্তের কঠোর প্রয়োগের দাবিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা বাংলাপক্ষের উদ্যোগে বিকেল কামালগাজী মোড় থেকে একটি বাইকমিছিলের আয়োজন করা হয়েছে।

মিছিলটি কামালগাজী মোড় থেকে শুরু হয়ে, শীতলা মন্দির, ব্রহ্মপুর, রানিয়া, ৩০ ফুট, নতুনহাট, কালীবাজার হয়ে আবার কামালগাজীতে ফিরে এসে একটি পথসভার মাধ্যমে শেষ হবে। ওই কর্মসূচিতে দঃ ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সহযোদ্ধারা উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও প্রতিবেশী জেলার সহযোদ্ধারা তথা বাংলাপক্ষের শীর্ষ পরিষদের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করবেন।

মঙ্গলবার গোটা বাংলায় আরও এক বছরের জন্য পান মশালা আর গুটখা নিষিদ্ধ ঘোষণা করল। রাজ্য সরকারের দ্বারা জারি করা এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ৭ নভেম্বর থেকে ১ বছরের জন্য লাগু থাকবে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সাধারান মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

রাজ্যের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গুটখা, পান আর অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্যের উপর ২০১৩ সালে প্রথম নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। এরপর থেকে বছর বছর সেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়াতে থাকে সরকার। আর এখন ৭ নভেম্বর ২০২১ থেকে ৬ নভেম্বর ২০২২ পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো হল। রাজ্যের যেকোনো খাদ্যপণ্যে উপাদান হিসেবে তামাক ও নিকোটিন গুটখা, পান মশলা তৈরি, সংরক্ষণ ও বিতরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে এক বছর।

এখন গুটখা ও পান মশালায় তামাক ও নিকোটিন পাওয়া আইনত অপরাধ। যে কোনও ব্যক্তি তামাক এবং নিকোটিনযুক্ত খাদ্যদ্রব্য তৈরি, সঞ্চয় এবং বিক্রি করলে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অ্যাক্ট ২০০৬ এর অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Depression: সাত উপায়ে ডিপ্রেশনের সঙ্গে লড়াই করে জয়ী হোন

fight against depression

অনলাইন ডেস্ক: আপনি যদি বিষণ্ণতার সাথে লড়াই করেন, তবে এটি আপনার শক্তিকে নষ্ট করে দিতে পারে এবং আপনি জীবনে একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে সংগ্রাম করতে পারেন। বিষণ্নতা আপনাকে অভ্যন্তরে ফাঁপা বোধ করতে পারে কারণ এই মানসিক অবস্থা আপনার সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার উপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আপনি নিজেরাই চেষ্টা করতে পারেন এমন অনেক কৌশল রয়েছে। যেমন –

১। একটি রুটিন তৈরি করুন এবং এটিতে লেগে থাকুন: বিষণ্নতা আপনার জীবনকে এলোমেলো এবং লক্ষ্যহীন করে তুলতে পারে। আপনি হারিয়ে যাওয়া এবং দিশাহীন বোধ করতে পারেন। একটি রুটিন পেতে আপনার জীবনের কিছু দিকনির্দেশ এবং কাঠামো প্রদান করতে সাহায্য করতে পারে. প্রথমে এটি অনুসরণ করা আপনার পক্ষে কঠিন মনে হতে পারে, কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, আপনি লক্ষ্য করতে পারেন যে এটি আপনার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে এবং আপনি এটি জানার আগেই আপনি নিজেকে ট্র্যাকে ফিরে পেতে পারেন।

২। যথেষ্ট বিশ্রাম এবং ঘুম: এটা গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি ভাল বিশ্রাম আছে. হতাশার সাথে মোকাবিলা করা লোকেদের জন্য কিছুটা শান্তিপূর্ণ ঘুম পাওয়া কঠিন। যাইহোক, ঘুম বা বিশ্রামের অভাব আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং এটি আরও খারাপ করতে পারে। আপনি কিছু লাইফস্টাইল পরিবর্তনগুলি অনুসরণ করে ভালভাবে ঘুমানোর চেষ্টা করতে পারেন যেমন দিনের বেলা ঘুম না নেওয়া, বিছানায় যাওয়া এবং তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা, আপনার ঘর থেকে যে কোনও ধরণের বিভ্রান্তি দূর করা ইত্যাদি, যা আপনাকে আরও ভাল ঘুমাতে সাহায্য করতে পারে।

fight against depression

৩। একটি ভাল খাদ্য: বিষণ্নতা আপনাকে মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে ক্লান্ত বোধ করে আপনার শক্তিকে নিংড়ে দিতে পারে। চর্বিযুক্ত বা তৈলাক্ত খাবারের মতো ভুল ধরণের খাবার খাওয়া আপনাকে আরও খারাপ করতে পারে। যদিও বিষণ্ণতার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য কোন নিশ্চিত-শট ডায়েট নেই, আপনার ডায়েটে আরও তাজা ফল, সবুজ শাকসবজি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর খাবারগুলি আপনাকে ভাল বোধ করতে সাহায্য করতে পারে এবং আপনাকে ভেতর থেকে শক্তি যোগাতে পারে। ফলিক অ্যাসিড এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবারগুলি আপনার বিষণ্নতার তীব্রতা কমাতেও সাহায্য করতে পারে।

৪। আরও হাসুন: যখনই আপনি হাসেন, আপনার সেরোটোনিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়ে যায়, যা আপনাকে নিজের সম্পর্কে ভালো এবং খুশি করে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে হাসিকে সেরা ওষুধ বলা হয়। আপনি যখন খুশি হন তখন আপনার শরীরও ভালো থাকে।

৫। ইতিবাচক বিষয়গুলিতে ফোকাস করুন: এটি করার চেয়ে বলা সহজ কারণ আমরা বিষণ্নতায় ভুগছি বা না করি, আমাদের বেশিরভাগই আমাদের কাছে নেই এমন জিনিসগুলিতে ফোকাস করতে পছন্দ করে এবং জীবন আমাদের যা দিয়েছে তা আমরা খুব কমই মনোযোগ দিই। পরিবর্তে, জীবন আপনাকে দিতে পারে এমন সমস্ত ভাল জিনিসগুলিতে আপনার ফোকাস করা উচিত এবং আপনার আশীর্বাদগুলি গণনা করা উচিত। আপনি যখন বিষণ্নতায় ভারাক্রান্ত হন, তখন আপনার জীবনের ছোট ছোট ইতিবাচক দিকগুলির সন্ধান করা আপনাকে নিজের সম্পর্কে ভাল বোধ করতে সহায়তা করতে পারে।

৬। প্রিয়জনদের সাথে আরও বেশি সময় কাটান: আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো থেরাপির মতো। এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে যারা আপনাকে ভালোবাসে এবং আপনার যত্ন নেয় তারাই আপনার সমর্থন ব্যবস্থা। যখন তাদের কাছে আসে তখন আপনার কোন নেতিবাচক অনুভূতিগুলিকে প্রবেশ করতে দেওয়া উচিত নয়, তবে পরিবর্তে, আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য আরও বেশি সময় ব্যয় করুন। যদি আপনার ভয় আপনাকে গ্রাস করে তবে আপনার কাছের এবং প্রিয়জনদের সাথে তাদের সম্পর্কে কথা বলুন৷

<

p style=”text-align: justify;”>৭। ধ্যান অনুশীলন করুন: আপনি যদি খুব বেশি চাপ বা উদ্বিগ্ন বোধ করেন তবে এটি আপনার বিষণ্নতা বাড়িয়ে তুলতে পারে। ধ্যান অনুশীলন করা হল স্ট্রেস এবং উদ্বেগ এড়াতে এবং আপনার মনকে শান্ত ও শিথিল রাখার একটি দুর্দান্ত উপায়। আপনি যদি গর্ভাবস্থায় বা প্রসবোত্তর বিষণ্নতার সাথে লড়াই করে থাকেন, ঠিক আছে, মধ্যস্থতা হল শান্ত করার একটি দুর্দান্ত উপায় এবং নিজেকে বর্তমান সময়ে আরও বেঁচে থাকার জন্য মনে করিয়ে দেওয়া।

Indian Railway: করোনা সচেতনতা বাড়াতে স্কুইড গেমের ধারণা ব্যবহার করল ভারতীয় রেল

Indian Railway uses Squid Game content to spread awareness against COVID

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ওটিটি মাধ্যমে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই স্কুইড গেম ওয়েবসেরিজটি দেশজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এর পরেই কেবল সোশ্যাল মিডিয়ার মিম এর মধ্যেই নয় বিভিন্ন কোম্পানি তাদের মার্কেটিং পদ্ধতি হিসেবেও ব্যবহার করেছে স্কুইড গেমের ধারণা। এবার ভারতীয় রেলের (Indian Railway) থেকেও করোনা নিয়ে সচতনতা বাড়াতে স্কুইড গেমকে অস্ত্র হিসেবে বেছে নেওয়া হলো।

কোরিয়ান নেটফ্লিক্স শো স্কুইড গেমের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। কোরিয়ান ওয়েবসেরিজের আইকনিক জায়ান্ট ডল ব্যবহার করে একটি অদ্ভুত সৃজনশীলতার সাহায্যে ভারতীয় রেল বিভাগ সকলকে কোভিড বিধিগুলো গুরুত্ব সহকারে অনুসরণ করার জন্য সতর্ক করেছে। ডিস্ত্রপিয়ান এই ওয়েবসিরিজে একটি ভয়ঙ্কর ভূমিকায় দেখা যায় সেই জায়ান্ট ডলকে যার ২ গজ দূরত্বে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় সমস্ত মুখোশধারী প্রহরীদের।

ভারতীয় রেল “কোভিড এর বিরুদ্ধে একটি ম্যাচ জিততে” তিনটি নিয়ম যুক্ত করেছে। ভারতীয় রেলের ওই বিজ্ঞাপনে শো -এর অতিথি তারকা গং ইয়ু, যিনি দাকজী খেলার জন্য পরিচিত, একটি লাল খামের সঙ্গে ‘আমি টিকা নিয়েছি’ লেখা পোস্টারে দেখা যায়। এটিতে সাধারণ মানুষকে সারিবদ্ধভাবে দেখানো হয়েছে এবং তাদের জনসমক্ষে মুখোশ পরার অনুরোধ করা হয়েছে।

শো এর শুরুতে দেখা যায় টাকার জন্য একটি ভয়ানক খেলা প্রথমে ৪৫৬ জন খেলোয়াড় নিয়ে শুরু হয়। কিন্তু ধীরে ধীরে খেলোয়াড়ের সংখ্যা কমতে থাকে এবং প্রতিযোগিতা আরো ভয়ানক হতে থাকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকার জন্য। জায়ান্ট ডল সেই ভয়াবহ প্রতিযোগিতারই একটি অংশ।

এর আগে, মুম্বাই পুলিশও ট্রাফিক নিয়ম সম্পর্কে মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিতে স্কুইড গেম মেম ট্রেন্ডে যোগ দিয়েছিল। শো এর খেলা – লাল আলো, সবুজ আলো – উল্লেখ করে পুলিশ একটি সাধারণ নিয়ম প্রচার করেছিল যে কীভাবে কেউ নিজেকে দুর্ঘটনার করা থেকে বাঁচাতে পারে।

এক এক পয়সার জন্য ভিক্ষে করবে তালিবানরা! ব্যবস্থা করল আমেরিকা-বিশ্বব্যাংক

strike against taliban

নিউজ ডেস্ক: তালিবানরা আফগানিস্তান দখল করতে পেরেছে, কিন্তু সরকার পরিচালনা করা তাদের জন্য সহজ হবে না। কারণ, আমেরিকাসহ অনেক দেশ তালিবান-সরকারকে আর্থিকভাবে ভিখারি করতে চায়। এদিকে এখন বিশ্বব্যাংকও বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশ্বব্যাংক আফগানিস্তানকে আর্থিক সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের একজন মুখপাত্র বলেছেন, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি, বিশেষ করে মহিলাদের অধিকারের পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মুখপাত্রটি বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাংক সব ধরনের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে এবং ক্রমাগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। প্রসঙ্গত, আফগানিস্তান দখল করার পর তালিবান সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র এক পয়সাও দেবে না
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত সপ্তাহে ঘোষণা করেছে, আমেরিকায় গচ্ছিত আফগানিস্তানের স্বর্ণ ও মুদ্রার মজুদ তালিবানদের দখলে রাখতে দেবে না। তথ্য অনুযায়ী, শুধু আমেরিকায় আফগানিস্তানের সম্পদ রয়েছে ৭০৬ বিলিয়ন রুপি। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ তালিবানদের জন্য বড় ধাক্কা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) আফগানিস্তানকে আর্থিক সাহায্যও বন্ধ করে দিয়েছে। একই সঙ্গে আইএমএফ আফগানিস্তানে তালিবানদের সম্পদ ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।

One week after taliban occupied Afghanistan

আইএমএফ প্রবেশাধিকারও বন্ধ করে দিয়েছে
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আফগানিস্তানের ৪৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৪৬ মিলিয়ন ডলার জরুরি রিজার্ভে আফগানিস্তানের প্রবেশ বন্ধ করার ঘোষণা করেছে৷ কারণ, তালিবানের নিয়ন্ত্রণ আফগানিস্তানের ভবিষ্যতের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। লক্ষণীয়, বর্তমানে বিশ্বব্যাংকের অধীনে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে দুই ডজনেরও বেশি প্রকল্প চলছে। ব্যাংকের ওয়েবসাইটে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাংক আফগানিস্তানকে ৫.৩ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে।

বিজেপির বিরুদ্ধে একাই লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: ব্রাত্য বসু

Mamata Banerjee-Bratya Basu

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নানা জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে একা লড়ে যাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বাকিরা হই হই করলেও বিজেপির বিরুদ্ধে প্রকৃত লড়াই লড়ছেন মমতা৷ শুক্রবার ত্রিপুরা সফরে গিয়ে এমনটা বললেন বাংলার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু৷

বিজেপিশাসিত ত্রিপুরায় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাংলার শাসকদল তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা আগরতলায় ঘাঁটি করেছেন৷ এই তালিকায় রয়েছেন তৃণমূলের সংসদ সদস্য শান্তনু সেন এবং রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। শুক্রবার সকালে আগরতলায় উড়ে গিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং তৃণমূল সংসদ সদস্য অপরূপা পোদ্দার৷

এদিন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘ত্রিপুরায় বামফ্রন্টের সঙ্গে কোনও জোট হবে না। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বামেদের সঙ্গে এই রাজ্যের বামেদের চরিত্রগত পার্থক্য আছে। তারা মাটির কাছাকাছি থেকে লড়াই করছেন। চাইলে বাম নেতা-কর্মীরা তৃণমূলে আসতে পারেন। তারা জানেন, বিজেপি’র বিরুদ্ধে প্রকৃত লড়াই লড়ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’

ব্রাত্য বসু আরও বলেন, ‘প্রয়োজনে বারবার ত্রিপুরায় আসব। স্থানীয় নেতৃত্বের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা ত্রিপুরার সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেব৷ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়ন ও লড়াকু নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা আমরা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’

অন্যদিকে, ত্রিপুরায় বিজেপি’র রাজ্য সভাপতি মানিক সাহা তৃণমূলের নেতৃত্বের সফর প্রসঙ্গে বলেন, ‘যেকোনও রাজনৈতিক দল কর্মসূচির জন্য আসতেই পারেন। আমরা ওদের রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব।’
ত্রিপুরায় সম্প্রতি তৃণমূল নেতাদের উপরে আক্রমণ ও তাদের গ্রেফতারের ঘটনায় তৃণমূল ও বিজেপি’র মধ্যে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। তৃণমূলের বক্তব্য, গণতন্ত্রের হত্যাকারী বিজেপিকে পরাজিত করে জিতবে ত্রিপুরা।