Farm Laws: ‘কৃষি আইন ফের হবে কখনই বলিনি,’ কৃষিমন্ত্রীর ডিগবাজি!

Farm Laws Repeal

News Desk: যত দোষ নন্দঘোষ! মানে সংবাদ মাধ্যমের। নিজের পক্ষে সাফাই দিতে গিয়ে চাপের মুখে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর এবার দাবি, আমি কখনই বলিনি ফের কৃষি আইন লাগু হবে। সবই সংবাদমাধ্যমে বিকৃত করে প্রকাশিত হয়েছে।

২৪ ঘন্টাও কাটল না, তার আগেই ডিগবাজি খেলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। এবার স্পষ্টভাবেই জানালেন, নতুন করে কৃষি আইন কার্যকর করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কৃষি চালু করার কোনও কথাই নাকি তিনি বলেননি।

শুক্রবার মহারাষ্ট্রের এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী বলেছিলেন, আপাতত তাঁরা কৃষি আইন নিয়ে পিছিয়ে গিয়েছেন অর্থাৎ আইন বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু আগামী দিনে ফের এই আইন সামনে আনা হতে পারে। তোমরের এই মন্তব্য নিয়ে যথারীতি গোটা দেশে তৈরি হয় তীব্র চাঞ্চল্য। অনেকেই বলতে থাকেন, মোদী সরকার সময় ও সুযোগ পেলে এই কৃষি আইন কার্যকর করবে। কৃষি মন্ত্রীর বক্তব্যেই সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

তোমরের ওই মন্তব্য নিয়ে আসরে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেরি করেনি কংগ্রেস। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আগামী বছরের শুরুতে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই সংশোধনী-সহ নতুন করে তিন কৃষি আইন কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে মোদী সরকারের।

কংগ্রেস-সহ বিরোধী শিবিরের রাজনৈতিক চাপ তো ছিলই পাশাপাশি বিভিন্ন কৃষক সংগঠনও নতুন করে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই খবর কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রীর কানে পৌঁছতেই ডিগবাজি খেলেন মন্ত্রী।

বক্তব্য থেকে সরে এসে মন্ত্রী বললেন, কৃষি আইন নিয়ে আমি এ ধরনের কোনও কথাই বলিনি। কৃষি আইন ফের সামনে আনা হবে, এটা তো একটা কল্পনা। আমি বলেছিলাম, সরকার স্বাধীনতার পর একটা বড়সড় পদক্ষেপ করেছিল। কৃষি ব্যবস্থায় একটা সংস্কার আনতে চেয়েছিল সরকার। কিন্তু ওই আইন যে যথেষ্ট ভাল ছিল সেটা আমরা সকলকে বোঝাতে পারিনি। বিশেষ করে যাদের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য এই আইন তাদেরকেই আমরা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি। ব্যর্থতার কারণেই আমরা ওই আইন ফিরিয়ে নিয়েছি। কিন্তু সংবাদমাধ্যম আমার এই মন্তব্যকে বিকৃত করেছে।

তোমরের কৃষি আইন ফের সামনে আনার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন, মোদি সরকার কৃষকদের অসম্মান করছে।

তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করছিল কৃষক সংগঠনগুলি। আন্দোলনের চাপে পড়ে গুরু নানকের জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী এই তিন আইন বাতিল করার কথা ঘোষণা করেন। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পাশ করে সাংবিধানিকভাবেই আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

আইন প্রত্যাহারের পরেও কৃষিমন্ত্রী তোমরের ওই মন্তব্য জল্পনা উস্কে দেয় যে, পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই মোদী সরকার তিন কৃষি আইন সামনে আনতে পারে। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত তোমর তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন।

Farm Laws: ‘কৃষি আইন ফের হবে কখনই বলিনি,’ কৃষিমন্ত্রীর ডিগবাজি!

Farm Laws Repeal

News Desk: যত দোষ নন্দঘোষ! মানে সংবাদ মাধ্যমের। নিজের পক্ষে সাফাই দিতে গিয়ে চাপের মুখে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর এবার দাবি, আমি কখনই বলিনি ফের কৃষি আইন লাগু হবে। সবই সংবাদমাধ্যমে বিকৃত করে প্রকাশিত হয়েছে।

২৪ ঘন্টাও কাটল না, তার আগেই ডিগবাজি খেলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। এবার স্পষ্টভাবেই জানালেন, নতুন করে কৃষি আইন কার্যকর করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কৃষি চালু করার কোনও কথাই নাকি তিনি বলেননি।

শুক্রবার মহারাষ্ট্রের এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী বলেছিলেন, আপাতত তাঁরা কৃষি আইন নিয়ে পিছিয়ে গিয়েছেন অর্থাৎ আইন বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু আগামী দিনে ফের এই আইন সামনে আনা হতে পারে। তোমরের এই মন্তব্য নিয়ে যথারীতি গোটা দেশে তৈরি হয় তীব্র চাঞ্চল্য। অনেকেই বলতে থাকেন, মোদী সরকার সময় ও সুযোগ পেলে এই কৃষি আইন কার্যকর করবে। কৃষি মন্ত্রীর বক্তব্যেই সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

তোমরের ওই মন্তব্য নিয়ে আসরে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেরি করেনি কংগ্রেস। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আগামী বছরের শুরুতে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই সংশোধনী-সহ নতুন করে তিন কৃষি আইন কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে মোদী সরকারের।

কংগ্রেস-সহ বিরোধী শিবিরের রাজনৈতিক চাপ তো ছিলই পাশাপাশি বিভিন্ন কৃষক সংগঠনও নতুন করে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই খবর কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রীর কানে পৌঁছতেই ডিগবাজি খেলেন মন্ত্রী।

বক্তব্য থেকে সরে এসে মন্ত্রী বললেন, কৃষি আইন নিয়ে আমি এ ধরনের কোনও কথাই বলিনি। কৃষি আইন ফের সামনে আনা হবে, এটা তো একটা কল্পনা। আমি বলেছিলাম, সরকার স্বাধীনতার পর একটা বড়সড় পদক্ষেপ করেছিল। কৃষি ব্যবস্থায় একটা সংস্কার আনতে চেয়েছিল সরকার। কিন্তু ওই আইন যে যথেষ্ট ভাল ছিল সেটা আমরা সকলকে বোঝাতে পারিনি। বিশেষ করে যাদের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য এই আইন তাদেরকেই আমরা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি। ব্যর্থতার কারণেই আমরা ওই আইন ফিরিয়ে নিয়েছি। কিন্তু সংবাদমাধ্যম আমার এই মন্তব্যকে বিকৃত করেছে।

তোমরের কৃষি আইন ফের সামনে আনার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন, মোদি সরকার কৃষকদের অসম্মান করছে।

তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করছিল কৃষক সংগঠনগুলি। আন্দোলনের চাপে পড়ে গুরু নানকের জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী এই তিন আইন বাতিল করার কথা ঘোষণা করেন। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পাশ করে সাংবিধানিকভাবেই আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

আইন প্রত্যাহারের পরেও কৃষিমন্ত্রী তোমরের ওই মন্তব্য জল্পনা উস্কে দেয় যে, পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই মোদী সরকার তিন কৃষি আইন সামনে আনতে পারে। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত তোমর তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন।

Farm Law: সংসদ অভিযান আপাতত স্থগিত রাখল কিষান মোর্চা, তবে সন্দেহ কাটেনি

Kisan organizations

New Delhi: শেষ পর্যন্ত ‘সংসদ চলো’ অভিযান আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল সংযুক্ত কিষান মোর্চা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তিন কৃষি আইন (Farm Law) বাতিল করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। যদিও প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার উপর ভরসা রাখতে পারেননি কৃষক সংগঠনগুলি।

বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিন কৃষি আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী জানিয়েছেন, ২৯ নভেম্বর শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনেই তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করার জন্য একটি বিল আনা হবে। এরপরই অধিবেশন শুরুর প্রথম দিন সংসদ ভবন অভিযান স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন কৃষক নেতারা।

কৃষি আইন বাতিলের এই সিদ্ধান্তকে কৃষক সংগঠনগুলি নিজেদের আংশিক সাফল্য বলে মনে করছে। কারণ তাদের আরও কিছু দাবিদাওয়া রয়েছে। সেগুলি সরকার যতক্ষণ না মেটাচ্ছে ততক্ষণ তারা আন্দোলন থেকে সরবে না বলেও জানিয়েছে।

সংযুক্ত কিষান মোর্চার নেতা দর্শন পাল সিং শনিবার সন্ধ্যায় বলেন, ২৯ নভেম্বর কৃষকরা যে ‘সংসদ চলো’ অভিযানের ডাক দিয়েছিল তা আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে। কারণ সরকার আশ্বাস দিয়েছে ২৯ তারিখেই সংসদে কৃষি আইন বাতিল করা হবে।

শনিবার দুপুরে সংযুক্ত কিষান মোর্চার নেতৃত্ব তাঁদের আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা ঠিক করতে বৈঠকে বসেছিলেন। সেই বৈঠকেই সংসদ অভিযান বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দর্শন পাল আরও জানিয়েছেন, তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়েছেন। ওই চিঠিতে তাঁরা গত এক বছরে কৃষকের বিরুদ্ধে যে সমস্ত মামলা দায়ের হয়েছে সেগুলি প্রত্যাহার করার কথা বলেছেন। ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার জন্য আইন আনতে অনুরোধ করেছেন। বিক্ষোভ চলাকালে সমস্ত কৃষক মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। বিদ্যুৎ বিল বাতিল এবং ফসলের গোড়া পোড়ানোর জন্য কৃষকদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত মামলা হয়েছে সেগুলিও বাতিল করার আর্জি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে বিভিন্ন দাবিদাওয়া সম্বলিত ওই চিঠির জবাবের জন্য তাঁরা ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। সরকার যদি তাঁদের আবেদনগুলির বিষয়ে নীরব থাকে তবে তাঁরা ফের নতুন করে আন্দোলন শুরু করবেন।

সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। অধিবেশনের প্রথম দিনেই কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর কৃষি আইন প্রত্যাহারের জন্য একটি বিল পেশ করবেন। এই বিল নিয়ে সংসদের উভয় কক্ষে আলোচনার পর তা পাস করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই বিল নিয়ে আলোচনায় যাতে দলের প্রত্যেক সাংসদ উপস্থিত থাকেন সেজন্য শাসক দল বিজেপি এবং বিরোধী দল কংগ্রেস হুইপ জারি করেছে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, প্রবল কৃষক আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য হতে হয়েছে।

Farm Law: লখনউতে মহাপঞ্চায়েত, অগনিত কৃষকদের চিৎকারে BJP শঙ্কিত

Anti farm laws

News Desk: প্রধানমন্ত্রী মুখে বলেছেন কৃষি আইন বাতিল হবে। আগে সরকার এই আইন সংসদে বাতিল করুক তবে বিশ্বাস করব। মহাপঞ্চায়েত থেকে এমনই দাবি করলেন ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে সোমবার উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনউতে অগনিত কৃষক ঢল নেমেছে।

কৃষি আইন বাতিলের কথা প্রধানমন্ত্রী মোদী ঘোষণার পর এটাই প্রথম মহাপঞ্চায়েত। লখনউ জুড়ে উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জেলার কৃষকদের সমাগম হয়েছে।

সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা সারা ভারত কৃষক সভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। আছেন ৫০০টি কৃষক সংগঠনের নেতারা।

mahapanchayet

কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা আগেই জানান, প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা মানে আ়ইন বাতিল নয়। যতক্ষণ না আইন বাতিল হচ্ছে ততক্ষণ কৃষকরা আন্দোলন চালাবেন।

লখনউ মহাপঞ্চায়েত থেকে হান্নান মোল্লার নির্দেশিত পথ ধরেই অন্যান্য কৃষক নেতারা জানিয়েছেন, দিল্লি অভিযান জারি থাকবে যতক্ষণ না পুরো আইন বাতিল করছে কেন্দ্র।

Farm Laws Withdrawn

বিজেপি সাংসদ ও বারবার বিতর্কিত উত্তেজক মন্তব্য দেওয়া সাক্ষী মহারাজের দাবি, ভোট মিটুক তারপর আইনটি ফের চালু করবে কেন্দ্র। তিনি আন্দোলনকারী কৃষকদের কটাক্ষ করেছেন।

লখনউতে কৃষক মহাপঞ্চায়েত থেকে ঘনঘন চিৎকার উছছে বিজেপি সরকার ‘কালা কানুন’ বাপস লো। সূত্রের খবর, রাজ্যে ও পাঞ্জাবে আসন্ন বিধানসভা ভোটে কৃষক বিক্ষোভের আঁচ টের পেয়েই প্রধানমন্ত্রী আইনটি প্রত্যাহারের কথা বলেছেন।

মোদীর ভাষণ নয়, সংসদে কৃষি আইন প্রত্যাহারের অপেক্ষায়: সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা

Rakesh Tikait

News Desk: কৃষি আইন প্রত্যাহার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এর পরই প্রশ্ন তুলছে বিভিন্ন সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠন। কৃষক আন্দোলনের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানাল, প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানকে স্বাগত। তবে মুখের ঘোষণা নয়, আইন বাস্তবে প্রত্যাহার করে দেখাক সরকার।

কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত ও সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা সরকারের অবস্থানকে স্বাগত জানান।

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা আগেই দাবি করেছেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশনের সময় দিল্লি ঘিরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হবে। সরকারকে বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারে বাধ্য করা হবে। তাঁর ঘোষণার পরেই আন্দোলনকারী কৃষকদের মধ্যে নতুন করে জোশ ছড়ায়।

Farmers to hold rail roko on Oct 18

শুক্রবার গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে শিখ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি এই ভাষণেই বলেন, দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হবে।

মোদীর ভাষণে তুমুল আলোড়ন ছড়ায় হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশে। মূলত দেশের এই উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের কৃষকদের নিয়েই কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চলেছে। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার অভিযোগ, নতুন তিনটি কৃষি আইনের মাধ্যমে সরকার দেশের কৃষি ব্যবস্থাকেই বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে।

প্রবল আন্দোলন, দিল্লি অভিযান, লালকেল্লায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ঘিরে বিতর্কিত পরিস্থিতি হয়েছে বারবার। কৃষকদের আন্দোলনকে খালিস্তানি জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপির বহু নেতা, সংঘ পরিবার সংশ্লিষ্ট হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির অনেকেই। কৃষক নেতারা বলেছেন, সরকারকেই আইন প্রত্যাহার করতে হবে।

অবশেষে আইন প্রত্যাহারের কথা জানালেন মোদী। তবে সংসদে আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেই জানাচ্ছে কিষাণ মোর্চা।

Farm Laws Withdrawn: ঝুঁকলেন মোদী, ভোট বুঝে ক্ষমা চেয়ে ‘কৃষি আইন প্রত্যাহার’

modi farm laws withdrawal announcement
  1. News Desk: প্রবল কৃষক আন্দোলনের চাপে বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংসদে বিপুল শক্তি নিয়ে আইন বাতিল হবে না বলে যে দাবি করেছিল বিজেপি তার থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা শুধু দেশ না বিদেশে আলোড়ন ফেলেছে।

farmers

<

p style=”text-align: justify;”>তিনি বলেন, ‘আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি বলতে চাই যে হয়ত আমাদের তপস্যাতেই খামতি ছিল। তাই কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এই মাসে শুরু হতে চলা সংসদ অধিবেশনে এই কৃষি আইন প্রত্যাহার করব। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আন্দোলন ছেড়ে একটি নয়া সূচনা করি। শীঘ্রই আইন প্রত্যাহারের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া পূর্ণ করে দেব। এবার আপনারা সকলে খেতে ফিরে যান, পরিবারের মধ্যে ফিরে যান।’

আসন্ন পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের আগে মোদী এই ঘোষণা করলেন। পাঞ্জাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী জোট গড়ার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ বড় হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উত্তর প্রদেশেও ভোটে কৃষক বিক্ষোভ বিরাট প্রভাব ফেলছে বলেই জনমত সমীক্ষা বলছে। তবে এই রাজ্যে ভোট কাটাকুটির লড়াইতে বিজেপির ক্ষমতায় আসার ইঙ্গিত এসেছে জনমত সমীক্ষায়।

প্রধানমন্ত্রী দেশের কৃষকদের জন্য তাঁর সরকারের ভূমিকা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জন ছোট কৃষক। তাদের জমির পরিমাণ ২ হেক্টরের কম। তাদের জীবনের আধার এই ছোট জমি। প্রায় ১০ কোটি এমন ছোট কৃষক আছে। এই ছোট জমিতেই তারা নিজেদের পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য কাজ করছে। তাই বীজ, বীমা, বাজার আর সেভিংসের ক্ষেত্রে কাজ করেছি। আমরা ফসল বীমা যোজনাকে আরও কার্যকরী করেছি। আরও বেশি সংখ্য কৃষককে এর অধীনে নিয়ে এসেছি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কিষাণ সয়েল হেলথ কার্ড দিয়েছি। এতে ফলন বেড়েছে। ছোট কৃষকদের ১ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছি। কৃষকদের কষ্ট যাতে সঠিক দাম পায়, সেই কাজ করেছে সরকার। গ্রামীণ বাজারকে শক্তিশালী করেছি। আমরা এমএসপি বাড়িয়েছি। পাশাপাশি সরকার রেকর্ড পরিবার ফসল কিনেছে।’

Lakhimpur: অমিত শাহ ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী-পুত্রের পিস্তল থেকে চলেছিল ‘গুলি’

video proved that the farmers were crushed to death by the wheel of the car

News Desk: উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মামলায় বারবার অভিযোগ উঠেছে ওই দিন গুলিও চলানো হয়েছিল। ঘটনার তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ফরেনসিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ৩ অক্টোবর ঘটনার দিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অজয় মিশ্রর (ajay mishra) ছেলে আশিস মিশ্রর (ashis mishra) পিস্তল থেকেই গুলি চালানো হয়েছিল।

লখিমপুরের (lakhimpur) ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছিলেন, কেন্দ্রের কৃষি আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালীন চার কৃষককে পিষে দেওয়ার পর বেশ কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা গিয়েছিল। কোথা থেকে ওই গুলি চালানো হয়েছিল তা জানতে উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

তদন্তে জানা গিয়েছে, মন্ত্রীর ছেলে আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা যে গাড়িতে ছিলেন সেই গাড়ির ভিতর থেকেই গুলি চালানো হয়েছিল। ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই দাবি করেছে পুলিশ।

ঘটনার মূল অভিযুক্ত মন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন জগজিৎ সিং (jagjit singh) নামে এক কৃষক। ওই কৃষক তাঁর অভিযোগে বলেন, ঘটনার সময়ে ওই এসইউভিতে ছিলেন আশিস। আশিসের গাড়ি কৃষকদের মধ্যে ঢুকে পড়ে ৪ জনকে পিষে দিয়ে চলে যায়। গাড়ির ধাক্কায় ছিটকে পড়ে অনেকেই গুরুতর জখম হন। এরপরই বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। গাড়ির ভেতর থেকে আশিস গুলি চালিয়েছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু করে লখিমপুর থেকে ০.৩১৫ বোর বুলেট কুড়িয়ে পায় পুলিশ।

উল্লেখ্য, লখিমপুর খেলার ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয়ের ছেলে আশিস-সহ আরও ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই ঘটনায় স্বতপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

সোমবার ওই মামলার শুনানিতে উত্তরপ্রদেশে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দেশের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ। শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, লখিমপুর তদন্তের গতি অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। এভাবে তদন্তের কাজ চললে কবে এই মামলা শেষ হবে!

একই সঙ্গে বেঞ্চ যোগী আদিত্যনাথ (yogi adityanath) সরকারকে লখিমপুরের হিংসার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে (supreme court)এই মামলার পরবর্তী শুনানি

lakhimpur Kheri: নিহত কৃষকদের শ্রদ্ধা জানাতে পরপর মিছিল, জমায়েতে কড়া নজর যোগীর

Lakhimpur violence

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে ‘মেরে ফেলার’ ঘটনায় উত্তর প্রদেশের রাজনীতি প্রবল তপ্ত। মঙ্গলবার সংযুক্ত কৃষক মোর্চার আহ্বানে ‘শহিদ কিষাণ দিবস’ পালিত হবে। কৃষক মৃত্যুর কেন্দ্র লখিমপুর খেলার তিকোনিয়া গ্রামে কৃষক সংগঠনগুলি জমায়েত করছে।

জমায়েত উপলক্ষে লখিমপুর খেরির দিকে পরপর কৃষক মিছিল ঘিরে পরিস্থিতি রীতিমতো উত্তপ্ত। উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসছে মিছিল। এছাড়াও পাঞ্জাব, হরিয়ানা থেকেও কৃষকদের মিছিল আসতে শুরু করেছে।

Lakhimpur violence

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা জানিয়েছে, মঙ্গলবার লক্ষাধিক কৃষক জমায়েত হবে।গনসমাবেশ থেকে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলায় ধৃত আশিস মিশ্রর জেলের সাজা ও তার পিতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে বরখাস্ত করার দাবি তোলা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রকে পদ থেকে সরানোর দাবি জানান সারা ভারত কৃষকসভার সাধারন সম্পাদক হান্নান মোল্লা। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদের দাবির পরেই উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কৃষক সংগঠনগুলি একযোগে আক্রমণ শুরু করেছে।

গত ৩ অক্টোবর মোদী সরকারের আনা নতুন কৃষি আইনের প্রতিবাদে লখিমপুর খেরিতে কৃষক সমাবেশ ছিল। অভিযোগ, সেই সমাবেশ থেকে কৃষকরা যখন ফিরছিলেন তখন তাদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস। এই ঘটনায় মোট মৃত ৯ জন। এদের মধ্যে চার জন কৃষক।

Lakhimpur Kheri: দশেরায় রাবণ তুলনায় ‘মোদী’কে পোড়াতে কৃষকদের প্রস্তুতি

lakhimpur violence farmers protest

নিউজ ডেস্ক: নবরাত্রি শেষে দশেরা। এই দিনেই রাবণ পোড়ানো হয় পশ্চিম ও উত্তর ভারতের সর্বত্র। সেই অনুষ্ঠানকে সামনে রেখেই কৃষি আইন বিরোধিতায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর কুশপুতুল পোড়ানোর বার্তা দিল সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা।

কিষাণ মোর্চা জানিয়েছে, লখিমপুর খেরিতে (lakhimpur kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার ঘটনার প্রতিবাদে হবে মোদী পোড়ানোর কর্মসূচি। উত্তর প্রদেশ জুড়েই মোদী-যোগীর কুশপুতুল পোডানো হবে গণহারে। এটি একটি প্রতীকি প্রতিবাদ। যেভাবে কৃষকদের উপর দমন নীতি চলছে তার বিরোধিতা চলবেই।
উত্তর প্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান, পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দিল্লিতে হবে রাবণ রূপী মোদীর কুশপুতুল পোড়ানো।

উত্তরপ্রদেশের লাখিমপুর খেরির ঘটনার প্রতিবাদে সারা দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি করবে বলে জানায় সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। আগেই কৃষক সংগঠনগুলি জানিয়েছে, আগামী ১৮ অক্টোবর দেশজুড়ে রেল রোকো আন্দোলন হবে। আর ২৬ অক্টোবর লখনৌতে হবে মহাপঞ্চায়েত। কিষাণ মোর্চা জানায়, ১২ অক্টোবর লাখিমপুর খেরিতে শোক পালন হবে।

কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগে টানা ১২ ঘন্টার জেরা শেষে গ্রেফতার করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্রকে। ফলে আরও অস্বস্তিতে উত্তর প্রদেশ সরকার। লখিমপুর খেরিতে কৃষক খুন মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস মূল অভিযুক্ত। গত ৩ অক্টোবর তার গাড়ি কৃষক জমায়েতের উপর প্রবল গতিতে ঢুকে পড়ে। অভিযোগ, কৃষকদের ইচ্ছাকৃত পিষে মারে আশিস ও তার সাগরেদরা। লখিমপুর খেরিতে এই রক্তাক্ত ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আশিস পলাতক ছিল।

আশিসকে গ্রেফতার করা হয়নি কেন? সুপ্রিম কোর্টের এই প্রশ্নে নাজেহাল হয় উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আশিসকে ডেকে পাঠায় ক্রাইম ব্রাঞ্চ। শুক্রবার হাজিরা এড়িয়ে শনিবার আসে আশিস। জেরা চলে দিনভর। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় তাকে।

লখিমপুর খেরি পুলিশ লাইনে জেরা শেষে ডিআইজি উপেন্দ্র আগরওয়াল জানান, অভিযুক্ত আশিসের বয়ানে বিস্তর অসঙ্গতি আছে। সে সব প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি। তাকে গ্রেফতার করা হলো।

আশিস মিশ্রর পিতা নিজের প্রভাব খাটিয়ে পুত্রকে বাঁচাতে চাইছেন, এমন অভিযোগ করেছে কৃষক সংগঠনগুলি। কেন্দ্র সরকারের কৃষি নীতির প্রতিবাদে জমায়েতে আশিস মিশ্রর নির্দেশে গাড়ি নিয়ে হামলা হয় বলে অভিযোগ। এতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। চার জন কৃষক।

সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা দাবি করেছেন আশিস মিশ্রর কড়া শাস্তি হোক। এই ঘটনার জেরে কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি একযোগে বিজেপিকে আক্রমণ করেছে। বিধানসভা ভোটের আগে রীতিমতো হাওয়া গরম পরিস্থিতি।

Lakhimpur Kheri: কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে ‘খুন’ অভিযোগে গ্রেফতার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী-পুত্র

ashis mishra-Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগে টানা ১২ ঘন্টার জেরা শেষে প্রত্যাশিতভাবেই গ্রেফতার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্র। ফলে আরও অস্বস্তিতে উত্তর প্রদেশ সরকার। রবিবার রাতেই আশিসকে পুলিশি ঘেরাটোপে রাখা হয়।

লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur kheri) কৃষক খুন মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস মূল অভিযুক্ত। গত ৩ অক্টোবর তার গাড়ি কৃষক জমায়েতের উপর প্রবল গতিতে ঢুকে পড়ে। অভিযোগ, কৃষকদের ইচ্ছাকৃত পিষে মারে আশিস ও তার সাগরেদরা। লখিমপুর খেরিতে এই রক্তাক্ত ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আশিস পলাতক ছিল।

Lakhimpur Kheri

আশিসকে গ্রেফতার করা হয়নি কেন? সুপ্রিম কোর্টের এই প্রশ্নে নাজেহাল হয় উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আশিসকে ডেকে পাঠায় ক্রাইম ব্রাঞ্চ। শুক্রবার হাজিরা এড়িয়ে শনিবার আসে আশিস। জেরা চলে দিনভর।

লখিমপুর খেরি পুলিশ লাইনে জেরা শেষে ডিআইজি উপেন্দ্র আগরওয়াল জানান, অভিযুক্ত আশিসের বয়ানে বিস্তর অসঙ্গতি আছে। সে সব প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি। তাকে গ্রেফতার করা হলো।

Lakhimpur violence ashis-mishra

আশিস মিশ্রর পিতা নিজের প্রভাব খাটিয়ে পুত্রকে বাঁচাতে চাইছেন, এমন অভিযোগ করেছে কৃষক সংগঠনগুলি। কেন্দ্র সরকারের কৃষি নীতির প্রতিবাদে জমায়েতে আশিস মিশ্রর নির্দেশে গাড়ি নিয়ে হামলা হয় বলে অভিযোগ। এতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। চার জন কৃষক।

সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা দাবি করেছেন আশিস মিশ্রর কড়া শাস্তি হোক। আর কৃষক সংগঠনগুলি আশিসের গ্রেফতারির দাবিতে আগামী ১৮ অক্টোবর রেল রোকো ডাক দিয়েছে।

এই ঘটনার জেরে কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি একযোগে বিজেপিকে আক্রমণ করেছে। বিধানসভা ভোটের আগে রীতিমতো হাওয়া গরম পরিস্থিতি।

Lakhimpur kheri: ছাউনি ঘেরা পুরো এলাকা, জেরায় জেরবার মন্ত্রীর পুত্র

Lakhimpur violence ashis-mishra

নিউজ ডেস্ক: হাজিরার কথা ছিল শুক্রবার। তার আগেই প্রতিবেশি দেশ নেপালের সীমান্ত শহরে ঢুকে সেফ পজিশন নিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে (lakhimpur kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্র। স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র শনিবার প্রবল উত্তেজনার মধ্যে হাজিরা দিলেন ক্রাইম ব্রাঞ্চের সামনে।

সূত্রের খবর শেষ রাতে নেপালে সীমান্ত পেরিয়ে অভিযুক্ত আশিস ফের আসে লখিমপুর খেরি। আইনজীবীরাদের পরামর্শ নিয়ে ক্রাইম ব্রাঞ্চের সামনে উপস্থিত হয়। এক আইনজীবী তার সঙ্গে জেরা কক্ষে ঢুকেছেন।

শনিবার হাজিরা না দিলে জারি হবে হুলিয়া। এমনই হুঁশিয়ারি দেয় ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তবে সবই হয় সুপ্রিম কোর্টেরর নির্দেশে। লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মামলায় মূল অভিযুক্ত কেন গ্রেফতার হয়নি, এই প্রশ্ন করে সুপ্রিম কোর্স। প্রবল অস্বস্তিতে পড়ে যায় উত্তর প্রদেশে বিজেপি সরকার। সারা ভারত কৃষকসভা অন্যান্য কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সবকিছু চাপা দিতে চাইছেন।

Lakhimpur Kheri

লখিমপুর খেরিতে কৃষকরা কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতা করছিলেন। গত রবিবার সেখানেই কৃষক জমায়েতে প্রবল গতিতে গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনায় চার কৃষক সহ মোট ৯ জন মৃত।

অভিযোগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা লখিমপুর খেরির বিজেপি সাংসদ অজয় মিশ্রের পুত্র আশিস ইচ্ছাকৃত হামলা করেছিল। ঘটনার পর থেকে বারবার তাকে গ্রেফতারের দাবি ওঠে। অভিযোগ, রাজ্য সরকার তাকে মামলা থেকে সরাতে পরপর পরিকল্পনা করেছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশে সরকার জেরা করতে উদ্যোগী হয়।
আশিস মিশ্রকে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। এমনই দাবি, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, রাহুল গান্ধীর। উত্তর প্রদেশের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব ও বহুজন সমাজ পার্টির মায়াবতী তীব্র ক্ষোভ দেখিয়েছেন। লখিমপুর খেরির ঘটনায় বিধানসভায় ভোটের আগে প্রবল উত্তপ্ত উত্তর প্রদেশ।

Lakhimpur Kheri: নেপালে ‘লুকিয়ে’ কৃষকদের খুনে অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর-পুত্র

ministers-son-ashish-mishra

নিউজ ডেস্ক: নির্দেশ ছিল সকাল দশটার মধ্যে পুলিশের সামনে হাজিরা দিতে হবে। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে গরহাজির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। তার বিরুদ্ধে উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুনের অভিযোগ রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত গোপনে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশি দেশ নেপালে ঢুকেছে।

Lakhimpur Kheri

www.ekolkata24.com কিছু সূত্র মারফত জানতে পেরেছে বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যেই অভিযুক্ত আশিস মিশ্র ভারত ত্যাগ করে। যেহেতু লখিমপুর খেরি একদম নেপাল লাগোয়া, আর ভারতীয় বা নেপালিদের মধ্যে আসা যাওয়ার ভিসা লাগেনা, সেই সুযোগে নেপালে ঢুকে আত্মগোপনে রয়েছে আশিস।

www.ekolkata24.com আরও জানতে পেরেছে, অভিযুক্ত মন্ত্রীপুত্র নেপাল থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে নেপাল সরকার তার সম্পর্কে কিছু জানায়নি। উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরি সংলগ্ন নেপালের সীমান্ত খোলা। তারই যে কোনও একটি দিয়ে প্রতিবেশি দেশের সুদূর পশ্চিম বিভাগ ও কারনালি বিভাগে ঢুকেছে আশিস মিশ্র।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়িতে চাপা দেওয়ার মামলায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন করে উত্তর প্রদেশ সরকার কতজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। এতে বিরাট ধাক্কা খায় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকার। কারণ আশিস মিশ্রর বিরুদ্ধে গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের মেরে ফেলার অভিযোগ উঠলেও তাকে গ্রেফতার করেনি যোগী প্রশাসন।

সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা, ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন নেতা রাকেশ টিকাইত সহ বাকি কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, আশিস মিশ্র প্রভাব খাটিয়ে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে।

Lakhimpur Kheri: কৃষকদের ‘খুন’, সুপ্রিম ধাক্কায় যোগীর পুলিশ জেরা করবে মন্ত্রীর পুত্রকে

up_police_pastes_notice

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরির (Lakhimpur kheri) ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তুলেছে, কতজন অভিযুক্ত গ্রেফতার? হতচকিত উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকারের কাছে এর উত্তর ছিল না। শীর্ষ আদালতে প্রবল ধাক্কা খেয়ে অবশেষে নড়ে চড়ে বসল যোগী সরকারের পুলিশ। মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্রকে জেরায় হাজিরা দিতে নোটিশ দেওয়া হলো।

সূত্রের খবর, এই নোটিশ পেয়েই স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র ভেঙে পড়েছেন। তাঁর পরিবার তীব্র আতঙ্কিত। মন্ত্রী ও তাঁর পুত্র আশিসের আশঙ্কা জেরা করার পরেই গ্রেফতার করবে পুলিশ।

বিশেষ সূত্রের খবর, লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দেওয়ার মামলা ‘নরম’ করতে নয়াদিল্লিতে জরুরি ভিত্তিতে যান মন্ত্রী অজয় মিশ্র। যদিও তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ডেকেছিলেন।

তবে কৃষক সংগঠনগুলি অবস্থানে অনড়।সারাভারত কৃষক সভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লার দাবি, উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মারার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। মূল অভিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করা হোক। অন্যান্য কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সবকিছু আড়াল করছেন।

কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের জমায়েতে প্রবল গতিতে গাড়ি ঢুকে পড়ে। গাড়ির ধাক্কায় মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের চার জন কৃষক। মৃত কৃষকদের পরিবার পিছু আর্থিক সাহায্য ও সরকারি চাকরি দেওয়া হবে জানায় উত্তর প্রদেশ সরকার।

কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র ইচ্ছে করে কৃষকদের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেয়। একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তার জেরে আরও উত্তপ্ত পরিস্থিতি। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তাঁর পুত্র ছিলেন না।

Lakhimpur Kheri: গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের মৃত্যুতে কতজন গ্রেফতার? সুপ্রিম প্রশ্নে বিপাকে যোগী

supreme-court-hearing-lakhimpur-kheri

নিউজ ডেস্ক: এতবড় ঘটনায় কতজন গ্রেফতার হয়েছে? প্রশাসনিক রিপোর্ট জলদি জমা দিতে হবে। লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur Kheri) গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের মারার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের এই প্রশ্নে চরম ধাক্কা খেল উত্তর প্রদেশ সরকার।

সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের সামনে কার্যত অসহায় উত্তর প্রদেশ সরকার। শীর্ষ আদালত জানতে চায়, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে তদন্তের স্বার্থে তাদের আটক বা গ্রেফতার করা হয়েছে কি? এই প্রশ্নে আদালতকে কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি যোগী সরকার।

ফলে বিতর্ক আরও জড়িয়ে ধরল উত্তর প্রদেশে বিজেপি সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসনকে। আগেই সারা ভারত কৃষকসভা, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন অভিযোগ করেছে, কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্র। সে এখনও অধরা।

লখিমপুর খেরির ঘটনায় এক সদস্যের কমিটি গঠন করেছে উত্তর প্রদেশ সরকার। এলাহাবাদ হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপকুমার শ্রীবাস্তব সবদিক খতিয়ে দেখবেন। তিনি রিপোর্ট দেবেন দু মাস পরে।

এদিক মৃত কৃষকদের আত্মীয়দের অভিযোগ, হামলাকারী আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করছে না রাজ্য সরকার। সারাভারত কৃষকসভা, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের আরও অভিযোগ, যোগী আদিত্যনাথ সবকিছু চাপা দিতে চাইছেন। যদিও তিনি জানান, লখিমপুর খেরির ঘটনায় কড়া তদন্ত হবে।

অভিযুক্ত হামলাকারী আশিস মিশ্রের পিতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। তিনি লখিমপুর খেরির বিজেপি সাংসদ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী মন্ত্রীর পদে রয়েছেন। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলে ছিল না আশিস। তবে যে গাড়ির ধাক্কায় মারা গিয়েছেন কৃষকরা সেটি তাঁর পুত্রের। চাপে পড়ে স্বীকার করেছেন মন্ত্রী।

গত ৩ অক্টোবর নেপাল সীমান্ত লাগোয়া লখিমপুর খেরিতে কেন্দ্রের মোদী সরকার যে কৃষি আইন এনেছে তার প্রতিবাদ চলছিল। জমায়েতের মধ্যে একটি গাড়ি প্রবল গতিতে ঢুকে পড়ে। ভাইরাল ভিডিওতে স্পষ্ট, ওই গাড়ির ধাক্কায় কয়েকজন ছিটকে পড়ছেন। এই ঘটনায় মৃত মোট ৯ জন। জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ৪ জন কৃষক। এক সাংবাদিক। হামলাকারী গাড়ির তিনজন। আর একজন সাধারণ ব্যক্তি।

লখিমপুর খেরির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নীরব। কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর অভিযোগ, আইনের শাসন নেই উত্তর প্রদেশে। রাহুল গান্ধীকে সাথে নিয়ে তিনি দেখা করেন মৃত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে।

Lakhimpur Kheri: কৃষকের ‘পিষে মারা’ রিপোর্ট দু’মাস পর আসবে! BJP মন্ত্রীর পুত্র ‘অধরা’

Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরিতে গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের পিষে মারা হয়েছে বলে দাবি মৃতদের পরিবার সহ সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠনগুলির। এই দাবি আদৌ কতটা সত্য তা জানতে এক সদস্যের কমিটি গঠন করল উত্তর প্রদেশ সরকার। এলাহাবাদ হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপকুমার শ্রীবাস্তব সবদিক খতিয়ে দেখবেন। তিনি রিপোর্ট দেবেন দু মাস পরে।

এদিক মৃত কৃষকদের আত্মীয়দের অভিযোগ, হামলাকারী আশিস মিশ্রকে কেন গ্রেফতার করছে না রাজ্য সরকার। সারাভারত কৃষকসভা, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের আরও অভিযোগ, যোগী আদিত্যনাথ সবকিছু চাপা দিতে চাইছেন। যদিও তিনি জানান, লখিমপুর খেরির ঘটনায় কড়া তদন্ত হবে।

অভিযুক্ত হামলাকারী আশিস মিশ্রের পিতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। তিনি লখিমপুর খেরির বিজেপি সাংসদ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী মন্ত্রীর পদে রয়েছেন। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলে ছিল না আশিস। তবে যে গাড়ির ধাক্কায় মারা গিয়েছেন কৃষকরা সেটি তাঁর পুত্রের। চাপে পড়ে স্বীকার করেছেন মন্ত্রী।

গত ৩ অক্টোবর নেপাল সীমান্ত লাগোয়া লখিমপুর খেরিতে কেন্দ্রের মোদী সরকার যে কৃষি আইন এনেছে তার প্রতিবাদ চলছিল। জমায়েতের মধ্যে একটি গাড়ি প্রবল গতিতে ঢুকে পড়ে। ভাইরাল ভিডিওতে স্পষ্ট, ওই গাড়ির ধাক্কায় কয়েকজন ছিটকে পড়ছেন। এই ঘটনায় মৃত মোট ৯ জন। জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ৪ জন কৃষক। এক সাংবাদিক। হামলাকারী গাড়ির তিনজন। আর একজন সাধারণ ব্যক্তি।

লখিমপুর খেরির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নীরব। কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর অভিযোগ, আইনের শাসন নেই উত্তর প্রদেশে। রাহুল গান্ধীকে সাথে নিয়ে তিনি দেখা করেন মৃত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে।

Lakhimpur Kheri: ‘সাময়িক জেল’ থেকে বেরিয়ে রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে মৃত কৃষকের বাড়িতে প্রিয়াঙ্কা

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: বন্দিত্ব কাটল। সীতাপুর গেস্ট হাউসের ‘সাময়িক জেল’ থেকে বেরিয়ে এলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi)। তাঁকে সঙ্গে নিয়েই রাহুল গান্ধী (rahul gandhi) পৌঁছে গেলেন লখিমপুর খেরিতে (lakhimpur kheri) গাড়ি চাপা দিয়ে ‘মেরে ফেলা’ কৃষকদের পরিবারের কাছে।

সংবাদ সংস্থা ANI জানাচ্ছে, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাতে পৌঁছান মৃত কৃষক লাভপ্রীত সিংয়ের বাড়িতে। মৃতের আত্মীয়রা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। কেন মূল অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্র পুলিশি হেফাজতের বাইরে সেই প্রশ্ন তুলেছেন মৃতের আত্মীয়রা।

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

দিনভর লখনউয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল। তীব্র চাপের মুখে অবশেষে রাহুল গান্ধীকে লখিমপুর খেরি যেতে অনুমতি দেয় উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। বিমান বন্দরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ছিলেন পাঞ্জাব ও ছত্তিসগড় দুই কংগ্রেস শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। দুই রাজ্য সরকার লখিমপুর খেরিতে মৃতদের পরিবার পিছু ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে।

লখিমপুর খেরিতে কৃষি আইনের বিরোধিতায় কৃষকদের জমায়েতে গাড়ি চালিয়ে তীব্র বিতর্কের মুখে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র। অভিযোগ গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের খুন করা হয়। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্রের পিতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। অভিযোগ, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার পুরো ঘটনা চাপা দিতে মরিয়া চেষ্টা করছে।

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

লখিমপুর খেরিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৯ জন। তাদের পরিবার পিছু ৪৫ লক্ষ টাকা ও সরকারি চাকরির ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। তবে সারা ভারত কৃষক সভা ও ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের দাবি, হামলাকারী আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করতে হবে।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হচ্ছে। ANI জানাচ্ছে, উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা হরিশ রাওয়াত বিশাল সমর্থক বাহিনী নিয়ে লখিমপুর খেরি আসছেন। দেরাদুন থেকে ১ হাজার ট্রাক ভাড়া করেছে কংগ্রেস। এই বিশাল সংখ্যক কংগ্রেস সমর্থক ঢুকলে এলাকার পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ হবে বলে আশঙ্কা।

Lakhimpur kheri: যোগীর নিষেধাজ্ঞা, ‘কৃষক গণহত্যা’ কেন্দ্রে যেতে বাধা রাহুল গান্ধীকে

Rahul Gandhi

নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিনিধিরা ছাড় পেলেন,তবে কেন বাধা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi)। প্রবল বিতর্ক উত্তর প্রদেশে। আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে প্রধান গান্ধীকে। সংবাদ সংস্থা ANI জানাচ্ছে, উত্তর প্রদেশ সরকার বাতিল করেছে কংগ্রেসের তরফে লখিমপুর খেরি (Lakhimpur kheri) যাওয়ার আবেদন।

রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, লখিমপুর খেরিতে ১৪৪ ধারা লাগু থাকায় নিয়মানুসারে ৫ জন গেলে পুলিশ আটকাতে পারে। আমরা তিনজন যাচ্ছিলাম। কেন আটকানো হয়েছে। বিরোধী দল হিসেবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার দিনভর লখিমপুর খেরি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে ছিল। প্রথমে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে সেখানে ঢুকে পড়েন সারা ভারত কৃষকসভার নেতৃত্বরা। এতে হতচকিত হয়ে যায় যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। কী করে তারা ঢুকলেন তা নিয়ে রাজ্য পুলিশ প্রবল চাপের মুখে পড়ে। বাম কৃষক সংগঠনটির নেতৃত্বে লাগাতার কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় লক্ষাধিক কৃষক আন্দোলন করছেন। আন্দোলন চালাচ্ছে ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন।

লখিমপুর খেরিতে কৃষক জমায়েতের উপর গাড়ি চালিয়ে অভিযুক্ত বিজেপির হেভিওয়েট নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র আশিস। মৃত ৯ জন। এদের ৬ জনই কৃষক। আশিস মিশ্রকে গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন কৃষকসভার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা।

এই দাবির পরেই উত্তর প্রদেশ সরকার পুরো এলাকা পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখে। সেই ঘেরাও পেরিয়ে কৃষক সভার পরে পৌঁছে যান তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিনিধিরা। তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা দেন। বলেন, লখিমপুর খেরিতে সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের মতো আন্দোলন করতে তৃ়ণমূল সাহায্য করবে। পশ্চিমবঙ্গে বাম জমানায় এই দুটি জমি আন্দোলনের কারণে টিএমসি রাজনৈতিক মাইলেজ পেয়ে সরকার গড়েছে। লখিমপুর খেরির রক্তাক্ত ঘটনার পর সেখানে ঢুকতে পারেননি উত্তর প্রদেশের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব ও মায়াবতী।

Lakhimpur Kheri: গ্রেফতার কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, আরও বিতর্কে বিজেপি

priyanka gandhi Arrested

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুনের ঘটনায় ভাইরাল ভিডিও উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর (priyanka gandhi) বিরুদ্ধে।

১৪৪ ধারা ভাঙার অভিযোগে  সীতাপুরে গান্ধী পরিবারের কন্যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সীতাপুর গেস্ট হাউসকেই সাময়িক জেল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরপর নাটকীয় মুহূর্ত চলছে লখনউয়ের রাজনীতিতে। সেই ধাক্কা লাগছে দেশের সর্বত্র।

লখিমপুর খেরিতে কৃষকের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার ঘটমায় উত্তর প্রদেশ ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার প্রবল বিতর্কে। মঙ্গলবার কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী একটি ভাইরাল ভিডিও দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তুলোধনা করেন। ওই ভিডিও তিনি টুইট করেন। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি এসইউভি গাড়ি পিছন থেকে এসে কৃষকদের পিষে দিয়ে চলে গেল।

অভিযোগ, এই গাড়ি চালিয়ে কৃষকদের মেরেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র আশিস মিশ্র। মৃত ৯ জন। এদের মধ্যে ৬ জন কৃষক ও একজন সাংবাদিক। জানা গিয়েছে দুজন নাকি সেই গাড়ির আরোহী। ঘটনাস্থলে গুলি চলেছে। এক মৃত কৃষকের দেহে গুলির আঘাত রয়েছে। জানা গিয়েছে উত্তেজিত কৃষকরা ওই গাড়ি আগুন ধরান। পালাতে গিয়ে দুই আরোহী মারা যায়। তবে মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্র অধরা।

AIKS Leader

লখিমপুর খেরিতে এই ‘কৃষক গণহত্যা’র প্রতিবাদে অ-বিজেপি দলগুলি প্রবল সরব। কংগ্রেস শাসিত ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে লখনউ আসেন। তাঁকে বিমান বন্দরে আটকে দেয় উত্তর প্রদেশ পুলিশ। ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিমান বন্দরেই বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন।
এদিকে লখিমপুর খেরিতে যেতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হন তৃ়ণমূল কংগ্রেস সাংসদরা। সাংসদ সুস্মিতা দেব সহ বাকিদের আটকে দেয় পুলিশ। যদিও তারা দাবি করেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

লখিমপুর খেরি যেতে গিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদব। তাঁকে সহ সমাজবাদী পার্টির নেতাদের আটকে দেয় পুলিশ। ভিডিও বার্তায় রাজ্যের বিজেপি সরকারের প্রবল সমালোচনা করেছেন অখিলেশ। সরব অপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী।

তবে যোগী সরকারের পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে লখিমপুর খেরিতে ঢুকেছেন বাম সংগঠন সারা ভারত কৃষক সভার নেতৃত্ব। তাঁদের পৌঁছে যাওয়া নিয়ে তীব্র শোরগোল। কী করে এমন সম্ভব হলো এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির।

Lakhimpur Kheri : যোগী পুলিশের সাথে লুকোচুরি, বাম নেতৃত্ব ঢুকলেন ‘কৃষক গণহত্যা’র কেন্দ্রে

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেন গোয়েন্দা কাহিনীর প্লট। চোরাপথে এ ওর পিছনে ছুটছে। অনেকটা তেমনই করে গেঁয়ো পথ ধরে মুখ্যমন্ত্রী যোগীআদিত্যনাথের পুলিশের ‘আঁখ মে ধুল’ (চোখ এড়ানো) ছিটিয়ে ‘কৃষক গণহত্যা’র কেন্দ্র উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে ঢুকলেন বাম কৃষক সংগঠনের নেতারা। সারা ভারত কৃষকসভার (AIKS) নেতারা ঢুকতেই এলাকাবাসী ভিড় করে এগিয়ে আসেন। শুরু হয় নিহতদের পরিবারের কান্না।

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

সিপিআইএম (CPIM) ও সিপিআই (CPI) দুই দলের কৃষক সংগঠন কৃষকসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কড়া পুলিশি পাহারা এড়িয়ে লখিমপুর খেরিতে কৃষক নেতারা ঢুকতে পারলেন। প্রতিনিধি দলে আছেন কৃষক সভার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডিপি সিং, উত্তর প্রদেশ রাজ্য সম্পাদক মুকুট সিং, কৃষক নেতা চন্দ্রপাল সিং সহ অন্যান্যরা।

এই রক্তাক্ত লখিমপুর খেরি ঢুকতে গিয়ে কংগ্রেস(INC) নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী পুলিশের ঘেরাটোপে আটকে পড়েন। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সাংসদ সুস্মিতা দেব সহ বাকি প্রতিনিধিরা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে যাচ্ছিলেন। তাঁদেরও আটকে দেওয়া হয়। তবে টিএমসি প্রতিনিধিরা দাবি করেছেন তারা লখিমপুর খেরি ঢুকেছিলেন। উত্তর প্রদেশের পূর্বতন দুই শাসক দল সমাজবাদী পার্টি(SP) ও বহুজন সমাজপার্টির (BSP) প্রতিনিধিরাও রাজ্য পুলিশের ঘেরাটোপে আটকে পড়ে ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি। বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছেন দুই দলের নেতা প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদব ও মায়াবতী।

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

অভিযোগ, লখিমপুর খেরিতেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে কৃষক জমায়েত চলছিল। সেই জমায়েতের উপর গাড়ি চালিয়ে পিষে মারা হয়েছে কয়েকজনকে। চলেছে গুলি। মোট মৃত ৯ জন। মৃতদের ৬ জন কৃষক। একজন সাংবাদিক আর দুজন হামলাকারী গাড়িতে ছিল।

গোটা ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। তাঁর পিতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী মন্ত্রী। আরও অভিযোগ এই কারণেই আশিসকে এখনও গ্রেফতার করেনি উত্তর প্রদেশ পুলিশ। অভিযোগ আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা কৃষকদের পিষে মারে।

Lakhimpur Kheri: ভিডিও প্রমাণ দিল যোগীর রাজ্যে গাড়ির চাকায় পিষে মরলেন কৃষকরা

নিউজ ডেস্ক: কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুন এই অভিযোগে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradedsh) সরকারের তথৈবচ অবস্থা। আর্থিক ক্ষতিপূরণের ঘোষণা ও সরকারি চাকরি দেওয়ার বার্তা দিলেও প্রবল বিতর্কে মুখে পড়েছেন বিজেপি শাসিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। লখনউ সরগরম। নয়াদিল্লি থেকে গোটা দেশ জুড়ে বিতর্ক প্রবল। আর কৃষক ‘খুন’ ঘটনাস্থল লখিমপুর খেরিতে কী ঘটেছিল তার ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে।

video proved that the farmers were crushed to death by the wheel of the car

 

সেই ফুটেজ একের পর এক বিজেপি বিরোধী নেতা নেত্রীরা টুইট করছেন। কেউ ফেসবুকে দিতে শুরু করেছেন। কংগ্রেস (INC) নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইট করেন গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের পিষে মেরে ফেলার ভিডিও। তাঁর অভিযোগ, কেন অভিযুক্ত আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করছে না সরকার। অভিযুক্ত আশিস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র।

video proved that the farmers were crushed to death by the wheel of the car

সর্বভারতীয় কৃষক নেতা তথা সারা ভারত কৃষকসভার (AIKS) সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লার দাবি, অবিলম্বে আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করতে হবে। ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত অভিযোগ করেন, যোগী সরকার ও বিজেপি (BJP) সবকিছু ধামাচাপা দিতে চাইছে।

আরও অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারি তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র বলেই আশিসকে এখনও গ্রেফতার করেনি পুলিশ। অভিযোগ আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা কৃষকদের পিষে মারে।
কেন্দ্রের কৃষি নীতির বিরুদ্ধে লখিমপুর খেরিতে জমায়েত করা কৃষদের উপর এসইউভি গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়। পিষে মারা যান কয়েকজন। পরে জখম আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এক সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। মোট ৯ জন মৃত। এদের ছয় জন কৃষক।

এই ভিডিও এখন বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক মহলের প্রধান অস্ত্র। তবে এই ভিডিওর সত্যতা www.ekolkata24x7 যাচাই করেনি। দেখা যাচ্ছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর টুইট থেকে ক্রমাগত ভিডিওর লিংকটি রি টুইট করা হচ্ছে। এছাড়াও সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি, আরজেডি, সিপিআই, সিপিআইএম সমর্থকরা এই ভিডিও পোস্ট করছেন। বিভিন্ন কৃষক সংগঠন সরাসরি অভিযোগ তুলেছে, গাড়ি চালিয়েছিল আশিস মিশ্র।