रानीगंज में सोने की दुकान पर लूटपाट, पहुंची पुलिस तो जमकर हुई गोलीबारी

रानीगंज : पश्चिम बंगाल के आसनसोल में बड़ी घटना देखने को मिली है। यहां रानीगंज इलाके में स्थित एक प्रतिष्ठित सोने की कंपनी के शोरूम में डकैती की गई। भारी हथियारों से लैस बदमाश बैंक में घुसे और हथियार लहराने लगे। इस दौरान घटना की सूचना मिलने के बाद मौके पर पुलिस बल भी पहुंच गई। इसके बाद शोरूम में मौजूद बदमाशों ने पुलिस पर फायरिंग शुरू कर दी। इसके बाद पुलिस ने भी फायरिंग शुरू कर दी। दोनों तरफ से खूब फायरिंग हुई। हालांकि मौके का फायदा उठाते हुए बदमाश बाइक पर सवार होकर वहां से भाग निकलने में सफल हो गए।

स्थानीय लोगों की मानें तो इस गोलीबारी में एक डकैत को गोली भी लगी है। सूत्रों की मानें तो डकैत सोने की दुकान से कुछ जेवरात भी ले जाने में सफल हो गए हैं। घटना के बाद भारी संख्या में पुलिस अधिकारी और आम लोगों की भीड़ मौके पर जमा हो गई। पुलिस ने चारों और नाकाबंदी कर आरोपियों की तलाश शुरू कर दी है।

हालांकि अबतक बदमाशों का कुछ पता नहीं चल सका है। स्थानीय लोगों की मानें तो करीब सात लोग डकैती के इरादे से शोरूम में घुसे थे। इस दौरान शोरूम पर तैनात सुरक्षाकर्मी की उन्होंने बंदूक तक छीन ली।लोगों ने बताया कि सुरक्षाकर्मी की बंदूक छीनकर सभी बदमाश शो रूम के अंदर घुसे। इसके बाद बदमाश वहां काफी समय तक रहे और लूटपाट की। घटना को लेकर पूरे इलाके में अफरा-तफरी मच गई है।

पुलिस इलाके में लगे सीसीटीवी फुटेज को भी खंगालने में जुटी हुई है। वीडियो को देखकर साफ पता चलता है कि करीब 7 लोग चेहरे पर मास्क लगाकर शोरूम के अंदर घुसे। इसके बाद उन्होंने तमंचा लहराना शुरू कर दिया। इसके बाद पुलिस की टीम वहां पहुंची तो गोलीबारी शुरू हो गई और फिर वहां मौके पर भारी पुलिस बल पहुंच गई और स्थानी लोगों को भीड़ भी पहुंच गई।

बहरामपुर में जीत की और बढ़े कांग्रेस उम्मीदवार अधीर चौधरी, आसनसोल में भाजपा और बैरकपुर में टीएमसी आगे

कोलकाता : पश्चिम बंगाल की 42 लोकसभा सीटों पर हुए मतदान की गिनती मंगलवार सुबह 8:00 बजे से जारी है। शुरुआती तीन घंटे में लगभग तीन राउंड की गणना के बाद मुर्शिदाबाद की बहरामपुर लोकसभा सीट पर कांग्रेस उम्मीदवार अधीर रंजन चौधरी जीत की ओर बढ़ चुके हैं।

वह 26 हजार वोटो के अंतर से आगे चल रहे हैं। इसी तरह से आसनसोल से भाजपा उम्मीदवार एसएस अहलूवालिया भी 8.5 हजार वोटो के अंतर से आगे हैं। बैरकपुर लोकसभा सीट जिस पर 2019 में भाजपा के टिकट पर अर्जुन सिंह ने जीत दर्ज की थी वहां इस बार भी पार्टी ने उन्हें उम्मीदवार बनाया है। हालांकि बीच में वह तृणमूल में चले गए थे लेकिन टिकट नहीं मिलने के बाद वह भाजपा में लौट आए थे। इस बार गिनती में तृणमूल उम्मीदवार पार्थ भौमिक उनसे नौ हजार वोटो से आगे चल रहे हैं।

मथुरापुर में तृणमूल उम्मीदवार बापी हलदर आगे हैं। इसी तरह से आरामबाग से बीजेपी उम्मीदवार अरूपकांति दीगर आगे हैं। कांथी में बीजेपी उम्मीदवार सौमेंदु अधिकारी आगे हैं। श्रीरामपुर में तृणमूल उम्मीदवार कल्याण बनर्जी 13 हजार से अधिक वोटों से आगे चल रहे हैं। 

Municipal Election : ৪ পুরনিগমের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ তৃণমূলের

mamata in goa

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: আগামী মাসেই রাজ্যের বকেয়া ৪ পুরনিগমে নির্বাচন (WB Municipal Election)। তাই বৃহস্পতিবার প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করল তৃণমূল (TMC)। এদিন সন্ধ্যায় কালীঘাটে কালীঘাটে জরুরি বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত বক্সি, সুজিত বসু, অরূপ বিশ্বাসরা।

প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায় বিধাননগর পুর নির্বাচনে ফের সবস্যসাচী দত্তের নাম উঠে এসেছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। আসন্ন পুরভোটে তাঁকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। তাপস চট্টোপাধ্যায়ের বদলে তাঁর মেয়ে আরাত্রিকা ভট্টাচার্যকে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করা হয়েছে।

অন্যদিকে, বিধাননগরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হচ্ছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করা হয়েছে বাণীব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে টিকিট পেয়েছেন দেবরাজ চক্রবর্তী। তবে বাদ গেলেন প্রয়াত ফুটবলার শৈলেন মান্নার মেয়ে নীলাঞ্জনা। এবারে বিধাননগর পুরনিগমে ৪১টির মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডেই নতুন মুখ এনেছে তৃণমূল। প্রত্যাশা মতোই, শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন গৌতম দেব। ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন রঞ্জন শীল শর্মা।

এছাড়াও তৃণমূলের উল্লেখযোগ্য প্রার্থীরা হলেন— বিধাননগর পুরনিগমের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে সব্যসাচী দত্ত, ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে কৃষ্ণা চক্রবর্তী, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দেবরাজ চক্রবর্তী, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে তাপস চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে আরাত্রিকা ভট্টাচার্য, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাণীব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, শিলিগুড়ি পুরনিগমে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে গৌতম দেব, আসানসোলে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডে অভিজিৎ ঘটক, আসানসোলে ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়, আসানসোলে ৭৮ নম্বর ওয়ার্ডে অশোক রুদ্র, আসানসোলে ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, শিলিগুড়ি পুরনিগমে ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে রঞ্জন শীল শর্মা।

AMC Election: শিলিগুড়িতে ‘ঠ্যালা বুঝে’ আসানসোলে একলা চলো নীতি বামেদের

biman-basu

News Desk: জোট নয় একলাই লড়বে বামেরা। আসন্ন পুরনিগম ভোটের আসানসোল পুরনিগমে সেই ছবি দেখা গেল। ১০৬টি ওয়ার্ডের সবকটিতে বামফ্রন্ট লড়াই করছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলা বামফ্রন্টের তরফে সিপিআইএমের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হলো। বাকি বাম শরিকদের জন্য নাম পরে জানানো হবে।

উত্তরবঙ্গে শিলিগুড়ি পুরনিগমের জোট জট চলছে। সেখানে বামেদের তরফে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা বলা হলেও কার্যত একতরফা প্রার্থী দিয়েছে বাম শিবির। এর পরেই কংগ্রেস বেঁকে বসেছে। এর প্রেক্ষিতে বাম-কংগ্রেস জোট নিয়ে সমর্থকদের প্রশ্নের ঠ্যালায় নেতারা  নিরাপদ পথ খুঁজছেন।

শিলিগুড়ির ঠ্যালার চোটে আসানসোলে জোট বা আসন সমঝোতার পথে গেলই না বাম শিবির। আসানসোল পুরনিগমের ভোটে বামফ্রন্ট, তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও কংগ্রেসের চতুর্মুুুখী লড়াই হচ্ছে।

কলকাতা পুরনিগমের ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়। তাৎপর্যপূর্ণ, বিরোধী দল বিজেপিকে টপকে বামফ্রন্ট বিরোধী হিসেবে ভোট নিরিখে উঠে এসেছে। কলকাতায় বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের কোনও জোট হয়নি। 

বাংলা পক্ষ বড় সাফল্য! বাংলা পক্ষর আন্দোলনে পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যাবে

Bengali side great success! Services in Bengali will be available at the post office in the Bengali side movement

News Desk: বাংলা পক্ষ পশ্চিম বর্ধমান জেলার লড়াইয়ের ফলে বড়ো সাফল্য এল। পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যাবে। বাংলা পক্ষ কিছুদিন আগেই আসানসোল ও রানীগঞ্জ পোস্ট অফিসে ডেপুটেশন জমা দেয়। আজ পোস্ট বিভাগ বাংলায় পরিষেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে রানীগঞ্জ শাখার সম্পাদক দীপায়ন মুখার্জী, আসানসোল উত্তর শাখার সম্পাদক ঋষিক গাঙ্গুলি এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাংলা পক্ষ সমস্ত ব্যাংক, পোস্ট অফিস এবং বীমা পরিষেবায় বাংলা চাই, এই দাবিতে লড়াই চলছে বাংলা জুড়ে। বাংলা পক্ষর পশ্চিম বর্ধমান জেলার এই সাফল্য, পুরো বাংলা পক্ষ সংগঠনকে আরও উজ্জীবিত করবে লড়াইয়ের ময়দানে।
জয় বাংলা

Uttarakhand: খাদে গাড়ি পড়ে মৃত ৫ বাঙালি পর্যটক, আহতরা আশঙ্কাজনক

Uttarakhand Accident

News desk: উত্তরাখণ্ড থেকে এসেছে ফের দুঃসংবাদ। এবার দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলো পশ্চিমবঙ্গের ৫ পর্যটকের। মৃতরা সবাই পশ্চিম বর্ধমান জেলার বাসিন্দা। জখম হয়েছেন আরও ৭ জন। অনেকেই আশঙ্কাজনক। মৃতরা দুর্গাপুর, আসানসোল ও রানিগঞ্জের বাসিন্দা।

হিমালয়ে দুর্যোগের কারনে গত কয়েকদিন ধরে বারবার উত্তরাখণ্ড থেকে এসেছে পর্বতারোহীদের মৃত্যুর সংবাদ। কমপক্ষে ১১ জন বাঙালি পর্বতারোহী মারা গেছেন। আরও কয়েকজন নিখোঁজ। এর মাঝে এসেছে দুর্ঘটনায় মৃত সাধারণ বাঙালি পর্যটকদের খবর।

উত্তরাখণ্ড সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার পিথোরাগড় জেলার মুন্সিয়ারি থেকে পর্যটকদের নিয়ে একটি গাড়ি কৌশানি যাচ্ছিল। কাপকোটের শামা এলাকায় জাসরৌলিতে পর্যটক ভর্তি আরেকটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। একটি গাড়ি ছিটকে গভীর খাদে গড়িয়ে পড়ে। অন্য গাড়িটি রাস্তার উপরেই উল্টে যায়।

খাদে পড়ে ওই গাড়িতে ১২ জন যাত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে ৫ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। ৭ জন চিকিৎসাধীন। যার মধ্যে দুজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। মৃত পাঁচজনের মধ্যে তিনজন দুর্গাপুর ও দু’জন আসানসোল রানিগঞ্জের বাসিন্দা। তাঁদের নাম সুব্রত ভট্টাচার্য, কিশোর ঘটক চন্দনা খান, শ্রাবনী চক্রবর্তী ও রুনা ভটচার্য।

জানা গিয়েছে, আসানসোল ও রানিগঞ্জ এলাকা থেকে ৩০ জনের একটি দল উত্তরাখণ্ডের কৌশানি গিয়েছিলেন। চলতি মাসের ২১ তারিখে ওই পর্যটক দলটি রওনা হয়েছিল।

১০০ বছরের বৃষ্টির রেকর্ড ভাঙল লাল মাটির দেশে, ভাসছে শিল্প শহর

Rain Bengl

বিশেষ প্রতিবেদন: বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া , আসানসোল অর্থাৎ রাজ্যের পশ্চিম দিকে আজ বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানিয়েছিল আবহাওয়াবিদরা। তা বলে তা এই পর্যায়ে পৌঁছাবে, ভাবনাতীত ছিল। বাঁকুড়ার বৃষ্টি ভেঙে দিয়েছে ১০০ বছরের রেকর্ড। আসানসোল ভেঙেছে গত চার বছরের রেকর্ড। 

আবহাওয়া দফতরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘন্টায় ৪৩৪.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বাঁকুড়ায় বৃষ্টি হয়েছে ৩৫৪.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি। বাঁকুড়ায় এত বৃষ্টি হয়েছিল ১৯২২ সালের ২২জুন। বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ২৯২.৪মিলিমিটার। আসানসোলে ২০১৮ সালের ২৭ জুলাই বৃষ্টি হয়েছিল ১৯২ মিলিমিটার। সেই রেকর্ড ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে।

এদিন পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়াও বয়। সৌজন্যে পুরুলিয়া জেলার পশ্চিম দিকে সরে যাওয়া ওই নিম্নচাপ। আজ বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরের কিছু অংশে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। কোথাও কোথাও তারও বেশি বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া দুই বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশেও হয়েছে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। আর বাকি জায়গায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল হালকা থেকে মাঝারি।

এদিকে জুন সেপ্টেম্বর মাসের বৃষ্টিতে গাঙ্গেয় বঙ্গের অবস্থা করুন। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে উবুচুবু অবস্থা বাংলার দক্ষিণ অংশের বেশিরভাগ রাজ্যের। এরপরে আবার বৃষ্টি হলে যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে।

উত্তরবঙ্গে এবারে তেমন বৃষ্টি হয়নি, উলটে ঘাটতি রয়েছে।আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে যে দক্ষিণবঙ্গ বানভাসি পরিস্থিতি। তথ্য বলছে, সারা বাংলায় এবারে ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। ৩১ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। শুধুমাত্র সেপ্টেম্বর মাসের চিত্র দেখলে তা রীতিমত ভয় ধরাবে। সারা বাংলায় চলতি মাসে ৩৯ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ৮০ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। কলকাতায় ৯৬ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে উত্তরবঙ্গে এই মাসে ৪০ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।