India vs South Africa: প্রোটিয়াদের জমকালো বোলিং পারফরম্যান্স, অশ্বিনের দুরন্ত ব্যাটিং

South Africa

ওয়ান্ডারার্সে দ্বিতীয় টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) বাহাতি জোরে বোলার মার্কো জ্যানসনের ৪ উইকেট, ৩১ রানে।ভারত প্রথম টসে জিতে ব্যাটিংর সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথম ইনিংসে কেএল রাহুলের টিম ইন্ডিয়া ২০২ রানে অল আউট। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ৫০ বলে ৪৬ রানের দুরন্ত ব্যাটিং।

এদিন সকালে ম্যাচ শুরর আগে পিঠের ওপড়ের অংশে খিঁচুনি অনুভব করেন। বাধ্য হয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট বিরাট কোহলিকে বাদ দিয়ে প্রথম একাদশ নির্বাচন করে। কেএল রাহুলকে অধিনায়ক ঘোষণা করে ভারত টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়।

Ashwin

অধিনায়ক লোকেশ রাহুল ১৩৩ বলে ৫০ রান করে মার্কো জ্যানসনের বলে রাবাদার হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়ন ফিরে আসে। বিরাট কোহলির বাদ যাওয়ার কারণে প্রথম একাদশে জায়গা পাওয়া হনুমা বিহারি তেমন কিছুই করতে পারেনি,২০ রান করে ফিরে আসে।

অজিঙ্কা রাহানে রানের খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরেন। কেএল রাহুল এবং অশ্বিন ছাড়া কোনও ভারতীয় ব্যাটসম্যান প্রোটিয়া বোলিং লাইন আপের বিরুদ্ধে মুখ তুলে দাঁড়াতে পারেনি।

<

p style=”text-align: justify;”>মায়াঙ্ক ২৬,পূজারা ৩,পহ্ন ১৭ অন্যদিকে শার্দূল ঠাকুর রানের খাতা না খুলেই আউট। এই হল প্রথম ইনিংসে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স।
কাগিসো রাবাদা এবং ডুয়ান অলিভিয়ার ৩ টি করে উইকেট পেয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখার সময়, জবাবে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে ১৮ রানে ১ উইকেট। মহম্মদ সামির বলে মার্করাম ৭ রানে এলবিডব্লু আউট। ক্রিজে অধিনায়ক ডিন এলগার ৬ এবং কিগুন পিটারসন ৩ রানে ব্যাট করছে।

অশ্বিনের আক্ষেপের ঢঙে “বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি” ঘিরে চাঞ্চল্য ক্রিকেট মহলে

Ravichandran Ashwin

Sports desk: সাড়ে চার বছর পর বিগত টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ টিম ইন্ডিয়ার স্কোয়াডে এসে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে সকলেকে তাক লাগিয়ে দেন স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। “ক্রিকেটের ভগবান” সচীন রমেশ তেন্ডুলকর বিশ্বকাপে অশ্বিনের ডেলিভারিতে নতুনত্ব’র ছোঁয়া দেখে ভূয়সী প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন।

গোটা টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অশ্বিনের নজর কাড়া পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর আলোচনা শুরু হয়েছে শুধু ভারতীয় ক্রিকেট মহলেই নয়, বিশ্ব ক্রিকেট মহলেও। অশ্বিন কতদূর পৌছতে পারবে,মুত্থাইয়া মুরলিধরনের রেকর্ড ভাঙতে পারবে চর্চ্চা চলছে জোরকদমে। অবশ্য অশ্বিন নিজে মুরলিধরনের রেকর্ড ভাঙা প্রসঙ্গে কৌশলী অবস্থানে চাপ মুক্ত রাখতে চাইছে। এমন একটা আবহে ভারত এখন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তিন টেস্ট এবং সম সংখ্যক ওডিআই সিরিজ খেলতে, এই ক্ষণে দাঁড়িয়ে ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন বোমা ফাটিয়েছে নিজের আন্তজার্তিক ক্রিকেট কেরিয়ার প্রসঙ্গে।

ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা ক্রিকেট আঙিনায়। বিস্ফোরক স্বীকারোক্তিতে রবিচন্দ্রন অশ্বিন সাফ করে দিয়ে বলেন,” ২০১৮ সালে, তিনি অবসর নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে ভেবেছিলেন”। বর্তমানে দুরন্ত ফর্মে থাকা অশ্বিন বলেন, “একটা সময় ছিল যখন তিনি এক ওভারের ছয় বল করার পর ক্লান্ত বোধ করতেন”।

এই বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি প্রসঙ্গে অশ্বিন নিজের ক্রিকেট কেরিয়ার বিশ্লেষণ ব্যাখা করতে গিয়ে বলেন,” তিনি তার কৌশল পরিবর্তন করেছেন, তারপরে তিনি আবার সাফল্য পেতে শুরু করেছেন”।

নিজের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তিতে অশ্বিন বলেন “২০১৮ এবং ২০২০’র মধ্যে আমি বেশ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করে গেমটি ছেড়ে দেওয়ার কথা ভেবেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম, ‘আমি অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু সক্ষম হইনি।”

এক সাক্ষাৎকারে রবিচন্দ্রন অশ্বিননের বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি চাঞ্চল্য ছড়ানো প্রসঙ্গে অশ্বিন মুখ খুলে বলেন, এই সময়ে আমি অনেক বিষয়ে কাজ শুরু করেছি। অশ্বিন জানান, “যখন হাঁটুতে ব্যথা হয়, তখন আমি নিচুতে লাফ দিতে শুরু করি এবং যদি আমি নিচে লাফ দেই, সমস্ত জোর আমার পিঠে এবং কাঁধে দিতে হয়”।

নিজের চোট প্রসঙ্গে স্বীকারোক্তিতে অকপট অশ্বিন খোলসা করে জবাব,”তৃতীয় ডেলিভারিতে বোলিং করার সময় কনুই’র ব্যবহার করার চেষ্টা করা অতিরিক্ত সাইড-অন হতে পারে। আমি ছয় বল খেলেই ক্লান্ত হয়ে পড়তাম, তখন আমার বিরতি দরকার ছিল”।

চোটের কারণে নিজের যন্ত্রণার কথা আক্ষেপের ঢঙে অশ্বিন বলেন, আমার চোট নিয়ে লোকজনকে খুব একটা চিন্তিত মনে হয়নি। আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে অনেক খেলোয়াড় এভাবে চোটের পরে সমর্থন পান কিন্তু কেন আমি তা পাইনি জানি না! কারো সাহায্য নেওয়ার অভ্যাস আমার নেই, একটা সময়ের জন্য অনুভব করলাম এখন সাপোর্ট ছাড়া এগোতে পারব না।

অশ্বিন এও বলেন, আমি বুঝতে পেরেছি যে এখন আমাকে অন্য কিছু চেষ্টা করতে হবে। এই প্রসঙ্গে অশ্বিন আরও বলেন, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরের পরে অবসর নেওয়ার কথা ভেবেছিলেন, যখন তিনি আবার চোট পেয়েছিলেন।

বিস্ফোরক ওই স্বীকারোক্তিতে অশ্বিন পরিষ্কার করেছেন,অশ্বিন বলেছেন, “ইংল্যান্ড সফরে ২০১৮ সিরিজের সাউদাম্পটনের পরে, একই রকম একটি পর্যায় ছিল, ওই বছরের পরে অস্ট্রেলিয়ায় আমি সিডনির আগে এবং অ্যাডিলেড টেস্টের পরে ইনজুরিতে পড়েছিলাম। ওই সময়েও ক্রিকেট কেরিয়ার থেকে সন্ন্যাস নিয়ে চিন্তাভাবনা আসতে শুরু করে”।

নিজের আন্তজার্তিক ক্রিকেট কেরিয়ারের ব্যাডপ্যাচে’র মুহুর্তকে তলিয়ে দেখতে গিয়ে বিস্ফোরক ভঙ্গিতে মন ছুঁয়ে যাওয়া স্বীকারোক্তিতে অশ্বিন পরিবারের অবদানকে কুর্নিস জানিয়ে বলেন, “আমি কেবল আমার স্ত্রীর সাথে এই বিষয়ে কথা বলতাম তবে আমার বাবা বলেছিলেন যে তুমি অবশ্যই সাদা বলের ক্রিকেটে ফিরবে” এবং হৃদয়ের অতি স্পর্শকাতর মুহুর্তের স্মরণে অশ্বিন নিজের মুখেই বলেন,”আমি(বাবা) মারা যাওয়ার আগে আমি তোমাকে আবার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে খেলতে দেখতে চাই”।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন টেস্ট ম্যাচের সিরিজে বোলিং’এ নিজের সেরাটা নিঙড়ে দিতে অশ্বিন এখন ব্যাকুল এই কারণেই যে গত সোমবার শ্রেয়স আইয়ার বিসিসিআই টুইটে আসন্ন প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্টস পার্কের পিচের চরিত্রের আভাস প্রসঙ্গে বলেন,”পিচ ভেজা রয়েছে,তাই বল ঘুরতে পারে প্রথম দিকে” এমন একট সম্ভাবনা সামনে আসতেই ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ‘বক্সিং ডে’ টেস্টে কতটা জোরে নিজের পাখনা মেলে প্রোটিয়ার্সদের শুরুতে আঘাত করতে পারে(উইকেট তুলে নিতে পারে), ওইদিকেই তাকিয়ে গোটা ক্রিকেট মহল।

সেরা ভারতীয় উইকেটকিপার নিয়ে অশ্বিনের বিস্ফোরক মন্তব্য

Ashwin

Sports desk:ভারতের কিংবদন্তি স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ভারতের উইকেটরক্ষকদের চ্যালেঞ্জের কথা বলতে গিয়ে বলেন যে, ভারতে উইকেটকিপিং একটি কঠিন কাজ। পরে নিজের বোলিং’র সামনে নিজের প্রিয় উইকেটকিপারের নামও জানান অশ্বিন।

অশ্বিন বলেছেন যে, ভারতীয় পিচে বাউন্স সবসময় একরকম হয় না এবং গতিতেও ভিন্নতা দেখা যায়। কয়েকজন স্পিনারের নাম নিয়ে তিনি বলেন, কিছু স্পিনার ওই চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে উইকেটের পেছনে দারুণ কাজ করেছে। অশ্বিন দীনেশ কার্তিক, ঋদ্ধিমান সাহা এবং এমএস ধোনি তিনজনের নাম করেছেন যারা উইকেটরক্ষক হিসেবে ভালো কাজ করেছেন।

অশ্বিন বলেন যে, দীনেশ কার্তিক এবং ঋদ্ধিমান সাহাও দুর্দান্ত উইকেটরক্ষক, তবে উইকেটের পিছনে মহেন্দ্র সিং ধোনি যে ধরণের বল ধরেন তা বিস্ময়কর। আমি তার সামনে বোলিং করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছি। যখন তিন উইকেটরক্ষকের র‍্যাঙ্কিং’র কথা আসে, তখন অশ্বিন ধোনিকে শীর্ষে রাখেন, তারপরে ঋদ্ধিমান সাহা এবং দিনেশ কার্তিককে তিন নম্বরে রাখেন।

অশ্বিন দীনেশ কার্তিকের অনেক প্রশংসা করেছেন কিন্তু তিনি ধোনিকে শীর্ষে রেখেছেন। তিনি বলেন যে, আমি তামিলনাড়ুতে দীনেশের সাথে প্রচুর ক্রিকেট খেলেছি, তবে যখন এক নম্বরে কারও নাম নেওয়ার কথা আসে, তিনি হলেন ধোনি। অশ্বিনের কথায়, ধোনি যখন উইকেটের পিছনে থাকেন, তখন সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোও সহজ মনে হয়। চেন্নাইয়ের মাটিতে এড কোবানের উইকেটের কথা মনে করিয়ে অশ্বিন বলেন যে উদাহরণ হিসাবে আপনি তার স্টাম্প দেখতে পারেন যখন তিনি(এম এস ধোনি) খুব সহজে এমন কঠিন স্টাম্প আউট করেছিলেন।

Rohit Sharma অশ্বিনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ অধিনায়ক রোহিত শর্মা

rahit-sharma

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতীয় টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা অভিজ্ঞ অফ-স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের প্রশংসা করতে গিয়ে বলেছেন, টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মাঝামাঝি ওভারে রবিচন্দ্রন অশ্বিন “সর্বদাই আক্রমণাত্মক বিকল্প।” নব নিযুক্ত টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক রোহিত নিউজিল্যান্ডের ৩-০ সুইপে তার দলের বোলিংকে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হিসাবে বেছে নিয়েছেন। 

সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাড়ে চার বছর পর দুর্দান্ত সাদা বল হাতে প্রত্যাবর্তন করে, ৩৫ বছর বয়সী অশ্বিন কিউইদের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের সিরিজে বেশ প্রভাব ফেলেছিলেন, ইনিংসের মাঝের ওভারে রানের গতি আটকে রেখে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এনেছিলেন টিম ইন্ডিয়ার হয়ে।

রোহিতের কথায়,”অধিনায়কের জন্য সে সবসময়ই আক্রমণাত্মক বিকল্প। যখন আপনার স্কোয়াডে তার মতো কেউ থাকে, এটি আপনাকে সর্বদা মাঝখানে উইকেট নেওয়ার সুযোগ দেয় এবং আমরা বুঝতে পারি সেই পর্বটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ।”

rohit-virat

অধিনায়ক রোহিত শর্মা অশ্বিনের প্রশংসায় বলেছেন, “দুবাইতে খেলার পর থেকে এবং এখন পর্যন্ত এটি একটি দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। সে একজন দক্ষ এবং যোগ্যতা সম্পন্ন বোলার, এটা আমরা সবাই জানি।

ভারতের টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক অশ্বিনের প্রশংসায় এও বলেছেন “কয়েক বছর ধরে সে লাল বলে এবং এমনকি সাদা বলেও নিজেকে প্রমাণ করেছে তার কোনো খারাপ রেকর্ড নেই। যেভাবে সে ফিরে এসেছে এবং দুবাইতে বোলিং করেছে এবং তারপরে এখানে দুটি ম্যাচ করেছে। বোলার হিসেবে এটা তার গুণগত মাণকেই তুলে ধরে।”

জয়পুর এবং রাঁচিতে 4-0-23-2 এবং 4-0-19-1 এই পরিসংখ্যান নিয়ে ফিরেছেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। অক্ষর প্যাটেলের সঙ্গে তিনি ইনিংসের মাঝামাঝি ওভারগুলিতে রানের গতিকে আটকে রেখেছিলেন।

অধিনায়ক রোহিত শর্মা প্রশংসার সুরে আরও বলেছেন,”আমরা সকলেই জানি, ম্যাচ ইনিংসের (মাঝের ওভারে) আপনাকে রান রেট, স্কোরিং হারের ওপর ব্রেক লাগাতে হবে এবং উইকেট নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে তাই আমি মনে করি অশ্বিন অক্ষরের সাথে মাঝখানে আমাদের এটি সরবরাহ করে।”

অশ্বিন এবং অক্ষর জোড়া ফালা নিয়ে রোহিতের বাঁধ ভাঙা প্রশংসা হল,”এই দু’জনই মাঝখানে উইকেট নেওয়ার বিকল্প এবং সর্বদা ‘আমি কীভাবে ব্যাটসম্যানকে আউট করতে পারি বা কীভাবে ব্যাটসম্যানের ওপর চাপ দিতে পারি’ ম্যাচ সিচুয়েশনে লক্ষ্যের বদল ঘটায়।”

রোহিতের কথায়,”তারা সব সময় সঙ্গে থাকে, তাই একজন অধিনায়কের পক্ষে তাদের মতো মাঝখানে থাকা (মাঝের ওভারে) সবসময়ই একটি ভাল বিকল্প, সেই গুরুত্বপূর্ণ ওভারগুলোতে বোলিং করা এবং উইকেট নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা।”

বর্তমানে টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরাজয়ের পরে সবকিছু ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য কী করেতে চাইছে জানতে চাইলে রোহিত বলেছেন, “আমরা দলে একটা স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছি, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা করছি যাতে তারা বাইরে গিয়ে অকুতোভয় খেলতে পারেন।

অশ্বিনের ‘ব্যাক ফ্লিপ’ ডেলিভারি নিয়ে দরাজ সার্টিফিকেট সচিনের

Sachin's certificate with Ashwin's 'back flip' delivery

Sports desk: টি-২০বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউটে ভারত (India) নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিরুদ্ধে ৬৬ রানে টুর্নামেন্টে প্রথম জয় পেয়েছে। আফগানদের (Afgan) বিরুদ্ধে সাড়ে চার বছর পর সাদা বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১৪ রানে ২ উইকেট নিয়ে জ্বলে ওঠেন।

দীর্ঘ সাড়ে চার বছর পর চলতি বিশ্বকাপে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের পারফরম্যান্স দেখে অভিভূত ভারতের কিংবদন্তী ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকর। বিশেষত, অশ্বিনের ‘ব্যাক ফ্লিপ’ ডেলিভারি নিয়ে এতটাই উল্লসিত মাস্টার ব্লাস্টার যে সামাজিক মাধ্যমে স্যাডো বোলিং ডেলিভারির মাধ্যমে গোটা বোলিং অ্যাকশনকে বিশ্লেষণ করেছেন।

বৃ্হস্পতিবার সচিন বলেন,”অশ্বিনের আলাদা ভেরিয়েশন বোলিং ডেলিভারি হল ব্যাক ফ্লিপ। যা পিছন থেকে ছাড়া হয় আঙুলের সাহায্যে ক্যারাম বলের মতো।” সচিন স্যাডো বোলিং অ্যাকশন করে দেখান যে,”ডান হাতের তর্জনীতে বলকে ভারসাম্যে রেখে ডানহাতের বুড়ো আঙুল পিছনে ঠেলে দিয়ে এই ব্যাক ফ্লিপ ডেলিভারি করা হয়ে থাকে।”

চার বছর পর রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে ম্যাচে বল করতে দেখে সচিনের প্রতিক্রিয়া,”কিভাবে তিনি ম্যাচে নিজেকে এক্সিকিউট (পারফরম্যান্স মেলে ধরা) করেছে তা সুপার্ব।”

অশ্বিনের ব্যাক ফ্লিপ ডেলিভারি প্রসঙ্গে সচিন বলেন “এই ডেলিভারি আঙুলের পিছন থেকে রিলিজ করা হয়। ক্যারাম বলে ব্যাক ফ্লিপ ডেলিভারি রিলিজ হতেই ঘুরতে থাকে। কিন্তু আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিরুদ্ধে সাদা বলের ম্যাচে ব্যাক ফ্লিপ ডেলিভারি রিলিজ হতে ইনসুইং ডেলিভারি হয়েছে, বলের সিম পজিশনে ওই ডেলিভারি সাদা বলে লেগ স্লিপমুখি হয়ে থাকে। আর অন্যদিকে আউটসুইং ডেলিভারির ক্ষেত্রে সিম মুভমেন্ট প্রথম এবং দ্বিতীয় স্লিপ মুখি হয়ে থাকে, যা আউটসুইং’র মতো মুভ করে।”

সচিন এখানে অশ্বিনের বোলিং ডেলিভারির উন্নতির প্রশংসা করে বলেন,”ভারতের (India) নেট সেশনে অশ্বিনের এই ডেলিভারি হয়তো কেউই পায়নি ফেস করার জন্য ব্যাটিং সেশনে।” এখানেই অশ্বিনের কৃতিত্ব বোঝাতে গিয়ে মাস্টার ব্লাস্টার বলেন,”আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিরুদ্ধে ৪ ওভার বল করেও অশ্বিন কোনও বাউন্ডারি খায় নি। এই ধরনের ডেলিভারি ফেস করার জন্য অনুশীলনের দরকার আর অশ্বিন নিজের অভিঞ্জতা দিয়ে আফগানিস্তানের (Afghanistan) বিরুদ্ধে বল করায় ব্যাটসম্যানরা (আফগান) সহজে মানিয়ে নিতে পারছিল না।” সচিনের কথায়,”এই জয়, বড় জয় ৬৬ রানে আমাদের জন্য জরুরি ছিল।ভারত (India) ভাল খেলেছে ওয়েল ডান ইন্ডিয়া (India) । “

অশ্বিনের পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপের শেষ চারে যাওয়ার ক্ষীণ আশা অটুট

Ashwin

Sports desk: সিনিয়র অফ-স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন (Ashwin) আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ ম্যাচে সাদা বলে প্রত্যাবর্তন করেছেন। এই ম্যাচে ১৪ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন অশ্বিন। ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি এই প্রসঙ্গে বলেছেন, দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ছাপ রেখেছেন, টি-২০ বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের বিরাট জয়ের মধ্যে অশ্বিনের পারফর্ম সেরা জিনিস।

বুধবার বিরাটের কথায়, অশ্বিন চার বছর পর সাদা বলের ম্যাচ খেলেছেন এবং তিনি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের ৬৬ রানের জয়ের একজন কারিগর, যা তাদের সেমিফাইনালে পৌঁছানোর ক্ষীণ সম্ভাবনাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল।

ভারত অধিনায়ক বলেন “অ্যাশের প্রত্যাবর্তন সবচেয়ে বড় ইতিবাচক ছিল, এটি এমন একটি জিনিস যার জন্য তিনি সত্যিই কঠোর পরিশ্রম করেছেন।” ম্যাচের পরে সাংবাদিকরা কোহলিকে জিজ্ঞাসা করেছিল জয়ের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার কী ছিল। টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক বিরাট কোহলি বলেন, “তিনি (অশ্বিন) আইপিএলেও এই নিয়ন্ত্রণ এবং ছন্দ দেখিয়েছেন। তিনি একজন উইকেট-টেকার এবং একজন স্মার্ট বোলারও।”

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে জুনে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন অশ্বিন। অবশেষে প্রায় সাড়ে চার মাস পর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচে মাঠে নামেন। রহস্য স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীর বাঁ-কাফের পেশিতে সমস্যা তৈরি হওয়ার পরে তাকে(অশ্বিন) প্রথম একাদশে রাখা হয়েছিল।