झारखंड में समय से पहले हो सकता है विधानसभा चुनाव

रांची : झारखंड विधानसभा चुनाव को लेकर चुनाव आयोग एक्टिव हो चुका है। इसकी तैयारी और समीक्षा को लेकर भारत निर्वाचन आयोग की 6 सदस्यीय टीम बुधवार को झारखंड पहुंची पतरातु के लेक रिजॉर्ट में समीक्षा बैठक हो रही है. बैठक दो सत्र में चल रहा है।

पहले सत्र की बैठक 10 जुलाई के देर रात तक चली थी। जिसमें चार राज्यों के चुनाव एक साथ कराने को लेकर संकेत मिले हैं. अगर ऐसा हुआ तो राज्य में समय से पहले यानी कि अक्टूबर में विधानसभा चुनाव हो सकता है। बैठक में भारत निर्वाचन आयोग के साथ-साथ झारखंड निर्वाचन आयोग के अधिकारी शामिल हुए।

गुरुवार को 11 को दूसरे सत्र की बैठक सुबह 8:30 से शुरू हुई है. जो शाम 6:00 बजे तक चलेगी। इस समीक्षा बैठक में झारखंड के सभी जिलों के जिला निर्वाचन पदाधिकारी सह उपायुक्त शामिल हुए हैं. जिसमें विधानसभा चुनाव को लेकर मतदाता सूची के प्रकाशन पुनरीक्षण समेत सुरक्षा व्यवस्था को लेकर चर्चा हो रही है।

बैठक के बाद ही झारखंड विधानसभा चुनाव की तारीख की अंतिम रूपरेखा तय होगी। बैठक में भारत निर्वाचन आयोग के वरीय उप-निर्वाचन आयुक्त धर्मेंद्र शर्मा और नीतेश व्यास प्रधान सचिव अरविंद आनंद झारखंड निर्वाचन आयोग के सीईओ के रवि कुमार शामिल हैं। भारत निर्वाचन आयोग की टीम के सदस्य जिला निर्वाचित पदाधिकारियों से उनके जिलों में चल रहे चुनाव की तैयारियों की जानकारी ले रहे हैं। साथ ही, उन्हें जरूरी दिशा-निर्देश दें रहे हैं।

झारखंड में विधानसभा चुनाव समय से पहले अक्तूबर में हो सकता है। झारखंड सरकार का कार्यकाल नवंबर तक है। इससे पहले चुनाव की प्रक्रिया खत्म कर सरकार का गठन कर लिया जाना है। इस साल तीन अन्य राज्यों हरियाणा, महाराष्ट्र व जम्मू कश्मीर में भी चुनाव होने हैं। ऐसे में चारों राज्यों का चुनाव एक साथ कराने की तैयारी की जा रही है। झारखंड में 2014 और 2019 में हुए विधानसभा चुनाव पांच-पांच चरण में हुए थे। लेकिन इस भारत निर्वाचन आयोग झारखंड में दो से तीन चरणों में चुनाव संपन्न कराने की तैयारी में है। इसके लिए भारत निर्वाचन आयोग की टीम शांतिपूर्ण संपन्न हुए लोकसभा चुनाव को आधार मानकर कार्यवाही कर सकती है।

করোনা বিধি মেনে যথাসময়েই পাঁচ রাজ্যে ভোট হবে: নির্বাচন কমিশনার

Election Commissioner

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ২০২১-এর এপ্রিল-মে মাস নাগাদ দেশজুড়ে আছড়ে পড়েছিল করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (second wave) । দ্বিতীয় ঢেউয়ে দেশে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (assembly election ) অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের পরেই সংক্রমণের (infection) সংখ্যা হু হু করে বেড়ে যায়। কিন্তু সেই ঘটনা থেকেও কোনও শিক্ষা নিল না নির্বাচন কমিশন।

বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র (sudhil chanda) জানিয়েছেন, আগামী বছরের শুরুতেই যথাসময়ে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হবে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।

২০২২-এর শুরুতেই যে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট রয়েছে সেগুলি হল পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, গোয়া এবং মণিপুর। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, প্রতিটি রাজ্যে সব রাজনৈতিক দলই চাইছে যথা সময়ে ভোটগ্রহণ হোক। তাই আমরা নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছি না। যথাসময়ে নির্বাচন হবে। করোনাজনিত বিধিনিষেধ মেনেই হবে ভোটগ্রহণ। এজন্য সব রাজ্যেই বুথের সংখ্যা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীলচন্দ্র এদিন বলেন, শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশ এবার ১১ হাজার বুথ বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি ভিড় এড়াতে বাড়ানো হয়েছে ভোট দানের সময়সীমাও। সকাল ৬টা থেকে ভোট শুরু হয়ে চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, পাঁচ রাজ্যে যথা সময়ে ভোট করা যায় কিনা তা খতিয়ে দেখতে কমিশন এক প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল। সেই প্রতিনিধিদলের রিপোর্ট ছিল ইতিবাচক। সেই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই বলা হচ্ছে নির্দিষ্ট সময়ে ভোট গ্রহণ করতে কোন সমস্যা হবে না। এখনই নির্বাচনী সভা-সমাবেশের উপরও কোনওরকম নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে না বলেও সুশীল চন্দ্র জানান।

তবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে সব রাজনৈতিক দলকে করোনাজনিত বিধিনিষেধ মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, যাঁদের বয়স ৮০ বা তার বেশি, যাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং যাঁরা শারীরিকভাবে অক্ষম তাঁরা মনে করলে বাড়িতে বসেই ভোট দিতে পারবেন। এজন্য কমিশন সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। যে সমস্ত ভোট কর্মী ভোটগ্রহণের কাজে যুক্ত থাকবেন তাদের অবশ্যই করোনার টিকার দুটি ডোজ নেওয়া বাধ্যতামূলক।

সবকা সাথ সবকা বিকাশ মডেলে চলছে দেশ, হিমাচল প্রদেশের জনসভায় দাবি মোদীর

Modi demands at public meeting in Himachal Pradesh

প্রতিবেদন, ২০২২-এর শেষ দিকে হিমাচল প্রদেশ (himachal pradesh) বিধানসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে সলতে পাকানোর কাজটি এখন থেকেই শুরু করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ( narendra modi)। সোমবার প্রধানমন্ত্রী হিমাচল প্রদেশের একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস করেন। এই প্রকল্পগুলির জন্য ব্যয় হচ্ছে ২৮ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা।

এদিনই রাজ্যের জয়রাম (jairam thakur) ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের চার বছর পূর্তি হল। সরকারের ৪ বছর পূর্তিতে এই প্রকল্পগুলির শিলান্যাস করেন মোদি। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর নিজেদের জেলা মান্ডিতে (mandi) একটি মিছিলেও অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই মিছিল শেষে এক জনসভায় ভাষণ দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী এদিন মান্ডিতে একটি ১১ হাজার কোটি টাকার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের দুটি মডেল হয়। একটি হল ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’। আর একটা হল ‘খুদ কা স্বার্থ পরিবার কী স্বার্থ’। তাঁর সরকার প্রথম মডেলটি অনুসরণ করে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে মোদী যে কংগ্রেসকেই কটাক্ষ করেছেন সেটা রাজনৈতিক মহলের কাছে স্পষ্ট।

প্রধানমন্ত্রী এদিন এই পাহাড়ি রাজ্যের বাসিন্দাদের আশ্বাস দেন, পাহাড়কে প্লাস্টিক মুক্ত করার জন্য সব ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। প্লাস্টিকের জন্যই পাহাড়ের পরিবেশের প্রচুর ক্ষতি হচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।
প্রধানমন্ত্রী এ দিন সাওরা-কুদ্দু জল বিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। ১১১ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ২ হাজার ৮০ কোটি টাকা। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এদিন রেনুকাজি বাঁধ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। এই বাঁধের ফলে উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, দিল্লিতে সেচের সুবিধা হবে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী যেমন ঘনঘন ওই রাজ্যগুলিতে সফরে যাচ্ছেন, তেমনই এবার তাঁর হিমাচল প্রদেশের আসাও বাড়তে চলেছে। কারণ ২০২২- এর একেবারে শেষ দিকে এই পার্বত্য রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রী চান না, এই পাহাড়ি রাজ্যটি বিজেপির হাতছাড়া হোক। যদিও কিছুদিন আগে এ রাজ্যের কয়েকটি বিধানসভা ও লোকসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনে বিজেপি অত্যন্ত খারাপ ফল করেছে। সে কারণে আগামী নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই সেই ক্ষত মেরামতে উদ্যোগী হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

Uttar Pradesh: ওমিক্রন উদ্বেগ, ভোট পিছানোর অনুরোধ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

Uttarpradesh: Omicron concerns, Allahabad court requests to withdraw vote

প্রতিবেদন, ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল। ওই নির্বাচনের পরেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে আছড়ে পড়েছিল করোনার দ্বিতীয় ঢেউ (second wave)। বহু মানুষ অকালেই প্রাণ হারিয়েছিলেন। কেউই আর সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি কোনওভাবে চাইছে না। সে কারণে এলাহাবাদ হাইকোর্ট (allahabad high court) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (narendra modi) কাছে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন (assembly election) পিছিয়ে দেওয়ার আরজি জানাল। প্রধানমন্ত্রী এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে এলাহাবাদ হাইকোর্টের অনুরোধ, দয়া করে দেশের বৃহত্তম রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন অন্তত এক-দু’মাস পিছিয়ে দেওয়া হোক।

বৃহস্পতিবার একটি মামলার শুনানি চলছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি শেখর যাদবের এজলাসে। সেখানেই বিচারপতি যাদব বলেন, করোনার সংক্রমণ এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এরইমধ্যে করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন ক্রমশই সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। তাই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল উত্তরপ্রদেশে জনসভা করতে শুরু করেছে। কিন্তু এই জনসভাগুলি অবিলম্বে বন্ধ না করলে দ্বিতীয় ঢেউয়ের থেকেও ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে আমাদের।

বিচারপতি যাদব আরও বলেন, ওই জনসভাগুলিতে কাউকেই সামাজিক দূরত্ব বিধি মানতে দেখা যাচ্ছে না। বেশিরভাগ মানুষের মুখে মাস্ক থাকছে না। এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ, অবিলম্বে সমস্ত নির্বাচনী জনসভাগুলি বাতিল করে দেওয়া হোক। মানুষ প্রাণে বাঁচলো তো সব হবে। দু-এক মাস পর ভোট হলে কিছু এসে যাবে না। প্রয়োজনে উত্তরপ্রদেশের ভোট দু-এক মাস পিছিয়ে দেওয়া হোক। যেভাবে ওমিক্রনের সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে তাতে যদি ভোট পিছিয়ে দেওয়া না হয়, যদি এভাবেই জনসভা চলতে থাকে তবে তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।

এই অনুরোধ জানাতে গিয়ে বিচারপতি যাদব পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের কথাও টেনে এনেছেন। তিনি বলেছেন, আমরা দেখেছি পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, তামিলনাড়ু-সহ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচনে পর কিভাবে করোনা ছড়িয়ে পড়েছিল। কিভাবে মৃত্যু হয়েছিল হাজার হাজার মানুষের। ইতিমধ্যেই বিশেষজ্ঞরা জানিয়ে দিয়েছেন, ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে করোনার প্রকোপ শীর্ষে পৌঁছতে পারে। ঠিক ওই সময়েই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। তাই প্রধানমন্ত্রী এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ, ভোট কিছু দিন পিছিয়ে দিন। মানুষ যদি সুস্থ থাকে তাহলে কয়েক মাস পরে ভোট হতে কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু নির্বাচনী ঢেউয়ে গা ভাসালে আগামী দিনে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে ভেসে যাবে রাজ্য।

উল্লেখ্য, নির্বাচনের দিন তারিখ ঠিক করার ব্যাপারে আদালত কখনও কমিশনকে সরাসরি কোনও নির্দেশ দিতে পারে না। সে কারণেই বিচারপতি শেখর যাদব কমিশনকে ভোট কিছুদিন পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

Goa Polls: তৃণমূলের নতুন বন্ধু মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টি

Trinamool's new friend Maharashtrabadi Gomantak Party

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনের (assembly election) আগেই গোয়ায় (Goa) এক বন্ধুকে পেয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবার সন্ধ্যায় ঘোষণা হল, গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ও মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক (Maharashtrawadi Gomantak Party) পার্টি জোট বেঁধে নির্বাচনে লড়বে। জোটের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে গত কয়েকদিন ধরেই তলে তলে প্রস্তুতি চলছিল।

রবিবার রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ (rajyashava) লুইজিনহো ফেলেইরো গোয়ায় তৃণমূলের (trinamul congress) দায়িত্বে থাকা মহুয়া মৈত্র (mahua moitra) এবং এমজিপির নেতা দীপক ধাবালিকর এক বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে জোটের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। তবে জোট গঠনের বিষয়টি সোমবার সরকারি ভাবে জানানো হয়নি।

সম্ভবত আগামী ১৩ ডিসেম্বর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়া এসে জোটের বিষয়টি ঘোষণা করবেন। গোয়া বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই জোট বিজেপির কাছে বড় ধাক্কা। কারণ মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টি একসময় বিজেপির জোট সঙ্গী ছিল। ২০১৭ বিধানসভা নির্বাচনে এই দল তিনটি কেন্দ্র তে যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে অবশ্য তাঁরা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যাচ্ছেন।

এর আগে গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সঙ্গেও জোট করার পথে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। গত মাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন গোয়া সফরে গিয়েছিলেন সে সময় গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির কার্যকরী সভাপতি কিরণ কান্ডোলকর নিজেই মমতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। কিন্তু জোট নিয়ে কথাবার্তা চলাকালীন হঠাৎই জিএফপির কার্যকরী সভাপতি কিরণ নিজেই তৃণমূলে যোগ দেন।

তবে কিরণ তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় বেজায় চটেছেন জিএফপির সভাপতি বিজয় সরদেশাই। তিনি সাফ জানিয়েছেন, তৃণমূল পিছন থেকে ছুরি মেরেছে। এই দল অত্যন্ত নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছে। শুধু তাই নয়, এরপরই কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করার কথা ঘোষণা করেছে জিএফপি। গোয়ার উত্তরাংশে এই দলের শক্তি যথেষ্টই বেশি বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। গোয়ায় ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোমন্তক পার্টি ১১ শতাংশ ভোট পেয়েছিল।

তবে গোয়ায় তৃণমূলের সঙ্গে এমজিপির জোট নিয়ে কটাক্ষ করেছে কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রণব ঝা। তিনি বলেছেন, গোয়ায় তৃণমূলের নিজের কিছুই নেই। ওরা ভাড়া করা কিছু লোকজন নিয়ে লড়াই করার চেষ্টা করছে। ওরা বিভিন্ন অংক কষে ছোট দলগুলির সঙ্গে জোট করে বিজেপির সুবিধা করে দিতে চাইছে। পাশাপাশি ভোটে লজ্জাজনক পরাজয়ের দায় ছোট দলগুলোর উপর চাপানোর জন্য এখন থেকেই রাস্তা তৈরি করে রাখতে চাইছে তৃণমূল।

Utter Pradesh: বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে শূন্য হয়ে যাবে কংগ্রেস, দাবি অখিলেশ যাদবের

Akhilesh Yadav

News Desk: আগামী বছরের শুরুতেই উত্তরপ্রদেশে (Utter Pradesh) বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। এই নির্বাচনে মূল লড়াই হতে চলেছে রাজ্যের শাসক দল বিজেপি (bjp) ও অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির মধ্যে (Samajbadi party)। আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক মহলের কেউই উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসকে (congress) ধর্তব্যের মধ্যে আনছেন না।

ইতিমধ্যেই বিজেপি ও সপার মধ্যে প্রচারের টক্কর শুরু হয়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সপা নেতা অখিলেশের বিরুদ্ধে জাতপাতের রাজনীতি ও গুন্ডারাজের অভিযোগ করেন। তার প্রেক্ষিতে কংগ্রেসকেও পাল্টা দিলেন অখিলেশ। সপা নেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস শূন্য হয়ে যাবে।

ঝাঁসিতে দলের এক সভায় অখিলেশ বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস তো প্রতিযোগিতাতেই নেই। কংগ্রেস নেতারা শুধু সংবাদমাধ্যমে ছবি তোলার জন্যই এ রাজ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হলে দেখা যাবে কংগ্রেস শূন্য হয়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে অখিলেশ দাবি করেন, আগামী নির্বাচনে রাজ্যের মানুষ বিজেপিকে ক্ষমতায় থেকে নিশ্চিতভাবেই হঠিয়ে দেবে। বিজেপির বিকল্প বলতে তো শুধু সমাজবাদী পার্টিই আছে। তাই আগামী নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টির ক্ষমতায় ফেরা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। অখিলেশ অভিযোগ করেন, নীতি ও আদর্শের দিক থেকে দেখতে গেলে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। তাই কংগ্রেস আগে স্পষ্ট করে জানাক, তারা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাই কিনা।

কংগ্রেসের পাশাপাশি অখিলেশ আক্রমণ করেছেন বিজেপিকেও। অখিলেশ সাফ জানিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে মানুষ বিজেপির মিথ্যা প্রতিশ্রুতির জবাব দেবে। যোগী সরকারকে ছুড়ে ফেলে দেবে এ রাজ্যের মানুষ। গেরুয়া দলের বোঝা উচিত, তাদের জন্য বুন্দেলখণ্ডের সব দরজা বন্ধ করে দিয়েছে আমজনতা। মানুষ আর কোনওভাবেই বিজেপিকে বিশ্বাস করে না। প্রতিদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব, কৃষকদের সমস্যা, পরিযায়ী শ্রমিকের দূরাবস্থা এসবই সমাজবাদী পার্টিকে উত্তরপ্রদেশের ক্ষমতায় নিয়ে আসবে।
অখিলেশ আরও বলেন বিজেপি খুনের রাজনীতি করে।

সে কারণেই তারা গাড়ির চাকার তলায় কৃষকদের পিষে মারে। নৃশংসতা ও অত্যাচারের দিক থেকে দেখতে গেলে ব্রিটিশ শাসনকেও লজ্জায় ফেলে দিয়েছে যোগী সরকার। বিজেপির একটাই লক্ষ্য, সেটা হল খুন করেও রাজত্ব কর। মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথকে কটাক্ষ করে অখিলেশ বলেন, এনকাউন্টার করে নিরীহ মানুষকে মেরে দিচ্ছে এই সরকার। যে নেতা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর নিজের নামে থাকা মামলা প্রত্যাহার করে নেয় তাঁর থেকে এর চেয়ে বেশি আর কি আশা করা যেতে পারে।