লখিমপুরে কৃষক হত্যার প্রতিবাদে বাংলায় রেল রোকো আন্দোলন

অনলাইন ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের লখিমপুরের গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষক হত্যা, কৃষি ও কৃষক বিরোধী তিনটি কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দেশজুড়ে রেল রোকো চলছে। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার আহ্বানে এই কর্মসূচিতে নেমেছে রাজ্যে বাম কৃষক সংগঠনগুলি।

সিপিআইএমের কৃষক সংগঠন সারা ভারত কৃষকসভার নেতৃত্বে আন্দোলন বিরাট ভূমিকা নিয়েছে। রাজ্যের সর্বত্র চলছে রেল রোকো। বাঁকুড়ায়। ওন্দা স্টেশনে রেল রোকো কর্মসূচি পালন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন কৃষকসভার বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক যদুনাথ রায় ও জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য তরুণ সরকার সহ অন্যান্যরা। 

তবে কৃষষ আন্দোলনে প্রতিবেশী বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক হামলার নিন্দা জানানো হয়। হামলার কড়া নিন্দা করেছে সিপিআইএম পলিটব্যুরো। একইসঙ্গে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সাম্প্রদায়িক মনোভাব ও রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সমালোচনাও করেছে সিপিআইএম। উত্তরপ্রদেশে কৃষকদের পিষে মারার নায়ককে আড়াল করতে সে রাজ্যে বিজেপি সরকারের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন বাম নেতারা। এক ঘন্টার অবরোধে খড়্গপুর-আদ্রা শাখায় রেল চলাচল ব্যাপক বিঘ্নিত হয়। সমস্যায় পড়েন সাধারণ রেলযাত্রীরা।

দেবীপক্ষের আবহেই বাংলায় পালিত হয়েছিল প্রতিবাদের অকাল রাখি বন্ধন

Rakhi Bandhan

বিশেষ প্রতিবেদন:এমনই এক দুর্গোৎসবের আবহে হয়েছিল অকাল রাখি। যা বাংলার রাখিবন্ধন উৎসব, যা সৌভ্রাতৃত্বের। যা আজকে পালিত হয় রাখি পূর্ণিমা দিনে তা আজ থেকে ১১৪ বছর আগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল অক্টোবর মাসে। সৌজন্যে রবি ঠাকুর, আর এমন অকাল রাখির কারণ কী ছিল তা জানে প্রত্যেক বাঙালি। তা ছিল বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।

দিনটি ছিল ১৯০৫ সাল বাংলার ৩০ আশ্বিন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে হলো রাখিবন্ধন উৎসব যা ছিল সম্প্রীতি – ভ্রাতৃত্বের বার্তাবাহক। গাওয়া হলো- ” বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল—পুণ্য হউক, পুণ্য হউক, পুণ্য হউক হে ভগবান ॥”

রাখির সঙ্গে বাংলা ও বাঙালির ইতিহাস জড়িয়ে অনেক আঙ্গিকে। সেখানে ধর্ম যেমন রয়েছে, আছে ইতিহাসের ছোঁয়া, আছে আবেগ। পুরাণ প্রসঙ্গও সেই কাহিনী বলে। মহাভারতের শিশুপাল বধ হত্যায় শ্রীকৃষ্ণের রক্তাক্ত হাতে ওড়না বেঁধে দিয়েছিলেন দ্রৌপদী। ভাইকে রক্ষায় বোনের সেই বাঁধন দেশজুড়ে পালিত হয় রাখি বন্ধন উদযাপনে।

বঙ্গভঙ্গ আইনে যখন ভাগ হচ্ছে দুই বাংলা, সেই অশান্ত মূহুর্তকে সম্প্রীতির বন্ধনে বেঁধেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আশ্বিনের সেই শুভক্ষণ তৎকালীন সময়ে স্থানও পেয়েছিল পঞ্জিকাতে। শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমার সঙ্গে অবশ্য এ রাখি বন্ধনের যোগ প্রায় নেই। যা আছে তা ভ্রাতৃত্বের এবং সম্প্রীতির। রাখি ‘পূর্ণিমার’ সঙ্গে যোগ না থাকলেও রাখি বন্ধন বলতেই উঠে আসে রবীন্দ্রনাথ প্রসঙ্গ। ফিরে আসে বঙ্গভঙ্গের সেই অস্থির সময়। লর্ড কার্জন তখন ভাইসরয়। ইংরেজরা দেশ ছাড়ার আগে বাংলা ভাগ করে যাবে, এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ১৯০৪ সালের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তা জানান হতেই দেশজুড়ে উঠল বিরোধিতার রব। বাংলা তখন জ্বলছে। রবীন্দ্রনাথের কলমে একের পর গর্জে উঠছে একের পর এক স্বদেশী কবিতা-গান। লিখলেন- “ধর্ম আমার মাথায় রেখে/ চলব সিধে রাস্তা দেখে/ বিপদ যদি এসে পড়ে/ সরব না, ঘরের কোণে সরব না, দু বেলা মরার আগে মরব না, ভাই, মরব না/আমি ভয় করব না ভয় করব না॥”

দিনটি ছিল ১৬ অক্টোবর ১৯০৫। বঙ্গভঙ্গের আইনের বিরুদ্ধে সকলকে একযোগে করে রুখে দাঁড়াতে শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শ্রী ভূপেন্দ্রনাথ বসু, শ্রী সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রী হীরেন্দ্রনাথ দত্ত, শ্রী রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, শ্রী বিপিনচন্দ্র পাল ডাক দিয়েছিলেন ঐক্যবন্ধনের। শহরজুড়ে বিলি হয়েছিল প্রচারপত্র। ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর, ৩০শে আশ্বিন বাঙালির ঐক্যবন্ধনের দিন ঘোষিত হয়েছিল। সকলের হাতে রাখি পরিয়ে সংযম গ্রহণের ডাক দিয়েছিলেন। প্রচারপত্রে বলা হয়েছিল,”ঐ দিন সমস্ত বাংলাদেশের কোথাও কোন গৃহে রন্ধন হইবে না। আমরা বাঙালিরা সেদিন উষ্ণ দ্রব্য ভোজন করিব না। বন-ভোজনের পারণের ন্যায় চিড়া মুড়কী, ফলাদি আহার করিয়া থাকিব৷ কেবল শিশুর জন্য দুগ্ধ জ্বাল দিতে অন্যত্র অগ্নি জ্বালিব চুল্লি জ্বালিব না। ঐ দিনকেই প্রতি বৎসর বাঙালির রাখি বন্ধনের দিন করিয়া স্মরণীয় করিয়া রাখিব।”

রানী চন্দ সম্পাদিত ‘ঘরোয়া’-তে ‘রবিকাকা’র সেই লড়াইকে ব্যক্ত করেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর কথায়, “রবিকাকা একদিন বললেন, রাখিবন্ধন-উৎসব করতে হবে আমাদের, সবার হাতে রাখি পরাতে হবে। ঠিক হল সকালবেলা সবাই গঙ্গায় স্নান করে সবার হাতে রাখি পরাব। এই সামনেই জগন্নাথ ঘাট, সেখানে যাব— রবিকাকা বললেন, সবাই হেঁটে যাব, গাড়িঘোড়া নয়। গঙ্গাস্নানের উদ্দেশ্যে, রাস্তার দুধারে বাড়ির ছাদ থেকে আরম্ভ করে ফুটপাথ অবধি লোক দাঁড়িয়ে গেছে— মেয়েরা খৈ ছড়াচ্ছে, শাঁক বাজাচ্ছে, মহা ধুমধাম – যেন একটা শোভাযাত্রা দিমুও ছিল সঙ্গে, গান গাইতে গাইতে রাস্তা দিয়ে মিছিল চলল— বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল—পুণ্য হউক, পুণ্য হউক, পুণ্য হউক হে ভগবান ॥” রবীন্দ্রনাথের সেই ডাক উপেক্ষা করতে পারেনি কেউ।

অবন ঠাকুরের কথায়, “ঘাটে সকাল থেকে লোকে লোকারণ্য, রবিকাকাকে দেখবার জন্য আমাদের চার দিকে ভিড় জমে গেল। স্নান সারা হল— সঙ্গে নেওয়া হয়েছিল এক গাদা রাখি। সবাই এ ওঁর হাতে রাখি পরালুম। অন্যরা যারা কাছাকাছি ছিল তাদেরও রাখি পরানো হল। হাতের কাছে ছেলেমেয়ে যাকে পাওয়া যাচ্ছে, কেউ বাদ পড়ছে না, সবাইকে রাখি পরানো হচ্ছে। গঙ্গার ঘাটে সে এক ব্যাপার। পাথুরেঘাটা দিয়ে আসছি, দেখি বীরু মল্লিকের আস্তাবলে কতকগুলো সহিসকে হাতে রাখি পরিয়ে দিলেন রবিকাকা। রাখি পরিয়ে আবার কোলাকুলি, সহিসগুলো তো হতভম্ব। হঠাৎই রবিকাকার খেয়াল গেল চিৎপুরের বড়ো মসজিদে গিয়ে সবাইকে রাখি পরাবেন। হুকুম হল, চলো সব। রওনা হলুম সবাই। গেলুম মসজিদের ভিতরে, মৌলবীদের হাতে রাখি পরিয়ে দিলুম। ওরা একটু হাসলে মাত্র।”

রবীন্দ্রনাথের জীবনস্মৃতি থেকে জানা যায় এই রাখি উৎসবের মন্ত্র বাতলে দিয়েছিলেন ক্ষেত্রমোহন কথক ঠাকুর। শুধু তাই নয়, এই রাখিবন্ধন উৎসবকে সেই সময় পঞ্জিকাতেও স্থান দিয়েছিলেন ক্ষেত্রমোহন। যদিও পরবর্তীতে সময়ে সঙ্গে সঙ্গে সেই দিন মুছে যায়। তবু শ্রাবণের রাখি উৎসবেই বারবার ফিরে আসে রবিপ্রসঙ্গ। কারণ ভাই-বোনের সম্পর্কের বাইরেও সমাজকে একসুতোয় বাঁধার উৎসবই যেন রাখিবন্ধন।
প্রসঙ্গত, ১৯০৫ সালের ৩০ শে আশ্বিন ছিল ১৬ অক্টোবর, কিন্তু ২০২১ সালে এ ৩০ শে আশ্বিন ১৭ অক্টোবর।

Weather Update: সুখবর, বাংলা থেকে বর্ষা-বিদায়

The rainy season is leaving Bengal

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: ​ষষ্ঠীর দিনেই সুখবর। রাজ্যের একাংশে থেকে বিদায় নিল বর্ষা। সোমবার রাজ্যের মালদহ ও দিনাজপুরের ওপর থেকে মৌসুমি বায়ু সরে গিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। পাশাপাশি শিলিগুড়ি, শান্তিনিকেতন, মেদিনীপুর থেকেও বিদায় নিয়েছে বর্ষা।

সাধারণত ১০ অক্টোবর রাজ্যের ওপর থেকে বর্ষা বিদায় নেয়। এবছর তার থেকে এক দিন পর কেটেছে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব। পুজোয় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে নিম্নচাপের জেরে। বৃষ্টি বাড়তে পারে ১৬ অক্টোবর থেকে।

পূর্বাভাস মতো, রবিবার পঞ্চমীর সকালে সামান্য বৃষ্টি হয় কলকাতায়। ষষ্ঠী, সপ্তমী মোটের উপর নির্বিঘ্নেই পুজো দেখতে বের হতে পারবেন সাধারণ মানুষ। তবে অষ্টমী থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপের জেরে দুই মেদিনীপুর-সহ দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও নদিয়া জেলায় আগামী ১৪ ও ১৫ তারিখ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১৩ তারিখ অষ্টমীতেও বৃষ্টি হবে রাজ্যের একাধিক জেলায়। কিন্তু উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া মোটামুটি ভালো থাকবে।

এদিকে বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকলেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। বজ্রবিদ্যুত্-সহ বৃষ্টি হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে। কলকাতায় আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে আন্দামান সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।

এদিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপ, গোয়া, কর্নাটক, কেরল, মাহে, পুদুচেরী, তামিলনাড়ু মহারাষ্ট্রের কোঙ্কন উপকূলের একাধিক জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি হয়েছে।
আজ সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৬ সর্বনিম্ন ৬৫ শতাংশ

বাংলার সংস্কৃতি যাত্রার ঝাড়বাতি নিভুনিভু

অনলাইন ডেস্ক, বাঁকুড়া:  কলকাতার চিৎপুরের পাশাপাশি গ্রামীণ বা শৌখিন যাত্রাপালার অন্যতম পীঠস্থান লালমাটির জেলা বাঁকুড়া। আগে শারদোৎসবের সময় থেকে নাওয়া-খাওয়ার সময় পেতেন না কলাকূশলীরা। গ্রামে গ্রামে বসত যাত্রা আসর। টিভি মোবাইল দাপট কাটিয়ে যাও বা ছিল করোনার হামলায় সেটাও গেছে।

কর্মহীন হয়ে পড়েছেন জেলার যাত্রা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন। শৌখীন যাত্রাপালার জন্য আলো, পোশাক, যন্ত্রানুসঙ্গ, মহিলা শিল্পী সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত মানুষ গুলির অবস্থা খুবই শোচনীয়।

অনেক উচ্চমানের শিল্পী পেশা বদল করতে বাধ্য হয়েছেন। অনেক আশা নিয়ে মৃতপ্রায় শিল্পকে আকড়ে বসে আছেন কয়েকজন। শিল্পীদের পোশাক ধুলো ঝেড়ে তুলে রাখেন নির্দিষ্ট জায়গায়। আশায় থাকেন হয়তো সুদিন ফিরবে।

দীর্ঘ দিন এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও মেলেনি ‘শিল্পী’ পরিচয়, মেলেনি সরকারী শিল্পীভাতা। আবারো গ্রামে গ্রামে বসবে যাত্রার আসর। কিন্তু তা আদৌ হবে কি?

Weather update: বাংলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস

Calcutta. Chance of Rain with Thunderstorms

নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে কলকাত-সহ বাংলার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও থাকছে। তবে শনিবার থেকে মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ থাকতে পারে, বৃষ্টির সম্ভাবনা কমবে। কিন্তু পুজোয় দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকছেই।

সূত্রের খবর, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে বাংলায়। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শুষ্ক আবহাওয়ার পরিস্থিতি থাকবে দক্ষিণবঙ্গে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, পুজোর আগে রবিবার উত্তর আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরের চার-পাঁচ দিনে সেটি পশ্চিম-উত্তর পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে ওডিশার দক্ষিণ ও অন্ধ্রপ্রদেশের উত্তর উপকূলে পৌঁছবে। তার প্রভাবে পুজোয় বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, বৃষ্টি হতে পারে অষ্টমীতে! নবমী ও দশমীতে কলকাতায় বৃষ্টি বাড়বে বলে পূর্বাভাস। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে দক্ষিণবঙ্গের মুখ ভার হলেও, পুজোর সময় উত্তরবঙ্গের আকাশ পরিষ্কার থাকবে৷ ৬ অক্টোবর থেকে, উত্তর পশ্চিম ভারতে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে, বাংলা থেকে কবে বর্ষা কবে বিদায় নেবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

এদিকে বৃষ্টি একটু থামতেই বেড়েছে তাপমাত্রা এবং ভ্যাপসা গরম। আজ শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬২ শতাংশ।
মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৭ শতাংশ।

এদিকে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ৬ অক্টোবর বর্ষা বিদায় শুরু হবে দেশে। উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলি থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেবে। বাংলায় বর্ষা-বিদায় নেয় অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এ বছর তা কিছুটা পিছবে বলেই আশঙ্কা।

ফুটবল থেকে রাজনীতি: কলকাতা ময়দানের সেরা বাঙালি স্ট্রাইকার দীপেন্দু বিশ্বাস

Dipendu Biswas

বিশেষ প্রতিবেদন: তিনি একমাত্র ফুটবলার যিনি কলকাতা মাঠে তিন প্রধানের জার্সিতে অধিনায়ক হয়েছেন। ভারতীয় সিনিয়র দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি।স্ট্রাইকারের পা থেকে এসেছে ক্লাব ফুটবলে ২৫০ এর বেশী গোল। তিনি দীপেন্দু বিশ্বাস (Dipendu Biswas)।

দীপেন্দূর বাবা বাঙালী আর মা ছিলেন কেরালার বাসিন্দা। স্বাভাবিকভাবেই তার জিনের মধ্যেই ছিল ফুটবল এবং রাজনীতি। আর দুটোই একসঙ্গে করেছেন তিনি নিজে। ১৯৯৬ সালে জামশেদপুরের টাটা ফুটবল একাডেমি থেকে গ্র্যাজুয়েশন শেষে মোহনবাগানে যোগদান।

Dipendu Biswas in East Bengal

দু’বছর (১৯৯৬, ১৯৯৭) সেখানে খেলে ১৯৯৮য়ে ইস্টবেঙ্গলে চলে যান। ১৯৯৯ সালে আবার মোহনবাগানে ফেরেন। সেখান থেকে দু’ বছরের জন্য (২০০০, ২০০১) ইস্টবেঙ্গলে ফেরা। ২০০২ আর ২০০৩ মহমেডানে কাটিয়ে ২০০৪য়ে তিনি মাহীন্দ্রা ইউনাইটেডে যোগ দেন। ২০০৫ আর ২০০৬য়ে মোহনবাগানে ফিরে আসেন। আর ২০০৭য়ে আবার খেলেন ইস্টবেঙ্গলে। ২০০৮য়ে যান জর্জ টেলিগ্রাফে। ২০০৯য়ে তৃতীয়বারের জন্য যান মহমেডানে এবং ২০১০য়ে সেখানে খেলে ২০১১তে ভবানীপুরে যান।

Dipendu Biswas with pele

২০১২তে আবার ফেরেন মোহনবাগানের হয়ে খেলার জন্য। ২০১৩তে আবার তিনি মহমেডানে যান। ২০১৪ অবসরে থেকে, ২০১৫তে টালিগঞ্জ অগ্রগামীর হয়ে খেলেন, কোচ হবার অফার ফিরিয়ে দিয়ে। প্রায় দুই দশক ভারতীয় ফুটবলে দাপিয়েও তখনো ফুটবলের নেশায় বুঁদ ছিলেন তিনি৷ ২০১৬তে মহমেডানের হয়ে শেষবারের মত খেলেন তিনি। ভারতের হয়ে খেলেছেন প্রাক অলিম্পিক, প্রাক বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ, সাফ গেমস আর আফ্রো-এশিয়ান গেমসে।

২০১৭তে মহমেডানের ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান হন তিনি। ২০১৯য়ে তাদের কোচ হন আর ২০২০তে তিনি ছিলেন একই সঙ্গে মহমেডানের সেক্রেটারী ও টেকনিকাল ডিরেক্টর। তারই অধীনে মহমেডান দল ৮ই অক্টোবর ২০২০ থেকে আইলীগের ২য় ডিভিসনে খেলতে নেমেছিল কলকাতায়।

Dipendu Biswas witm mamata

রাজনীতির ময়দানে প্রবেশ ২০১৪সালে। বসিরহাট থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে লড়ে বিজেপি-র শমীক ভট্টাচার্যর কাছে হেরে যান তিনি। ২০১৬র বিধানসভা ভোটে সেই বিজেপি-র শমীক ভট্টাচার্যকেই ২০০০০ ভোটেরও বেশী ব্যবধানে হারিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ৫ বছরের জন্য বিধানসভা সদস্য হন তিনি। তারপর বহু পথ পেরিয়ে এখন, এই মুহূর্তে তিনি রাজনীতির পেনাল্টি বক্সের বাইরে।

Dipendu Biswas in BJP

দীপেন্দু জাতীয় লীগ জেতেন মোট ৩ বার, যার মধ্যে ২বার ছিল মোহনবাগানের হয়ে (১৯৯৭ – ১৯৯৮ আর ১৯৯৯ – ২০০০) আর ১বার ইস্টবেঙ্গলের হয়ে (২০০০ – ২০০১)। ২০১৪ সালে তার নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু হয়। পি কে ব্যানার্জীর প্রিয় ছাত্র তাকে নিয়ে প্রবল আন্তঃক্লাব টানাটানি প্রমাণ করে ভারতীয় ফুটবলে তার কার্যকারিতা।

The Traveler: সাইকেল নিয়ে লাদাখের পথে বাংলার কৃষক ঠাকুরদাস

Thakurdas Shasmal

বিশেষ প্রতিবেদন: রিকশা নিয়ে লাদাখ যাত্রার ঘটনা নতুন নয়। এবার কিন্তু দূর গাঁয়ের কৃষক পাযে হেঁটেই দেশভ্রমণ করেছেন। সাইকেল নিয়ে চষে বেড়িয়েছেন কলকাতা-দিল্লি-মুম্বাই-চেন্নাই। এবার তাঁর গন্তব্য স্বপ্নের শহর লাদাখ (Ladakh)। 

সাইকেল নিয়ে গ্রামীণ হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর থেকে লাদাখের পথে পাড়ি দিলেন বছর ষাটের ‘যুবক’ ঠাকুরদাস শাসমল (Thakurdas Shasmal)। যদিও তিনি দাসুদা নামেই তিনি অধিক পরিচিত। পরিবেশবান্ধব ভ্রমণের বার্তা নিয়েই এবার তাঁর লাদাখ যাত্রা। তবে এবার দাসুদা একা নন তাঁর এই যাত্রায় সাথী হয়েছে সৌরভ ধাড়া, নবীন পালের মতো কলেজ পড়ুয়ারা। দাসুদা দলনেতা।

Thakurdas Shasmal

এবারে পঞ্চপান্ডবের লাদাখ জার্নি-বলাই যায়।লাদাখ এক স্বপ্ন ভূমি। বাইকার্সরা সেখানে গিয়ে স্বপ্নের জগৎ কে ছুঁতে ব্যাকুল হন। কিন্তু সাইকেলে ?! হ্যাঁ-এবার ব্যাতিক্রমী একটা সাইকেল ভ্রমণে-দাসুদা এন্ড কোং-লাদাখের পথে।পেশাগত জীবনে তিনি চাষী এবং নেশায় ভ্রমণকারী । দাসুদা ভিলেজ বাইকার্স এর সভাপতিও। সারা ভারতবর্ষের পথে পথে ঘুরে বেড়ায় করে “দ্যা ট্রাভেলর”। এবার লক্ষ্য লাদাখ। তার দলের এবারের মেসেজ-“পরিবেশ বান্ধব ভ্রমণ বা ইকো ফ্রেন্ডলি ট্রাভেলিং”।

Thakurdas Shasmal

উদয়নারায়ণপুরের বকপোতা ব্রিজ থেকে শুরু হয়েছে তাদের যাত্রা। পেশায় কৃষক সকলের প্রিয় দাসুদা জানান, “যাওয়া আসা মিলিয়ে প্রায় ছ’হাজার কিলোমিটার পথ। পুরোটাই আমরা সাইকেলে অতিক্রম করব। সাইকেল দূষণহীন যান। সেই বার্তাই চলার পথে মানুষের কাছে তুলে ধরব।” তিনি আরও জানান, এর আগেও একাধিকবার তিনি ভারত ভ্রমণ করেছেন।

Thakurdas Shasmal

ছোট থেকেই ঘোরার নেশায় বুঁদ হয়ে থাকতেন ঠাকুরদাস। আর্থিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও স্বপ্ন দেখতে দেশ ভ্রমণের। সেই নেশা মেটাতেই হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে একটি বাইক কেনেন ঠাকুরদাস। তা নিয়েই মাঝেমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাঝেমধ্যেই বেড়িয়ে যেতেন। ২০০৩ সালে ঠাকুরদাস বাবু ‘ভিলেজ বাইকার্স’ নামক সংগঠনটি গড়ে তোলেন। তারপর থেকেই বিভিন্ন ভাবে ভিন্ন উদ্দেশ্যে নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন বিভিন্ন প্রান্তে। যেমন ২০১৮ সালে মরণোত্তর চক্ষু ও দেহদানের বার্তা নিয়ে সাইকেলে কলকাতা-দিল্লি-চেন্নাই-মুম্বাই পাড়ি দিয়েছিলেন। তারপর ২০২০ সালে করোনা সচেতনতার বার্তা নিয়ে একই পথে পায়ে হেঁটে পাড়ি দিয়েছিলেন। এবার পরিবেশবান্ধব ভ্রমণের বার্তা নিয়ে তাঁর গন্তব্য স্বপ্নের শহর লাদাখ।

কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্তের জেরায় ইডি দফতরে অভিষেক

TMC General Secretary Abhishek Banerjee

নিউজ ডেস্ক: কয়লা কেলেঙ্কারির মামলায় অর্থ পাচারের অভিযোগে তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাউপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অফিসে পৌঁছলেন৷ নয়াদিল্লির ইডি কার্যালয়ে পৌঁছে সংবাদমাধ্যমকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডির জারি করা নোটিশের ভিত্তিতে সোমবার তিনি হাজির হয়েছেন। অভিষেক বলেন, তদন্তে তিনি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে পুরোপুরি সহযোগিতা করবেন।

দিল্লি যাওয়ার আগে অভিষেক বলেছিলেন, তিনি যেকোনও ধরনের তদন্তের জন্য প্রস্তুত। তবে কবে থেকে তদন্ত শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বলা হচ্ছে, অভিষেককে দ্বিতীয়ার্ধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে তাঁর স্ত্রীকেও এজেন্সি ডেকেছিল৷ কিন্তু তিনি করোনা মহামারীর কথা উল্লেখ করে বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুরোধ করেছিলেন।

ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, যদি কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা তাঁর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে কোনও অবৈধ লেনদেনে জড়িত থাকার প্রমাণ দেয়, তবে তিনি নিজেকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেবেন। একই সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেন, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিজেপি রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিচ্ছে।

তদন্তের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি যেকোন তদন্তের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। যদি তারা আমার বিরুদ্ধে প্রমাণ দিতে পারে, তাহলে ইডি এবং সিবিআই ব্যবহার করার দরকার নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, তারা টিএমসির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে পারে না, তাই এখন তারা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে এসেছে। তারা তাদের রাজনৈতিক স্বার্থকে আরও এগিয়ে নিতে তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করছে।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাঁর ভাইপো অভিষেকের বিরুদ্ধে কয়লা কেলেঙ্কারির মামলায় তদন্ত সংস্থা ব্যবহার করছে৷ যাতে বিজেপির পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়া যায়।

বাংলার ভাঁড়ার ‘গড়ের মাঠ’ হলেও পর্যাপ্ত করোনা টিকা পাচ্ছে গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ

Covid vaccination

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে করোনার টিকাকরণ কর্মসূচিতে গতি আনতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যে-রাজ্যে টিকাকরণ কর্মসূচি আরও জোরদার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে বাংলায় এখনও টিকার জোগান কম। অন্যান্য বেশ কয়েকটি রাজ্যে বাংলার চেয়েও বেশি পরিমাণ টিকা পাঠানো হয়েছে। সংসদে খোদ এই তথ্য দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। বাংলার চেয়েও বেশি টিকা পাঠানো হয়েছে গুজরাত, কর্ণাটক, উত্তর প্রদেশ-সহ পাঁচটি রাজ্যে।

পর্যাপ্ত টিকা পাঠানো হচ্ছে না বাংলায়। বারবার এই অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্র টিকা দিচ্ছে না বলেই রাজ্যের টিকাকরণ কর্মসূচি বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ সরকারের। প্রকাশ্যে টিকা নিয়ে বহু বার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিমাতৃসুলভ আচরণের অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি টিকা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও পাঠিয়েছেন তিনি।

এরপরেও পর্যাপ্ত টিকা পাঠানো হচ্ছে না বাংলায়। তবে বাংলা না পেলেও গুজরাত, কর্ণাটক উত্তরপ্রদেশ সহ পাঁচটি রাজ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তৃণমূল সাংসদ মালা রায় সংসদে জানতে চেয়েছিলেন,৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোতে কেন্দ্র কত টিকা পাঠিয়েছে?সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী টিকার বন্টন নিয়ে এই তথ্য তুলে ধরেছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৩০ জুন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গকে ২ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৮ হাজার ৭৬০ টিকার ডোজ পাঠানো হয়েছে।

দিল্লি থেকে নয়, বঙ্গেই মানুষের মাঝে ভরসা যোগাচ্ছেন অনির্বাণ গাঙ্গুলি

ডেস্ক: বঙ্গ বিজেপির নীতি নির্ধারণ কমিটির সদস্য তিনি, হামেশাই যাতায়াত লেগে থাকে দিল্লিতে৷ ভোটের ফলপ্রকাশের পর আচমকা দিল্লি যাওয়া নিয়েও দলের অন্দরে কম সমালোচনা হয়নি। তবে এবার আর দিল্লি নয়, সশরীরে পশ্চিমবঙ্গে এসে মানুষের পাশে দাঁড়ালেন ডঃ অনির্বাণ গাঙ্গুলি। আজ কুলতলি সংলগ্ন এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসা এবং ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত অভাবী মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন তিনি।

ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই শাসকদলের বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ করেছে বিজেপি। রাজ্যের দিকে দিকে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ওপর অত্যাচার, তাদের বাড়ি ভাঙচুর করার খবরও পাওয়া গিয়েছে। এমন টালমাটাল পরিস্থিতিতেই বোলপুরের বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, আক্রান্ত কর্মীদের পাশে না দাঁড়িয়ে সটান দিল্লি চলে গিয়েছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে হাজারো সমালোচনার মাঝেও কোনও মন্তব্য করেননি অনির্বাণ। তবে, পরে জানা গিয়েছিল, দিল্লিতে বসেই অনির্বাণ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন আক্রান্ত কর্মীদের দিকে। নিজের বিধানসভা আসন বোলপুরেও দলীয় কর্মীদের সাহায্য করেছেন তিনি।

তবে এবার আর দেশের রাজধানীতে থেকে নয়, সশরীরে উপস্থিত হলেন বঙ্গে। কুলতলি ও তার সংলগ্ন এলাকায় আক্রান্ত কর্মী ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন তিনি। সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে ভ্যানে চড়ে পৌঁছোলেন প্রত্যন্ত এলাকায়, কাঁচা রাস্তা দিয়েই হেঁটে দেখলেন গোটা এলাকা। অভাবী মানুষদের হাতে ত্রাণ তুলে দিতেও দেখা গেল তাঁকে।