আন্তর্জাতিক শিল্পমেলায় বাংলার মণ্ডপের থিমেও এবার ‘দুয়ারে সরকার’

Bengal Mandapa at the International Art Fair

News Desk: রাজধানী দিল্লির আন্তর্জাতিক শিল্পমেলায় (international trade fair) দুয়ারে সরকারের উন্নয়নমুখী থিমেই সেজেছে বাংলার মণ্ডপ। রাজ্যের সমস্ত জনপ্রিয় ও উন্নয়নমূলক সরকারি প্রকল্পকে দর্শকদের সামনে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ।

শুধু দুয়ারে সরকারই নয়, বাংলার সৌজন্যে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প উঠে এসেছে মণ্ডপসজ্জায়। রূপশ্রী, (rupashree) কন্যাশ্রী, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, স্বাস্থ্যসাথী (swasthasathi), লক্ষীর ভান্ডার-সহ বাংলার বিভিন্ন জনপ্রিয় প্রকল্পকের ভাবনাকে সামনে রেখে এবারের আন্তর্জাতিক শিল্পমেলায় নিজেদের প্যাভিলিয়ন সাজিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রবিবার সন্ধ্যায় দিল্লির প্রগতি ময়দানে আন্তর্জাতিক শিল্পমেলায় আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্যাভিলিয়নের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রিন্সিপাল রেসিডেন্ট কমিশনার কৃষ্ণ গুপ্তা (krishna gupta) এবং জনসংযোগ বিভাগের প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইসার আর ডি মীনা।

করোনা মহামারীতে গত বছর বন্ধ থাকার পর এবার ফের চালু হয়েছে এই আন্তর্জাতিক শিল্পমেলা। উদ্যোক্তাদের থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্যাভিলিয়নের মূল লক্ষ্য হল উন্নয়নের ক্ষেত্রে রাজ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতাকে তুলে ধরা। বিভিন্ন রেপ্লিকার মাধ্যমে রাজ্যের উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রকে চিত্রিত করে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের হস্তশিল্প বৈচিত্র্যের বিপুল সম্ভারও উঠে এসেছে এই প্রদর্শনীতে।

Bengal Mandapa at the International Art Fair

বাংলার সংস্কৃতির নিদর্শন হিসেবে দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দির, হাওড়া (howrah bridge) সেতু এবং ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের আদলে তিনটি প্রবেশদ্বার তৈরি করা হয়েছে। প্যাভিলিয়নের ঠিক মাঝখানে রাখা নিউটাউনের বিশ্ববাংলা গেটের আদলে তৈরি শিল্পকর্ম। গ্রামীণ ও শহুরে জীবনযাত্রার উন্নতি সাধন ও মেলবন্ধনে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। গ্রামীণ কারুশিল্পে রাজ্যের ঐতিহ্যকে হস্তশিল্প এবং তাঁত পণ্যের মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক শিল্প মেলায় তুলে ধরা হয়েছে। রয়েছে মঞ্জুষা, তন্তুজ, বঙ্গশ্রী, পশ্চিমবঙ্গ খাদি (khadi) ও গ্রামীণ শিল্প বোর্ড, রাজ্য রেশম শিল্পী সমবায় মহাসংঘ এবং বেশ কয়েকটি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সম্ভারও।

শিল্পমেলার প্রথম দু’দিন বাংলার প্যাভিলিয়নে ছিল উৎসাহী মানুষের ভিড়। মমতা সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প নিয়ে দর্শকদের খোঁজ নিতে দেখা যায়। বাংলার প্যাভিলিয়নে স্থান পেয়েছে রাজ্যের কুঠিরশিল্প, তাঁতিদের হাতে তৈরি শাড়ি ও পোশাক। ঠাঁই পেয়েছে কৃষি বিপণন, প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন, পর্যটনের (tourism) মতো দফতরও । যথারীতি জায়গা পেয়েছে বাংলার মন ভরিয়ে দেওয়া মিষ্টিও (sweet)। বাংলার হরেক কিসিমের মিষ্টি চেখে দেখতে ভিড় ছিল ভালই।

<

p style=”text-align: justify;”>উদ্যোক্তাদের পক্ষে কৃষ্ণ গুপ্তা বলেন, কোভিড পরিস্থিতির জন্য এক বছর পর আন্তর্জাতিক শিল্প মেলা হচ্ছে। এই মেলার মাধ্যমে  বাংলার বিভিন্ন প্রান্তের নিজস্ব শৈলীতে তৈরি পণ্য জাতীয় তথা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তুলে ধরাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। সেই ভাবনা থেকেই পশ্চিমবঙ্গের প্যাভিলিয়ন তৈরি করা হয়েছে।

BJP: পুরভোটে এলাকার আবর্জনার থেকে দলীয় ‘জঞ্জাল’ পরিষ্কারেই নজর দিলীপের

dilip ghosh

News Desk: পুর নির্বাচনের আগে হুড়মুড় করে দল ভেঙে যাওয়ার বিপদ সংকেত অনবরত আসতে শুরু করেছে বঙ্গ বিজেপি দফতরে। ভাঙন আচকানোর কিছুই পন্থা নেই রাজ্য নেতাদের। বিরোঘী দলের মর্যাদা ঠেকাতে পারবে না বিজেপি। এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছেন টিএমসি নেতারা।

উপনির্বাচনে পরপর পরাজয়, জামানত বাজেয়াপ্ত নিয়ে দলের অভ্যন্তরেই প্রশ্নবাণে জর্জরিত বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন,

জঞ্জাল ফাঁকা হোক যারা পার্টির অরিজিনাল কর্মী তাদেরকে নিয়েই পার্টি দাঁড়াবে আবার। জঞ্জাল আসে জঞ্জাল যায় ক্ষমতার সঙ্গে সবাই থাকতে চায়। ক্ষমতা নেই তাই হয়তো অনেকের অসুবিধা হচ্ছে।

একইসঙ্গে প্রবীণ বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়ের বিভিন্ন বিস্ফোরক টুইট বিতর্কের জবাব দিয়েছেন দিলীপবাবু। নির্বাচনের সময় আর্থিক লেনদেন নিয়ে তথাগত রায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ বলেন, যারা বলছেন তাদের দায়িত্ব প্রমাণ দেওয়ার, পাবলিকের সামনে কিছু বলে দিয়ে হয়তো নিজেকে ভালো করা যায় কিন্তু তার প্রমান সহ দেওয়া উচিত কারণ এটা শুধু পার্টি নয় সমাজের পক্ষে ঠিক নয়।

উপনির্বাচনে বিরাট ধাক্কা খেয়ে বিজেপি পুর নির্বাচনে নামছে। ইতিমধ্যেই হাওড়া পুর নিগমের ভোটে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। নারদা কাণ্ডে টাকা লেনদেনের প্রসঙ্গ ও ছবি টেনে শুভেন্দুবাবুকে ‘চোর’ বলার অভিযোগে জেলা বিজেপি সভাপতি বহিষ্কৃত হয়েছেন।

নিম্নচাপের জেরে রাজ্যে ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল

Rain in Bengal

News Desk: বৃষ্টি এবারে নাজেহাল করে ছেড়েছে রাজ্যকে। কালীপুজোর সময়ে একদম মেঘ মুক্ত আকাশ ছিল। ঢুকেছে শীতের হাওয়া, কিন্তু এবার ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আজ বুধবার পর্যন্ত উত্তুরে হাওয়া বাংলায় ঢুকবে,যা আসছিল উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে। তার হাত ধরেই শীতের মেজাজ এসেছে কলকাতা সহ সমগ্র দক্ষিনবঙ্গে। এবার তাতে কিছু পরিবর্তন হবে। বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। এর কারণ কী? আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, ‘পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামানের উপরে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে।

আগামী ১১ অক্টোবর অর্থাৎ বৃহস্পতিবারে সেটি নিম্নচাপে পরিণত হবে। তার প্রভাবে তামিলনাড়ু উপকূলে বৃষ্টি হবে। প্রভাব পড়বে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে। তালিকায় রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং মেদিনীপুরের কিছু অংশ। এখানে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমের জেলায় বজায় থাকবে শীতের আমেজ। উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। শুষ্ক সেখানে শীত বাড়বে”।

এদিকে বাড়ল কলকাতার তাপমাত্রাও। এমনটাই বলছে পারদমাপক যন্ত্র। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রয়েছে স্বাভাবিকের নীচে। যা পরিবর্তন হচ্ছে তা পুরোটাই সর্বনিম্ন তাপমাত্রায়। এমনটাই জানাল হাওয়া অফিস।

বুধবার কলকাতা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এক লাফে বেড়ে প্রায় কুড়ির কাছাকাছি চলে এসেছে। এদিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। আগামী ২৪ ঘন্টায় তা ৩০ থেমে ৩১এর আশেপাশেই ঘোরাফেরা করবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। গতকাল শহরের তাপমাত্রা ছিল ১৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন অর্থাৎ রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন ১৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ পারদ ওঠা নামা করছে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ৩০ ডিগ্রির আশেপাশে। একটি নিম্নচাপ রয়েছে। তার জন্য পারদ কিছুটা বাড়তে পারে পরে তা আবারও নামবে। তবে এখনই জাঁকিয়ে শীত নয় বলে স্পষ্ট করে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

Syed Mostaq Ali T20 Tournament: হেভিওয়েট কর্ণাটককে উড়িয়ে নক আউটে বাংলা

Bengal Team

স্পোর্টস ডেস্ক: কর্নাটককে ৭ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের নকআউটে চলে গেল বাংলা দল।

টসে জিতে তারকা খচিত কর্ণাটক ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। শক্তিশালী কর্ণাটকের বিরুদ্ধে বাংলা বোলাররা দাপটের সঙ্গে বোলিং করে এবং ১৩৪ রানে আটকে রাখে কর্ণাটককে। প্রথম ওভারেই মুকেশ কুমারের দুই ডেলিভারিতে ময়াঙ্ক আগারওয়াল এবং দেবদত্ত পাদিক্কালকে হারিয়ে কর্ণাটক ব্যাকফ্রুটে চলে যায়।

এরপর বাংলার স্পিনারদের আটোসাটো বোলিং’র মুখে পড়ে ম্যাচে কর্ণাটক দল নিজেদের স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলতে পারেনি। সাহবাজ আহমেদ ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে একটি উইকেট কর্ণাটক অধিনায়ক মনীশ পাণ্ডে (৩২) উইকেট নেয়। এরপরেই প্রদীপ্ত প্রামানিক পরপর দুই বলে ২ উইকেট নেয়। প্রথমে আকাশদীপের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরে করুন নায়ার (৪৪) এবং পরের বলে কাইফ আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে অনিরুদ্ধ (১২)প্যাভিলিয়নে ফিরে আসে। কর্ণাটক তখন ৫ উইকেটে ১০১ রান তুলেছে।

বাংলার বোলারদের মধ্যে মুকেশ কুমার ৩, প্রদীপ্ত প্রামাণিক ২, আকাশদীপ এবং সাহবাজ একটি করে উইকেট পেয়েছে। বাংলার হয়ে অভিমন্যু ঈশ্বরণ ৪৯ বলে ৫১ রানে নট আউট থাকেন। ঋদ্ধিমান সাহা ২৭,কাইফ আহমেদ ৩৪ রানে অপরাজিত থাকে। বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জী (৪), ঋতিক চ্যাটার্জী(১৮) রান করে।বাংলা ১৮ ওভারে ৩ উইকেটে জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় পৌছে যায়, ১৩৮ রানে।

Shobharani Dutta: অত্যাচারী ইংরেজ হত্যায় সিদ্ধ হস্ত ছিলেন এই অগ্নিকন্যা

Shobharani dutta

Special Correspondent, Kolkata: টেগার্ট থেকে এন্ডারসনের মতো অত্যাচারী ইংরেজদের হত্যার মূলে ছিলেন তিনিই। একাধিকবার জেলে গিয়েছেন। সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক শোভারানী দত্ত।

শোভারানি দত্তের জন্ম ১৯০৬ সালে, মৃত্য ১৯৫০ সাল ৯ নভেম্বর আজকের দিনে। তিনি অগ্নিযুগের বিপ্লবী অগ্নিকন্যা ছিলেন। হয়তো অনেকেই এনার নাম শুনেছে, কিন্তু তার বিষয়ে সবার কাছে জানা নেই। এই শোভারানি দত্তের জন্ম হয়েছিল কলকাতায় ১৯০৬ সালে। তার পিতার নাম ছিল যতীন্দ্রনাথ দত্ত। এনাদের পৈতৃক বাসস্থান ছিল বঙ্গদেশের খুলনায়। শোভারানি দত্তের মাতা বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির সভানেত্রী ছিলেন।

১৬ থেকে ১৭ বছর বয়সে ব্রাহ্ম গার্লস ট্রেনিং স্কুল থেকে পাশ করেন এবং বৃন্দাবনে বিপ্লবী বীর রাজা মহেন্দ্রপ্রতাপ প্রতিষ্ঠিত “প্রেম মহাবিদ্যালয়ে” শিক্ষাপ্রাপ্ত হন, শিক্ষাপ্রাপ্ত হয়ে পাঞ্জাবের নানাস্থানে ভ্রমণ করেন। শোভারানি দত্ত পাঞ্জাবের মহান বিপ্লবী নেতা ( পাঞ্জাবকেশরী নামেও পরিচিত ) লালা লাজপত রায়ের সঙ্গে পরিচয় হয় এবং তার পরিচয়ের মাধ্যমে বিপ্লবের প্রেরণা পান।

১৯৩০ সালে মাতা লাবণ্যপ্রভা দত্তের সঙ্গে কলকাতায় “আনন্দমঠ” প্রতিষ্ঠা করেন। নারীদের সত্যাগ্রহ সমিতির কর্মীরূপে আইন অমান্য আন্দোলনে যোগ দেন। তারা পলাতক বিপ্লবীদের আশ্রয় দিতেন ও নানাভাবে তাদের সাহায্য করতেন। ১৯৩০ সালের ২৫ শে আগস্ট বিপ্লবী দীনেশচন্দ্র মজুমদার ও অনুজাচরণ সেন মিলে কুখ্যাত ইংরেজ অত্যাচারী চার্লস টেগার্ট সাহেবের গাড়ি লক্ষ্য করে, গাড়ীতে বোমা নিক্ষেপ করেন।

পরে আরেকটি বোমা নিক্ষেপ করার গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় অনুজাচরণ সেনের। দুর্ভাগ্য বশত ধরা পড়ে যান বিপ্লবী দীনেশ চন্দ্র মজুমদার। এই কারণে পুলিশ চিরণী তল্লাশি চালায়, যার ফলে গ্রেপ্তার হয়– শোভারানি দত্ত, কমলা দাশগুপ্ত, শৈলরাণী দত্ত, ডা. নারায়ণ রায়, ভূপালচন্দ্র বসু, অদ্বৈত দত্ত, অম্বিকা রায়, রসিকলাল দাস, সতীশ ভৌমিক, সুরেন্দ্র দত্ত, রোহিণী অধিকারীসহ অনেকে ধৃত হন।

এরপর বিচারের পালা বিচারে নারায়ণ রায় ও ভূপাল বসুর ১৫ বছরের দ্বীপান্তর, সুরেন্দ্র দত্ত ১২ বছর, রোহিণী ৫ বছর ও সতীশ ২ বৎসর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন এবং অন্যান্য সকলে মুক্তি পান। তারা সকলেই ছিলেন তরুণ বিপ্লবী দলের সদস্য। ১৯৩৪ সালের ৮ ই মে মাসে দার্জিলিং-এ লেবং মাঠে গভর্নর অ্যান্ডারসনের উপর বিপ্লবী আক্রমণ করা হয়।

আক্রমণ হবার পর উজ্জলা মজুমদার কলকাতায় শোভারানি দত্তের বাড়িতে আশ্রয় নেন। ১৮ মে দুজনেই গ্রেপ্তার হন এবট ১৯৩৭ সালে তিনি মুক্তি লাভ করেন। শেষে ১৯৫০ সালের ৯ নভেম্বর মহান বিপ্লবী অগ্নিকন্যা শোভারানি দত্ত শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

ঘরোয়া ক্রিকেটে অপরাজিত থেকে কোয়াটার ফাইনালে গেল বাংলা

Bengal

Sports Desk, Kolkata: ভ্যানিতা ভি আর (১০৭) এবং রুমেলি ধরের (১০৪) জোড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে হায়দরাবাদকে (Hyderabad) ১৭৫ রানে হারিয়ে দিল বাংলা (Bengal) মহিলা সিনিয়র দল। বল হাতে দুই উইকেট নেন সুকন্যা পরিধা। প্রসঙ্গত, বেঙ্গালুরুতে বিসিসিআই পরিচালিত উইমেনস সিনিয়র ওয়ান ডে টুর্নামেন্টের এলিট গ্রুপ ‘বি’ সবকটি ম্যাচে অপরাজিত থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে চলে গেল বাংলা (Bengal)।

বাংলা (Bengal) টসে জিতে ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। অধিনায়ক রুমেলি ধরের এই সিদ্ধান্ত ম্যাচে ক্লিক করে। পিপি পাল (২৯), পি বালা ৪০ রানে নট আউট থাকে, সঙ্গে মমতা ১ রানে নট আউট। বাংলা (Bengal) ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ৩২২ রান তোলে।

হায়দরাবাদের (Hyderabad) হয়ে বড় রান করেন অনুরাধা নায়েক ১২৪ বলে ৫৪ রান ভঙ্কা পুজা ১৩৮ বলে ৭৫ রান নট আউট। অনুরাধা এবং ভঙ্কা বাংলার (Bengal) বিরুদ্ধে ক্রিজে থেকে লড়াই করলেও শেষ রক্ষা করতে পারেননি। হায়দরাবাদের (Hyderabad) গোঁড়ায় গলদ! ওপেনার কীর্তি রেড্ডি রানের খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন এবং অঙ্কিতা কে ১ রানে আউট।

হায়দরাবাদের (Hyderabad) দুই ওপেনারকে ২.৬ ওভারে বিধ্বংসী স্পেলে প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখিয়ে দেন বাংলার (Bengal) বোলার সুকন্যা পরিধা। ৫০ ওভারে ৩ উইকেটে হায়দরাবাদ (Hyderabad) ১৪৭ রানে লড়াই থেমে যায়। বাংলার (Bengal) হয়ে গৌহর সুলতানার ১ উইকেট।

Syed Mustaq Ali T20: অজিঙ্ক রাহানের মুম্বই’র কাছে হেরে গেল বাংলা

Syed Mustaq Ali T20

Sports Desk: বিসিসিআই পরিচালই সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ টুর্নামেন্টে মুম্বই(Mumbai) ১০ উইকেটে জিতলো, বাংলার (Bengal) বিরুদ্ধে। শক্তিশালী মুম্বই (Mumbai) ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান তোলে। ২০ ওভার খেলে ৮ উইকেটের বিনিময় ১২১ রানে থেমে যায় বাংলার (Bengal) লড়াই। টুর্নামেন্টের তৃতীয় ম্যাচে বাংলার (Bengal) হার।

টসে জিতে মুম্বই (Mumbai) ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। পৃথ্বী শাহ (৬), মুম্বই(Mumbai) অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে (১৭) রান করেন। ৬.৪ ওভারে মুম্বই’র (Mumbai) ৪৬ রানের মাথায় দুই উইকেট পড়ে যায়। পৃথ্বী শাহের উইকেট নেয় সাহবাজ আহমেদ, পৃথ্বী’র ক্যাচ বাংলার (Bengal) কিপার ঋদ্ধিমান সাহার গ্লাভস বন্দি হয়। অজিঙ্ক রাহানে ঋতিক চ্যাটার্জীর বলে ক্যাচ দিয়ে বসেন ঋতিক চৌধুরীর হাতে। দুই ওপেনারের উইকেট খুইয়ে মুম্বই (Mumbai) চাপে পড়ে যায়।

দ্রুত ইয়াশভি ভূপেন্দ্র জয়সোয়াল ১৯ রানে করন লাল রান আউট করে। আদিত্য তাড়ে (১১), শিবম দুবে (২৪), এসডি লাড (১৩), আমন হাকিম খান (১২), বিনোদ আঙ্কলকর ১০ এবং তানুস কোটিয়ান ৭ রানে নট আউট থাকে। মুম্বই’র (Mumbai) শিবম দুবে ২৩ বলে ২৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন।

বাংলার (Bengal) হয়ে ঋতিক চ্যাটার্জী ২,সাহবাজ, মুকেশ কুমার, প্রদীপ্ত প্রামাণিক, করন লাল একটি করে উইকেট নিয়েছে। বাংলার (Bengal) হয়ে অভিষেক দাস (১৪),ঋদ্ধিমান সাহা (১৫), কাইফ আহমেদ (৩১),ঋতিক চৌধুরী (৩০),সাহবাজ (১২) রান করে।

মুম্বই’র (Mumbai) বোলিং লাইন আপের মুখে পড়ে বাংলার (Bengal) ব্যাটসম্যানরা দাঁড়াতে পারেনি।মুম্বই’র(Mumbai)বোলার মোহিত অবস্থি ৩, এসডি লাড এবং তুষার দেশপান্ডে ২ টি, শিবম দুবে এক উইকেট নিয়েছে। বাংলার (Bengal)আকাশ দীপ ও প্রদীপ্ত প্রামাণিক শেষ পর্যন্ত নট আউট ছিল। বাংলার (Bengal)
চতুর্থ ম্যাচ সার্ভিসেসের (Servives) বিরুদ্ধে, ৮ নভেম্বর।

হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন ভ্যানিথা

Vanitha

Sports desk: হায়দরাবাদের (Hyderabad) বিরুদ্ধে ৬৮ বলে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করলেন বাংলার (Bengal) ওপেনার ভ্যানিথা ভি আর।বাংলার এই ওপেনার ৭১ বল খেলে ১০৯ রান করেছেন।

বিসিসি আই পরিচালিত সিনিয়র উইমেনস ওয়ান ডে টুর্নামেন্টে বাংলা(Bengal) টসে জিতে ব্যাটিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। ৫০ ওভারে বাংলা ৫ উইকেটে ৩২২ রান তোলে। টানা চার ম্যাচে অপরাজিত টিম বাংলা (Bengal)
চলতি টুর্নামেন্টে।

শনিবার বাংলার (Bengal) অধিনায়ক রুমেলি ধর হায়দরাবাদের (Hyderabad) বিরুদ্ধে ১১২ বলে ১০৪ করেন। ধারা গুজ্জর (২১), পিপি পাল(২৯) রান করে। পি বালা ৪০ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলে নট আউট থাকে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদের (Hyderabad) স্কোর ৭১ রান ৭ উইকেটের বিনিময়, ২৩.২ ওভারে।

শুরুতেই হায়দরাবাদের (Hyderabad) ওপেনিং জুটিকে ফেরায় বাংলার (Bengal) বোলার সুকন্যা পরিধা, কীর্তি রেড্ডি রানের খাতা না খুলে আউট হয় সুকন্যার বলে এবং অনিথা কে ১ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে আসেন। ক্রিজে রয়েছে অনুরাধা নায়েক ৩৫ এবং ভঙ্কা পুজা ৩৩ রানে দুজনেই বাংলার (Bengal) বোলিং লাইন আপের বিরুদ্ধে লড়ে চলেছে।

সাহবাজ আহমেদের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে বরোদার বিরুদ্ধে বাংলা’র জয়

Shahbaz Ahmed

Sports desk: বিসিসিআই পরিচালিত সৈয়দ মুস্তাক আলি টি টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় জয় পেল বাংলা(Bengal), বরোদার (Baroda) বিরুদ্ধে। শেষ ওভারে বাংলার (Bengal) বোলার মুকেশ কুমারের হাতে বাংলার (Bengal) জয়ের ভবিষ্যৎ তুলে দিয়েছিলেন অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জী। শেষ ওভারে বরোদার (Baroda) ১২ রান দরকার ছিল জয়ের জন্য।

কিন্তু মুকেশ কুমার লাইন এবং লেহ্নে নিয়ন্ত্রণ রেখে সঙ্গে বোলিং ভেরিয়েশনে বরোদার (Baroda)বিরুদ্ধে ডট বল; শেষ ওভারের চতুর্থ বলে বরোদার (Baroda) জয়ের আশায় জল ঢেলে দেয়। ২০ ওভারে বরোদাকে (Baroda) ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রানে থেমে যেতে হয়। বাংলা (Bengal) ২ রানে জয় পায়। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে গত বৃ্হস্পতিবার ছত্তিসগড়ের (Chhattisgarh) বিরুদ্ধে বাংলা (Bengal) ৭ উইকেটে জয় পেয়েছিল।

১০.৩ ওভারে ৬৫ রানের মাথায় ৪ উইকেট বাংলার (Bengal) ঋদ্ধিমান সাহা (৭) প্যাভিলিয়নে রাস্তা ধরেন। বরোদার (Baroda) বিরুদ্ধে ম্যাচে কোণঠাসা বাংলা (Bengal)।এমন সময়ে আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে হয়ে খেলে আসা সাহবাজ আহমেদ বাংলার (Bengal) হাল ধরেন।

সাহবাজ ঋতিক রায়চৌধুরী (২১) এবং আকাশ দীপ (১২) সঙ্গে জুটি বেঁধে ইনিংস গোছানোর কাজে মন দেন। ২৫ বলে ৩৪ রান করেন সাহবাজ আহমেদ। আইপিএলের অভিঞ্জতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাকে (Bengal) কোণঠাসা অবস্থা থেকে টেনে বের করেন। অতীত শেঠের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে আসেন সাহবাজ, আকাশ দীপ নট আউট ছিলেন, বাংলা ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৬ রান তোলে।
দ্বিতীয় ইনিংসে বরোদা (Baroda) ব্যাট করতে নামে। বল হাতেও সাহবাজ আহমেদ ৬.৫০ ইকোনমি রেটে ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে, মাত্র ২৬ রান দিয়ে বরোদার (Baroda) দুই অভিজ্ঞ ওপেনিং ব্যাটসম্যান কেদার দেওধর (১৮) এবং শাশ্বত রাওয়াতের(৮) উইকেট তুলে নিয়ে গোড়াতেই বরোদাকে (Baroda) ধাক্কা দিয়ে বসেন। বরোদা (Baroda) ৬.৬ ওভারে ৩৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে।

এদিনের ম্যাচে পাওয়ার প্লে ওভারে দুরন্ত হয়ে ওঠেন ঋত্বিক চ্যাটার্জী। নিয়ন্ত্রিত বোলিং এবং ধারাবাহিতা বজায় রেখে ৪ ওভারে ১৪ রানে ১ উইকেট, ইকোনমি রেট ৩.৫০।

শেষ ওভারে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে বাংলার (Bengal) মুকেশ কুমারের আটোসাটো বোলিং বাংলাকে জয় এনে দিল দুই রানে বরোদার (Baroda) বিরুদ্ধে। আগামী শনিবার বাংলা (Bengal) খেলতে নামবে অপর শক্তিশালী দল মুম্বই’র(Mumbai) বিরুদ্ধে। পৃথ্বী শাহ-অজিঙ্ক রাহানের মুম্বই’র কড়া হাডল টপকানোই এখন চ্যালেঞ্জ বাংলার
(Bengal) কোচ অরুণলালের ছেলেদের সামনে।

রুমেলী ধরের দুরন্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জোরে বাংলার জয়

Rumeli

Sports desk: বিসিসিআই পরিচালিত উইমেনস সিনিয়র একদিনের ক্রিকেট বুধবার অধিনায়ক রুমেলী ধরের দুরন্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জোরে বাংলার জয়। হিমাচল প্রদেশ টসে জিতে ফ্লিডিং’র সিদ্ধান্ত নেয় বেঙ্গালুরুতে, তৃতীয় ম্যাচে হিমাচল প্রদেশকে ২০০ রানে হারিয়ে দিল বাংলা মহিলা দল, আগের দুই ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ব্যাট হাতে উজ্বল ধারা গুজ্জর।

বাংলার হয়ে ধারা গুজ্জর ১৪৮ বলে ১১৫ রান, রুমেলি ধর ব্যাট হাতে ৬১ বলে ৬৫ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেন। বাংলা ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৭২ রান তোলে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে হিমাচল প্রদেশ বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রের মাঝে পড়ে তলিয়ে যায়। ভারতীয় বোলার তথা বাংলার অধিনায়ক রুমেলি ধর বল হাতে জ্বলে উঠে ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে, তিনটে মেডেন ওভারে ৪ রান দিয়ে হিমাচলের ৩ উইকেট তুলে নেয়। হিমাচল প্রদেশের ওপেনার হারলিন দেওলকে রানের খাতা খুলতে না দিয়ে প্যাভিলিয়নে পাঠিয়ে দেয় বাংলার অধিনায়ক, এর সঙ্গে মনিকা দেবি(১) এবং কাশিস ভার্মাকেও রানের খাতা খোলার সুযোগই দেয়নি রুমেলি। ২.১ ওভারে মাত্র দুই রানের মাথায় ৩ উইকেট তুলে নিতেই ভূমিধসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে হিমাচল প্রদেশ। মাত্র ৩৩ ওভারে ৭২ রানে শেষ হয়ে যায় হিমাচল প্রদেশের লড়াই, বড় জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলা দল।

বাংলার হয়ে সাইকা ৬ ওভারে, দুটো মেডেন ওভার দিয়ে ৮ রান খরচ করে ৩ উইকেট শিকার করে। হিমাচল অধিনায়ক সুষমা ভার্মা (১৮), প্রাচী চৌহান (০) এবং যমুনা রানাকে এলবিডব্লু আউট করে। সুকন্যা পারিধা এবং গওহর সুলতানা ২ টি করে উইকেট নিয়েছে।

দ্বিতীয় ম্যাচেও ভ্যানিতা ভি আর এবং ধারা গুজ্জর এর দুরন্ত ওপেনিং পার্টনারশিপে ভর করে বিসিসিআই সিনিয়ার উইমেনস ট্রফিতে জয় পেয়েছিল বাংলা, অন্ধ্রের বিরুদ্ধে, গত সোমবার। টসে জিতে অধিনায়ক রুমেলি ধর বোলিং নিলে দুরন্ত বোলিং করেন বাংলার বোলাররা। রুমেলী ও মিতা নেন দুই উইকেট করে আর গওহর, সুকন্যা ও শ্রেয়সী পান ১ উইকেট করে। বুধবার তৃতীয় ম্যাচেও হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখলো বাংলার। টিম বাংলার পরের ম্যাচ পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে, ৪ নভেম্বর বেঙ্গালুরুতে।

বাংলার ‘বাউন্স ব্যাক, রাজস্থানের বিরুদ্ধে ঝুলনের বাংলার চার পয়েন্ট

bengal-women

Sports Desk: রাজস্থানের ২০৬ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বাংলা জোড়া ধাক্কা খেয়ে বসে, ভনিথা ভি আর এবং মিতা পালের উইকেট হারিয়ে।এস এল মিনার জোড়া ফলায় পা রেখে বাংলা তখন ম্যাচে ব্যাকফ্রুটে।
ভনিথা ভি আর এলবিডব্লু এবং মিতা পাল রানের খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নে ফিরে আসেন, জোড়া উইকেট রাজস্থানের বোলার এস এল মিনার। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ধারা গুজ্জর এবং ধর বাংলার ইনিংস গোছাতে শুরু করে।

ধর ২৯ বলে ২৮ রান করে এলবিডব্লু শিকার হয় এস এস কল্লোলের বলে। প্রতিভা ১ রান করে আউট হয়,এলবিডব্লু। বাংলার উইকেটরক্ষক পিপি পাল ক্রিজে নেমে ধারা গুজ্জরের সঙ্গে জুটি বাঁধে। বাংলা তখন ৪ উইকেট হারিয়ে ৬৩ রান তুলেছে। মরুরাজ্যের বোলার এস এস কল্লোলের জোড়া উইকেটের শিকার হয়ে বাংলার তখন দমবন্ধকর অবস্থা।

এখান থেকেই বাংলার বাউন্স ব্যাক। ধারা গুজ্জর এবং পিপি পালের জুটি বাইশ গজে মাটি কামড়ে ইনিংস গোছানের কাজে মন দেয়।৩৫.৫ ওভারে বাংলা যখন ১৫৮ রান, পিপি পাল রাজস্থানের বোলার এস এস কল্লোলের শিকার হয়, বাংলার উইকেটরক্ষক ৭০ বলে ৫৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে প্যাভিলিয়নে ফিরে আসে। বাংলা পঞ্চম উইকেট হারিয়ে ফেলে।

অন্যপ্রান্তে ধারা গুজ্জর বাংলা হয়ে হাল ধরেছিলেন। সুলতানা ক্রিজে নেমে রানের খাতা না খুলেই রান আউটের শিকার হয় জাসিয়া আখতারের, রাজস্থানের অধিনায়ক। জুমিয়া খাতুন ৮ রানে আউট হয়, বাংলা ৪০.৪ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে১৭১ রান, ক্রিজে নামেন সুকন্যা পারিধা।

শেষ পর্যন্ত ধারা গুজ্জর ১২৯ বলে ৯২ রানের অপরাজিত ইনিংস এবং সুকন্যা ৯ রানে নট আউট থেকে, ৪৮.৪ ওভারে জয়ের জন্য ২০৭ রান তুলে মহিলাদের সিনিয়র একদিনের ক্রিকেটে বাংলার প্রথমে জয় নিশ্চিত করে।বাংলা তিন উইকেটে ম্যাচ জিতে যায়। রাজস্থানের হয়ে এস এল মিনা ২, এস এস কল্লোল ৩, এসপি শর্মা ১ টি করে উইকেট নিয়েছে।

বাংলার পরের ম্যাচ নভেম্বরের ১ তারিখে অন্ধ্রের বিরুদ্ধে, বেঙ্গালুরুতে সকাল ৯ টা থেকে। রাজস্থানের বিরুদ্ধে ঝুলন গোস্বামীর বাংলার জয় চার পয়েন্ট নিশ্চিত করে টুর্নামেন্টে।

এক অজানা বিপ্লবীর কথা: অ্যান্ডারসনকে হত্যা থেকে তাম্রপত্র প্রত্যাখ্যান

Hemchandra ghosh

Special Correspondent, Kolkata: হেমচন্দ্র ঘোষের পৈত্রিক নিবাস ছিল বানারীপাড়ার গাভা গ্রামে। তবে তাঁর বাবা মথুরানাথ ঘোষ ঢাকার আইনজীবী ছিলেন। তিনি ঢাকায় ২৪  অক্টোবর ১৮৮৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছাত্রাবস্থায় ঢাকার জুবিলি স্কুলের সশস্ত্র আন্দোলনে আকৃষ্ট হন। তাঁর শরীরচর্চার গুরু ছিলেন শ্যামাকান্ত ও পরেশনাথ। লাঠিখেলার দীক্ষা বিপ্লবী পুলিনবিহারী দাসের কাছে। হেমচন্দ্র ঘোষ ১৯০১ সালে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। উল্লাসকর দত্তের সাহায্যে বারীন ঘোষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয় এবং তিনি অনুশীলন ও যুগান্তরগোষ্ঠীর সঙ্গে সংযোগ রেখে তিনি নতুন দল গঠনের প্রেরণা অনুভব করেন।

১৯০৫ সালে শ্রীশ পাল, হরিদাস দত্ত, গুণেন ঘোষ, রাজেন ল গুহ, মাখন চক্রবর্তী, খগেন দাস, বিভূতি বসু, নিকুঞ্জ সেন, সুরেন বর্ধন প্রমুখ সহযোগিদের নিয়ে মুক্তিসংঘ গঠন করেন। তিনি ছিলেন দলের বড়দা এবং হরিদাস দত্ত মেজদা। ১৯০৬ সালে হেমচন্দ্র ঘোষ কলকাতায় এসেছিলেন শ্রী অরবিন্দ, ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়, বিপিন পাল মতো বিখ্যাত বিপ্লবীদের সাথে দেখা করতে। কলকাতায় মুক্তি সংঘের একটি শাখা শ্রীশ পাল শুরু করেছিলেন। তিনি এবং তাঁর বিপ্লবী সংগঠন অর্থাৎ মুক্তিসংঘের সহযোগিতায় কিছু বিপ্লবী কর্মকাণ্ড করেন। তার মধ্যে ১৯০৮ সালে নন্দলাল ব্যানার্জির হত্যা (ক্ষুদিরাম বসুকে ফাঁসি দেওয়ার জন্য এই পুলিশ অফিসার দায়িত্বে ছিলেন) এবং ১৯১৪ সালে রডা কোম্পানির অস্ত্রলুণ্ঠন।

১৯১৪ সালেই, হেমচন্দ্রকে রডা কোম্পানির অস্ত্রলুণ্ঠন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং ১৯১৮ সালে তাকে রাজবন্দী হিসাবে হাজারীবাগ কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছিল। বিভিন্ন কারাগারে ৬ বছর কারাদণ্ডের পরে ১৯২০ সালে তিনি মুক্তি পেয়ে কলকাতায় আসেন ও গোপনে দল সংগঠনে সক্রিয় হন। ১৯২৬ সালে মুক্তি সংঘের সদস্যরা বেণু নামে একটি মাসিক পত্রিকা শুরু করেন। ১৯২৮ সালে কলকাতা কংগ্রেসে তিনি ও তাঁর দল বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এই কংগ্রেস অধিবেশনে বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স নামে দলটি গঠিত হয়েছিল তার কার্যাবলি মুক্তিসংঘের সদস্যদের পরিচালনায় পরবর্তীকালে বাংলার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে।

এই দলের সদস্যরা মেদিনিপুরের তিন জন এবং কুমিল্লার একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে হত্যা করেন। হেমচন্দ্র ও সত্যরঞ্জন বকসি পরিচালিত মুক্তিসংঘ পরিচিত হয় বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স নামে। বিনয়-বাদল-দীনেশের অলিন্দ-যুদ্ধকে সফল করতে সহায়তা করেন। ১৯৩০ সালে দার্জিলিং-এ তদানীন্তন বাংলার গর্ভনর জন অ্যান্ডারসনকে হত্যার চেষ্টা করেন। ১৯৩৮ সালে সুভাষচন্দ্রের সমর্থনে সরব হন। ১৯৩০ সাল থেকে ১৯৪৬ সালের মধ্যে জেলের বাইরে ছিলেন মাত্র দেড় বছর। এই অকৃতদার বিপ্লবী ভারত সরকারের তাম্রপত্র প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
এর পরের ইতিহাস আর আমার পক্ষ থেকে সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। শেষে ৩১ শে অক্টোবর ১৯৮০ সালে মহান বিপ্লবী হেমচন্দ্র ঘোষ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

মরুরাজ্যের বিরুদ্ধে বাইশ গজে বাংলার মহিলাদের দাপট

jhulan goswami

Sports Desk: মহিলাদের সিনিয়র একদিনের ক্রিকেটে বাংলা নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছে বেঙ্গালুরুতে, রাজস্থানের বিরুদ্ধে। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড(বিসিসিআই) পরিচালিত এই টুর্নামেন্টে বাংলা এলিট স্তরে গ্রুপ ‘এ’তে রয়েছে। একই গ্রুপে অন্ধ্র, হিমাচল প্রদেশ,পাঞ্জাব এবং হায়দরাবাদ টিম রয়েছে।

রাজস্থানের বিরুদ্ধে বাংলার অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী টসে জিতে ফ্লিডিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। আর এই টস ফ্যাক্টর ৫০ ওভারের ম্যাচে ক্লিক করে। রাজস্থান ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২০৬ রানে গুটিয়ে যায়। রাজস্থানের টপ অর্ডার এদিন বাংলার বোলিং লাইন আপের মুখে পড়ে কার্যত মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি।

তবে মরুরাজ্যের অধিনায়ক জাসিয়া আখতার মাটি কামড়ে পড়ে থেকে সেঞ্চুরি করেন,১২৬ বলে ১০৬ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলে রুক্মিণী রায়ের বলে প্রতিভার হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন।

রাজস্থান দল যখন কোণঠাসা বাংলার মহিলা বোলারদের দাপটে ওই সময়ে জাসিয়া আখতারকে যোগ্য সঙ্গ দেয় বিএন মিনা। ৬২ বলে ৪০ রান করে সুকন্যা পারিদা রান করতেই প্যাভিলিয়ন ফিরে আসেন মিনা। মিনা যখন রান আউট হয় রাজস্থান তখন ৪১.৪ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান তুলেছে। জাসিয়া আখতার এবং মিনার জুটি মরুরাজ্যের স্কোরবোর্ডকে এগিয়ে নিয়ে যায়। এরপরে যখন ১৭০ রান স্কোরবোর্ডে রাজস্থানের, এমন সময়ে অধিনায়ক জাসিয়া আখতারের উইকেট হারায় মরুরাজ্য। শেষের দিকে ঝড়ো ইনিংস খেলে এস এস সিধু, ২৩ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং এসপি শর্মা নট আউট ৯ রানে।

রাজস্থানের হয়ে ওপেনার পিবি শর্মা ব্যক্তিগত ৭ রানের মাথায় বাংলার অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামীর বলে ক্যাচ দিয়ে বসে পিপি পালের হাতে। এদিনের ম্যাচে ঝুলন ৫ ওভারে, তিনটে মেডেন ওভার, ৯ রান দিয়ে এক উইকেট পেয়েছে। বাংলার হয়ে সুলতানা এবং রুক্মিণী রায় দুটি করে এবং ধর ও সুকন্যা পারিধা ১ টি করে উইকেট পেয়েছে।

রাজস্থানের এস আর জাঠ (৪), উইকেটরক্ষক প্রজাক্তা(৬), গর্গ রানের খাতা না খুলেই আউট হয়েছে। টিনি বৈষ্ণব (১) এবং এসএল মিনা তিন রান করেছে।

সন্তোষ ট্রফির জোনাল ম্যাচে বাংলার অভিযান ২১ নভেম্বর

Santosh Trophy

Sports Desk: ৭৫ তম সন্তোষ ট্রফি জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজ্যগুলি তাদের নিজেদের জোনের (অঞ্চল) গ্রুপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে৷ ইস্ট জোনের গ্রুপ ‘বি’তে রয়েছে বাংলা। একই গ্রুপে সিকিম ও ছত্তিসগড় রয়েছে।

২১ নভেম্বর থেকে সন্তোষ ট্রফির জোনাল ভিত্তিক ম্যাচ শুরু হচ্ছে।বাংলা ২১ নভেম্বর মুখোমুখি হবে ছত্তিসগড়ের, কল্যাণী স্টেডিয়ামে। ২৩ নভেম্বর সিকিম বনাম ছত্তিসগড়ের খেলা কল্যাণীতে। বাংলা সিকিমের বিরুদ্ধে নামবে দ্বিতীয় ম্যাচে ২৫ নভেম্বর, কল্যাণী মিউনিসিপ্যাল স্টেডিয়ামে।

সারা ভারত জুড়ে দলগুলিকে পাঁচটি জোনের (অঞ্চল) দুটি গ্রুপে ‘এ’ এবং ‘বি’তে ভাগ করা হয়েছে – উত্তর অঞ্চল, পশ্চিম অঞ্চল, দক্ষিণ অঞ্চল, পূর্ব অঞ্চল এবং উত্তর-পূর্ব অঞ্চল। তাদের নিজেদের গ্রুপের শীর্ষে থাকা দলগুলি সন্তোষ ট্রফির চূড়ান্ত রাউন্ডে খেলতে নামবে। সন্তোষ ট্রফির মূল পর্ব চলতি বছরের শেষের দিকে কেরালায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

অন্যদিকে, বাংলার কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্যের অধীনে হাওড়া স্টেডিয়ামে জোরকদমে চলছে সন্তোষ ট্রফির ট্রায়াল। ২০ অক্টোবর থেকে রবীন্দ্র সরোবরে শুরু হয়েছে এই ট্রায়াল।আইএফএ সূত্রে খবর, হাওড়ায় সম্ভাব‍্য দল বাছাই করে আবাসিক শিবির হবে সোনারপুরে। এরপরে বাংলা মূল দল গড়ে কল‍্যাণীতে থাকবে।

বাংলাকে শেষ সন্তোষ ট্রফি এনে দিয়েছিলেন কোচ মৃদুল বন্দ্যোপাধ্যায়। সবথেকে বেশি সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলা,৩২ বার। ৪৫ বার সন্তোষ ট্রফির ফাইনাল খেলছে বাংলা। ২০১৬-১৭ মরসুমে বাংলা শেষবার সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়।

Weather Update: এবার ঝঞ্ঝার ঝঞ্ঝাট, বাধা ঠান্ডা হাওয়ার পথে

Western disturbance creates problem passing cold wind

News Desk, Kolkata: বাংলা থেকে মৌসুমী বিদায় নিয়েছে। কিন্তু আবারও একটি সিস্টেম তৈরি হয়েছে সাগরে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম ভারতে একের পর পশ্চিমী ঝঞ্ঝাও আসতে শুরু করেছে। লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের পার্বত্য অঞ্চলে বরফ পড়তে শুরু করেছে। পাশাপাশি লাদাখ, জম্মু ও কাশ্মীর, পঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।

উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে? আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, হিমালয়ের পাদদেশ পাঁচ জেলা দার্জিলিং, , কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলার কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও সমতলের তিন জেলা উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহের আবহাওয়া শুকনো থাকবে। ২৭ অক্টোবার বুধবার সকালের মধ্যে সবকটি জেলার আবহাওয়াই শুকনো থাকবে। আগামী ৪-৫ দিন দিন কিংবা রাতের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিয়া।

মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর পশ্চিম মেদিনীপুর এবং নদিয়ার কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলির আবহাওয়া শুকনো থাকবে। ২৭ অক্টোবর বুধবার সকালের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে বলে পূর্বাভাসে মিলেছে। রাতের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না বলেও জানানো হয়েছে।

T20 tournament: মুকেশ কুমারের তেজে হিমাচলের ভূমিধস, বাংলা পেল জয়

T20 tournament-Bengal won against Himachal

Sports Desk: সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ টুর্নামেন্টের (T20 tournament) আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে বাংলা। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে পরাজিত হয়েছিল অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জীর বাংলা। নিজেদের তৃতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে জয় ছিনিয়ে নিল বাংলা।

তৃতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে বাউন্স ব্যাক বাংলার ছেলেদের। সোমবার, তৃতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে হিমাচল প্রদেশকে ৯ উইকেটে হারাল বাংলা । হিমাচল ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১৬২ রান তোলে।

এদিন বল হাতে বিধ্বংসী স্পেল করেন মুকেশ কুমার। মুকেশের ৪ টে অসাধারণ ডেলিভারি মুখে পড়ে হিমাচল প্রদেশে ভূমিধস নেমে আসে। বাংলার হয়ে মুকেশ কুমার ৩৩ রান দিয়ে হিমাচলের ৪ উইকেট তুলে নেয়, সঙ্গে শাহবাজ ২ উইকেট শিকার করেন ।

দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে হিমাচলের বিরুদ্ধে বাংলার ওপেনার অভিষেক দাস (৮) রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে এসেছিলেন। তৃতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে সেই হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে বাইশ গজে ঝলসে ওঠেন।এদিন অভিষেক দাস ৮৩ রানে নটআউট থাকেন, বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি ৭২ রান করেন।বাংলা ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের রান তুলে নেয় ।

আগামী ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ ট্রফি।বাংলার সাথে একই গ্রুপে রয়েছে শক্তিশালী কর্নাটক এবং মুম্বই।

Weather Updates: বাংলা থেকে শেষ পর্যন্ত বিদায় নিল বর্ষা

Weather Updates

News Desk, Kolkata: বাংলা থেকে অবশেষে বিদায় নিল বর্ষা। রবিবার সকালে একাধিক জেলায় শীতের আমেজ মিলেছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে সোমবার থেকে হিমেল শুষ্ক হাওয়া বইতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

হাওয়া অফিস জানিয়েছে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া। এদিন সকালে হুগলী থেকে নদীয়া এমন জেলায় সকালে সামান্য কুয়াশাও দেখা গিয়েছে। এবার রাতের দিকে কমবে তাপমাত্রা।

দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস না থাকলেও উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। মালদা ও দিনাজপুরে শুকনো আবহাওয়া থাকবে। কলকাতাতেও এদিন আকাশ পরিষ্কার থাকবে। রাতের দিকে তাপমাত্রা কমেছে। সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

২৪.২ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৯ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি।বাতাসে জলীয়বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ। শনিবার সকালে শহরের তাপমাত্রা ছিল ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্রবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৩ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয়বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল ৯৬ শতাংশ।

বর্ষা বিদায় নেবে উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তর-পূর্ব ভারত এবং ওড়িশা থেকেও। অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, গোয়া, কর্ণাটকের কিছু অংশ থেকে বর্ষা বিদায় পর্ব শুরু হবে। পরিস্থিতি অনুকূল থাকায় ২৬ অক্টোবরের মধ্যেই পুরো দেশ থেকে বর্ষা বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর বর্ষা বিদায় পর্ব শুরু হতেই আবার উত্তর-পশ্চিম ভারতে আসতে শুরু করেছে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যার প্রভাবে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ ও হিমাচল প্রদেশের কিছু অংশে তুষারপাত হতে পারে। এদিন সকালে গুলমার্গে তৃষারপাত হয়।

তবে ঘূর্ণাবর্ত থাকার কারণে দক্ষিণ ভারতকে এখনই আলবিদা জানাচ্ছে না বৃষ্টি। আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে। বৃষ্টি হবে তামিলনাড়ু, পুডুচেরি অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কেরল ও করাইকালে।

প্রস্তুতি ম্যাচে হিমাচলের কাছে হেরে গেল বাংলা

Bengal , Himachal , warm-up match

স্পোর্টস ডেস্ক: কল্যাণীতে শুক্রবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির টি -২০ প্রস্তুতি ম্যাচে হিমাচল প্রদেশ বাংলাকে ৬ উইকেটে পরাজিত করেছে।

বাংলা প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ১০৬ রানে গুটিয়ে যায়। হিমাচল প্রদেশের বোলার আয়ুশ জামওয়াল ৫ উইকেট পেয়েছে।৭ বল বাকি থাকতেই হিমাচল জয়ের লক্ষ্যে পৌছে যায়।

বাংলার ওপেনার অভিষেক দাসকে (৮) রানে তাড়াতাড়ি হারানোর পর, অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি (১৫) এবং করণ লাল (২০) মিলে গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ গড়ে তোলে, কিন্তু আয়ুশের বিধ্বংসী স্পেলের সামনে পড়ে বাংলা মাত্র ৪৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচে কোণঠাসা হয়ে পড়ে।

তরুণ ব্যাটসম্যান ঋতিক রায় চৌধুরী নিজের ধৈহ্য ধরে মাটি কামড়ে পড়ে থেকে ৪৫ বলে অপরাজিত ৪৮ রান করে এমন সময়ে, যখন অন্য প্রান্তে বাংলার উইকেট পড়তে থাকে, সঙ্গে বাংলাকে একটি ভালো স্কোরে নিয়ে যান ঋতিক ।

হিমাচলের ওপেনার অভিমন্যু রানা অন্য ওপেনার প্রশান্ত চোপড়া তাড়াতাড়ি আউট হয়ে যায়। রান তাড়া করতে নেমে হিমাচল প্রদেশ ভালো শুরু করেছিল। প্রস্তুতি ম্যাচে জয় নিশ্চিত করার জন্য ২২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলে ঋষি ধাওয়ান জয়ের মঞ্চ সাজিয়ে ফেলে। সঙ্গে দিগ্বিজয় সিং (১৪), নিতিন শর্মা (১৪) দুই ব্যাটসম্যান অপরাজিত থেকে বাংলার বিরুদ্ধে জয় তুলে নেয়। বাংলার হয়ে ইশান পোড়েল, মুকেশ কুমার, সুজিত কুমার যাদব এবং করণ ১টি করে উইকেট নেয়।

বাংলার সন্তোষ ট্রফির ট্রায়ালে ইউনাইটেড স্পোর্টসের একঝাঁক ফুটবলার

United Sports footballer

স্পোর্টস ডেস্ক: রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্যের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়েছে বাংলার সন্তোষ ট্রফির ট্রায়াল। এই ট্রায়ালে ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবের ১০ জন ফুটবলার ডাক পেয়েছে।রাজা বর্মন (গোলকিপার),ঋষিক শেট্টি,রুহুল কুদ্দুস, তন্ময় ঘোষ,তারক হেমব্রম,দিলীপ ওরাও,জগন্নাথ ওরাও,বাসুদেব মান্ডী,সুব্রত মুর্মু,করন রাই।কার্যত ইউনাইটেড স্পোর্টসের গোটা দলটাই ডাক পেয়েছে সন্তোষ ট্রফির প্রাথমিক ট্রায়ালে। এছাড়াও কলকাতা লীগের প্রতিটি দল থেকে ৩ জন করে ফুটবলার ডাকা হচ্ছে ট্রায়ালে।

২০ অক্টোবর থেকে রবীন্দ্র সরোবরে শুরু হয়েছে এই ট্রায়াল। ট্রায়ালের উদ্বোধনীর দিন উপস্থিত ছিলেন আই এফ এ সচিব জয়দ্বীপ মুখার্জি। আইএফএ নিযুক্ত স্পটার কমিটির কৃষ্ণেন্দু রায়,প্রশান্ত ব্যানার্জি এবং অলোক মুখার্জি সহ উপস্থিত ছিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কর্মকর্তারা,সার্দান কর্তা সৌরভ পাল।

আইএফএ সূত্রে খবর,রবীন্দ্র সরোবরে অনুশীলন হওয়ার পর শিবির চলে যাবে হাওড়ায়। তারপর সম্ভাব‍্য দল বাছাই করে আবাশিক শিবির হবে সোনারপুরে। এরপরে মূল দল গড়ে কল‍্যাণীতে থাকবে বাংলা দল। সন্তোষ ট্রফির প্রাথমিক পর্বে বাংলা কল‍্যাণীতে খেলবে ৩ টি ম‍্যাচ খেলবে।

২১,২৩ ও ২৫ নভেম্বর তিনটি ম‍্যাচ খেলবে বাংলা। যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে সন্তোষের মূল পর্বের ম‍্যাচ খেলতে যাবে কেরলে। বাংলাকে শেষ সন্তোষ ট্রফি এনে দিয়েছিলেন কোচ মৃদুল বন্দ্যোপাধ্যায়। সবথেকে বেশি সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলা,৩২ বার। ৪৫ বার সন্তোষ ট্রফির ফাইনাল খেলছে বাংলা। ২০১৬-১৭ মরসুমে বাংলা শেষবার সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়।

নিম্নচাপের ডবল ডোজে চলবে বিরক্তির বৃষ্টি

Rain kolkata

নিউজ ডেস্ক: নিম্নচাপের পিছু ছাড়ছে না রাজ্যের। একের পর এক সিস্টেম এসেই যাচ্ছে এবং ভাসিয়ে দিয়ে যাচ্ছে মূলত দক্ষিনবঙ্গকে। অথচ বর্ষা বিদায় নিয়েছে। তারপরেও এমন বৃষ্টি, যা আজ মঙ্গলবার এবং আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও পিছু ছাড়বে না বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, উত্তর তেলেঙ্গানার উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ রয়েছে। বেপাত্তা শুকনো হাওয়া। সে যে কোথায় তা এখনও জানা যায়নি, অথচ অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহ শেষের পথে। এদিকে পুবালি বাতাসের প্রভাব এখনও প্রকট হয়ে রয়েছে। দু’য়ের কোপে টানা বৃষ্টিতে নাকাল রাজ্যের একাধিক জেলা, মূলত দক্ষিনবঙ্গ।

এতেই থামছে না হাওয়া অফিস জানাচ্ছে নতুন একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে যার অবস্থান মধ্যপ্রদেশে সঙ্গে বাংলার উপর আরও একটি নিম্নচাপ রয়েছে। ফলে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে রাজ্যে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত টানা বৃষ্টি চলবে দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতে। পাশাপাশি দুর্যোগ শুরু হবে উত্তরবঙ্গেও। সেখানেও আজ থেকে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

উত্তরবঙ্গে বুধবার ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। ওইদিন বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার খবর জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের লাগোয়া রাজ্য ওডিশা এবং ঝাড়খণ্ডেও ভারী বৃষ্টি হবে।