চোরাগোপ্তা টিম নিয়ে ভাঙড়ে মুখোমুখি তৃণমূল-আইএসএফ, ফুরফুরা রাজনীতি গরম

সন্দেহ চোখে এদিক ওদিক তাকনো। চাপা গলা শোনা যাচ্ছে-‘ঢুকলেই কাটব’। পঞ্চায়েত ভোটের (panchayat election) মনোনয়ন জমা ঘিরে যুযুধান তৃণমূল ও আইএসএফ সমর্থকরা পরস্পরকে কাটতে তৈরি! সকাল থেকে বোমাবাজির পর দুপক্ষ একে অন্যের উপর ধারালো দা, ভোজালি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে মরিয়া। দক্ষিণ২৪ পরগনার ভাঙড়ে (bhangar) প্রত্যাশিতভাবেই সংঘর্ষের ছবি দেখা যাচ্ছে। গত বিধানসভা ভোটে বামফ্রন্ট, কংগ্রেস ও […]

The post চোরাগোপ্তা টিম নিয়ে ভাঙড়ে মুখোমুখি তৃণমূল-আইএসএফ, ফুরফুরা রাজনীতি গরম first appeared on Kolkata 24×7 | Bangla News | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Breaking News| Kolkata News |Political News | Entertainment News | Sports News | Lifestyle News.

Covid 19: হাসপাতালে ভর্তি করোনা আক্রান্ত রাজ্য বিজেপি সভাপতি

sukanta mazumdar

ফের রাজনৈতিক জগতে করোনার থাবা। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে তড়িঘড়ি ভর্তি করা হয়েছে আমরি হাসপাতালে। সূত্র মারফত খবর, রবিবার জ্বর, সর্দি-কাশি থাকায় প্রথমেই ব়্যাপিড টেস্ট হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতির। এরপর রিপোর্ট পজিটিভ আসায় হাসপাতালের একটি কেবিনে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে তাঁকে।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, আপাতত সুকান্ত মজুমদারের অক্সিজেন স্যাচুরেশন স্থিতিশীল। অ্যান্টিজেনের পাশাপাশি রাজ্য সভাপতির আরটিপিসিআর টেস্টও হয়েছে। সেই রিপোর্ট কী আসে, সেদিকে তাকিয়ে চিকিৎসকরা। জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন যারা তার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের চিকিত্‍সকদের সঙ্গে পরামর্শ করার কথা বলেছেন। সেইসঙ্গে করোনা পরীক্ষা করানোর অনুরোধ জানিয়েছেন রাজ্য সভাপতি।

রাজনৈতিক জগতে করোনার থাবা নতুন নয়। ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিয়েও সম্প্রতি তৃতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হন আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। নিজেই টুইট করে সে কথা সকলকে জানান। অন্যদিকে তৃতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ তথা তৃণমূল নেতা বাবুল সুপ্রিয়।

 

করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পরেছে দেশে। হু হু করে বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা। রাজনৈতিক জগতেও থাবা বসিয়েছে এই মারণ সংক্রমণ। সারা দেশে আক্রান্তের নিরিখে বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। করোনার পাশাপাশি রাজ্যে বেড়েছে ওমিক্রনের সংখ্যাও।

সামনে দ্বিতীয় দফার পুরভোট। চলছে রাজনৈতিক প্রচার। যদিও এহেন করোনাকালে ভোট করা কতটা সুরক্ষিত সেই নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা।

রাজ্যজুড়ে থাবা বসিয়েছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভোট স্থগিত রাখার কোনও নির্দেশিকা এখনও অবধি জারি করেনি। আগামী ২২ জানুয়ারি ভোট রয়েছে রাজ‍্যের ৪ পৌর নিগমে। তার পরেই ২৭ ফেব্রুয়ারি রয়েছে ভোট গণনা।

Weather Update: বঙ্গে শীতের আমেজে ধাক্কা দিয়ে চড়ল পারদ

kolkata winter

নিউজ ডেস্ক : শুক্রবার পূর্বাভাস মতোই কলকাতা সহ রাজ্যে বাড়ল তাপমাত্রার পারদ। শীতের প্রকোপ কিছুটা কমল। এদিন কলকাতায় বৃহস্পতিবারের তুলনায় তাপমাত্রা প্রায় ১ ডিগ্রি বেড়েছে। শনিবারও আবহাওয়া এরকমই থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। জেলাগুলিতেও গত কয়েকদিনের তুলনায় ঠান্ডা কমেছে।  

আজ শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার তা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। আগামী কয়েকদিন বঙ্গে উষ্ণতার পারদ ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বাড়বে। তবে কলকাতা সহ জেলায় ভোরের দিকে কুয়াশার দাপট থাকছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমে যাচ্ছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামী কয়েকদিনও ভোরের দিকে কুয়াশার প্রকোপ থাকবে। তবে বেলা বাড়লেই কুয়াশা কেটে যাবে।

পাশাপাশি আগামী কয়েকদিন আর জাঁকিয়ে শীতের অনুভূতি থাকবে না। এর জন্য পশ্চিমী ঝঞ্ঝাকেই দায়ী করা হয়েছে। উত্তর ভারতে তুষারপাত ও প্রবল শীত পড়লে তার রেষ এ রাজ্যে পড়ে। উত্তুরে হাওয়া প্রবেশ করলে বাংলায় শীত বাড়ে। কিন্তু পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে এই উত্তুরে হাওয়া আপাতত পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে বাধা পাচ্ছে। আর তার ফলেই বঙ্গে পারদ বাড়ছে, কমছে ঠান্ডা।

Weather Update: ফের ঊর্ধ্বমুখী পারদ, রাজ্যজুড়ে ঘন কুয়াশার সতর্কতা

Weather Updates

নিউজ ডেস্ক : শীতের আমেজ বজায় থাকলেও বৃহস্পতিবার ফের ঊর্ধ্বমুখী পারদ। রাজ্যজুড়েই ঘন কুয়াশার সর্তকতা জারি হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, উত্তরবঙ্গে ঘন থেকে অতি ঘন কুয়াশা থাকবে। আর দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। 

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী পশ্চিমী বাধায় কলকাতায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা বেশ কিছুটা বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা ২২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে ২৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও রাতের তাপমাত্রা ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে। কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় এদিন সকালে কুয়াশা থাকবে। তবে পরে আকাশ পরিষ্কার হবে। আগামী ৩ দিনে শীতের আমেজ কমিয়ে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়তে পারে।  

আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, উত্তর-পশ্চিম ভারতে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা অবস্থান করছে। রাজস্থানে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম ভারতে আজ আরেকটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে। এর প্রভাবে উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে ঘন কুয়াশা থাকবে। আসাম মেঘালয়েও ঘন কুয়াশা থাকবে। সিকিম ও উত্তরবঙ্গে অতি ঘন কুয়াশা থাকবে। বিহার, উড়িষ্যা, ঝাড়খন্ড, পশ্চিমবঙ্গে আগামী ২ দিন ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলা যেমন দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতে কুয়াশার প্রভাব থাকবে। বাকি জেলাতে হালকা কুয়াশার প্রভাব থাকবে।

তবে আলিপুরের আবহাওয়া দফতরের খবর অনুযায়ী, আগামী ৫ দিন দুই বঙ্গেই আকাশ পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।

Weather Update: রাজ্যে আবহাওয়া বদলের পূর্বাভাস

নিউজ ডেস্ক : বছর ঘুরতেই বাংলা জুড়ে জাঁকিয়ে শীত। রাতে ও ভোরের দিকে এক লাফে অনেকটাই কমছে পারদ। কনকনে ঠান্ডায় জুবুথুবু কলকাতাবাসী। তবে রাতের দিকে সামান্য বাড়তে পারে তাপমাত্রা। কারণ ফের পশ্চিমী ঝঞ্ঝা! ফের একবার পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বাধা পাবে উত্তুরে হাওয়া। ফলে রাতের দিকে সামান্য বাড়তে পারে তাপমাত্রা।

হাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় রাতে ১ থেকে ২ ডিগ্রি বাড়বে পারদ। তবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় বাধা পাওয়ার আগে দক্ষিণবঙ্গে আজও শীতের পূর্ণ আমেজ বজায় রয়েছে। বুধবার কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম।

হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, বুধবার অবধি বাংলার উত্তরের এবং দক্ষিণের সমস্ত জেলায় শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। কিন্তু তারপর থেকেই আবহাওয়া বদলে যাবে। বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হবে। আজ বেলা বাড়লে কিছুটা বাড়বে আপেক্ষিক আর্দ্রতা। তবে আপাতত আগামী ৭২ ঘণ্টা বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। এদিকে ৪ জানুয়ারি থেকে ৬ জানুয়ারি এবং ৭ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রাজ্যে প্রভাব ফেলবে। বেশ ঠান্ডা অনুভূত হলেও বৃহস্পতিবার থেকে আবহাওয়ায় পরিবর্তন আসবে।

BJP: কলকাতায় লজ্জাজনক হারের কারণ ‘অজানা’, বাইশের পুরভোটে বিজেপি অসহায়

একুশের বিধানসভা ভোটে অধরা রয়ে গিয়েছিল স্বপ্ন। উপনির্বাচনে পর্যুদস্ত। কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে বিজেপির হাল তথৈবচ। এখানেই শেষ নয়, এখনও বাকি রয়েছে ‘খেলা’। কলকাতার বাইরের একাধিক জায়গায় এখনও বাকি পুর ভোট। উঠে দাঁড়াতে পারবে কি বিজেপি (BJP)?

১৪৪ টি ওয়ার্ডের মধ্যে জয় মাত্র ৩ টিতে। এক কথায় কলকাতার ভোটে ভারতীয় জনতা পার্টি কার্যত হোয়াইটওয়াস। কেন এই হাল? দলের মধ্যে হয়েছে আলোচনা। প্রার্থীদের সঙ্গেও বৈঠকে কথা বলেছেন শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতিনিধিরা৷

প্রশ্ন খুব সহজ। একের পর এক পরাজয়, সমস্যাটা কোথায়? সূত্র উদ্ধৃত করে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, এই প্রশ্নই বারংবার ঘুরপাক খেয়েছে বিজেপির কর্মী, সমর্থক, চারদেওয়ালের মধ্যে আয়োজিত বৈঠকে৷

বেশিরভাগ প্রার্থীই হারের কারণ হিসেবে কলকাতায় দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকেই দায়ী করেছেন বলে জানা গিয়েছে৷ কলকাতায় হার নিয়ে তেমন বিচলিত দেখায়নি দিলীপ ঘোষকেও। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির মতে, “কলকাতায় দলের সংগঠন তেমন শক্তিশালী নয়, তাই আমরা হেরেছি।”

হারের ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে আরও একটি বিষয়ও উঠে এসেছে৷ পছন্দের প্রার্থী নাকি দেওয়া হয়নি বহু জায়গায়। যার ফলে দরকারের সময়ে সমর্থকদের অনেকেই বসেছিলেন হাত-পা গুটিয়ে৷ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরেও উঠে এসেছিল অনুরূপ অভিযোগ। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রয়ে গিয়েছিল কিছু গলদ। সেই সঙ্গে ছিল আদি নব্যের বিবাদ। যদিও কলকাতা পুরভোটে আদি নব্যের ইস্যুর কথা শোনা যায়নি। বরং সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং প্রার্থী বাছাইয়ের মতো জায়গায় ভুল সিদ্ধান্তের কথায় বলেছেন রাজনৈতিক মহলের অনেকে।

বিজেপি কি তাহলে একই ভুল বারবার করছে? অভিযোগের সিরিজ অন্তত তেমনই। নেতৃত্ব এবং তৃণমূল স্তরের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে রয়ে যাচ্ছে ভাবনার পার্থক্য৷ পুরভোটের আগে রাজ্য স্তরের নেতাদের মধ্যেও তৎপরতা দেখা গিয়েছিল কি? প্রশ্ন উঠতে পারে। নরেন্দ্র মোদী যখন কনকনে ঠান্ডা জলে নেমে দেবাদিদেবের উপসনা করছিলেন, তখন সূর্যধর সেন লেনের বাড়িটায় কোথায় সেই আমেজ? নম-নম করে পুজো সেরেছিলেন দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদাররা। কোথাও যেন তাল কাটছে। রেওয়াজ করেও মনহরী হচ্ছে না রাগ।

মোদীরা রয়েছেন চেনা ছকে। এমনটাই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের৷ সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ক্যারিশমাও আগের মতো এখনও রয়েছে কি না, সে ব্যাপারেও রয়েছে প্রশ্ন। কৃষিবিল, আফস্পা আইন, পেগাসাস, রাতারাতি লকডাউন, অতিমারি কালে মৃত্যু মিছিল, স্বজন হারানোর কান্না… একে একে জমা হচ্ছে মানুষের মগজে। সম্প্রতি কর্নাটকের চেনা জায়গাতেও হেরেছে বিজেপি।

হাওড়া, বালির নির্বাচন অনিশ্চিত। এখনও অনুমতি দেননি রাজ্যপাল। নির্বাচন কমিশনেরও আপাতত কিছু করার নেই। চন্দননগর, বিধাননগর, শিলিগুড়ি এবং আসানসোলে ভোট রয়েছে। জানুয়ারিতেই ভোট। গণনাও এই মাসে। কিন্তু সাম্প্রতিককালের পশ্চিমবঙ্গে বিজপির যা ট্রেন্ড তাতে কি আমূল বদল আসবে? বিধানসভা নির্বাচনেই রাজ্যের মানুষ নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন। প্রায় ৭ মাস কেটেছে। এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত বদল করার মতো মস্ত কিছু কি ঘটেছে রাজ্যে? উপরন্তু এই মাঝের সময়কালে দেশে এমন অনেক কিছু ঘটেছে যা কেন্দ্র সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। যার কিছু উদাহরণ প্রতিবেদনের ইতিপূর্বে উল্লেখিত।

Weather Update: উত্তুরে হাওয়ার জেরে রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে ঠান্ডা

winter

নিউজ ডেস্ক: গোটা ডিসেম্বর জাঁকিয়ে শীত ছিল অধরা। তবে, নতুন বছরের শুরু থেকে পারদ নামার পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর (Weather Update)। কিন্তু সেখানেও পশ্চিমী ঝঞ্ঝার ভ্রুকুটি। হাওয়া অফিসের আশঙ্কা, জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের শেষের দিকেই শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বড়সড় প্রভাব ফেলতে আবহাওয়ায়।

আর তারই জেরে ফের একবার উধাও হয়ে যেতে পারে শীত। সব মিলিয়ে জাঁকিয়ে কবে থেকে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়বে, সে বিষয়ে আগাম পূর্বাভাস দিতে পারছেন না আবহাওয়াবিদরা। দার্জিলিংয়ে হাড়কাঁপানো ঠান্ডার অনুভূতি মিললেও রাজ্যের বাকি অংশে জাঁকিয়ে শীত তেমন পড়েনি।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘন্টা অর্থাত্‍ ৩ জানুয়ারি সোমবার সকালের মধ্যে বাংলার অধিকাংশ জেলার আকাশ পরিষ্কার থাকবে। আবহাওয়াও শুকনো থাকবে। আগামী দিন দুয়েক রাতের দিকে তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রির মতো কমতে পারে। আগামী ২৪ ঘন্টায় সকালের দিকে কোনও কোনও জায়গায় কুয়াশা দেখা দিতে পারে। তবে বেলা বাড়তেই আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা বেশি নামতে পারে। উত্তর পশ্চিম ভারতে ৪ জানুয়ারি আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা আসতে চলেছে। তার জেরে আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে এ রাজ্যেও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে।

এদিকে নতুন বছরের দ্বিতীয় দিনেই প্রায় ২ ডিগ্রি নামল পারদ। আজ কলকাতার (Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তুরে হাওয়ার জেরে গোটা রাজ্যেই জাঁকিয়ে ঠান্ডা রয়েছে। আরও কিছুটা নামতে পারে পারদ। পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি পারদ। তরাই-ডুয়ার্সে তাপমাত্রার পারদ ১০ ডিগ্রির নীচে নামল। 

Weather Update: পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ‌কাটতেই নতুন বছরে ফের জাঁকিয়ে শীত

bengal-winter

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে বুধ ও বৃহস্পতিবার সামান্য বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। আর তারপর থেকেই একলাফে অনেকটা কমল তাপমাত্রা। শুক্রবারও অনেকটাই নামল তাপমাত্রার পারদ। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী কমতে শুরু করল কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা। শুক্রবার থেকেই রাজ্যের একাধিক জেলাতে পারদ পতনের সম্ভাবনার কথা রয়েছে।

আজ কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল তা ছিল ২৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে নেমে ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘন্টা পর থেকে তাপমাত্রা আরও নামতে পারে। জানুয়ারী মাসের ৪ তারিখের পর ফের একলাফে অনেকটা কমতে পারে তাপমাত্রা।

আলিপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর, নতুন বছরের শুরু থেকেই রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে শীত পড়বে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জন্য রাজ্যে শীতের দাপট বাধা পেয়েছে। সেই ঝঞ্ঝা কেটেছে। যার জেরে এই মুহূর্তে রাজ্যজুড়ে স্বাভাবিকের থেকে যে তিন-চার ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়ে রয়েছে, তা নেমে পৌঁছবে স্বাভাবিকের কাছাকাছি। কোথাও কোথাও তা স্বাভাবিক তাপমাত্রার থেকে নীচেও নামতে পারে।

নতুন বছরে জাঁকিয়ে পড়বে শীত। আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী কয়েকদিন বঙ্গে আর বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। ধীরে ধীরে রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রা নামবে।

Tourist destination of Bengal: শীতের রূপসী বাংলা, পর্যটনে গরম হাওয়া

Winter is the tourist destination of Bengal

অনলাইন ডেস্ক: করোনার কোপে বড়সড় লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে পর্যটন (Tourist) শিল্প। এক বছরেরও বেশী সময় ধরে রোজগার কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছিল পর্যটন ব্যবসায়ীদের। তবে রাজ্যে ধীরে ধীরে খুলছে পর্যটন কেন্দ্রগুলি, দেখা মিলছে পর্যটকদেরও।

এদিকে ডিসেম্বরের শীতের পরশ গায়ে লাগতেই দুই বঙ্গের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় বাড়িয়েছেন পর্যটকরা। একদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, কারশিয়াং অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের দিঘা, মন্দারমনি, তাজপুর প্রভৃতি।

রাজ্য বনদফতরের অনুমতি পেয়ে গত ১ অক্টোবর থেকে খুলেছে সুন্দরবন পর্যটনকেন্দ্র। ওই এলাকার হরিখালি, সজনেখালি-সহ বিভিন্ন ভ্রমণস্থানগুলি খুলে দিলেও বন্ধ রাখা হয়েছে সুধন্যখালি ও ঝাড়খালি। তবে সুন্দরবনে ভ্রমণের জন্য তেমন কোনো কড়া বিধিনিষেধ না থাকায় হাজির হচ্ছেন পর্যটকরা।

পর্যটকদের ভিড় বাড়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি হয়েছেন পর্যটক ব্যবসায়ীরা। গত একবছরের কঠিন পরিস্থিতি পার করে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তাঁরা। আর এবারের শীত সেই আশার আলোই যেন দেখিয়েছে। পর্যটন ব্যবসায়ীদের তরফে জানা গিয়েছে, করোনা বিধি মেনেই পর্যটকরা ভ্রমণ করছেন। মাস্ক ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

weather update: নামল তাপমাত্রা, শুরুতেই কনকনিয়ে ঠাণ্ডা

Kolkata Winter

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: উত্তুরে হাওয়ার হাত ধরে শহরে শীতের (Winter) আগমনী। আজও ১৫ ডিগ্রির নীচে নামল কলকাতার তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ৩-৪ দিন শীতের আমেজ (Winter Update) এমনই থাকবে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Alipur Met Office) সূত্রে খবর, গতকাল মরসুমের শীতলতম দিন ছিল। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কেটে গেলে পারদ আরও নামতে পারে। আজ কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। কয়েকটি জেলায় ১২ ডিগ্রির নীচে পারদ নেমেছে। মঙ্গলবারও কলকাতার পারদ নেমেছিল ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দার্জিলিঙে মঙ্গলবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কালিম্পঙে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়ি ১০.২, কোচবিহার ১০.৪, জলপাইগুড়ি ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণবঙ্গেও বেশকিছু জায়গায় পারদ নেমেছে অনেকটাই। পুরুলিয়া ১১.৭, শ্রীনিকেতন ১১.৮, পানাগড় ১২.৩, আসানসোল ১৩.৩, কৃষ্ণনগর ১৩.৪, মেদিনীপুর ১৩.৫ ও বাঁকুড়ায় পারদ নেমেছে ১৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

Bengal municipal elections : রাজ্যের ১১১ টি পুরসভার ভোট কবে? চূড়ান্ত রায় আসছে

election

News Desk: রাজ্য জুড়ে স্থগিত থাকা মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ শতাধিক পুরসভার নির্বাচন (Bengal municipal elections) করানো নিয়ে বারবার শাসক তৃণমূল কংগ্রেস প্রশ্নের মুখে। প্রধান বিরোধী দল বিজেপির তরফে বারবার কটাক্ষের মুখে পড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী।

বিধানসভায় স্থান না পেলেও বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের তরফেও সরকারের সমালোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতা পুরনিগম ভোটের আগেই ১১১টি পুরসভা ভোট সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার রায় বুধবার। রায় দেবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ।

গত শুক্রবার মামলার শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত রেখেছে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার মামলার চূড়ান্ত রায় দেওয়ার কথা থাকলেও সে দিন এবং আজ মঙ্গলবার রায় ঘোষণা হয়নি।

শুনানির শেষ দিনে বিজেরির পক্ষে আইনজীবী পিংকি আনন্দ রাজ্যে ৬ থেকে ৮ দফায় নির্বাচন হবে বলে নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামা পরিপ্রেক্ষিতে জানিয়েছিলেন, ১১১টি পুরসভার ভোট গ্রহণের নির্দিষ্ট তারিখ হলফনামায় উল্লেখ ছিল না।

রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ডিভিশন বেঞ্চে জানিয়েছিলেন মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক আইসিএসসি এবং সিবিএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশিত না হওয়ায় তারা চেয়েছেন এপ্রিলের মধ্যেই ভোট সম্পন্ন করতে।

সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর মামলার রায় স্থগিত রেখেছিলেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আইনজীবী মহল মনে করছে, বুধবারের রায়ে স্পষ্ট হবে ১১১টি টি পুরসভা ভোটের দিনক্ষণ এবং তার গণনার তারিখ।

Weather Update: স্বাভাবিকের নীচে নামল তাপমাত্রা

winter

নিউজ ডেস্ক : সোমবারের থেকে মঙ্গলবার তাপমাত্রা আরও নীচে নামল। সোমবার কলকাতার ন্যূনতম তাপমাত্রা ছিল ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার তা প্রায় ১ ডিগ্রি কমে হয়েছে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। এদিন এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া (Weather) দফতর।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দু-একদিনে তাপমাত্রা আরও ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমবে। ১৫ ডিগ্রির নীচেই থাকতে চলেছে তাপমাত্রা। জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে আরও ২-৩ ডিগ্রি কম। দিনের তাপমাত্রাও তেমন বাড়বে না। এদিন সকালে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পরবর্তী ৪৮ ঘন্টা অর্থাত্‍ ১৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে সবকটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, হিমালয় সংলগ্ন জেলাগুলিতে সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে। এছাড়াও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমবে বলেও জানানো হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে ২ থেকে ৩ দিন তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না বলেই জানা গিয়েছে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলির কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। অন্যদিকে রাতের তাপমাত্রাও কিছুটা কমার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ মেঘলা থেকেছে। উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ স্তব্ধ হয়েছিল। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, নতুন করে পারদ পতন না হলেও আগামী কয়েক দিন বজায় থাকবে এই ঠান্ডা। আগামী সপ্তাহ থেকে ঠান্ডা আরও বাড়তে পারে। আগামী কয়েকদিন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৪ ও ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে।

Vijay Hazare trophy: VJD পদ্ধতির গ্যাঁড়াকলে বাংলার হার

Bengal, lose ,VJD, method,Vijay Hazare trophy

Sports desk: ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (BCCI) পরিচালিত বিজয় হাজারে ওয়ানডে ফর্ম্যাট টুর্নামেন্টে (Vijay Hazare trophy) বাংলা বরোদার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে জয় পেলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে পন্ডিচেরীর কাছে হেরে গেল। দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৩০ ওভার বল গড়ায়। পন্ডিচেরী ২ উইকেটে ১৩২ রান করে,৮ উইকেটে জিতে যায় VJD পদ্ধতি অনুসারে।

VJD (ভিজেডি) পদ্ধতি হল বৃষ্টি চলাকালীন সীমিত ওভারের ক্রিকেট ম্যাচে টার্গেট স্কোর গণনা করার একটি পদ্ধতি, যা কেরালার একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ভি জয়দেবন তৈরি করেছেন। বলা যেতে পারে,VJD পদ্ধতি হল বৃষ্টি চলাকালীন সীমিত ওভারের ক্রিকেট ম্যাচে টার্গেট স্কোর গণনা করার একটি পদ্ধতি যা DLS অর্থাৎ Duckworth, Lewis and Sterne (ডিএলএস) পদ্ধতির বিকল্প।

প্রসঙ্গত, অতীতেও বিসিসিআই VJD পদ্ধতি অনুসরণ করে এবং ২০১৯ সালে কর্ণাটক বিজয় হাজারে ট্রফিতে তামিলনাড়ুকে ৬০ রানে হারিয়েছিল VJD পদ্ধতিতে।

VJD পদ্ধতি তামিলনাড়ু প্রিমিয়ার লিগে (TNPL) ব্যবহার করা হয়েছিল এবং ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (IPL) চতুর্থ এবং পঞ্চম মরসুমে ব্যবহারের জন্য বিবেচিত হয়েছিল। শুধু তাই’ই নয় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা আইসিসি (ICC), DLS পদ্ধতির বিকল্প হিসেবেও বিবেচিত করেছিল VJD পদ্ধতিকে।

বিজয় হাজারে ট্রফির দ্বিতীয় ম্যাচে বৃ্হস্পতিবার বাংলা টসে জিতে ব্যাটিং নেয়। ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৪ রান তোলে। কিন্তু বৃষ্টি চলাকালীন সীমিত ওভারের ক্রিকেট ম্যাচে টার্গেট স্কোর গণনা করার VJD পদ্ধতিতে বাংলা হেরে যায় পন্ডিচেরীর কাছে। বাংলার তৃতীয় ম্যাচ ১১ ডিসেম্বর তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে, ত্রিবান্দ্রমের গ্রীনফ্লিড স্টেডিয়ামে।

বিজয় হাজারে ট্রফিতে জয় দিয়ে অভিযান শুরু বাংলার

Vijay Hazare Trophy

Sports desk: বিজয় হাজারে ট্রফির একদিনের ফর্ম্যাটে বাংলার বোলারদের দাপটে তছনছ বরোদা। হেডকোচ অরুণলালের ছেলেরা জিতলো ২৭ রানে,সঙ্গে পেল ৪ পয়েন্ট।

ত্রিবান্দ্রমের গ্রীনফ্লিড স্টেডিয়ামে বরোদা টসে জিতে ফ্লিডিং’র সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলার হয়ে অভিষেক দাস ৬২,কাইফ আহমেদ ৬৭,ঋতিক রায় চৌধুরী ৪৮ রান করেন।অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জী ১৪ রানে প্যাভিলিয়ন ফিরে আসেন। বাংলা ৪৯.৪ ওভারে ২৩০ রানে অল আউট হয়ে যায়। বরোদার হয়ে শেঠ ৪,মেরিওয়ালা ৩,ক্রুনাল পান্ডিয়া ২ টি করে উইকেট নেয়।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলার বোলিং লাইন আপের মুখে পড়ে লণ্ডভণ্ড দশা বরোদার। আকাশদীপ সিং ৩,মুকেশ কুমার, সাহবাজ, ঋতিক বিজয় চ্যাটার্জী ২ টি করে উইকেট শিকার করে বরোদার। ৪৮.২ ওভারে ২০৩ রানে গুটিয়ে যায় বরোদা।

বরোদা অধিনায়ক কেদার দেওধর ৩৫,পি এ কুমার ৪৮,ক্রুনাল পান্ডিয়া ৩৯,কাঁকাদে ২৮,মিতেস প্যাটেল ২০ রান করেন। বাংলার আকাশদীপ সিং ৯.২ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩৯ রানে ৩ উইকেট শাশ্বত রাউত শূন্য হাতে,শেঠ ৮,ভার্গব ভাটকে ৩ রানে শিকার করে। বিষ্ণু সোলাঙ্কিকে ১০ রানের মাথায় করেন সুদীপ চ্যাটার্জী।

বিজয় হাজারে ট্রফিতে বাংলার পরের ম্যাচ পন্ডিচেরীর বিরুদ্ধে আগামীকাল বৃ্হস্পতিবার, ত্রিবান্দ্রমের মঙ্গলাপুরমে। বাংলা এলিট গ্রুপ ‘B’ রয়েছে। এই গ্রুপে শক্তিশালী মুম্বই যারা গতবারের চ্যাম্পিয়ন এই টুর্নামেন্টে রয়েছে। সঙ্গে তামিলনাড়ু এবং কর্ণাটক রয়েছে। তাই এই গ্রুপকে “গ্রুপ অফ ডেথ” বলা হচ্ছে।

Satyr tragopan: ১৭৮ বছর পর বাংলায় মিলল বিলুপ্তপ্রায় পাখি

Satyr Tragopan

News Desk, Kolkata: ফের দেখা মিলল স্যাটায়ার ট্রাগোপান-এর। (Satyr tragopan) প্রায় ১৭৮ বছর পর দার্জিলিংয়ের সেঞ্চল ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারিতে স্যাটায়ার ট্র্যাগোপানের দেখা মিলেছে। এই পাখি ক্রিমসন হর্নড ফিজ্যান্ট নামেও পরিচিত।

বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির পাখির ফের দেখা পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত বন আধিকারিক থেকে কর্মীরা। ওই পাখিটির সেঞ্চল অভয়ারণ্যে উপস্থিতির বিষয়ে জানতে পেরে ক্যামেরা বসানো হয়। শুধু একটা নয়, তিনটি পুরুষ স্যাটায়ার ট্র্যাগোপানের দেখা মিলেছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

মূলত করোনার কারণে প্রায় দু’বছর বন্ধ ছিল পাহাড়ের পর্যটন। মাঝে একটা বড় সময় লকডাউন ও বিধিনিষেধ ছিল। যে কারণে পাহাড়ে গাড়ি চলাচল কম হয়েছে। কমেছে লোক চলাচল। এতে পরিবেশ দূষণ অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। আর সেই কারণেই ওই বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির পাখির ফের আগমন হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ স্যাটায়ার ট্র্যাগোপান মূলত হিমালয়ের বুকে থাকা ঘন জঙ্গলের পাখি। নেপাল, ভুটান ও দার্জিলিং এলাকাতেই আগে বেশি দেখা মিলত।

গ্রীষ্মে এই পাখি হিমালয়ের ২৪০০-৪২০০ মিটার উচ্চতায় দেখা যায়। যদিও শীতে ১৮০০ মিটার উচ্চতায় দেখা যায়। দার্জিলিং ওয়াইল্ড লাইফ ডিভিশনের ডিএফও সুরত্ন শেরপা বলেন, “আমরা খুব খুশি। ১৭৮ বছর পর ফের একবার এর দেখা মিলেছে। আর তা নিশ্চিত করতে ছবি ও ভিডিয়ো রাখা হয়েছে। আমরা আরও নিশ্চিত করতে অভয়ারণ্যে আরও ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু করেছি।” নেপাল, ভুটান তো বটেই, দার্জিলিংয়ের সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানে বাস করে ট্রাগোপান। সেখান থেকেই ওই তিন পাখি এসেছে বলে ধারণা বন আধিকারিকদের।

এটি হিমালয় পাকিস্তান, ভারত, তিব্বত, নেপাল এবং ভুটানের হিমালয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। এগুলি ঘন আন্ডার গ্রোথ এবং বাঁশের কুঁচকিতে আর্দ্র ওক এবং রোডোডেনড্রন বনাঞ্চলে বাস করে। এগুলি গ্রীষ্মে ৮,০০০ থেকে ১৪,০০০ ফুট এবং শীতে ৬,০০০ ফুট অবধি রয়েছে। পুরুষটি প্রায় ৭০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়।

যখন এটির মেটিং সিজন হয়, পুরুষ স্যাটায়ার ট্র্যাগোপানস নীল শিং এবং একটি ঘন ঘন উৎপাদন প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত হলে, তারা তাদের শিং ফুলিয়ে দেবে এবং একটি শিলার আড়ালে লুকিয়ে থাকবে, স্ত্রীলোকরা তাদের পাশ কাটিয়ে অপেক্ষা করবে। যখন কেউ এটি করে, তারা স্ত্রীদের সামনে একটি বিস্তৃত এবং আকর্ষণীয় প্রদর্শন করবে। প্রদর্শন শেষে পুরুষটি তার পুরো উচ্চতায় প্রসারিত হবে এবং তার অলঙ্কারগুলি প্রদর্শন করবে। মহিলারা বাদামী হয় এবং পুরুষরা সাধারণত নীল, কালো, সাদা দাগ এবং ক্ষুদ্র চিহ্ন যুক্ত লাল হয়।

Senior NFC Championship: গোল পার্থক্যে জেরে বাংলার মহিলা দল ছিটকে গেল

Bangla women's team

Sports desk:সিনিয়র মহিলা জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ (Senior NFC Championship) তেলেঙ্গানার বিরুদ্ধে বাংলার মেয়েদের এককথায় ব্লক ব্লাস্টার এনকাউন্টার। গ্রুপ ‘H’ নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে বাংলা ২০-০ তেলেঙ্গানা। বড় মার্জিনে জিতেও গোল পার্থক্যের জেরে চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়াটার ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করতে পারল না বাংলার মেয়েরা।

পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে বাংলা চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম খেলায় গোলশূন্য ড্র এবং দ্বিতীয় ম্যাচে তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করেছিল বাংলা। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। মনিপুর, আসাম,মহারাষ্ট্র, মিজোরাম অন্যদিকে রেলওয়ে, গোয়া,তামিলনাড়ু, ওডিশা কোয়াটার ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করেছে।

বাংলার গ্রুপ ‘H’ থেকে তামিলনাড়ু শেষ আটে খেলবে। ফাইনাল ৯ ডিসেম্বর। কেরালার কোঝিকোড়ে সিনিয়র মহিলা জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ (Senior NFC Championship) আয়োজিত হচ্ছে।

সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) নিজেদের টুইটার হ্যাণ্ডেলে পোস্ট করেছে,”অভিনন্দন 🙌🏼 সকল 8️⃣ দলকে যারা #HeroSWNFC-এর কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে 🏆
#ইন্ডিয়ানফুটবল ⚽️। “

তেলেঙ্গানার বিরুদ্ধে আগাগোড়া দাপটে খেলে দুরন্ত জয় হেড কোচ দোলা মুখার্জীর মেয়েদের। ম্যাচের সন্ধ্যা এবং কাজল দুজনের জোড়া গোল মোট ৪ গোল হল। রঞ্জিতা একাই ৯ গোল তেলেঙ্গানার জালে জড়িয়েছে।

গোটা ম্যাচে তেলেঙ্গানা দলকে নিয়ে কার্যত ছিনিবিনি খেলেছে বাংলার মেয়েরা। সুমিলা এবং গীতা হ্যাটট্রিক করেছে।দুলার একটি গোল করেছে।

৩২ টি দলকে আটটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।প্রতিটি গ্রুপের দলগুলি বাছাইপর্বের জন্য একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। বাছাইপর্বের ম্যাচের বিজয়ীরা সেমিফাইনাল খেলবে, শেষ চার থেকে দুই বিজয়ী ফাইনালে যাবে।

শিল্প ও বিনিয়োগ টানতে জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কলকাতায় বৈঠক

lieutenant-governor-of-jammu-and-kashmir

নিউজ ডেস্ক: শিল্প ও বিনিয়োগ টানতে মঙ্গলবার কলকাতায় জম্মু কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর বঙ্গের শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন। পাশাপাশি ভূস্বর্গে বিনিয়োগ করলে, কী কী ছাড় বা সুবিধা মিলবে, তারও রূপরেখা তুলে ধরেন সেখানকার আমলারা।

২ বছরেরও বেশি সময় হয়ে গিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়েছে। জমি কেনা থেকে শিল্পস্থাপন, এখন দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতোই ভূস্বর্গেও সহজ হয়ে গিয়েছে। এবার সেখানে বিনিয়োগ টানতে উদ্যোগী হল জম্মু কাশ্মীর প্রশাসন।

তারই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার কলকাতায় হল একদিনের ইন্ডাস্ট্রি ইন্টার‍্যাকশন। এদিন কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে জম্মু কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা বাংলার শিল্পপতিদের সঙ্গে দেখা করেন। ভূস্বর্গে বাংলার শিল্পপতিদের বিনিয়োগে আমন্ত্রণও জানান। তিনি বললেন, ‘রাজ্য এখন শিল্প সহায়ক। স্বস্তি ফিরেছে। আপনারা ব্যবসা করতে পারেন।’ শুধু বিনিয়োগের আহ্বান নয়, ভূস্বর্গে বিনিয়োগ করলে কী কী ছাড় বা সুবিধা পাওয়া যাবে, সেই রূপরেখাও এদিন শিল্পপতিদের সামনে তুলে ধরেন সেখানকার আমলাদের একাংশ। এদিনের অনুষ্ঠান কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি বা CII-এর উদ্যোগে হয়।

 

Bay of Bengal: বঙ্গোপসাগরের বুকে তৈরি নিম্নচাপে ডিসেম্বরের শুরুতেই বাংলায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

low pressure in the Bay of Bengal

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: চলতি বছরে বৃষ্টি যেন শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না। এবার বৃষ্টির অন্যতম কারণ নিম্নচাপ (Depression)। সোমবার মৌসম ভবন (Mousom Bhaban) জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের (Bay of Bengal) বুকে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে। ডিসেম্বর (December) শুরুতেই এই নিম্নচাপ ঘূর্ণাবর্তে পরিবর্তিত হবে। যার প্রভাব পড়বে গুজরাত, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, অন্ধপ্রদেশ, ওড়িশা, ও পশ্চিমবঙ্গে।

সোমবার মৌসম ভবন জানিয়েছে, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরের বুকে সোমবার থেকেই এই নিম্নচাপটি ঘনীভূত হচ্ছে। ডিসেম্বরের শুরুতেই যা ঘূর্ণাবর্তে পরিবর্তিত হবে। নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই সেটি শক্তিশালী আকার নিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে যাবে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে মঙ্গল ও বুধবার গুজরাত এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবল বৃষ্টিপাত হতে পারে। একইসঙ্গে ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হওয়া। ১ ডিসেম্বর থেকে এই হওয়ার গতিবেগ আরও বাড়বে।

মৌসম ভবন জানিয়েছে, ঘূর্ণাবর্তের জেরে মঙ্গল ও বুধবার গুজরাতের একাধিক জেলায় অতিভারী বৃষ্টি হবে। এ জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক জেলায় মঙ্গলবারের জন্য কমলা সর্তকতা এবং বুধবারের জন্য হলুদ সর্তকতা জারি করা হয়েছে। মৌসম ভবন তার সতর্কবার্তায় গুজরাত উপকূলে মৎস্যজীবীদের ৩০ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমুদ্রের না যাওয়ার কথা জানিয়েছে। এই ঘূর্ণাবর্তের জেরে পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধপ্রদেশ এবং উড়িশাতেও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসম ভবন তাদের সতর্কবার্তায় প্রতিটি রাজ্যের কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

সাধারণত প্রতি বছরই অক্টোবর, নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ দেখা যায়। তবে এবার তেমন কোনও ঘূর্ণি ঝড় দেখা যায়নি। দেখা গিয়েছে একের পর এক নিম্নচাপ।

মৌসম ভবনের এই সতর্কবার্তায় ভাঁজ পড়েছে বাংলার কৃষকদের কপালে। কারণ আমন ধান উঠার পর এখন চলছে আলু বীজ বসানোর ভরা মরসুম। কিন্তু এই মুহুর্তে যদি নতুন করে আবার বৃষ্টিপাত হয় তবে আলু বসানোর কাজ অনেকটাই পিছিয়ে যাবে। এমনিতেই অক্টোবরের প্রবল বৃষ্টিতে ধান ও আলু চাষের যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে। ডিসেম্বরে যদি ফের বৃষ্টি হয় তবে কৃষকদের ক্ষতি আরও বাড়বে। তাই মৌসম ভবনের পূর্বাভাস বাংলার চাষীদের এক অজানা আশঙ্কার মধ্যে ফেলেছে। কারণ আলু চাষ করতে দেরি হলে একদিকে যেমন খরচ বাড়বে তেমনি কমবে ফলনও।

weather update in Bengal: উচ্চ্চাপ সরলেই ফিরবে হিমেল হাওয়া

bengal-winter

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: শীতের (weather) অপেক্ষায় দিন গুনছেন বঙ্গবাসী। মাঝে মাঝে উঁকি দিয়েই এই পালাচ্ছে। অদ্ভুত লুকোচুরি খেলা চলছে। সৌজন্যে একের পর এক নিম্নচাপ। পারদ উঠছে নামছে নয়। এতটাই বেড়ে যাচ্ছে যে মানুষকে বাধ্য হয়ে পাখা চালাতে হচ্ছে।

এখন আবার হাজির হয়েছে উচ্চচাপ বলয়। কোনও না কোনও সিস্টেম এসে বাংলার শীতের পথকে আটকে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি আগামী দিন দুই তিনেক থাকবে। তারপর মিলতে পারে শীতের আমেজ। বলা যেতে পারে সিস্টেম কার্যকরিতা হারালে তবেই নামবে পারদ।

হাওয়া অফিস স্পষ্ট জানিয়েছে সাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে আর্দ্র বাতাস ঢুকে পড়ছে রাজ্যে। আর তাতেই শীতল আবহাওয়া হারিয়ে যাচ্ছে। এমনকি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। সিস্টেম কাটলে নামবে পারদ। তবে জাঁকিয়ে শীত পড়তে নিয়মমাফিক মাঝ ডিসেম্বর, যা রাজ্যের আবহাওয়া অনুযায়ী স্বাভাবিক।

Kolkata Winter

এদিকে উচ্চ্চাপ বলয় উত্তর – পশ্চিমী বায়ুকে আটকে দিয়েছে। বেড়েছে গরম। তৈরি হয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।
বৃষ্টি থেকে রেহাই নেই দক্ষিনবঙ্গের। হেমন্তের ঠান্ডা ভাব পেরিয়ে হাজির গরম। বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগণা, মেদিনীপুর, হুগলী, নদিয়ায়। হালকা বৃষ্টি হবে, তবে বেশি সমস্যা তৈরি করবে অস্বস্তিকর আবহাওয়া। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

এই সপ্তাহের শেষে দিকে ফের শীতের অনুভূতি মিলতে পারে। তবে আপাতত জমিয়ে কনকনে শীতের কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি৷ তবে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা গিয়েছে। এদিকে, দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের কারণে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের সম্ভাবনা তৈরি হতেই প্রচুর পরিমাণে গরম বাতাস ঢুকে পড়ছে রাজ্যে।

এর ফলেই স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই বেড়েছে তাপমাত্রার পারদ। আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি, দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৪৩ শতাংশ। বুধবার থেকে তা কমতে পারে।

আবহাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, উচ্চচাপের প্রভাবে বৃষ্টি হলেও তা বিশেষ ভাবে কপালে ভাঁজ ফেলার মতো নয়। বরং বৃষ্টির হাত ধরে শীতের প্রবেশ ঘটতে পারে। এক লাফে পারদ পতনেরও সম্ভাবনা রয়েছে।

বঙ্গের ভিস্তা ডোম রেল পরিষেবাতেই নেই বাংলা: প্রতিবাদে বাংলাপক্ষ

banglapakkha

News Desk: ভিস্তা ডোম। রেল চালু করেছে নতুন এই রেল সফর। বাংলার মাটিতে এই রেল যাত্রায় নেই বাংলারই স্থান। তা নিয়েই এবার প্রতিবাদে নামল শিলিগুড়ি বাংলাপক্ষ

শিলিগুড়ি বাংলা পক্ষ আজ একাধিক কর্মসূচী পালন করে। প্রথমে সংগঠনের জেলা শাখার নেতৃত্বে শিলিগুড়ি জংশন স্টেশনে বাংলা ভাষার সাইনবোর্ড ও অন্যাশন্যে পরিষেবার দাবিতে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। সেই সঙ্গেই সম্প্রতি চালু হওয়া ভিস্তাডোম ট্রেনে পর্যটকদের যে যাত্রা পথের বিবরণ শোনানো হচ্ছে তা হিন্দি ও ইংরাজীতে, বাংলা ভাষা নেই বাংলার মাটিতেই। এর প্রতিবাদে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলপথের DRM কেও ডেপুটেশন দেওয়া হয় এবং অবিলম্বে বাংলা ভাষা যোগ করার দাবি জানানো হয়।

Gorg Chatterjee

সংগঠনের তরফে বহিরাগত রেল কর্মচারীদের মধ্যো বর্ণ পরিচয় বিলি করে, তাদের বাংলা ভাষা শিখে নেওয়ার কথা বলা হয়। কারণ সংবিধান অনুযায়ী বাঙালি নিজের মাটিতে বাংলায় সকল পরিষেবা পাবে এটাই সঠিক। এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্যএ রাজাদিত্যএ সরকার, কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সদস্যর সাগরিকা দাশগুপ্ত, সংগঠনের শিলিগুড়ি শাখার জেলা সম্পাদক গিরিধারী রায় , জেলা কমিটির সদস্য আশিস সাহা সহ অন্যারন্যর নেতৃত্ব ও সদস্যররা।

এইদিন বাংলা বললে বাংলাদেশ চলে যাওয়ার কথা বলা হিন্দিভাষী বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী ইমরান খানের বিরুদ্ধে আইনত ব্যথবস্থা গ্রহণের দাবিতেও শিলিগুড়ি থানায় আবেদন করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারা উল্লেখ করা হয়। সেইসঙ্গে এই কর্মীকে কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য মুখার্জী হসপিটাল নামের ঐ বেসরকারি নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকেও ধন্যাবাদ জানানো হয়।