ओटोबिक्स ने कोलकाता में अपने शुभारंभ की घोषणा की

कोलकाता : प्री-ओन्ड कारों के लिए एक अभिनव ऑटोटेक नीलामी मंच, ओटोबिक्स ने कोलकाता में अपने भव्य शुभारंभ की घोषणा की। अमित पारेख द्वारा स्थापित और संचालित, ओटोबिक्स का उद्देश्य अत्याधुनिक तकनीक के माध्यम से पारदर्शिता, दक्षता और निष्पक्षता लाकर प्री-ओन्ड कार बाजार को बदलना है।

प्री-ओन्ड कार सेगमेंट में पारंपरिक रूप से एग्रीगेटर्स और डीलरों द्वारा 10-15% मूल्य मार्कअप के साथ काम किया जाता है, जिससे खरीदारों के लिए कीमतें बढ़ जाती हैं और विक्रेताओं के लिए कम रिटर्न मिलता है। ओटोबिक्स इस मानदंड को 5% से कम मार्कअप करके यह सुनिश्चित करता है कि खरीदार और विक्रेता दोनों को उचित बाजार मूल्य मिले।

ओटोबिक्स प्री-ओन्ड कार डीलरों के लिए उनके बेमेल इन्वेंट्री को कुशलतापूर्वक समाप्त करने के लिए एक बाज़ार के रूप में भी काम करता है। पश्चिम बंगाल और ओडिशा में परिचालन शुरू करने के बाद, ओटोबिक्स अगले छह महीनों में अन्य टियर 2 और टियर 3 शहरों में विस्तार करने की योजना बना रहा है।

Murder of Renjith: বাইকে লেগে থাকা রক্তের দাগ ধরিয়ে দিল বিজেপি নেতার খুনিদের

Murder of Renjith

নিউজ ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত বাইকে লেগে থাকা রক্তের (blood) দাগ ধরিয়ে দিল খুনিদের। গত শনিবার রাতে কেরলে (keral) কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল এসডিপিআই (sdpi leader) নেতা কে এস শানকে। ওই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরেই রবিবার ভোরে নিজের বাড়িতে খুন হন বিজেপি নেতা রঞ্জিত শ্রীনিবাসন (Murder of Renjith)। ওই বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় মঙ্গলবার চার এসডিপিআই কর্মীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, রাজনৈতিক প্রতিশোধ নিতেই বিজেপি নেতাকে খুন করেছে এসডিপিআই কর্মীরা।

আলাপ্পুঝা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিজেপি নেতা রঞ্জিত শ্রীনিবাসনের খুনের সঙ্গে ওই চারজন যুক্ত ছিল। অভিযুক্তদের বাইকে রক্তের দাগ লেগে ছিল। ওই রক্তের দাগই অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে সাহায্য করেছে। বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় অপর অভিযুক্তদের ধরতে সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে কাজ সেরে বাড়ি ফেরার পথে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়ার রাজ্য সভাপতি শানের উপর চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতী। ধারালো অস্ত্রের কোপে দুষ্কৃতীরা শানকে গুরুতর জখম করে। হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও রবিবার ভোরেই তাঁর মৃত্যু হয়। শানের উপর আক্রমণের ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই দলের সভাপতি এমকে ফইজি দাবি করেন, এই ঘটনার সঙ্গে আরএসএস কর্মীরা জড়িত। কয়েক ঘন্টা পরেই রবিবার ভোরে বিজেপি নেতা রঞ্জিত যখন প্রাতঃভ্রমণে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হচ্ছিলেন সে সময় বাড়িতেই তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা।

সিসি টিভির ফুটেজে দেখা যায়, ৬টি বাইকে করে ১২ জন দুষ্কৃতী এসেছিল রঞ্জিতের বাড়ির সামনে। সিসিটিভির ফুটেজে কয়েকটি বাইকের নম্বর প্লেট ধরা পড়ে। সেই নম্বর প্লেট ধরেই শুরু হয় তল্লাশি। খোঁজ মেলে বাইকগুলির। শুধু তাই নয়, দেখা যায় ওই বাইকগুলিতে রক্তের দাগ লেগে আছে। যে সমস্ত ব্যক্তিদের বাইকে রক্তের দাগ লেগেছিল তাদের প্রথমে আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তারা রঞ্জিতকে খুনের কথা স্বীকার করলে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।