Bollywood: রণবীরের জন্মদিনে আবেগে ভাসলেন প্রেমিকা আলিয়া

Ranbir Kapoor Alia Bhatt

বায়োস্কোপ ডেস্ক: মঙ্গলবার ছিল ঋষিপুত্র রণবীরের (Ranbir Kapoor) জন্মদিন। সারাদিন জুড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেকারণেই রণবীরকে নিয়ে উচ্ছ্বাস ও শুভেচ্ছা বার্তার জোয়ার। শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন রণবীরের মা নীতু সিং, প্রেমিকা আলিয়া ভাট (Alia Bhatt), বোন ঋদ্ধিমা কাপুর সহানী থেকে শুরু করে সহকর্মী ও অন্যান্যরা। ভক্তদের শুভেচ্ছাবার্তার জোয়ারে ভেসেছে গোটা ইন্টারনেট। রণবীর কাপুর নিজেও ইনস্টাগ্রামে ভাগ করে নিয়েছেন কিছু আবেগপ্রবণ শুভেচ্ছাবার্তা। শোনা যাচ্ছে, এই সময় রণবীর কাপুর তার জন্মদিন পালন করেছেন রাজস্থানে। 

Ranbir Kapoor Alia Bhatt

রণবীরের জন্মদিনে তার মা নীতু সিংহ একটি পুরনো ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে লিখেছেন, “শুভ জন্মদিন আমার হৃদয়, অনেক ভালবাসা এবং আশীর্বাদ।” বোন ঋদ্ধিমা কাপুর সহানী আবার ইনস্টাগ্রামে রণবীরকে সম্মোধন করেছেন ‘ আমার রকস্টার ভাই ‘ লিখে। প্রসঙ্গত, রণবীর অভিনীত রকস্টার মুক্তি পায় ২০১১ সালে। ছবিটি বক্সঅফিসে বিশেষ সারা ফেলতে না পারলেও সিনেমাপ্রেমীদের থেকে বেশ প্রশংসা পেয়েছিল।

Ranbir Kapoor Alia Bhatt

আলিয়া ভাট, যিনি রাজস্থানে রণবীরের সাথে ছুটি কাটাচ্ছেন, একটি সমুদ্রতটের ছবি শেয়ার করেছেন। তিনি লিখেছেন, ” শুভ জন্মদিন, প্রিয়”। সূর্যাস্তের ছবিতে আলিয়া এবং রণবীর সৈকতে ঘনিষ্ঠ হয়ে আছেন। আলিয়াকে সচরাচর তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে রণবীরের সাথে ছবি শেয়ার করতে দেখা যায়না, যদিও দুজনের সম্পর্ক প্রায় চার বছর ধরে।

Ranbir Kapoor Alia Bhatt

জন্মদিনে রণবীরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলিউড থেকে ক্রীড়াজগতের বিভিন্ন জন ব্যক্তিত্বরা। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সনি রাজদান, নৃত্য প্রশিক্ষক গণেশ আচার্য, বিখ্যাত বাণিজ্যিক চিত্রগ্রাহক ডাব্বু রতনানি, এমন কি ব্যটমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধুও। বোন ঋদ্ধীমা সহানী সোশ্যাল মিডিয়ায় রণবীরের ছবি প্রকাশ করে সম্বোধন করে বলেছেন ‘আমার রকস্টার ভাই’। উল্লেখ্য, রণবীর কাপুরের ‘রকস্টার’ ছবি মুক্তি পেয়েছিল ২০১১ সালে যা বক্সঅফিসে বিশেষ সাফল্য না পেলেও সিনেমা প্রেমীদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছিল।

রণবীর কাপুর তার চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন ২০০৭ সালে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘ সাওয়ারিয়া ‘ ছবির মাধ্যমে। তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ছবির মধ্যে রয়েছে রাজনীতি (২০১০), বরফি (২০১২), ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি (২০১৩)। তিনি রাজকুমার হিরানি পরিচালিত সঞ্জয় দত্তের আত্মজীবীমূলক ছবি ‘ সঞ্জু ‘ তে অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি হিন্দি সিনেমার সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেতাদের একজন এবং ২০১২ সাল থেকে ফোর্বস ইন্ডিয়ার জনপ্রিয় ১০০ তারকাদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

নাম শাবানা: অঙ্কুরেই চমকেছিলেন সত্যজিৎ

Shabana Azmi

#Shabana Azmi
বিশেষ প্রতিবেদন: ১৯৭৪ সাল, ফিল্মি দুনিয়ায় তাঁর আত্মপ্রকাশ গৃহপরিচারিকার চরিত্রে। ছবির নাম ‘অঙ্কুর, (Ankur) চলচ্চিত্রকার শ্যাম বেনাগাল (Shyam Benegal)। প্রথম ছবিতেই এমন অভিনয় দক্ষতা দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন সত্যজিৎ রায় (Satyajit Ray)। অঙ্কুরোদগম সোনার ফসলে পরিণত হওয়া ছিল সময়ের অপেক্ষা। অঙ্কুর থেকে সোনাটা ভারতীয় সিনেমাকে এখনও গৌরবান্বিত করে চলেছেন। তিনি শাবানা আজমী (Shabana Azmi)।

কাইফি মহম্মদের মেয়ে, স্বামী জাভেদ আখতার। এই পরিচয়গুলো ছাপিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন অন্য উচ্চতায়। ‘অঙ্কুর’ দেখেই সত্যজিৎ রায় এই বলেছিলেন, “ও হবে ভারতীয় হিন্দি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম সেরা অভিনেত্রী,এতে কোন সন্দেহ নেই।” জহুরীরা জহর চেনেন তো। প্রমান, প্রথম ছবিতেই জাতীয় পুরস্কার। তিনি কখনও সৌদামিনী,কখনও ইন্দু। সমস্ত কাল্পনিক চরিত্রকে বাস্তব করে তুলেছেন তিনি। তাই তো তিনি ভারতীয় সিনেমার কিংবদন্তি।

Shabana Azmi

প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি অঙ্কুরের সাফল্যের পর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সত্তরের দশকেই অভিনয় করেন ‘নিশান্ত’ , ‘জুনুন’, ‘স্বামী’, ‘শতরঞ্জ কা খিলাড়ি’ , ‘একদিন আচানক’ থেকে ‘অমর আকবর এন্থনি’, ‘কর্ম’, ‘ফকিরার’ মত ছবিতে।

আশির দশকে এসে নিজের জমি আরও শক্ত করেন,একের পর এক দুরন্ত ছবিতে নিজেকে অনন্য করে তোলেন। অভিনয় করেন ‘স্পর্শ’, ‘পার’, ‘আর্থ’, ‘নামকিন’, ‘খান্দার’ , ‘মাসুম’, ‘ভাবনা’র মত কালজয়ী ছবিতে। ‘ফায়ার’ ছবিতে অভিনয় করে মৃত্যুর হুমকিও পেয়েছিলেন, কারণ ছবির বিষয় ছিল সমকামিতা। নব্বইয়ের দশকে একজন মহিলা এমন একটা চরিত্রে অভিনয় করছেন যা নিয়ে তার দেশের মানুষের ধারণাই তৈরি হয়নি। হালে তো অভিষেক বচ্চন-জন আব্রাহাম কমেডির মাধ্যমে সমকামিতাকে তুলে ধরেছেন। তখন তো দেশের মানুষ কিছুটা হলেও জানে সমকামিতা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

Shabana Azmi

এরপরে গডমাদার , এমএফ হুসেনের গজগামিনী, নীরজা সহ বেশকিছু ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত ‘স্বামী’ ছবিতে অসাধারণ অভিনয় করেন শাবানা আজমি। অমিতাভ বচ্চনের বিপরীতে ‘ম্যায় আজাদ হু’তে সাংবাদিক চরিত্রে তিনি ছিলেন অনবদ্য। তেমনি ‘তেহজিব’ ছবিতে তারকা কণ্ঠশিল্পীর ভূমিকাতেও তিনি অসাধারণ। শাবানা আজমি হলিউডের ছবি ‘সিটি অব জয়’ এবং ‘মাদাম সাওসাটজকা’তে অভিনয় করেছেন। মঞ্চ নাটকেও তিনি সফল। অন্যতম ‘তুমহারি অমৃতা’।
শুধু হিন্দি ছবিতে নয়,অন্যান্য ভাষার চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন। হলিউডের ছবি ‘সিটি অব জয়’,অপর্ণা সেনের বাংলা ছবি ‘সতী’ তেও বুঝিয়েছেন অভিনয় কাকে বলে। বাংলাদেশে নারগিস আক্তারের ‘মেঘলা আকাশ’ ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন।সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া ছবি ‘সোনাটা’।

Shabana Azmi

বর্নিল ক্যারিয়ারে পদ্মশ্রী পেয়েছেন, পাঁচবার জাতীয় পুরস্কার। ফিল্মফেয়ার তো আছেই। পেয়েছেন আর্ন্তজাতিক পুরস্কার। সমাজকর্মী হিসেবে নিজেকে সুপরিচিত করেছেন।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার কাজে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে প্রচার কাজের সঙ্গে যুক্ত। শিশু অধিকার রক্ষারও একজন কর্মী তিনি। এইচ আইভি এইডস বিষয়ে সচেতনতামূলক কাজে তিনি যুক্ত। ১৯৯৭ সালে কংগ্রেস তাকে রাজ্যসভার সদস্য পদ দেয়। তিনি জাতিসংঘের পপুলেশন ফান্ডের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর। হয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদও। আজ একাত্তরে পড়লেন এই বিখ্যাত অভিনেত্রী।

উন্মুক্ত বক্ষে দুধ-সাদা পোষাকে মুম্বইয়ের রাজপথে ‘আগুন’ ঝড়াল নোরা

Nora Fatehi

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ডান্সার নোরা ফতেহি (Nora Fatehi) যে কোন পুরুষের কাছেই কার্যত ক্রাশ৷ যতদিন যাচ্ছে নোরার টি আর পি যেন তর তর করে বেড়েই চলেছে৷ একদিকে তার ডান্স যেমন আম জনতার মন জয় করেছে৷ অন্যদিকে, স্বপ্ল পোশাকের নোরা যেন পুরুষ মনে আগুন ঝড়াচ্ছে৷

Nora Fatehi

এবার তার আরও কিছু ছবি এবং একটি ভিডিও রাতারাতি ভাইরাল হয়েছে৷ আর সেই ছবিগুলো থেকে রীতিমতো আগুন ছড়িয়ে পড়ছে৷ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মুম্বইয়ের কোলাবার এলাকার রাজপথে নোরা৷ তার পরনে দুধ সাদা স্বল্প পোশাক৷ যে পোশাকের কাপড়ে নোরার শরীর কোনভাবেই ঢাকছে না৷ একই সঙ্গে রীতিমতো উন্মুক্ত বক্ষ৷ এই পোশাকে তিনি নানা পোজ দিয়ে একাধিক ছবি তুলেছেন৷ আর সেই দৃশ্য দেখে মুম্বইয়ের রাজপথ যেন থমকে পড়েছে৷ রাস্তার দুই ধারে মানুষের ঢল নেমে পড়ে হট নোরাকে দেখতে৷

Nora Fatehi

একই সঙ্গে তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ তার এক সহকর্মীর সঙ্গে গান করছেন৷ পরনে সেই দুধ সাদা স্বল্প পোশাক৷ তাতেও তার উন্মুক্ত বক্ষ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে৷ এই ভিডিওটি পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে লাইক আর শেয়ারে বন্যা বইয়ে গিয়েছে৷ এই ভিডিওটি তোলা হয় মুম্বইয়ের তাজ হোটেলের সামনে৷

কেউ কেউ টুইটারে সেই ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, কোলাবার রাস্তা গরম হয়ে উঠছে ৷ আর এরজন্য সম্পূর্ণ দায়ী নোরা ফাতেহি৷ আবার কেউ লিখেছেন, তিনি (নোরা) আজকের দিনটাতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন৷ একজন ফ্যান লিখেছেন East or west #NoraFatehi is best৷ সব মিলিয়ে একদিকে যেমন তিনি ফ্যানের মনে আগুন ধরিয়েছেন৷ অন্যদিকে তাঁর এই দুধ সাদা পোশাকে ছবিও সোস্যাল মিডিয়াতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন৷

ভোলেনাথের সঙ্গে পার্টি করতে যাবেন নাকি? তন্ময় দেওয়াচ্ছে ডিরেক্ট এন্ট্রি

Tanmoy Sadhak

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ঘরে একা বসে না থেকে তন্ময় সাধকের সঙ্গে চলুন ভোলেনাথের দরবারে। ভোলেনাথের সঙ্গে পার্টি করাতে নিয়ে যেতে চলেছে বাংলার এই মুহূর্তে সবথেকে চর্চিত ব়্যাপার তন্ময় সাধক। তন্ময়ের সঙ্গী হয়েছে অভিনেতা এবং মডেল সাগর ঝাঁ।

গানের প্রতিটি লাইনে সমাজকে তোয়াক্কা না করে নিজের চোখে নিজেকে ভালোবাসার নিজের জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা। আপাতদৃষ্টিতে একটু ঔদ্ধত্যপূর্ণ শোনালেও ভালো করে গানের লাইনগুলো শুনলে বোঝা যাবে অযথা সমালোচনা বা কটুক্তিকে পাত্তা না দেওয়ার বক্তব্য তুলে ধরেছে এই গানের লেখক সায়ন্তন এবং রোহান।

Tanmoy Sadhak

শুধুমাত্র গানের লাইন ও সুরেই বলিউডি ফ্লেভার রয়েছে এমন নয় তার সঙ্গে গানের ভিডিওতেও আছে একেবারে ভিন্ন স্বাদের এক্সপেরিমেন্ট। বোল্ট-অ্যাকশন ক্যামেরার শুট-এ গানের ভিডিও পেয়েছ এক নতুন মাত্রা। অবশ্য তা হবে নাই বা কেন বলুন এই গানের পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন রাজ চক্রবর্তীর দীর্ঘদিনের অ্যাসিস্ট্যান্ট, বিশ্বনাথ। বিশ্বনাথের ভাবনা ও পরিচালনায় পার্টি উইথ ভোলেনাথ গানটি কোথাও যেন মনে করাবে, হানি সিং-কে।

গোটা ভিডিও জুড়ে একটি নেশাতুর পরিবেশ রক্ষার চেষ্টা করেছে কলাকুশলীরা। এ যেন ভোলেনাথের প্রিমিসেস-এ ডিরেক্ট এন্ট্রি দেওয়াচ্ছে তন্ময়। আর তার রাস্তাটা তৈরি হয়েছে মিউজিক দিয়ে।

Photo Gallery: বঙ্গতনয়া মৌনি রায়ের সৌন্দর্য যে কাউকে বাকরুদ্ধ করে দিতে পারে

কোচবিহারের মেয়ে মৌনি রায়৷ টলিউডের মায়া ছেড়ে আরব সাগর তীরে পাড়ি জমিয়েছে৷ আর পাঁচটা বলি তারকার সঙ্গে রীতিমতো পাল্লা দিয়ে চলেছেন এই বঙ্গ তনয়া৷ এক কথায় বলতে গেলে ছোট পর্দায় কার্যত রাজ করছেন মৌনি৷ টিভি সিরিয়ালের পাশাপাশি তিনি এখন বড় পর্দাতেও কাজ করতে শুরু করেছেন৷ এই বঙ্গ তনয়ার সৌন্দর্য্য যে কোন পুরুষের ক্রাশ হতে পারে৷ একই সঙ্গে বহু সুন্দরী ইর্ষার কারণও তার রূপ৷ দেখুন তেমনই কিছু ছবি৷

Shweta Tiwari শেয়ার করেছেন লেটেস্ট ফটোশ্যুট, বলিপাড়া বলছে OMG!

Shweta Tiwari

বায়োস্কোপ ডেস্ক: অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি (Shweta Tiwari) তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে সর্বশেষ ফটোশুট শেয়ার করেছেন। টিভি অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারিকে এই সর্বশেষ ফটোশুটে গ্ল্যামারাস স্টাইলে দেখা যাচ্ছে৷ ফ্যানদের পাশাপাশি অনেক বলি তারকাও তাঁর এই ছবিতে মন্তব্য করছেন। এই ছবিতে শ্বেতা একটি ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরেছেন এবং আশ্চর্যজনক অভিব্যক্তি দিচ্ছেন। টিভি অভিনেত্রী দিলজিৎ কৌর এবং সঙ্গীতা বিজলানিও এই ছবিতে মন্তব্য করেছেন। শ্বেতা তিওয়ারির এই ফটোশুটটি বেশ পছন্দ হচ্ছে।

শ্বেতা তিওয়ারি এই ছবিটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘চাঁদনী।’ ছবিতে টিভি অভিনেত্রী দিলজিৎ কৌর লিখেছেন, ‘ওহ মাই গড … মোটিভেশন ব্যক্তিত্ব।’ একই সঙ্গে অভিনেত্রী সঙ্গীতা বিজলানি লিখেছেন, ‘শ্বেতা তোমাকে হট লাগছে।’ শ্বেতা তিওয়ারির মেয়ে পলক তিওয়ারিও এই ছবিতে মন্তব্য করেছেন। শ্বেতা তিওয়ারির এই ছবিটিতে দেড় লক্ষেরও বেশি লাইক পড়েছে এবং সেখানে মন্তব্যের লাইন লেগে গিয়েছে৷

 

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

 

A post shared by Shweta Tiwari (@shweta.tiwari)

শ্বেতা তিওয়ারিকে সম্প্রতি সোনি টিভির শো ‘মেরে বাবা কি দুলহান’ -এ দেখা গিয়েছে। শ্বেতা তিওয়ারি তাঁর ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন বিখ্যাত টিভি সিরিয়াল ‘কসৌটি জিন্দেগি কি’ দিয়ে। এরপর থেকে টেলিভিশন জগতে তিনি প্রেরণা নামে পরিচিত। শ্বেতা তিওয়ারি ‘বিগ বস 4’ -এর বিজয়ীও হয়েছেন। বর্তমানে তাকে ‘খতরন কে খিলাড়ি 11’ তে দেখা যাচ্ছে। এদিকে শ্বেতা তিওয়ারির মেয়ে পলক তিওয়ারি শিগগিরই বলিউডে অভিষেক করতে যাচ্ছেন।

সিনেমা নয় বাস্তব: আবার ‘বিয়ে’ করলেন অভিনেতা প্রকাশ রাজ

prakash raj got married again with pony verma

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বলিউড এবং দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ (Prakash Raj) আবার তাঁর স্ত্রী পনি ভার্মাকে (Pony Verma) বিয়ে করলেন। টুইটের করে তিনি তাঁর বিয়ের খবর জানিয়েছেন৷

প্রকৃতপক্ষে ২৪ অগস্ট মঙ্গলবার প্রকাশ রাজ এবং পনি ভার্মির বিবাহের ১১ বছর পূর্ণ হল৷ এই উপলক্ষে তিনি আবার বিয়ে করেন। অভিনেতা বলেছেন, তাঁর ছেলে বিয়ে দেখতে চেয়ে আবদার করেছিল৷ তাই তিনি আবার বিয়ে করলেন৷ প্রকাশ রাজ তার পরিবারের সঙ্গে বেশ কিছু ছবিও পোস্ট করেছেন, যা তাঁর ফ্যানে লাইকের বন্যা বইয়ে দিয়েছে৷

প্রকাশ রাজ বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন এবং তাঁর টুইটে লিখেছেন: ‘আজ রাতে আমাদের আবার বিয়ে হল .. কারণ আমাদের ছেলে বেদান্ত আমাদের বিয়ে দেখতে চেয়েছিল’৷ অভিনেতার শেয়ার করা ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি তাঁর পরিবারের সঙ্গে সুখের মুহূর্ত কাটাচ্ছেন। এর আগে প্রকাশ রাজ তাঁর বিয়ের একটি ছবি শেয়ার করে লিখেছিলেন: “এটা খুবই সত্যি। আমার প্রিয়তম স্ত্রী আমার জন্য এত ভালো বন্ধু হওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। বান্ধবী এবং একজন অসাধারণ সহযাত্রী হওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।”

প্রকাশ রাজ সেইসব তারকাদের একজন, যারা দক্ষিণ ইন্ডাস্ট্রিতে নাম কামানোর পর বলিউডেও একটি শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করেছেন। ১৯৯৮ সালে হিটলার চলচ্চিত্র দিয়ে তাঁর বলিউড ক্যারিয়ার শুরু হয়। কিন্তু তিনি ওয়ান্টেডে চরিত্র গনি ভাইয়ের কাছ থেকে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন৷ তিনি ইন্দ্রপ্রস্থম, বন্ধনম, ভিআইপি, নন্দনী, শান্তি শান্তি শান্তি, ভন্নাবালি, আজাদ, গীতা, ঋষি, দোস্ত, সিংহম, ওয়ান্টেড, বুড্ডা হোগা তেরা বাপ, হেরোপান্তি বিনোদন, মুরারি, ইন্দ্র, ইডিয়ট, শক্তি দ্য পাওয়ার, গঙ্গোত্রী, স্মার্ট তিনি দ্য চ্যালেঞ্জ, পোকরি, রানা, লায়ন এবং রুদ্রমাদেবীর মতো ছবিতে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন।

রেখার সাহসী পাঁচ অন্তরঙ্গ দৃশ্য এখনও সুপার হিট

intimate scene rekha

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বলিউডের চিরনবীন অভিনেত্রী রেখা যে সমস্ত সিনেমা ছবি করেছেন, তার অধিকাংশই সুপার হিট হয়েছে। এই বয়সেও তাঁর সৌন্দর্য রীতিমতো আলোচনার বিষয়বস্তু৷ যদিও, রুপোলি জগতের অনেক বড় বড় তারকার সঙ্গে রেখার নাম জড়িয়েছিল৷ যেখানে অমিতাভ বচ্চনের নাম প্রথম আসে৷ কিন্তু রেখা দিল্লির বাসিন্দা ব্যবসায়ী মুকেশ আগরওয়ালকে বিয়ে করেন। রেখা বর্তমানে বিগ বস নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন। এবার কিংবদন্তি অভিনেত্রী রেখার কণ্ঠও শোনা যাবে রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস ১৫’ তে। শোয়ের প্রোমোতে তাঁর অনন্য চরিত্রটিও নির্মাতারা প্রকাশ করেছেন।

সাহসী চরিত্রে অভিনয় করেছেন রেখা
১৯৭০ সালে রেখা সাওন ভাদো ছবি দিয়ে তাঁর চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেছিলেন। এরপর তিনি বলিউডে অনেক হিট ছবি উপহার দেন। যদিও রেখাকে তাণর চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছিল। রেখার মতো সফল নায়িকারাও এমন কিছু সাহসী চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যা অন্য কেউ করতে পারত না। দেখুন এই চরিত্রগুলি কী ছিল?

rekha in utsab

উৎসব: ১৯৮৪ সালে উৎসব ছবিতে রেখা প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। বসন্ত সেন নামে একজনের উপপত্নীর ভূমিকায় অভিনয় করেন রেখা৷ যার একজন দরিদ্র মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। এই ছবিতে শেখর সুমন এবং রেখার সাহসী দৃশ্য সেই দশকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছিল।

rekha kamsutra

কামসূত্র: সাহসী দৃশ্যে ভরা এই ছবিটি তখন বক্স অফিসে প্রশংসা এবং সাফল্য দু’টোই পেয়েছিল। ছবিটি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছিল। এই ছবিতে রেখা কামসূত্র পড়ানোর শিক্ষকের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। রেখার চেয়ে এই ভূমিকাটা খুব কমই কেউ করতে পারত।

rekha akhsay

খিলাড়ি কা খিলাড়ি: রেখা এবং অক্ষয় কুমার শুধু খিলাড়ি কা খিলাড়ি ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেননি বরং অনেক সাহসী দৃশ্যও দিয়েছেন। রেখা একজন ভদ্রমহিলা ডনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন৷ যিনি তাঁর বোনের প্রেমিকের প্রেমে পড়েন। এই ছবির পরে অক্ষয় এবং রেখার একসঙ্গে থাকার গুজবও রটেছিল।

reakha astha

আস্থা: ১৯৯৭ সালে বাসু ভট্টাচার্য পরিচালিত ‘আস্থা: দ্য প্রিজন অফ স্প্রিং’ ছবিতে রেখা সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করেছিলেন। রেখা ছাড়াও এই ছবিতে ছিলেন ওম পুরী এবং নবীন নিসচল। ওম পুরী এবং নবীন নিসচলের সঙ্গে অন্তরঙ্গ দৃশ্য দিয়েছেন রেখা৷ এখনও অনেক অভিনেত্রী রেখার মতো সাহসী পদক্ষেপ নিতে লজ্জা পান।

Rekha Popular “Nude” Bath Scene from "Pran Jaye Par Vachan Na Jaye

প্রাণ যায় পার বচন না জায়ে: রেখা তাঁর ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন ‘সাওয়ান ভাদো’ ছবির মাধ্যমে৷ এটিও তার প্রথম হিট ছবি৷ কিন্তু ‘প্রাণ যায় পার বচন না জায়ে’ ছবিটিও ছিল এমন একটি সিনেমা, যাতে রেখাকে অনেক দৃশ্যে নগ্ন দেখা যায়। এটি একটি প্রায় বি গ্রেড ছবি ছিল৷ এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন সুনীল দত্ত। ছবিতে রেখার পোস্টার প্রকাশ হতেই সেই সময় অনেক হৈচৈ পড়ে গিয়েছিল। ছবিতে তাওয়াইফের চরিত্রে দেখা গিয়েছিল রেখাকে। রেখা পুকুরে স্নান করার এবং কাপড় ছাড়াই বেরিয়ে আসার দৃশ্য শিরোনামে এসেছিল৷

পর্ণ কাণ্ড: শিল্পা শেট্টির পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা

Shilpa shetty

বায়োস্কাপ ডেস্ক: পর্ণ কাণ্ডে রাজ কুন্দ্রার গ্রেফতারির পর থেকেই কোণঠাসা হয়েছেন শিল্পা শেট্টি ( Shilpa shetty)। চারিদিক থেকে নানা রকম কুরুচিকর মন্তব্য এবং সমালোচনার শিকার হচ্ছেন রাজ কুন্দ্রার (raj kundra) স্ত্রী শিল্পা শেট্টি।

স্বামীর করা অপরাধের শাস্তি পেতে হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই। আবার অনেকে বলছেন এই বিষয়ে সবকিছুই জানতেন শিল্পা। কয়েকদিন আগেই এই বিষয়ে ইন্ডাস্ট্রির চুপ করে থাকা নিয়ে ট্যুইট করেন পরিচালক হনসল মেহতা। এবারে সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে শিল্পা শেট্টির পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা (Richa Chadda)।

পরিচালক হনসল মেহতার করা ট্যুইট টেনে এনে রিচা আরও একটি ট্যুইট করেন। ট্যুইটে তিনি লেখেন, ‘পুরুষরা দোষ করলে তা নারীর ঘাড়ে চাপানোটা জাতীয় খেলা হয়ে গেছে। আমি খুশি ও লড়াই করছে’। রিচার করা এই পোস্টের পর থেকে অনেকেই শিল্পার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে অনেকে আবার এই পোস্টের বিরোধিতা করেন।

তাঁদের মতে, কেন স্বামীর আয়ের উৎস জানার পরও কেন কোনও প্রতীবাদ করেননি শিল্পা? অনেকে এও বলেন কেন ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজের জিএম পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন শিল্পা? তবে কী স্বামীর ব্যাপারে নিজে সবকিছুই জানতেন তিনি? এরকম নানা প্রশ্ন উঠে আসে। তবে এই সব প্রশ্নের কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি রিচার থেকে।

রিচার আগে শিল্পার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন পরিচালক হনসল মেহতা। তিনি ইন্ডাস্ট্রির অঙ্গুল তোলেন। তাঁর করা ট্যইটে, শিল্পাকে এই সময় একা থাকতে দেওয়ার কথা উঠে আসে। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, ভালো সময়ে সবাই একসঙ্গে পার্টি করেন, তবে এখন খারাপ সময়ে সবাই চুপ করে রয়েছেন।

সারোগেসির এক অন্য মানবিক চিত্র দেখাল “পরম সুন্দরী” মিমি

Mimi Movie Review in Bengali

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ছিপছিপে কোমর। চোখের চাউনিতে পুরুষের হৃদয়ে ঝড় তুলতে পারে রাজস্থানের ছোট্ট এক গ্রামের মেয়ে মিমি! এলাকাবাসীর কাছে মিমিই পরমসুন্দরী। পাঁচতারা হোটেলের বিনোদনের দায়িত্ব তাঁর হাতেই। নেচে গেয়ে তুফান তোলে মিমি। হিরোইন হতে চায়। বলিউডে যেতে চায়।

দীপিকা, আলিয়া, অনুষ্কাদের এক হাত নিতে চায়। রণবীর সিংয়ের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে অনর্গল কথা বলে চলে। বিন্দাস, হাসি মুখের এই মিমির জীবনে যে কখনও ঝড় আসতে পারে, তা আঁচও করতে পারে না কেউ। কিন্তু ঝড় আসে। মাতৃত্ব আসে। আত্মত্যাগ আসে। সংগ্রাম আসে। আর মিমি কখনও হেসে, কখনও চোখের জলে, কখনও লড়াই করে ঝড়ের ঝাপটা সামলেও নেয়।

পরিচালক লক্ষণ উতেকার ‘মিমি’ ছবিতে সারোগেসির গল্প ঠিক এভাবেই সাজিয়েছেন। কমেডি, ড্রামার ধাঁচে মাতৃত্ব, সিঙ্গল মাদারের কনসেপ্টকে খুব সহজে পৌঁছে দিয়েছেন দর্শকদের মধ্যে। যা কিনা এই ছবির আসল ম্যাজিক। খুব সরলভাবে, এক সরল গল্পের মধ্যে দিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে ধরেছেন পরিচালক। কিন্তু, এই ম্যাজিককে যিনি ছাপিয়ে গিয়েছেন, তিনি হলেন কৃতি স্যানন। এই ছবি যেন তাঁর জন্যই তৈরি হয়েছে।

কৃতি স্যানন আগেও প্রমাণ দিয়েছেন তিনি ভাল অভিনেত্রী। ‘বরেলি কি বরফি’ যার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ছোট টাউনের গল্পের ছবিতে কৃতি যেন একেবারে পারফেক্ট। ‘মিমি’ ছবির ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই ঘটালেন কৃতি। মিমি চরিত্রকে একেবারে যেন আত্মস্থ করে ফেললেন কৃতি।

পঙ্কজ ত্রিপাঠী কতটা ভাল অভিনেতা। তা নতুন করে বলার দরকার নেই। পঙ্কজের কমেডি টাইমিং যে কত ভাল তা ফের প্রমাণ করলেন তিনি। তবে এই ছবিতে পঙ্কজ, কৃতিকে পুরোটাই সাপোর্ট করে গিয়েছেন। একজন বিচক্ষণ অভিনেতার ঠিক যা করা উচিত, ঠিক সেভাবেই। পঙ্কজ জানতেন, এই ছবি একেবারেই কৃতির। কিন্তু সেই ইগোর লড়াইয়ে না গিয়ে বরং কৃতিকে গ্রুম করেছেন। খোলা মাঠ দিয়েছেন অভিনয় করার জন্য। বহুদৃশ্যেই এর প্রমাণ পাওয়া যায়।

করিনা-প্রিয়াঙ্কা থেকে শ্রীদেবী-মাধুরীদের মধ্যে বলিউডে কে কার প্রতিদ্বন্দ্বী?

deepika-madhuri-aash

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বলিউড তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটা দিক কার্যত আতস কাচের তলায় রেখে বহু ধরনের দিক থেকে তার বিশ্লেষণ চলে কৌতূহলী মহলে। এক্ষেত্রে তারকা অভিনেতা বা অভিনেত্রীদের প্রেম জীবন থেকে শুরু করে বিয়ে, কেচ্ছা, বিবাহ বিচ্ছেদ, তাঁদের পেশাগত জীবনে নানা ধরনের ঘটনা বারবার বলিউডে জল্পনার মায়াজাল তৈরি করে। সাধারণ মানুষের যা নিয়ে বিশেষ আগ্রহ থাকে। একনজরে দেখা যাক বলিউডের একাধিক জল্পনা যা স্টারদের মধ্যে একে এপরের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ঘিরে তৈরি হয়।

রানি-অ্যাশ
বলিউডের বুকে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটা দিক কার্যত আতস কাচের তলায় রেখে বহু ধরনেরদিক থেকে তার বিশ্লেষণ চলে কৌতূহলী মহলে। এক্ষেত্রে স্টারদের প্রেম জীবন থেকে শুরু করে তাঁদের পেশাগত জীবনে নানান ধরনের ঘটনা বারবার বলিউডের নানান জল্পনাকে বাড়িয়ে দেয়। একনজরে দেখা যাক বলিউডের একাধিক জল্পনা তা স্টারদের মধ্যে একে এপরের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ঘিরে তৈরি হয়।

সুস্মিতা -ঐশ্বর্য
বিশ্বসুন্দরীর তকমা জেতার পর কিছু ফটোশ্যুট । তারপর থেকে আর কোনও দিনই একসঙ্গে এক ফ্রেমে অ্যাশ ও সুস্মিতাকে দেখা যায়নি। দুজনে বিশ্বসুন্দরীর তকমা জেতার পরও কোনও মতেই এক ফ্রেমে ধরা দেননি।

মাধুরী- শ্রীদেবী
প্রয়াত সুপারস্টার অভিনেত্রী শ্রীদেবীর সঙ্গে নয়ের দশকের একটা সময় রীতিমতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল মাধুরীর। শোনা যায়, তখন দুই সন্তানের মা হয়ে গিয়েছেন শ্রীদেবী, এদিকে নয়ের দশকে উঠতি অভিনেত্রী তখন শ্রীদেবী। এই পরিস্থিতিতে বলিউডে নৃত্য পটিয়সি অভিনেত্রীদের মধ্যে শ্রীদেবী অন্যতম ছিলেন। তাঁকে কিছুটা অংশ জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রে তখন টেক্কা দিতে শুরু করেন মাধুরী। ফলে প্রতিযগিতা বাড়ে।

অভিষেক-হৃতিক
শোনা যায়, হৃতিক ও অভিষেক ছোবেলার বন্ধু। তবে বলিউডে একই প্রজন্মের দুই নায়ক পা রেখে অবাক করেন অনেককেই। হৃতিক বলিউডে পা রাখতেই আকাশ ছোঁয়া সাফল্য পান, সেখানে মেগাস্টার অমিতাভ পুত্র বলিউডে পা রেখে তেমন সাফল্য পাননি। সেই জায়গা থেকে দুই স্টারকিডের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়তে থাকে। এমনই খবর বহু জল্পনা -গুঞ্জনে উঠে আসে।

শ্রদ্ধা-আলিয়া
এদিকে, শোনা যায়, বলিউডে পা রেখেই দুই স্টারকিড শ্রদ্ধা কাপুর ও আলিয়া ভাট দুজনে একে অপরের প্রতিযোগী হয়ে ওঠেন।

দীপিকা-ক্যাটরিনা
একটা সময় রণবীর কাপুরকে কেন্দ্র করে পেশাগত জীবনে কার্যত রেষারেষির পর্যায়ে পৌঁছে যান দীপিকা পাড়ুকোন ও ক্যাটরিনা কাইফ। বলিউডের গুঞ্জন বলছে, একটা সময় ক্যাটরিনার সঙ্গে রণবীরকে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন দীপিকা। এরপর থেকেই দুই অভিনেত্রীর রেষারেষি চিল বলে শোনা যায়।

জয়া প্রদা-শ্রীদেবী
বহু সময়ই শোনা যায় যে একই সঙ্গে বলিউডে পা রাখা দুই দক্ষিণী স্টার জয়াপ্রদা ও শ্রীদেবী রীতিমতো একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন। দক্ষিণী ছবি ঘিরে তাঁদের এই প্রতিযোগিতা শুরু হলেও, তা চলতে থাকে বলিউডে।

রণবীর কাপুরকেই বাবা বলে জড়িয়ে ধরল ঐশ্বর্যের মেয়ে আরাধ্যা

Ranbir Kapoor is the Real Father of Aaradhya Bachchan

বায়োস্কোপ ডেস্ক: একাধিক মহিলার ক্রাশ রণবীর কাপুর। তাঁর হট লুক এবং স্টাইলে কুপোকাত আট থেকে আশি। তবে শুধু আপনি নন রণবীরের উপর এবার ক্রাশ খেলেন ঐশ্বর্য রাইয়ের কন্যা আরাধ্যা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই বাস্তব। বচ্চন পরিবারের এই সদস্য রণবীরকে দেখে রীতিমতো লজ্জা পান।

ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঐশ্বর্য জানান, ‘অ্যায় দিল হে মুশকিল’ ছবির সময় থেকেই আরাধ্যার ক্রাশ রণবীর। একবার ওই ছবির শুটিংয়ে মা ঐশ্বর্যের সঙ্গে সেটে হাজির হন আরাধ্যা। তখন নাকি রণবীরকে অভিষেক ভেবে ছুটে পিছন দিক থেকে জড়িয়ে ধরেন ঐশ্বর্য কন্যা। আসলে ওই দিন অভিষেকের মতোই জ্যাকেট এবং টুপি পড়েছিলেন রণবীর। তাই রণবীরকে নিজের বাবার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছিলেন আরাধ্যা। এরপর থেকেই রণবীরকে দেখেই লজ্জায় মুখ লাল হয়ে যায় আরাধ্যার।

এর আগে রণবীরকে আরাধ্যা রণবীর আঙ্কেল বলে ডাকলেও ওই ঘটনার পর থেকে সেই ডাক পালটে যায়। এখন রণবীরকে RK বলে ডাকেন আরাধ্যা। এই নিয়ে রণবীরকে লেগপুল করতেও ছারেন না অভিষেক এবং ঐশ্বর্য। ঐশ্বর্যের কথায়, তিনি যখন ছোট ছিলেন তখন রণবীরের বাবা ঋষি কাপুরের ওপর ক্রাশ খেয়েছিলেন। আর এখন আরাধ্যা রণবীরের উপর ক্রাশ খায়। জীবনের সব অভিজ্ঞতাই নাকি মেয়ে আরাধ্যা ঐশ্বর্যকে ফিরিয়ে দিচ্ছে। সম্প্রতি বলিউডে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে দ্বিতীয়বারের জন্য নাকি মা হতে চলেছেন ঐশ্বর্য। মেয়ে এবং স্বামী অভিষেককে নিয়ে শরৎ কুমারের বাড়ি গিয়েছিলেন ঐশ্বর্য। নেটদুনিয়ায় সেই ছবি দেখেই নেটজেনদের ধারণা দ্বিতীয়বারের জন্য নাকি মা হতে চলেছেন ঐশ্বর্য। তবে এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি ঐশ্বর্য।

শাহরুখ আমার প্রথম প্রেম, রিচা চাড্ডার এই মন্তব্যে তোলপাড় নেটদুনিয়া

Richa Chadda Hot

বায়োস্কোপ ডেস্ক: সম্প্রতি শাহরুখ খানের একটি বহু পুরনো ছবি প্রকাশে এসেছে। যা নেটদুনিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে শাহরুখ তখন স্কুলের ছাত্র। তাঁর পড়নে স্কুল ইউনিফর্ম। একটি ক্যাসেটের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন কিং খান। আশেপাশে কয়েকজন স্কুলের সহপাঠীও রয়েছে। ছবিটি দ্রুত নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

শাহরুখের এই ছবিটি তাঁর এক ভক্ত কিছুদিন আগেই টুইট করেন। ছবিটি টুইট করে ওই শাহরুখ ভক্ত লিখেছেন ‘একটি ছাপোষা, আপনভোলা ছেলে হয়তো তখন একদিন গোটা মুম্বই জয় করার আকাশকুসুম চিন্তাভাবনা করছিল’। এই ছবির পোস্টে ঝুরি ঝুরি কমেন্ট আসতে থাকে। বেশ কিছু সেলেবরাও এই ছবিতে কমেন্ট করেন। এর মধ্যে রিচা চাড্ডা এই পোস্ট দেখা মাত্রই আর নিজেকে সামলে রাখতে পারেননি।

ওই টুইটের কমেন্ট বক্সে গিয়ে জানিয়ে দেন, শাহরুখ তাঁর জীবনের প্রথম প্রেম। এরপর থেকেই নেটিজেনদের নজর পড়ে রিচার এই কমেন্টে। একজন নেটাগরিক রিচাকে প্রশ্ন করেন, এতদিন জানতাম আপনার প্রথম ভালোবাসা রাহুল দ্রাবিড়। এই প্রশ্নের উত্তর দিতেও দেশি দেরি করেননি রিচা। নেটাগরিকের করা এই প্রশ্নের জবাবে রিচা লেখেন, ‘দ্রাবিড়ের আগে শাহরুখ’।

বলিউডের কিং খান এখন আপাতত পাঠান ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত। দীপিকা পাড়ুকোনের পাশাপাশি এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে জন আব্রাহামকে। অভিনয়ের পাশাপাশি ‘ডার্লিংস’ নামে একটি ছবির প্রযোজনাও করছেন শাহরুখ। সব মিলিয়ে শাহরুখ-এর ভক্তের করা ওই পোস্ট, এখনও পর্যন্ত ব্যস্ত কিং খানের নজরে পড়েছে কী না সেটাই সব থেকে বড় প্রশ্ন।

বিস্ফোরক রনবীর: কিশোর বয়সেই পকেটে সর্বদা কন্ডোম নিয়ে ঘুরতেন

Ranveer Singh once said he carries condoms in his pocket

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বলিউডের স্টাইল আইক্যুন রণবীর সিং। স্টাইলের পাশাপাশি তাঁর অভিনয় দক্ষতাও অপরিসীম। ২০১৮ সালে দীপিকাকে বিয়ে করার পর থেকেই বি-টাউনের অন্যতম সেরা অফ স্ক্রিন জুটির তকমা পান রণবীর এবং দীপিকা। তবে এই রণবীর নাকি সবসময় কন্ডোম রাখেন নিজের সঙ্গে। কিন্তু কেন? প্রশ্নের উত্তর দিলেন অভিনেতা নিজেই।

২০১৫ সালে এক কন্ডোম সংস্থার হয়ে প্রচার করার সময় রণবীর জানান, তিনি জীবনে প্রথম যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন ১২ বছর বয়েসে। সেই সময় তাঁর সঙ্গিনী রণবীরের থেকে দুই বছরের বড় ছিলেন। তখন থেকেই রণবীর কন্ডোম ব্যবহার করা শুরু করেন। শুধু তাই নয় অন্য একটি সাক্ষাৎকারে রণবীর বলেন, তিনি সব সময় কন্ডোম পকেটে রাখেন। সঙ্গমের সময়ে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিৎ। তাই যারা পকেটে কন্ডোম রাখেন না, তাঁদের কন্ডোম রাখার পরামর্শ দেন রণবীর। তিনি আরও বলেন, যদি কোনও ব্যান্ডের প্রচার করতে হয় তবে তা কন্ডোম হওয়া উচিৎ। যে কোনও যৌন রোগ থেকে বাঁচতে কিংবা অবাঞ্ছিত গর্ভধারণকে আটকাতে সব সময় নিজের কাছে কন্ডোম রাখা জরুরি বলে মনে করেন রণবীর।

তবে বিয়ের পর থেকেই তিনি কন্ডোম সংস্থার হয়ে আর প্রচার করছেন না। এই নিয়ে অনেকের মতামত, স্ত্রী দীপিকা বারণ করাতেই রণবীর এই সিদ্ধান্ত নেন। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী এও শোনা যায়, রণবীর তাঁর পারিশ্রমিক বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে ওই কন্ডোম সংস্থা আর তাঁর সঙ্গে কাজ করতে চায়নি। তবে বর্তমানে রণবীর কোনও কন্ডোম সংস্থার হয়ে প্রচার করছেন না।

বলিউডে সবচেয়ে জনপ্রিয় ৭ পরকীয়া প্রেম কাহিনি

amitabh-rekha

নিউজ ডেস্ক: বলিউড তারকাদের পরকীয়ার ঘটনা সব সময় খবরের শিরোনামে থাকে।সারা বিশ্বের নজর তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর সব সময় থাকে। সেই কারণেই তারকাদের জীবনে যে কোন ছোট বড় ঘটনা মানুষের কাছে চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে।

অমিতাভ বচ্চন-রেখা
অমিতাভ-রেখার প্রেম কাহিনী আজীবন রহস্যময় রয়ে গেছে। বলিউডে এই জুটি একের পর এক সুপারহিট ছবি দিয়েছে তা।র সঙ্গেই তাদের প্রেম কাহিনীর গল্পও আনাচে-কানাচে কান পাতলেই শোনা যেত। তবে অমিতাভের স্ত্রী জয়া বচ্চন ,রেখা কে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে কোনও ভাবেই তিনি তার স্বামী অমিতাভ বচ্চনকে ছাড়বেন না। পরবর্তী সময়ে এই জুটিকে আলাদা হয়ে যেতে হয়। তবে আজও তাদের কাহিনী যেন অজানাই রয়ে গেছে।

মিঠুন চক্রবর্তী- শ্রীদেবী
মিঠুন শ্রীদেবীর সম্পর্কের কথা মানুষের কাছে অজানা ছিল না। তবে স্ত্রী যোগিতা বালির সম্মানের কথা ভেবে কোনদিনও লোক সমাজে শ্রীদেবীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি মিঠুন চক্রবর্তীর। অনেকে বলে মিঠুন চক্রবর্তী এবং শ্রীদেবী চুপিসারে বিয়ে করেছিলেন। তবে যোগিতা বালির আত্মহত্যা করার চেষ্টার ফলে তাদের এই বিয়ে এবং সম্পর্ক ভেঙ্গে দিতে হয়।

শাহরুখ খান -প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
বি-টাউনের সবথেকে সত স্বামী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন শাহরুখ খান ।তবে কিং খান এবং প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার পরকীয়ার গুঞ্জনে তার এই ছবি ভেঙে যায়। বলা হয় ‘ডন’ ছবির শুটিংয়ের সময় তারা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এই সম্পর্কের জেরে নাকি শাহরুখ গৌরীর সংসার ভাঙতে বসেছিল। তবে শেষ রক্ষা করতে সফল হয়েছিলেন কিং খান। অন্যদিকে গৌরি খান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে কোন দিন প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে ছবি করতে পারবেন না শাহরুখ। তার পর থেকে এই জুটিকে কোন ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে দেখা যায়নি।

গোবিন্দা -রানী মুখার্জি
‘হদ কর দি আপনে’ ছবিতে গোবিন্দা এবং রানী মুখার্জি অভিনয় করেছিলেন ।সেই সময় তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয় বলে গুঞ্জন ছিল বলিপাড়ায়। সেই সময় গোবিন্দা বিবাহিত ছিলেন এবং দুই সন্তান ছিল তার। নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করতে গোবিন্দা প্রায়শই দামি দামি উপহার দিতেন রানী মুখার্জিকে। শুধু তাই নয় সেই সময়ে বলিউডের নতুন অভিনেত্রী রানী মুখার্জিকে বিভিন্ন পরিচালকদের সঙ্গে কাজের জন্য দেখা করাতেন গোবিন্দা। গোবিন্দা এবং রানীর সম্পর্কের কথা গোবিন্দার স্ত্রী সুনিতা জানতে পারেন এই ঘটনার জেরে তাদের সংসারে অশান্তি শুরু হয় ।সুনিতা বাড়ি ছেড়ে চলে যাবেন বলেও প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেন ।তবে শেষমেশ রানী এবং গোবিন্দা সম্পর্কে অজানা কিছু কারণে চিড় ধরে। গোবিন্দা নিজের সংসার ভাঙতে দেননি এবং সুনিতার সঙ্গে এখনও ঘর করছেন।

শত্রুঘ্ন সিনহা- রিনা রায়
শত্রুঘ্ন এবং রিনার সম্পর্কের কথা বলিউডের সকলেই জানতেন। তবে রিনা এই সম্পর্ককে নাম দিতে চেয়েছিলেন ।আর সেখানেই আপত্তি ছিল শত্রুঘ্ন সিনহার।তিনি তার স্ত্রী পুনমকে কোনভাবেই ছেড়ে দিতে রাজি হননি। যার জেরে শত্রুঘ্ন এবং রিনা রায় সম্পর্ক ভেঙে যায় ।অনেকে বলে থাকেন সোনাক্ষী সিনহা রিনার মুখের অদ্ভুত মিল রয়েছে। এমনকি বলা হয় শত্রুঘ্ন রিনা সন্তান সোনাক্ষী। তবে সে কথা কখনওই পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়নি ।এমনকি এই ধরনের গুজব উড়িয়ে দিয়েছে সিনহা পরিবার।

হৃত্বিক রোশন-বারবারা মোরি
‘কাইট’ ছবিটি নাম না করতে পারলেও এই ছবিতে অভিনীত জুটি হৃত্বিক রোশন এবং বারবারা মোরির সম্পর্ক যথেষ্ট চর্চায় এসেছিল ।সেই সম্পর্কের জেরে সুজান এবং ঋত্বিককের সম্পর্কে চিড় ধরা শুরু করে ।এমনকি ঋত্বিক রোশনের বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন সুজান। তবে সেই সময় পরিস্থিতি সামলে নেন হৃত্বিক রোশন। সুজানকে বাড়ি ছেড়ে যেতে হয়নি। তবে পরবর্তী সময়ে ২০১৪সালে ঋত্বিক এবং সুজানের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

আদিত্য পাঞ্চোলি- কঙ্গনা রানাওয়াত
আদিত্য পাঞ্চোলির স্ত্রী জারিনা ওয়াহাব নিজে সকলের সামনে স্বীকার করেছিলেন যে তার স্বামী আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে কঙ্গনা রানাওয়াত এর সম্পর্ক রয়েছে। ধীরে ধীরে বলিউডের সমস্ত অনুষ্ঠানে কঙ্গনা এবং আদিত্যকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছে ।তাদের সম্পর্কের কথা আর অজানা ছিলনা ।তবে পরবর্তী সময়ে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং তা পরিণত হয় শত্রুতায়। আদিত্য পাঞ্চোলি এবং কঙ্গনা রানাওয়াত একে অপরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন একাধিক সময়।

সঙ্গমের মুহূর্তে কীভাবে অর্জুনকে পেতে চান মালাইকা, প্রকাশ্যে ফাঁস গোপন সিক্রেট

malaika arora

মালাইকা আরোরা, বলিউড হট ডিভার দাপট প্রথম থেকেই সকলের নজর কাড়ে। ছাইয়া ছাইয়া থেকে সফর শুরু। এরপর একাধিক সিনেমা, আইটেম ডান্স মালাইকার কাছে যেন ছিল বাঁ-হাতের খেল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফিকে হয়েছে অনেক অভিনেত্রীর যৌলুস। কিন্তু কোথাও গিয়ে যেন মালাইকা আজও তরতাজা ফুরফুরে মেজাজে ধরা দিতে বেশি ভালোবাসেন। শুধু তাই নয় সমাজকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে খুল্লাম খুল্লা প্রেমেও মেতেছেন তিনি।

রীতিমতো লিভ-ইনের রয়েছেন অর্জুন কাপুরের সঙ্গে। বয়সে ফারাককে তুড়ি মেরে উড়িয়ে মালাইকা এখন হট সিজলিং প্রেমিকা। ডিনার ডেট থেকে শুরু করে ট্রিপ প্ল্যান, উইকেন্ড প্লান কোনও কিছুতেই খামতি রাখছেন না তিনি। আর সঙ্গম, তা বলাই বাহুল্য। অর্জুন এর সঙ্গে ঠিক কী ধরনের সঙ্গমে মত্ত হন তিনি তা নিয়ে মুখ খোলেননি মালাইকা।

তবে এক টকশোতে এসে নিজের সেক্স লাইফ নিয়ে কথা বলতে বিন্দুমাত্র পিছুপা হননি মালাইকা। তার থেকে যখন জানতে চাওয়া হয়, কি ধরনের পজিশনে সঙ্গমের আনন্দ তিনি সবথেকে নিয়ে থাকেন, বিন্দুমাত্র ইতঃস্তত বোধ না করে মালাইকা উত্তর দিয়ে দেন- অন টপ।

malaika

এরপরই ভাইরাল হয়ে যায় সেই সাক্ষাৎকার। মালাইকা আরোরা বরাবরই স্পষ্টবাদী। কোনও কিছুতেই খুব একটা রাখঢাক তিনি পছন্দ করেন না। তবে বেডরুমের অন্দরমহলের এই গোপন সিক্রেট তিনি এত সহজে সকলের সামনে ফাঁসি করবেন তা হয়তো আশা করেনি অনেকেই। যার ফলে মুহূর্তে চমকে উঠেছিল ভক্তমহল। আর যথারীতি তারই হাত ধরে আবারও ভাইরাল মালাইকা।

বি-টাউনে বিয়ে! এবার পালা কি তবে তাপসী পান্নুর

taapsee

তাপসী পান্নু, বলিউডে বর্তমানে হট ডিভাদের মধ্যে একজন। যাঁর উপস্থিতিতেই এক প্রকার বলা চলে ছবি হিট। নায়ক-নায়িকার তকমা ভেঙে নয়া মোড়কে ছবি সাজিয়ে তোলাতে তিনি উস্তাদ। ছবি একাই টেনে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন তিনি। সেই হট ডিভা এখনও ব্যাচলর। কেন! বিয়ে নিয়ে কি কোনও পরিকল্পনা নেই তাপসীর! পরিবারের সকলেই বা কি বলছেন!

এবার নিজের বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন তাপসী পান্নু। জানালেন, বিয়ে তিনি করবেন, তবে এখনও কিছু স্থির হয়নি। যদি কাউকে ভাবো লাগে, বিশ্বাস করার যোগ্য যদি কেউ হয়ে থাকে, তবে নিঃসন্দেহে তাপসী তাঁর গলায় মালা দেবেন। তবে সেই সম্পর্ক অবশ্যই বিয়ে পর্যন্ত গড়াতে হবে। হঠ্যাৎ প্রেমে বিশ্বাসী নন তাপসী পান্নু। সেই বিষয়টা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। 

taapsee

এখানেই শেষ নয়, এর পাশাপাশি তাপসী আরও জানান, তিনি এমন কাউকে বিয়ে করবেন না, যাঁকে বিয়ে করলে বাড়ির সকলের মন খারাপ হয়। তাই তাপসীর কথায় পরিবারের অমতে নয়, পরিবারের আশীর্বাদ নিয়ে যে পাত্রকে সকলের পছন্দ তার গলাতেই মালা দেবেন তিনি। তবে এখনও কিছু স্থির করেননি। যদি প্রেম করেন, তবে বিয়েটাও তিনি করবেন, সেই বিষয় নিশ্চিত করলেন হট ডিভা। 

স্টারকিড ভাইজান, বলিউডে পা রেখে কত কোটির সম্পত্তি পকেটজাত করলেন সলমন

salman khan

সলমন খান বলে কথা, সেলিম খানের পুত্র, ফলে তাঁর বলিউড সফর যে নজর কাড়া হবে, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। সলমন খানের ক্ষেত্রেও বিষয়টা ঠিক তেমনই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু না, শুরুটা মোটেও এতটা স্বস্তিদায়ক ছিল না। প্রথম ছবি সুপারহিট হওয়ার পরও ডাক পাচ্ছিলেন না সলমন খান। পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রেও অঙ্কটা ঠিক তেমনই ছিল। 

প্রথম ছবি করে সলমন খান হাতে পেয়েছিলেন, মাত্র ৩০ হাজার টাকা। আর বর্তমানে সেই অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৫০ কোটি টাকা। তাও ছবি বিশেষে তা পরিবর্তন হতে থাকে। সলমন খানের বর্তমানে বার্ষিক আয় ২০০ কোটি টাকা।বর্তমানে তাঁর আর্থিক সম্পত্তির মোট পরিমাণ ২৩০৪ কোটি টাকা। কেবল মাত্র ছবি নয়, একের পর এক ব্যবসা থেকেও টাকা ঢুকছে ভাইজানের। 

এরপর তালিকায় থেকে যায় বিগ বসের সঞ্চালনা ও বিজ্ঞাপন। যার ফলে সলমন খানের মোট আয়ের পরিমাণ হু-হু করে বেড়ে চলেছে। বিং হিউমন-এর তরফ থেকে সলমন খানের বেশ কিছু প্রোডাক্ট গত কয়েকবছরে মার্কেটে লঞ্চ করেছে। যার বাজারে চাহিদাও বেশ। তবে ছবির ক্ষেত্রে বক্স অফিস ঝড়ের দাপটটা খানিক কম। যদিও পাইপ লাইনে একের পর এক ছবি বর্তমানে সাজিয়ে রেখেছেন ভাইজান।