Telengana Encounter: তেলেঙ্গানা-ছত্তিশগড় সীমানায় খতম ৬ মাওবাদী

নিউজ ডেস্ক : সোমবার তেলেঙ্গানা-ছত্তিশগড় সীমান্তে কিস্তরাম থানা এলাকার জঙ্গলে মাওবাদীদের ডেরার খোঁজ মেলে। তারপরই অভিযানে নামে ২ রাজ্যের পুলিশ ও সিআরপিএফয়ের একটি যৌথবাহিনী। সূত্রের খবর, ওই অভিযানে অংশ নেয় মাওবাদী দমনের জন্য তেলেঙ্গানা পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্রে-হাউন্ড বাহিনী।

এরপরই তেলেঙ্গানা ও ছত্তিশগড়ের সীমান্ত এলাকায় কিস্তরাম থানা এলাকার জঙ্গলে নিরাপত্তাবাহিনীর এনকাউন্টারে ৬ মাওবাদী নিহত হয়। লাল সন্ত্রাস দমনে তেলেঙ্গানা পুলিশ, ছত্তিশগড় পুলিশ ও সিআরপিএফের একটি যৌথ অভিযান চলে। তেলেঙ্গানার ভদ্রদ্রি কোথাগুদেম জেলার এসপি সুনীল দত্ত এক সর্বভারতীয় সংবাদসংস্থাকে এমনই তথ্য দিয়েছেন ৷ 

https://twitter.com/ANI/status/1475322744950689795?s=20

<

p style=”text-align: justify;”>পুলিস সূত্রে খবর, তেলেঙ্গানা গ্রে হাউন্ডস এবং নকশালদের মধ্যে গুলির লড়াই চলে। ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর জেলায় পুলিশ ২টি ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) উদ্ধার করে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এনকাউন্টার শুরু হয়। রিপোর্ট অনুযায়ী, সকাল ১০টা পর্যন্ত নকশাল বিরোধী অভিযান অব্যাহত ছিল এবং পুলিশ এলাকার উপর নজর রাখছিল। বাহিনীর দেখা পেতেই গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। নিরাপত্তারক্ষীরা পালটা হামলা চালালে শুরু হয় তুমুল লড়াই। বেশ কিছুক্ষণ সংঘর্ষ চলার পর ৬ জন মাওবাদীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এদিনের অভিযানে কোনও নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যু হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। 

রাশিয়া থেকে আসা এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন হল পাঞ্জাব সীমান্তে

S-400 missile defense system

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: কিছুদিন আগেই দেশের বায়ুসেনার হাতে এসেছে এস -৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। এই অত্যাধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করা হল পাঞ্জাব সীমান্তে। এই অত্যাধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম প্রতিপক্ষের যে কোনও ধরনের মিসাইল এবং যুদ্ধবিমানকে আকাশেই ধ্বংস করে দিতে পারে।

সম্প্রতি সীমান্তে চিনের আগ্রাসন বেড়েছে। চিনের (chin) দোসর হয়েছে পাকিস্তান। পাক সীমান্তে জঙ্গিদের (terrorist) অনুপ্রবেশও বেড়েছে। এই অবস্থায় দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে উদ্যোগী হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সেই লক্ষ্যেই ভারত-পাকিস্তান (pakistan) সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন করা হল এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম (missile defence system)।

মঙ্গলবার এক শীর্ষ সেনা আধিকারিক জানিয়েছেন, এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমের প্রথম স্কোয়াড্রনটি পাঞ্জাব (punjab sector) সেক্টরে মোতায়েন করা হচ্ছে। পাকিস্তান ও চিনের দিক থেকে সম্ভাব্য বিপদের মোকাবিলা করতে পাঞ্জাব সীমান্তে এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কাজ শুরু করবে।

উল্লেখ্য, ভারত এই অত্যাধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কেনার জন্য রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছিল। সেই চুক্তিমতো চলতি মাসের শুরুর দিকে এই মিসাইল ভারতের হাতে আসতে শুরু করেছে। রাশিয়া থেকে বিমান ও সমুদ্র উভয় পথেই মিসাইলের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আসতে শুরু করেছে। ভারতে সেগুলিকে একসঙ্গে করে এই অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধকারী অস্ত্রটি গড়ে তোলা হচ্ছে। আশা করা যায়, আগামী বছরের প্রথম দিকের মধ্যেই চুক্তিমতো বেশিরভাগ এস-৪০০ মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম ভারতের হাতে চলে আসবে।

এর আগে রাশিয়া ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মিসাইল সিস্টেম এস-৪০০ ট্রায়াম্প ভারতে পাঠিয়েছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে আসার ফলে তাদের শক্তি এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়েছে। কারণ যে কোনও যুদ্ধবিমান ও দূরপাল্লার ক্রুজ মিসাইলের মোকাবিলা করতে এস-৪০০ মিসাইলের কোনও বিকল্প নেই। সম্প্রতি অরুণাচল ও লাদাখ সীমান্তে চিন আগ্রাসন বাড়িয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতের হাতে এই অত্যাধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম এসে পৌঁছনকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চিন ও পাকিস্তান দুই দেশকে চাপে রাখতেই পাঞ্জাব সীমান্তে বায়ুসেনা এই ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম মোতায়েন করছে।

ভারতের এই অত্যাধুনিক মিসাইল কেনা নিয়ে অবশ্য তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কারণ রাশিয়ার কাছ থেকে এ ধরনের আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র কেনার বিষয়টি আমেরিকা একেবারেই পছন্দ করছে না। যে কারণে ভারতের উপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা চাপানোর হুমকিও দিয়েছে ওয়াশিংটন। তবে আমেরিকার এই হুমকিকে সেভাবে পাত্তা দিচ্ছে না দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

North 24 Pargana: সীমান্তে বড় সাফল্য বিএসএফের

Big success for BSF, 5 Bangladeshi arrested including Bangladesh's most wanted criminal Lutfar Rahman

নিজস্ব সংবাদদাতা: সীমান্তে বড় সাফল্য বিএসএফের। ভারতে অনুপ্রবেশের সময় বাংলাদেশের কুখ্যাত দুষ্কৃতী লুৎফর রহমানকে (Lutfar Rahman) গ্রেফতার করল বিএসএফ। উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Pargana) হাকিমপুর সীমান্ত পেরনোর সময় তাকে আটক করে বিএসএফ। 

সূত্রের খবর, হাকিমপুর সীমান্ত পেরনোর সময় ৫ জনকে আটক করা হয়। সেই দলেই ছিল লুৎফর রহমান। এরপর লুৎফর সহ পাঁচ অভিযুক্তকে স্বরূপনগর থানার হাতে তুলে দেন বিএসএফ আধিকারিকরা। পুলিশ সূত্রে খবর, লুৎফর রহমানের বাড়ি বাংলাদেশের সাতক্ষীরায়। তার বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ রয়েছে সেদেশে। বিভিন্ন সময় ভারতে ঢুকে নকল আধার কার্ড, ভোটার কার্ডের কারবার করে সে।

বাকি ধৃতদের মধ্যে ২ জন পুরুষ ১ জন মহিলা ও একজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি রয়েছেন। সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে আগাম সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে বিএসএফের তরফে। সীমান্তে বসানো হয়েছে বিশেষ আলো। ফলে সীমান্ত সুরক্ষা আরও বেশি জোরদার হয়েছে বলে দাবি বিএসএফের।

রাজ্যের অধিকারে হস্তক্ষেপ নয়, সীমান্তে অপরাধ ঠেকাতেই বিএসএফের এলাকা বৃদ্ধি, দাবি মন্ত্রীর

BSF

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার (central goverment) বিজ্ঞপ্তি জারি করে পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাবের (west bengal and punjab) মত কয়েকটি রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিযুক্ত বিএসএফ-এর (bsf) আওতাধীন এলাকা অনেকটাই বাড়িয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সংসদে (parliament) মোদী সরকারের কাছে বিষয়টি জানতে চান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায়।

তৃণমূল সাংসদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে জানতে চান, পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গের মত রাজ্যে বিএসএফের সীমানা বৃদ্ধির ব্যাপারে কেন্দ্র কি ২০১৪ সালের বিজ্ঞপ্তিটি সংশোধন করেছে? যদি করে থাকে তবে সরকার সে বিষয়টি সংসদে বিস্তারিত জানাক। বিএসএফের এলাকা বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কেন্দ্র কি সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা করেছে? সরকার যদি রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা করে থাকে সেক্ষেত্রে কি ফলাফল হয়েছে তা জানানো হোক।

সৌগতবাবু আরও জানতে চান, বিশেষজ্ঞরা কি বিএসএফের আওতা বাড়ানোর বিষয়ে কোনও সুপারিশ করেছিলেন? কারণ বিএসএফের এলাকা বৃদ্ধির ফলে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে একটা সংঘর্ষের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা কখনওই কাম্য নয়। কোনও রাজ্য কি বিএসএফের আওতাধীন এলাকার পরিধি বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে? যদি করে থাকে তবে সে বিষয়টি জানানো হোক। কেন্দ্র কি রাজ্যগুলির এই উদ্বেগ ও বিরোধিতার বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে? রাজ্যগুলির দাবি মেনে কেন্দ্র কি তাদের ভুল সংশোধনের জন্য কোনও ব্যবস্থা নিয়েছে?

বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকার সীমানা বাড়ান সংক্রান্ত এই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই বলেন, সরকার ২০১৪ সালের বিজ্ঞপ্তিটি সংশোধন করেছে। সেই সংশোধনের জেরেই বিএসএফের আওতাধীন এলাকা পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাবের মত রাজ্যে বাড়ান হয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৬৮ সালের বিএসএফ অ্যাক্টের ১৩৯ (১) ধারা অনুযায়ী প্রয়োজনে কেন্দ্র সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ক্ষমতা এবং তাদের দায়িত্ব বাড়াতে পারে।

একইসঙ্গে মন্ত্রী স্বীকার করে নেন, তাঁদের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে পশ্চিমবঙ্গ ও পাঞ্জাব। এই দুই রাজ্যে মনে করছে, বিএসএফের আওতাধীন এলাকার পরিধি বাড়ান রাজ্যের অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ। কিন্তু রাজ্যগুলির এই ধারণা একেবারেই ঠিক নয়। বরং সীমান্ত সংলগ্ন রাজ্যগুলির সুরক্ষা বৃদ্ধির জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও অপরাধ বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ। রাজ্যগুলির অধিকারে হস্তক্ষেপ করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

China: ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়ে সীমান্তে হাইওয়ে তৈরি করেছে চিন, মোতায়েন করছে অস্ত্র ও সেনা

China has built highways

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (line of actual control) সংলগ্ন এলাকায় চিনের (China) সক্রিয়তা কমার কোনও চিহ্নই দেখা যাচ্ছে না। বরং সীমান্ত এলাকায় চিনের লালফৌজের (PLA) গতিবিধি ক্রমশই বাড়ছে।

কয়েকদিন আগেই উপগ্রহ চিত্রে (Satellite Picture) দেখা গিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) সীমান্তে চিন রীতিমত একটি গ্রাম তৈরি করে ফেলেছে। এমনকী, ভারত ভুটান (Bhutan) সীমান্তেও তৈরি হয়েছে চিনের গ্রাম। কিন্তু এবার সামনে এল আরও এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। জানা গিয়েছে পূর্ব লাদাখে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার একেবারে কাছেই একটি হাইওয়ে তৈরি করছে বেজিং। শুধু তাই নয়, সীমান্তের গা ঘেঁষে চিনের রকেট ও মিসাইল রেজিমেন্টকেও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।

China builds village in Arunachal Pradesh

স্বাভাবিকভাবেই লালফৌজের এই অতি সক্রিয়তায় উদ্বেগে পড়েছে ভারত। পূর্ব লাদাখ সেক্টরের ঠিক বিপরীত দিকে এই হাইওয়ে তৈরি করছে চিন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই রাস্তা তৈরির ফলে যে কোনও সময় ও পরিস্থিতিতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে দ্রুত ভারতীয় ভূখণ্ডে পৌঁছে যাবে লাল ফৌজ। শুধু রাস্তা তৈরি নয়, সীমান্তে তারা রীতিমতো অস্ত্র মোতায়েনও করছে।

সম্প্রতি আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দেওয়া এক উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, তিব্বতের স্বশাসিত এলাকায় চিন রকেট ও মিসাইল মোতায়েন করেছে। সেনাবাহিনীকে লুকিয়ে রাখার জন্য তৈরি করেছে বিশেষ ধরনের বাঙ্কার। পাশাপাশি বাড়িয়েছে সেনার সংখ্যাও। একইভাবে পূর্ব লাদাখ সীমান্তে বেজিং ড্রোন মোতায়েন করেছে। এই মুহূর্তে লালফৌজ তাদের পরিকল্পনাতেও কিছু বদল এনেছে। চিনা সেনা চাইছে, লাদাখের স্থানীয় বাসিন্দাদেরকেই ভারতের বিরুদ্ধে কাজে লাগাতে।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে সীমান্তে চিনের প্রস্তুতি অনেকটাই পরিকল্পিত। রীতিমতো পরিকল্পনা করেই তারা সীমান্তে সমরসজ্জা এবং পরিকাঠামো তৈরির কাজ চালাচ্ছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দফতর পেন্টাগন এক রিপোর্টে জানিয়েছে, তিব্বতের স্বশাসিত অঞ্চল এবং অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ১০০টি বাড়ি তৈরি করে রীতিমত একটি গ্রাম গড়ে ফেলেছে বেজিং। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর এলাকায় বেড়েছে লাল ফৌজের সংখ্যাও।

যদিও নরেন্দ্র মোদি সরকারের মন্ত্রী তথা চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত জানিয়েছেন, ভারতীয় ভূখণ্ড ও সংলগ্ন এলাকায় চিন গ্রাম গড়ে তুলেছে এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। অন্যদিকে, দেশের বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, চিনকে ভয় পাচ্ছে মোদি সরকার। সে কারণেই তার চিনের যাবতীয় অবৈধ কার্যকলাপ দেখেও চোখ বুজে থাকছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, সীমান্তে চিন তাদের সক্রিয়তা বাড়িয়েছে এমন কোনও প্রমাণ সরকারের কাছে নেই। তবে চিন যদি বেশি বাড়াবাড়ি করে তবে ভারতও তার উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছে।

৭ ভারতীয় মহিলা সেনাকর্মী, কেউ কাবুলে রক্ষাকারী, কেউ সীমান্তে, চমকে দেয় তাঁদের জীবন

Brave Women From The Indian Armed Forces

নিউজ ডেস্ক: ভারতের বীর সন্তানেরা সীমান্তে রোজ রক্ত খুইয়ে চলেছেন দেশের সুরক্ষার কাজে। সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে দেশের কাজে প্রাণপাত করা মোটেই সহজ কাজ না, যার প্রথম শর্তই হলো আত্মত্যাগ, অনুশাসন আর সংকল্প।

এমন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় যার অঙ্গই হলো মানসিক ও শারীরিক ক্লান্তি। এদের মাঝে মহিলাদের অবদানও মোটেই কম নয় যারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পুরুষের সাথে পাল্লা দিয়ে সীমান্তে তাদের বীরত্বের পরিচয় দিয়েছেন। জেনে নেওয়া যাক এমনই কয়েকজন অপরাজিতা নারীর গল্প দেশের কাজে যোগদান করতে লিঙ্গ বৈষম্য যাদের দমিয়ে দিতে পারেনি:

padmavathy bandopadhyay ১. পদ্মাবতী বন্দ্যোপাধ্যায়
পদ্মাবতীকে সশস্ত্র ভারতীয় সেনার একজন অগ্রদূত হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রথম মহিলা এয়ার মার্শাল। তিনি প্রথম মহিলা যিনি এয়ারোস্পেস মেডিক্যাল সোসাইটির ফেলো হয়েছেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় মহিলা যিনি উত্তর মেরুতে চরম ঠাণ্ডার উপযোগিতা নিয়ে একটি অভিযান চালান। ১৯৭১ সালের ভারত-পাক সংঘর্ষের সময় তিনি তার ব্যতিক্রমী সেবার জন্য বিশিষ্ট সেবা পদক প্রাপক।

Divya Ajith Kumar

২. দিব্যা অজিত কুমার
মাত্র ২১ বছর বয়সে দিব্যা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে প্রথম মহিলা হিসেবে সম্মানিত ‘সোর্ড অফ অনার’ পেয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন। তিনি ২৪৪ জন সহকর্মী ক্যাডেটদের (পুরুষ ও মহিলা) বেশ কয়েকটি একাডেমিক এবং শারীরিক পরীক্ষায় পরাজিত করেছিলেন। ২৫ বছর বয়সে, তিনি ১৫৪ জন কর্মকর্তার সর্বদলীয় দলের নেতৃত্ব দেন ২০১৫ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে যেখানে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যারাক ওবামার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

Mitali Madhumita

৩. মিতালী মধুমিতা
মিতালি ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রথম মহিলা অফিসার হিসেবে সম্মানজনক বিশেষ সেনা পদক পেয়েছেন। সেনাবাহিনীতে চাকরি করে মারা যাওয়া এবং সঙ্কটে ব্যতিক্রমী সাহস দেখানো অফিসারদের বীরত্বের এই সম্মান দেওয়া হয়। ২০১০ সালে কাবুল দূতাবাসে হামলায় বেশ কয়েকজন আহত অসামরিক নাগরিক এবং সেনা কর্মীকে বাঁচিয়ে মিতালি তার জীবনের ঝুঁকি নিয়েছিলেন।

Gunjan Saxena

৪. গুঞ্জন সাক্সেনা
ফ্লাইট অফিসার গুঞ্জন সাক্সেনা এবং ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শ্রীবিদ্যা কারগিল যুদ্ধের সময় যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে প্রথম মহিলা পাইলট হয়েছিলেন। তারা তাদের চিতা হেলিকপ্টারগুলি শত্রু লাইনের খুব কাছাকাছি উড়েছিলেন এবং যুদ্ধক্ষেত্র থেকে আহত সৈন্যদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়েছিলেন।

Sophia Qureshi

৫. সোফিয়া কুরেশি
আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়ায় ৪০ জন সদস্যের সেনা দলের নেতৃত্ব দেওয়া প্রথম মহিলা কর্মকর্তা হওয়ার সময় তিনি ইতিমধ্যেই অভাবনীয় কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। কিন্তু এখানেই শেষ নয়. তিনি অংশগ্রহণকারী সব দেশ জুড়ে একমাত্র নারী কমান্ডার ছিলেন যার মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া এবং চিন।

Deepika Misra

৬. দীপিকা মিশ্র
তিনি হেলিকপ্টার এরোব্যাটিক দলের জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম IAF মহিলা পাইলট হয়েছিলেন, এবং তিনি সারা বিশ্বের একমাত্র চারটি হেলিকপ্টার মিলিটারি ডিসপ্লে টিমের মধ্যে একজন।

Nivedita Choudhary

৭. নিবেদিতা চৌধুরী
মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় ওঠার জন্য তিনি ভারতীয় বিমান বাহিনীতে প্রথম মহিলা কর্মকর্তা হন। মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় তিনি মোট এক ঘন্টা কাটিয়েছিলেন।

ব্যর্থ হল বৈঠক, সীমান্ত থেকে সেনা সরাতে নারাজ চিন

China reluctant to withdraw troops from the border

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সীমান্তে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের জন্য রবিবার ভারত ও চিনের শীর্ষ সেনা কর্তারা ১৩ তম বৈঠকে বসেছিলেন। আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে ওই বৈঠক। কিন্তু বৈঠক শেষে কোন ফলাফলই মিলল না। সোমবার ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে সেনা সরানোর প্রস্তাবে রাজি নয়। 

তবে এই সমস্যা সমাধানে আগামীদিনেও যে ফের আলোচনায় বসা হবে এমন কোনও কথাও বলেনি বেজিং। দীর্ঘ আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা ওই বৈঠকে ভারতীয় সেনা কর্তারা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা ও সংলগ্ন এলাকার সমস্যা সমাধানের জন্য একাধিক প্রস্তাব দেন। কিন্তু জিনপিং সরকার ভারতের কোনও প্রস্তাবই মানতে নারাজ। এই আলোচনায় কোনো সমাধান সূত্র বের না হওয়ায় সেনাবাহিনীর এই বৈঠককে ব্যর্থ বলেই মনে করছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, চিন যদি কোনও রকম আগ্রাসন দেখানোর চেষ্টা করে তবে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। ভারত সব ধরনের সমস্যা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত আছে।

কিন্তু প্রশ্ন হল, চিন কেন ভারতের সঙ্গে কোনও রকম সমঝোতায় যেতে আপত্তি করছে। আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, সম্প্রতি আফগানিস্থানে ক্ষমতার পালাবদলের কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই কাবুলে তালিবান সরকারকে সমর্থন করেছে বেজিং। চিনের মতোই তালিবানের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান। সীমান্ত নিয়ে ভারতের সঙ্গে এই দুই দেশেরই প্রবল মতবিরোধ রয়েছে। বিশেষ করে কাশ্মীর ও লাদাখ সীমান্ত নিয়ে ভারত পাকিস্তানের বিবাদ সর্বজনবিদিত। পাশাপাশি চিনের সঙ্গেও ভারতের সীমান্ত সমস্যা কম নয়।

এই পরিস্থিতিতে চিন ও পাকিস্তানের একযোগে তালিবানদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তালিবান জঙ্গিদের সমর্থনে ইতিমধ্যেই কাশ্মীরে একাধিক জঙ্গি সংগঠন আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, ভারতে নাশকতা চালানোর জন্য জঙ্গিদের মদত জোগাতে চিন ও পাকিস্তান দুই দেশ হাতে হাত মিলিয়েছে। সে কারণেই চিন সীমান্ত নিয়ে ভারতের কোন শর্তই মানতে নারাজ। চিন ভাবছে ভারতকে তারা চাপে ফেলতে পারবে। তাদের এই কাজে সব ধরনের সহযোগিতা করবে পাকিস্তান ও তালিবান।

আন্তর্জাতিক মহল অবশ্য পাশাপাশি এটাও বলেছে যে, চিন যদি মনে করে ভারত আগের জায়গাতেই আটকে আছে তাহলে ভুল করবে। ভারতের অস্ত্র ভাণ্ডার যথেষ্ট ঈর্ষণীয়। তাই অযথা ভারতের সঙ্গে লাগতে গেলে তার পরিণাম ভুগতে হবে বেজিংকে