উপনির্বাচনের ফলাফলের বাইপ্রোডাক্ট হিসেবেই পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমল: চিদম্বরম

chidambaram petrol price

News Desk: ২৯টি বিধানসভা এবং তিনটি লোকসভা কেন্দ্রের ফলাফলের বাইপ্রোডাক্ট হিসেবেই পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য হ্রাস হল। পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য হ্রাসের সিদ্ধান্তে এটাই প্রমাণ হল যে, মোদি সরকার মাত্রাতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর কারণেই পেট্রোপণ্যের দাম লাগামছাড়াভাবে বেড়ে চলেছে।

কংগ্রেস দিনের পর দিন এই অভিযোগ করেছে। সেই অভিযোগ যে কতটা সত্যি সেটা আজ সকলেই বুঝতে পারছেন। মোদি সরকারের লোভের কারণেই দেশে পেট্রোপণ্যের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি। পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য হ্রাস করা সম্পর্কে বৃহস্পতিবার এই মন্তব্য করলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম (P Chidambaram)।

দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, গত কয়েক মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম বেড়েছে এটা ঠিক। কিন্তু সেটা কখনওই এতটা বাড়েনি যে, দেশের বাজারে পেট্রল, ডিজেলের লিটার প্রতি দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। আসলে মোদি সরকার দিনে-দুপুরে মানুষের পকেট কাটছে। মোদি সরকারের একমাত্র লক্ষ্য হল তাদের কয়েকজন শিল্পপতি বন্ধুর পকেট ভরানো। দেশের বাকি মানুষের কি হল তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। সে কারণেই তারা লাগামছাড়াভাবে পেট্রোপণ্যের দাম বাড়িয়ে চলেছিল। উপনির্বাচনের ফলাফল এবং কয়েক মাসের মধ্যেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই মোদি সরকার শেষ মুহূর্তে সামান্য দাম কমিয়ে চমক দেখাতে চাইছে।

পেট্রোল-ডিজেলের হঠাৎ করে দাম কমানো প্রসঙ্গে কংগ্রেস এদিন মোদি সরকারকে তীব্র কটাক্ষ করেছে। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা (priyanka gandhi) গান্ধী বলেছেন, মোদি সরকার মন থেকে নয়, ভয় পেয়ে পেট্রোপণ্যের দাম কমিয়েছে। কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালাও Randeep Sing Surjawala)মোদি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন, চলতি বছরে মোদি সরকার প্রতি লিটার পেট্রোলে ২৮ টাকা এবং ডিজেলের দাম ২৬ টাকা বাড়িয়েছে। এখন তারা প্রতি লিটার পেট্রোলে ৫ টাকা এবং ডিজেলে ১০ টাকা দাম কমিয়ে দেওয়ালির উপহার বলে চিৎকার করছে। আসলে এটা মোদি সরকারের এক বড় জুমলা।

আরজেডি নেতা তথা দেশের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালুপ্রসাদ Lalu Prasad) যাদবও একই কথা বলেছেন। লালুর দাবি, পেট্রোল ডিজেলে লিটার প্রতি ৫০ টাকা করে দাম কমানো উচিত ছিল। কিন্তু মোদি সরকার সেটা করেনি। চমক দিতে লিটারপ্রতি মাত্র ৫ ও ১০ টাকা দাম কমিয়েছে। তবে আগামী কয়েক মাস পরে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলে মোদি সরকারের ফের পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়িয়ে দেবে। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা যশবন্ত সিনহা (Yasbant Sinha)বলেছেন, পেট্রোপণ্যের দাম যতটা কমানো উচিত ছিল ততটা কমেনি। মোদি সরকার সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে আদৌ চিন্তিত নয়। মোদি সরকার যদি সাধারণ মানুষের কথা ভাবতো তবে কখনওই এভাবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ত না। মোদি সরকারের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে মাটির কোনও যোগ নেই। যদি থাকতো তাহলে তাঁরা দেখতে পেতেন, পেট্রোল- ডিজেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে।

By Election: জামানত খুইয়ে বিজেপির অভ্যন্তর যেন আগ্নেয়গিরি

BJP-begal

News Desk: অশালীন বাক্য ব্যবহার, কু মন্তব্য, পারস্পরিক দেখে নেব গোছের হুমকির জেরে রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরে আগ্নেয়গিরির মতো পরিস্থিতি। উপনির্বাচনে দলের ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর এমনই অবস্থা বিরোধী দলের।

চারটি আসনের উপনির্বাচনে তিনটি আসনে জামানত খুইয়েছে বিজেপি। গতবারের জয়ী দুটি আসন এবার হাতছাড়া। এমনটা ভাবেননি রাজ্য নেতৃত্ব। ফলে আকচা আকচি শুরু হয়েছে।

কেউ টুইটে তো কেউ ব্যক্তিগত মহলে কেউ আবার প্রকাশ্যেই শুরু করে দিয়েছেন আক্রমণ। কেথাও কোথাও লাভা বের হতে শুরু করেছে। এর পরেই জ্বালামুখ ফেটে পড়ার আশঙ্কা প্রবল। সূত্রের খবর, বিভিন্ন জেলায় দলীয় দফতরগুলিতে নেতাদের ও তাঁদের গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

উপনির্বাচনে চার কেন্দ্রেই পরাজয়। ফলাফল বলে দিচ্ছে বিরোধী দলটির বিধায়কের সংখ্যা কমে গেল বিধানসভায়। আরও সূত্রের খবর, উত্তরবঙ্গ থেকে ধস নামছে দীপাবলির পরেই।

ফলাফল ঘোষণা শেষ হতেই বিজেপির নেতারা যেভাবে হামলা শুরু করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় তাতে আশঙ্কা দলের রাজ্য দফতরে না খণ্ডযুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমনই আশঙ্কা বাঁকুড়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলার একাংশ নেতাদের। তাঁরা স্পষ্ট জানান, তেমন হলে তৃণমূলে সামিল হয়ে যাব। আর কোনও পথ নেই।

অভিযোগ আরও প্রবল, রাজ্য সভাপতি সুকান্তবাবু, প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপবাবু, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুবাবু সহ বিভিন্ন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীরা কড়া নিরাপত্তা পান। কিন্তু যাদের উপর ভরসা করে দল চলে সেই নিচু তলার কর্মীরা অসুরক্ষিত। তাঁরা এবার দলে দলে ভিড় জমাবেন তৃণমূল শিবিরে।

<

p style=”text-align: justify;”>রাজনৈতিক গতি বলে দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে যে স্রোত বয়েছিল বিধানসভা ভোটে এবার উপনির্বাচনের ফলে তার উল্টো স্রোত বইছে।

Dinhata: বুথে হেরে বিগবস অমিত শাহের ধমক খেতে প্রস্তুত নিশীথ

amit-nishith

News Desk: নিজের সঙ্গে কমান্ডো পাহারা কিন্তু দলীয় বুথকর্মীদের বিষয়ে নাকি পাত্তাই দেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। আরও অভিযোগ, দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে তিনিই মন দেননি।

মঙ্গলবার ফল গণনা শুরু হতেই গতবার জয়ী বিজেপি খোঁড়াতে থাকে। টিএমসির প্রবল গতি। প্রত্যাশিতভাবেই তিন নম্বরে থাকেন বামপ্রার্থী। তবে সব থেকে চমক আসে খোদ নিশীথ প্রামাণিকের বুথ থেকেই।

স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের বুথে ধরাশায়ী বিজেপি। ভেটাগুড়ি চৌপথী হাই স্কুলের ৭/২৩৪ নম্বর বুথের ভোটার দেশের স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী নিশীথ৷ ভেটাগুড়ি চৌপথী হাই স্কুলের মোট ৪৯২ টি ভোটের মধ্যে উদয়ন গুহ পেয়েছেন ৩৬০ টি ভোট। বিজেপি প্রার্থী অশোক মন্ডল পেয়েছেন ৯৫ টি ভোট। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নিশীথ প্রামাণিকের নিজের বুথে ২৭৫ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ।

বিজেপির এই এই ধরাশায়ী অবস্থায় নিশীথ প্রামাণিকের মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দাবি জানালেন দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী এজেন্ট পার্থপ্রতিম রায়।

গতবারের ভোটে ৫৭ ভোটে জয়ী হন নিশীথ। পরে লোকসভায় বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়ে তিনি জয়ী হন। তাঁকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী করা হয়। পদাধিকার বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ হলেন নিশীথের বিগবস। নিজের বুথে পরাজয়ে বিগবসের ধমক খেতে চলেছেন নিশীথ এমনই মনে করা হচ্ছে

Byelection Result Live: দিনহাটা-গোসাবায় লক্ষাধিক ভোটে জয়ী TMC

Result Live Update

News Desk, Kolkata: উপনির্বাচনে গোহারা হারল বিজেপি। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে। ৪-০ ব্যবধানে জয়ী টিএমসি।

উপনির্বাচনে কোচবিহারের দিনহাটায় উদয়ন গুহ । জিতলেন ১ লক্ষ ৬১ হাজারের বেশি ভোটে। আর দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় সুব্রত মন্ডল জয়ী ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৯৩ ভোটে।

দিনহাটায় স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের বুথে ধরাসায়ী বিজেপি।

গোসাবা নাকি দিনহাটা কোন আসনে সর্বাধিক জয়, ক্যালকুলেশনে মত্ত টিএমসি

খড়দহ কেন্দ্রে বামেদের স্বস্তি। সিপিআইএম দ্বিতীয় স্থানে। তিন নম্বরে নামল বিজেপি। গণনা চলছে। 

খড়দহ কেন্দ্রে এগিয়ে টিএমসির শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়

দিনহাটায় কেন্দ্রে এগিয়ে টিএমসির উদয়ন গুহ

গোসাবা ও শান্তিপুর কেন্দ্রে এগিয়ে টিএমসি

দিনহাটা গোসাবা শান্তিপুর খড়দহ সবেতেই এগিয়ে টিএমসি

উপনির্বাচন ফল ঘোষণার আগেই বিস্ফোরণ মন্তব্য করেছেন সদ্য বিজেপি থেকে ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। আগরতলা থেকে কলকাতায় এসেই রাজীব বলেন, রাজ্যে বিজেপি সাইনবোর্ড হয়ে যাবে।

জানা গিয়েছে, ফল ঘোষণার আগেই বিধানসভায় ট্রেজারি বেঞ্চে (সরকার পক্ষ)চারটি আসন সংরক্ষিত করা হয়। তবে এই বিষয়ে বিধানসভার তরফে কিছু জানানো হয়নি। বিরো়ধী দলের অভিযোগ, ফলাফল না দেখেন এরকম পদক্ষেপ গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে গণতন্ত্র নষ্ট করে দিয়েছে।

▷ পরবর্তী আপডেট একটু পরেই

By election Result: মঙ্গলে BJP আরও কমছে ধরেই নিল TMC

bengal-by-election

News Desk, Kolkata: ফের উপনির্বাচনের ফলাফলে শাসক তৃ়ণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে আরও চার বিধায়ক আসতে চলেছেন। এমনই কনফিডেন্ট মন্ত্রী থেকে সমর্থকরা। বিরোধী বিজেপি শিবিরে আরও বিধায়ক কমার আশঙ্কা।

মঙ্গলবার চার বিধানসভা দিনহাটা(কোচবিহার), শান্তিপুর (নদিয়া), খড়দহ (উ:২৪ পরগনা) ও গোসাবা (দ:২৪ পরগনা) কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল বের হবে। এই চার কেন্দ্রের কোনোটাতেই জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন না বাম নেতৃত্ব। তবে তাদের ধারণা, ভোট বাড়বে। আর কংগ্রেস নীরব।

সূত্রের খবর, এবার চার কেন্দ্রের ফলাফল দেখেই উৎসব অন্তে ধস নামতে শুরু করবে বিজেপিতে। অন্তত ১২ জন সরাসরি তৃণমূলে যোগ দেবেন। এদের বেশিরভাগই উত্তরবঙ্গের। ইতিমধ্যেই উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। আরও জানা যাচ্ছে কোচবিহার থেকে ক্রমাগত দু:সংবাদ আসতে চলেছে বিরোধী দলনেতার কাছে।

উপনির্বাচন ফল ঘোষণার আগেই বিস্ফোরণ মন্তব্য করেছেন সদ্য বিজেপি থেকে ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ত্রিপুরায় গিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন। আগরতলা থেকে কলকাতায় এসেই রাজীব বলেন, রাজ্যে বিজেপি সাইনবোর্ড হয়ে যাবে।

জানা গিয়েছে, ফল ঘোষণার আগেই বিধানসভায় ট্রেজারি বেঞ্চে (সরকার পক্ষ)চারটি আসন সংরক্ষিত করা হয়। তবে এই বিষয়ে বিধানসভার তরফে কিছু জানানো হয়নি। বিরো়ধী দলের অভিযোগ, ফলাফল না দেখেন এরকম পদক্ষেপ গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে গণতন্ত্র নষ্ট করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার গণনা উপলক্ষে গণনাকর্মীরা কড়া কোভিড নিয়মের আওতায় থাকবেন। তেমনই থাকবেন বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা। বেলা গড়াতেই স্পষ্ট হবে জনতার রায়।

By Election: অ্যাই ধর ধর… চোর চোর…পালাচ্ছে ‘জাল ভোটার’কে তাড়া BJP প্রার্থীর

News Desk, Kolkata: হই হই কান্ড। গোলাপি জামা পরা এক যুবক দৌড়ে পালাচ্ছে। তার পিছনে দৌড়চ্ছেন খোদ প্রার্থী! তার পিছনে সংবাদ মাধ্যমের চিত্রগ্রাহকরা। অভিযোগ ওই যুবক জাল ভোটার।

খড়দহের উপনির্বাচনে সকাল থেকে পরপর ঘটনার ঘনঘটা। সেই ঘটনার একটি জাল ভোটার পাকড়াও মুহূর্ত। ঘটনাস্থল খড়দহ বিধানসভার তেঘরিয়ার শশীভূষণ বিদ্য়াপীঠ।

ভোট চলাকালীন এই বিদ্যালয়ে ঢুকে পড়া এক যুবকের সন্দেহজনক আচরণে তেড়ে গেলেন বিজেপি প্রার্থী জয় সাহা। তিনি একপ্রকার যুবককে জাপটে ধরে স্কুলের দেওয়ালে ঠেসে ধরলেন। ভোট কেন্দ্রের সামনে শুরু হল উত্তেজনা।

Kharda by election Fake voter

যুবক নিজেকে ভোটার বলে দাবি করে। তার ভোটার কার্ড দেখতে চান বিজেপি প্রার্থী। শুরু হয় বাদানুবাদ। সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নবাণে হতচকিত যুবক আবোল তাবোল বকতে শুরু করে। এক সময় সে দৌড়ে পালাতে যায়। পিছন পিছন দৌড়তে থাকেন বিজেপি প্রার্থী। ফের ধরা পড়ে ওই যুবক।

অভিযোগ, জাল ভোট দিতে এসেছিল যুবক। ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি প্রার্থী।

By election : মাথায় ইটের আঘাত, প্রাক্তন বাম বিধায়ক তন্ময় TMC কে দুষতে নারাজ

Tanmoy Bhattacharya

News Desk: উপনির্বাচনে হামলার মুখে পড়লেন প্রাক্তন সিপিআইএম বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য (Tanmoy Bhattacharya)। তিনি দলের তরফে এদিন সকাল থেকেই খড়দহ বিধানসভার ভোট তদারকিতে আছেন। অভিযোগ, খড়দহ স্টেশন রোডে আক্রান্ত হন প্রাক্তন সিপিআইএম বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পাথর। সেটি লেগে মাথা ফাটে প্রাক্তন সিপিএম বিধায়কের।

জখম তন্ময়বাবু দলীয় দফতরে আসতেই সাংবাদিকরা জানতে চান তিনি কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। উত্তর দমদম বিধানসভার প্রাক্তন বাম বিধায়কের স্পষ্ট জবাব, আমি কোনও দলকে দায়ি করছি না। এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আমার রাজনৈতিক সংস্কৃতি এমন নয় যে ব্যক্তিগত আক্রমণে যাব। তিনি বলেন, ২০১৬ বিধানসভা ভোটে আমি আক্রান্ত হয়েছিলাম। তখন অভিযোগ করেছিলাম তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। এবার আমি আক্রান্ত হয়েছি কিন্তু দয়া করে আমার মুখ দিয়ে কারোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করাতে পারবেন না। কারণ, আমি হামলাকারীদের দেখতে পাইনি।

২০১৬ বিধানসভা ভোটে উত্তর দমদম থেকে জয়ী হয়েছিলেন তন্ময় ভট্টাচার্য। রাজ্যে তিনি সিপিআইএমের তরফে একজন পরিচিত নেতা। সম্প্রতি বিধানসভা ভোটে বামেদের বিরাট বিপর্যয় ও রাজ্যে শূন্য হয়ে যাওয়া নিয়ে দলীয় নির্বাচনী নীতির কড়া সমালোচনা করেন সোশ্যাল সাইট ও সংবাদ মাধ্যমে। এর জেরে সিপিআইএম রাজ্য কমিটির তরফে তন্ময়বাবুকে চুপ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

By Election: ৪-০ গোলে জিততে চায় TMC, ভোট লুঠের আশঙ্কা বিরোধীদের

WB by election

News Desk: লক্ষ্য ৪-০ গোলে জয়ী হওয়া। তাতেই মশগুল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী বিজেপি চিন্তিত ভোট লুঠের আশঙ্কায়। শূন্য হয়ে যাওয়া বামেরা টার্গেট করছে ভোট শতাংশ বাড়িয়ে নেওয়ার। এরই মাঝে উদ্বেগহীন তৃণমূল নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপনির্বাচন ফেলে রেখে গোয়ার ভোট নিয়ে মেতে আছেন।

মুখ্যমন্ত্রীর গোয়া সফর ইঙ্গিত দিচ্ছে রাজ্যে যে চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন- দিনহাটা (কোচবিহার), খড়দহ (উ: ২৪ পরগনা), গোসাবা (দ:২৪ পরগনা).ও শান্তিপুর (নদিয়া) সেখানে একতরফা জয় আশা করছে টিএমসি।
সাম্প্রতিক যে তিনটি আসনে (ভবানীপুর, সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর) উপনির্বাচন হয়েছে তাতে ৩-০ গোলে জয়ী হয় তৃণমূল কংগ্রেস। এতে লাভের লাভ ‘হেরো মুখ্যমন্ত্রী’র তকমা ঘুচিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের বিধায়ক হয়েছেন।

শনিবার আরও চারটি আসনের উপনির্বাচনে সেই জয় ধরে রাখতে আদাজল খেয়ে নেমেছে টিএমসি। প্রচার করেছে বিজেপি ও সিপিআইএম। তবে উপনির্বাচনে বিরোধীদের আশঙ্কা ভোট লুঠের। শাসক টিএমসির দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন নীতি দলকে জিতিয়ে দেবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, চারটি কেন্দ্রেই ভোট নির্বিঘ্নে করতে পর্যাপ্ত ১০০ কেম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সমস্ত বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৫০ শতাংশ বুথে ওয়েব কাস্টিং চালানো হবে।

দিনহাটা ও শান্তিপুরে জয় ধরে রাখতে মরিয়া বিজেপি। খড়দহ ও গোসাবা তৃণমূল গত বিধানসভায় জয়ী হয় টিএমসি। একমাত্র শান্তিপুরে বামেরা কড়া প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা করতে পারে বলে পরিসংখ্যান বলছে। যদিও রাজ্যে এখন বামেদের অবস্থা দেখে কে বলবে সিপিআইএম টানা ৩৪ বছর সরকারে ছিল।

Alert: শতাধিক শিশুমৃত্যু, একইসঙ্গে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

diwali corona

নিউজ ডেস্ক: উৎসবের এখনও আরেকটি পর্ব অর্থাৎ দীপাবলি বাকি। তার আগেই চিকিৎসক বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা মিলিয়ে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ‘অজানা জ্বর’ বলে প্রচারিত সংক্রমণে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা। শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

দুর্গাপূজার আগেই আশঙ্কা করা হয়েছিল, কোভিড বিধি শিথিল করায় করোনা সংক্রমণ বাড়বে। তাই-ই হয়েছে। কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে ভিড় উপচে পড়ে। উড়ে গিয়েছিল দূরত্ববিধি। আর শারদোতসব মিটতেই এসেছে করোনা সংক্রমণের বড়সড় পরিসংখ্যান।

শুক্রবার কলকাতা পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪  ঘণ্টায় শহরে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৪২ জন। চালু করতে হতে পারে সেফ হোম। সোমবার থেকে সেফ হোম খুলতে পদক্ষেপ নিচ্ছে পুর কর্তৃপক্ষ।

করোনা সংক্রমণের খবর কলকাতা সংলগ্ন জেলা হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে আসছে। তেমনই মহানগর লাগোয়া শহরতলি এলাকায় বেড়েছে সংক্রমণ।

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে ‘অজানা জ্বর’ সংক্রমিত শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসক ও চিকিত্‍সা পরিষেবা কর্মীরা। শুধুমাত্র শিলিগুড়িতে ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়। মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান জেলা হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর সংখ্যায় উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন।

অভিযোগ, শিশুমৃত্যু ও করোনা সংক্রমণের বিষয়ে রাজ্য সরকারের নীরবতা নিয়েও। এরই মাঝে চলতি মাসে হবে চারটি বিধানসভার উপনির্বাচন। ভোটের প্রচার ও জনসভা থেকে সংক্রমণ আরও ছড়াবে বলেই আশঙ্কা।

By Election: বিজেপি থেকে টিএমসি যাওয়া হিড়িক, উপনির্বাচনের যাঁতাকলে রাজ্য

bengal politics

নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনের যাঁতাকলে পড়েছে রাজ্য। বিরোধী দল বিজেপির সাংসদ ও বিধায়কদের দলত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে চলে যাওয়ার কারণে পরপর উপনির্বাচন নির্ঘণ্ট তৈরি হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। সূত্রের খবর, আরও এক ডজন বিজেপি বিধায়ক দলত্যাগ করবেন।

সম্প্রতি শেষ হওয়া তিনটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তিনটিতেই জয়ী হয় টিএমসি। এবার রাজ্যের চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। আগামী ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন। চার জেলার চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ভোট হবে নদিয়ার শান্তিপুর, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা কোচবিহারের দিনহাটা কেন্দ্রে। গত বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটা ও শান্তিপুরে জিতেছিল বিজেপি। গোসাবা ও খড়দায় জয়ী হয় তৃণমূল।
শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে চায় নির্বাচন কমিশন।

মোট ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী রুটমার্চ শুরু করেছে। পিআইবি জানাচ্ছে, বাহাত্তর কোম্পানি বাহিনী নির্বাচনের দিন ভোট গ্রহণ কেন্দ্রগুলিতে ও বাকি আট কোম্পানি বাহিনী গণনা কেন্দ্র এবং স্ট্রংরুমের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে এমনই জানানো হয়েছে।

জওয়ানরা স্পর্শকাতর এলাকায় টহলদারি চালাচ্ছেন। ভোটের দিন নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই বার্তা দিচ্ছেন।

Shantipur: লকডাউনে রাত-বিরেতের ‘অক্সিজেন দাতা’ বাম প্রার্থী সৌমেন ‘জামানত বাঁচাতে’ লড়বেন

Soumen Mahato

নিউজ ডেস্ক: লড়াই হবে জমানত বাঁচানোর। আপাতত এই লক্ষ্যেই আসন্ন উপনির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে টানা ৩৪ বছর রাজ্যের শাসকপক্ষ বামফ্রন্ট! এই পর্বের উপনির্বাচনে বামেদের অন্যতম প্রার্থী শান্তিপুর (Shantipur) বিধানসভার কেন্দ্রের সৌমেন মাহাতো।

কে তিনি? সিপিআইএমের যুব সংগঠনের নেতা। তার থেকেও বড় কথা, সৌমেন রেড ভলান্টিয়ার্স এই নামে একটি মোবাইল নম্বর নদিয়ার শান্তিপুর বা সংলগ্ন এলাকায় বহুজনের মোবাইলে সেভ করা আছে।

করোনাভাইরাস হামলা ও তীব্র অক্সিজেন সংকটের সময় যখন ঘরে ঘরে মৃতদেহ পড়ে থাকছিল বা অক্সিজেন চেয়েও না পাওয়া মানুষ অসহায় হয়েছিলেন তখন এগিয়ে আসে রেড ভলান্টিয়ার্স।

তীব্র অক্সিজেন সংকটের সেই সময়ে বারবার ভাইরাল হয় রেড ভলান্টিয়ার্স কর্মকান্ড। শান্তিপুরের বাম যুব কর্মীদের নেতা সৌমেন মাহাতো অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে করোনা আক্রান্তদের ঘরে ঘরে চলে যান। পরিস্থিতি এমন হয় যে রেড ভলান্টিয়ার্সে-ই ভরসা করেন তৃ়ণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের মোবাইলেও নম্বরগুলো সেভ করা আছে।

Soumen Mahato

সিপিআইএম ও বিভিন্ন বাম দলগুলির ছাত্র যুব সংগঠনের কর্মীদের নিয়ে গঠিত রেড ভলান্টিয়ার্সের ভূমিকায় রাজ্যবাসী চমকে যান। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকস্তরে প্রবল আলোচিত হয় সংগঠনটির ভূমিকা। প্রশাসনিক স্বাস্থ্য পরিষেবা কাঠামো ভেঙে পড়ছিল। তখন বিপদের বন্ধু ছিল রেড ভলান্টিয়ার্স।

শান্তিপুরের করোনা রোগীদের জন্য ‘অক্সিজেন দাতা’ সৌমেন মাহাতো আর অন্যান্য রেড ভলান্টিয়ার্সদের বিভিন্ন মুহূর্ত ভাইরাল হতে শুরু করে।

আসন্ন উপনির্বাচনে সেই ভূমিকা থেকে ভোটের লড়াইতে শান্তিপুরের ‘অক্সিজেন দাতা’।সিপিআইএম এই কেন্দ্রে সৌমেন মাহাতো কে প্রার্থী করার পরেই পুরো বিধানসভা জুড়ে শোরগোল। মূলত তৃ়ণমূল ও বিজেপিতে বিভক্ত ভোটারদের কাছেও দ্বিধা তৈরি হচ্ছে।

চমক ছিল সৌমেন মাহাতোর মনোনয়ন জমার মিছিল। সদ্য সমাপ্ত তিনটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে যা দেখা যায়নি। সর্বত্রই জামানত খোয়ান বাম প্রার্থীরা।

বিধানসভা ভোটে জিতেও শান্তিপুরের বিধায়ক পদ ছেড়েছেন বিজেপির জগন্নাথ সরকার। ফলে আগামী ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন।

শান্তিপুরে বামফ্রন্টের সিপিআইএম প্রার্থী সৌমেন কি ‘জামানত কাঁটা’ দূর করতে পারবেন? সেটাই মূল প্রশ্ন বাম শিবিরে। বহু ভোটের পোড় খাওয়া বাম নেতারা জানেন জনসেবা এক বিষয় আর ভোটের লড়াই ভিন্ন।

Mamata Banerjee: বেলা গড়াচ্ছে-মমতা এগোচ্ছেন, বিজেপি শিবিরে দলত্যাগ আতঙ্ক চড়ছে

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

নিউজ ডেস্ক: তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়া শাসক শিবিরে স্বস্তি। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata banerjee) বিধায়ক হতে চলেছেন। ভবানীপুর কেন্দ্রে তিনি গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের দুটি কেন্দ্র সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরেও জোড়াফুলের ঝড় শুরু। 

বেলা গড়াচ্ছে রাজ্যের তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফলে টিএমসির তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়ায় বিরোধী দল বিজেপির অন্দরে ফের ধ্বস আতঙ্ক। সূত্রের খবর, ভবানীপুরে সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হতেই তৃণমূল শুরু করবে তার বিধায়ক শক্তি আরও বাড়িয়ে নিতে। আপাতত বিজেপিতে আছেন ৭০ জন।

উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানীর দলত্যাগের পর থেকে আরও অন্তত ৫ বিধায়ক তৈরি তৃণমূলে যোগ দিতে। এই তালিকায় পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর, কোচবিহার ও দার্জিলিং জেলার আরও তিন বিধায়ক রয়েছেন। সবমিলে দুর্গা পূজার আগেই বড়সড় ধ্বস নামতে চলেছে বিরোধী দলে। আছেন দুই বিজেপি সাংসদ।

যদিও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, দলত্যাগে দলের ক্ষতি হবে না। কিন্তু তিনিও প্রবল চাপে আছেন এমনই জানাচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্টরা।
শুধু রাজ্যেই নয়, আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে দুটি রাজ্যের বড় অংশের বিজেপি ও কংগ্রেস বিধায়করা তৃণমূল শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন।

Mamata Banerjee: ভবানীপুরে টার্গেট ‘১ লাখ মার্জিন’, মমতা শিবিরে চিন্তার মেঘ

West Bengal Chief Minister and TMC supremo Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লাখ ভোটের মার্জিনে জেতানোর টার্গেট রেখেছে শাসকপক্ষ। তৃ়ণমূল কংগ্রেস শিবিরের তাবড় তাবড় সেনাপতিরা প্রচার ও ভোটের দিন ভবানীপুরে মাটি কামড়ে পড়ে আছেন।

বেলা যত গড়াচ্ছে তত বাড়ছে টেনশন। টার্গেট ছোঁয়া যাবে তো এই চিন্তা এখন শাসক শিবিরে। কারণ ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট পড়ার হার ততটা উল্লেখযোগ্য নয়। ফলে তৃণমূল নেতৃত্বের ঘাড়ে শেষ বেলায় ভোটারদের বুথমুখী করানোর বাড়তি দায়িত্ব পড়েছে।

এরই মাঝে বিরোধী বিজেপির মারাত্মক দাবি, ফলাফল বলে দেবে এই রাজ্যে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া এক সংবাদ মাধ্যমে একথা বলেন। তিনি বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের উপর কিছু টিএমসি সমর্থকের হামলার নিন্দা করেন।

ভবানীপুর কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সেফ সিট বলে চিহ্নিত। এই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা ভোটে তিনি ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে পরাজিত হন। তবে টিএমসি সরকার গড়ে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা থাকলেও তাঁকে বিধায়ক হতেই হবে। সেই সূত্রে ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেন। আসনটিতে উপনির্বাচন হচ্ছে।

ভবানীপুরে মমতার প্রেস্টিজ ফাইট। তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলাফল বিপরীত হলে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিরাট ধাক্কা লাগবে। মমতা প্রচারে জানিয়েছিলেন, আমাকে জেতান না হলে অন্য মুখ্যমন্ত্রী পাবেন।

Mamata Banerjee: নজিরবিহীন ‘পরাজিত’ মুখ্যমন্ত্রীর টেনশনের ভোট পরীক্ষা

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ রাজনীতিতে লেখা থাকল বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখ। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বা অবিভক্ত বাংলা প্রদেশের রাজনীতি ধরলেও এই প্রথম এক শাসক যিনি নিজে পরাজিত হয়ে পুনপায় জয়ের জন্য মরিয়া লড়াই শুরু করেছেন। অভূতপূর্ব উপনির্বাচন চলছে রাজ্যে।

কেন্দ্র ভবানীপুর। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যিনি ফল ঘোষণার দিনের জন্য প্রবল টেনশনে। নিজের প্রচারের ভাষণে ঝরে পড়েছে সেই টেনশন। বলেছিলেন, আমাকে জেতান, না হলে অন্য কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে।

mamata banerjee

বি়ধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে লড়াই করেন মমতা। পরাজিত হন। জয়ী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী একদা ছায়াসঙ্গী তবে দলবদলে নেন ভোটের আগে। তিনি এখন বিরোধী দলনেতা।

মমতা হারলেও টিএমসি বিপুল শক্তি নিয়ে সরকার গড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকেছেন মমতা। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নিয়মে জয়ী বিধায়ক হতে হবে। ফলে তাঁরই পুরনো কেন্দ্র ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেফ সিট হিসেবে টিএমসি মমতা কে এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে।

বঙ্গ রাজনীতির এমন নজিরবিহীন মুহূর্ত আগে আসেনি। সেই মুহূর্ত দেখছেন রাজ্যবাসী। উপনির্বাচন হচ্ছে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর কেন্দ্রে। তবে সবই ভবানীপুরের কাছে ম্লান।কারণ সেখানে মমতা নিজে লড়ছেন। তাঁর সামনে দুটি রাস্তা খোলা। হয় জয় নয় বিদায়।

জামানত বাজেয়াপ্ত হবে জেনেই ‘নেতারা বেপাত্তা’, সিপিআইএমের শ্রীজীব প্রায় একলা

Shrijeeb Biswas

নিউজ ডেস্ক: রাস্তায় গলিতে প্রচার করছেন। সঙ্গে গুটিকয় যুবকর্মী সমর্থক, আর কেউ নেই! থাকার কথাও নয়, একেবারেই আনকোরা প্রার্থী তাও আবার রাজ্যে শূন্য হয়ে যাওয়া সিপিআইএম (CPIM) দলের। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেসের ‘হেরো’ প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনিও অস্তিত্বের যুদ্ধে নেমেছেন। আর আছেন বিজেপির প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। তিনি যথারীতি গিমিক টানতে মরিয়া, সম্বল অবাঙালি ভোটার। ভবানীপুরের উপনির্বাচনে এটাই তিন প্রতিদ্বন্দ্বীর চালচিত্র।

ভবীনীপুর তৃণমূল কংগ্রেসের সেফ সিট। বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে জয়ী হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে বিজেপির কাছে পরাজিত হন। দল যেহেতু বিপুল শক্তি নিয়ে তৃতীয়বার সরকার গড়েছে তাই মুখ্যমন্ত্রী পদেই আছেন মমতা। প্রাক্তন বিধায়ককে নির্বাচন কমিশনের নিয়মে জিতে বিধানসভা ঢুকতে হবে। মমতা মরিয়া জিততে। বিজেপি মরিয়া আটকাতে। আর ‘বামেরা মরিয়া তাদের প্রার্থীকে জামানত খোয়াতে!’ এমনই কটাক্ষ টিএমসি ও বিজেপি শিবিরের।

Shrijeeb Biswas

বিধানসভা ভোটে বামফ্রন্ট, কংগ্রেস, ও আইএসএফের মধ্যে যে আসন সমঝোতা হয়েছিল তার নিরিখে সংযুক্ত মোর্চা লড়াই করে। একটি আসন তাদের জুটেছে। ভোট শেষ জোট শেষ অনেকটা এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন সিপিআইএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।

ভবানীপুরের উপনির্বাচনে তাই একলা বামফ্রন্ট। কংগ্রেস ভবানীপুরে প্রার্থী দেবেনা ঘোষণা করেছে। আইএসএফ এখন বামেদের কাছে অছ্যুত। তবে ভবানীপুর কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী প্রচার শুরু করেছেন। প্রচার দেখে এলাকার বাম কর্মী সমর্থকদের আক্ষেপ নেতারা কবে যে বুঝবেন। এভাবে ছেলেটাকে একলা ঠেলে দিলেন কেন?

শ্রীজীব বিশ্বাস হাঁটছেন। তাঁর পিছনে রয়েছে টানা চৌত্রিশ বছরের দীর্ঘ সময়ের বাম জমানার কঙ্কাল।

ভবানীপুর উপনির্বাচন: মমতার বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত শুভেন্দুর

Shuvendu in front of Mamata

নিউজ ডেস্ক: আগামী একমাস রাজ্য রাজনীতির নজর থাকবে কলকাতার ভবানীপুরে। কারণ, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এখানেই ভাগ্য নির্ধারণ হবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা নয়, ভাগ্য নির্ধারণ হবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতার। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যপাধ্যায়। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে।

নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই, ভবানীপুরসহ তিন কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রত্যাশা মতোই এবার ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির রুদ্রনীল ঘোষকে হারিয়ে দেওয়ার পরেও মুখ্যমন্ত্রীকে আসন ছেড়ে দিয়েছেন তৃণমূলের প্রবীন নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

এবার মমতার বিরুদ্ধে কে হবেন ভবানীপুরের পদ্মশিবিরের প্রার্থী? রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা এর উত্তর নিয়েই। অনেকে রুদ্রনীল ঘোষের প্রার্থী হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছিল৷ তবে সেই বিতর্ক বাড়িয়েছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

রবিবার শিক্ষক দিবসের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অধিকারী বাড়ির মেজছেলে বলেন, ‘কে বলেছিল আপনাকে নন্দীগ্রামে আসতে ? এখন যদি আমাকে পার্টি বলে ভবানীপুরে আপনার বিপক্ষে দাঁড়াতে কী হবে তাহলে? আপনি নন্দীগ্রাম গিয়েছিলেন। এবার আমি এখানে আসি? মনে রাখবেন ওখানে কিন্তু ১৯৫৬ ভোটে হারিয়ে দিয়েছি, যেখানে ২৪ শতাংশ দুধেল গাই ছিল।’ ফলে শুভেন্দুর এই ইঙ্গিতবাসী বার্তা নিয়ে জোর বিতর্ক এবং জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে৷ অনেকেই মনে করছে, তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীকে চাপে রাখতে শুভেন্দু পদ্ম-প্রার্থী হতে পারেন৷

উপনির্বাচন কবে? মমতার মুখ্যমন্ত্রীর পদ হারানোর সম্ভাবনা প্রবল

Mamata Banerjee facing political threat

#Mamata Banerjee
নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হয়ে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিপুল জয় পেয়েছে। সেই সুবাদে মুখ্যমন্ত্রীর পদে তিনিই আছেন। তবে বিজেপির কটাক্ষ ‘হেরো মমতা’ কতদিন এভাবে চালাবেন রাজ্য। তিনিই পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি সাম্প্রতিক ভোটে হেরে কুর্সিতে বসেছেন।

প্রধান বিরোধী দল বিজেপির ( BJP) এই কটাক্ষের পিছনে রয়েছে তীব্র সাংবিধানিক সংকটের ইঙ্গিত। কারণ, গত মে মাসে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি বিধায়ক নন। নিয়মানুসারে পদে থাকতে হলে ৬ মাসের মধ্যে উপর্নিবাচনে (By election) জিতে আসত হবে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীকে তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকে।

বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর চার মাস পার হচ্ছে উপনির্বাচনের কোনও নামগন্ধ নেই রাজ্যে। তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে উদ্বেগ বাড়ছেই। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উপনির্বাচন কবে হবে?

Mamata Banerjee facing political threat

সবের মূলে করোনা সংক্রমণ। কিন্তু মমতা তথা রাজ্য সরকারও প্রতিযুক্তি দেখিয়েছে। কেন্দ্র সরকারের তথ্য, স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য দেখিয়ে তৃ়নমূল কংগ্রেস সরকারের দাবি পশ্চিমবঙ্গের করোনা সংক্রমণ এখন নিম্নগামী। এই অবস্থায় ভোট হতেই পারে।

সেপ্টেম্বরে উপনির্বাচন করাতে মরিয়া। কারণ অক্টোবর মাসে শারদীয়া উৎসব। দুর্গা পূজার সময় কোনওভাবেই নির্বাচন করানো সম্ভব নয়। সময় পার হচ্ছে দ্রুত। ৬ মাস সময়ের মধ্যে হাতে আছে দুমাস। এর মধ্যে উপনির্বাচন না হলে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পদত্যাগ করতে হবে। যেহেতু তিনি নির্বাচিত বিধায়ক নন, আর বিধান পরিষদ গঠন কেন্দ্রের সহমতির উপর নির্ভর করছে ফলে বিধান পরিষদ (MLC) সদস্য হয়ে ঘুরপথে কুর্সি রাখা সম্ভব না।

তৃ়নমূল কংগ্রেসের দাবি রাজ্যে যে সাতটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে সরকটিতেই করোনা সংক্রমণ নেই বললেই চলে। বিশেষ করে কলকাতার ভবানীপুরের পরিস্থিতি তুলে ধরছে টিএমসি। এই কেন্দ্রের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেছে। কেন্দ্রটিতেই ফের প্রার্থী হবেন মমতা।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, প্রবল করোনা সংক্রমণের মাঝে বিধানসভা ভোট হয়েছিল। এখন সংক্রমণ তেমন নেই, তবে বিজেপি যে করেই হোক নির্বাচন আটকে দিতে চাইছে। গণতান্ত্রিক পথ তারা নিচ্ছে না। উপনির্বাচন যাতে দ্রুত করানো হয় এমন আবেদন জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে তৃণমূল কংগ্রেস। একইভাবে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরেও আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু কমিশন নীরব!

যদি উপনির্বাচন না হয়?
তাহলে পশ্চিমবঙ্গ অভূতপূর্ব রাজনৈতিক মোড় নিতে চলেছে বলেই মনে করছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা। একাংশের যুক্তি, রাজ্যে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম, বিধানসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার ৬ মাসের মধ্যেই উপনির্বাচন করতে হয়। ফলে কমিশনও স্বস্তিতে নেই খুব একটা।