ममता ने 10 दिनों के भीतर दूसरी बार बुलाई कैबिनेट की बैठक

बंगाल की मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने 10 दिनों के भीतर दूसरी बार राज्य मंत्रिमंडल (कैबिनेट) की बैठक बुलाई है। राज्य सरकार द्वारा बुधवार रात जारी सर्कुलर के अनुसार, बैठक शुक्रवार को राज्य सचिवालय नवान्न में होगी, जिसकी अध्यक्षता मुख्यमंत्री करेंगी।प्रशासनिक सूत्रों के मुताबिक, यह बैठक अगले सप्ताह 21-22 नवंबर को कोलकाता में आयोजित होने वाले बंगाल ग्लोबल बिजनेस समिट (बीजीबीएस) के कारण बुलाई गई है। इस बैठक में उद्योग के लिए जमीन संबंधी कुछ अहम निर्णय लिए जा सकते हैं।उल्लेखनीय है कि बीजीबीएस से पहले निवेशकों (उद्योगपतियों) को आकर्षित करने व इसमें आने के लिए आमंत्रित करने ममता सितंबर में उच्च स्तरीय प्रतिनिधिमंडल के साथ स्पेन व दुबई की 12 दिवसीय यात्रा पर भी गईं थीं।सूत्रों के अनुसार, बैठक के लिए गृह सचिव व वित्त विभाग के प्रतिनिधियों को उपस्थित रहने को कहा गया है। इसके अलावा भूमि एवं भूमि सुधार विभाग तथा शरणार्थी राहत एवं पुनर्वास विभाग के सचिव सहित भूमि सुधार महानिदेशक को भी विशेष रूप से बैठक में उपस्थित रहने के लिए कहा गया है।

12 अक्टूबर को मुख्यमंत्री के घर पर ही कैबिनेट की बैठक बुलाई गई

Omicron: Strict restrictions in the state to prevent infection! The Chief Minister hinted at the meeting

स्पेन दौरे के दौरान मुख्यमंत्री के पैर में चोट लग गयी थी. तब से वह डॉक्टरों की सलाह पर घर पर ही हैं। लेकिन अभी कुछ दिनों तक उन्हें राज्य प्रशासन का सारा काम घर से ही संभालना होगा. इसीलिए कैबिनेट की बैठक भी उनके कालीघाट स्थित आवास पर बुलाई गई है. गुरुवार 12 अक्टूबर को राज्य कैबिनेट की बैठक है. सूत्रों के मुताबिक, वह बैठक मुख्यमंत्री आवास के कार्यालय में होगी. शुक्रवार दोपहर तक कई मंत्रियों को मामले की जानकारी हो चुकी थी. कहा जा रहा है कि ये खबर कई लोगों तक नहीं पहुंच पाई है. हालांकि, नवान्न सूत्रों से पता चला है कि शुक्रवार को सभी को पता चल जाएगा.

घर पर भी वह लगातार काम पर रहते हैं। दो दिन पहले मुख्यमंत्री हरिकृष्ण द्विवेदी ने भी बाढ़ की स्थिति को लेकर नौकरशाहों के साथ वर्चुअल बैठक की थी. इसके अलावा, ममता घर से ही अभिषेक बनर्जी के नेतृत्व में दिल्ली और कोलकाता में कार्यक्रमों की देखरेख भी कर रही हैं। उन्होंने गुरुवार को कालीघाट स्थित आवास पर कैबिनेट की बैठक बुलाई है .

Free Ration: কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত, আরও চার মাস বিনামূল্যে মিলবে রেশন

ration

নিউজ ডেস্ক: বিনামূল্যে রেশন (free ration) বিতরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল নরেন্দ্র মোদি সরকার (narendra modi goverment)। কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০২২ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত আমজনতাকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হবে। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে (cabinet meeting) এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (anurag rhakur)।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, নভেম্বর মাসের পর বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হবে। অর্থাৎ ডিসেম্বর থেকে আর মানুষ বিনামূল্যে রেশন পাবে না। সম্প্রতি বিজেপি সরকার নানাভাবে মানুষের কাছে তাদের জনপ্রিয়তা খুইয়েছে। সে কারণে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যেই বিনামূল্যে রেশন সরবরাহ করার এই প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, গোটা বিশ্বে ভারতই একমাত্র দেশ যে, এত বড় একটা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করেছে। গোটা দেশের মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দিতে সরকারের খরচ হয়েছে দু লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা। আগামী চার মাসে কেন্দ্র ৬০০ মেট্রিকটন রেশন দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। পঞ্চম দফায় প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় ৫৩ হাজার ৩৪৪ কোটি ৫২ লাখ টাকার ভর্তুকিযুক্ত পণ্য রেশনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।

উল্লেখ্য, পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নভেম্বর মাসেই প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। নভেম্বরের পর সেই মেয়াদ বাড়ানো হয় কিনা তা নিয়ে গোটা দেশেই একটা কৌতুহল তৈরি হয়েছিল। একাধিক রাজনৈতিক দল কেন্দ্রের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, এখনও পর্যন্ত করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু মানুষ এখনও তাদের কাজ ফিরে পাননি। এই অবস্থায় মানুষেকে আরও কিছুদিন বিনামূল্যে রেশন দেওয়া দরকার। কমপক্ষে আরও ছয় মাস রেশন সরবরাহ করতে হবে।

যদিও রাজনৈতিক দলগুলির এই দাবির প্রেক্ষিতে মোদি সরকারের মুখ থেকে কোনও কথা শোনা যায়নি। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আগামী বছর পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই মোদি সরকার শেষ পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার এই প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়েছে। মার্চ মাসের মধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যের ভোট মিটে যাবে। তাই মোদি সরকার আপাতত মার্চ মাস পর্যন্তই বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উল্লেখ্য, করোনাজনিত পরিস্থিতিতে ২০২০-র মার্চ মাস থেকেই গোটা দেশে লকডাউন জারি হয়েছিল। লকডাউনের সময় মানুষের পাশে দাঁড়াতেই বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প চালু করেছিল মোদি সরকার। পরবর্তী ক্ষেত্রে এই প্রকল্পের মেয়াদ ২০২১-এর ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এবার মোদি সরকার সেই মেয়াদ আরও চার মাস বাড়াল।

Farm Laws Withdrawn: বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে পড়তে পারে সিলমোহর

Farm Laws Withdrawn

News Desk: গত শুক্রবার গুরু নানকের (guru nanak) জন্মদিন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিন কৃষি আইন বাতিল করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সেটা ছিল নিতান্তই মৌখিক বিষয়। তাই কৃষকরা বিশ্বাস ও ভরসা রাখতে পারেননি মোদি সরকারের উপর। কৃষক নেতারা সাফ জানিয়ে দেন, যতক্ষণ না সাংবিধানিকভাবে আইন বাতিলের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে ততক্ষণ তাঁরা আন্দোলনের রাস্তা থেকে সরে দাঁড়াবেন না।

কৃষকদের সেই দাবিকে মেনে নিয়েই কৃষি আইন বাতিলের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল নরেন্দ্র মোদি সরকার (narendra modi)। চলতি সপ্তাহেই সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হচ্ছে। শীতকালীন অধিবেশনের (winter season) আগেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইন বাতিলের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হতে চলেছে বলে সূত্রের খবর।  আগামী বুধবার (wednesday) মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে। সেই বৈঠকেই কৃষি আইন প্রত্যাহারের বিষয়টিতে দেওয়া হবে চূড়ান্ত সিলমোহর।

farmers

উল্লেখ্য, শনিবার ঠিক এই বিষয়টিকে সামনে রেখেই কৃষি আইন বাতিলের বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরম। এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা বলেছিলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন ছাড়াই কীভাবে কৃষি আইন বাতিল হতে পারে? এই তিন কৃষি আইনকে কেন্দ্র করে বিগত এক বছর ধরে বিজেপিকে যথেষ্ট ব্যাকফুটে চলে যেতে হয়েছে। সে কারণে আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (election) আগে কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি মোদি সরকার।

তারই ফলশ্রুতিতে তড়িঘড়ি বাতিল করা হয়েছে তিন কৃষি আইন। শুধু বাতিল করাই নয়, আইন বাতিল করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক দেশবাসীর কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন। যদিও তিনি বলেছেন, কৃষকদের উন্নতির কথা ভেবেই কৃষি আইন তৈরি করেছিলেন কিন্তু তাঁরা সেটা কৃষকদের বোঝাতে পারেননি। এটা তাঁদের ব্যর্থতা।

তবে শুধু তিন কৃষি আইন নয়। মোদি সরকারের কাছে কৃষকদেরও আরও কয়েকটি দাবি রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হল ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন খরচ কমাতে কৃষকরা বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছেন। কৃষি আইন প্রত্যাহারের মূল দাবিটি মোদি সরকার মেনে নিলেও বাকিগুলোর বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারের তরফে কোনও ইঙ্গিত মেলেনি।