Calcutta High Court में राज्य का आदेश खारिज, नौकरी से हटे कर्मचारियों के भत्ते पर फिलहाल रोक

Calcutta High Court Rejects State Order, Halts Allowances for Sacked Group C and D Employees Until September 26

कोलकाता हाई कोर्ट (Calcutta High Court) ने राज्य सरकार के उस आदेश को खारिज कर दिया, जिसमें नौकरी से हटे ग्रुप C और D के कर्मचारियों को भत्ता देने की बात कही गई थी। न्यायमूर्ति अमृता सिन्हा ने 26 सितंबर तक इस आदेश पर अंतरिम रोक लगाने का आदेश दिया। इस फैसले के बाद, राज्य सरकार का यह निर्णय फिलहाल प्रभावी नहीं रहेगा।

Read Bengali: রাজ্যের চাকরিহারা কর্মীদের ভাতা নিয়ে বড় ঘোষণা হাই কোর্টের

राज्य सरकार ने हाल ही में घोषणा की थी कि जो ग्रुप C और D के कर्मचारी 2020 के मार्च के बाद नौकरी से हट चुके हैं, उन्हें भत्ते का लाभ दिया जाएगा। लेकिन इस फैसले को लेकर अदालत में कई याचिकाएं दाखिल की गई थीं, जिसके बाद यह मामला हाई कोर्ट में पहुंचा।

हाई कोर्ट के आदेश के बाद राज्य सरकार को अब 26 सितंबर तक इस भत्ते की प्रक्रिया शुरू करने से रोका गया है। न्यायमूर्ति अमृता सिन्हा ने कहा कि इस मामले की कानूनी अहमियत को देखते हुए इसे स्थगित किया जा रहा है।

अब राज्य सरकार को हाई कोर्ट के अगले आदेश तक इस पर कोई कार्रवाई नहीं करनी होगी। इस फैसले से नौकरी से हटे कर्मचारियों के लिए भत्ता पाने की उम्मीदें फिलहाल स्थगित हो गई हैं। राज्य सरकार की ओर से इस पर अभी तक कोई आधिकारिक प्रतिक्रिया नहीं दी गई है, लेकिन कर्मचारियों के बीच इस फैसले से निराशा का माहौल है।

यह देखना अब बाकी है कि हाई कोर्ट की आगामी सुनवाई में इस मामले में क्या नया फैसला लिया जाता है और राज्य सरकार क्या कदम उठाती है।

OBC प्रमाणपत्रों को रद्द नहीं होने देंगे, ऊपरी कोर्ट जाएंगे : ममता

कोलकाता : पश्चिम बंगाल की मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने शुक्रवार को कहा कि उनकी सरकार 2010 के बाद से राज्य में जारी किए गए सभी अन्य पिछड़ा वर्ग (ओबीसी) प्रमाणपत्र रद्द करने के कलकत्ता उच्च न्यायालय के आदेश को शीर्ष अदालत में चुनौती देगी।

ममता बनर्जी ने दक्षिण 24 परगना जिले के सागर में एक चुनावी रैली को संबोधित करते हुए यह बात कही। ममता ने आगे कहा कि राज्य सरकार गर्मी की छुट्टियों के बाद आदेश के खिलाफ शीर्ष अदालत में अपील करेगी। हम ओबीसी प्रमाणपत्रों को रद्द करने संबंधी आदेश को नहीं मानते। हम ग्रीष्म अवकाश के बाद शीर्ष अदालत में अपील करेंगे। कलकत्ता उच्च न्यायालय ने पश्चिम बंगाल में 2010 से कई वर्गों को दिया गया अन्य पिछड़ा वर्ग (ओबीसी) का दर्जा बुधवार को रद्द कर दिया था।

अदालत ने कहा था कि मुसलमानों के 77 वर्गों को पिछड़ा वर्ग श्रेणी की सूची में शामिल करना ‘उनके साथ वोट बैंक की तरह बर्ताव करना है।’ बनर्जी ने चुनावी रैली में अपने संबोधन में मतदाताओं से आग्रह किया कि वे ‘तृणमूल कांग्रेस को छोड़कर भाजपा या किसी अन्य पार्टी को एक भी वोट न दें ताकि विपक्षी गठबंधन ‘इंडिया’ केंद्र में सरकार बना सके।’

Gangasagar : ‘নোনা জলে করোনা হবে না’ থিওরিতে চরম কটাক্ষের মুখে মমতা সরকার

mamata banerjee drinking

করোনা আবহে কতোই না ‘থিওরি’ আবিষ্কার হয়েছে। ফ্যাক্ট চেক করতে গিয়ে বোধহয় হিমশিম খেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা৷ হয়তো অনেকের মনে পড়েছে ‘গল্পের গরু গাছে ওঠে’। যুক্তিকে থোড়াই কেয়ার! প্রসঙ্গে গঙ্গাসাগর (Gangasagar)।

এবার আলোচনায় ‘নোনা জলে করোনা’। মানে? ওমিক্রন আতঙ্কের মধ্যে এবার গঙ্গাসাগর মেলায় আয়োজনের ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টে চলেছে মামলা। আদালতে রাজ্য সরকারের আইনজীবীর যুক্তি- নোনা জলে করোনা ছড়ায় না।

নেট দুনিয়ায় এ প্রসঙ্গে হচ্ছে আলোচনা৷ নেট নাগরিকরা কেউ পক্ষে, কেউ বিপক্ষে৷ নোনা জলে করোনা প্রসঙ্গে বিজ্ঞানের কী যুক্তি? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’- জানিয়েছে, জলের করোনা ছড়ায় এমন প্রমাণ আপাতত মেলেনি। সাঁতার কাটার মতো কাজও নিরাপদে চলতে পারে। তবে বিপত্তি হতে পারে অল্প জায়গায় একাধিক ব্যক্তি উপস্থিতি। জলে থাকলেও শারীরিক দুরত্ব মেনে চলার ব্যাপারে সজাগ থাকতে বলেছে হু। এমনকি কাশি, হাঁচি ইত্যাদি ক্ষেত্রে কনুই দিয়ে মুখ ঢাকা দেওয়ার উপদেশ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মমতা-সরকারের যুক্তি কি একেবারে যথার্থ?

হু-এর পক্ষ থেকে মিষ্টি জল কিংবা নোনা জলের কথা আলাদাভাবে বলা হয়নি৷ বলা হয়েছে জলে করোনা ছড়ায় এমন প্রমাণ মেলেনি। অর্থাৎ আইনজীবীর ‘নোনা জল’ যুক্তি ফেলে দেওয়ার মতো নয়। সমস্যাটা জমায়েত নিয়ে।

ভারতবর্ষের সিংহভাগ মানুষ ধর্মের ব্যাপারে কীরূপ উৎসাহী এ কথা প্রত্যেকের জানা৷ জলে হোক বা ডাঙ্গায়, ভিড় বা জমায়েত এড়ানোই চ্যালেঞ্জ। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে সাগর এলাকার প্রত্যেকেই প্রতিষেধক পেয়ে গিয়েছেন। তাতেও কি করোনা রোধ করা সম্ভব? সম্প্রতি যারা কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের অনেকেরই ডবল ডোজ নেওয়া ছিল। তার পরেও রিপোর্ট পজিটিভ।

স্রেফ ‘নোনা জলে করোনা ছড়ায় না’ যুক্তি কি তাহলে যথার্থ? ভিড় প্রতিহত করার ব্যাপারে আদালতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার৷ প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা কি সম্ভব হবে? কুম্ভমেলা ২০২১-এর স্মৃতি চাইছেন না সাধারণ মানুষ।

WB Municipal Election: বাড়ছে করোনা, পুরভোট পিছানোর আর্জি

high court

নিউজ ডেস্ক : রাজ্যে হু হু করে বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমণ। যার ফলে এবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) পুরভোট (West Bengal Municipal Election 2022) পিছানোর আবেদন করা হল। মামলা করার অনুমতি দিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

সমাজকর্মী বিমল ভট্টাচার্য আদালতে আবেদনে জানান, রাজ্যে দিনে ৯ হাজারের বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আসন্ন পুরনির্বাচন পিছনোর আবেদন জানান। জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দেয় প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ। আগামীকাল মামলার শুনানির সম্ভাবনা।

আবেদনে বলা হয়েছে, রাজ্যে দৈনিক করোনা সংক্রমণ ৯ হাজারের বেশি। এই অবস্থায় আগামী ২২ জানুয়ারি রাজ্যের চন্দননগর (Chandannagar), বিধাননগর (Bidhannagar), শিলিগুড়ি (Siliguri) এবং আসানসোল (Asansol) পুরসভায় নির্বাচন রয়েছে। তা কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

বালি বিলের জটিলতার মধ্যেই সোমবার পুরভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা!

The pre-poll schedule was announced on Monday amid the complexity of the sand bill!

News Desk: বহু প্রতীক্ষার পর পুরভোটের বাদ্যি বেজেছে। কিছুদিন আগেই কলকাতা পুরসভার ভোট শেষ হয়েছে। এরপর রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলিতে কবে নির্বাচন করা যেতে পারে তা জানতে চেয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উত্তরে ২২ জানুয়ারি ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট করা যেতে পারে বলে জানায় নির্বাচন কমিশন। যদিও এখনও নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৭ ডিসেম্বর সরকারিভাবে ঘোষণা হতে পারে।

পুরভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করার মধ্যেই অব্যাহত বালি বিলের জটিলতা। তথ্য অনুযায়ী, পুরভোটের প্রথম দফায় রয়েছে হাওড়া এবং দ্বিতীয় দফায় রয়েছে বালি। এখানেই সৃষ্টি হচ্ছে জটিলতা। এখনও বালি বিলের রাজ্যপালের স্বাক্ষর না হওয়ার কারণে হাওড়া ও বালি আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বালি বিলের জটিলতা জিইয়ে রেখেই কি দুই পুরসভার ভোট হবে।

এদিকে সোমবার বিকেল ৪ টেয় নির্বাচন কমিশন একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করেছে। আগামীকালের বৈঠকে হাওড়া ও বালি ঘিরে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হয় নাকি সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, যেহেতু হাওড়া ও বালি এখনও দুটি আলাদা পুরসভা হয়ে উঠতে পারেনি তাই আসন্ন পুরভোট থেকে বাদ যেতে পারে হাওড়া ও বালি।

Kolkata: SSC দুর্নীতিতে মমতা সরকার ফের বিড়ম্বিত, হাইকোর্টে মামলা

নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল কলকাতা হাইকোর্টে। দুর্নীতির অভিযোগে ফের আরও একটি মামলা দায়ের হাইকোর্টে। এইবার এসএসসি গ্রুপ সি পদে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ। একই স্কুল, একই পদ,‌কিন্তু নিয়োগ প্রার্থী ২ জন, এরপরই আদালতের দ্বারস্থ প্রার্থীরা।

কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা ওঠার পরই স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে হাইকোর্টের একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কারা রেকমেন্ডেশন লেটার দিয়েছিল‌,যার সুপারিশে একই স্কুলে একই পদে দুজন প্রার্থীর চাকরি হয়; তার উত্তর এখনও পর্যন্ত সঠিকভাবে আদালতকে জানাতে পারেনি রাজ্য সরকারের এই দুই দফতর।

আবেদনকারী অরিন্দম মিত্রের আইনজীবি আশীষ কুমার চৌধুরী আদালতে জানান, ২০১৬ সালে গ্রুপ সি শূন্য পদে পদ নিয়োগের জন্য স্কুল সার্ভিস কমিশন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। ২০১৯সালের ২০ই ডিসেম্বর রেকমেন্ডেশন লেটার ইস্যু করে এসএসসি। তারই ভিত্তিতে ২০২০ সালে রাজ্যের মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে অরিন্দম মিত্রকে পূর্ব মেদিনীপুর শ্রীরামপুর এগ্রিকালচার হাই স্কুলে চাকরির নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়।

নিয়োগপত্র পেয়ে স্কুলের যোগাযোগ করা হলে স্কুল কর্তৃপক্ষ অরিন্দম বাবুকে জানান,করোনা অতিমারীর কারণে স্কুল বন্ধ রয়েছে এবং স্কুল খোলার পরে অরিন্দম বাবুকে যোগাযোগ করার কথা বলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুল খোলার পর অরিন্দম বাবু স্কুলে গেলে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানান গ্রুপ সি পদে স্কুল সার্ভিস কমিশনের মনোনীত অপর এক প্রার্থীকে নিয়োগ করা হয়েছে।‌ বারংবার স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে,জেলা স্কুল পরিদর্শক, স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং পর্ষদের কাছে লিখিত আবেদন জানানোর পরেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি তাঁরা।‌ বিষয়টি শিক্ষা দফতরের নজরে আনলেও কোন সুরাহা হয়নি।

আবেদনকারীর আইনজীবী আশীষ কুমার চৌধুরী জানান, গ্রুপ সি পদে নিয়োগে দুর্নীতির আরও একটি মামলায় আবেদনকারী অরিন্দম মিত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই মামলায় সাবিনা ইয়াসমিনের পক্ষ থেকে মামলা করা হয় কিন্তু তা প্যানেলের লাইফটাইম পার হয়ে যাওয়ার পর। সেখানে দেখানো হয়েছে আবেদনকারী অরিন্দম মিত্রকে পূর্ব মেদিনীপুরের শ্রীরামপুর এগ্রিকালচার হাইস্কুলে নিয়োগ করা হয়েছে। সেখান থেকে তিনি বেতন পাচ্ছেন। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন আবেদনকারীর আইনজীবি।

এস এস সি গ্রুপ সির এর দুর্নীতি মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৬ই জানুয়ারি। ওইদিন স্কুল সার্ভিস কমিশনকে জানাতে হবে যাঁদের নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়েছে তাঁরা তালিকাভুক্ত ছিলেন কিনা? কোন পদ্ধতিতে তাঁরা চাকরি পেলেন তাও জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

প্রাথমিক শিক্ষা সংসদকে অবস্থান জানাতে নির্দেশ হাইকোর্টের

নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ক্রমশই জলঘোলা হচ্ছে। আবেদনকারীদের বারংবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে। যার ফলে আদালত ও আবেদনকারী দুই পক্ষকেই সমানভাবে ব্যতিব্যস্ত হতে হচ্ছে। প্রথমত চাকরির নিয়োগ এর জটিলতা এর পাশাপাশি আদালত চত্বরের ঘুরপাক যার ফলে একাধিক সমস্যা জড়িয়ে পড়তে হচ্ছে আবেদনকারীদের। এই সমস্যা সমাধানের জন্য প্রাথমিক সংসদকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তাব কলকাতা হাইকোর্টের।

 

২০১৪ এর টেট পরীক্ষার আবেদনকারীদের সুবিধার্থে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সংসদের অবস্থান জানানোর প্রস্তাব দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা জানিয়েছেন, অফলাইন নয় আপনাদের সংশোধনের বিষয়টি সংসদের ওয়েবসাইটের নোটিশ দিয়ে জানাতে‌ হবে। তাহলেই সংসদের পদক্ষেপ প্রসঙ্গে আবেদনকারীরা অবগত হবেন। যার ফলে অনেক জটিলতা কেটে যাবে। আবেদনকারীদের বারংবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হবে না।”

 

আবেদন প্রার্থীদের সুবিধার্থে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা ইতিমধ্যেই সংসদকে তাদের ওয়েবসাইটে যাবতীয় তথ্য বিজ্ঞপ্তি আকারে জানানোর প্রস্তাব দিয়েছেন এমনকি এই প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে তা আগামিকালই কলকাতা হাইকোর্টকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামিকাল প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সিদ্ধান্তের ওপর ২০১৪ এর টেট পরীক্ষা সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান নির্ভর করছে।

Calcutta High Court: জলাশয় ভরাট রুখতে হাইকোর্টে মামলা, সরকার অস্বস্তিতে

court order

News Desk: রাজ্যে যথেচ্ছ পুকুর ভরাট (illegal filling) বন্ধ করতে এবার অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে কমিটি গড়ার আবেদন নিয়ে মামলা হলো হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। 

বহরমপুরের একটি প্রায় এক বিঘার পুকুর গত কয়েকদিন ধরে বেআইনিভাবে বুজিয়ে ফেলার পরিপ্রেক্ষিতেই মামলা দায়ের হয়েছে। সেখানেই বিচারপতির নেতৃত্বে কমিটির দাবি তোলা হয়েছে।

মামলাকারীর বক্তব্য, ২০১১ সালে এমনভাবে বেআইনি পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের জন্য রাজ্যকে হাই পাওয়ার কমিটি গড়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। তার পরিপ্রেক্ষিতে পরের বছর শহর ও গ্রাম অঞ্চলে প্রতিটি থানা এলাকায় ওসি, ভূমি, মৎস্য দপ্তর সহ বিভিন্ন আধিকারিকদের রেখে কমিটি গড়ার নির্দেশ দেয় রাজ্য। অভিযোগ তা কার্যকর না থাকায় যথেচ্ছ পুকুর ভরাট হচ্ছে।

প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তী মামলাটি দ্রুত শোনার আবেদন করেন। পুরসভার তরফে আইনজীবী অরিন্দম দাস ওই আবেদনের পরে পুরসভার পদক্ষেপ করবে বলে আদালতেই আশ্বস্ত করেন।

গত কয়েকদিন ধরে দিনে রাতে ট্রাকে বোঝাই আবর্জনা এনে বহরমপুরের ওই জলাশয়টি ভরাট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে তারা বলেন, এই ভাবে যাতে ভরাট না হয়, সে ব্যাপারে পুরসভা, পুলিশ, প্রশাসনকে এখনই নির্দেশ দিক আদালত। মামলাটির ৭ ডিসেম্বর শুনানির আশ্বাস দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।