सीबीआई ने भाजपा विधायक के आवास पर छापेमारी

नदिया जिला के राणाघाट में सीबीआई ने रानाघाट के विधायक पार्थोसारथी चटर्जी के आवास पर छापेमारी की है। इसके अलावा सीबीआई की दल ने उलूबेरिया नगर पालिका और इसके पूर्व सचिव अर्जुन सरकार के आवास पर छापा मारा। सीबीआई के एक अधिकारी ने बताया कि हमारे पास इन लोगों के खिलाफ राज्य में नगर पालिका भर्ती में घोटाले का सबूत है। हम दस्तावेजों की छानबीन कर रहे हैं और हमारे अधिकारी उनसे पूछताछ में लगे हुए हैं।

फिरहाद, मदन के घर पर सीबीआई की तलाशी से अभिषेक खुश: सुकान्त

sukanta mazumdar

भर्ती भ्रष्टाचार मामले में फिरहाद हकीम, मदन मित्रा के घरों पर सीबीआई की तलाशी से तृणमूल महासचिव अभिषेक बनर्जी खुश हैं. यह बात भाजपा के प्रदेश अध्यक्ष सुकांत मजूमदार ने रविवार दोपहर प्रेस कॉन्फ्रेंस में कही. उन्होंने कहा कि अगर ममता बनर्जी के साथ राजनीति करने वालों को हटा दिया जाए तो अभिषेक बनर्जी पार्टी संभालने में खुश हैं. इस दिन सुकांत ने कहा कि मुझे खबर है कि अभिषेक बनर्जी फिरहाद के घर पर सीबीआई सर्च से खुश हैं. हकीम और मदन मित्रा. ये चीजें दिखाकर वह आसानी से टीम को मैदान से बाहर भेजकर उस पर नियंत्रण हासिल कर सकते हैं।

अब तृणमूल के अंदर 2 पार्टियां बन गयी हैं. एक गुट ममता बनर्जी के साथ राजनीति करने वालों के साथ है, दूसरा अभिषेक और उनके समर्थकों के साथ है. कोई भी अभिषेक को नेता के रूप में स्वीकार नहीं करेगा यदि वह करुणा के साथ राजनीतिकरण को दूर नहीं कर सकते। इसलिए पार्टी के पोस्टर बैनर से ममता बनर्जी की तस्वीर गायब है. यहां तक कि अभिषेक के धरना मंच पर ममता का पसंदीदा नीला और सफेद रंग भी छूट गया है. इस दिन सुकांत ने सवाल उठाया, सुबह से कई घंटे से मदन, फिरहाद के घर पर सीबीआई सर्च चल रही है. अभिषेक बनर्जी मंच पर हैं. उन्होंने अभी तक जवाब क्यों नहीं दिया? क्योंकि वह मन ही मन प्रसन्न है. नियुक्ति में हुए भ्रष्टाचार की जांच के लिए रविवार सुबह 9 बजे से सीबीआई फिरहाद और मदन के अलावा राज्य के कई नगर निगमों के घरों की तलाशी ले रही है। सीबीआई का दावा है कि 2014 से अब तक 68 नगर पालिकाओं में 6000 में से 5000 नियुक्तियां फर्जी हैं.

मंत्री फिरहाद हकीम के आवास पर सीबीआई की छापेमारी

Firhad Hakim

सीबीआई ने सुबह सात बजे मेयर और राज्य निकाय मंत्री फिरहाद हकीम के घर पर छापेमारी की. रविवार सुबह सीबीआई की एक टीम फिरहाद के चेतला स्थित घर पहुंची. वे घर के अंदर तलाशी ले रहे हैं. घर के बाहर केंद्रीय बलों के हथियारबंद जवान खड़े हैं. किसी को भी अंदर जाने की इजाजत नहीं है.

उनके अनुयायी फिरहाद के घर के सामने जमा हो गए. कई लोगों ने घर के बाहर विरोध प्रदर्शन शुरू कर दिया है. केंद्र सरकार विरोधी नारे लग रहे हैं. उनका आरोप है कि राजनीतिक कारणों से सीबीआई ने हमला किया. बताया गया है कि फिरहाद घर पर है। जब उनके सुरक्षा गार्डों ने अंदर घुसने की कोशिश की तो सीआरपीएफ जवानों ने उन्हें रोक दिया. किसी को भी अंदर जाने की इजाजत नहीं थी. पूर्ण भर्ती मामले में मंत्री से घर पर ही हो सकती है पूछताछ.सीबीआई सूत्रों के मुताबिक, रविवार सुबह सात बजे केंद्रीय अधिकारी बड़ी संख्या में सीआरपीएफ जवानों के साथ निज़ाम पैलेस से निकले. सीधे फिरहाद के घर में।

दूसरी ओर, कमरहटी विधायक मदन मित्रा के भवानीपुर स्थित घर पर भी सीबीआई की टीम ने छापेमारी की. कुछ अन्य नगर पालिकाओं के चेयरमैन के घर भी सीबीआई गई। कांचरापाड़ा नगर पालिका के पूर्व चेयरमैन सुदामा राय के घर पर छापा मारा गया. सीबीआई ने हालीशहर नगरपालिका के पुर्व चेयरमैन अंशुमान राय के घर पर छापा मारा गया.

Purba Bardhaman: CBI জালে বর্ধমানের পৌরপ্রশাসক, TMC মহলে কানাকানি এবার কে?

Pranab Chatterjee

News Desk: শীত পড়েনি। হাল্কা হাল্কা গরম ভাব। তবে রাজনৈতিক হাওয়া যেন বৈশাখী লু। প্রবল উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমান জেলা রাজনৈতিক মহল। সেই উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজ্য জুড়ে। শুক্রবার চিটফান্ড মামলায় সিবিআই অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন বর্ধমানের (Bardhaman) পুর প্রশাসক প্রণব চ্যাটার্জী। তাঁর গ্রেফতারির পর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস মহলে কানাকানি এবার কার পালা ?

কলকাতা পুর নিগম ভোটের আগেই শাসকদলের কাছে চরম বিড়ম্বনা। জেলা হোক বা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা মুখ লুকোচ্ছেন। বিরোধী বিজেপি শিবিরে মুচকি হাসি। আর বামপক্ষের প্রশ্ন দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকের জমানায় এমন কি বামেদের ঘরে সিবিআই ঢুকেছে ? সবমিলে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য।

অভিযোগ চিটফান্ড সংস্থা ‘সন্মার্গ’-এ টাকা রেখে ২০১০-২০১৩ সালের মধ্যে বহুজন সর্বশ্রান্ত হয়েছেন। এই অর্থলগ্নি সংস্থা বর্ধমান শহরের তেলমারুই পাড়া এলাকার আইনজীবী বর্তমান বর্ধমান পুরস্কার বর্তমান চেয়ারপার্সন প্রণব চ্যাটার্জীর বাড়িতে অফিস ভাড়া নিয়েছিল। CBI প্রতিনিধি দল প্রণব বাবুর বাড়িতে আসে। প্রণব চ্যাটার্জীর স্ত্রী রেখা চ্যাটার্জী জানান,CBI টিম এসে বাড়িটি ঘুরে দেখে এবং কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করে চলে যায়।

পরিস্থিতি মোড় নেয় প্রনববাবুকে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে নিয়ে যাওয়ায়। সিবিআই আদালত তাঁকে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়। এর পরেই রাজ্য জুড়ে শোরগোল।

পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ, জনসমর্থন হারিয়ে বিজেপি সিবিআই গেম খেলছে। তবে বিজেপির তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

Netai Mass Killing: নেতাই গণহত্যার CBI তদন্তের গতি নিয়েই প্রশ্ন হাইকোর্টে

Netai killing

News Desk: নেতাই (Netai mass killing) গুলি চালানো ঘটনায় CBI তদন্তের রিপোর্ট তলব করল হাই কোর্ট। আগামী ১৪,ফেব্রুয়ারির মধ্যেই রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

রাজ্যে বাম জমানায় মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সময় পশ্চিম মেদিনীপুর জুড়ে আইন শৃঙ্খলা একেবারেই প্রশাসনের হাতের বাইরে চলে গিয়েছিল। জঙ্গলমহলে মাওবাদী হামলায় বহু বাম কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু যেমন হয়, তেমনই সিপিআইএমের বিরুদ্ধে উঠেছে নেতাই গণহত্যার মতো অভিযোগ।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি পশ্চিম মেদিনীপুরের লালগড় ব্লকের নেতাই গ্রামে গুলিতে ৯ জনের মৃত্যু হয়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় জঙ্গলমহলের দাপুটে সিপিআইএম নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষের নাম জড়ায়। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রথম থেকেই।

নেতাই গ্রামে মাওবাদীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন এলাকাবাসী এমনই পাল্টা দাবি উঠতে থাকে। সবমিলে নেতাই গণহত্যা তীব্র বিতর্কিত। রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার তৈরি হলে নেতাই গণহত্যার বিচার হবে বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সরকারের আমলে নেতাই তদন্ত কতদূর তা নিয়েই প্রশ্ন তুলল আদালত।

গণহত্যার অভিযোগে হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সিবিআই তদন্ত ও মৃত এবং আহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দাবিতে মামলা হয়। রাজ্য ক্ষতিপূরণ দেয়। হাইকোর্টের নজরদারিতে সেই মামলা এখনও চলছে। চার্জসিট জমা পড়লেও এখনও অভিযুক্তরা সাজা পায়নি। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআইকে তদন্ত ও বিচারের অগ্রগতি নিয়ে রিপোর্ট তলব করেন।

SSC: গ্রুপ ডি নিয়োগে দুর্নীতিতে CBI তদন্ত, কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরনোর সম্ভাবনা

SSC

News Desk: ফের সিবিআই। ফের কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বের হওয়ার আশঙ্কা সরকারের ঘরে। কী হবে তদন্তে? প্রবল চাপে রাজ্য সরকার। এসএসসি গ্রুপ ডি নিয়োগে দুর্নীতির মামলায় আদালতে টানা সওয়াল জবাবের পর সিবিআই তদন্তে শিলমোহর পড়তেই রাজনৈতিক মহল সরগরম।

২০১৯ সালে গ্রুপ ডি অর্থাৎ চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত প্যানেলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও প্রচুর নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। তার ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয় আদালতে। সেই মামলায় সিবিআই তদন্ত করবে জানাল আদালত। রাজ্য সরকার সবরকম ভাবে তাঁদের সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

CBI-Office

আদালতের নির্দেশে সিবিআই ৫ জন কে নিয়ে কমিটি করবে। কলকাতা সিবিআই ডি আই জি পদমর্যাদার আধিকারিকের নেতৃত্বে কমিটি গঠন হবে।

এসএসসির পক্ষে আইনজীবী কিশোর দত্ত আবেদন করেন, অন্য কোনও এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করানো হোক। বিচারপতি বলেন আমি রাজ্যের কোনও তদন্তকারী সংস্থা দিয়ে তদন্তে ভরসা পারছি না।

আমাদের জনগণের স্বার্থ দেখতে হবে। মিস্ক্রেন্ট এর কোনও রং হয় না। তারা সুবিধাবাদি সেই মত রং চেঞ্জ করে। আমি চাই সেই মিস্ক্রিন্ট দের বের করে চিহ্নিত করতে।

CBI-ED ডিরেক্টরের মেয়াদ বৃদ্ধির অর্ডিন্যান্সকে চ্যালেঞ্জ

mahua moitra

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সিবিআই এবং ইডির মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র (mahua moitra)। নিজের টুইটার হ্যান্ডলে মহুয়া সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানানোর কথা জানিয়েছেন।

তিনি লিখেছেন, সিবিআই (cbi) এবং ইডির (ed) ডিরেক্টরের মেয়াদ বৃদ্ধি করতে নরেন্দ্র মোদি সরকার যে অর্ডিন্যান্স জারি করেছে সেই অর্ডিন্যান্সকে চ্যালেঞ্জ করে আমি সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন করেছি। কারণ মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের পরিপন্থী।

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই সিবিআই এবং ইডির ডিরেক্টরের কার্যকালের মেয়াদ দুই বছর থেকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করেছে মোদি সরকার।

দিল্লি স্পেশাল পুলিশ এস্টাবলিশমেন্ট অ্যাক্ট এবং সেন্ট্রাল ভিজিলান্স কমিশন অ্যাক্ট অনুযায়ী সিবিআই ও ইডির আধিকারিকদের কার্যকালের মেয়াদ ছিল দু’বছর। তাই ওই আইন সংশোধন করতেই মোদি সরকার অধ্যাদেশ জারি করে। কিন্তু সেই অধ্যাদেশকে সুপ্রিম কোর্টে (supreme court) চ্যালেঞ্জ জানালেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া। এ ব্যাপারে তিনি শীর্ষ আদালতের পূর্ববর্তী একটি রায়কে হাতিয়ার করেছেন।

D Director Sanjay Kumar Mishra

মহুয়া বলেন, ২০১৯ সালে ইডির ডিরেক্টর সঞ্জয় কুমার (sanjay kumar mishra) মিশ্রের দু’বছরের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়েছিল। ওই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সঞ্জয়ের কার্যকালের মেয়াদ আরও একবছর বাড়ানো হয়েছিল। সে সময় কেন্দ্রের ওই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া এক মামলায় শীর্ষ আদালত রায় দিয়েছিল, নতুন করে আর সঞ্জয় কুমারের মেয়াদ বাড়ানো যাবে না। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সেই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নতুন করে ফের সিবিআই ও ইডি আধিকারিকর মেয়াদ বাড়ানোর ব্যবস্থা করেছে মোদি সরকার।

যা কার্যত আদালত অবমাননার সামিল। অর্থাৎ মোদি সরকার সুপ্রিম কোর্টকেও গ্রাহ্য করছে না। সে কারণেই মহুয়া কেন্দ্রের ওই অর্ডিন্যান্সকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন। মহুয়া তথা তৃণমূল শিবিরের অভিযোগ, মোদি সরকার নিজেদের রাজনৈতিক আখের গোছাতেই সিবিআই, ইডি-সহ অন্য কেন্দ্রীয় সংস্থার ডিরেক্টরদের কার্যকালের মেয়াদ বাড়িয়েছে। যদিও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এড়াতে সিবিআই, ইডির মত কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির প্রধানদের কার্যকালের মেয়াদ দু’বছর করা হয়েছিল। কিন্তু মোদি সরকার তা মানতে রাজি নয়। উল্লেখ্য, শুধু সিবিআই ডিরেক্টর নয় গোয়েন্দা বিভাগ বা আইবির প্রধান, র এর প্রধানের কার্যকালের মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে। মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব ও প্রতিরক্ষা সচিবেরও।

<

p style=”text-align: justify;”>এরই মধ্যে অর্ডিন্যান্স জারির তিনদিনের মধ্যেই বিতর্কিত আধিকারিক সঞ্জয় কুমারের চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে দিল মোদি সরকার। বৃহস্পতিবারই ইডির ডিরেক্টর পদে সঞ্জয় কুমার মিশ্রের চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। গত বছরও একইভাবে তাঁর চাকরির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছিল।

সিবিআই ও ইডির শীর্ষ আধিকারিকদের চাকরির মেয়াদ বাড়ল

D Director Sanjay Kumar Mishra

News Desk: চাকরির মেয়াদ বাড়ল সিবিআই ও ইডির শীর্ষ আধিকারিকদের। এতদিন সিবিআই বা ইডির মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ডিরেক্টরদের চাকরির মেয়াদ ছিল ২ বছর। নরেন্দ্র মোদি (narendra modi) সরকার একধাক্কায় সেই মেয়াদ বাড়িয়ে করল ৫ বছর। রবিবার কেন্দ্র এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে দুটি আলাদা আলাদা অর্ডিন্যান্সও জারি করা হয়েছে। দুটি অর্ডিন্যান্সেই রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সই করেছেন।

রবিবার কেন্দ্রের জারি করা অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সিবিআই (cbi) এবং ইডির (ed)আধিকারিকদের নির্ধারিত দু’বছরের মেয়াদ শেষে তা আরও একবছর করে তিনবার বাড়ানো যেতে পারে। অর্থাৎ সবচেয়ে বেশি পাঁচ বছর সিবিআই এবং ইডির আধিকারিকরা ওই পদে থাকতে পারবেন। তবে, ওই দুই তদন্তকারী সংস্থার শীর্ষপদে কারও মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হয়ে গেলে তা কোনওভাবেই আর বাড়ানো হবে না। তবে ওই অধ্যাদেশে (ordinance) বলা হয়েছে, একমাত্র জনস্বার্থে ইডি এবং সিবিআইয়ের শীর্ষ আধিকারিকদের মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে। কেন কারণ বাড়ানো হল, তাও লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

CBI-Office

সম্প্রতি ইডির ডিরেক্টর সঞ্জয়কুমার মিশ্রর (sanjay kumar mishra) মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ২০১৮ সালে সঞ্জয়কে দু’বছরের জন্য নিয়োগ করেছিল মোদি সরকার। ২০২০-র নভেম্বরে তাঁর মেয়াদ একবছর বাড়িয়ে দেয় মোদি সরকার। যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও হয়। মামলাকারীরা প্রশ্ন তোলেন কেন এভাবে সঞ্জয় মিশ্রর মেয়াদ বাড়ানো হল?

ওই প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্র জানায়, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত শেষ করতেই মিশ্রর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। কেন্দ্রের বক্তব্য মেনে নিয়ে শীর্ষ আদালতও (Supreme Court) জানায়, বিরল এবং ব্যতিক্রমী ঘটনার ক্ষেত্রে সিবিআই বা ইডির আধিকারিকদের মেয়াদ বাড়ানো যেতেই পারে। তবে, সেটা শুধু বিরল এবং ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। তবে ব্যতিক্রমী ঘটনা হলেও কোনও আধিকারিকের মেয়াদ ১ বছরের বেশি বাড়ানো যাবে না। শীর্ষ আদালতের সেই রায়ের পর এবার কেন্দ্র সরাসরি অর্ডিন্যান্স জারি করে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের মেয়াদ বাড়িয়ে দিল।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে ইডির ডিরেক্টর সঞ্জয়কুমার মিশ্রর মেয়াদ বাড়াতেই এই অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়েছে। সঞ্জয় কুমার মোদির কাছের লোক বলেই পরিচিত। এখন দেখার সঞ্জয়কুমারের মেয়াদ বাড়ানো হয় কিনা। ১৭ নভেম্বর সঞ্জয় কুমার মিশ্র-র মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে এই অধ্যাদেশ আনা হল। মনে করা হচ্ছে সঞ্জয় কুমারকে যাতে তাকে আরো এক বছর ওই পদে রাখা যায় তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত।

<

p style=”text-align: justify;”>প্রসঙ্গত, বিরোধীরা একাধিকবার নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে ইডি এবং সিবিআইকে রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলছে। বিরোধীদের দাবি, মোদি সরকার রাজনৈতিক প্রতিহংসা মেটাতেই সিবিআই, ইডির মতো বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে। এরই মধ্যে হঠাৎই এই দুই সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকদের মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বিরোধীদের হাতে নতুন অস্ত্র তুলে দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালের আগে সিবিআই ডিরেক্টরদের মেয়াদ নির্ধারিত ছিল না এবং সরকার যে কোনও কারণে তাঁদের অপসারণ করতে পারতো। ভিনীত নারায়ন বনাম ভারত সরকারের মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট সিবিআই ডিরেক্টরকে স্বাধীনভাবে কাজ করার অনুমতি দেওয়ার জন্য ন্যূনতম দুই বছরের মেয়াদ নির্ধারণ করেছিল।

উত্তরপ্রদেশে ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনায় ৬ পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের সিবিআইয়ের

UP-Police

News Desk: সেপ্টেম্বর মাসে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের হোটেলে মণীশ গুপ্তা নামে এক ব্যবসায়ীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, ওই ব্যবসায়ীকে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের কয়েকজন কর্মী পিটিয়ে খুন করেছে। ব্যবসায়ী মণীশ গুপ্তার মৃত্যু নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়। এরপরেই অভিযুক্ত ৬ পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সেই ছয় পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে এবার খুনের মামলা দায়ের করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই।

রাজ্য জুড়ে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে যোগী সরকার মণীশ গুপ্তা হত্যা মামলার তদন্তের ভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তের পর সিবিআই ওই ছয় পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করায় বিষয়টি চাঞ্চল্যকর মোড় নিল বলেই মনে করা হচ্ছে।

ওই ব্যবসায়ী খুনের পর বিরোধীরা অভিযোগ করেছিল, মুখ্যমন্ত্রী যোগী দোষীদের আড়াল করছেন। মৃতের পরিবার স্পষ্ট জানায়, ৬ পুলিশ কর্মী মণীশকে পিটিয়ে খুন করেছে। এমনকী, গুরুতর জখম মণীশকে ঠিক সময়ে তারা হাসপাতালেও নিয়ে যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও মাণীশের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন মেলে।

ওই ঘটনার কিছুদিন পরেই আম আদমি পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং একটি ভিডিওয়ো পোস্ট করেছিলেন । ওই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছিল, গোরক্ষপুরের জেলাশাসক বিজয়কিরণ আনন্দ মৃত ব্যবসায়ীর পরিবারকে মামলা না করার জন্য অনুরোধ করছেন। শুধু জেলাশাসক নন, জেলার পুলিশ সুপারও মৃতের স্ত্রীকে একইভাবে মামলা তুলে নেওয়ার কথা বলছেন ওই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই যোগী সরকারের ওপর আরও চাপ বাড়ে।

ওই ব্যবসায়ীর পরিবারের চাপ বিরোধীদের হই হট্টগোলের কারণে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করেছিল যোগী সরকার। আর কয়েক মাস পরেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। বিরোধীদের মুখ বন্ধ করতে যোগী সরকার তড়িঘড়ি ৬ পুলিশকর্মী সাসপেন্ড করে। কিন্তু তাতেও বিরোধীদের মুখ বন্ধ না হওয়ায় ওই খুনের মামলার তদন্তভার সিবিআইকে দেন যোগী। মণীশ গুপ্তা খুনের তদন্তভার হাতে নিয়ে প্রাথমিক তদন্তের পরই সিবিআই ছয় পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করল।

আইকোর মামলায় এবার স্বপুত্র মদনকে তলব করল সিবিআই

নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের দুই মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মানস ভুঁইয়ার পর আইকোর মামলায় এবার মদন মিত্রকে তলব করল সিবিআই। যদিও একা মদন নয়, তাঁর বড় ছেলে স্বরূপ মিত্রকেও একই মামলায় তলব করা হয়েছে। আইকোর মামলায় আগে ইডি-র জেরার মুখোমুখি হয়েছিলেন স্বরূপ।

আরও পড়ুন ‘এক ভাঁড় ১৫ লক্ষ টাকা’, মোদীকে ঠুঁকলেন চা-বিক্রেতা মদন

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, আজই মদন মিত্রকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার হাজিরা দিতে বলা হয়েছে মদন-পুত্র স্বরুপ মিত্রকে। যদিও কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক আজ সিজিও-তে যাবেন কিনা তা এখনও জানা যায়নি। মদন জানিয়েছেন, ‘‘এখনও পর্যন্ত সিবিআই এর তরফ থেকে কোনও নোটিস আমি পাইনি। নোটিস পেলে তদন্তে সহযোগিতা করব।” 

আরও পড়ুন কয়লাকাণ্ডে ইডির জেরা শেষে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক

আইকোর কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে একটি ভিডিয়ো ফুটেজ এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে,সংস্থার কর্ণধার অনুকূল মাইতির সঙ্গে একটি অনুষ্ঠান মঞ্চে হাজির রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপরই রাজ্যের দুই মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মানস ভুঁইয়াকে তলব করেছিল সিবিআই। কিন্তু পার্থ সিবিআই-কে জানিয়েছিলেন, ভবানীপুর উপনির্বাচনের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না। এর পর সিবিআই আধিকারিকরা শিল্প দফতরে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন পার্থকে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে রাজ্যের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়াকেও। খাদ্য ভবনে গিয়ে তাঁকে জেরা করে সিবিআই গোয়েন্দারা।

কয়লাকাণ্ডে দিল্লির ডাক: অমিত শাহকে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ ত্রিপুরা ‘দখল করব’

Abhishek Banerjee

নিউজ ডেস্ক: একই দিনে সমন ও পাল্টা হুমকির খেলায় কলকাতা-নয়াদিল্লি-আগরতলা সব একাকার। শনিবারই তৃণমূল (TMC) কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) কয়লা কাণ্ডে সস্ত্রীক সমন পেয়েছেন। দিল্লিতে ইডি তলব করেছে।

পশ্চিমবঙ্গে শাসক তৃণমূলের কাছে এটা বড় অস্বস্তির। এর পরেই টিএমসি সাধারণ সম্পাদকের হুঁশিয়ারি, “ত্রিপুরায় (Tripura) তৃণমূল পা রাখতেই বিজেপির (BJP) পা কাঁপতে শুরু হয়েছে। ওখান থেকে মুছে যাবে বিজেপি। ত্রিপুরা ছাড়াও অসম বা অন্য যে সব জায়গায় বিজেপি আছে সব জায়গা থেকে তাদের উৎখাত করা হবে।” হুঙ্কার অভিষেক বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের।

কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি) প্রতিষ্ঠাতা দিবসে অভিষেকের হুঁশিয়ারিতে আগরতলায় পড়ে গেল শোরগোল। কারণ এর আগেও আগরতলা গিয়ে সরাসরি তিনি বলেছিলেন চাইলে যে কোনও সময় ত্রিপুরার বিজেপি জোট সরকার ফেলে দিতে পারেন।

এবার সরাসরি ত্রিপুরা দখলের বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক। একইসঙ্গে তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “আমি অমিত শাহকে চ্যালেঞ্জ করছি- ক্ষমতা থাকলে তৃণমূলকে রুখে দেখাও।”

তাৎপর্যপূর্ণ শনিবারই কয়লা পাচার কাণ্ডে দিল্লিতে জেরার মুখোমুখি হতে ডাক পেয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক। এদিনই তিনি অমিত শাহকে হুঁশিয়ারি দিলেন। দিল্লি ও কলকাতার রাজনৈতিক হাওয়া গরম হয়েছে এই কারণে।

অন্যদিকে আগরতলা সরগরম। সূত্রের খবর, ত্রিপুরার রাজনৈতিক ছক বদলানোর কাণ্ডারী বর্তমান বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায়বর্মণ কলকাতায় এসে তৃণমূল শিবিরের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি গত বিধানসভা ভোটের আগে আগে কলকাতায় এসে ত্রিপুরার তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেসকে শূন্য করেছিলেন। সবাই টিএমসিতে যোগ দেন। পরে তারা সবাই বিজেপিতে চলে যান। ত্রিপুরায় গত বিধানসভা নির্বাচনে সে রাজ্যে টানা ২৫ বছরের বাম শাসনের অবসান হয়। ক্ষমতায় বিজেপি আইপিএফটি জোট।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার সরকার ধরে রেখেছে টিএমসি। তৃতীয়বার জয়ের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ত্রিপুরা দখলের জন্য দলনেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন। টি়এমসি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা দিয়েছিলেন, রাজ্যের বাইরে সংগঠনকে প্রতিষ্ঠা করবেন তিনি। ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা ও অসমে সংগঠন বিস্তারে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তিনি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও যেভাবে দলে দলে মানুষ ত্রিপুরার রাস্তায় তৃণমূলের মিছিলে সামিল হয়েছেন তাতে স্পষ্ট আগামীদিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় পা রাখলে জনস্রোতের বন্যা বইবে। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অভিষেক বলেন, যতদিন ভারতবর্ষের মাটি থেকে বিজেপির বিদায় ঘন্টা না বাজছে, ততদিন আন্দোলন চলবে।

পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর করোনা আবহে ভার্চুয়ালি পালিত হচ্ছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস। এদিন ভার্চুয়ালি দলের যুব কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিজেপিকে কড়া বার্তা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় বিজেপিকে রুখে দেওয়ার পরে এবার দেশের অন্যান্য রাজ্য থেকেও পদ্ম শিবিরকে মুছে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন অভিষেক। সরাসরি তিনি নিশানা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় ডায়মন্ডহারবারের সাংসদকে। বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মাটিতে পরাস্ত হয়েছে বিজেপি। তারপর থেকেই রাজ্যের বাইরে সংগঠন মজবুত করতে সক্রিয় হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।