देश की मध्यस्थता व्यवस्था पर रिटायर्ड जजों का कब्जा है : धनखड़

उपराष्ट्रपति जगदीप धनखड़ ने शनिवार को एक कार्यक्रम के दौरान कहा कि रिटायर्ड जजों ने देश की मध्यस्थता व्यवस्था को अपनी मुट्ठी में किया हुआ है। उपराष्ट्रपति ने कहा कि अन्य योग्य लोगों को यहां मौके नहीं दिए जा रहे हैं। अब समय आ गया है, जब हमें आत्म अवलोकन करने की जरूरत है और जरूरी बदलाव करने की जरूरत है और अगर जरूरत पड़े तो कानून बनाकर ये बदलाव किए जाएं। उन्होंने कहा कि ‘मैं इसके लिए उन्हें (मुख्य न्यायाधीश) सलाम करता हूं। उन्होंने कहा कि अन्य योग्य उम्मीदवार नजरअंदाज कर दिए जाते हैं और ओल्ड बॉयज क्लब मानसिकता मध्यस्थता व्यवस्था पर हावी है।’

उपराष्ट्रपति ने कहा कि सीजेआई का यह बयान लंबे समय तक याद रखा जाएगा और इससे मध्यस्थता प्रक्रिया में मजबूती आएगी। भारत में पर्याप्त संख्या में योग्य लोग हैं लेकिन मध्यस्थता व्यवस्था में उन्हें नहीं चुना जाता। उन्होंने कहा कि एक व्यक्ति इस देश की न्यायपालिका में बड़े बदलाव कर रहा है और वो हैं देश के मुख्य न्यायाधीश। दरअसल कार्यक्रम में सीजेआई डीवाई चंद्रचूड़ भी मौजूद रहे और उन्होंने अपने संबोधन में कहा कि मध्यस्थता व्यवस्था में विविधता की कमी है और रिटायर्ड जज इस क्षेत्र पर दबदबा बनाए हुए हैं।

Ex Chief Justice Ranjan Gogoi: প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস তৃণমূলের

Chief Justice Ranjan Gogoi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: গত সপ্তাহে প্রকাশ হয়েছে দেশের শীর্ষ আদালতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের (Ex Chief Justice Ranjan Gogoi) আত্মজীবনী ‘জাস্টিস ফর জাজ, অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’। ইতিমধ্যেই সেই বইয়ের প্রমোশনে বিভিন্ন সময়ে সংবাদমাধ্যমের (news media) সঙ্গে কথা বলছেন গগৈ।

এমনই এক আলোচনা চক্রে গগৈ তৃণমূল (trinamul congress) কংগ্রেস-সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির বিরুদ্ধে অসম্মানজনক মন্তব্য করেছেন, এমনই অভিযোগ করল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে শুধু অভিযোগ করাই নয়, বিতর্কিত ওই মন্তব্যের জেরে সোমবার (monday) গগৈয়ের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিস দিল তৃণমূল। একই সঙ্গে দুই তৃণমূল সাংসদ জহর সরকার ও মৌসম বেনজির নূর সংসদের এপিক কমিটির কাছে গগৈয়ের বিরুদ্ধে একটি চিঠিও দিয়েছেন।

সোমবার সংসদের অধিবেশন শুরু হলে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে এই স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগটি আনা হয়। জানা গিয়েছে, গগৈয়ের এই আপত্তিকর মন্তব্যের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সহমত হয়েছে কংগ্রেস এবং আরও বেশ কয়েকটি বিরোধীদল। আপাতত তৃণমূল কংগ্রেস গগৈয়ের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের প্রস্তাব আনলেও আগামী দিনে সব বিরোধী দল একযোগে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদের বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের প্রস্তাব আনতে পারে এমনটাই খবর।

তবে গগৈয়ের আত্মজীবনী নিয়ে এর আগেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল বইয়ের একটি ছবি ও ক্যাপশন নিয়ে। অযোধ্যা মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেছিল। সেই বেঞ্চের সদস্যদের একটি ছবি আছে গগৈয়ের বইয়ে। ওই ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, অযোধ্যা রায়ের পরে একটু আনন্দ। একই সঙ্গে ওই ঘটনা নিয়ে লিখতে গিয়ে গগৈ জানিয়েছেন, অযোধ্যা মামলার রায় যেদিন দিয়েছিলেন সেদিন সন্ধ্যায় তাঁরা দিল্লির এক হোটেলে গিয়ে চিনা খাবার খেয়েছিলেন এবং মদ পান করেছিলেন।

বিতর্কিত ও ঐতিহাসিক ওই রায় ঘোষণার পর প্রধান বিচারপতির এই উৎসব পালন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলেছেন, এত বড় একটা ঘটনার পর বিচারপতি মদ খাচ্ছেন সেটা ফলাও করে লেখা কি খুব গর্বের? এই অভিযোগের উত্তরে গগৈ পাল্টা বলেছেন, কোন উৎসব পালনের জন্য তাঁরা সেদিন হোটেলে গিয়ে নৈশভোজ করেননি। বেঞ্চের প্রত্যেক সদস্য কয়েক মাস ধরে কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। তাই চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পর তাঁদের মনে হয়েছিল বুক থেকে একটা ভারি বোঝা নেমে গিয়েছে। এবার একটু বিশ্রাম নেওয়া দরকার। সে কারণেই তাঁরা হোটেলে গিয়ে খাবার খেয়েছিলেন। যারা সমালোচনা করছেন তাঁরা কি কেউ কখনও বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে গিয়ে হোটেলে খাবার খান না, বলে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন গগৈ। গগৈয়ের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে অনেকেই বলেছেন, যে পক্ষ হেরে গিয়েছে তাদের কাছে এই ঘটনাটি কেমন লাগবে সেটা কি গগৈ কখনও ভেবে দেখেছেন?

Ranjan Gogai: রামমন্দির মামলার রায় দেওয়ার পর মদ পান করেছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি

ex Chief Justice ranjan gogai

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর (November) দেশের বহু চর্চিত রাম মন্দির বাবরি মসজিদ (Ram temple- Babri mosque) মামলার রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের (Ranjan Gogai) নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ।

অবসর নেওয়ার দিন কয়েক আগে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের সেটাই ছিল কোনও মামলার চূড়ান্ত রায় দান। সম্প্রতি নিজের কর্ম জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে একটি বই লিখেছেন গগৈ। ‘জাস্টিস ফর দ্য জাজ’ নামে গগৈয়ের ওই আত্মজীবনীতে উঠে এসেছে তাঁর কর্মজীবনের বহু না জানা তথ্য। যার মধ্যে অন্যতম রাম মন্দির বাবরি মসজিদ মামলার রায়।

২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর দেশের সবচেয়ে আলোচিত এই মামলার রায় দেওয়ার পর প্রধান বিচারপতি কী করেছিলেন তা জানলে অবাক হতে হয়। গগৈ তাঁর আত্মজীবনীতে লিখেছেন বহু আলোচিত রাম মন্দির মামলার রায় দানের পর তিনি দিল্লির একটি হোটেলে গিয়ে মদ্যপান করেছিলেন। তবে শুধু তিনি একা নন, তাঁর সঙ্গে ডিভিশন বেঞ্চে থাকা আরও চার বিচারপতিও সেদিন ওই হোটেলে মদ্যপান করেছিলেন।

গগৈ আত্মজীবনীতে জানিয়েছেন, ৯ সেপ্টেম্বর গুরুত্বপূর্ণ ওই মামলার রায় ঘোষণার পর সুপ্রিম কোর্টের সচিব তাঁদের এক নম্বর কোর্টের বাইরে অশোক চক্রের নিচে ফটোসেশনের আয়োজন করেছিলেন। সন্ধ্যায় তিনি ডিভিশন বেঞ্চে থাকা অপর চার বিচারপতি কে নিয়ে গিয়েছিলেন তাজ মানসিং হোটেলে। সেখানেই তাঁরা প্রথমে চাইনিজ খাবার খেয়েছিলেন। এরপর সেখানে থাকা সবথেকে দামি মদ বেছে নিয়েছিলেন পান করার জন্য। গগৈ নিজে সবচেয়ে পুরনো বোতলটি বেছেছিলেন। নিজে পান করার সঙ্গে সঙ্গে বেঞ্চের অপর বিচারপতিদেরও মদ্যপান করিয়েছিলেন তিনি। গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন ওই সাংবিধানিক বেঞ্চের অপর বিচারপতিরা ছিলেন বিচারপতি এস এ বোবদে, বিচারপতি অশোক ভূষণ, বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি আবদুল নাজির।

উল্লেখ্য, রাম মন্দির মামলার রায় ঘোষণার পরই প্রধান বিচারপতির পদ থেকে অবসর নিয়েছিলেন গগৈ। তারপর শুরু হয় তাঁর নতুন পথ চলা। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ তাঁকে রাজ্যসভায় মনোনীত সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করেন। যদিও গগৈয়ের এই মনোনয়ন নিয়ে দেশজুড়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি প্রবল সমালোচনা শুরু করে। বিরোধীরা দাবি করে, রাম মন্দির মামলার রায় ঘোষণার পুরস্কার হিসেবে গগৈকে রাজ্যসভায় এনেছে মোদি সরকার।

ইংরেজি ভাষা শেখা নিয়ে কী বললেন দেশের প্রধান বিচারপতি

nv ramana

News Desk: শনিবার দিল্লির দূষণ নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে (supreme court)। এদিন শুনানি চলাকালীন দেশের প্রধান বিচারপতি (chief justice) এনভি রামান্না (nv ramanna) এবং সলিসিটর (solicitor general) জেনারেল তুষার মেহতার মধ্যে হালকা মেজাজে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা হয়।

সে সময়ে ইংরেজি (english) ভাষা শেখা নিয়ে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। বর্তমান প্রধান বিচারপতি রামান্না অন্ধপ্রদেশের (andhrapradesh) বাসিন্দা। সেখানেই তাঁর বেড়ে ওঠা। স্কুলের প্রথম পাঠ। সুপ্রিম কোর্টে অর্থাৎ পেশার তাগিদে রামান্নাকে সবসময় ইংরেজিতে কথা বলতে হয়। অনর্গল ইংরেজিতে কথা বলতেই তিনি অভ্যস্ত।

কিন্তু দেশের প্রধান বিচারপতির ইংরেজির সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল অষ্টম শ্রেণীতে ওঠার পর। অর্থাৎ সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত তিনি ইংরেজি অক্ষর টুকুও চিনতেন না। সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া শিখেছেন সম্পূর্ণ তেলুগু (telegu) মাধ্যমে।

রামান্নার বক্তব্য শেষ হতে পাল্টা বক্তব্য রাখেন সলিসিটর জেনারেল। মেহতাও প্রায় একই কথা বলেন। সলিসিটর জেনারেল বলেন, সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত তিনি কখনও ইংরেজি পড়েননি। সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা পুরোটাই করেছিলেন গুজরাতি (gujrati) ভাষায়। অষ্টম শ্রেণীতে ওঠার পরই তিনি প্রথম ইংরেজি চর্চা শুরু করেন।

প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, তিনি আদৌ সুবক্তা নন। কারণ তিনি ভাল করে ইংরেজি বলতে পারেন না। এটা তাঁর একটা খারাপ দিক। যদিও রামান্নার ইংরেজি ভাষণ যথেষ্টই সাবলীল এবং আকর্ষণীয়। প্রধান বিচারপতি এবং দেশের সলিসিটর জেনারেল দুজনেই জানিয়েছেন, তাঁরা আইন নিয়ে পড়াশোনাটা অবশ্য সম্পূর্ণ ইংরেজীতেই করেছেন।

রামান্নার বক্তব্য শেষ হতেই হেসে ওঠেন সলিসিটর জেনারেল। তিনি বলেন, এতদিন আমি জানতাম না যে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে লেখাপড়া শেখার ব্যাপারে আমার এত মিল আছে। দিল্লি দূষণ নিয়ে অত্যন্ত গুরুগম্ভীর আলোচনার মাঝে প্রধান বিচারপতি ও সলিসিটর জেনারেলের এই হালকা চালে কথাবার্তা পরিবেশকে কিছুটা হলেও হালকা করে।

লখিমপুরের ঘটনার তদন্তকে কি আপনারা ছেলেখেলা মনে করছেন, যোগী সরকারকে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

Lakhimpurkheri

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরির ঘটনায় উত্তর প্রদেশ সরকারকে ফের তীব্র ভৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। ৩ অক্টোবর লখিমপুরে ৪ কৃষক সহ ৮ জনের মৃত্যু নিয়ে উত্তর প্রদেশ সরকারের তদন্তে শীর্ষ আদালত যে খুশি নয় সে কথা আগেই জানিয়েছে। এবার লখিমপুরের ঘটনায় রিপোর্ট জমা দিতে দেরি করায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল সর্বোচ্চ আদালত। বুধবারের শুনানিতে শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ উত্তরপ্রদেশ সরকারকে লক্ষ্য করে বলে, “দয়া করে এবার আপনারা পা ঘষে চলার অনুভূতিটা বাদ দিন।”

৩ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশের লখিমপুরে আন্দোলনরত কৃষকদের উপর বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশিস মিশ্র গাড়ি চালিয়ে দেওয়ায় ৪ কৃষক সহ ৮ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় জনস্বার্থ মামলার দ্বিতীয় দিনের শুনানি ছিল বুধবার।

এদিন শুনানি শুরু হলে লখিমপুরের ঘটনার রিপোর্ট দেরিতে জমা দেওয়ার জন্য শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ উত্তরপ্রদেশ সরকারকে তীব্র ভৎসনা করে। প্রধান বিচারপতি এনভি রামান্না বলেন, “আমরা রিপোর্টের জন্য মঙ্গলবার রাত ১টা অবধি অপেক্ষা করেছি। কিন্তু কোনও রিপোর্টই জমা পড়েনি। আপনারা কি বিষয়টাকে ছেলেখেলা মনে করছেন। ” বিচারপতি হিমা কোহলি বলেন, “আমাদের মনে হচ্ছে আপনারা পা ঘষে চলছেন। দয়া করে এই মনোভাব ছাড়ুন।”

প্রধান বিচারপতির প্রশ্নের জবাবে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের আইনজীবী হরিশ সালভে বলেন, বুধবার এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। সালভের ওই বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গেই প্রধান বিচারপতি ফের প্রশ্ন করেন, “যদি শুনানি শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট আগে আপনারা রিপোর্ট জমা দেন, তবে আমরা ওই রিপোর্ট কীভাবে পড়ব? শুনানির অন্তত একদিন আগে রিপোর্ট জমা দেবেন, এটা তো আশা করা যায়। আমরা তো মুখ বন্ধ খামে রিপোর্ট চাইনি।” রিপোর্ট জমা দিয়ে আইনজীবী সালভে শুক্রবার শুনানির জন্য আবেদন জানান। প্রধান বিচারপতি অবশ্য সাফ জানিয়ে দেন, তাঁরা আজই রিপোর্ট পড়বেন। ২৬ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

ওই দিন রাজ্য সরকারকে ফের একটি রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতি রামান্নার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। শীর্ষ আদালত তার নির্দেশে জানিয়েছে, লখিমপুরের ঘটনায় কাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, এবং কী কারণে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ওই রিপোর্টে জানাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সমস্ত সাক্ষীদের বয়ান রেকর্ড করার নির্দেশও দিয়েছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে বেঞ্চ বলেছে, “এটা যেন কোনও অসমাপ্ত গল্পে পরিণত না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন।”

এদিন শুনানি চলাকালীন শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে জানতে চায়, “লখিমপুরের ঘটনায় আপনারা বলেছিলেন ১৬৪ জন সাক্ষী রয়েছে। তাদের মধ্যে মাত্র ৪৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তা হলে বাকিদের সাক্ষ্য কোথায় গেল?” জবাবে আইনজীবী সালভে বলেন, “জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া এখনও চলছে। দুটি অপরাধের কারণে সমস্ত প্রধান অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রথম অপরাধ হল গাড়ির ধাক্কা দিয়ে সাধারণ মানুষকে মারা। দ্বিতীয় অপরাধ হল, গাড়িতে থাকা দুইজনকে মারধর করে হত্যা করা। ঘটনাস্থলে বিপুল ভিড় থাকায় তদন্তে কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল।” সালভের জবাবে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ পাল্টা বলে, “পুলিশ সাক্ষীদের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ না করলে আমরা সমস্ত তথ্য জানতে পারব না। তাই এটা যেন কোনওভাবেই অসমাপ্ত গল্পে পরিণত না হয় সে দিকে সতর্ক থাকবেন।” ২৬ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন সরকারের তরফে পরবর্তী রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।