ভারতের উদ্বেগ: আফগানিস্তানকে বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের আনতে চাইছে চিন

Buy One Belt One Road Chinese Power Meets the World

নিউজ ডেস্ক: আফিগানিস্তানে তালিবান সরকারে চিন প্রীতির কারণ প্রকাশ্যে এল৷ বেজিংয়ের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ‘বেল্ট রোড’ বাস্তবায়ন করতে চেয়েছে৷ এতদিন আফগান সরকারের সঙ্গে ভারতের সুস্পর্কের কারণে বেজিং এই প্রকল্পে হাত গুটিয়ে বসেছিল৷ কিন্তু, আফগানের তখত পালটে যেতেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কোমর বেধে নামল বেজিং৷ তারা তালিবান শাসিত আফগানিস্তানের ভিতর দিয়ে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চায় চিন। এই নিয়ে ভারতের উদ্বেগ কিছুটা বাড়ল৷ আফগানিস্তানে যখন তালিবানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হতে যাচ্ছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই এ খবর জানাল বেজিং৷

Buy One Belt One Road Chinese Power Meets the World

গতকাল শুক্রবার চিন বলেছে, তালিবান নেতারা চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্প সমর্থন করে। তারা বিশ্বাস করে, এই প্রকল্প যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য লাভজনক হবে। এছাড়াও তালিবান চিনকে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে ঘোষণা করেছে। তালিবান নেতারা জানিয়েছেন, দেশের পুনর্গঠনে বিনিয়োগ করতে প্রস্তুত চিন।

One Belt One Road

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের কাজ প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির সময়ে খুব বেশি একটা এগোতে পারেনি চিন৷ কারণ তালিবান ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের ব্যাপক মতপার্থক্য ছিল। আশরাফ ঘানির ক্ষমতাচ্যুতির মধ্যদিয়ে চিনের স্বপ্নপূরণের পথ খুলে গিয়েছে৷

২০১৩ সালে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ক্ষমতায় আসার পর বেজিং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্প উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পে মূল লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল, আফ্রিকা এবং ইউরোপকে স্থল ও সমুদ্র পথের মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা। ভারত শুরু থেকেই এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে৷ কিন্তু আফগানিস্তানে তালিবান সরকার ক্ষমতায় আসায় স্বাভাবিকভাবেই ভারতের চাপ কিছুটা বাড়ল৷

শরিয়তি আইনে চলা আফগানিস্তান থেকে উইঘুর মুসলিমদের চিনে পাঠাবে তালিবান

নিউজ ডেস্ক: উইঘুর মুসলিম অধ্যুষিৎ অঞ্চলের আগের নাম ‘পূর্ব তুর্কিস্তান’। বর্তমান এই অঞ্চল চিনের জিনজিয়াং প্রদেশে। ৯০ লাখ মুসলিম অধ্যুষিত এ অঞ্চলের প্রায় ১০ লাখ উইঘুর নারী-পুরুষ বন্দি রয়েছে বন্দি শিবিরে। চিন সরকার এ বন্দি শিবিরকে ‘চরিত্র সংশোধনাগার’ নাম দিয়েছে। চরিত্র সংশোধনাগারের নামে চিন সরকার এ সব মুসলিমদের প্রতি চরম অত্যাচার ও নির্যাতন করছে।

আরও পড়ুন আফগানিস্তানে তালিবানি পতাকা কেনার হিড়িক, জঙ্গি বিরোধী পঞ্জশির বলছে না

অন্যদিকে তালিবানি শাসন কায়েম হয়েছে আফগানিস্তানে। ক্ষমতায় এসেই তালিবান জানিয়েছে, ইসলামের শরিয়তি আইন অনুসারেই এবার থেকে দেশ চলবে। আফগানিস্তানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘ইসলামিক ইমিরেটস অব আফগানিস্তান”। একদিকে আফগানিস্তানের জনগন যেমন মুসলিম নীতির আতঙ্কে রয়েছেন, অন্যদিকে আতঙ্কে ভুগছেন উইঘুর মুসলিমরাও। আফগানিস্তানে উইঘুর সম্প্রদায়ের প্রায় হাজার দুয়েক পরিবারের বাস। যাদের চিনে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্বের একাধিক মানবাধিকার সংগঠন।

প্ল্যাকার্ড হাতে জিনপিং সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন এক মুসলিম।

কিন্তু একদিকে ইসলামিয় নীতি মেনে চলছে তালিবানরা। অন্যদিকে চিন বহুদিন ধরেই মুসলিমদের ওপর অকথ্য অত্যাচার করছে। তাও সেখানেই কেন উইঘুর মুসলিমদের পাঠাবে তালিবান?

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে মানবাধিকার সংগঠন উমর উইঘুর ট্রাস্টের সভাপতি মহম্মদ উইঘুর জানিয়েছেন, “এখন তালিবানের হাতেই আফগানিস্তানের সমস্ত ক্ষমতা রয়েছে। আর তালিবানদের ক্ষমতায় আসার পেছনে চিনের মদত রয়েছে।” কয়েকদিন আগেই একটি রিপোর্ট তৈরি করেছিল উইঘুর হিউম্যান রাইটস প্রজেক্ট এবং অক্সাস সোসাইটি ফর সেন্ট্রাল এশিয়ান অ্যাফেয়ার্স। সেই রিপোর্টে লেখা হয়, “চিনের তরফে তালিবানরা উইঘুরদের উপর অত্যাচার চালাচ্ছে। চিনে বহু উইঘুরদের হত্যা করা হয়েছে। বন্দী শিবিরেও পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য এলাকায় তাদের উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। একই কাজ করা হচ্ছে আফগানিস্তানেও।”

আরও পড়ুন আফগানিস্তানে জঙ্গি সরকারকে সমর্থনে বিশ্ব দোদুল্যমান

উইঘুদের ওপর অত্যাচার, মুসলিম ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধ্বংসে কি কি করছে চিন ?

  •  জিনজিয়াং প্রদেশের কোনো পুরনো মসজিদ সংস্কার করতে না দেয়া। তাছাড়াও নতুন মসজিদ নির্মাণের অনুমোদন না দেয়া।
  •  প্রকাশ্যে ধর্মীয় শিক্ষা নিষিদ্ধ করা।
  •  পবিত্র হজযাত্রার অনুমতি না দেওয়া।
  •  নামাজ পড়ার সময় এক হাজার মুসলিমের জন্য একশ পুলিশ মসজিদ ঘিরে রাখে।
  • প্রাচীন মসজিদগুলিতে মুসলিমদের নামাজ পড়তে না দেওয়া।
  • মুসলিম মেয়েদের অবৈধভাবে গর্ভপাত করানো হচ্ছে। 
  • ১৯৯৬ সাল থেকে জিনজিয়াং প্রদেশের ৪০টি শহর ও গ্রামে অবস্থিত মাদ্রাসার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে শিক্ষার অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে মুসলিমদের।
  • জিনজিয়াংয়ে মুসলমানদের তুর্কি ভাষা ও আরবি বর্ণমালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

জনসংখ্যার সংকট দূর করতে তৃতীয় সন্তানের পথে বেজিং

China population

নিউজ ডেস্ক: অর্থনৈতিক সাফল্যের লক্ষ্যে সন্তান নীতি বদলাচ্ছে চিন৷ এক সন্তান নীতি থেকে সরে তিন সন্তান গ্রহণের অনুমতি দেওয়ার পথে হাঁটছে বেজিং৷ চিনের দাবি, আশির দশকে চালু হওয়া এক সন্তান নীতির ফলে ৪০ কোটি অতিরিক্ত সন্তান জন্মগ্রহণ ঠেকানো গিয়েছে৷ কিন্তু, তার আগে থেকেই দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা ছিল নিম্নমুখী।

বিশ্ব ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, চিনে ১৯৬০ থেকে ১৯৮০ সালের মধ্যে প্রতিজন মায়ের সন্তান সংখ্যা ছয় থেকে কমে তিনে নেমে আসে। দেশে এক সন্তান নীতি চালু করার পর এই সংখ্যা আরও কমতে থাকে।

২০২০ সালে চিনে ষাটোর্ধ্ব নাগরিক ছিল মোট জনসংখ্যার ১৮.৭ শতাংশ, যা ২০১০ সালের তুলনায় ৫.৪৪ শতাংশ বেশি। একইভাবে ২০২০ সালে চিনে কর্মক্ষম নাগরিকের সংখ্যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৬৩.৩ শতাংশ। দশ বছর আগেও এই সংখ্যাটি ছিল ৭০ শতাংশের কিছু বেশি।

মাঝে দুই সন্তান নীতি প্রণয়ন করা হলেও, তা এই ধারাকে তেমন একটা প্রভাবিত করতে পারেনি। পাশাপাশি, চিনা সমাজে মহিলারা সন্তানবিমুখ হতে শুরু করেন। সব মিলিয়ে চিনে বর্তমানে সন্তান জন্মের হার কমছে।
এই সমস্যা শুধু চিনের একার নয়। জাপান বা জার্মানির মতো দেশেও রয়েছে এই পরিস্থিতি৷ যেখানে ক্রমেই কমে আসছে কর্মক্ষম জনবল। কিন্তু সেই দেশগুলির জন্য তা এত বড় সমস্যা নয়।

China population

জাপান বা জার্মানির অর্থনীতি মূলত প্রযুক্তি, বিদেশি লগ্নি ও কারখানায় অর্থায়নের পরিচালিত হয়ে থাকে। কিন্তু চিনের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে শ্রমনির্ভর পণ্য প্রস্তুতকারী শিল্প ও কৃষির উপর। যার ফলে দেশে কর্মক্ষম জনগণের প্রাধান্য তুলনামূলক বেশি।

গত সপ্তাহে চিনের স্ট্যান্ডিং কমিটি অফ দ্যা ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস জানায়, সন্তান ধারণ বিষয়ে যে সমস্ত কড়াকড়ি আগে চালু ছিল, তা তারা তুলে নিচ্ছে। পাশাপাশি জরিমানা আর থাকছে না৷ দেওয়া হচ্ছে মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটির সুযোগও৷ এছাড়াও শিক্ষা, গৃহায়ণ, কর ও নিয়োগ বিষয়ক নীতিতে বদল আনার প্রস্তাব আলোচিত হচ্ছে৷ যা ‘পরিবারের ওপর চাপ কমাবে’ বলে জানাচ্ছে বেজিং।

এই বদলের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় উঠে আসছে দেশে সন্তানসম্ভবা মহিলাদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা দেওয়া ও সহকর্মীদের তাদের প্রতি আচরণের বিষয়টি। চিনের কর্মক্ষম জনসংখ্যায় মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব উচ্চহারে থাকলেও কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিকস্তরে উচ্চ নেতৃত্বের পদে মহিলাদের অভাব লক্ষণীয়।

পরিসংখ্যান বলছে, মাত্র এইসব উচ্চ মর্যাদার পদে ৮.৪ শতাংশ মহিলা রয়েছেন। পাশাপাশি আগামী কয়েক দশকে যে সমস্ত তরুণ নেতৃত্বকে ক্ষমতায় দেখা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তার মধ্যেও ১১ শতাংশ মহিলা।

পাকিস্তানের পর এবার চিন, তালিবানদের ভূয়সী প্রশংসায় ভরাল বেজিং

নিউজ ডেস্ক: গোটা আফগানিস্তান তালিবানদের দখলে। শুধু রাজত্বই নয়, আফগানিস্তান জুড়ে রীতিমতো রাজ করছে বন্দুকধারীরা। রোজই নৃশংসতার নতুন নতুন নজির সৃষ্টি করছে তারা। যা নিয়ে প্রতিবাদে নেমেছে প্রায় গোটা বিশ্ব। যদিও তাতেও ব্যতিক্রম দুটি দেশ। পাকিস্তান এবং চিন। ইসলামাবাদের তরফ থেকে আগেই সমর্থন করা হয়েছিল তালিবানদের।

আরও পড়ুন শিল্পেই বিপ্লব: তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে কাবুলের গ্রাফিতি শিল্পী শামসিয়া হাসানি

পাকিস্তানের পর এবার তালিবানদের ভূয়সী প্রশংসা করল চিন। বেজিংয়ের তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘তালিবান আর আগের মতো নেই। কট্টরপন্থা কমার পাশাপাশি কূটনৈতিক বুদ্ধি বেড়েছে তালিবান যোদ্ধাদের। যুক্তি দিয়ে বিচার করার প্রবণতাও বেড়েছে’। পাকিস্তান এবং চিন, দুই দেশেরই এই কাজ ভারতকে ব্যাকফুটে ফেলার জন্য বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু সমর্থনই নয়, দুই দেশের সঙ্গেই আফগানিস্তানের তালিবান গোষ্ঠীর যোগাযোগ রয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন বাংলা বলায় পাকিস্তানি তকমা, বাজার করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার বৃদ্ধা সহ মহিলারা

আফগানিস্তানে ক্রমশ পিছিয়ে পড়েছিল তালিবানরা। সেখান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্টের সেনা প্রত্যাহার এবং গত কয়েক বছরে তালিবানের উত্থান প্রসঙ্গে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মন্তব্য, ‘কোনও কিছুই তো চিরকালের জন্য নির্দিষ্ট নয়। সবসময় শুধুমাত্র অতীত নিয়ে ভাবলে তো চলবে না। বর্তমানে কী ঘটছে সেটাও দেখতে হবে।’

আরও পড়ুন Jinping Plan: পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের কাছে নতুন টানেল খুঁড়ছে চিন

বেজিংয়ের আরও সংযোজন, ‘আফগানরা কী চাইছে সেটা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে গতবার ক্ষমতায় থাকাকালীন তালিবান যা ছিল। আজ নেই। নারীদের উন্নয়ন এবং অধিকার পাইয়ে দেওয়ার বিষয়টিও প্রশংসনীয়। রাশিয়ার কয়েকজন রাজনীতিক এবং আন্তর্জাতিক কিছু সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্টে কাবুলে তালিবানের প্রবেশ সম্পর্কে প্রশংসা করা হয়েছে। সত্যিই তালিবানরা যুক্তিসঙ্গত আচরণ করেছে। আমরা বিশ্বাস করি সমস্ত সমস্যা মিটিয়ে প্রগতিশীল ইসলামিক সরকার তৈরি করা হবে আফগানিস্তানে।’

গণতন্ত্রকামী ‘বিদ্রোহী’ গায়ককে গ্রেফতার করল চিন

Anthony-Wong

হংকং: হংকংয়ে অব্যাহত চীনা দমনপীড়ন। গণতন্ত্ররোধে কার্যত মরিয়া ভাব দেখাচ্ছে এশিয়ার এই কমিউনিস্ট দেশ। এর আগে চীনের বিখ্যাত বিজনেস টাইকুন, আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা’র অন্তর্ধানের সময়েও শোনা গিয়েছিল যে সরকার বিরোধী মনোভাবের জন্যই তাকে উধাও করেছে দেশের সরকার। একই কথা শোনা গিয়েছিল আরেক ব্যবসায়ী রেন জিকিয়াংয়ের ক্ষেত্রেও।

এবার স্বশাসিত প্রদেশ হংকংয়ের গণতন্ত্রকামী ও ‘বিদ্রোহী গায়ক’ হিসেবে পরিচিত অ্যান্থনি ওয়ংকে (anthony wong) গ্রেফতার করল পুলিশ। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, অ্যান্থনি ওয়ংয়ের বিরুদ্ধে হংকংয়ের আইন পরিষদের নির্বাচনে গণতন্ত্রকামী প্রার্থীর হয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ এনেছে প্রশাসন। সরকারের দুর্নীতি দমন কমিশন তাদের প্রকাশিত একটি রিপোর্টে জানিয়েছে, তিন বছর আগে আইন পরিষদের নির্বাচনে গণতন্ত্রপন্থী রাজনীতিবিদ আউ হিনের হয়ে ক্যাম্পেন চালিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করেছেন গায়ক অ্যান্থনি ওয়ং।

Wong was arrested Monday, Aug. 2, 2021, by the city's anti-corruption watchdog, over accusations of corrupt conduct during a 2018 election, the latest move by authorities amid a crackdown on political dissent in the city.

ওই রিপোর্টে কমিশন জানিয়েছে, যে ওই নির্বাচনী মিছিলে দু’টি গান গেয়েছিলেন ওয়ং। কিন্তু তারপর আউ হিনের হয়ে ভোটারদের ভোট দেওয়ার আরজি জানান তিনি। যা নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করার অধীনে পরছে। ২০১৮ সালের আইন পরিষদের ওই নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন আউ নক-হিন। হংকংয়ের আইনসভায় গণতন্ত্রকামী সদস্যদের কোণঠাসা করতেই চীনের এই পদক্ষেপ বলে দাবী করছে বিভিন্ন মহল।

নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে সাত বছরের জেল হতে পারে অ্যান্থনি ওয়ংয়ের। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি ৬৪ হাজার মার্কিন ডলারের জরিমানাও করা হতে পারে। হংকংয়ের ওপর জিংপিং সরকারের কন্ঠরোধ করার চেষ্টা এই প্রথম নয়। গত জুন মাসে বন্ধ করে দেওয়া হয় হংকংয়ের শেষ স্বাধীন সংবাদপত্র ‘Apple Daily’। সংবাদপত্রটির কর্ণধার জিমি লাই বর্তমানে জেলে।