Space War: রুশ মিসাইল ধংস করল পুরনো গুপ্তচর স্যাটেলাইট, উদ্বেগে ওয়াশিংটন

Russia's anti satellite missile test created controversy

News Desk: নিজেরই অকেজো স্পাই স্যাটেলাইট মিসাইল ছুঁড়ে ধংস করেছে রাশিয়া। সেই স্যাটেলাইট ধ্বংসাবশেষ মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ায় প্রবল উদ্বেগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিবৃতিতে ওয়াশিংটন জানায়, রাশিয়ার অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইল নিক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রে অবস্থানরত ক্রুদের জীবন বিপন্ন করে তুলেছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, রাশিয়ার এই অ্যান্টি স্যাটেলাইট মিসাইলের পরীক্ষাকে বিপজ্জনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন’বলে মন্তব্য করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

মিসাইলের ছুঁড়ে রাশিয়া নিজস্ব একটি স্যাটেলাইটকে উড়িয়ে দেওয়ায় সেখান থেকে তৈরি বর্জ্যের কারণে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্রের ক্রুরা স্টেশনের ভেতরে ক্যাপসুলে অবস্থান নিয়েছেন।

Russia's anti satellite missile test created controversy

তবে ক্রেমলিন থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। রুশ সংবাদ সংস্থা তাস জানাচ্ছে,ধংস করা অকেজো স্যাটেলাইটের নাম কসমস – ১৪০৮।

বিবিসি জানাচ্ছে, এই রুশ স্যাটেলাইট আসলে মহাকাশে গুপ্তচর হিসেবে কাজ করছিল।১৯৮২ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। ওজন এক টনের মতো।অনেক আগেই এই স্যাটেলাইট অকেজো হয়ে যায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে,রাশিয়ার এই অ্যান্টিগুয়া মিসাইলের আঘাতের ভেঙে যাওয়া স্যাটেলাইট কমপক্ষে ১৫০০ টুকরো বর্জ্য তৈরি করেছে।এছাড়া আরো হাজার হাজার ক্ষুদ্র বর্জ্য তৈরি করেছে যার কারণে মহাকাশে সব দেশের স্বার্থকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

তবে রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র রাসকোসমস্ এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। তারা জানায়,রাশিয়ার স্যাটেলাইট ধ্বংস হবার পর যেসব টুকরো বর্জ্য তৈরি হয়েছে সেগুলো দ্বারা অন্য কিছুর ক্ষতি হয়নি।

<

p style=”text-align: justify;”>বিবিসি জানাচ্ছে, ভূ পৃষ্ঠ থেকে স্যাটেলাইট ধ্বংস করার ক্ষমতা বেশ কিছু দেশের রয়েছে। এর মধ্যে আমেরিকা, রাশিয়া, চিন এবং ভারত অন্যতম। এই ধরণের মিসাইল ছোঁড়া করা খুবই বিরল। এতে মহাকাশে মারাত্মক দূষণ হয়। ২০০৭ সালে চিন যখন তাদের একটি অকেজো আবহাওয়া স্যাটেলাইট ধ্বংস করেছিল তখন দু হাজারের বেশি টুকরো ভেসে এসেছিল।

COP26 : নজিরবিহীন জলবায়ু সম্মেলন! দরিদ্র দেশগুলির চাপে সময় পেরিয়েও আলোচনা

COP26

News Desk: ধনী দেশগুলির কার্বন নির্গমণ বিশ্বকে চরম ক্ষতির মুখে ফেলে দিচ্ছে। গড় তাপমাত্রা মাত্র ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের একটু বেশি হলেই দুনিয়া রসাতলে যাবে। এই যুক্তি মেনে নিয়েও তুমুল বাকবিতন্ডা চলছে জলবায়ু সম্মেলনে।

সম্মেলনে অংশ নেওয়া দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলির অভিযোগ ধনী দেশের সরকাররা কোনওভাবেই জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধিতে রাজি নয়। এই অবস্থান স্কটল্যান্ডের রাজধানী গ্লাসগো শহরে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে (Cop 26) নজিরবিহীন পরিস্থিতি। সময়সীমা পেরিয়েও চলছে আলোচনা।

যদিও জলবায়ু সম্মেলনে চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহমত জানিয়েছে একযোগে চারদশক কাজ করার।  দুটি দেশই বিশ্বে সর্বাধিক কার্বন নি:স্বরণ করে। ব্রাজিল সহ বিশ্বের শতাধিক দেশের নেতারা ২০৩০ সালের মধ্যে বনভূমি ধংস বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

COP26

তবে টুভালুর মতো ছোট ও দরিদ্র প্রাকৃতিক সম্পদের দেশগুলির অভিযোগ, জলবায়ু সম্মেলন আসলে একটি লোক দেখানো মঞ্চে পরিণত হয়েছে। বিপদ বুঝেও ধনী দেশগুলি গাছাড়া মনোভাব দেখাচ্ছে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লেই উষ্ণতার প্রভাবে সামুদ্রিক জলস্ফিতি হবে। এর জেরে বহু দ্বীপরাষ্ট্র তলিয়ে যেতে পারে। বিভিন্ন সমুদ্র উপকূলীয় দেশ বিরাট ক্ষতির মুখে পড়বে।

ক্ষুদ্র দ্বীপ দেশগুলো শুক্রবার জানায়, সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির ফলে দ্রুততার সঙ্গে তাদের ভূমি হারিয়ে যাচ্ছে। ২০০৯ সালে মালদ্বীপ সরকার ভারত মহাসাগরের তলায় মন্ত্রিসভার বৈঠক করে বিশ্বকে জলস্ফিতির সতর্কতা দিয়েছিল। এবার জলবায়ু সম্মেলনে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র টুভালুর বিদেশমন্ত্রী সাগরে দাঁড়িয়ে সতর্কতাবাণী দেন। তিনি বলেন ‘আমাদের দেশ সত্যি সত্যি ডুবে যাচ্ছে। এটা আমাদের অনেকের জীবন মরণের প্রশ্ন। গ্লাসগো সম্মেলনকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপের ঘোষণা করতে হবে। আমরা যেন ব্যর্থ না হই।’

আরও পড়ুন: COP26 : ঘাড়ের কাছে বিপদ, মহাসাগর থেকে টুভালুর সতর্কতায় বিশ্ব কাঁপল

<

p style=”text-align: justify;”>এই প্রেক্ষিতে শনিবার দুপুরে জলবায়ু সম্মেলনের চূড়ান্ত আলোচনার সময় ক্রমাগত পিছিয়ে যাচ্ছে। এবারের সম্মেলনের সভাপতি ব্রিটেনের মন্ত্রী অলোক শর্মা জানান বিশ্ব উষ্ণায়ণ রুখতে এটাই শেষ সুযোগ। বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখার বিষয়টি তুলনা করলে শিল্পপূর্ববর্তী যুগে ফিরে যাওয়ার সমান। সেটা কী করে করা সম্ভব তাই জটিল বিষয়।

চিনের লালফৌজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাইওয়ান সেনাকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আমেরিকা

United States is training Taiwanese troops to fight against China's Red Army

News Desk: আগ্রাসী চিন তাইওয়ান দখল নেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে৷ যে কোন সময় তাইওয়ান দখল নিতে হামলা চালাত পারে বেজিংয়ের লালফৌজ৷ এই পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা৷

চিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে তাইওয়ানের সেনাদের প্রশিক্ষণের জন্য এক দশকের বেশি সময় ধরে মার্কিন সেনারা চাইনিজ তাইপেতে অবস্থান করছে। প্রাপ্ত মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের ব্যবহার ও চিনা সেনাদের হামলা প্রতিহত করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে তাইওয়ানে সেনা মোতায়েন করেছে মার্কিন সরকার।

আমেরিকার ফরেন পলিসি নামে একটি ম্যাগাজিন এই খবর দিয়েছে৷ মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে ওই ম্যাগাজিনটি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, স্ব-শাসিত দ্বীপ তাইওয়ানে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। এটি ছিল প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের ক্ষমতার মেয়াদের শেষ বছর।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা ওই ম্যাগাজিনকে জানান, চিনা সেনাদের তাইওয়ানে অবতরণ ঠেকানোর প্রশিক্ষণ হিসেবে মার্কিন সেনারা তাইওয়ানি সেনাদের নিয়ে সমুদ্র-সৈকতে মহড়া চালায়।
১৯৭৯ সালে সর্বশেষ তাইওয়ানে সেনা থাকার কথা স্বীকার করে মার্কিন সরকার। এরপর ওয়াশিংটন ‘এক চিন নীতি’ অনুসরণ শুরু করে। এক চিন নীতির আওতায় বেজিং সরকার তাইওয়ানের ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে আসছে। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ এক চিন নীতি অনুসরণ করে৷

অসম রাইফেলসের শিবির দখল করেই অরুণাচলে গ্রাম গড়েছে চিন, দাবি মার্কিন গোয়েন্দাদের

China builds village in Arunachal Pradesh

News Desk, New Delhi: একসময় সেখানে ছিল অসম রাইফেলসের শিবির। অরুণাচল প্রদেশে (Arunachala Pradesh) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সেই শিবির দখল করেই আস্ত একটি গ্রাম গড়ে তুলেছে চিন। চাঞ্চল্যকর এই দাবি আমেরিকার গোয়েন্দা দফতরের।

মার্কিন গোয়েন্দা দফতরের ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার ভিতরে অরুণাচলের আপার সুবনসিরি জেলায় ছিল আসাম রাইফেলস শিবির। ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সেখানে নিযুক্ত ছিল অসম রাইফেলসের জওয়ানরা। তাসারি চু (Tasari chu) নদীর তীরে ছিল ওই শিবির। অসম রাইফেলসের পরিতক্ত শিবির ধীরে ধীরে দখল নেয় লালফৌজ। সেখানে এই মুহূর্তে ১০১ টি ঘর তৈরি করেছে চিনের লালফৌজ। নিজেদের দাবির প্রমাণ হিসাবে একটি উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করেছে মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ। তাদের দাবি ২০২০ সালের ১ নভেম্বর ওই ছবি তোলা হয়েছে।

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ছয়ের দশকের গোড়াতেই অসম রাইফেলসকে হঠিয়ে দিয়ে তাদের ওই এলাকা দখল করেছিল লালফৌজ। যদিও পরে তারা সেখান থেকে সরে যায়। কিন্তু পরবর্তী পাঁচ দশকে লালফৌজ ধীরে ধীরে ওই এলাকাটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে। উল্লেখ্য, এর আগে অরুণাচলের বিজেপি সাংসদ তাপি (Tapi) অভিযোগ করেছিলেন, আপনার সুবনসিরি জেলায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে ভারতীয় সীমান্তে ঢুকেছে লালফৌজ। শুধু ঢুকে পড়াই নয়, তারা সেখানে গ্রামও তৈরি করছে।

যদিও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)সকলেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিলেন। মোদি জোর গলায় বলেছিলেন, চিন কখনওই সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেনি। দেশের ভূখন্ড সুরক্ষিত আছে। কিন্তু মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্টে এটা প্রমাণ হল যে, সীমান্ত পেরিয়ে লালফৌজের ভারতে ঢুকে পড়া নিয়ে মোদি সত্যি কথা বলেননি।

Secret File : টার্গেট ১০০০ পরমাণু বোমা, চিনা ধমাকায় বিশ্বে উদ্বেগ

china- weapons-target-of-1000-nuclear-bombs

News Desk: টার্গেট ১০০০টি পরমাণু বোমা তৈরি করা। আগামী ৯ বছরের মধ্যে এই বিপুল পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার তৈরি করে নেবে চিন। এমনই রিপোর্ট দিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ। পেন্টাগনের রিপোর্টে বলা হয়েছে ২০৩০ সালকে ডেডলাইন ধরে নিয়েই দিনরাত এক করে দিয়েছেন চিনের পরমাণু বিশেষজ্ঞরা।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ধারণা, কমবেশি ৪০০টি পারমাণিক অস্ত্র সম্পূর্ণ তৈরির পথে চিন সরকার। তবে বাকি অস্ত্র তৈরিতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত লাগবে।

ওয়াশিংটনের রিপোর্ট বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারের সমতুল্য হতে মরিয়া পদক্ষেপ নিয়েছে চিন। নির্দেশ অনুসারে কাজ চলছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মজুত বর্তমান পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা ৩৭০০টি। তাকে টপকে যেতেই মরিয়া হয়ে উঠেছে চিন।

চিনের এই পরমাণু কর্মসূচির কথা সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক মহলে শোরগোল পড়েছে। তবে চিন যথারীতি পেন্টাগনের রিপোর্টের কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। চিনের তরফেও বারবার দাবি করা হয় বিপুল পরমাণু অস্ত্র তৈরি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

তবে সাম্প্রতিক কিছু তথ্য প্রকাশ করে ওয়াশিংটন তাকে দাবি করা হয়, প্রাক্তন প্রেসিডেন্সি ট্রাম্পের নির্দেশে যে পরমাণু কর্মসূচি চলছিল তাতে আলগা দেওয়া হয়েছে। কমানো হচ্ছে পরমাণু বোমার সংখ্যা। রিপোর্ট মানতে চায়নি বহু দেশ।

Covid 19: জীবাণু বোমা নয় করোনা, চাঞ্চল্যকর দাবি মার্কিন গোয়েন্দাদের

Director of National Intelligence Avril Haines

News Desk: করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পিছনে কোনও জীবাণু বোমার প্রয়োগ নয়, এটির সংক্রমণ পরিবেশগত কারণেই। এমনই জানিয়ে দিল ইউএস ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (ওডিএনআই)।

মার্কিন গোয়েন্দাদের আরও দাবি, করোনার উৎপত্তি সম্ভবত কখনোই জানা যাবে না। তবে ভাইরাসটি জীবাণু অস্ত্র হিসেবে তৈরি করা হয়নি।

বিবিসি জানাচ্ছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংখ্যাগুলির রিপোর্টে লেখা আছে, করোনা ছড়ানোর ক্ষেত্রে একটি প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমণ এবং ল্যাব লিক দুটোই যুক্তিযুক্ত অনুমান। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য পর্যাপ্ত তথ্য নেই।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের শেষের দিকে চিনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে কোভিড-১৯ প্রাথমিক প্রাদুর্ভাবের আগে ভাইরাসটির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা ছিল না চিনা কর্মকর্তাদের।

বিবিসি আরও জানাচ্ছে, ইউএস ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের রিপোর্টে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ভাইরাসটির সম্ভাব্য উৎস নিয়ে বিভক্ত। চারটি গোয়েন্দা সংস্থার দাবি একটি সংক্রমিত প্রাণি বা অন্য কোনও ভাইরাস থেকে উদ্ভূত হয়েছিল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর।।

চিন থেকেই এই ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। করোনার হামলায় বিশ্ব বিপর্যস্ত হয়েছে। মৃত্যু মিছিল চলেছে। আপাতত টিকা প্রয়োগ চলছে। এতে মৃত্যুর হার কমানো গিয়েছে।

তবে করোনা সংক্রমণের প্রথমদিকে এই ভাইরাস ছড়ানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার তৎকালীন প্রেসিডেন্সি ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমাগত চিনকে দোষারোপ করেছিলেন। কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল চিন। করোনা নিয়ে চিন-মার্কিন দ্বন্দ্বে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) পড়ে যায় মাঝখানে। ট্রাম্প সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন কিছুটা কম। জীবাণু হামলার দু বছরের মাথায় এসেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির রিপোর্ট। এতে চিনকে দায়ভার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলার জন্য আগামী এক বছরে ২ হাজার ৩৪০ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন। এর জন্য সংস্থাটি জি-২০ গোষ্ঠীকে অর্থ প্রদানের আহবান জানিয়েছে।

‘হু’ প্রধান জানান, করোনা মহামারিতে দীর্ঘ সময় ধরে গরিব দেশগুলিকে সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত রাখতে পারবে না ধনী দেশগুলি। এর জন্য জি-২০ নেতারা এগিয়ে আসুন।

China: ফের করোনা হানা, ৪০ লক্ষ জনবসতির শহরে লকডাউন করল চিন

China Puts City Of 4 Million Under Lockdown Due To Spike In Covid Cases

News Desk: ফের এসেছে করোনা। সংক্রমণ বেড়ে গেল হু হু করে। চিনে নতুন করে সংক্রমণের কারণে ঘোষিত হলো লকডাউন। বিবিসি জানাচ্ছে লানঝউ শহরে কড়া লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

চিনের সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস জানাচ্ছে, সংক্রমণ রুখতে কড়া ভূমিকা নিয়েছে প্রশাসন। লানঝাউ শহরে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের বসবাস। এখানে শুধু যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং ওই শহরের বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের হওয়াতে জারি নিষেধাজ্ঞা। একপ্রকার গৃহবন্দি তারা।

বিবিসি জানাচ্ছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চিনের উহান শহর থেকেই প্রথম করোনা সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছিল। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেই জীবাণু সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। করোনার হামলায় গোটা দুনিয়া থমকে গিয়েছিল। আপাতত সংক্রমণের হার কমের দিকে বিভিন্ন দেশে। এর মাঝে চিন থেকেই এসেছে ভয়াল খবর।

মঙ্গলবার থেকে চিনের উত্তর পশ্চিম শহর লানঝউয়ে লকডাউন জারি করা হয়েছে। এই শহরে করোনার একটি স্থানীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। সম্প্রতি চিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৯ জনের মৃত্যু হয়।

চিন সরকার করোনা সংক্রমণের কথা জানাতেই বিশ্বজুড়ে পড়েছে শোরগোল। তবে কড়া লকডাউন নিয়ম দ্রুত চালু হওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাচ্ছে। এমনই জানাচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা।

নতুন করে করোনা সংক্রমণ বিভিন্ন দেশে হচ্ছে। সেই সঙ্গে চলছে টিকাদান কর্মসূচি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা টিকা নেওয়ার পরেই সংক্রমণের বিষয়ে উদাসীন ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। তারা মনে করছেন আর কিছু হবে না। এরাই অজান্তে করোনা ছড়াচ্ছেন। তবে টিকা নিলে করোনায় মৃত্যুর হার দ্রুত গতিতে নিম্নগামী হচ্ছে।

ব্যর্থ হল বৈঠক, সীমান্ত থেকে সেনা সরাতে নারাজ চিন

China reluctant to withdraw troops from the border

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সীমান্তে উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের জন্য রবিবার ভারত ও চিনের শীর্ষ সেনা কর্তারা ১৩ তম বৈঠকে বসেছিলেন। আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে ওই বৈঠক। কিন্তু বৈঠক শেষে কোন ফলাফলই মিলল না। সোমবার ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে সেনা সরানোর প্রস্তাবে রাজি নয়। 

তবে এই সমস্যা সমাধানে আগামীদিনেও যে ফের আলোচনায় বসা হবে এমন কোনও কথাও বলেনি বেজিং। দীর্ঘ আট ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলা ওই বৈঠকে ভারতীয় সেনা কর্তারা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা ও সংলগ্ন এলাকার সমস্যা সমাধানের জন্য একাধিক প্রস্তাব দেন। কিন্তু জিনপিং সরকার ভারতের কোনও প্রস্তাবই মানতে নারাজ। এই আলোচনায় কোনো সমাধান সূত্র বের না হওয়ায় সেনাবাহিনীর এই বৈঠককে ব্যর্থ বলেই মনে করছে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, চিন যদি কোনও রকম আগ্রাসন দেখানোর চেষ্টা করে তবে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। ভারত সব ধরনের সমস্যা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত আছে।

কিন্তু প্রশ্ন হল, চিন কেন ভারতের সঙ্গে কোনও রকম সমঝোতায় যেতে আপত্তি করছে। আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, সম্প্রতি আফগানিস্থানে ক্ষমতার পালাবদলের কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় একটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই কাবুলে তালিবান সরকারকে সমর্থন করেছে বেজিং। চিনের মতোই তালিবানের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান। সীমান্ত নিয়ে ভারতের সঙ্গে এই দুই দেশেরই প্রবল মতবিরোধ রয়েছে। বিশেষ করে কাশ্মীর ও লাদাখ সীমান্ত নিয়ে ভারত পাকিস্তানের বিবাদ সর্বজনবিদিত। পাশাপাশি চিনের সঙ্গেও ভারতের সীমান্ত সমস্যা কম নয়।

এই পরিস্থিতিতে চিন ও পাকিস্তানের একযোগে তালিবানদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তালিবান জঙ্গিদের সমর্থনে ইতিমধ্যেই কাশ্মীরে একাধিক জঙ্গি সংগঠন আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে, ভারতে নাশকতা চালানোর জন্য জঙ্গিদের মদত জোগাতে চিন ও পাকিস্তান দুই দেশ হাতে হাত মিলিয়েছে। সে কারণেই চিন সীমান্ত নিয়ে ভারতের কোন শর্তই মানতে নারাজ। চিন ভাবছে ভারতকে তারা চাপে ফেলতে পারবে। তাদের এই কাজে সব ধরনের সহযোগিতা করবে পাকিস্তান ও তালিবান।

আন্তর্জাতিক মহল অবশ্য পাশাপাশি এটাও বলেছে যে, চিন যদি মনে করে ভারত আগের জায়গাতেই আটকে আছে তাহলে ভুল করবে। ভারতের অস্ত্র ভাণ্ডার যথেষ্ট ঈর্ষণীয়। তাই অযথা ভারতের সঙ্গে লাগতে গেলে তার পরিণাম ভুগতে হবে বেজিংকে

TEA : এক কাপের দাম সাড়ে ৭ লক্ষ! চা নাকি সোনার জল

most valuable tea Da Hong Pao

নিউজ ডেস্ক: এক কাপ চা ঠিক যেন তরল সোনার মতো রং। সেই চা খাওয়া রাজা বাদশাহদের ব্যাপার। দাম শুনলে মাথা ঘুরে যাবে। এক কাপ চায়ের দাম সাড়ে সাত লক্ষ টাকা। সোনার চেয়েও দামি। এমনই দামি চা যার এক গ্রামের দাম সোনার এক গ্রামের দামের থেকে ৩০ গুণ বেশি! বিশ্বের অন্যতম দামি এই চায়ের নাম দা হোং পাও।

গোটা দুনিয়ায় একমাত্র চিনে এই চায়ের ৬টি গাছ রয়েছে। বিরল এবং উৎকৃষ্ট গুণমানের জন্য দা হোং পাও কে চায়ের রাজা বলা হয়। খুব বিরল জাতের এই চা উৎপন্ন হয় চিনের ফুজিয়ান প্রদেশের উয়ি পর্বতে। ৩০০ বছর ধরে এই চায়ের চাষ হচ্ছে চিনে।

২০০৬ সালে চিন সরকার প্রায় ১১৭ কোটি টাকার বিমা করিয়েছে এই ছয়টি চা গাছের। এক কেজি চায়ের দাম প্রায় ৮ কোটি টাকার বেশি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দা হোং পাও চায়ে আছে ক্যাফিন, থিওফিলিন, পলিফেনলস এবং ফ্ল্যাবোনয়েড। প্রতিটি উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। প্রতিদিন এই চা খেলে ত্বক ভালো থাকে। মাটির পাত্রে বিশুদ্ধ জলে এই চা বানাতে হয়। সুগন্ধের জন্যও এই চায়ের দাম আরও বেশি।

China: আমাদের হয়ে যাও…চিনের শীতল হুমকি শুনল তাইওয়ান

Xi Jinping vows Taiwan

নিউজ ডেস্ক: পরপর বিমান বাহিনীর অভিযানে পূর্ব এশিয়ার আকাশ গরম করেছে চিন (China)। ক্রমাগত তাইওয়ানের উপর পাক খেয়েছে চিনা যুদ্ধ বিমান। তাদের তাড়া করেছে তাইওয়ানের বিমান বাহিনী। তাইওয়ানের আশঙ্কা চিন যুদ্ধ শুরু করবে।

এই পরিস্থিতিতে বেজিং থেকে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জানালেন, তাইওয়ানের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ উপায়ে পুনর্মিলন চাইছি। জিনপিং বলেন, এক দেশ দুই প্রশাসনিক পরিচালন নীতির অধীনে শান্তিপূর্ণ পুনর্মিলন দেখতে চান, যেমন হংকংয়ের ক্ষেত্রে হয়েছিল। চিন বিপ্লবের ১১০তম বার্ষিকী স্মরণে শনিবার বেজিংয়ের গ্রেট হলে এমন ভাষণ দেন তিনি। 

জিনপিং জানিয়েছেন, জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় চিন এই পুনর্মিলনের বিষয়টি অবশ্যই অর্জন করবে।

পুরো সপ্তাহ জুড়ে চিনের লাগোয়া ছোট্ট দ্বীপ তাইওয়ানের আকাশ সীমা বারবার লঙ্ঘন করেছে চিনের যুদ্ধ বিমান। তাইওয়ান সরকার প্রতিবারই নিজেদের বিমান বাহিনী পাঠিয়েছে তাড়া করতে। দু তরফের এই অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল আলোড়িত।

বিবিসি জানাচ্ছে, তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে মনে করে চিন। আর তাইওয়ান দাবি তরে তারা স্বাধীন। তবে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাইওয়ান দ্রুত নিজেদের স্বাধীনতা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করবে। তাই চিন উদ্বিগ্ন। ভয় ধরাতেই এমন করছে চিন সরকার

Sky War: যুদ্ধের লক্ষ্যে তাইওয়ান সীমান্তে পরপর যুদ্ধ বিমান নামাচ্ছে চিন

China’s new fighter jet deployed near Taiwan

নিউজ ডেস্ক: হামলার জন্য নাকি নিছক ভয় ছড়ানো এমনই কৌশলগত অবস্থান থেকে একের পর এক যুদ্ধ বিমান নিজেদের সীমান্ত চেক পোস্টের কাছে নামিয়ে যাচ্ছে চিন (china)। উল্টোদিকে তাইওয়ানে (taiwan) তীব্র উত্তেজনা। সম্প্রতি তাইওয়ানের তরফে জানানো হয়, চিন যুদ্ধের (sky war) প্রস্তুতি নিতে চলেছে।

উপগ্রহ চিত্র থেকে দেখা যাচ্ছে, তাইওয়ানের কাছে চিন বিরাট বিমান বহর মোতায়েন করেছে। J-16D যুদ্ধ বিমান অবতরণ করেছে। এই ছবি কীসের, কেন সীমান্তের কাছে যুদ্ধ বিমান (Chinese airforce) নামাচ্ছে চিন সরকার? দুটি প্রশ্নের কোনও উত্তর দেয়নি বেজিং। তবে তাইওয়ান সরকার জানিয়েছে, ক্রমাগত আকাশ সীমা লঙ্ঘন করছে চিনা বিমান বাহিনী।

Satellite image of J-16D fighter jet at Xiangtang airbase

সম্প্রতি পরপর চিনা বিমান বাহিনী তাইওয়ানের আকাশে ঢুকে পড়ে। তাদের সঙ্গে আকাশেই মুখোমুখি হয় তাইওয়ান বিমান বাহিনীর। এর জেরে পূর্ব এশিয়ার আকাশে যুদ্ধের মেঘ ছড়াতে শুরু করে।

তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে মনে করে চিন। আর তাইওয়ান দাবি তরে তারা স্বাধীন। তবে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাইওয়ান দ্রুত নিজেদের স্বাধীনতা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করবে। তাই চিন উদ্বিগ্ন। ভয় ধরাতেই এমন করছে চিন সরকার।

China Sea: ‘ডুবো পাহাড়ে’ ধাক্কা মার্কিন পরমাণু অস্ত্র বোঝাই সাবমেরিনের, তীব্র আতঙ্ক

US submarine hits unknown object while underwater

নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ চিন সাগরের (South China Sea) আন্তর্জাতিক জলসীমায় ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি পরমাণু অস্ত্র বোঝাই সাবমেরিনের (US submarine) ধাক্কা লেগেছিল। অজ্ঞাত বস্তুটি সম্ভবত ডুবো পাহাড় বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এই সাগর ডুবো পাহাড়ের কারণে বিপজ্জনক। দুর্ঘটনার পর তীব্র আতঙ্কিত চিন সাগর সংলগ্ন দেশগুলিতে। কারণ,সাবমেরিনে পারমানবিক অস্ত্র ছিল।

US submarine

মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, ২ অক্টোবর ইউএসএস কানেটিকেট নামের সাবমেরিনটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সাবমেরিনের কেমন ক্ষতি হয়েছে তা মূল্যায়ন করে দেখা হচ্ছে। সাবমেরিনটি এখন গুয়ামের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে বৃহস্পতিবারের আগে সাবমেরিনটির দুর্ঘটনার কবলে পড়ার খবর জানানো হয়নি। 

যে বস্তুর সঙ্গে সাবমেরিনের ধাক্কা লেগেছে তা ডুবে যাওয়া কোনো জাহাজ বা কন্টেনার হতে পারে। অথবা ডুবো পাহাড় হতে পারে। সাবমেরিনে থাকা দুজন মাঝারি ধরনের এবং ৯ জন আঘাত পেয়েছেন।

এমন এক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিনটি ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ সঙ্গে ধাক্কা খেল যখন চিন-তাইওয়ানের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। তাইওয়ানকে সমর্থন করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

Arunachal Pradesh: সীমান্ত টপকে আসা চিনা সেনাদের আটকাল ভারতীয় জওয়ানরা

Indian and Chinese troops face off in Arunachal border

নিউজ ডেস্ক: সীমান্ত পেরিয়ে আসা চিনা সেনার অনুপ্রবেশ রুখেছে ভারতীয় জওয়ানরা। সংবাদ সংস্থা PTI জানাচ্ছে, অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal pradesh) তাওয়াং সেক্টরের কাছে এই অনুপ্রবেশ হয়। ভারত ও চিনের স্থানীয় কমান্ডরা পরস্পর মুখোমুখি থেকে দুপক্ষকে হুঁশিয়ারি দেয়।

অরুণাচল প্রদেশে সীমান্ত টপকে আসা চিনা সেনাদের কাছে নতুন কিছু না। বিস্তীর্ণ বরফ ও জঙ্গলের এলাকা জুড়ে চিনের সঙ্গে রয়েছে আন্তর্জাতিক সীমান্ত। আর আছে মায়ানমারের সীমান্ত।

PTI জানাচ্ছে তাওয়াং সেক্টরের ইয়াংগতসে এলাকায় গত সপ্তাহে চিনা সেনা ঢুকেছিল ভারতীয় জমিতে। তাদের জোর করে ফেরত পাঠানো হয়। সে সময় দুই তরফের কমান্ডাররা মুখোমুখি হয়। আরও জানানো হয়েছে বিষয়টি পরে আলোচনা করে মিটমাট হয়েছে।

ভারত ও চিনের মধ্যে সুদীর্ঘ সীমান্ত পশ্চিমে কেন্দ্রশাসিত এলাকা লাদাখ থেকে পূর্বে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত। লাদাখের কাছে সীমান্ত নিয়ে যেমন বিরোধ তেমনই হিমাচল প্রদেশ, সিকিম ও অরুণাচলের বিভিন্ন সেক্টরেও বিরোধ রয়েছে।

অরুণাচল প্রদেশকে চিন নিজেদের অংশ বলে বারবার দাবি করে। বিভিন্ন সময় বিতর্কিত মানচিত্র প্রকাশ করা হয়। নয়াদিল্লি কড়া অবস্থান নেয়।

Nuclear Bomb: মিলছে না হিসেব! আমেরিকার পরমাণু বোমার সংখ্যা দেখে রেগে আগুন কিম

North Korean leader Kim Jong Un

নিউজ ডেস্ক: অবিশ্বাস্য! এ যেন কল্পনারও অতীত। যে পরিমাণ পরমাণু বোমার (nuclear bomb) তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাতে বিশ্ব জুড়ে হইহই। মস্কোতে পুতিন, তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই, বেজিংয়ে জিনপিং কেউই বিশ্বাস করতে পারছেন না। সব থেকে বড় ব্যাপার পিয়ংইয়ংয়ে কিম জং উন রেগে আগুন।

মার্কিন বিদেশ মন্ত্রকের তথ্য নিয়ে সংবাদ সংস্থা এপি জানাচ্ছে, ওয়াশিংটনের হাতে আছে মাত্র ৭৫০টি পরমাণু বোমা। এত কম! এই তথ্য অবিশ্বাস্য লাগছে ওয়াশিংটনের প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়া, চিন, ইরান ও উত্তর কোরিয়ার শাসকের কাছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশ মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালে পরমাণু বোমার সংখ্যা ছিল ১০ হাজারের বেশি। প্রশ্ন এখানেই। কোথায় গেল বাকি সব পরমাণু বোমা ? এই বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার যে ওয়াশিংটন নিষ্ক্রিয় করেছে তা মানতে নারাজ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলি।

এপি জানাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর সংগ্রহে সবচেয়ে বেশি পারমানবিক বোমা ছিল১৯৬৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে শীতল যুদ্ধের সময়। ওই বছর মোট পরমাণু বোমার সংখ্যা ছিল ৩১ হাজার ২৫৫টি। ১৯৮৯ সালে ২২ হাজার ২১৭টি পরমাণু অস্ত্র ছিল বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরমাণু বোমার সংখ্যা কমিয়ে আনছে বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে। তাতে অবস্য চিঁড়ে ভেজেনি এতটুকু। ওয়াশিংটন দাবি করছে স্বচ্ছ তথ্য। প্রতিদ্বন্দ্বীরা বলছে মানা কঠিন।

Taiwan: পূর্ব এশিয়ায় যুদ্ধের কালো মেঘ, চিনা ‘পরমাণু’ বোমারু বিমানের আনাগোনা

China Taiwan military tensions

নিউজ ডেস্ক: দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানের আশঙ্কা যেভাবে চিনা যুদ্ধ বিমানের লাগাতার আকাশ সীমা লঙ্ঘন চলছে তাতে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে। পুরোদমে হামলা চালাতে পারে চিন।তাইওয়ানের অভিযোগ, তাদের আকাশ সীমায় চিনের সর্বশেষ পাঠানো বিমানবহরে ৩৪টি জে-১৬ যুদ্ধবিমান ও পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ১২টি এইচ-৬ বোমারু বিমান ছিল।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিউ কুয়ো চেং জানিয়েছেন, হামলা হলে জবাব দেওয়া হবে।বিবিসি জানাচ্ছে, গত চার দিন চিনের অন্তত ১৫০টি যুদ্ধ বিমান তাইওয়ানের আকাশ সীমা পার করেছে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্বীকার করেছেন, চিন হামলা চালাতে তৈরি। একটা ছোট্ট ভুল থেকে যে কোনও সময় দু পক্ষের গোলাগুলি শুরু হয়ে যেতে পারে।

বিবিসি জানাচ্ছে, তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চিন। কিন্তু তাইওয়ান দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করেছে। চিনে ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্টরা শাসন ক্ষমতা দখল করার পর তাইওয়ান মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা হয়ে যায়। তাইওয়ান সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্যে নিজেদের সেনাবাহিনীকে আধুনিক করে তুলেছে।

বিবিসি রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন তাইওয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করতে পারে। এর ফলে চিন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে। তাই ভয় দেখানো শুরু হয়েছে।

তবে চিন ও তাইওয়ানের মধ্যে সর্বাধিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। ওই বছর তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় চিন। তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছিল।

Sky War: এশিয়ার আকাশ গরম, চিনা-তাইওয়ান বিমান বাহিনি মুখোমুখি

Chinese Air Force again entered in taiwan

নিউজ ডেস্ক: পূর্ব এশিয়ার আকাশ গরম। চিন (China) ও তাইওয়ানের (Taiwan) বিমান বাহিনি পরস্পর মুখোমুখি হয়েছে ফের। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে এমন ঘটনা ফের ঘটেছে।

রয়টার্স জানাচ্ছে, আন্তর্জাতিক আকাশ সীমা লঙ্ঘন করে একঝাঁক চিনা যুদ্ধ বিমান ফের তাইওয়ানের ভিতরে ঢুকে পড়ে। তাদের গতিবিধি দেখেই বিপদ সংকেত দেয় তাইওয়ান বিমান বাহিনি। এর পরেই চিনা বিমানগুলিকে তাড়া করে তাইওয়ানের যুদ্ধ বিমান। আকাশ জুড়ে দুই দেশের বিমান বাহিনি পরস্পর মুখোমুখি হয়।

সংবাদ সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে, চিনের ৩৫টি যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল।  তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আকাশ সীমায় চিনা যুদ্ধ বিমান ঢুকতেই তাইওয়ানের বেশ কয়েকটি মিসাইল বহনকারী যুদ্ধবিমান ধাওয়া করে। কিছু পরে চিনা বিমান বাহিনি ফেরত চলে যায়।

তাইওয়ানকে আলাদা দেশ হিসেবে স্বীকার করেনা চিন। এটি নিজেদের একটি দ্বীপ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বেজিং। আর তাইওয়ান নিজেদের আলাদা দেশ হিসেবে চিনা কর্তৃত্ব মানতে নারাজ। ফলে বেজিং ও তাইপের মধ্যে গরম সম্পর্ক পূর্ব এশিয়ার রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মদতে নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে তাইওয়ান।

কী হচ্ছে ইসলামাবাদে? রাশিয়া, চিনসহ পাঁচ দেশের গোয়েন্দা প্রধান হাজির

ISI Chief Chairs High Level Meeting Of Intelligence Chiefs Of China, Russia, Iran, Kazakhstan, Tajikistan, Uzbekistan And Turkmenistan In Islamabad To Discuss The Situation In Afghanistan

#Afghanistan
নিউজ ডেস্ক: তালিবান সরকার শপথ নেয়নি। কাবুলে চলছে আইএসআই চক্র। পুরো তালিবান সরকার এখন পাকিস্তানের নির্দেশে কাঠপুতুল! কাবুলে যদি এই পরিস্থিতি হয় তাহলে পাক রাজধানী ইসলামাবাদে হইহই রব। আফগান ইস্যুতে চিন, রাশিয়া সহ মধ্য এশিয়ার পাঁচটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের বৈঠক করেছেন আইএসআই প্রধান জেনারেল ফায়েজ হামিদ 

শুক্রবারই কাবুল থেকে ফিরে এসেছেন পাক গোয়েন্দা প্রধান। এর পর পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা বৈঠক। আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তান সরকার গোয়েন্দা প্রধানদের এই বৈঠকের কথা স্বীকার করেছি। তবে পাকিস্তানের জাতীয় দৈনিকপত্র বলে বিশ্বে সুপরিচিত ‘ডন’ জানিয়েছে, ৫টি দেশের গোয়েন্দা প্রধানদের বৈঠকে আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। 

চিন, রাশিয়া, ইরান, কাজাখস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানরা যোগ দেন বৈঠকে। এই বৈঠকে পাকিস্তান-আফগানিস্তান নিরাপত্তা, তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক কেমন হবে, তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে।

এর আগে পাকিস্তানের নেতৃত্বে আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশগুলোর বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে চিন, পাকিস্তান, ইরান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ও তুর্কেমিস্তান অংশ নিলেও রাশিয়া অংশগ্রহণ করেনি।

পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশ নেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী হোসাই আমির আবদুল্লাহিয়ান, তাজিক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন মোহরিদ্দিন, উজবেকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল আজিজ কামিলভ এবং তুর্কেমিস্তানের ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেপা খাদজীয়েব ইনদিটেম।
পরিস্থিতি স্পষ্ট। আমেরিকা সরে যেতেই তাদের ও চিন উভয়ের ঘনিষ্ঠ পাকিস্তান সরকার এখন আফগান তালিবান সরকারের হর্তাকর্তার বিধাতা।

লালফৌজের স্বার্থে ভারত সামীন্তে ৩০ নতুন বিমান বন্দর গড়ছে বেজিং

army-china-air-force

নিউজ ডেস্ক: ভারত সংলগ্ন এলাকায় তার চিনের সেনাবাহিনীর (পিএলএ) চলাচলে গতি আনতে করতে ৩০টি নতুন বিমানবন্দর (airports) নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছে বেজিং৷ চিনের সরকারী সংবাদপত্র অনুসারে, ভারতের সংলগ্ন জিনজিয়াং এবং তিব্বত এলাকায় সেনাবাহিনীর ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডকে সুবিধা প্রদানের জন্য ৩০টি বিমানবন্দর তৈরি করা হবে৷ যাতে সেনা জওয়ানদের চলাচলে কোনও সমস্যা না হয়।

ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড চিনা সেনাবাহিনীর সবচেয়ে বড় সামরিক কমান্ড। এই কমান্ড ভারতের সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় যুক্ত৷ ইতিমধ্যেই কিছু বিমানবন্দর নির্মিত হয়েছে এবং সীমান্ত এলাকায় কাজ করছে৷ আবার কিছু শীঘ্রই তৈরি হওয়ার জন্য প্রস্তুত। তার মধ্যে তিনটি বিমানবন্দর হবে তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে। আরেকটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর ২০২২ সালে চালু হবে। তাশকুরগান নামের এই বিমানবন্দরটি জিনজিয়াংয়ে। এই বিমানবন্দরটি পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর এবং আফগানিস্তানের কাছাকাছি হবে। এটি চিনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

গত দেড় বছর ধরে ভারত ও চিনের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার বিরোধের স্থলভাগে প্রস্তাব দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। কিন্তু এর গতি কিছুটা ধীর ছিল। এর সবচেয়ে বড় কারণ হল, ভারতীয় সেনাবাহিনী চিনা সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করে না। কারণ চিন আলোচনার টেবিলে এক কথা বলে এবং তারপর অন্য কিছু করে। তাই ড্রাগনের প্রতিটি পদক্ষেপ বুঝতে পেরে ভারত প্রতিটি পদক্ষেপ খুব চিন্তাভাবনা করে

এদিকে, ভারত LAC থেকে সেনা প্রত্যাহার করছে কিন্তু খুব যত্ন সহকারে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, চিন মনে করে যদি তারা তাদের সেনা প্রত্যাহার করে নেয় এবং ভারত সেনা প্রত্যাহার না করে, তাহলে তাদের জন্য সমস্যা হতে পারে। যদিও বিশ্ববাসী জানে, ভারত কখনও অন্যের জমির দিকে ভুলেও দৃষ্টিপাত করে না৷ কখনও তার জমি অন্যের হাতে চলেও যেতে দেয় না।

বিপুল চিনা সাহায্য, তালিবান সরকারের চোখে আনন্দাশ্রু!

Taliban, Afghanistan

নিউজ ডেস্ক: তালিবান জঙ্গি সরকারকে ৩ কোটি মার্কিন ডলারের সাহায্য দেবে চিন। খাদ্য সামগ্রী এবং করোনাভাইরাস টিকা সহ আফগানিস্তানকে চিনা মূদ্রায় ২০ কোটি ইউয়ান যার আন্তর্জাতিক মূল্য ৩ কোটি ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার,সেই অর্থ চলে আসছে কাবুলে। আফগানিস্তানের পুনর্গঠনে মরিয়া হয়ে গিয়েছে চিন। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

আফগানিস্তানে দ্বিতীয়বার তালিবান সরকার গঠনের পরেই প্রতিবেশি দেশ চিন যোগাযোগ বজায় রাখতে প্রস্তুত। বেজিং থেকে কাবুলে অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি এসেছে। চিন সরকার বলেছে, আফগানিস্তানে একটি নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর সেখানে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে একটি দরকারি পদক্ষেপ হল আর্থিক উন্নয়ন।

বুধবার পাকিস্তান, ইরান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানের সরকারের সাথে বৈঠকের পর চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই আফগানিস্তানের জন্য আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেন।

বেজিং জানিয়েছে তারা আফগানিস্তানকে ৩০ লাখ ডোজ টিকা দেবে। গত১৫ অগস্ট আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণের অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে তালিবান। তারা আফগানিস্তানকে ইসলামি আমিরশাহী হিসেবে ঘোষণা করে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি আরও বহু দুরের ব্যাপার।

Taliban-চিন আঁতাতে বেজিংকে কটাক্ষ বাইডেনের

নিউজ ডেস্ক: দু’দশক পর আফগানিস্তানের দখল নিয়েছে তালিবানরা (Taliban)। তারপরেই বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনেরর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে কার্যত দু’ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দিনকয়েক আগেই ট্রাম্প জানিয়ে দেন, “আফগানিস্তানে যে লজ্জাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তার জন্য প্রেসি়ডেন্ট জো বাইডেনের উচিত পদত্যাগ করা।

আরও পড়ুন নতমস্তকে বাইডেন: প্রবীণ কমিউনিস্ট ভিয়েতকং গেরিলারা ফিরলেন সোনালি অতীতে

এবার আফগানিস্তানের সেই অবস্থা নিয়েই চিনকে একহাত নিলেন জো বিডেন। আমেরিকার সিদ্ধান্তে কোনও ভূল নেই আগেই জানিয়েছিলেন, এবার জানিয়ে দিলেন নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্যই হাত মিলিয়েছে তালিবান-বেজিং। ২৪ ঘন্টা আগেই নতুন সরকারের ঘোষণা করেছে তালিবান (Taliban)। নয়া সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে চিন, পাকিস্তান, রাশিয়া, তুরস্ক, ইরান ও কাতারকে আমন্ত্রণও জানিয়েছে। 

চিন, পাকিস্তান, রাশিয়ার মতো দেশগুলি নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্যই একসাথে হয়েছে। তালিবানদের সঙ্গে শুধু সমঝোতাই নয়, তাদের কাজে লাগানোর চেষ্টাও করবে তারা। ওরা সকলেই কী করা উচিত, তা বোঝার চেষ্টা করছে এক অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করা হলে এই মন্তব্যই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। 

Taliban government

চিনের তরফে এখনও অবধি তালিবানকে আফগানিস্তানের নতুন শাসক হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার না করা হলেও, গত জুলাই মাসেই বর্তমানের আফগানিস্তানের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী মোল্লা বরাদরের সঙ্গে দেখা করেছিলেন জিনপিং। সেই সময়ও চিনের তরফে জানানো হয়েছিল, তালিবানদের তাদের সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় সাহায্য করা হোক।

আমেরিকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ৯/১১ হামলার পরই তাদের ন্যাটো বাহিনী দখল নেয় আফগানিস্তানের। প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় আফগান সেনাদের, জেলবন্দি করা হয় তালিবানদের। বিশ্বজুড়ে আল কায়েদার যে দাপট ছিল, তাও নিয়ন্ত্রণে আনে মার্কিন সেনা। লক্ষ্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সন্ত্রাসমুক্ত করা। কিন্তু ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তালিবানদের সঙ্গে দোহায় চুক্তি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই চুক্তিতে বলা হয়, আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে মার্কিন সেনা, কিন্তু আমেরিকায় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বন্ধ রাখবে তারা। অন্য সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীকে আমেরিকায় হামলা করা থেকে বিরত রাখারও চেষ্টা করবে তালিবানরা।

এই চুক্তির পরেই নির্বাচনে হেরে যান ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসাবে ক্ষমতায় বসেন জো বাইডেন। কিন্তু, ক্ষমতায় এসেও তিনি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকেই পূনর্বহাল রাখেন। উল্টে জানান, এই বছরের সেপ্টেম্বরের আগেই আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। আমেরিকার ভবিষ্যতবানী ছিল, আগামী তিন মাসের মধ্যে আফগানিস্তান দখল করবে তালিবানরা। যদিও সে হিসেব উল্টে তিনদিনের মধ্যে কাবুল দখল করেছে তালিবানরা।

অনেক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞই ভেবেছিলেন, তালিবানদের বাড়বাড়ন্ত দেখে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখবেন বাইডেন। কিন্তু সিদ্ধান্ত না বদলে বাইডেন জানান, “আফগান নেতাদের একজোট হতেই হবে। আফগানিস্তানের সেনার সংখ্যা তালিবানদের তুলনায় অনেক বেশি। তাদের দেশের জন্য লড়াই চালাতেই হবে।” এরপরেই বাইডেনকে কটাক্ষ করে আমেরিকানদের উদ্দেশ্য করে টুইট করেন ট্রাম্প। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “আমায় মিস করছেন কি?” শুধু তাই নয়, আমেরিকায় করোনা পরিস্থিতি, অর্থনীতি সহ নানা বিষয়েও বাইডেনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।